বঙ্গবন্ধু সেতু ও বঙ্গবন্ধু টানেলের নাম পরিবর্তন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : একটি সেতু ও টানেলের নাম পরিবর্তন করেছে সরকার। উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনকারী বঙ্গবন্ধু সেতুর নাম বদলে করা হয়েছে যমুনা সেতু। এটি দেশের প্রথম বড় সেতু এবং তা টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জের মধ্যে যমুনা নদীতে নির্মিত।

জাতীয় পার্টি, বিএনপি ও আওয়ামী লীগ—তিন সরকারই যমুনা সেতু প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ভূমিকা রেখেছে। এইচ এম এরশাদের আমলে প্রকল্পটি নেওয়ার সময় এর নাম ছিল যমুনা বহুমুখী সেতু। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন প্রথম বিএনপির সরকারের আমলেও একই নাম বহাল থাকে। উদ্বোধনের পর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার এটির নাম বঙ্গবন্ধু সেতু করে। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে নাম পরিবর্তন করে যমুনা বহুমুখী সেতু ফিরিয়ে আনা হয়। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগের সরকার এসে আবার বঙ্গবন্ধু সেতু নামকরণ করে। এবার অন্তর্বর্তী সরকার শুরুর নামে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
অন্যদিকে চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত দেশের প্রথম টানেলের নামকরণ করা হয়েছে কর্ণফুলী টানেল। এটির নাম আগে ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল।

আজ বুধবার সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে নতুন নামকরণের এ আদেশ জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সেতু বিভাগের আওতাধীন সেতু কর্তৃপক্ষের নির্মিত দুটি স্থাপনার নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। অবিলম্বে এ আদেশ কার্যকর হবে।




নতুন ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্বে যারা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সম্মুখ সারির সমম্বয়কদের উদ্যোগে ‌‘শিক্ষা, ঐক্য, মুক্তি’ স্লোগান নিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ (বাগছাস)’। তবে আত্মপ্রকাশকে কেন্দ্র করে নতুন দলের কমিটিতে বৈষম্যের শিকার হওয়ার অভিযোগ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের। তাদের বিক্ষোভের ফলে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়েছে ক্যাম্পাসে।

আজ বুধবার বিকাল ৩টায় মধুর ক্যান্টিনে সংগঠনটির আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশের কথা ছিল।

তবে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে তা পৌনে ৫টা পর্যন্ত বিলম্বিত হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু ভবনের সামনে ও মধুর ক্যান্টিনের ভেতরে দুটি গ্রুপে নতুন ছাত্র-সংগঠনের নেতৃত্বে আসা বাকের-জাহিদও সংগঠনের নামে স্লোগান দেন। অন্যদিকে মধুর ক্যান্টিনের সামনে আরেকটি গ্রুপ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিচয় দিয়ে নতুন কমিটির বিরুদ্ধে স্লোগান দেয়।

এসময় তারা ‌‘ঢাবির সিন্ডিকেট ভেঙে দাও, গুড়িয়ে দাও’, ‘ঢাবির কালো হাত, ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’, ‘প্রাইভেটের রক্ত, বৃথা যেতে দেব না’, ‘প্রাইভেট ছাড়া কমিটি, মানি না মানবো না’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

এসময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক রশীদুল ইসলাম রিফাতকে নিয়েও স্লোগান দেন তারা। তাদের বলতে শোনা যায়, ‘দুঃসময়ের রিফাত ভাই, আমরা তোমায় ভুলি নাই’, ‘রিফাত ভাইয়ের ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’।

একদিকে কমিটি ঘোষণা আটকানোর চেষ্টা করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে কমিটি ঘোষণা দিতে তৎপরতা।

একপর্যায়ে উভয় পক্ষে শুরু হয় উত্তেজনা। দুই পক্ষের হাতাহাতির মধ্যেই আবু বাকের মজুমদার ঘোষণা দেন নতুন ছাত্র সংগঠনের। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত তিনজন আহত হন। বিকাল সোয়া ৫টার দিকে মধুর ক্যান্টিন থেকে প্রস্থান করে উভয়পক্ষের লোকজন। তবে মধুর ক্যান্টিনের আশপাশেও বিশৃঙ্খলভাবে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত (সন্ধ্যা সোয়া ৬টা) ক্যাম্পাসের হল পাড়া ও মধুর ক্যান্টিনের পাশে অবস্থান নিতে দেখা যায় উভয়পক্ষের লোকজনকে।
নতুন ছাত্র-সংগঠনের একাধিক উদ্যোক্তা জানান, মূলত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক রশীদুল ইসলাম রিফাত (রিফাত রশিদ) এর শীর্ষ পদে আসা নিয়ে বিভক্তির সূত্রপাত। রিফাত রশিদ শীর্ষ চারপদের একটিতে আসতে চান। কিন্তু সংগঠনের নারী সদস্যদের বিরোধিতার কারণে তাকে শীর্ষ পদ দেওয়া হচ্ছে না। ফলে রিফাত রশিদের অনুসারী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও উত্তরার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন।

বিক্ষোভরত অবস্থায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ঢাকা মহানগরের যুগ্ম আহ্বায়ক পরিচয় দিয়ে ঢাকা কলেজের ইন্টারমেডিয়েট শিক্ষার্থী নাহিদ হক বলেন, আমি রিফাত রশিদ ভাইয়ের জন্য আসছি। যখন ৬ সমন্বয়ক ডিবি হেফাজতে তখন কোটি টাকার প্রলোভনের মুখেও আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন। এখন রিফাত রশিদকে মাইনাস করা হচ্ছে। আমরা এর প্রতিবাদ জানাই।

এ বিষয়ে জানতে রশীদুল ইসলাম রিফাতকে (রিফাত রশীদ) একাধিকবার ফোন করা হলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।




কলাপাড়ায় মুখে কালো কাপড় বেঁধে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

দেশব্যাপী খুন, ধর্ষণ, নারী নির্যাতন ও ছিনতাইসহ নানা অপরাধে জড়িত সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির দাবিতে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় শিক্ষার্থীরা মুখে কালো কাপড় বেঁধে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় কলাপাড়ার সর্বস্তরের ছাত্র জনতার আয়োজনে কলাপাড়া প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি

এর আগে শিক্ষার্থীরা প্রেসক্লাব চত্বর থেকে মুখে কালো কাপড় বেঁধে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা আইনশৃঙ্খলার অবনতির বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, দেশের বিভিন্ন এলাকায় খুন, ধর্ষণ ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম বেড়ে গেছে। এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে শিক্ষার্থীরা আরও কঠোর আন্দোলনের ডাক দেবে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন কলাপাড়াবাসী সংগঠনের সভাপতি নজরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নাজমুস সাকিব, শিক্ষার্থী বায়েজিদ ও মিলা

বক্তারা বলেন,
“দেশে চরম নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি চলছে। প্রশাসনের উচিত দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া। অন্যথায় ছাত্র জনতা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।”

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার উদ্দেশে বক্তারা বলেন,
“আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করুন, অন্যথায় আমরা রাজপথে আরও বড় আন্দোলন গড়ে তুলবো।”

বিক্ষোভ শেষে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ কামনা করেন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে আরও বড় আন্দোলনের ঘোষণা দেন।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পবিপ্রবির ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য আয়োজন

দক্ষিণাঞ্চলের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার অন্যতম কেন্দ্র পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পবিপ্রবি) তাদের ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপন করেছে। দীর্ঘ ১৬ বছর পর এভাবে আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটি পালন করা হলো।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম হেমায়েত জাহান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আবদুল লতিফ, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. ইকতিয়ার উদ্দিনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে ক্যাম্পাসজুড়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। সকাল সাড়ে ৯টায় বৃক্ষরোপণ ও রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন পোস্ট গ্রাজুয়েট স্টাডিজের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান এবং প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম

আলোচনা সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। উপাচার্য বলেন,
“দক্ষ জনশক্তি তৈরি, উচ্চশিক্ষার প্রসার এবং গবেষণার নতুন দিগন্ত উন্মোচনে আমরা নিরলস কাজ করছি। ভবিষ্যতে পবিপ্রবিকে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করতে উচ্চশিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি, গবেষণা সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করবো।”

দুপুরের পর কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, হাঁড়িভাঙা, হাঁস-মুরগি দৌড় ও রশি টানাটানির মতো জনপ্রিয় প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। বিকেলে টিএসসি কনফারেন্স হলে ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জন’ শীর্ষক বৈজ্ঞানিক উপস্থাপনা অনুষ্ঠিত হয়। সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন, শিক্ষার্থী হল, একাডেমিক ভবনসহ পুরো ক্যাম্পাস সাজানো হয়। প্রবেশপথে তোরণ নির্মাণ, রোড ডিভাইডার ও আইল্যান্ডসমূহ নান্দনিকভাবে সাজানো হয়।

বর্তমানে পবিপ্রবিতে ৮টি অনুষদে প্রায় ৪,২৯৬ শিক্ষার্থী স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে অধ্যয়ন করছেন। এখানে ২৪৭ জন শিক্ষক, ২২০ জন কর্মকর্তা ও ৪৮৯ জন কর্মচারী কর্মরত আছেন।

উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ৪৫০ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এর আওতায় নতুন একাডেমিক ভবন, হল, মিনি স্টেডিয়াম, আধুনিক ব্যায়ামাগারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। গবেষণায়ও বিশ্ববিদ্যালয়টি উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে, ইতোমধ্যে ৮০১টি গবেষণা প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

উপাচার্য বলেন,
“আমরা গবেষণাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছি। শিক্ষার্থীদের যুগোপযোগী শিক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে জোর দিচ্ছি। দক্ষিণাঞ্চলে উচ্চশিক্ষার প্রসারে পবিপ্রবি এখন একটি গর্বের নাম।”


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নতুন দায়িত্বে মাহফুজ আলম

উপদেষ্টা পরিষদ থেকে নাহিদ ইসলামের পদত্যাগের পর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নাহিদ ইসলাম আগে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। তার পদত্যাগের ফলে দুটি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা পদ শূন্য হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মাহফুজ আলম শুধুমাত্র তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।

অন্যদিকে, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সরাসরি প্রধান উপদেষ্টা পরিচালনা করবেন। ফলে বর্তমানে প্রধান উপদেষ্টা সাতটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন।

উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তিন তরুণ উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম, আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ও মাহফুজ আলম দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। সম্প্রতি নতুন রাজনৈতিক দলে যুক্ত হতে উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেছেন নাহিদ ইসলাম।


মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




পদায়নের আড়াই মাস পরও বরগুনায় যোগ দেননি ৯ চিকিৎস

বরগুনায় প্রায় ১২ লাখ মানুষের চিকিৎসাসেবা সংকটের মধ্যে পড়েছে। জেলায় ছয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও সিভিল সার্জন অফিসে মোট ১৪৭ জন চিকিৎসকের পদ থাকলেও বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ২৮ জন, তার মধ্যে ১৪ জন চিকিৎসক অননুমোদিত ছুটিতে থাকায় কর্মস্থলে উপস্থিত রয়েছেন মাত্র ১৪ জন চিকিৎসক। এই সংকটের কারণে জেলার স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা চরম বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

বরগুনা সিভিল সার্জন অফিসের সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ১৩ জন নতুন চিকিৎসককে বরগুনায় পদায়ন করেছিল। তবে, এর মধ্যে মাত্র চারজন যোগদান করেছেন, বাকিরা এখনো যোগদান করেননি। এই বিষয়ে একাধিক চিঠি চালাচালি হলেও কোনো সমাধান হয়নি, যার ফলে সাধারণ মানুষ যথাযথ চিকিৎসা পেতে সমস্যায় পড়ছে।

জেলার ছয়টি উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৭ জন চিকিৎসকের বিপরীতে কর্মরত আছেন মাত্র চারজন, বামনা উপজেলায় ২৫ জন চিকিৎসকের মধ্যে পাঁচজন, বেতাগী উপজেলায় ২৭ জনের বিপরীতে পাঁচজন, আমতলী উপজেলায় ২৯ জনের মধ্যে চারজন এবং তালতলী উপজেলায় ২৪ জনের মধ্যে দুইজন চিকিৎসক কর্মরত রয়েছেন।

এছাড়া বরগুনা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসে ১৩ জন চিকিৎসকের মধ্যে সাতজন কর্মরত থাকলেও তাদের মধ্যে চারজন বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে সংযুক্ত আছেন।

বরগুনা জেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরামের সভাপতি হাসানুর রহমান ঝন্টু বলেন, “চিকিৎসক সংকট নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। একাধিকবার আন্দোলন হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি। যদি চিকিৎসকদের দ্রুত পদায়ন করে তাদের কাজে যোগদান নিশ্চিত করা হয়, তবে পরিস্থিতি কিছুটা শোধরানো যেতে পারে।”

বরগুনার সিভিল সার্জন ডা. প্রদীপ চন্দ্র মণ্ডল বলেন, “গত ১৮ ডিসেম্বর ১৩ জন চিকিৎসক পদায়ন করা হয়েছিল, তাদের মধ্যে চারজন যোগদান করেছেন। বাকিরা এখনো যোগদান করেননি, যদিও বদলি আদেশে তাদের ৩ দিনের মধ্যে যোগদান করার কথা ছিল। এ বিষয়ে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছি।”

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




ভোলায় বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, আহত ১১

ভোলার দৌলতখান উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার রাতের এই হামলায় বিএনপির ১১ নেতাকর্মী গুরুতর আহত হন, তাদের মধ্যে যুবদলের ২টি ওয়ার্ডের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হামলার ঘটনা মদনপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডে ঘটেছে। আহতদের মধ্যে যুবদলের সভাপতি মো. শাহাবুদ্দিন, ৪ নং ওয়ার্ডের যুবদলের সভাপতি মো. নাছির, সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল জমাদ্দার, যুবদলের সদস্য মো. জামাল, আবু সাইদ, ইয়াকুব, মো. শাহিন, মো. আরিফ, মোঃ শরিফ, ঝিলন ও মোঃ হেজু বর্তমানে ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

অভিযোগ করা হচ্ছে যে, আওয়ামী লীগের ক্যাডার বাহার, শিপন, শফিক, জাহাঙ্গীরসহ কিছু সন্ত্রাসী বাহিনী হামলা চালিয়েছে। হামলার সূত্রপাত হয় একটি ক্রিকেট খেলার ঘটনা থেকে, যা পরে রাজনৈতিক সংঘর্ষে রূপ নেয়। হামলাকারীরা সংঘবদ্ধ হয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়।

এ বিষয়ে ভোলা সদর থানার ওসি হাসনাইন পারভেজ জানান, “এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ইমামদের ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে: ধর্ম উপদেষ্টা

সিলেটে হাওর এলাকার জনগণের জীবনমান উন্নয়ন এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ইমামদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, ইমামদের মাধ্যমে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব। তিনি বলেন, ইমামদের বক্তৃতায় জীবনঘনিষ্ঠ বিষয়গুলোর আলোচনা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা মানুষের জীবনে কাজে লাগতে পারে এবং জাতিকে উপকৃত করবে।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত “হাওর এলাকার জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ইমামদের মাধ্যমে উদ্বুদ্ধকরণ” শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এই মন্তব্য করেন।

ড. খালিদ হোসেন আরো বলেন, ইমামরা মসজিদের খুতবায় সমসাময়িক এবং জীবনের জন্য প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলি তুলে ধরলে জনগণ তা মেনে নেবে এবং এভাবে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। তিনি খুতবায় অতীতের ইতিহাস এবং ভিত্তিহীন বিষয়বস্তু পরিহার করার আহ্বান জানান এবং ইমামদেরকে আয়ের উৎস বৃদ্ধির জন্য কাজ করার পরামর্শ দেন।

তিনি বলেন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রণীত খুতবায় সন্ত্রাস, দুর্নীতি, মাদক, নারী নির্যাতন, পিতা-মাতার প্রতি দায়িত্ব-দায়িত্ব এবং অন্যান্য সামাজিক ও জীবনধর্মী বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ইমামরা হাওরাঞ্চলের জনগণের জীবনমান উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, ইমামরা শুধু ধর্মীয় বিষয় নয়, সামাজিক ইস্যুতেও কাজ করতে পারেন এবং জাতির সামগ্রিক উন্নয়নে তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি ইমামদের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বনাঞ্চল রক্ষা, এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা পালনের জন্য অনুরোধ করেন।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট বিভাগের কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমান, মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. রেজাউল করিম, পিপিএম-সেবা, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক বজলুর রশীদ। সেমিনারে সরকারি কর্মকর্তা, ইমাম, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শতাধিক ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেন।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশালে সড়কে অসংখ্য বিদ্যুতের খুঁটি রেখেই চলছে প্রশস্তকরণের কাজ

বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের প্রশস্তকরণের কাজ চলতে থাকলেও, সড়কের মধ্যে বিদ্যুতের অসংখ্য খুঁটি রেখে চলানো হচ্ছে এই কাজ। এর ফলে সড়কে যানবাহন চলাচলে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে। সড়ক ও জনপদ বিভাগ এবং পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে, এই খুঁটিগুলো অপসারণ করা হচ্ছে না, যা দীর্ঘ সময় ধরে সড়ক ব্যবহারকারীদের জন্য বিপদজ্জনক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মহাসড়কের গৌরনদী ভূরঘাটা থেকে উজিরপুর উপজেলা এলাকা পর্যন্ত ঘুরে দেখা গেছে, সড়কের প্রশস্তকরণ কাজ চলমান অবস্থায় খুঁটিগুলো সরানো হয়নি। এই অঞ্চলে অন্তত ২০টি বৈদ্যুতিক খুঁটি সড়কের মধ্যে রেখেই কার্পেটিং করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা এবং চালকরা জানিয়েছেন, দ্রুতগতির যানবাহন যখন সড়কে চলাচল করে, তখন ছোট যানবাহনগুলোকে সড়কের পাশে চাপিয়ে দেয়। এক্ষেত্রে সড়কের মধ্যে বিদ্যুতের খুঁটি থাকলে, দুর্ঘটনা ঘটার ঝুঁকি রয়েছে। তারা এই খুঁটিগুলো দ্রুত অপসারণের দাবি জানিয়েছেন।

বরিশাল সড়ক ও জনপদ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের দুইপাশে প্রায় ছয় ফুট প্রশস্তকরণের কাজ চলছে। এই কাজটি বাস্তবায়ন করছে ওটিবিএল নামক একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। তবে গত বছরের ডিসেম্বর মাসে সড়ক ও জনপদ বিভাগ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিকে বিদ্যুৎ খুঁটিগুলো স্থানান্তরের জন্য চিঠি পাঠায়। এবং চলতি মাসের ১৯ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয়বার চিঠি প্রেরণ করা হয়।

ওটিবিএল’র প্রকল্পের দায়িত্বশীল ইসমাইল হোসেন জানিয়েছেন, বিদ্যুতের খুঁটিগুলো স্থানান্তর না হওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া, সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

বরিশাল সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. মাসুদ খান জানিয়েছেন, বিদ্যুতের খুঁটিগুলো সরানো হবে, তবে এজন্য সড়ক ও জনপদ বিভাগকে খুঁটি স্থানান্তরের ফি পরিশোধ করতে হবে। গৌরনদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. শাহিন কবির বলেছেন, ফি পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত খুঁটিগুলো সরানো সম্ভব নয়।

এখন প্রশ্ন হলো, যখন সড়ক ও জনপদ বিভাগের উন্নয়ন কাজ চলছে, তখন কেন বিদ্যুৎ খুঁটিগুলো আগে সরানো হয়নি? এই সমস্যার দ্রুত সমাধান না হলে, সড়ক ব্যবহারকারীদের জন্য আরো বড় বিপদের সম্মুখীন হতে হতে পারে।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশালে তিন উপজেলার সাংবাদিকদের মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা

বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং সাংবাদিক ইউনিয়ন ও রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য সাংবাদিক শাকিল মাহমুদ বাচ্চুকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে বিস্ফোরক মামলায় আসামি করার প্রতিবাদে এবং তাকে দ্রুত মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবিতে তিন উপজেলার সাংবাদিকরা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছে।

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে দশটায় গৌরনদী প্রেসক্লাবের আয়োজনে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পাশ্ববর্তী গৌরনদী বাসস্ট্যান্ডে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। প্রতিবাদ সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রেসক্লাবের আহবায়ক মো. গিয়াস উদ্দিন মিয়া, এবং বক্তব্য রাখেন কো-আহবায়ক জহুরুল ইসলাম জহির, খোন্দকার মনিরুজ্জামান মনির, আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ডা. মাহবুবুর রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক মো. আসাদুজ্জামান রিপন, খোকন আহম্মেদ হীরা, বদরুজ্জামান খান সবুজ, কাজী আল-আমিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এ সময় গৌরনদী, আগৈলঝাড়া ও উজিরপুরের সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা দাবি জানান, সাংবাদিক শাকিল মাহমুদ বাচ্চুকে অনতিবিলম্বে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে দায়ের করা বিস্ফোরক মামলায় অব্যাহতি দেওয়া হোক, এবং প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তারা হুঁশিয়ারি দেন যে, যদি শাকিল মাহমুদ বাচ্চুর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার না করা হয়, তবে আরো কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

উল্লেখ্য, ১৮ ফেব্রুয়ারি উজিরপুরের সোনারবাংলা এলাকায় একটি জঙ্গলে পরিত্যক্ত অবস্থায় তিনটি ককটেল ও দুটি পেট্রোল বোমা সদৃশ্য বোতল উদ্ধার করা হয়। পুলিশ বাদী হয়ে মামলার প্রস্তুতি নিলেও, রহস্যজনকভাবে বামরাইল ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সবুজ হাওলাদার বাদি হয়ে ৭৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় আওয়ামী লীগ, বিএনপি, ছাত্রদল, ব্যবসায়ী, দিনমজুরসহ সাংবাদিক শাকিল মাহমুদ বাচ্চুকে আসামি করা হয়। তবে বাদি সবুজ হাওলাদার দাবি করেছেন, তিনি বিএনপির সিনিয়র নেতাদের চাপের মুখে মামলার বাদি হয়েছেন।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম