‘আবারও সময় এসেছে সবাই মিলে দেশ গড়ার’ : তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বলেছেন, “আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি, লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছিল। আবারও সময় এসেছে সবাই মিলে দেশ গড়ার।”

বেলা ৩টা ৫০ মিনিটে গণসংবর্ধনা মঞ্চে উঠে বেলা ৩টা ৫৭ মিনিটে তিনি বক্তব্য শুরু করেন। শুরুতেই তিনি বলেন,
“প্রিয় বাংলাদেশ। এই দেশ সবার, সকল ধর্মের। আজ আমাদের সময় এসেছে সকলে মিলে দেশ গড়া। এ দেশে যেমন পাহাড়ের মানুষ আছে তেমনি সমতলের মানুষ আছে। সকলে মিলে আমরা একটা নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে চাই।”

বক্তব্যে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালে দেশের মানুষ স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, ২০২৪ সালে তেমনই সর্বস্তরের মানুষ একজোট হয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছে। আজ বাংলাদেশের মানুষ তাদের কথা বলার অধিকার এবং গণতন্ত্রের অধিকার ফিরে পেতে চায়।

তারেক রহমান বলেন, “আমাদের সময় এসেছে সকলে মিলে দেশ গড়ার। এ দেশে পাহাড়ের, সমতলের, মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই আছে। আমরা চাই এমন একটি বাংলাদেশ যেখানে একজন নারী, পুরুষ, শিশু যেই হোক না কেন, ঘর থেকে বের হলে নিরাপদে যেতে ও ফিরতে পারবে।”

মঞ্চে তার সঙ্গে বিএনপির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তিনি উপস্থিত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান।

এর আগে তিনি রাজধানীর পূর্বাচলের গণসংবর্ধনাস্থলে পৌঁছান লাল-সবুজ রঙে সাজানো গাড়িবহরে। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গণসংবর্ধনাস্থল পর্যন্ত নেতা–কর্মী ও সমর্থকদের বিপুল উপস্থিতিতে উচ্ছ্বাসের পরিবেশ বিরাজ করেছিল।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫

 




গণসংবর্ধনা মঞ্চে দীপ্ত পায়ে উঠলেন তারেক রহমান

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে লাল-সবুজের বাস থেকে নেমে দীপ্ত পায়ে হেঁটে গণসংবর্ধনা মঞ্চে উঠেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

মঞ্চে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই তিনি অপেক্ষমান লাখ লাখ নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশে হাত নেড়ে নিজের আগমনী বার্তা দেন। উপস্থিত জনতা তারেক রহমানকে দেখতে পেয়ে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন এবং ‘তারেক রহমান আসছে, বাংলাদেশ হাসছে’, ‘মা-মাটি ডাকছে, তারেক রহমান আসছে’ ইত্যাদি স্লোগান দিয়ে আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি করেন।

এ সময় বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী ও দলের উচ্চ পর্যায়ের নেতা ও কর্মীরা মঞ্চের পাশে উপস্থিত ছিলেন। গণসংবর্ধনা মঞ্চের রঙিন ব্যানার, ফেস্টুন এবং সাজানো রাস্তা রাজনৈতিক ঐক্য ও জনশক্তির প্রতিফলন ঘটিয়েছে।

তারেক রহমানের গণসংবর্ধনা মঞ্চে আগমন দেশবাসীর কাছে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে ধরা হচ্ছে, যা বিএনপির রাজনৈতিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা দেবে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫

 




১৭ বছর পর স্বদেশে ফেরা ঢাকায় তারেক রহমান, অপেক্ষায় জনসমুদ্র

দীর্ঘ ১৭ বছরের অপেক্ষা, জল্পনা ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে স্বদেশের মাটিতে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে তাকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। তার এই প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তৈরি হয় ব্যাপক আগ্রহ ও আবেগঘন পরিবেশ।

এর আগে, সকাল ৯টা ৫৬ মিনিটে তারেক রহমানকে বহনকারী বিমানটি সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতির পর সকাল ১১টায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয় ফ্লাইটটি। দীর্ঘ সময় প্রবাসে থাকার পর দেশের আকাশে তার ফিরে আসা বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করে।

জানা গেছে, বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১২টা ১৫ মিনিটে লন্ডন থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-২০২ ফ্লাইট। এর আগে স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে কিংস্টনের বাসা থেকে সপরিবারে বের হন তারেক রহমান। সফরে তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানসহ ঘনিষ্ঠ কয়েকজন স্বজন।

ঢাকায় পৌঁছে বিমানবন্দরে নামার পর দলের জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন তারেক রহমান। পরে ভিআইপি লাউঞ্জে গেলে সেখানে আবেগঘন এক পারিবারিক মুহূর্তের সৃষ্টি হয়। তার শাশুড়ি সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু গোলাপের মালা পরিয়ে তাকে বরণ করে নেন। এ সময় পাশে ছিলেন তার স্ত্রী ও কন্যা।

তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই রাজধানীর পূর্বাচলের জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে (৩০০ ফিট সড়ক) এলাকায় বিএনপির নেতাকর্মীদের ঢল নামে। ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা গণসংবর্ধনাস্থলে জড়ো হতে থাকেন। কেউ হেঁটে, কেউ দলবদ্ধভাবে স্লোগান দিতে দিতে উপস্থিত হন নির্ধারিত স্থানে।

কুড়িল মোড় থেকে শুরু করে ৩০০ ফিট সড়কের সংবর্ধনা মঞ্চের আশপাশ পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে বিভিন্ন রঙের ব্যানার, ফেস্টুন ও পোস্টারে সাজানো হয় পুরো এলাকা। ব্যানারগুলোতে লেখা ছিল— ‘মা-মাটি ডাকছে, তারেক রহমান আসছে’, ‘তারেক রহমান, বীরের বেশে, আসছে ফিরে বাংলাদেশে’, ‘তারেক রহমান আসছে, বাংলাদেশ হাসছে’—এমন নানা স্লোগান।

গণসংবর্ধনার জন্য কুড়িলের উত্তর পাশে দক্ষিণমুখী করে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে নির্মাণ করা হয় একটি বিশাল মঞ্চ। প্রায় ৪৮ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৩৬ ফুট প্রস্থের এই মঞ্চে দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের বসার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, মঞ্চের সামনের এলাকায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অবস্থান করছেন।

দলের নেতাকর্মীদের মতে, তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন শুধু একটি রাজনৈতিক ঘটনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি বিএনপির রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা। দীর্ঘদিন পর প্রিয় নেতাকে কাছে পাওয়ার আনন্দে নেতাকর্মীদের কণ্ঠে কণ্ঠে ধ্বনিত হচ্ছে স্লোগান, মুখে মুখে ফিরছে প্রত্যাশার কথা।

সব মিলিয়ে ১৭ বছর পর তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ঘিরে রাজধানী ঢাকা পরিণত হয়েছে জনসমুদ্রে—যেখানে আবেগ, প্রত্যাশা ও রাজনৈতিক উত্তাপ একসঙ্গে মিলেমিশে গেছে।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় প্রধান উপদেষ্টাকে কৃতজ্ঞতা জানালেন তারেক রহমান

দীর্ঘ প্রবাসজীবন শেষে দেশে ফিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করায় প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে ভিআইপি লাউঞ্জে অবস্থানকালে তিনি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন।

ফোনালাপে তারেক রহমান নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের জন্য নেওয়া বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রধান উপদেষ্টার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তার সুস্বাস্থ্য কামনা করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি ঘিরে সন্তোষ প্রকাশ করেন তারেক রহমান। উপস্থিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।

এরপর ভিআইপি লাউঞ্জে প্রবেশ করলে সেখানে পারিবারিক আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়। তার শাশুড়ি সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু ফুলের মালা পরিয়ে তাকে বরণ করে নেন। এ সময় তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা জাইমা রহমান।

দীর্ঘ সময় পর দেশে ফেরা, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং পারিবারিক এই উষ্ণ অভ্যর্থনা—সব মিলিয়ে বিমানবন্দরের পরিবেশ হয়ে ওঠে আবেগঘন ও স্মরণীয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনাগুলো তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




দেশের মাটিতে ফিরেই আবেগে ভাসলেন তারেক রহমান

দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে স্বদেশের মাটিতে পা রেখেই আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিমানবন্দরে অবতরণের পর তিনি জুতা খুলে খালি পায়ে দেশের মাটিতে দাঁড়ান এবং একমুঠো মাটি হাতে তুলে নেন। এই মুহূর্তে সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দেশের মাটিতে পা রেখে তারেক রহমান কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। চোখেমুখে স্পষ্ট ছিল দীর্ঘ অপেক্ষা, কষ্ট ও ভালোবাসার অনুভূতি। দেশের প্রতি গভীর টান এবং স্বদেশে ফেরার অনুভূতি প্রকাশ করতেই তিনি এমন আবেগী প্রতিক্রিয়া দেখান বলে মনে করছেন অনেকে।

এই দৃশ্য উপস্থিত নেতাকর্মীদের মন ছুঁয়ে যায়। অনেককে আবেগ সংবরণ করতে না পেরে চোখ মুছতে দেখা যায়। দীর্ঘ সময় পর দলের শীর্ষ নেতৃত্বের দেশে ফেরা বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার করেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন শুধু ব্যক্তিগত আবেগের বিষয় নয়, বরং বিএনপির রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়। দীর্ঘ অনুপস্থিতির পর তার সরাসরি উপস্থিতি দল পুনর্গঠন, সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নতুন গতি আনতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নেতাকর্মীরা বলছেন, তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন আন্দোলন-সংগ্রামে দলকে আরও ঐক্যবদ্ধ করবে। দেশের মাটির প্রতি তার আবেগী ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ বিএনপির সমর্থকদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।

দীর্ঘ নির্বাসনের পর স্বদেশে ফেরা এই মুহূর্ত বিএনপির ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। অনেকের মতে, এটি আগামী দিনের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




ফোনে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমান

বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে অবস্থানকালে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ সময় তিনি নিজের ও পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নেওয়া বিশেষ ব্যবস্থার জন্য প্রধান উপদেষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সূত্র জানায়, ফোনালাপে তারেক রহমান প্রধান উপদেষ্টার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তার সুস্বাস্থ্য কামনা করেন। আলোচনায় সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়েও সংক্ষিপ্তভাবে কথা হয় বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশে দীর্ঘ সময় পর তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে সরকারিভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিমানবন্দরসহ আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নজরদারি লক্ষ্য করা গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, তারেক রহমান ও তার পরিবারের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে।
ফোনালাপ শেষ হওয়ার পর বিমানবন্দরের লাউঞ্জে পারিবারিক আবহে আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়। সেখানে ফুলের মালা দিয়ে তারেক রহমানকে বরণ করে নেন তার শাশুড়ি। এ সময় তারেক রহমানের পাশে ছিলেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান।

প্রায় দেড় যুগ পর দেশে ফেরা তারেক রহমানকে ঘিরে বিএনপির নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ ও আবেগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রত্যাবর্তন দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার সূচনা করেছে এবং আগামী দিনের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




শরিফ ওসমান হত্যাকাণ্ডের মামলায় রাজুর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত আসামি আমিনুল ইসলাম রাজুর পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল দাউদকে সীমান্ত এলাকায় আত্মগোপনে থাকতে সহায়তার অভিযোগও রয়েছে রাজুর বিরুদ্ধে।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয় আমিনুল ইসলাম রাজুকে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ডিবি পুলিশের পরিদর্শক ও তদন্তকারী কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মোহাম্মদ জুনায়েদ তার ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে, ২৩ ডিসেম্বর দিবাগত রাত ১টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর মিরপুর-১১ এলাকা থেকে রাজুকে গ্রেফতার করা হয়।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ১২ ডিসেম্বর দুপুর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোডে হামলার শিকার হন শরিফ ওসমান হাদি। মতিঝিল মসজিদ থেকে জুমার নামাজ শেষে প্রচারণা চালিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলে আসা প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও অজ্ঞাত পরিচয় সহযোগী শরিফকে লক্ষ্য করে চলন্ত অবস্থায় গুলি চালায়।

গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয় শরিফকে। শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তিনি মারা যান।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ভোলা থেকে ঢাকায় তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে লক্ষাধিক বিএনপি নেতা-কর্মী লঞ্চযাত্রা

ভোলা, নাগরিক অনলাইন: দীর্ঘদিন পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে ভোলা জেলা থেকে ঢাকায় বিপুলসংখ্যক বিএনপি নেতা-কর্মী অংশগ্রহণ করছেন। জেলা বিএনপি জানিয়েছে, ভোলার ৭ উপজেলার নেতা-কর্মীরা আজ (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ১০টি লঞ্চযোগে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন।

জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রাইসুল আলম জানান, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীরের নেতৃত্বে ভোলা সদর উপজেলা থেকে প্রায় ২০ হাজার নেতা-কর্মী ঢাকায় যাত্রা করবেন। জেলার অন্যান্য উপজেলারও বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী ঢাকায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন।

মঙ্গলবার থেকে প্রস্তুতি সভা ও সাংগঠনিক কার্যক্রম চলছিল। বিএনপির পাশাপাশি যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দল ও কৃষক দলও পৃথকভাবে ঢাকায় অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিয়েছে।

মনপুরা ও চরফ্যাসন উপজেলা থেকে রওনা দিতে তিনটি লঞ্চ ব্যবস্থা করেছেন ভোলা-৪ আসনের কেন্দ্রীয় যুবদল সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন। মনপুরা উপজেলার রামেনওয়াজ ঘাট থেকে এমভি ফারহান-৮ এবং চরফ্যাসনের বেতুয়া ও ঘোষের হাট থেকে এমভি জাকির সম্রাট-৪ ও এমভি শাহরুখ-২ লঞ্চ ঢাকায় যাত্রা করবে।

মনপুরা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল মন্নান হাওলাদার জানান, “ইতিহাসের অংশ হতে চরফ্যাসন ও মনপুরা উপজেলার ১০ হাজারের বেশি নেতা-কর্মী লঞ্চযোগে ঢাকার পথে। এই যাত্রা নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।”

স্থানীয় নেতা-কর্মীরা বলেন, নেতা তারেক রহমান আসছে—এবারের যাত্রায় সকলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ঢাকায় উপস্থিত হওয়ার জন্য উত্তেজিত ও উৎসাহী। অনেকে নিজ উদ্যোগে বাস যোগে বা তজুমুদ্দিন হয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন, কারণ বরাদ্দকৃত লঞ্চে জায়গার সমস্যা হতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বরিশালে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন: আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত

বরিশাল, ব্যুরো চীফ: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দীর্ঘ ১৭ বছর পর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে বরিশালে আনন্দ মিছিল করেছে বিএনপির নেতাকর্মীরা।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টায় বরিশাল নগরীর সদর রোডস্থ দলীয় কার্যালয় থেকে মিছিল শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা উল্লাস প্রকাশ করেন এবং নেতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে স্বাগত জানান।

মিছিলে উপস্থিত বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) তাদের স্বপ্ন পূরণের দিন। এই দিনে তারেক রহমান দেশে ফিরছেন এবং তাই সবাই আনন্দিত। তারা আরও জানিয়েছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে জয় নিশ্চিত করতে সকলে সক্রিয়ভাবে কাজ করবেন।

আনন্দ মিছিলের শেষে অশ্বিনী কুমার টাউন হল প্রাঙ্গণে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মহানগর বিএনপির আহবায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন সিকদারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




ওসমান হাদি হত্যা: প্রধান আসামির ৮টি ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ

ইনকিলাব মঞ্চের মুখমাত্র শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল দাউদ (৩৭) এবং তার সহযোগীদের ৮টি ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের অবকাশকালীন বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এই আদেশ প্রদান করেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)-এর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এই নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ১২ ডিসেম্বর, জুমার নামাজ শেষে নির্বাচনি প্রচারণা চালানোর সময় রাজধানীর পল্টন বক্স কালভার্ট রোডে ওসমান হাদির ওপর হামলা করা হয়। মোটরসাইকেলে আসা রাহুল দাউদ ও তার সহযোগীরা চলন্ত অবস্থায় হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যান।

মুমূর্ষু অবস্থায় হাদিকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে এভারকেয়ার হাসপাতাল এবং তারপর সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তিনি শহীদ হন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫