ঢাবি এলামনাই বরিশাল বিভাগের স্মরণীয় প্রীতি সম্মেলন

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ : কয়েকদিনের ধারাবাহিকতায় শনিবারেও বরিশালের আকাশটা ছিল মেঘলা। মাঘের হাড় কাপাঁনো শীত না থাকলেও অব্যাহত ছিল গুমোট ভাব।

তবে প্রকৃতির এই হেয়ালিপনা একটুও যেন আঁচড় কাটতে পারেনি চরমোনাইয়ের রাজার চরের সমাগমকে।

কাটবেই বা কী করে ওখানে যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই এসোসিয়েশন বরিশাল বিভাগের প্রীতি সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বসেছিল ‘বরিশাইল্লা ঢাবিয়ান’দের মিলন মেলা।

অগ্রজ-অনুজ-কিংবা সহপাঠিদের সাথে সাক্ষাতের সময়টা আড্ডা -গল্প  আর ভবিষ্যত কর্ম পরিকল্পনায় রাঙিয়ে নিতে ব্যস্ত ছিল সবাই।

সাথে ছিল ঐতিহ্য আর স্বাদের সমন্বয়ে মজাদার খাবারের আয়োজন। ভোজন রসিকদের মন রাঙাতে সকালে ছিলো খিচুড়ি চিকেন, কুষ্টিয়ার আসল কুলফি মালাই, দুপুরে কলাই শাক, লাল চিংড়ি, খাসি ও গরুর মাংস, চিংড়ি ভুনা, বোম্বাই মরিচের ডাল, খেজুর গুড়ের পায়েস, বিকেলে খেজুরের গুড়ের সাথে চিতাই পিঠা। খাবারের এই আয়োজনে ডায়েটে থাকা ডুয়া সদস্যরাও যেন একদিনের জন্য ভুলে গিয়েছিলেন কঠোর বিধিনিষেধ।

দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে বরিশাল বিভাগে ডুয়া’র প্রায় এক হাজার সদস্যের মধ্যে তিন শতাধিক অংশ নেন।

দিনশেষে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও র‌্যাফেল ড্রয়ের আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ডুয়া’র সদস্য সচিব এ টি এম আবদুল বারী ড্যানী। বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন বরিশাল ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মামুন-অর-রশিদ এবং বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. ইউনুস আলী সিদ্দিকী।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে আরও বক্তব্য রাখেন ডুয়া অর্থ উপ-কমিটির সদস্য সচিব ও স্যোসাল ইসলামী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুস সায়াদাত, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য (দপ্তর) বায়েজীদ বোস্তামী ও মো. তহা। এছাড়াও নিউ ভিশন গ্রুপের এমডি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাইয়ের অর্থ কমিটির সদস্য মো. তারিকুল ইসলাম মনির গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আবদুল বারী ড্যানী ডুয়া’র বর্তমান আহ্বায়ক কমিটির নানা কর্মকান্ড তুলে ধরে বলেন, বর্তমান কমিটির শিক্ষার্থীদের বৃত্তি কর্মসূচি আরও জোরদার করছে। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের বৃত্তির পরিমাণ আড়াই হাজার টাকা থেকে তিন হাজার টাকায় বৃদ্ধি করা হয়েছে। এছাড়া, ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ বছরের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি কর্মসূচির আওতায় আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

ডুয়া’র সদস্য সচিব বলেন, “আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-এটি আমাদের অহংকার। এই অহংকারের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতাও এসে যায়। যে কারণে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কর্মকান্ডে দেশে ও বিদেশে অবস্থান করা শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছি। এরই ধারাবাহিকতায় আজকের বরিশাল বিভাগীয় সম্মেলনে উপস্থিত হয়েছি।”

তিনি বলেন, “আমরা পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন বিভাগে ও জেলা শহরে অ্যালামনাই অ্যাসেোসিয়েশনের সদস্যদের খুঁজে বের করতে সম্মেলন করার প্রয়াস শুরু করেছি। এতে একদিকে কেন্দ্রীয় অ্যালামনাই সঙ্গে শাখা অ্যালমানাইগুলোর আন্তসম্পর্ক যেমন জোরদার হবে, তেমনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কর্মকান্ডে তাদের অংশগ্রহণও তরাণ্বিত হবে।”

আবদুল বারী ড্যানী বলেন, দীর্ঘদিন যাবত ডুয়া’র সদস্য অন্তর্ভুক্তি কার্যক্রম বন্ধ ছিল। আমরা শীঘ্রই নতুন সদস্য অর্ন্তভুক্তি কার্যক্রম শুরু করবো। এ জন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা ডুয়া’র কাংখিত সম্প্রসারণ করতে চাই, একে গতিশীল করতে চাই এবং বিশ্ববিদালয়ের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে ডুয়া’র সদস্যদের কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত হতে চাই।”




বাউফলে যুবদল নেতার বাধায় নির্ধারিত কবরস্থানে নারীর লাশ দাফন ব্যাহত

পটুয়াখালীর বাউফলে এক যুবদল নেতার কারণে নির্ধারিত কবরস্থানে এক নারীর লাশ দাফন করা সম্ভব হয়নি। প্রায় ২০ ঘণ্টা পর অন্য জায়গায় তার লাশ দাফন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

যুবদল নেতার নাম মো. আহাদুল ইসলাম ওরফে টিপু খান (৪৮)। তিনি উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি। স্থানীয় বাসিন্দা এবং নিহত পরিবারের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মদনপুরা গ্রামের চৌকিদার পরিবার ও খান পরিবারের মধ্যে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।

শুক্রবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে মো. মতলেব চৌকিদারের স্ত্রী মোসা. রাশেদা বেগম (৬০) ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। স্বজনরা তাকে মতলেব চৌকিদারের বড় ভাই ও ভাবির কবরের পাশে দাফন করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু খবর পেয়ে যুবদল নেতা টিপু খান লোকজন নিয়ে সেখানে বাধা দেন। এতে মৃত নারীর স্বজনরা বাউফল থানায় গিয়ে সুরাহা না পেয়ে শনিবার সকাল ৯টার দিকে আবদুল মতলেব গাজীর জায়গায় লাশ দাফন করেন।

মারা যাওয়া নারীর একমাত্র ছেলে মো. মাহফুজুর রহমান (৩৫) অভিযোগ করেছেন, তাদের পরিবারের সবাই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, মায়ের লাশ পারিবারিক কবরস্থানে চাচা ও চাচির কবরের পাশে দাফন করা হবে, তবে যুবদল নেতা টিপু খানের বাধার কারণে তা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে যুবদল নেতা মো. আহাদুল ইসলাম টিপু খান সাংবাদিকদের বলেন, “যেখানে কবর দিতে চেয়েছিলেন, সেই জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান। আমি কোনো বাধা দেইনি, তবে মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই জমিতে কোনো কার্যক্রম না করার জন্য বলেছি।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পটুয়াখালীতে মরিচ চাষে কৃষকদের নতুন আশা, আবাদ বাড়ছে দ্বিগুণ

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের চরাঞ্চলসহ আবাদি ও অনাবাদি জমিতে এবার ব্যাপকভাবে মরিচের চাষাবাদ শুরু হয়েছে। কৃষকরা চাহিদার কথা চিন্তা করে এবং লোকসান কাটিয়ে উঠতে মরিচের চাষ করছে। মাঠজুড়ে মরিচ গাছের শোভা দেখে মনে হয় লাল-সবুজ গালিচা বিছানো। এমন দৃশ্য কৃষকদের মধ্যে আনন্দের ঝিলিক ফুটিয়ে তুলেছে। চলতি মৌসুমে মরিচের ফলন ভালো হওয়ার পাশাপাশি মরিচের ঝালও বেশি হবে বলে জানান চাষিরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় মিন্টু সুপার, লঙ্কা, হাইব্রিড-৬৫৩, বীজ প্লাস, সানী ও বিজলী প্লাসসহ নানা জাতের মরিচের আবাদ হয়েছে। কৃষকরা উৎপাদিত মরিচ স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন জেলায় বাজারজাত করে থাকে। মাঠ থেকে মরিচ তোলার কাজে নারী, পুরুষ এবং শিশুরা দলবেধে অংশগ্রহণ করে। স্কুল বন্ধ থাকলে শিশুরাও তাদের পরিবারকে সাহায্য করে মরিচ তোলার কাজে। এছাড়া কৃষক পরিবারের বাইরেও নারী শ্রমিকরা মরিচ তোলার কাজে যুক্ত হন।

কৃষকদের মতে, খেত থেকে যারা মরিচ তুলে আনেন তাদেরকে ৪ ভাগের ১ ভাগ দিতে হয়। মরিচ চাষের জন্য পানি সেচ, সার, ওষুধ ও পরিচর্যায় অনেক টাকা ব্যয় হয়।

উপজেলার রনগোপালদী গ্রামের মরিচ চাষী মো. শাহ আলম জানান, গত কয়েকবছরের চেয়ে এবারের মরিচের ফলন ভালো হবে এবং অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারে মরিচ চাষ দ্বিগুণ হয়েছে। কৃষকরা কৃষি অফিসের পরামর্শ নিয়ে মরিচের চাষ করছেন। বিগত বছরগুলোতে ভালো ফলন ও কাক্সিক্ষত দাম পাওয়ায় অনেক কৃষক মরিচ চাষে ঝুঁকেছেন।

মরিচ চাষী হাবিব জানান, ধান ও গমের মতো যদি সরকার মরিচের মূল্য নির্ধারণ করত, তবে কৃষকরা আরো লাভবান হতেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ৭টি ইউনিয়নের ৫০০ হেক্টর জমিতে মরিচের আবাদ হয়েছে। প্রতি হেক্টরে গড়ে ১০-১২ টন কাঁচা মরিচ এবং ২-৩ টন পাকা ও শুকনো মরিচ উৎপাদিত হয়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। একই ইউনিয়নের মরিচ চাষী সেলিম জানান, গতবছর ভালো দাম পাওয়ায় এবারে তিনি বেশি জমিতে মরিচ চাষ করেছেন এবং ফলন ভালো হবে বলে আশা করছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জাফর আহমেদ বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবারের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যেতে পারে। তবে কৃষকদের ন্যায্য দাম পাওয়াটা অত্যন্ত জরুরি, অন্যথায় আগামীতে অনেক কৃষক মরিচ চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বিবৃতি প্রত্যাখ্যান তিতুমীর শিক্ষার্থীদের, অনশন চালবে

সরকারি তিতুমীর কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর এবং ৭ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা গত কয়েকদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছে। তারা মহাখালী-গুলশান সড়ক অবরোধ করে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন, যা সাধারণ মানুষের জন্য চরম ভোগান্তি তৈরি করেছে।

শিক্ষার্থীরা দাবি করছেন, সরকারের তরফ থেকে তাদের দাবির প্রতি কোনো মনোযোগ না দেওয়ায় তারা আমরণ অনশনে বসেছেন। এদিকে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় তাদের আন্দোলনের বিষয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে, কিন্তু শিক্ষার্থীরা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি প্রত্যাখ্যান করে তাদের আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছেন।

তিতুমীর কলেজের ছাত্র আলী আহমদ জানান, বিশ্ব ইজতেমার জন্য তারা শনিবার সকাল ৬টা থেকে ১১টা পর্যন্ত তাদের আন্দোলন শিথিল রাখবেন। তবে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনশন চলবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ঢাকার সাত কলেজ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের কাজ চলছে এবং তিতুমীর কলেজের বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে। মন্ত্রণালয় আন্দোলনকারীদের ধৈর্য ধারণ করার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, এ ধরনের কর্মসূচি জনজীবনে সমস্যা সৃষ্টি করছে এবং কলেজের শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটাচ্ছে।

এদিকে, আন্দোলনের জেরে শুক্রবার সকালে অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে দুই শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। গত ২৯ জানুয়ারি থেকে শিক্ষার্থীরা তাদের দাবির জন্য আমরণ অনশন শুরু করেছে। তাদের ৭ দফা দাবি মধ্যে রয়েছে তিতুমীর কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া, শিক্ষার্থীদের আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, এবং আন্তর্জাতিক মানের কোর্স চালু করা।

শিক্ষার্থীরা ইতোমধ্যে সরকারকে তাদের দাবির বিষয়ে একটি সমাধান না দেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সংকল্প প্রকাশ করেছেন।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




সিন্ডিকেট করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি এখনো অব্যাহত: শায়খে চরমোনাই

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই বলেছেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় থাকার পরেও দেশের জনগণের নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়নি। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দুর্নীতি এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। শনিবার (১ ফেব্রুয়ারী) বরিশালের অশ্বিনী কুমার টাউন হল মিলনায়তনে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের বরিশাল জেলা ও মহানগরের যৌথ উদ্যোগে জেলা ও নগর যুব সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন তিনি।

শায়খে চরমোনাই বলেন, “আমাদের রাজনীতি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও কল্যাণের জন্য হওয়া উচিত। দুর্নীতি, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি এবং সিন্ডিকেট সৃষ্টি কোনও রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের কাজ হতে পারে না।” তিনি আরও বলেন, “যারা রাজনীতিকে অর্থ উপার্জনের হাতিয়ার বানিয়েছে, তারা অতীতে দেশের দুর্নীতিতে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন করেছে। রাষ্ট্র সংস্কারের পাশাপাশি যেসব রাজনৈতিক দলের পদপদবি ব্যবহার করে তাদের নেতা-কর্মীরা আঙ্গুল ফুলে বটগাছ হয়ে উঠেছে, তাদের রাজনীতিরও সংস্কার করা প্রয়োজন।”

এই সম্মেলনে ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের বরিশাল জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুহাম্মাদ সানাউল্লাহর সভাপতিত্বে এবং হাফেজ মাওলানা মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের পরিচালনায় বিভিন্ন বিশিষ্ট অতিথি ও নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমেরিকার জ্যামাইকা জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মির্জা আবু জাফর বেগ, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক মাওলানা মুহাম্মাদ আল আমিন, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) মাওলানা মুহাম্মাদ রফিকুল ইসলাম, এবং সংগঠনের কেন্দ্রীয় যুব উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মাদ ইউনুস তালুকদার।

সম্মেলনে বক্তারা ছাত্র ও যুব সমাজের ভূমিকা তুলে ধরেন এবং এদেশের ভবিষ্যতের জন্য তাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

শেষে, প্রধান অতিথি ২০২৫-২৬ সেশনের জন্য জেলা ও মহানগর কমিটি ঘোষণা করেন। নবগঠিত জেলা কমিটির সভাপতি হলেন হাফেজ মাওলানা মোহাম্মাদ আরমান হোসেন রিয়াদ, সহ-সভাপতি মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ শাকিল মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা মোহাম্মাদ সুলাইমান। নবগঠিত মহানগর কমিটির সভাপতি হলেন হাফেজ মাওলানা মোহাম্মাদ রেজাউল করীম, সহ-সভাপতি মাওলানা আইয়ুব আনসারী, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা জাহিদুল ইসলাম।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




লিবিয়া উপকূলে ২০ বাংলাদেশির মরদেহ ভেসে আসার খবর

ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম | ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫: লিবিয়ার ব্রেগা উপকূলে ভূমধ্যসাগরে একটি নৌকাডুবির ঘটনায় ২০ জন বাংলাদেশির মরদেহ ভেসে আসার খবর পাওয়া গেছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ওই নৌকাটি ইতালি যাওয়ার পথে ডুবে গিয়ে বেশ কয়েকজন অভিবাসন প্রত্যাশী প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের মধ্যে বাংলাদেশিরাও থাকতে পারে।

লিবিয়ায় বাংলাদেশের দূতাবাসের একজন কর্মকর্তা বাংলানিউজকে জানিয়েছেন, “আমরা বিভিন্ন সূত্র থেকে জানতে পেরেছি, ইতালি যাওয়ার পথে নৌকাডুবির ঘটনায় ২০ বাংলাদেশি মারা গেছেন, তবে এখনও আমরা চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত নই। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি।”

সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা গেছে, ২৪ জানুয়ারি লিবিয়া উপকূল থেকে একটি নৌকা ভূমধ্যসাগরের মাধ্যমে ইতালি উদ্দেশ্য রওয়ানা দেয়। কিন্তু নৌকাটি ডুবে গিয়ে তার মৃতদেহ ব্রেগা উপকূলে ভেসে আসছে। তবে ওই নৌকায় ঠিক কতজন বাংলাদেশি ছিলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

এদিকে, বাংলাদেশ দূতাবাস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, “অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানানো যাচ্ছে যে, লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলে ভূমধ্যসাগরের ব্রেগা তীরে বেশ কয়েকজন অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় উদ্ধারকারী কর্তৃপক্ষের মতে, অভিবাসন প্রত্যাশীদের একটি নৌকা ডুবে যাওয়ার পর এসব মরদেহ ভেসে এসেছে। তবে, আমাদের কাছে এখনও নিশ্চিত তথ্য নেই।”

দূতাবাস স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং দুর্ঘটনায় মৃত, আহত বা ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশি নাগরিকদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি টিম ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, যেকোনো তথ্য জানাতে ফেসবুক কমেন্ট অথবা টেলিফোনে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়েছে। দাপ্তরিক নম্বর: +২১৮৯১৬৯৯৪২০২ ও +২১৮৯১৬৯৯৪২০৭।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




স্বৈরাচার যেকোনো সময় মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে: তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “স্বৈরাচারের মাথাটা পালিয়ে গেছে। তবে এর কিছু কিছু অবশিষ্ট রয়ে গেছে এবং যেকোনো সময় তা নতুন আঙ্গিকে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে।” তিনি সতর্ক করে বলেন, দেশকে রক্ষা করতে হলে এবং দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বিকল্প নেই।

শুক্রবার (১ ফেব্রুয়ারি) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ আব্বাস উদ্দিন খান সোহাগপুর মডেল কলেজ মাঠে জেলা বিএনপির সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখছিলেন তারেক রহমান।

এ সময় তিনি আরও বলেন, “দেশে যদি পরিবর্তন আনতে হয়, তা হলে আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য সত্ত্বেও, আমরা এক হয়ে কাজ করতে হবে। আমাদের জন্য ৩১ দফা পরিকল্পনা রয়েছে, যার মাধ্যমে আমরা দেশের ভবিষ্যত প্রজন্মের শিক্ষার অধিকার, স্বাস্থ্যের অধিকার, বেকারত্ব দূরীকরণ, কৃষি ও শিল্প খাতে উন্নয়ন করতে চাই।”

তারেক রহমান বলেন, “কৃষককে ন্যায্যমূল্য দিতে চাই এবং দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন বৃদ্ধি যেন জনগণের জন্য দুর্বিষহ না হয়, তার জন্যও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “অচল কল-কারখানাগুলোকে সচল করতে হবে এবং আমাদের অসংখ্য নদী ও খাল খনন করতে হবে। আগামীতে সংসদের মেয়াদ ও সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে, কিন্তু এসবের ফয়সালা জনগণের ভোটের মাধ্যমেই হবে।”

তারেক রহমান গত ১৫ বছরে জনগণের ভোট দেওয়ার অধিকার না থাকার বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, “আমরা ভোটারবিহীন নির্বাচন, ডামি নির্বাচন ও ভোট ডাকাতির নির্বাচন দেখেছি। যদিও কিছু উন্নয়ন দৃশ্যমান হয়েছে, কিন্তু এই উন্নয়ন ঘটানোর নামে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে।”

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশটির রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বলেন, “বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ থেকে জাতিকে পথ দেখাতে হবে এবং দেশের অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐক্য গড়ে তুলতে হবে, যারা দেশের মানুষের স্বার্থে কাজ করতে চায়।”

সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান মো: বরকত উল্লাহ বুলু, কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ মো: সেলিম ভুইয়া, কেন্দ্রীয় অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন শ্যামল, এবং বিএনপির জেলা নেতৃবৃন্দ।

সম্মেলনের আয়োজনকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ছিল উৎসবের আমেজ। জেলা বিএনপির এই সম্মেলন দীর্ঘ এক যুগ পর অনুষ্ঠিত হয়, যা জেলার রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন আঙ্গিক নিয়ে আসে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




তরুণরা পুরো বিশ্বকে পাল্টে দিতে পারে : সোশ্যাল বিজনেস ইয়ুথ সামিটে প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, তরুণরা অসীম সম্ভাবনাময় এবং তারা পুরো বিশ্বকে পাল্টে দিতে পারে।

শনিবার ঢাকায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত ‘নবম সোশ্যাল বিজনেস ইয়ুথ সামিট’-এ বক্তৃতাকালে তিনি তরুণদের উদ্দেশে বলেন, “আমরা (তরুণরা) কেবল কয়েক বছরের মধ্যে পুরো বিশ্বকে পাল্টে দিতে পারি। এই কক্ষে যারা বসে আছেন, তাদের দিয়েই এটি সম্ভব। এটি খুব সহজ একটি কাজ।”

সামিটে ২৫টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করছেন।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, “হাজার মাইলের যাত্রা শুরু হয় প্রথম পদক্ষেপ দিয়ে, কিন্তু আসল প্রশ্ন হলো দ্বিতীয় পদক্ষেপে কীভাবে আরও উন্নতি করা যায়।”

তিনি জুলাই বিপ্লবের সময় ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের কথা উল্লেখ করে বলেন, “একটি ফ্যাসিবাদী শাসনকে উৎখাত করতে এক হাজারেরও বেশি তরুণ তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, আর আহতদের অনেকে হাত-পা হারিয়েছেন। তাদের এই আত্মত্যাগ কেবল একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে।”

ড. ইউনূস বলেন, “আজ পুরো দেশই এক ধরনের জাদুঘরে পরিণত হয়েছে এবং জাতি তরুণদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

তরুণদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশে তিনি বিশ্বের ২৫টি দেশ থেকে আগত প্রতিনিধিদের স্বাগত জানান।




অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বিচারবহির্ভূত হত্যা দুর্ভাগ্যজনক : ফখরুল

কুমিল্লায় যুবদল নেতা তৌহিদুল ইসলামকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেনের স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং বলেন, “ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পরে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থিত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এ ধরনের বিচারবহির্ভূত হত্যা দুর্ভাগ্যজনক।”

বিএনপি মহাসচিব বলেন, “কুমিল্লা জেলার সদর উপজেলার পাঁচথুবী ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক তৌহিদুল ইসলামকে সাদা পোশাকধারী লোকেরা বাসা থেকে তুলে নিয়ে নির্যাতন করে হত্যা করেছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, “এ ধরনের নির্মম ঘটনা রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের গতি-প্রকৃতির একটি প্রতিফলন হতে পারে।”

ফখরুল ইসলাম বলেন, “বিএনপির অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অঙ্গীকার ছিল গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড থেকে জাতিকে মুক্তি দেওয়া। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে যদি আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শাসন পুনরাবৃত্তি হয়, তাহলে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি হবে।”

তিনি আরও বলেন, “কোন সরকারি বাহিনীই আইন হাতে তুলে নিতে পারে না, এবং অপরাধীদের অবশ্যই আইনের আওতায় নিয়ে এসে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। বেআইনি হত্যাকাণ্ড সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে না, এটি শুধু আইনের শাসনকে অবজ্ঞা করে এবং দেশে অন্ধকারে ঠেলে দেয়।”

ফখরুল ইসলাম তৌহিদুল ইসলামের হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান এবং নিহতের পরিবারকে গভীর সমবেদনা জানান।




শিল্পের মর্যাদা আসবে শিল্পীর মাধ্যমে: প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

শিল্পের প্রকৃত মর্যাদা নিশ্চিত করতে শিল্পীদের মর্যাদার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করতে হবে, বলেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি আজ সকালে ধানমন্ডির সফিউদ্দিন গ্যালারিতে স্বশিক্ষিত শিল্পী নাজমা কবিরের দ্বিতীয় একক চিত্র প্রদর্শনীতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা দিতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন।

ফরিদা আখতার বলেন, “শিল্প প্রকৃতির অংশ এবং প্রকৃতিকে রক্ষা করতে হলে শিল্পীকে মর্যাদা দিতে হবে। শিল্পীদের প্রতি বৈষম্য না থাকার জন্য এবং তাদের উপযুক্ত সম্মান নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।” তিনি আরও বলেন, “গ্রাম-বাংলার অনেক শিল্পী রয়েছে, যারা আজও অবহেলিত, তাদের প্রতি আরও মনোযোগ দেওয়া উচিত।”

উপদেষ্টা শিল্পীদেরকে হাওর-বাওড়ের প্রকৃতি এবং পরিবেশের অবস্থা চিত্রের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “হাওরের যে সৌন্দর্য আমরা দেখতে পাই, তার বিপরীতে হাওরের কান্নাও চিত্রিত হওয়া উচিত।” তিনি ইটনা-মিঠামইন সড়কের জলপ্রবাহে বাধাগ্রস্ত হওয়ার কারণে মাছের প্রজাতির ক্ষতির কথা উল্লেখ করে শিল্পীদের কাছে এমন বিষয়গুলোও চিত্রিত করার আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, “শিল্পীরা প্রকৃতির নানা দিক যেমন মাছ, পাখি, নদী, বনজ প্রাণী চিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরতে পারেন। এগুলো প্রকৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা আমরা প্রায়ই উপেক্ষা করি।”

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফোকাস বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা মো. কাওসার হোসাইন এবং চিত্র শিল্পী রেজা নবী।

প্রদর্শনীতে প্রায় ৬০টি জলরঙ এবং অ্যাক্রিলিক পেইন্টিং প্রদর্শিত হবে, যেখানে শিল্পী নাজমা কবিরের প্রকৃতি, প্রাকৃতিক দৃশ্য এবং সি-স্কেপের প্রতি গভীর ভালোবাসা প্রতিফলিত হয়েছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম