ওসমান হাদি হত্যা মামলায় ভারতে আটক হামলাকারীর দুই সহযোগী

 

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহিদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত হামলাকারীর দুই সহযোগীকে ভারতে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম।

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি বিদেশি পিস্তল, ৫২ রাউন্ড গুলি, ম্যাগাজিন, ছোরা, মোটরসাইকেল, ভুয়া নম্বরপ্লেট, অটোরিকশা এবং ৫৩টি অ্যাকাউন্টের বিপরীতে ২১৮ কোটি টাকার স্বাক্ষরিত চেক জব্দ করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, ঘটনার পরপরই প্রধান হামলাকারী ফয়সাল ও আলমগীর ঢাকা থেকে পালিয়ে প্রথমে আমিনবাজার, পরে মানিকগঞ্জের কালামপুর হয়ে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে পৌঁছায়। পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী তারা সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশ করে। সীমান্ত পার হওয়ার আগে ফিলিপ ও সঞ্জয় নামে দুই ব্যক্তি তাদের সহায়তা করে। পরে মেঘালয়ের পুত্তি ও ট্যাক্সিচালক সামীর মাধ্যমে তারা তুরা এলাকায় পৌঁছায়।

ডিএমপি জানায়, অনানুষ্ঠানিক যোগাযোগের মাধ্যমে মেঘালয় পুলিশের কাছ থেকে জানা গেছে—পুত্তি ও সামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, আসামিরা অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করেছিল।

এই মামলায় গ্রেপ্তারদের মধ্যে ৬ জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এবং ৪ জন সাক্ষী ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় সাক্ষ্য দিয়েছেন। তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আগামী ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে চার্জশিট দেওয়া হবে বলে আশা করছে পুলিশ।

হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে কারা জড়িত—এ বিষয়ে পুলিশ জানায়, মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করা গেলে পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে। তদন্তের স্বার্থে সম্ভাব্য নামগুলো প্রকাশ করা হয়নি।

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে জুমার নামাজ শেষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলযোগে হামলার শিকার হন ওসমান হাদি। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে তিনি মারা যান।

হাদির মৃত্যুর পর মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা (হত্যা) যুক্ত করা হয়।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




আজ শপথ নিচ্ছেন নতুন প্রধান বিচারপতি

বাংলাদেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত জুবায়ের রহমান চৌধুরীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আজ রোববার (২৮ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সকাল সাড়ে ১০টায় বঙ্গভবনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন।

রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ এই শপথ অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এর আগে গত ২৪ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির আদেশে জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। আজ শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে তার নিয়োগ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হবে।

প্রসঙ্গত, বিদায়ী প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ গতকাল শনিবার অবসর গ্রহণ করেন। আজকের শপথ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন জুবায়ের রহমান চৌধুরী।

দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ বিচারিক অভিজ্ঞতার অধিকারী জুবায়ের রহমান চৌধুরী ১৯৮৫ সালে জজ কোর্টে এবং ১৯৮৭ সালে হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন। পরে ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান এবং দুই বছর পর তার পদ স্থায়ী হয়। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট তিনি আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিযুক্ত হন।

শিক্ষাজীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স) ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যে আন্তর্জাতিক আইনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামানের পদত্যাগ

অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান রাষ্ট্রপতির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে পদত্যাগপত্রটি দাখিল করেন।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. জহিরুল ইসলাম সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রাতে অ্যাটর্নি জেনারেল নিজেই কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে অব্যাহতির আবেদন জমা দেন। কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন জানান, রাত সাড়ে ৯টার দিকে পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয়।

পদত্যাগপত্রে মো. আসাদুজ্জামান ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করেছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে পদত্যাগপত্রটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে।

এর আগে গত ৫ নভেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জানান, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঝিনাইদহ-১ আসন থেকে ভোটে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

উল্লেখ্য, গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছরের ৮ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও বিএনপির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান বাংলাদেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পান। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে এ পদে নিয়োগ প্রদান করেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বেঙ্গালুরুতে গভীর রাতে উচ্ছেদ, ঘর হারাল ৪০০ মুসলিম পরিবার

ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরুতে বিনা নোটিশে উচ্ছেদ অভিযানে অন্তত ৪০০ মুসলিম পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে। অভিযোগ উঠেছে, রাতের আঁধারে চালানো এই অভিযানে প্রায় ২০০টির বেশি বসতঘর গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে শত শত মানুষ মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকুও হারিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্র ও ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গত ২২ ডিসেম্বর ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে বেঙ্গালুরুর কোগিলু গ্রামের ফকির কলোনি ও ওয়াসিম লেআউট এলাকায় এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে অংশ নেয় বেঙ্গালুরু সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের একটি দল, যাদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

শীতের তীব্র সময়ে এমন অভিযানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো চরম মানবিক সংকটে পড়েছে। উচ্ছেদ হওয়া বাসিন্দাদের অভিযোগ, তারা গত ২০ থেকে ২৫ বছর ধরে ওই এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন। প্রত্যেক পরিবারের কাছেই বৈধ আধার কার্ড, ভোটার আইডি ও অন্যান্য সরকারি নথিপত্র ছিল। তবে কোনো ধরনের পূর্বঘোষণা বা লিখিত নোটিশ ছাড়াই পুলিশ তাদের ঘর থেকে বের করে দেয়। অনেক পরিবার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, আসবাব কিংবা শিশুদের শীতবস্ত্র পর্যন্ত সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ পায়নি।

এই ঘটনার পর ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কর্ণাটকে ক্ষমতাসীন কংগ্রেস এবং কেরালার বাম ফ্রন্টের মধ্যে প্রকাশ্য বাগযুদ্ধ শুরু হয়েছে। বিরোধীদের দাবি, উত্তর ভারতে বিজেপি সরকারের সময়ে আলোচিত ‘বুলডোজার রাজনীতি’ এখন কর্ণাটকেও অনুসরণ করা হচ্ছে।

ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, কর্ণাটকের বর্তমান সরকার সংখ্যালঘুবিরোধী রাজনীতির পথে হাঁটছে। তার ভাষায়, ভয় ও বলপ্রয়োগের মাধ্যমে শাসন চালালে তা সাংবিধানিক মূল্যবোধ ও মানবিক মর্যাদাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে ভারতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নিপীড়নের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। বিভিন্ন রাজ্যে মুসলিম ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বসতি, ধর্মীয় স্থাপনা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বেঙ্গালুরুর এই উচ্ছেদ অভিযান সেই উদ্বেগকে আরও গভীর করেছে বলে মনে করছেন মানবাধিকারকর্মীরা।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫

 




জামায়াতের সঙ্গে জোটে আপত্তি জানালো এনসিপির ৩০ নেতা

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র কেন্দ্রীয় কমিটির ৩০ জন নেতা জামায়াতে ইসলামীসহ ৮ দলীয় জোটের সঙ্গে রাজনৈতিক জোট বা আসন সমঝোতার সম্ভাবনা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। তারা দলীয় আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বরাবর একটি স্মারকলিপি দিয়েছেন।

নেতারা স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান–সংক্রান্ত দায়িত্ব ও দলীয় মূল্যবোধের আলোকে সম্ভাব্য জোটে নীতিগত আপত্তি রয়েছে। তাদের দাবি, কোনো কৌশলগত কারণে নীতিগত অবস্থান বিসর্জন দেওয়া উচিত নয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, জামায়াত ও তাদের ছাত্রসংগঠন ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন বিভাজনমূলক কর্মকাণ্ড, অন্যান্য দলের ভেতরে গুপ্তচরবৃত্তি, এনসিপির ওপর অপকর্ম চাপানো, নারী সদস্যদের চরিত্রহননের চেষ্টা এবং ধর্মকে কেন্দ্র করে সামাজিক ফ্যাসিবাদের আশঙ্কা দেশের জন্য অশনি সংকেত হয়ে উঠেছে। এছাড়া ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াতের স্বাধীনতাবিরোধী ভূমিকা ও গণহত্যায় সহযোগিতার ইতিহাস দলের নৈতিক মূল্যবোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

নেতারা আরও বলেছেন, এমন কোনো জোট মধ্যপন্থী সমর্থক ও নতুন প্রজন্মের আস্থার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং দীর্ঘমেয়াদে পার্টির রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তারা আহ্বান জানিয়েছেন, জোটনীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে নীতিগত প্রশ্নগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হোক এবং জামায়াতের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক জোটে না যাওয়ার বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান গ্রহণ করা হোক।

স্মারকলিপিতে স্বাক্ষর করেছেন—এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব মুশফিক উস সালেহীন, কেন্দ্রীয় সংগঠক আরমান হোসাইন, যুগ্ম আহ্বায়ক অর্পিতা শ্যামা দেব, যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক নাভিদ নওরোজ শাহ্, কেন্দ্রীয় সদস্যরা তাওহীদ তানজীম, মাহবুব এ খোদা, সালাউদ্দিন জামিল সৌরভসহ আরও ২৩ জন।

নেতারা জানিয়েছেন, দলীয় শৃঙ্খলা ও ঐক্যের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এই নীতিগত অবস্থান জানানো হয়েছে, যাতে শক্তিশালী ও নীতিনিষ্ঠ দল গড়ে ওঠে।


মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল প্রায় ১২ কোটি টাকা

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্স ও অনলাইনে জমা হওয়া দান গণনা করে এবার পাওয়া গেছে ১১ কোটি ৯১ লাখ ২৮ হাজার ৪৮১ টাকা। এর মধ্যে দানবাক্সে জমা ছিল ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা এবং অনলাইনে দান এসেছে ১২ লাখ ৭৯ হাজার ৯৪৩ টাকা।

শনিবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) সকাল থেকে দিনভর গণনা শেষে সন্ধ্যার পর এই তথ্য নিশ্চিত করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দানবাক্স খোলা কমিটির আহ্বায়ক মো. এরশাদুল আহমেদ। দানবাক্স থেকে বিপুল অঙ্কের টাকার পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা, স্বর্ণ ও রুপার অলংকারও পাওয়া গেছে।

শনিবার সকাল ৭টার দিকে প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তা ও তত্ত্বাবধানে মসজিদের ১৩টি দানবাক্স খোলা হয়। এ সময় মোট ৩৫ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। দানবাক্স খোলার সময় জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা, পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া টাকা গণনায় অংশ নেন পাগলা মসজিদ সংলগ্ন মাদ্রাসার ১১০ জন ও আল-জামিয়াতুল ইমদাদিয়া মাদ্রাসার ২৫০ জন শিক্ষার্থী, মসজিদের ৩৩ জন কর্মচারী, রূপালী ব্যাংকের ১০০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অর্ধশতাধিক সদস্য।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা জানান, পাগলা মসজিদকে কেন্দ্র করে একটি আধুনিক ইসলামি কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ১০ তলাবিশিষ্ট এই ভবনে অনাথ ও এতিমদের জন্য শিক্ষাব্যবস্থা, ধর্মীয় শিক্ষা কার্যক্রম, পাঠাগার, ক্যাফেটেরিয়া ও আইটি সেকশন থাকবে।

বর্তমানে মসজিদের আয়তন ৫ দশমিক ৫ একর হলেও নতুন কমপ্লেক্স নির্মাণে আরও জায়গা কেনা হবে। জেলা প্রশাসক জানান, এই মুহূর্তে পাগলা মসজিদের ব্যাংক হিসাবে দানকৃত অর্থের পরিমাণ ১০৪ কোটি টাকার বেশি। ইতোমধ্যে কমপ্লেক্সের নকশা জমা দিয়েছে ১২টি প্রতিষ্ঠান। যাচাই-বাছাই শেষে একটি প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করা হয়েছে এবং শিগগিরই কাজ শুরুর কার্যাদেশ দেওয়া হবে।

পুলিশ সুপার ড. এস এম ফরহাদ হোসেন জানান, দানবাক্স খোলা থেকে শুরু করে টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়া পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, পাগলা মসজিদে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত মানুষ নিয়মিত অর্থ ছাড়াও হাঁস, মুরগি, গরু, ছাগলসহ নানা সামগ্রী দান করে থাকেন।


মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম


 




ঢাকা-১৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামছেন রনি

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মহিউদ্দিন রনি।

শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় তিনি এই ঘোষণা দেন। ভিডিওতে তিনি জানান, দেশের সার্বভৌমত্ব ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তিনি নির্বাচনী রাজনীতিতে অংশ নিতে আগ্রহী।

ভিডিও বার্তায় মহিউদ্দিন রনি বলেন, ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও সব ধরনের ভিনদেশি আগ্রাসনমুক্ত একটি ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যয়ে তিনি ঢাকা-১৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে কাজ করতে চান।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী আগামী ২৯ ডিসেম্বরের মধ্যে তাকে সমর্থক তালিকা জমা দিতে হবে। এ জন্য ঢাকা-১৮ আসনের অন্তর্ভুক্ত এয়ারপোর্ট, উত্তরা, খিলক্ষেত, আশকোনা, উত্তরখান, দক্ষিণখান ও তুরাগ এলাকা থেকে ২০০ জন সমর্থকের প্রয়োজন রয়েছে।

রনি জানান, এই সমর্থকরা সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটারদের কাছ থেকে সমর্থন সংগ্রহে সহযোগিতা করবেন। তিনি ঢাকা-১৮ আসনের ভোটার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহযোগিতা কামনা করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তরুণ নেতৃত্বের এমন ঘোষণায় আসন্ন নির্বাচনে ঢাকা-১৮ আসনে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বরিশালের ছয় আসনে ৪৯টি মনোনয়ন ফরম বিতরণ

বরিশালের ছয়টি সংসদীয় আসনের বিপরীতে মোট ৪৯টি মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় বরিশাল জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তার মিডিয়া সেল থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

মিডিয়া সেল সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ ডিসেম্বর থেকে প্রার্থীরা মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ শুরু করেন। শনিবার পর্যন্ত বরিশাল-১, ২, ৩, ৪, ৫ ও ৬—এই ছয়টি আসনের জন্য মোট ৪৯টি ফরম বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে বরিশাল-১, বরিশাল-২ ও বরিশাল-৩ আসনে আটটি করে, বরিশাল-৪ আসনে চারটি, বরিশাল-৫ আসনে সর্বোচ্চ ১৫টি এবং বরিশাল-৬ আসনে ছয়টি মনোনয়ন ফরম দেওয়া হয়েছে।

বরিশাল-১ আসন থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী জহিরউদ্দিন স্বপনসহ মোট আটজন প্রার্থী। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও এ আসনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

বরিশাল-২ আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাসদ, খেলাফত মজলিশ, জাতীয় পার্টি ও অন্যান্য দলের প্রার্থীরা মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন। এ আসনেও আটটি ফরম বিতরণ করা হয়েছে।

বরিশাল-৩ আসনে বিএনপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, এবি পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মোট আটজন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।

বরিশাল-৪ আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং জাসদের চারজন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

বরিশাল-৫ (সদর) আসনে সর্বাধিক ১৫টি মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হয়। এ আসনে বিএনপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাসদ, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, এবি পার্টি, এনসিপি ও খেলাফত মজলিশসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন।

এছাড়া বরিশাল-৬ আসনে মুসলিম লীগ, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, খেলাফত মজলিশ, জাতীয় পার্টি (এনডিএফ) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট ছয়টি মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হয়েছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মনোনয়ন দাখিল শেষে যাচাই-বাছাই ও পরবর্তী নির্বাচনী কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




তীব্র শীতে বরিশালে ফুটপাতে শীতের পোশাকে উপচেপড়া ভিড়

ঘন কুয়াশা ও হিমেল বাতাসে বরিশালসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলে শীতের তীব্রতা চরম আকার ধারণ করেছে। হাড় কাঁপানো এই শীত থেকে বাঁচতে বরিশালে ফুটপাতে বসা শীতের পোশাকের দোকানগুলোতে বেড়েছে ক্রেতাদের ভিড়। স্বল্প আয়ের মানুষের পাশাপাশি মধ্যবিত্ত শ্রেণির লোকজনও ভিড় করছেন এসব অস্থায়ী দোকানে।

সরজমিনে দেখা গেছে, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সামনে জেলা পরিষদের পুকুরপাড় ঘিরে গড়ে ওঠা অস্থায়ী শীতের পোশাকের দোকানগুলোতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় লেগেই আছে। বিশেষ করে ফুটপাতের দোকানগুলোতে উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

এদিকে তীব্র শীত খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনকে আরও কঠিন করে তুলেছে। শিশু ও বয়স্কদের অবস্থা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। অনেকেই খোলা জায়গায় আগুন জ্বালিয়ে কিংবা অপর্যাপ্ত গরম কাপড় পরিধান করে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। তবে প্রচণ্ড শীতের কারণে এসব উদ্যোগ অনেক ক্ষেত্রেই কার্যকর হচ্ছে না।

দিনমজুর ও ছিন্নমূল মানুষের দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে। ঘরবাড়ি না থাকা অনেক মানুষ লঞ্চঘাট, বাস টার্মিনালসহ খোলা স্থানে রাত কাটাচ্ছেন। শীতবস্ত্রের অভাবে খোলা আকাশের নিচে তাদের মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এ বছর এখনও সংগঠিতভাবে শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম চোখে পড়েনি।

শীতের পোশাক বিক্রেতারা জানান, প্রতিবছরের মতো এবারও কমদামে দেশি ও বিদেশি পুরোনো শীতের পোশাক বিক্রি করছেন তারা। ৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকার মধ্যে শীতের কাপড় পাওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের ভিড় বেশি হচ্ছে। বিক্রিও আগের তুলনায় ভালো বলে জানান তারা।

অন্যদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। যদিও আপাতত শৈত্যপ্রবাহের কোনো আশঙ্কা নেই। বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জ্বর, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া, টাইফয়েড ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে। সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে শিশু ও বয়স্ক রোগীর চাপ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে প্রশাসনের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




১৮ বছর ধরে হাজারো শালিকের নির্ভরতার নাম পাথরঘাটার আব্দুল হক

বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার তালতলা চত্বরে প্রতিদিন ভোর হলেই চোখে পড়ে এক ব্যতিক্রমী মানবিক দৃশ্য। সকাল ছয়টা বাজতেই আব্দুল হকের ছোট দোকানের সামনে জড়ো হয় ৮ থেকে ১০ হাজার শালিক পাখি। আশপাশের গাছের ডাল ও বিদ্যুতের খুঁটিতে বসে কিচিরমিচির শব্দে যেন তারা অপেক্ষা করে প্রিয় মানুষটির জন্য।

২০০৭ সাল থেকে টানা ১৮ বছর ধরে নিজের উপার্জনের অর্থ থেকেই এসব শালিক পাখির খাবারের ব্যবস্থা করে আসছেন আব্দুল হক। কখনো গম, কখনো চাল, আবার কখনো ডালভাত কিংবা রুটি—যা থাকে, তাই ভাগ করে নেন পাখিদের সঙ্গে। অনেক সময় কয়েক কেজি আটা দিয়ে আলাদা করে রুটি বানিয়ে কুচিয়ে দেন শুধু শালিকদের জন্য। এই কাজে তার কোনো আর্থিক লাভ নেই, আছে কেবল ভালোবাসা ও মানসিক প্রশান্তি।

স্থানীয়রা জানান, কোনো কারণে একদিন খাবার দিতে দেরি হলে বা না দিতে পারলে পাখিরা দোকানের সামনে এসে কিচিরমিচির করে তাকে খুঁজতে থাকে। এলাকাবাসীর মতে, পাখিরাও মানুষকে চিনতে পারে—আর আব্দুল হকের মতো মানবিক মানুষ বর্তমান সময়ে খুবই বিরল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শালিক পাখির সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে। এই ব্যতিক্রমী দৃশ্য দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন প্রকৃতিপ্রেমী মানুষজন।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, শালিক পাখি পরিবেশের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তারা ফসলের ক্ষেতে পোকামাকড় খেয়ে কৃষকদের কীটনাশকের ব্যবহার কমাতে সহায়তা করে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এলাকার বাসিন্দা আব্বাস বলেন, “একসময় আব্দুল হক দীর্ঘদিন এলাকায় না থাকায় পাখিদের অস্থির আচরণ দেখেই বোঝা গিয়েছিল তিনি অনুপস্থিত। যেন তার অনুপস্থিতিতেই পাখিদের সঙ্গে গভীর বন্ধনের নিঃশব্দ আর্তনাদ প্রকাশ পেয়েছিল।”

আব্দুল হক বলেন, “২০০৭ সাল থেকে নিজের টাকায় প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ হাজার শালিক পাখিকে খাবার দিচ্ছি। ওরা আমার পরিবারের মতো। আমি না থাকলেও যেন কেউ তাদের অভাব পূরণ করে—এই কামনাই করি।”

পাথরঘাটা উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. অরবিন্দ দাস বলেন, “আব্দুল হকের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। নিজের অর্থে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত পাখিদের খাবার দেওয়ার বিষয়টি বর্তমান সময়ে বিরল উদাহরণ। ভবিষ্যতে সরকারি কোনো সহায়তার সুযোগ তৈরি হলে তাকে সহযোগিতা করা হবে, যাতে তিনি এই মহৎ কাজটি চালিয়ে যেতে পারেন।”


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫