আগামীর নির্বাচন হওয়া উচিত সংবিধান সংস্কার পরিষদের নির্বাচন: জোনায়েদ সাকি

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, “আগামীর নির্বাচন হওয়া উচিত সংবিধান সংস্কার পরিষদের নির্বাচন, যাতে জনগণ সমর্থন দেয় এবং এই সংবিধানকে কিভাবে সংস্কার করা যায় তা নির্ধারণ করা যায়। জনগণের সমর্থন পাবার পর এই সংস্কার কেউ বদলাতে পারবে না, কারণ জনগণের সমর্থনই সর্বোচ্চ।”

মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) বরিশাল নগরীর সদর রোডে জেলা গণসংহতি আন্দোলনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘নির্বাচনের জন্য সংস্কার-সংস্কারের জন্য নির্বাচন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জোনায়েদ সাকি আরও বলেন, “গণসংহতি আন্দোলনের পক্ষ থেকে আমরা ৬ মাসের মধ্যে সংবিধান সংস্কার শেষ করার প্রস্তাব দিয়েছি। সংবিধান সংস্কার পরিষদের নির্বাচন একই সঙ্গে সরকার গঠনেরও নির্বাচন হবে। নির্বাচনের পরপরই সরকার গঠন ও সংবিধান সংস্কারের কাজ শুরু হবে। আমরা এই তিনটা গুরুত্বপূর্ণ দাবি আদায়ে আগামী দিনে লড়াই করবো।”

তিনি আরো বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের অংশীজন ছাত্র-শিক্ষক, শ্রমজীবী, রাজনৈতিক দলসহ সবাই। তাই সবাই মিলে আমরা একটি সম্মিলিত জায়গায় আসতে পারি, এ বিষয়ে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে। কেউ কেউ যদি বিষয়টি এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে যায়, তাহলে সেটা সংকটের জন্ম দিবে। আমাদের ফাঁদে ফেলবে।”

এ সময়, বক্তারা অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে সংবিধানের সংক্ষিপ্ত সংস্কারের পর, আগামীর নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার আহ্বান জানান। তারা জানান, জনগণের ভোটে নির্বাচিত সংসদ শুধু সংবিধান নয়, সামগ্রিক সংস্কারও করবে।

বরিশাল জেলা গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়কারী দেওয়ান আবদুর রশিদ নীলুর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন গণসংহতি আন্দোলনের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভূঁইয়া, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মশিউর রহমান খান রিচার্ড। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের জেলা শাখার নির্বাহী সমন্বয়কারী আরিফুর রহমান মিরাজ ও সদস্য হাসিব আহমেদ।

“মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম”




অপহরণ-ধর্ষণ, মামলা করায় বাবাকে হত্যা’ মামলায় চাঞ্চল্যকর তথ্য

অপহরণ-ধর্ষণ, মামলা করায় বাবাকে হত্যা’ মামলায় চাঞ্চল্যকর তথ্য ওই ছাত্রীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল এমন কল রেকর্ড ও প্রেমিককে লেখা প্রেমিকার চিঠিতে মোড় ঘুরেছে অনুসন্ধানের।

বরগুনার কালিবাড়ি এলাকায় প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে ‘অপহরণ-ধর্ষণ ও মামলা করায় বাবাকে হত্যা’ মামলায় চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে অনুসন্ধানে। ওই ছাত্রীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল এমন কল রেকর্ড ও প্রেমিককে লেখা প্রেমিকার চিঠিতে মোড় ঘুরেছে অনুসন্ধানের। পুলিশি তদন্তেও সত্যতা মিলেছে উভয়ের প্রেমের সম্পর্কের।

কালিবাড়ী এলাকার ‘অপহরণ ও ধর্ষণের শিকার’ দাবি করা সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীর সাথে সৃজীব চন্দ্র রায়ের ১১ মিনিট ৩৩ সেকেন্ডের একটি ফোনালাপ এসেছে প্রতিবেদকের হাতে। তাদের ফোনালাপে শোনা যায়, তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে কথা বলছেন, আবার হাসির ছলে কখনো আপত্তিকর কথাও বলছেন।

ফোনালাপের শুরুতেই সৃজীব ওই মেয়েকে বলেন,তুমি বরগুনা আসবা কবে? পাঁচ দিনের কথা বলে গেলা, কাল পাঁচ দিন হবে।” মেয়ে তখন শান্তনা দিয়ে বলছে, তোমার শ্বশুরকে বলো, সে না চাইলে কীভাবে আসব?” তখন সৃজীব বলে, মাথা খারাপ হবে কিন্তু। তারাতারি বরগুনা আসো।” তখন ওই মেয়ে বলে, তুমি আসো। তোমার শ্বশুর মাছ ধরছে, তুমিও আসো। সৃজীব বলে, আমি মাছ ধরব আর তুমি ব্যাগে মাছ নিয়ে আমার পিছনে থাকবা। তখন ওই মেয়ে রাজি না হওয়ায় সৃজীব বলে, তাহলে আমার শালীরাই ভালো। আমার পঁচা বউ তুমি। আমি শালীদের নিয়েই থাকব।” এসময় ওই ছাত্রী কিছু অশালীন কথা বলে।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, প্রেমিক সৃজীবকে বিভিন্ন সময় প্রেমপত্র দিয়েছে ওই ছাত্রী। চিঠির সাথে তার বর্তমান লেখা খাতায় হাতের লেখার মিল পাওয়া গেছে।

এদিকে আদালতে ওই ছাত্রীর দেয়া ২২ ধারার জবানবন্দিতে সৃজীবের সাথে ফোনে কথা বলার বিষয়টি স্বীকার করলেও তিনি দাবি করেন- প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাকে অপহরণ করেছিল সৃজীব। তাদের প্রেমের বিষয়টি এলাকাবাসীর নজরেও এসেছে। তারা জানিয়েছেন, বিভিন্ন সময়ে ডিসি পার্কে একান্ত সময় কাটাতেন এই প্রেমিক যুগল।

স্থানীয় বাসিন্দা আবু সালেহ বলেন, এই ছেলে-মেয়ের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত দুই/তিন মাস ধরে তারা প্রায় প্রতিদিন বিকালে ডিসি পার্কে বসে গল্পো করত। এক জনের কোলে মাথা দিয়ে আরেক জন শুয়ে থাকত।”

সৃজীবের পরিবারও স্বীকার করেছেন তাদের প্রেমের সম্পর্কের কথা। সৃজীবের মা কনিকা রানী বলেন, “আমি কয়েকদিন আগে জানতে পেরেছি তাদের প্রেমের সম্পর্কের কথা। ছেলেকে বুঝিয়ে বলেছিলাম। কিন্তু বয়স কম, কথা শোনেনি। তবে, আমার ছেলে অপহরণ করেনি, ধর্ষণও করেনি। আমার স্বামীকে মিথ্যা মামলায় জেলে দিয়েছে। তারা অপরাধী না, প্রেম করা যদি অপরাধ হয় তাহলে সেই শাস্তি আমার ছেলে পাবে, এটা আমিও চাই। কিন্তু আমার স্বামীকে কেনো ধরে নিয়ে গেলো?

যদিও ধর্ষণ-হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার রয়েছেন তবু পুলিশি তদন্ত ও আদালতের রায়ের আগে স্বামী-সন্তানকে ধর্ষণ ও হত্যাকারী হিসেবে উল্লেখ না করতে অনুরোধ করেন তিনি। তিনি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চান।

এদিকে নির্যাতনের শিকার ওই ছাত্রী ও তার মা প্রেমের বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন। তাদের দুজনেরই দাবি কোনো সম্পর্ক ছিল না ওই ছেলের সাথে। জানতে চাইলে ওই ছাত্রী বলেন, কল দিলে আমি নিষেধ করতাম, আমি প্রেম করিনি। আদালতে মেয়ের দেওয়া জবানবন্দি, পাশে প্রেমিকের কাছে লেখা চিঠি (ডানে)।

তবে, পুলিশি তদন্তে প্রেমের সম্পর্কসহ বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। যা পুলিশের হাতে রয়েছে এবং এ ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে বরগুনা পুলিশ প্রশাসন। নতুন করে তদন্ত শুরু করেছেন তারা।

বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবদুল হালিম এ বিষয়ে চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪.কম-কে বলেন, “তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এটা প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত। আমরা গভীরভাবে আবারও গোটা বিষয়টি তদন্ত করছি। যে যতটুকু অপরাধ করেছে, আমরা তাকে ততটুকু সাজা নিশ্চিৎ করতে রিপোর্ট দেবো। কল রেকর্ডসহ বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছি। বাকিটা তদন্ত শেষে বলা যাবে।”

উল্লেখ্য, বরগুনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের কিশোরীকে অপহরণ ও ধর্ষণের বিচার চেয়ে মামলা করার ছয় দিনের মাথায় হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন তার বাবা। তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে নিজ বাড়ির পেছনের ঝোপ থেকে। নিহত ব্যক্তি বরগুনা পৌরশহরে একটি মুরগির দোকানের কর্মচারী ছিলেন। তার স্বজনদের দাবি, ধর্ষণের মামলার জের ধরে অভিযুক্তের স্বজনরা প্রতিশোধ নিতে তাকে হত্যা করেছে।

পুলিশ জানায়, নিহত ব্যক্তির সপ্তম শ্রেণি পড়ুয়া মেয়ে স্কুলে যাওয়ার পথে অপহরণের শিকার হয় এবং পরে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গত ৫ মার্চ বরগুনা সদর থানায় মামলা করেন তার বাবা। ওই মামলায় অভিযুক্ত সৃজীব চন্দ্র রায় ও তার বাবা শ্রীরামসহ চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

“মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম”




ভোলার ১০ হাজার টিউবওয়েলে পানি সংকট, বাড়ছে মানুষের ভোগান্তি

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার পৌর শহরসহ ২১টি ইউনিয়নে প্রায় ১০ হাজার ডিপ টিউবওয়েলে (গভীর নলকূপ) পানি না ওঠায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম ভোগান্তি বৃদ্ধি পেয়েছে। অধিকাংশ টিউবওয়েল অকেজো হয়ে পড়েছে, আর কিছু টিউবওয়েল থেকে পানি সংগ্রহ করতে হলেও তা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যেতে হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তীব্র দাবদাহে পুকুর ও খালের পানি শুকিয়ে যাওয়ায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে গেছে, যার কারণে টিউবওয়েলগুলো কাজ করছে না। এর ফলে, সুপেয় পানির সংকট মারাত্মক হয়ে উঠেছে।

পৌরসভা ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষক আবদুল মান্নান বলেন, ‘চরফ্যাশন শহরের চারপাশের খালগুলো অবৈধ দখল ও স্থাপনা নির্মাণের ফলে পানি প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে এবং খালের পানি শুকিয়ে গেছে। একসময় কৃষি কাজে খালের পানি ব্যবহার করা হতো, কিন্তু এখন খালে পানি না থাকায় সাবমার্সিবল পাম্পের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানি তুলে কৃষি জমিতে ব্যবহার করতে হচ্ছে।’

পৌরসভা ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মাইনুল ইসলাম সোহেল বলেন, ‘চরফ্যাশন শহরের জমির দাম বছরে দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাওয়ায় শহরের অধিকাংশ পুকুর ভরাট করা হয়েছে। এতে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর কমে গেছে এবং গভীর নলকূপেও পানি উঠছে না। ফলে, পরিবারের দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় কাজ, যেমন রান্না এবং গোসলের জন্য প্রয়োজনীয় পানি সংগ্রহ করা যাচ্ছে না।’

উপজেলা জনস্বাস্থ্য কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চরফ্যাশন পৌরসভা এবং ২১টি ইউনিয়নে ১০ হাজার ৭৩টি হস্তচালিত নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে, যার মধ্যে ৯ হাজার ৮৫১টি সচল এবং ২২২টি অকেজো। এখন পর্যন্ত ২৮টি নলকূপ মেরামত করা হয়েছে।

এদিকে, উপজেলা জনস্বাস্থ্য কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী ১০ হাজার ৭৩টি হস্তচালিত নলকূপ স্থাপন হলেও স্থানীয়দের ভাষ্য মতে, এই সংখ্যাটি প্রায় চারগুণ। উপজেলার ৬০ শতাংশ বাসিন্দা নিজস্ব অর্থায়নে গভীর নলকূপ স্থাপন করেছেন, এর মধ্যে ৪০ শতাংশ নলকূপ অকেজো হয়ে পড়েছে।

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) এর চরফ্যাশন উপজেলার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আরিফ হোসেন বলেন, ‘ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের জন্য সাবমার্সিবল পাম্পের অনুমোদন দেওয়া হয় না। খাল থেকে পানি তুলে কৃষি জমিতে দেওয়ার জন্য বিএডিসির ৮২টি সেচ পাম্প রয়েছে, এছাড়া ১ হাজার ৭১৮টি সেচ পাম্প ব্যক্তিগত মালিকানায় খালে পানি তুলে কৃষি জমিতে ব্যবহার করা হচ্ছে।’ তবে, যেসব কৃষি জমির পাশে খাল নেই বা খালে পানি নেই, সেসব কৃষকরা অবৈধভাবে সাবমার্সিবল পাম্প ব্যবহার করছেন, এর সংখ্যা অবশ্য জানা নেই।

উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. ফিরোজ বলেন, ‘গত বছরের তুলনায় এ বছর ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে গেছে। শুষ্ক মৌসুমে এ ধরনের সংকট দেখা দেয়, তবে বর্ষাকালে এ সমস্যা থাকে না। এমনকি কিছু এলাকাতে আমাদের কাছে খবর এসেছে যে, হস্তচালিত নলকূপ থেকেও পানি তোলা যাচ্ছে না। অপরিকল্পিত পুকুর ভরাটের কারণে গভীর নলকূপগুলোর পানির স্তর কমে গেছে।’

“মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম”




সাঈদীকে জুডিশিয়াল ও মেডিকেল কিলিং করা হয়েছে: মাসুদ সাঈদী

প্রয়াত জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে ও পিরোজপুর-১ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাসুদ সাঈদী বলেছেন, ‘‘আমার বাবা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে জুডিশিয়াল ও মেডিকেল কিলিং করা হয়েছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘যারা আমার বাবার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন তারা অবশ্যই শাস্তি পাবেন।’’

মতবিনিময় সভায় বক্তব্য
মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টায় পিরোজপুর সদর উপজেলা মিলনায়তনে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মাসুদ সাঈদী বলেন, ‘‘জামায়াত ইসলামী আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের মতো সরকার বা বিরোধী দল চায় না। জামায়াত চায় দেশে জনগণের ম্যান্ডেট নেয়া সরকার ও একটি শক্তিশালী বিরোধী দল থাকুক।’’

তিনি আরও বলেন, ‘‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ দেশের রাজনীতি, সাধারণ মানুষের বাক স্বাধীনতা ও ভোটাধিকার হরণ করেছিল। আওয়ামী লীগ আমাদের নির্বাচন করতে দেয়নি। দেশের মানুষ ভোটাধিকার ও স্বাধীনতার জন্য ১৭ বছর লড়াই করেছে।’’

প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়
মাসুদ সাঈদী আরও বলেন, ‘‘আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না। যারা আমার বাবাকে হত্যা করেছে তারা আওয়ামী লীগের লোক। এখনো তারা বিভিন্ন পদে আসীন। তাদের কারণে আমরা আমাদের বাবার হত্যার সমস্ত ডকুমেন্ট হাতে পাচ্ছি না। সব ডকুমেন্ট হাতে পেলেই আমরা দোষীদের বিরুদ্ধে মামলা করবো।’’

সংগঠন নির্বাচন প্রক্রিয়া
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘আমরা পরিবারতন্ত্রে বিশ্বাসী নই। পরিবারের সিদ্ধান্তে আমরা রাজনীতি করি না। সংগঠন যাকে যোগ্য মনে করে তাকেই মনোনয়ন দেয়। জামায়াত ইসলামী আমাকে ও আমার ভাই শামীম সাঈদীকে যোগ্য মনে করে পিরোজপুরের দুটি আসনে মনোনয়ন দিয়েছে।’’

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ব্যক্তিরা
মতবিনিময় সভায় পিরোজপুর জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ তাফাজ্জল হোসাইন ফরিদের সভাপতিত্বে জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুর রব, জেলা সেক্রেটারি মো. জহিরুল হক, পিরোজপুর পৌর আমির মো. আব্দুর রাজ্জাকসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




সবাইকে নিয়ে ভালো থাকতে চায় বিএনপি: আফরোজা আব্বাস

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস বলেছেন, ‘‘বিএনপি সবাইকে নিয়ে ভালো থাকতে চায় এবং এই উদ্দেশ্যেই আমরা সবসময় প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’’

ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে বিএনপি মহিলা দলের সভাপতি
মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে বরগুনায় মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়েরের পর বাবা মন্টু চন্দ্র দাসের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন আফরোজা আব্বাস। এ সময় তিনি বলেন, ‘‘বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে আমি এখানে এসেছি। যেকোনো নির্যাতনের ঘটনায় প্রথমেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ভুক্তভোগীর পাশে দাঁড়ায়। আমরা সবসময় সবার সুখ-দুঃখ ভাগ করে নিতে চাই।’’

এ সময় আফরোজা আব্বাস নির্যাতিত পরিবারটিকে নগদ অর্থ সহায়তা এবং উপহার সামগ্রী প্রদান করেন। তিনি নিরাপত্তা, পরিবারের ভরণ-পোষণ এবং মামলা পরিচালনায় সহযোগিতার আশ্বাসও দেন।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




সুগন্ধা নদীতে লঞ্চের ধাক্কায় নৌকাডুবি, শিশু নিখোঁজ

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে লঞ্চের ধাক্কায় একটি জেলের নৌকা ডুবে গেছে, এতে ১০ বছরের শিশু রায়হান মল্লিক নিখোঁজ রয়েছে।

দুর্ঘটনা ঘটেছে গৌরিপাশা এলাকায়
মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) ভোরে নলছিটি উপজেলার গৌরিপাশা সংলগ্ন নদীতে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন নলছিটি ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন সাব-অফিসার মফিজুর রহমান।

নিখোঁজ রায়হান মল্লিক ওই এলাকার মো. আলী মল্লিকের ছেলে। স্থানীয়রা জানান, ভোর ৬টার দিকে রায়হান প্রতিবেশী জেলে বিপ্লব হাওলাদারের সাথে মাছ ধরতে গিয়েছিল। জাল ফেলে অপেক্ষা করার সময় ঢাকা থেকে বরগুনাগামী একটি লঞ্চ নৌকাটিকে ধাক্কা দেয়, ফলে নৌকাটি দুভাগ হয়ে ডুবে যায়। এ সময় বিপ্লব সাঁতরে অন্য নৌকায় উঠতে সক্ষম হলেও রায়হান নদীতে ডুবে যায়।

উদ্ধার অভিযান চলছে
নিখোঁজ রায়হান স্থানীয় একটি মাদ্রাসার নুরানি বিভাগে পড়ত। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নলছিটি ফায়ার সার্ভিস ও বরিশাল সদর দমকল বিভাগের ডুবুরি দল উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




জলদস্যু তাড়াতে এসে মসজিদ তৈরি করেছিলেন শাহ সুজা

ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলায় ৪০০ বছরের পুরানো মসজিদটি আজও সুদৃঢ় অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছে। স্থানীয়দের মতে, একসময় জলদস্যু দমন করতে বাংলায় আসা মুঘল শাসক শাহজাদা সুজা এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন। আজও স্থানীয় মুসল্লিরা এখানে নামাজ আদায় করতে আসেন।

মল্লিকপুর জামে মসজিদ: মুঘল স্থাপত্যের অসাধারণ নিদর্শন
ঝালকাঠির নলছিটি পৌর শহরের নলছিটি-বরিশাল সড়কের পাশে অবস্থিত এই মসজিদটি এখন মল্লিকপুর জামে মসজিদ নামে পরিচিত। এটি একটি এক গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ, যা মুঘল স্থাপত্যশিল্পের অন্যতম দৃষ্টান্ত। মসজিদটির উচ্চতা ৩০ ফুট এবং নির্মাণকাল হিসেবে ১৬৪৮ খ্রিষ্টাব্দের তারিখ লেখা রয়েছে। মসজিদটির দেয়ালগুলো ৩২ ইঞ্চি পুরু এবং চুন-সুড়কির ব্যবহার করা হয়েছে নির্মাণে।

প্রথম দিকে এই মসজিদে একসাথে ৩০-৩৫ জন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারতেন, তবে এখন স্থানীয়দের সহায়তায় মসজিদের তিন পাশে বারান্দা নির্মাণ করা হয়েছে, যার ফলে বর্তমানে প্রায় শতাধিক মুসল্লি একসাথে নামাজ আদায় করতে সক্ষম হন।

জলদস্যুদের তাড়াতে এসে মসজিদ নির্মাণ
স্থানীয়রা জানান, মুঘল সম্রাট শাহজাহানের শাসনামলে দক্ষিণাঞ্চলে জলদস্যুদের উৎপাত বৃদ্ধি পায়। এই জলদস্যুদের বিতাড়িত করতে শাহজাদা সুজা ঝালকাঠির মগর এলাকায় আসেন। তিনি সুগন্ধা নদী পাড়ে একটি দুর্গ গড়ে তোলেন এবং সৈন্যবাহিনী ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় জলদস্যুদের দমন করতে সক্ষম হন। তার পরে, স্থানীয়দের অনুরোধে তিনি নদীর অপর পাড়ে এই দৃষ্টিনন্দন মসজিদটি নির্মাণ করেন, যা মুঘল আমলের অসাধারণ নির্মাণশৈলীর এক উদাহরণ হিসেবে টিকে আছে।

সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা
বর্তমানে মসজিদটির জৌলুস কিছুটা কমে গেলেও এটি এখনও ঐতিহ্যের পরিচায়ক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। মসজিদ কমিটির সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান মল্লিক বলেন, ‘‘এই মসজিদটি আমাদের ঐতিহ্য ও গৌরব বহন করে টিকে আছে, তবে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এটি হারিয়ে যেতে বসেছে।’’ স্থানীয় মুসুল্লি কামরুজ্জামান সুমন বলেন, ‘‘এই প্রাচীন নিদর্শনটির রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত জরুরি, না হলে হয়তো এটি আর বেশি দিন টিকবে না।’’

সরকারের উদ্যোগ
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘‘প্রাচীন নিদর্শনগুলো রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের। আমরা তাদের বিষয়টি অবহিত করেছি এবং উপজেলা প্রশাসন থেকেও সহায়তা প্রদান করা হবে।’’

আজও এই মসজিদটি মুঘল আমলের ঐতিহ্য ও স্থাপত্যশিল্পের এক উজ্জ্বল নিদর্শন হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে, যা সময়ের সঙ্গে তার মাহাত্ম্য ও গুরুত্ব হারায়নি।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বাউফলে বালতিতে মেপে খাদ্যবান্ধব চাল বিক্রি, সুবিধাভোগীদের ক্ষোভ

পটুয়াখালীর বাউফলে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল মিটারের পরিবর্তে বালতিতে মেপে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এতে ৩০ কেজির পরিবর্তে ২৮-২৯ কেজি করে চাল পাচ্ছেন সুবিধাভোগীরা, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

সূত্র জানায়, উপজেলার কাছিপাড়া ইউনিয়নের পাড়ের বাজারে ফেয়ার প্রাইস ডিলার লিটন মৃধা নিয়ম ভঙ্গ করে বালতিতে চাল মেপে দিচ্ছিলেন। মঙ্গলবার বিষয়টি জানাজানি হলে সুবিধাভোগীরা প্রতিবাদ জানান। পরে তীব্র ক্ষোভের মুখে ডিলার চাল বিক্রি বন্ধ করে দেন। অভিযোগ রয়েছে, চাল বিতরণের সময় কোনো সরকারি কর্মকর্তা (ট্যাগ অফিসার) উপস্থিত ছিলেন না।

সুবিধাভোগী রাজ্জাক মৃধা জানান, সকাল থেকেই বালতিতে মেপে চাল দেওয়া হচ্ছিল, ফলে কেউ ২৮ কেজি, কেউ ২৯ কেজি পাচ্ছিলেন। তবে ডিলার লিটন মৃধা দাবি করেছেন, সুবিধাভোগীদের সম্মতিতে দ্রুত বিতরণের জন্য এমনটি করেছেন।

এ বিষয়ে ট্যাগ অফিসার মশিউর রহমান জানান, অভিযোগ পেয়ে ডিলারকে চাল বিক্রি বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার আবার মিটারে মেপে চাল বিতরণ করা হবে।

বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম জানান, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




দুমকি উপজেলা যুবদল নেতা রিপন শরীফ বহিষ্কার

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা যুবদলের সদস্য-সচিব রিপন শরীফকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় যুবদলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তাকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টায় কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, রিপন শরীফ দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন, যার সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়ায় তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসঙ্গে দলের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে, বহিষ্কৃত এই নেতার সঙ্গে কোনো সাংগঠনিক যোগাযোগ রাখা যাবে না।

যুবদল আরও জানায়, রিপন শরীফের কোনো ব্যক্তিগত অপকর্মের দায়দায়িত্ব দল নেবে না। জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




জঙ্গিদের যারা লালন-পালন করতো তারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে: আলতাফ হোসেন চৌধুরী

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেছেন, দেশে এখন আর কোনো জঙ্গি হামলার ঘটনা নেই, কারণ যারা জঙ্গিদের লালন-পালন করতো, যিনি তাদের জন্য স্ক্রিপ্ট লিখতেন, সেই শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। তিনি আরও জানান, ভারতের প্রেসক্রিপশনের মাধ্যমে শেখ হাসিনা দেশ শাসন করার চেষ্টা করেছিলেন এবং দেশের জনগণকে শোষণ করছিলেন।

তিনি বলেন, “বিগত ১৫ বছর ধরে ফ্যাসিষ্ট সরকার বিএনপিকে ভাঙতে পারলেও বিএনপি এখনও ঐক্যবদ্ধ রয়েছে। বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান শিগগিরই দেশে ফিরবেন। নির্বাচন কমিশন ও ভোটার তালিকা সংস্কারের মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইনশাআল্লাহ, নির্বাচনে বিএনপি নিরঙ্কুশ জয়লাভ করবে।”

এই মন্তব্যগুলো তিনি দুমকিতে বিএনপির আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যক্ত করেন।

সোমবার (১৭ মার্চ) দুমকি উপজেলা পরিষদ মাঠে আয়োজিত এই ইফতার ও দোয়া মাহফিলে উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো. জসিম উদ্দিন হাওলাদারের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমান দিপু ও উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মো. সালাউদ্দিন রিপন শরীফের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য মো. মাকসুদ আহমেদ বাইজীদ পান্না, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান, পবিপ্রবি অধ্যাপক দেলোয়ার হোসেন, পটুয়াখালী জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. তৌফিক আলী খান কবির, জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ সভাপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান রুমি, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. তানভীর আহমেদ বাপ্পি, উপজেলা বিএনপির সদস্য জহিরুল ইসলাম খোকন এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এছাড়া, অনুষ্ঠানে প্রায় তিন হাজার মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। বিএনপি, যুবদল, সেচ্ছাসেবকদল, শ্রমিকদল, কৃষকদল, মহিলা দল, ছাত্রদলসহ বিভিন্ন ইউনিটের কয়েক হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম