কলাপাড়ায় অর্থনৈতিক শুমারির বিল আত্মসাতের অভিযোগ

কলাপাড়া উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা নুরাজ্জামানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক শুমারির বিলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আইটি সুপারভাইজার ও গণনাকারীরা।
বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় কলাপাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটিতে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জোন-১-এর আইটি সুপারভাইজার সাইফুল ইসলাম। এসময় গণনাকারী ফাতেমা ফেরদৌসী শান্তা ও কাওসার আহমেদসহ অন্যান্য গণনাকারীরা উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে সাইফুল ইসলাম জানান, তিনি ও ফাতেমা ফেরদৌসী শান্তা ১৩৬টি ইউনিটের তথ্য সংগ্রহ করেন, যার জন্য প্রতিজন ১৫,০০০ টাকা এবং প্রশিক্ষণ ফি বাবদ ১,৬০০ টাকা পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা নুরাজ্জামান তাদের বিলের টাকা পরিশোধ না করে গোপনে নিজের ও তার শ্বশুরের বিকাশ নম্বরে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।
এছাড়া, ভূয়া নাম ব্যবহার করে কয়েক লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।
মহিপুরে জোনাল অফিসার হিসেবে নিজের শ্যালককে নিয়োগ দিলেও তিনি কোনো প্রশিক্ষণ বা দায়িত্ব পালন করেননি, তবুও বিল গ্রহণ করেছেন।
ধানখালীতে ৬ জন সুপারভাইজার নিয়োগের কথা থাকলেও একজন দিয়ে কাজ করিয়ে বাকিদের নামে টাকা তোলা হয়েছে।
সোহেল নামে এক আইটি সুপারভাইজারকে দিয়ে সুপারভাইজার ও গণনাকারীর দায়িত্ব পালন করিয়ে বাকি টাকার আত্মসাৎ করা হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলায় ৫টি জোনের প্রতিটি জোনে ১ জন আইটি সুপারভাইজার, ৬-৭ জন সুপারভাইজার এবং ৪৮ জন গণনাকারী কাগজে-কলমে নিয়োগ থাকলেও বাস্তবে ৫০% এর কম নিয়োগ দিয়ে বাকি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কলাপাড়া উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা নুরাজ্জামান বলেন, “এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। সাইফুল ইসলামের স্ত্রীকে নিয়োগ না দেওয়ায় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে এসব মিথ্যা অভিযোগ ছড়াচ্ছেন।”
মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম









