একদিন প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন নাহিদ ইসলাম: প্রেস সচিব

অন্তর্বর্তী সরকারের সদ্য সাবেক তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম একদিন দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে, শফিকুল আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে নাহিদ ইসলামের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে এই শুভেচ্ছা জানান। তিনি ফেসবুকে লিখেন, ‘দেশের সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নাহিদ ইসলাম। তার বয়স মাত্র ২৬, এবং এরই মধ্যে তিনি একজন নৃশংস স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে একটি বড় বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি দেশের রাজনীতির অঙ্গনে আরও কয়েক দশক বড় বৈশিষ্ট্য হয়ে থাকবেন।’

পোস্টের শেষে শফিকুল আলম আরও উল্লেখ করেন, ‘একদিন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন।’

এর আগে, মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) নাহিদ ইসলাম অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




নাহিদ ইসলামকে রাজপথে স্বাগত জানালেন সারজিস আলম

নাহিদ ইসলাম, যারা ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা, তাকে রাজপথে স্বাগত জানালেন জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সারজিস আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে এক পোস্টের মাধ্যমে নাহিদ ইসলামকে অভিবাদন জানান। তিনি তার পোস্টে লিখেছেন, ‘এ তুফান ভারী, দিতে হবে পাড়ি, নিতে হবে তরী পার। রাজপথে স্বাগতম, সহযোদ্ধা’।

নাহিদ ইসলাম অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের টেলিযোগাযোগ, তথ্য ও ডাক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তবে, নতুন রাজনৈতিক দলে যোগ দিতে তিনি মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার কাছে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




দেশবাসীকে সতর্ক করে যা বললেন সেনাপ্রধান

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: দেশবাসীকে সতর্ক করে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলছেন, আপনারা যদি ভেদাভেদ ভুলে একসাথে কাজ না করতে পারেন, নিজেরা যদি কাদা ছোড়াছুড়ি করেন, মারামারি কাটাকাটি করেন। তাহলে এই দেশ এবং জাতির স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হবে।

২০০৯ সালে পিলখানায় সংঘটিত নির্মম হত্যাকাণ্ডে শাহাদাত বরণকারী শহিদ অফিসারদের স্মরণে মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, আমার একটাই আকাঙ্ক্ষা, দেশ ও জাতিকে একটা সুন্দর জায়গায় রেখে সেনানিবাসে ফেরত আসবো।

তিনি আরও বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপের পেছনে কিছু কারণ আছে। প্রথম কারণ হচ্ছে— আমরা নিজেরা হানাহানির মধ্যে ব্যস্ত। একজন আরেকজনের বিষোদ্‌গারে ব্যস্ত। এটা একটা চমৎকার সুযোগ অপরাধীদের জন্য। যেহেতু আমরা একটা অরাজক পরিস্থিতির মধ্যে বিরাজ করছি। তারা (অপরাধী) খুব ভালোভাবেই জানে এই সময়ে অপরাধ করলে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব। সেই কারণে এই অপরাধগুলো হচ্ছে। আমরা যদি সংগঠিত থাকি, একত্রিত থাকি তাহলে এটা সম্মিলিতভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি, ডিজিএফআই, এনএসআই এগুলো দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছে অতীতে। খারাপ কাজের সঙ্গে অসংখ্য ভালো কাজ করেছে। আজকে দেশের স্থিতিশীলতা, দেশটাকে এতো বছর স্থিতিশীল রাখা হয়েছে, এর কারণ হচ্ছে সশস্ত্র বাহিনীর বহু সেনা সদস্য ও সিভিলিয়ান সবাই মিলে এই অর্গানাইজেশনগুলোকে অসামরিক, সামরিক সবাই মিলে ইফেক্টিভ রেখেছে, সেজন্য এতোদিন ধরে একটা সুন্দর পরিবেশ পেয়েছি।

তিনি আরও বলেন, এর মধ্যে যারা কাজ করেছে, যারা অপরাধ করে থাকে তাদের শাস্তি হবে, অবশ্যই শাস্তি হতে হবে। নাহলে এই জিনিস আবার ঘটবে। আমরা সেটাকে চিরতরে বন্ধ করতে চাই। কিন্তু তার আগে মনে রাখতে হবে- আমরা এমনভাবে কাজটা করবো এই সমস্ত অর্গানাইজেশনগুলো আন্ডারমাইন্ড (অবমূল্যায়ন) না হয়।

সেনাবাহিনী প্রধান বলেন, আজকে পুলিশ সদস্য কাজ করছে না। এর বড় কারণ অনেকের বিরুদ্ধে মামলা, অনেকেই জেলে। র‍্যাব, বিজিবি, ডিজিএফআই, এনএসআই প্যানিকড (আতঙ্কিত)। বিভিন্ন গুম-খুনের তদন্ত চলছ। অবশ্যই তদন্ত হবে। দোষীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। এমনভাবে কাজটা করতে হবে যেন এই অর্গানাইজেশনগুলো আন্ডারমাইন্ড (অবমূল্যায়ন) না হয়। এই অর্গানাইজেশনগুলোকে আন্ডারমাইন্ড করে আপনারা যদি মনে করেন দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বিরাজ করবে, সবাই শান্তিতে থাকবেন, সেটা সম্ভব না। আমি পরিষ্কার করে বলে দিচ্ছি।

তিনি বলেন, এই দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব শুধু সেনাবাহিনীর না। দুই লাখ পুলিশ আছে, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসার ভিডিপি আছে। আমার আছে ৩০ হাজার সদস্য। ৩০ হাজার সদস্য দিয়ে আমি কীভাবে পূরণ করবো। ৩০ হাজার থাকে, আবার ৩০ হাজার চলে যায় ক্যান্টনমেন্টে, এটা দিয়ে আমরা দিন-রাত চেষ্টা করে যাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, যে সমস্ত উচ্ছৃঙ্খল কাজ হয়েছে সেটা আমাদের নিজস্ব তৈরি। বিপরীতমুখী কাজ করলে দেশে কখনো শান্তি-শৃঙ্খলা আসবে না। এই জিনিসটা আপনাদের মনে রাখতে হবে।

বিডিআর হত্যাকাণ্ডের তদন্তের কথা উল্লেখ করে সেনাপ্রধান বলেন, তদন্ত কমিশন হচ্ছে আরেকটা। আমরা চেষ্টা করবো তদন্ত কমিশনকে সহায়তা করতে। যে ধরনের সাহায্য-সহযোগিতার প্রয়োজন হয় আমরা করবো।

নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আমরা দেশে একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দিকে ধাবিত হচ্ছি। তার আগে যে সমস্ত সংস্কার করা প্রয়োজন অবশ্যই সরকার সেদিকে খেয়াল করবেন। ড. ইউনূস যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন দেশটাকে একত্রিত রাখতে। উনাকে আমাদের সাহায্য করতে হবে। উনি যেন সফল হতে পারে। সেদিকে আমরা সবাই চেষ্টা করবো। আসুন আমরা নিজেদের মধ্যে মারামারি, কাটাকাটি না করে একত্রিত থাকি। দেশ-জাতি যেন একসঙ্গে থাকতে পারে, সেইদিকে কাজ করতে হবে।

সেনাপ্রধান বলেন, আমাদের মধ্যে মতের বিরোধ থাকতে পারে, চিন্তা-চেতনার বিরোধ থাকতে পারে কিন্তু দিনশেষে দেশ ও জাতির দিকে খেয়াল করে আমরা যেন এক থাকতে পারি। তাহলেই দেশ উন্নত হবে, দেশটা সঠিক পথে পরিচালিত হবে। বিশ্বাস করেন নাহলে আমরা আরও সমস্যার মধ্যে পড়তে যাবো। ওদিকে আমরা যেতে চাই না।

তিনি সতর্ক করে বলেন, আমি আপনাদের সতর্ক করে দিচ্ছি, পরে বলবেন আমি সতর্ক করিনি। আপনারা যদি ভেদাভেদ ভুলে একসাথে কাজ না করতে পারেন, নিজেরা যদি কাদা ছোড়াছুড়ি করেন, মারামারি কাটাকাটি করেন। তাহলে এই দেশ এবং জাতির স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হবে। আমি আজকে বলে দিলাম, না হলে আপনারা বলবেন আমি সতর্ক করিনি। আমি সতর্ক করে দিচ্ছি আপনাদের। এই দেশ আমাদের সবার, সবাই সুখে শান্তিতে থাকতে চাই। আমরা চাই না হানাহানি, কাটাকাটি, মারামারি।

তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর প্রতি আক্রমণ করবেন না। একটা কমন জিনিস আমি দেখতে পাচ্ছি সেনাবাহিনী প্রধানের প্রতি বিদ্বেষ কারো কারো। কী কারণে আমি আজ পর্যন্ত এটা খুঁজে পাইনি। আমাদের সাহায্য করুন, আমাদের আক্রমণ করবেন না। আমাদের অনুপ্রাণিত করেন, আমাদের উপদেশ দেন। আমরা অবশ্যই ভালো উপদেশ গ্রহণ করব। আমরা একসঙ্গে থাকতে চাই দেশ ও জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, রাওয়ার চেয়ারম্যান কর্নেল মোহাম্মদ আব্দুল হক (অব), পিলখানা হত্যাকাণ্ডের শহীদ পরিবারের সদস্যরা, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ও জামায়াতে ইসলামীর সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরসহ আরও অনেকে।




বরিশালে মশার উপদ্রব বেড়েছে, নগরবাসী অতিষ্ঠ

বরিশাল শহরে বেড়েছে মশার উপদ্রব। নগরবাসী একদিকে মশা থেকে রক্ষা পেতে মশারি টানিয়ে, কয়েল জ্বালিয়ে সময় কাটাচ্ছেন, অন্যদিকে সিটি করপোরেশন মশা নিধনে যে পদক্ষেপ নিচ্ছে, তা কার্যকর হচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।

বরিশাল নগরীজুড়ে গত কয়েকদিন ধরে মশার উপদ্রব বেড়ে গেছে। নগরবাসী জানান, দিনের বেলাতেও মশার উৎপাতে তারা অতিষ্ঠ। অনেকেই মশার কয়েল ও মশারি ব্যবহার করেও উপশম পাচ্ছেন না। যদিও বরিশাল সিটি করপোরেশন থেকে মশার ওষুধ ছিটানো হচ্ছে, তাতে মশা নিধন হচ্ছে না বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।

সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা নিয়মিত মশা নিধনে কাজ করে যাচ্ছে। তবে নগরবাসীর অসচেতনতা এবং ময়লা-আবর্জনা যেখানে-সেখানে ফেলার কারণে মশার উপদ্রব বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী।

বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী জানিয়েছেন, তারা নিয়মিতভাবে নগরীর চারটি ওয়ার্ডে মশার স্প্রে এবং ফগার মেশিনের মাধ্যমে ওষুধ ছিটাচ্ছেন। তিনি আরো বলেন, এই ওষুধ সম্পূর্ণ কার্যকর এবং মশার ৯০% লার্ভা ধ্বংস হচ্ছে। তবে, নগরবাসীর ময়লা ফেলার প্রবণতা মশার উপদ্রব বাড়াচ্ছে।

এছাড়া, বরিশাল সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা খন্দকার মঞ্জুরুল ইসলাম শুভ্রও জানান, মশার লার্ভা ৯০% পরিমাণে নিধন করা সম্ভব হয়েছে। তারা প্রতিদিন মাঠ পর্যায়ে তদারকি করে মশার ওষুধ ছিটানোর কাজ অব্যাহত রেখেছেন।

নগরবাসী অভিযোগ করেছেন যে, সিটি করপোরেশন থেকে ময়লা পরিষ্কার না করার কারণে মশার উপদ্রব দিন দিন বেড়ে চলেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মশার ওষুধ ছিটানো হলেও তাতে মশা মরে না, বরং বাইরের মশা ঘরে ঢুকে আরও সমস্যা সৃষ্টি করছে। অনেকের মতে, সিটি করপোরেশন যে মশার ওষুধ ব্যবহার করছে তা সঠিকভাবে কার্যকর নয়।

বরিশাল সুশীল সমাজের প্রতিনিধি গোপাল সরকার জানান, “মশার উপদ্রব বেড়ে যাওয়ার পেছনে সঠিক মিশ্রণ না হওয়া বা ওষুধের মান খারাপ থাকতে পারে।” তিনি আরও বলেন, মশার উৎসব যেন চলছে বরিশাল নগরীতে।

বরিশাল সিটি করপোরেশন জানিয়েছে, মশা নিধনের কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। বর্তমানে ১৮টি ফগার মেশিন এবং ৬০টি হ্যান্ড স্প্রে মেশিনের মাধ্যমে মশা নিধনের কাজ চলমান রয়েছে। সিটি করপোরেশনের চিকিৎসকরা মাঠ পর্যায়ে গিয়ে কার্যকারিতা পরীক্ষা করছেন।

এদিকে, গত বছর মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়েছিল প্রায় আড়াই হাজার মানুষ। এর মধ্যে ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৪৪ জন, তবে এখন পর্যন্ত কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

নগরবাসী দাবি করেছেন, সিটি করপোরেশন যদি সময়মতো ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার না করে এবং কার্যকর মশা নিধন ব্যবস্থা না নেয়, তবে বর্ষা মৌসুমে মশার উপদ্রব আরও বেড়ে যাবে।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




পদত্যাগপত্রে নাহিদ ইসলামের ভাষণ: দেশ ও জাতির স্বার্থে পদত্যাগের ঘোষণা

অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম আজ (২৫ ফেব্রুয়ারি) পদত্যাগ করেছেন। তিনি তার পদত্যাগপত্রটি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দেন।

পদত্যাগপত্রে নাহিদ ইসলাম লেখেন, “মহোদয়, প্রথমেই আমি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ ও আহত সহযোদ্ধাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানের পর ছাত্র-জনতার আহ্বানে সাড়া দিয়ে নতুন বাংলাদেশ নির্মাণের দায়িত্ব গ্রহণ করায় আপনার প্রতি আমি চিরকাল কৃতজ্ঞ। বৈষম্যহীন, ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত উন্নত বাংলাদেশ গড়তে আপনার নেতৃত্বে গঠিত উপদেষ্টা পরিষদে আমাকে দায়িত্ব দেওয়ার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।”

তিনি আরও জানান, গত ০৮ আগস্ট ২০২৪ তারিখে শপথ নেওয়া উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে তিনি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন শুরু করেন। তিনি বলেন, “নানামুখী চ্যালেঞ্জের মধ্যেও আপনার নেতৃত্বে দায়িত্ব পালনে সদা সচেষ্ট থেকেছি। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে, দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে, আমি মনে করি যে, আমার ছাত্র-জনতার কাতারে অবস্থান করা উচিত।”

শেষে, তিনি তার পদত্যাগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন, “এমতাবস্থায়, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা পদ থেকে অব্যাহতি চাচ্ছি। আমার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করার জন্য মহোদয়কে অনুরোধ করছি।”

এছাড়া, নাহিদ ইসলাম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির উদ্যোগে একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, যা আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি আত্মপ্রকাশ করবে। নতুন দলটির নেতৃত্ব দেবেন তিনি, আর এ কারণেই তিনি উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




সরকারে থাকার চেয়ে রাজপথে থাকা বেশি প্রয়োজন, তাই পদত্যাগ করেছি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: আমি মনে করেছি সরকারে থাকার চেয়ে রাজপথে থাকা বেশি প্রয়োজন, তাই পদত্যাগ করেছি বলে মন্তব্য করেছেন সদ্য পদত্যাগ করা অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, আমি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি, সব কমিটি থেকে ইস্তফা দিয়েছি।

নাহিদ বলেছেন, গণঅভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে ৮ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের প্রতিনিধি হিসেবে তিনজন অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেই। তখন দেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করা আমাদের কাছে মনে হয়েছিল যৌক্তিক। গত সাড়ে ছয় মাসের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার কাজ করছে। হয়ত আমরা আশানুরূপ ফলাফল এখনো পাইনি। কিন্তু আমার কাছে মনে হয়েছে সরকারে একটা স্ট্যাবিলিটি এসেছে।

‘ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, সরকারের বাইরে দেশের যে পরিস্থিতি, সেই পরিস্থিতিতে একটি রাজনৈতিক শক্তি উত্থানের জন্য আমার রাজপথে থাকা প্রয়োজন। ছাত্র-জনতার কাতারে থাকা প্রয়োজন,’ বলেন সদ্য পদত্যাগ করা এই উপদেষ্টা।

তিনি বলেন, আমরা যে গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা করি, সে আকাঙ্ক্ষার জন্য এবং গণঅভ্যুত্থানে যেসব ছাত্র-জনতা অংশগণ করেছে সেই শক্তিকে সংহত করতে আমি মনে করছি, সরকারের থেকে সরকারের বাইরে রাজপথে আমার ভূমিকা বেশি হবে। বাইরে যে আমাদের সহযোগী যোদ্ধা রয়েছে তারাও এটি চান। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজকে মূলত পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছে।




উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের পদত্যাগ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : পদত্যাগ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম। নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের লক্ষ্যে তার এ পদত্যাগ বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিকে দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা অনির্ধারিত বৈঠকে বসেছে। দুপুর আড়াইটার দিকে যমুনার সামনে এ বৈঠকের বিষয়ে সাংবাদিকদের জানানো হবে বলে প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে।

গত কয়েকদিন ধরেই গুঞ্জন চলছিল নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক দল আসছে। উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামও বেশ কয়েকবার জানিয়েছিলেন পদত্যাগ করেই তিনি নতুন দলে যোগ দেবেন। আজকে তার পদত্যাগের মধ্যদিয়ে সে পথ অনেকটা সুগম হলো। আগামী শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ছাত্রদের পক্ষ থেকে নতুন রাজনৈতিক দল আত্মপ্রকাশের ঘোষণা দেওয়া হবে।

রাজধানীর মানিকমিয়া অ্যাভিনিউয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ ঘটবে। নতুন এ দলের নাম না জানা গেলেও এর নেতৃত্বে নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব হবেন আকতার হোসেন থাকবেন বলে জানা গেছে।

নতুন রাজনৈতিক দলের মুখপাত্র এবং মুখ্য সংগঠক পদে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম থাকার জোর সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া শীর্ষ পদগুলোতে নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ, মুখপাত্র সামান্তা শারমিন, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, তাসনিম জারা ও আরিফুল ইসলাম আদীব, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব আরিফ সোহেল, মুখ্য সংগঠক আবদুল হান্নান মাসউদ থাকবেন বলে জানা গেছে।

এদিকে নাহিদ ইসলামকে ট্যাগ করে জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক সারজিস আলম দুপুরে ফেসবুক দেওয়া এক পোস্টে লিখেছেন, ‘এ তুফান ভারী, দিতে হবে পাড়ি, নিতে হবে তরী পার। রাজপথে স্বাগতম সহযোদ্ধা।’




দশমিনায় এক রাতে ২২ ঘর চুরি, আতঙ্কে মতুয়া সম্প্রদায়ের পরিবার

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় এক রাতেই ২২টি ঘরে চুরির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে উপজেলার রনগোপালদী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের আউলিয়াপুর গ্রামে মতুয়া সম্প্রদায়ের বাড়িগুলোতে এ চুরির ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত দেড় মাস আগে মতুয়া সম্প্রদায় ও কৃষ্ণ ভক্তদের মধ্যে মন্দির দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়, যেখানে কৃষ্ণ ভক্তদের একজন নিহত হন। এ ঘটনায় মামলা হলে মতুয়া সম্প্রদায়ের পুরুষ সদস্যরা এলাকা ছেড়ে চলে যান। ফলে সম্প্রদায়টির পরিবারগুলোতে কেবল নারী ও শিশুরা অবস্থান করছিল।

সোমবার রাত ১২টা থেকে ১টার মধ্যে পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে পড়লে চোরচক্র একযোগে ২২টি ঘরে হানা দেয়। ফজরের আজানের সময় উত্তম চন্দ্র হাওলাদার প্রকৃতির ডাকে বাইরে বের হয়ে দেখেন, তার ঘরের দরজা খোলা, মালামাল এলোমেলো পড়ে আছে। চিৎকার দিলে অন্য ঘর থেকেও লোকজন বের হয়ে একই অবস্থা দেখতে পান। চোরেরা নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, থালা-বাটি ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী উত্তম চন্দ্র হাওলাদার বলেন, “একসঙ্গে এতগুলো ঘর চুরির ঘটনা দশমিনায় প্রথমবার ঘটল। একটি দক্ষ চক্রই এই ঘটনা ঘটিয়েছে।”

বকুল চন্দ্র হাওলাদার বলেন, “আমাদের সম্প্রদায়ের পুরুষরা মামলা সংক্রান্ত কারণে এলাকা ছেড়ে থাকায় দুর্বৃত্তরা এই সুযোগ কাজে লাগিয়েছে। এটি কোনো সাধারণ চুরির ঘটনা নয়, একটি শক্তিশালী চক্র জড়িত রয়েছে।”

কৃষ্ণ ভক্ত স্বপন বলেন, “এক রাতে ২২টি ঘর চুরি হওয়ার পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অপরাধীদের শাস্তির দাবি জানাই।”

রনগোপালদী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য অসিম সমাদ্দার বলেন, “মতুয়া সম্প্রদায়ের পুরুষশূন্যতার সুযোগ নিয়ে দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে। এটি কোনো সাধারণ চুরি নয়, স্থানীয় ও অন্য উপজেলার লোকজন জড়িত থাকতে পারে। বিষয়টি চেয়ারম্যানকে জানিয়েছি।”

দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ আবদুল আলীম বলেন, “এ বিষয়ে এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




গলাচিপায় ভাতিজা হত্যাকাণ্ড: চাচাসহ ৪ আসামি গ্রেফতার

পটুয়াখালীর গলাচিপায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে চাচার হাতে ভাতিজা শামীম (৩০) হত্যার ঘটনায় এজাহারভুক্ত চার পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন

  • কুদ্দুস সিকদার (৫৫)
  • তার স্ত্রী রেহেনা বেগম (৪৮)
  • পুত্র এনামুল সিকদার (২৩)
  • মেয়ে সুখী বেগম (২৫)

গ্রেফতার অভিযান

পটুয়াখালী র‍্যাব-৮ সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮ এর তথ্য অনুযায়ী শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা গ্রামে অভিযান চালানো হয়। এসময় ফজলু সরদারের বাড়ি থেকে তাদের গ্রেফতার করে র‍্যাব-১২। পরে তাদের পাবনা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয় এবং রবিবার সকালে তাদের গলাচিপায় নিয়ে আসা হয়।

হত্যাকাণ্ডের পেছনের ঘটনা

গত ১৩ ফেব্রুয়ারি গলাচিপা উপজেলার গ্রামর্দন গ্রামে চাচা কুদ্দুস সিকদার বিরোধীয় জমিতে বসতঘর তুলতে গেলে ভাতিজা শামীম সিকদারসহ কয়েকজন বাধা দেন। এতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে এবং তিনজন গুরুতর আহত হন। শামীমকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে ১৫ ফেব্রুয়ারি চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

 

এ ঘটনায় নিহতের মা করফুল নেছা বাদী হয়ে গলাচিপা থানায় মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতার হওয়া চারজনই ওই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি।

গলাচিপা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. সৈয়দউজ্জামান বলেন, “শামীম হত্যার ঘটনায় গলাচিপা থানায় মামলা হলে প্রযুক্তি ও র‍্যাবের সহায়তায় আসামিদের পাবনা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।”

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি: শিল্প খাতে বিপর্যয়ের আশঙ্কা

দেশের শিল্প খাত বর্তমানে নানা কারণে গভীর সংকটে। গ্যাস-বিদ্যুতের অভাব, উচ্চ সুদের হার, ডলার সংকট এবং ঋণপত্র খোলার হার কমে যাওয়ার মতো সমস্যা বাড়ছে। এর ফলে কয়েক শ কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে এবং অনেক কারখানা কার্যক্রম চালাতে পারছে না। অনেকেই নিয়মিত বেতন-ভাতা দিতে পারছে না, ফলে শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে।

এদিকে, সরকার গ্যাসের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে, যা শিল্প খাতে আরও চাপ সৃষ্টি করবে। গত রবিবার রাজধানীতে বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ ও ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত সেমিনারে বক্তারা বলেছেন, গ্যাসের দাম দ্বিগুণ হলে বিনিয়োগ কমবে এবং আমদানিনির্ভরতা বাড়বে। এভাবে গেলে দেশের অর্থনীতি সংকটে পড়বে।

পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মাসরুর রিয়াজ জানান, গ্যাসের দাম বাড়ানোর কারণে উৎপাদন খাতে ব্যয় বৃদ্ধি পাবে, যা প্রতিযোগিতা কমাবে। নতুন বিনিয়োগেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। বিশেষ করে সিমেন্ট, ইস্পাত ও সিরামিক খাতে আমদানিনির্ভরতা আরও বাড়বে।

বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স (বিসিআই) এর সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী বলেন, গ্যাসের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত শিল্প খাতে আরও সংকট সৃষ্টি করবে। তিনি দাবি করেন, সরকার যদি শিল্প খাতে সহায়তা না করে, তবে বর্তমান শিল্পগুলোও টিকিয়ে রাখা যাবে না।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, নারায়ণগঞ্জ ও সাভারের শিল্প এলাকায় গ্যাসের সংকটের কারণে উৎপাদন কমে গেছে। ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে, যার ফলে সরবরাহ চেইনেও বিপর্যয় সৃষ্টি হচ্ছে।

এ অবস্থায়, গ্যাসের দাম বৃদ্ধি করলে শিল্প খাতের বিপর্যয় নিশ্চিত। ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন, এমন কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত নয়, যা দেশের শিল্প খাতের উন্নয়নে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম