লেডিস ক্লাবে আজ সংবাদকর্মীদের ইফতার
আজ সন্ধ্যায় মিডিয়া কর্মীদের জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে রাজধানীর লেডিস ক্লাবে এক ইফতারের আয়োজন করা হয়েছে।
আজ সন্ধ্যায় মিডিয়া কর্মীদের জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে রাজধানীর লেডিস ক্লাবে এক ইফতারের আয়োজন করা হয়েছে।

আখি আক্তার জানান, তার স্বামী বিদেশে থাকার সুযোগে জুয়েল হাওলাদার তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এরপর তারা দীর্ঘদিন ধরে দুমকীসহ ঢাকা ও পটুয়াখালীতে একসঙ্গে বসবাস করেছেন। তবে সম্প্রতি জুয়েল তার সঙ্গে সমস্ত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছেন। বাধ্য হয়ে ন্যায্য অধিকার আদায়ে অনশনে বসেছেন তিনি।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত জুয়েল হাওলাদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার পরিবারের কেউও এ বিষয়ে মুখ খুলতে রাজি হননি।
স্থানীয়রা জানান, বিষয়টি এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। অনশনে থাকা নারী সুবিচার চাচ্ছেন, তবে এখন পর্যন্ত কোনো সুরাহা হয়নি।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে রয়েছেন জয়ন্তু রায় (৩০), নির্মল কর্মকার (৬০), রিপন কর্মকার (৪৬), ধিমান কর্মকার (৫১), বাবুল চন্দ্র শীল (৫০) ও বিকাশ চন্দ্র দাস (৪৫)। এছাড়াও, “নিকুঞ্জ সোনা ঘর” ও “শ্যামল আর্ট” নামে দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। আগুনে ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র, মূল্যবান সামগ্রীসহ সবকিছু পুড়ে যায়, ফলে পরিবারগুলো চরম সংকটে পড়েছে।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সদর থানা পুলিশ, আনসার ভিডিপি, রেড ক্রিসেন্ট, ফায়ার সার্ভিসের কমিউনিটি ভলান্টিয়ার এবং স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকরাও সহায়তা করেন। আগুন আরও ছড়িয়ে পড়ার আগেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়, তবে ততক্ষণে ব্যাপক ক্ষতি হয়ে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সুজন কুমার দাস বলেন, “এমন ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড আগে দেখিনি। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনে সবকিছু পুড়ে গেছে। তবে ফায়ার সার্ভিস দ্রুত আসায় আরও বড় ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।”
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত বাবুল চন্দ্র শীলের মেয়ে অর্পিতা রানী শীল বলেন, “আমাদের সব শেষ হয়ে গেছে। এই আগুন আমাদের স্বপ্ন, আশ্রয়—সবকিছু কেড়ে নিয়েছে। এখন কীভাবে ঘুরে দাঁড়াবো, সেটাই বুঝতে পারছি না।”
পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মো. মোস্তফা মোহসীন জানান, “এখনো আগুনের সূত্রপাত নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রাথমিক তদন্ত চলছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।”
এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে স্থানীয় প্রশাসন, মানবাধিকার সংস্থা এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সহযোগিতা প্রয়োজন। তাদের পুনর্বাসনের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে দক্ষিণ বামরাইল বাসস্ট্যান্ডের পাশে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা বিপুল হোসেন জানান, “ঢাকা থেকে ২৩ জন যাত্রী নিয়ে বাসটি বরিশালের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। পথে তিনজন নেমে যান। পরে মহাসড়কের দক্ষিণ বামরাইল এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ বাসটিতে আগুন ধরে যায়।”

বাসচালক আগুন লাগার বিষয়টি বুঝতে পেরে দ্রুত বাস থামিয়ে যাত্রীদের নামিয়ে দেন। ফলে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আগেই সবাই নিরাপদে বের হয়ে আসেন।
তাৎক্ষণিকভাবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ জানা যায়নি। তবে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা বলছেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
২০২৩ সালের ২৪ আগস্ট গৌরনদীর কটক এলাকায় একইভাবে চলন্ত গ্রিন লাইনের একটি বাসে আগুন লেগেছিল। সেবারও চালকের তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তের কারণে বড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছিল।
মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম
চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তাদের অবস্থান জানিয়েছেন।
পোস্টে লেখা হয়, বসুন্ধরা আবাসিকে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮ নম্বর গেইটে সারজিস আলমের আগমন নিয়ে বৈছা ও ছাত্রদল সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক বসুন্ধরা এলাকায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দেখা করতে আসেন। এদিকে সারজিস আলমের আগমনের খবরে নর্থ সাউথের ৮ নম্বর গেইটে জড়ো হন ছাত্রদল সমর্থকরা।
আরও লেখা হয়, দুই পক্ষ মুখোমুখি হলে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট ও দল ঘোষণার দিন প্রাইভেট শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে সারজিস আলমকে জেরা করতে থাকেন। এ সময় সারজিসের সঙ্গে থাকা একাংশের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের তর্কাতর্কি থেকে হাতাহাতি হয়। পরিস্থিতি শান্ত করতে সারজিস আলম দ্রুত এলাকা ত্যাগ করেন। পরবর্তীতে হাতাহাতির মধ্যেই বৈছা সমর্থক মুশতাক তাহমিদকে ছুরিকাঘাত করা হয় এবং পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। মুশতাক বর্তমানে আংশকামুক্ত আছেন।
কিভাবে পোচ দেওয়া হয়েছে, কারা দিয়েছে, এটা বের করা খুবই সহজ। নর্থ সাউথের গেইটে ও আইইউবির গেইটে খুবই উন্নত সিসি ক্যামেরা আছে, ফুটেজ দেখলে জানা যাবে কিভাবে কেউ আহত করেছে।

সাগরের মা বিউটি বেগম জানান, তার ছেলে ভালো চাকরির আশায় মালয়েশিয়া গিয়েছিলেন, কিন্তু এখন তাকে আটকে রেখে নির্যাতন করা হচ্ছে। রোববার (২ মার্চ) তিনি বাউফল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন এবং ছেলেকে দ্রুত দেশে ফেরানোর জন্য সরকারের সহায়তা চেয়েছেন।
সাগরের বাড়ি বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামে। তার বাবা ইদ্রিস ফরাজি। পরিবারের অভিযোগ, একই উপজেলার দাশপাড়া গ্রামের প্রবাসী মো. আমিন হাওলাদার তাকে মালয়েশিয়ায় নিয়ে যান।
সাগরের মা জানান, তার ছোট ভাই সোহরাব প্যাদা ও তার শ্যালক আমিন হাওলাদার অনেক লোককে বিদেশে পাঠিয়েছেন। তারা সাগরকে মালয়েশিয়ায় ভালো চাকরির আশ্বাস দেন এবং বিনিময়ে ৫ লাখ টাকা নেন। পরিবারের সদস্যরা ধার-দেনা করে টাকা জোগাড় করে দেন। দেড় বছর আগে সাগর মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান। কিন্তু সেখানে গিয়ে তিনি কাজ না পেয়ে উল্টো নির্যাতনের শিকার হন।
বর্তমানে আমিন হাওলাদার সাগরের পরিবারের কাছে আরও সাড়ে ৩ লাখ টাকা দাবি করেছেন। বিউটি বেগম বলেন, “আমিন কিছুদিন আগে আমাকে ফোন দিয়ে আমার ছেলেকে মারধর করে। আমি ফোনে আমার ছেলের কান্নার শব্দ শুনেছি। আমার ভাই সোহরাবও এই কাজে জড়িত।”
সাগরের মামা মো. ইউসুফ জানান, ২০২৩ সালে আমিন প্রথমবার অবৈধভাবে সাগরকে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর চেষ্টা করেন। সে সময় সাগর থাইল্যান্ডে আটকে পড়ে এক মাস ১৭ দিন জেল খাটতে হয়। পরে থাইল্যান্ড সরকার তাকে দেশে ফেরত পাঠায়। এরপর আমিন তাকে বৈধ ভিসায় মালয়েশিয়ায় নিয়ে যান। কিন্তু সাগর মালয়েশিয়ায় পৌঁছানোর পর থেকেই মারধর ও নির্যাতনের শিকার হন এবং মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত আমিন হাওলাদারের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অন্যদিকে, সাগরের মামা সোহরাব প্যাদা নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, “আমার শ্যালকের মাধ্যমে সাগরকে বিদেশে পাঠানো হয়েছে। এজন্য আমার অনেক টাকা খরচ হয়েছে, যা এখনও পরিশোধ করা হয়নি। তবে সাগরের ওপর নির্যাতনের বিষয়ে আমি কিছু জানি না।”
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, “বিষয়টি নিয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। আমরা তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেব।”
সাগরের মা বিউটি বেগম তার ছেলেকে ফিরে পেতে প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তিনি বলেন, “আমার একমাত্র ছেলেকে বাঁচান। ওকে ফিরিয়ে আনতে সরকার যেন দ্রুত ব্যবস্থা নেয়।”

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বিগত আওয়ামী সরকার এবং নিরাপত্তা ও গোয়েন্দদা সংস্থাগুলো গত বছরের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের সময় গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলোর সঙ্গে জড়িত ছিল। যা মানবতাবিরোধী অপরাধের মতো উদ্বেগের পাশাপাশি জরুরিভাবে ফৌজদারি তদন্তের প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করে। একইসঙ্গে এসব অপরাধ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের লঙ্ঘন।
জুলাই-আগস্টে সংঘটিত সহিংসতার ঘটনাগুলোর তদন্ত শেষে বুধবার (৫ মার্চ) জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।
জেনেভায় তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলসহ বাংলাদেশ সরকারের একাধিক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের পরিবার ও স্বজনদের পক্ষ থেকেও একাধিক প্রতিনিধি উপস্থিত থেকে ওই সময়ের ঘটনাগুলো বর্ণনা করেন। পাশাপাশি ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যানের তত্ত্বাবধানে নির্মিত যাত্রাবাড়ীতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ওপর একটি ভিডিও চিত্র দেখানো হয়।
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক উল্লেখ করেন, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার কার্যালয় থেকে বাংলাদেশে জুলাই-আগস্টে ঘটে যাওয়া মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো স্বাধীনভাবে অনুসন্ধান করা হয়। অনুসন্ধানে বাংলাদেশের প্রকৃত বাস্তব চিত্র উপস্থাপন করা হয়েছে। যা ঘটে যাওয়া মানবাধিকার লঙ্ঘনের জবাবদিহিতা, ক্ষতিপূরণ এবং এমন অবস্থান থেকে উত্তরণ ও সংস্কার কর্মসূচিকে সমর্থন করছে। যার মধ্যে ফৌজদারি মামলায় যথাযথ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা ও সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক সহিংসতার তদন্ত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বুধবার (৫ মার্চ) সকাল ১১টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রুমানা আফরোজের নির্দেশে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তন্ময় হালদারের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালিত হয়।
সূত্র জানায়, উপজেলার কলসকাঠী ইউনিয়নের ঢাপড়কাঠী গ্রামের আব্দুল মজিদ হাওলাদারের তিন পুত্র— মো. বাবুল হাওলাদার, মো. জাহাঙ্গীর হাওলাদার ও মো. কবির হাওলাদার— সরকারি জমি দখল করে তিনতলা ভবন নির্মাণ করছিলেন।
এই অবৈধ দখলের খবর বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় ৪ ও ৫ মার্চ প্রকাশিত হলে উপজেলা প্রশাসন ব্যবস্থা নেয়। এরপর ইউএনও রুমানা আফরোজ সরকারি জমি পুনরুদ্ধারের নির্দেশ দেন।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) তন্ময় হালদার বলেন, “পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পরপরই আমরা অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছি। ভবিষ্যতেও বাকেরগঞ্জ উপজেলায় এ ধরনের অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

বুধবার (৫ মার্চ) বরিশালের প্রথম যুগ্ম দায়রা জজ মো. শিবলী নোমান খান এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডিত আয়া আছমা খানম গৌরনদী উপজেলার বিল্বগ্রামের মৃত সেকান্দার সরদারের স্ত্রী। তিনি গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আয়া পদে কর্মরত ছিলেন। রায় ঘোষণার সময় তিনি পলাতক ছিলেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবেশী পারুল বেগমের কাছ থেকে ধার নেওয়া পাঁচ লাখ টাকা পরিশোধের জন্য ২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবর আছমা খানম সোনালী ব্যাংকের অনুকূলে একটি চেক দেন। তবে ব্যাংকে জমা দেওয়ার পর তা পর্যাপ্ত অর্থের অভাবে প্রত্যাখ্যাত হয়।
পরবর্তীতে, ৭ নভেম্বর পারুল বেগম তাকে আইনি নোটিশ পাঠান। কিন্তু নোটিশের কোনো জবাব না পাওয়ায় ২০২৩ সালের ২৬ ডিসেম্বর আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। আদালতে পাঁচজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বিচারক এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।
মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম
পটুয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতির ২০২৫-২০২৬ মেয়াদের নবনির্বাচিত ৯ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৫ মার্চ) জেলা আইনজীবী সমিতির অফিস কক্ষে এ দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়।
বিদায়ী কমিটির সভাপতি এটিএম মোজাম্মেল হোসেন তপনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ লুৎফর রহমান খোকনের সঞ্চালনায় নবনির্বাচিত কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠান হয়।
নতুন কমিটির নেতৃত্বে আছেন:
গত ২৭ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার সমিতি ভবনে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ৯টি পদেই জামায়াতপন্থীদের পরাজিত করে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা জয়ী হয়েছেন।
ভোটার সংখ্যা:
অনুষ্ঠানে বিদায়ী কমিটির অন্যান্য সদস্যসহ সিনিয়র আইনজীবীরাও উপস্থিত ছিলেন। নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয় এবং বিদায়ী কমিটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানানো হয়।