৮ থেকে ১৪ এপ্রিল জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ




গাজায় রক্তক্ষয়ী হামলার প্রতিবাদে পটুয়াখালীতে উত্তাল জনতা

ইসরায়েলের নিষ্ঠুর আগ্রাসনের বিরুদ্ধে পটুয়াখালী শহরে রবিবার সকালে হাজারো মানুষের বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজপথ। নিরীহ ফিলিস্তিনি জনগণের রক্তপাত ও গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদে এই কর্মসূচি পালন করেন জেলার সাধারণ জনগণ, ধর্মপ্রাণ মুসলমান, বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী ও আলেম-উলামারা।

সকাল ১১টায় পটুয়াখালীর সার্কিট হাউজ চত্বর থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে চৌরাস্তা মোড়ে গিয়ে শেষ হয় বিক্ষোভ মিছিলটি। হাতে ফিলিস্তিনের পতাকা, প্রতিবাদী প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার ধরে থাকা মানুষগুলো সোচ্চার কণ্ঠে উচ্চারণ করে একের পর এক প্রতিবাদী স্লোগান— “গাজা তুমি একা নও”, “ইসরায়েলি সন্ত্রাসের বিচার চাই”, “Free Free Palestine”, “Where is the United Nations?”, “Stop Killing Innocents” ইত্যাদি।

এই শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অংশগ্রহণকারীদের বক্তব্যে উঠে আসে গভীর বেদনা ও ক্ষোভ। এক শিক্ষার্থী বলেন, “গাজার শিশুরা যখন বোমায় ছিন্নভিন্ন হচ্ছে, তখন বিশ্ব মোড়লরা নির্বিকার। আমরা আজ এখানে বলছি—তারা একা নয়, আমরা গাজার পাশে আছি।”

মিছিল শেষে চৌরাস্তা মোড়ে অনুষ্ঠিত হয় এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ ও দোয়া মাহফিল। দোয়া পরিচালনা করেন পটুয়াখালী জেলা ইমাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা আবদুল কাদের। তিনি বলেন, “গাজায় যে ভয়াবহতা চলছে, তা কেবল মুসলমান নয়, গোটা মানবজাতির বিবেককে নাড়া দেওয়ার কথা। মুসলিম বিশ্ব এখনই ঐক্যবদ্ধ না হলে এই নির্যাতনের সীমা থাকবে না।”

সমাবেশে বক্তারা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কূটনৈতিকভাবে ফিলিস্তিনের প্রতি জোরালো সমর্থন ও মানবিক সহায়তা প্রদর্শনের দাবি জানান। বক্তারা আরও বলেন, “আমাদের প্রতিবাদ চলবে, কারণ গাজার মানুষের পাশে দাঁড়ানোই মানবতার পাশে দাঁড়ানো।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বাউফল বিএনপি নেতাদের সান্ত্বনায় জুলাইয়ের যোদ্ধা হৃদয়ের পরিবার

ফ্যাসিস্ট শাসনবিরোধী আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে জীবন উৎসর্গকারী আশিকুর রহমান হৃদয়ের পরিবারের খোঁজ নিতে তার বাড়িতে যান বাউফল উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

রবিবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুর জব্বার মৃধা, সদস্য সচিব আপেল মাহমুদ ফিরোজ, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান খোকনসহ নেতাকর্মীরা হৃদয়ের বাড়িতে যান। সঙ্গে নিয়ে যান নানা ফলমূল ও পরিবারের জন্য সহানুভূতির বার্তা।

হৃদয়ের মা-বাবার সঙ্গে কথা বলেন নেতারা। সান্ত্বনা জানানোর পাশাপাশি তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। এ সময় আব্দুর জব্বার মৃধা হৃদয়ের পরিবারকে আর্থিক সহায়তাও প্রদান করেন।

পরবর্তীতে নেতৃবৃন্দ হৃদয়ের কবর জিয়ারত করেন এবং তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন।

উল্লেখ্য, গত ১৮ জুলাই ‘ফ্যাসিস্ট হাসিনা হটাও’ আন্দোলনে অংশ নিয়ে গুলিবিদ্ধ হন আশিকুর রহমান হৃদয়। তার মাথায় লাগে তিনটি গুলি। ৫ আগস্ট সরকারের পতনের পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকরা দুইটি গুলি অপসারণ করলেও একটি গুলি অবশিষ্ট থাকে।

চিকিৎসাজনিত জটিলতা বেড়ে যাওয়ায় গত বুধবার তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরদিন বৃহস্পতিবার দুপুরে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করার কিছুক্ষণের মধ্যেই বিকেল ৩টার দিকে হৃদয় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

মো. আল-আমিন
স্টাফ রিপোর্টার, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বাউফলে ট্রলির ধাক্কায় যুবকের মৃত্যু, আহত ১

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় দ্রুতগতির ট্রলির ধাক্কায় মো. নিজাম রাঢ়ি (২২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনায় তরিকুল নামে আরেকজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

রোববার (৬ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার কাছিপাড়া-বাহেরচর সড়কে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত নিজাম রাঢ়ি কাছিপাড়া গ্রামের নাজেম রাঢ়ির ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিজাম ও তরিকুল মোটরসাইকেলে করে কাছিপাড়া বাজার থেকে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে রাঢ়ি বাড়ির সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা দুটি ট্রলি একসঙ্গে সড়ক ক্রস করতে গিয়ে তাদের মোটরসাইকেলে ধাক্কা দেয়। এতে তারা দুজনেই ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক নিজামকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত তরিকুলের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন জানান, ট্রলির চালকদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মো. আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পটুয়াখালীর দুমকিতে আওয়ামী লীগ নেতাসহ দুইজন আটক

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা আওয়ামী লীগের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মো. রেজাউল হক রাজন এবং মুরাদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও কলেজ শিক্ষক ফরিদ আহম্মেদ মোল্লাকে আটক করেছে পুলিশ। পৃথক মামলায় তাদের আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

শনিবার (৫ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের নিজ বাড়ি থেকে মো. রেজাউল হক রাজনকে আটক করা হয়। পরে তাকে মির্জাগঞ্জ উপজেলার একটি মামলায় আটক দেখিয়ে মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

অন্যদিকে, রবিবার (৬ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে মুরাদিয়া ইউনিয়নের বোর্ড অফিস বাজার এলাকা থেকে আজিজ আহমেদ ডিগ্রি কলেজের হিসাবরক্ষণ বিষয়ের প্রভাষক ফরিদ আহম্মেদ মোল্লাকে আটক করে পুলিশ। তাকে দুমকি উপজেলা বিএনপি অফিস ভাঙচুর মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফরিদ আহম্মেদ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন সময় নানা অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িত ছিলেন। এছাড়া জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতার ওপর প্রকাশ্যে হামলা চালান তিনি, যার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন সাংবাদিকদের জানান, আটক দুজনের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মো. আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




জাতীয় নীতিমালার দাবিতে পটুয়াখালীতে অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের বিক্ষোভ

পটুয়াখালীতে জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স নীতিমালা প্রণয়ন ও চালকদের হয়রানি বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ ও র‍্যালি করেছে বাংলাদেশ অ্যাম্বুলেন্স মালিক কল্যাণ সমিতি, পটুয়াখালী জেলা শাখা। রবিবার (৬ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চত্বর থেকে একটি বিশাল র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে অনুষ্ঠিত হয় এক প্রতিবাদ সমাবেশ।

বক্তারা জানান, দেশে অ্যাম্বুলেন্স সেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও এখন পর্যন্ত কোনো জাতীয় নীতিমালা না থাকায় মালিক ও চালকরা প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছেন। ট্রাফিক পুলিশের মামলা, অতিরিক্ত জরিমানা, পার্কিং সুবিধার অভাবসহ নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাদের। এসব সমস্যা সমাধানে দ্রুত জাতীয় নীতিমালা প্রণয়নের আহ্বান জানান তারা।

সমাবেশে বক্তারা ৫ দফা দাবি তুলে ধরেন, যার মধ্যে রয়েছে—
১. জাতীয় অ্যাম্বুলেন্স নীতিমালা প্রণয়ন,
২. অ্যাম্বুলেন্সের আয়কর ও টোল মওকুফ,
৩. আট আসনের অনুমোদন প্রদান,
৪. সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে নির্ধারিত পার্কিং সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং
৫. আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হয়রানি বন্ধ।

এ সময় বক্তৃতা রাখেন জেলা অ্যাম্বুলেন্স মালিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. ছালাউদ্দিন, সহ-সভাপতি মো. লোকমান হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল করিম, সদস্য মো. জহিরসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। বক্তারা জানান, দাবি আদায় না হলে আগামী ১২ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে সারা দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে যাবেন তারা।

বিক্ষোভ শেষে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও সিভিল সার্জনের কাছে লিখিতভাবে স্মারকলিপি প্রদান করে সংগঠনের নেতারা।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




কলাপাড়ায় চিকিৎসকের অবহেলায় প্রসূতির মৃত্যু, চাঞ্চল্য

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় সিজারিয়ান অপারেশনের সময় এক প্রসূতি নারীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় কলাপাড়া পৌর শহরের ‘কলাপাড়া ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে’ চিকিৎসকদের অবহেলায় এই মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। নিহত গৃহবধূ তামান্না বেগম (২৫) উপজেলার চম্পাপুর ইউনিয়নের গোলবুনিয়া গ্রামের রওসন মাতব্বরের স্ত্রী।

স্বজনরা জানান, প্রসবের নির্ধারিত সময়ের ১৫ দিন আগেই তামান্নাকে ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। তখনও তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল থাকলেও ক্লিনিকের চিকিৎসকরা দ্রুত সিজার করার সিদ্ধান্ত নেন। সঠিক প্রস্তুতি বা পর্যাপ্ত রক্ত সংগ্রহ ছাড়াই তাঁকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে দায়িত্বে ছিলেন ডা. পার্থ সমদ্দার ও ডা. মুনতাহা মারিয়াম মিতু। সিজারের মাধ্যমে এক কন্যা সন্তানের জন্ম হলেও অপারেশনের পরপরই তামান্নার প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। তখন তাঁকে বরিশালে রেফার করা হলেও স্বজনরা যখন তাকে নিয়ে রওনা হচ্ছেন, ঠিক তখনই ক্লিনিক থেকে ফোনে জানানো হয়, রোগীকে বরিশাল না নিয়ে আমতলী হাসপাতালে নেওয়া হোক। পরে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তামান্নাকে মৃত ঘোষণা করেন।

রোগীর স্বজনদের দাবি, মৃত্যুর পর ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ দ্রুত রোগীকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালায় এবং চিকিৎসকরা দ্রুত ক্লিনিক ত্যাগ করেন। এমনকি তামান্নার মৃত্যুর পরে কেউ দায়িত্ব নিয়ে স্বজনদের পাশে দাঁড়ায়নি।

অভিযোগ প্রসঙ্গে ক্লিনিকের অংশীদার মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, “চিকিৎসকরা কখনও রোগীর ক্ষতি চান না। সিজারের পর রোগী স্ট্রোক করেছেন, এতে আমাদের অবহেলা নেই।”

এদিকে, কলাপাড়া থানার ওসি (তদন্ত) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “ঘটনার লিখিত অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এমন একটি মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি উঠেছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নিখোঁজ গৃহবধু উদ্ধার, প্রেমিকসহ গ্রেফতার

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ তিন সন্তানের জননী গৃহবধু আঁখি আক্তার (৩০) কে তার পরকীয়া প্রেমিক হাসান মাহমুদ (৩২) সহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ৪ দিন নিখোঁজ থাকার পর রবিবার (৫ এপ্রিল) রাত একটায় তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ এবং থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে বাকেরগঞ্জ উপজেলার পাদ্রিশিবপুর গ্রামের প্রেমিকের বাড়ি থেকে তাদের উদ্ধার করে।

গত মঙ্গলবার গভীর রাতে, গৃহবধু আঁখি আক্তার প্রেমিক হাসান মাহমুদের সঙ্গে পালিয়ে যায়। এসময় তাদের বাড়ির মেঝে এবং বিভিন্ন স্থানে রক্ত ছিটিয়ে ছিল, যা ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। পরদিন গৃহবধুর পিতা আলমগীর হাওলাদার তার জামাই আলমগীর হোসেনসহ শ্বশুরবাড়ির ৯ জনের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা দায়ের করেন।

পুলিশের একটি বিশেষ টিম তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় রহস্য উদঘাটন করে এবং প্রেমিকের বাড়ি থেকে গৃহবধুকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। এ ঘটনায় গৃহবধুর পরিবারের পক্ষ থেকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি ওঠে।

কলাপাড়া থানার ওসি তদন্ত মোস্তাফিজুর রহমান জানান, “আটককৃতদের আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




কলাপাড়ার সোনাতলা নদীতে ১২ কেজির বিশাল কোরাল মাছ, বিক্রি হলো কম দামে

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার সোনাতলা নদীতে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে এক বিশালাকৃতির কোরাল মাছ। মাছটির ওজন ছিল ১২ কেজি। শনিবার রাতে স্থানীয় জেলে মো. নূরুল ইসলামের জালে মাছটি আটকা পড়ে। এত বড় কোরাল নদীতে ধরা পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়।

জেলে নূরুল ইসলাম জানান, “প্রতিদিনের মতোই নদীতে জাল ফেলেছিলাম। হঠাৎ করে জাল তুলতে গিয়ে বুঝতে পারি, ভারী কিছু জালে আটকে আছে। পরে দেখি, বিশাল একটি কোরাল মাছ ধরা পড়েছে। এমন বড় মাছ সাধারণত দেখা যায় না।”

মাছটি স্থানীয় বাজারে বিক্রি হয় ৯২৯ টাকা কেজি দরে, মোট ১১ হাজার ১৫০ টাকায়। যদিও স্থানীয়দের মতে, মাছটির প্রকৃত বাজারমূল্য এর দ্বিগুণ হওয়ার কথা ছিল।

স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানান, “ঢাকা ও বড় শহরের বাজারে কোরাল মাছের দাম দেড় হাজার থেকে দুই হাজার টাকা প্রতি কেজি পর্যন্ত হয়। এই মাছের সঠিক মূল্য পাওয়া গেলে অনেক বেশি দাম পাওয়া যেত।”

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, “কোরাল একটি উচ্চমূল্যের সামুদ্রিক মাছ, যা সাধারণত গভীর সমুদ্রে পাওয়া যায়। তবে নদীতে এত বড় আকারের কোরাল ধরা পড়া সত্যিই একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ রিপোর্টার, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বিস্ফোরক মামলায় বাউফলে আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় নওমালা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল হোসেন বিশ্বাসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৫ এপ্রিল) রাতে পটুয়াখালী শহরের কালিকাপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, দীর্ঘ তদন্তের পর মামলার সাথে তার সরাসরি সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ায় এ অভিযান চালানো হয়।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, বাউফল থানায় দায়ের হওয়া একটি বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান কামাল হোসেনের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত কামাল হোসেনকে রোববার সকালে আদালতে সোপর্দ করা হবে বলেও জানান তিনি।

এ ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের একাংশ বিষয়টি নিয়ে নীরব থাকলেও অন্য অংশের মধ্যে ক্ষোভ লক্ষ করা গেছে।

এদিকে, গ্রেফতার হওয়া চেয়ারম্যান কামাল হোসেন বিশ্বাস তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক বলেও দাবি করেছেন তার ঘনিষ্ঠরা।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম