কুয়াকাটায় কার্পেটিংয়ের নামে অনিয়ম, টিকবে না এক বছরও অভিযোগ স্থানীয়দের

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় সৈকতসংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কের নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, নিয়ম মেনে প্রাইম কোট না দিয়ে ধুলাবালির ওপর সরাসরি কার্পেটিং করা হচ্ছে, যা এক বছরও টিকবে না।

জানা যায়, এলজিইডির বরিশাল বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের আওতায় ৯ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়কটি নির্মাণ করছে বরেন্দ্র কনস্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে ধোলাই বাজার পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সড়কের প্রস্থ নির্ধারিত হয়েছে ১৬ ফুট এবং কার্পেটিংয়ের পুরুত্ব ৪০ মিলিমিটার হলেও প্রকৃতপক্ষে তা মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

স্থানীয়রা জানান, বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী এই সড়ক উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জন্য একটি রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে আসছে বহুদিন ধরে। তবে বর্তমানে চলমান সংস্কারকাজে মান রক্ষা না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

মনির হোসেন নামের এক বাসিন্দা বলেন, “যেভাবে কাজ হচ্ছে, একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তা ভেঙে যাবে। আমরা চাই টেকসই রাস্তা।” একই অভিযোগ করেন পাঞ্জুপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ নাঈম, যিনি বলেন, “প্রাইমকোট ছাড়া কার্পেটিং করা হচ্ছে। কোনো ফিনিশিং নেই। এই রাস্তা এক বছরও টিকবে না।”

স্থানীয় হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ বলেন, “অনিয়ম দেখেও সংশ্লিষ্টরা চুপ করে থাকেন। আমরা চাই কুয়াকাটার স্বার্থে একটি মানসম্মত রাস্তা।”

তবে বরেন্দ্র কনস্ট্রাকশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব না হলেও সাব-কন্ট্রাক্টর ফোরকান হোসেন দাবি করেন, কাজ এলজিইডি কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী হচ্ছে এবং কোনো অনিয়ম করা হয়নি।

এদিকে এলজিইডি কলাপাড়া উপজেলার প্রকৌশলী মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান বলেন, “কিছু স্থানে কার্পেটিংয়ের পুরুত্ব কম পাওয়া গেছে। এসব ঠিক করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং শিডিউল অনুযায়ী কাজ করতে কঠোরভাবে বলা হয়েছে।”

স্থানীয়দের দাবি, সরকারি এই প্রকল্পে দুর্নীতির সুযোগ না রেখে যথাযথ মান বজায় রেখে কাজটি শেষ করা হোক, যাতে উপকূলবাসী ও পর্যটক উভয়েই দীর্ঘ মেয়াদে উপকৃত হন।


মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




ভোলা-বরিশাল সেতু: বিচ্ছিন্ন দ্বীপে বদলের অগ্রদূত

দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার পর নতুন আশার আলো জাগাচ্ছে ভোলা-বরিশাল সেতু। দেশের একমাত্র বিচ্ছিন্ন দ্বীপ জেলা ভোলার মানুষের বহুদিনের স্বপ্ন এটি। সেতুটি বাস্তবায়িত হলে বদলে যাবে প্রায় ২২ লাখ মানুষের জীবনধারা। সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে ভোলার গায়ে ‘বিচ্ছিন্ন’ ট্যাগটি মুছে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

ভোলার মানুষের দাবি, শিক্ষা, চিকিৎসা, শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানে যে পশ্চাদপদতা দেখা যায়, তার মূল কারণ সড়ক যোগাযোগের অভাব। বর্তমানে বরিশালের সঙ্গে ভোলার একমাত্র সংযোগ পথ হলো ফেরি সার্ভিস, যা সময়সাপেক্ষ এবং দুর্ভোগে ভরা। দিনের পরে দিন ফেরিঘাটে অপেক্ষা করতে হয়, বিশেষ করে বাস ও ট্রাকচালকদের।

স্থানীয় বাসিন্দা ও কর্মজীবী মানুষরা বলছেন, সন্ধ্যার পর নদীপথে লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ থাকায় অনেক সময় জরুরি প্রয়োজনে তারা ভোগান্তিতে পড়েন। অন্যদিকে, শিল্প উদ্যোক্তারাও বিনিয়োগে আগ্রহ হারান সড়ক যোগাযোগ না থাকায়। অথচ প্রাকৃতিক গ্যাসে সমৃদ্ধ ভোলা শিল্প স্থাপনের জন্য আদর্শ স্থান।

৮ মে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. শেখ মইনউদ্দিন এবং সেতু বিভাগের সচিব মো. আবদুর রউফ ভোলা-বরিশাল সেতুর সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেন। তাদের এই সফর নতুন করে আশার আলো জ্বালিয়েছে স্থানীয়দের মনে।

সেতু বিভাগের তথ্যমতে, প্রস্তাবিত ভোলা-বরিশাল সেতুর দৈর্ঘ্য প্রায় ১১ কিলোমিটার। প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১৭ হাজার কোটি টাকা, যা সময় ও নকশা অনুযায়ী বাড়তেও বা কমতেও পারে।

ভোলার নাগরিক ও সাংবাদিক নেতারা বলছেন, পদ্মা সেতু নির্মাণ হলেও তার সরাসরি সুবিধা ভোলাবাসী পাননি। অথচ এই জেলা থেকেই গ্যাস, ইলিশ, ধান, গমসহ নানা সম্পদ সরবরাহ হয় সারাদেশে। কিন্তু জেলার মানুষ পায় না কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন।

তারা বলছেন, ভোলা-বরিশাল সেতু হলে শুধু ভোলার নয়, বরিশাল বিভাগসহ গোটা দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কর্মসংস্থানে বিপ্লব ঘটবে।

সরকারের প্রতি জেলাবাসীর দাবি, আর আশ্বাস নয়—সেতু নির্মাণের কাজ দ্রুত শুরু করা হোক।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




দাবি না মানলে আমরণ অনশনে নার্সিং শিক্ষার্থীরা

বরিশাল নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীরা তাদের চার দফা দাবির প্রেক্ষিতে চলমান আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠেছেন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দাবি আদায়ের আন্দোলনে অংশ নিতে গেলে ৬ মে শিক্ষকদের বাধার মুখে পড়তে হয় এবং তাদের মারধরের শিকার হতে হয়। এ ঘটনার ৭২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, যা ঘনীভূত করেছে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ।

আজ রোববার (১১ মে) বরিশাল নার্সিং কলেজের হলরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা বলেন, “আমাদের ন্যায্য দাবি পূরণ না হলে এবং হামলায় জড়িত শিক্ষকদের বিচার না হলে আমরা সোমবার থেকে আমরণ অনশন শুরু করব।”

উল্লেখ্য, গত ৩০ এপ্রিল থেকে সারা দেশের সরকারি ৩২টি এবং বেসরকারি ১৫৪টি নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীরা শিক্ষক নিয়োগসহ চার দফা দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন। এই দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগ, শিক্ষার মান উন্নয়ন ও মারধরের ঘটনার বিচার।

শিক্ষার্থীরা আরও জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে এবং কোনো রকম সমঝোতায় তারা রাজি নন। এ সময় একাডেমিক ভবনের সামনে শিক্ষার্থীরা হামলায় জড়িত শিক্ষকদের প্রতিকৃতিসহ কুশপুতুল দাহ করে প্রতিবাদ জানান।

আন্তর্জাতিক নার্সেস ডে উপলক্ষে শিক্ষার্থীরা জানান, তারা এই দিনটিতে কোনো উদযাপনে অংশ নেবেন না, বরং এটি বর্জন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / 




আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ

আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে গত দুদিন ধরে কর্মসূচি পালন করছে সদ্যগঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) বিভিন্ন দল ও সংগঠন।

গত বছরের জুলাই অগাস্টের আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের রাজনীতি সাময়িক নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ (শনিবার) রাতে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক থেকে এ সিদ্ধান্ত এসেছে।

এনসিপি গঠিত হওয়ার পর থেকেই ছাত্র জনতার আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন অপরাধের বিচার ও তার দায়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়ে আসছিল।

বুধবার মধ্যরাতে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সময়ের সাবেক রাষ্ট্রপতি মো.আবদুল হামিদ থাইল্যান্ডে গেলে নতুন করে কর্মসূচি নেয় মাঠে নামে এনসিপি।

শনিবার রাতে এ নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসে উপদেষ্টা পরিষদ। বৈঠক শেষে সরকারের সিদ্ধান্তের কথা জানান উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও তার নেতাদের বিচার কার্যসম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা, জুলাই আন্দোলনের নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বাদী ও সাক্ষীদের সুরক্ষার জন্য সন্ত্রাস বিরোধী আইনের অধীনে সাইবার স্পেস-সহ আওয়ামি লীগ এর যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরিপত্র পরবর্তী কর্মদিবসে জারি করা হবে।




পটুয়াখালীতে বরিশাল বিভাগের রোভারমেট ও সমাজ উন্নয়ন অ্যাওয়ার্ড বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালী সরকারি কলেজের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার রোভার স্কাউটদের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী রোভারমেট ও সমাজ উন্নয়ন অ্যাওয়ার্ডবিষয়ক কর্মশালা। বাংলাদেশ স্কাউটস, রোভার অঞ্চলের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মশালাটি শনিবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়, যাতে অংশ নেন বরিশাল বিভাগের পটুয়াখালী, বরিশাল, ভোলা, ঝালকাঠি, পিরোজপুর ও বরগুনা জেলার শতাধিক রোভার স্কাউট সদস্য।

কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য ছিল অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে নেতৃত্বের দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রেসিডেন্টস রোভার স্কাউট (পিআরএস) ও সমাজ উন্নয়ন (সিডি) অ্যাওয়ার্ড অর্জনের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও নিয়ম-কানুন সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রফেসর মো: নজরুল ইসলাম খান, এল.টি., যিনি বাংলাদেশ স্কাউটস রোভার অঞ্চলের আঞ্চলিক উপ-কমিশনার (প্রোগ্রাম ও আন্তর্জাতিক) এবং মোহাম্মদপুর সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকার অধ্যক্ষ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক ছিলেন পটুয়াখালী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ জসীম উদ্দীন। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন ড. মো: আমিনুল ইসলাম টিটু, যিনি পটুয়াখালী জেলা রোভার স্কাউটসের সম্পাদক ও পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার।

পুরো কর্মশালাজুড়ে স্কাউটদের দক্ষ নেতৃত্ব গড়ে তোলার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এতে কার্যকর যোগাযোগ কৌশল, টিম ম্যানেজমেন্ট, সমস্যা সমাধানের কৌশল, পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও রিপোর্ট তৈরি সংক্রান্ত নানা দিক তুলে ধরা হয়। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয় প্রেসিডেন্টস অ্যাওয়ার্ড ও সমাজ উন্নয়ন অ্যাওয়ার্ডের জন্য আবেদন প্রক্রিয়া, মানদণ্ড ও সময়কাল সম্পর্কে বিশদ ধারণা প্রদানে।

বক্তারা বলেন, স্কাউটিং শুধু একটি আন্দোলন নয়, এটি তরুণ সমাজকে শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার শিক্ষায় শিক্ষিত করার কার্যকর মাধ্যম। তারা জানান, করোনা পরিস্থিতি, দুর্যোগ ও অন্যান্য সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে স্কাউটদের অবদান অত্যন্ত গৌরবময়। তারা আশা প্রকাশ করেন, এমন কর্মশালা রোভারদের আরও দায়িত্ববান করে তুলবে এবং ভবিষ্যতের নেতৃত্বে প্রস্তুত করবে।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী রোভার স্কাউটরা জানান, এই কর্মশালা থেকে তারা বাস্তব জীবনের সমস্যা মোকাবিলার কৌশল ও নেতৃত্বগুণ অর্জনের বাস্তব অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন। তারা নিজেদের এলাকায় স্কাউটিং কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ এবং সমাজ উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

আয়োজকেরা জানান, রোভারদের নেতৃত্বগুণ বিকাশ ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা জোরদারে এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম নিয়মিত আয়োজন করা হবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



বগা সেতু নির্মাণের দাবিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

পটুয়াখালীর বাউফলের জনসাধারণ দীর্ঘদিন ধরে যে দুর্ভোগের মুখোমুখি হচ্ছেন, তার অবসানে ‘বগা সেতু’ নির্মাণের জোর দাবি জানিয়ে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে ‘বগা সেতু বাস্তবায়ন পরিষদ’-এর ব্যানারে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে বাউফল, গলাচিপা, দশমিনা ও কলাপাড়া—চার উপজেলার বিপুলসংখ্যক মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, লোহালিয়া নদীর ওপর একটি সেতু নির্মিত হলে দক্ষিণাঞ্চলের লাখো মানুষের জীবনযাত্রা বদলে যাবে। বর্ষাকালে নৌপথের ওপর নির্ভরশীল এই জনপদের শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ মানুষকে যেভাবে দুর্ভোগ পোহাতে হয়, তা একটি সেতুই দূর করতে পারে। বক্তারা দাবি জানান, বছরের পর বছর ধরে নির্বাচন এলেই সেতুর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, অথচ বাস্তবায়নের কোনো অগ্রগতি নেই। এই অবহেলার চিত্র পাল্টাতে হলে সরকারের এখনই পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

আন্দোলনকারীরা জানান, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে বাউফলসহ আশপাশের এলাকার অর্থনীতি, কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা এবং শিক্ষা খাতে ব্যাপক পরিবর্তন সম্ভব। তারা আরও বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের সমন্বিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে ‘বগা সেতু’ একটি অপরিহার্য অবকাঠামো হয়ে উঠবে।

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন বগা সেতু বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক ও এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন। বক্তব্য দেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বাউফল উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম ফারুক তালুকদার, বাউফল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও জামায়াতের ঢাকা মহানগরীর সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, শহীদ জিয়া পরিষদের আহ্বায়ক আনিসুর রহমান আনিস, বগা সেতু বাস্তবায়ন পরিষদের সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার রুমান, আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান আনিস, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের সিনিয়র ডেপুটি ডিরেক্টর মো. মাহফুজুর রহমান, সবুজ দাসপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আজম চৌধুরী, বাউফল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জি এম ফারুক হোসেন, ব্যবসায়ী মো. হেলাল উদ্দিন, ইউনুস চৌধুরী, রমিজ উদ্দিন হাওলাদারসহ আরও অনেকে। মানববন্ধনটি সঞ্চালনা করেন মারুফ আল মুজাহিদ।

বক্তারা সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, “বছরের পর বছর ধরে আমরা সেতুর আশায় দিন গুনছি। সময় এসেছে বাস্তবায়নের। জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে দ্রুত বগা সেতু নির্মাণে সরকারের সুস্পষ্ট ঘোষণা ও বরাদ্দ দাবি করছি।”

“মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম”



কুয়াকাটা সৈকতে ঢেউয়ের তোড়ে প্রাণ গেল পর্যটকের

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে গোসলে নেমে ঢেউয়ের তোড়ে ডুবে গিয়ে রাজেশ কুমার পাল (৪০) নামে এক পর্যটকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার বেলা আনুমানিক এগারোটার দিকে সৈকতের জিরো পয়েন্টের পশ্চিম পাশে এই দুর্ঘটনা ঘটে। মৃত রাজেশ রাজশাহী জেলার পুটিয়া উপজেলার শরৎ কুমার পালের ছেলে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, রাজেশ কুমার পাল তার এক চাচাতো ভাই ও ভগ্নিপতিকে সঙ্গে নিয়ে কুয়াকাটা ঘুরতে এসেছিলেন। তারা কুয়াকাটার হোটেল সাগর নীড়ে অবস্থান করছিলেন। সকালে সকলে মিলে সৈকতে গোসল করতে নামেন।

গোসলের সময় ঢেউয়ের প্রচণ্ড তোড়ে রাজেশ কিছুটা গভীরে চলে যান এবং হঠাৎ করেই ডুবে যেতে থাকেন। সঙ্গে থাকা আত্মীয়দের চিৎকারে স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম বলেন, “দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাই এবং লাশ উদ্ধার করি। এরপর আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে।”

এই ঘটনায় সৈকতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় প্রশ্ন তুলেছেন পর্যটক ও স্থানীয়রা। কুয়াকাটার মতো জনপ্রিয় একটি পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে কর্তৃপক্ষকে আরও সক্রিয় হওয়ার দাবি উঠেছে।

“মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম”

 




বরিশাল ৬ লেন মহাসড়ক সীমিত হলো পায়রা সেতু পর্যন্ত

বরিশাল-ফরিদপুর হয়ে পায়রা সেতু পর্যন্ত ছয় লেন মহাসড়ক প্রকল্প আপাতত সীমিত রাখা হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে মূল বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ভূমি অধিগ্রহণজনিত জটিলতা এবং ব্যয়ের অতিরিক্ত বৃদ্ধি। পরিকল্পনা কমিশনের অনুমোদন না মেলায় ৬ হাজার কোটি টাকার উন্নীত প্রস্তাব আপাতত স্থগিত রেখে পূর্বে বরাদ্দকৃত ১,৮৫৭ কোটি টাকার মধ্যে প্রকল্প সীমিত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

একনেকের সর্বশেষ বৈঠকে প্রাথমিকভাবে ফরিদপুর থেকে বরিশাল হয়ে লেবুখালীর পায়রা সেতু পর্যন্ত ভূমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এই কাজ ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে ১,৮৫৭ কোটি টাকায় বরিশাল-ফরিদপুর ও বরিশাল-পটুয়াখালী-পায়রা-কুয়াকাটা মহাসড়ককে ৬ লেনে উন্নীত করার জন্য ভূমি অধিগ্রহণ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। ২০২১ সালের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তিন বছর অতিবাহিত হলেও এখনও অর্ধেকের বেশি জমি অধিগ্রহণ হয়নি। এ সময়ে জমির মূল্য প্রায় তিনগুণ বেড়ে গেছে, ফলে বরাদ্দকৃত অর্থে প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব নয়।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের বরিশাল জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী জানিয়েছেন, নতুন পরিকল্পনায় ফরিদপুর থেকে বরিশালের গড়িয়ার পাড় এবং দপদপিয়া সেতুর পাড় হয়ে জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত অধিগ্রহণের কাজ আগামী অর্থবছরের মধ্যে শেষ করার জন্য প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। তবে বরিশাল বাইপাসের ১৬ কিলোমিটার অংশ আপাতত বাদ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, প্রকল্প ব্যয় ও সময় বাড়লেও ৬ জেলা প্রশাসনের অদক্ষতা এবং ল্যান্ড এক্যুইজিশন অফিসের উদাসীনতার কারণে প্রকল্প বারবার পিছিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে। এডিবির আগ্রহও কমেছে, কারণ এখনো পরিপূর্ণ ডিপিপি অনুমোদন হয়নি। সবকিছু ঠিকঠাকভাবে হলে আগামী অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পটি সবুজ পাতায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আশা করছে সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়।

দক্ষিণাঞ্চলের ১১ জেলার সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ উন্নয়নের জন্য এই প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষত পদ্মা সেতুর সুফল যেন পূর্ণ মাত্রায় পাওয়া যায়। যানজট ও দুর্ঘটনা কমাতে প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




বিশ্ব পরিযায়ী পাখি দিবস ২০২৫: নগর হোক পাখিরও আশ্রয়

দূর দিগন্ত পেরিয়ে প্রতিবছর কোটি কোটি পাখি হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দেয় নতুন আশ্রয় খোঁজে। এই অসাধারণ পরিযাণ শুধু প্রকৃতির খেলা নয়, বরং জীবন বাঁচানোর এক নিরন্তর লড়াই। কিন্তু আজ সেই পাখিদের জন্য নিরাপদ আশ্রয় ক্রমেই কমছে মানুষের নগরায়ণের দাপটে। তাই ২০২৫ সালের বিশ্ব পরিযায়ী পাখি দিবস-এ নতুন করে আহ্বান জানানো হয়েছে: “অংশীদারিত্বের স্থান: পাখিবান্ধব নগর ও সমাজ গঠন”

প্রতিবছর মে মাসের দ্বিতীয় শনিবার পালিত হয় এই দিবস। এ বছরের প্রতিপাদ্য মানুষ ও পাখির সহাবস্থানের গুরুত্বকে সামনে এনেছে। পরিযায়ী পাখি কেবল সৌন্দর্য নয়, বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায়, ফসল রক্ষা, পরাগায়ন ও বীজ বিস্তারে অনন্য ভূমিকা রাখে। অথচ, জলাভূমি ভরাট, গাছ কাটাসহ নানা কারণে পাখিরা হারাচ্ছে তাদের প্রাকৃতিক আশ্রয়স্থল।

অপরিকল্পিত নগরায়ণ, আলো ও শব্দ দূষণ, রাসায়নিকের ব্যবহার, বিদ্যুতের খুঁটি ও যানবাহনের ধাক্কায় প্রতিনিয়ত পাখির জীবন ঝুঁকিতে পড়ছে। শহরের শিশুরা কখনো কৌতূহলে, আবার কেউ কেউ শিকার করতেও পাখিদের ক্ষতি করছে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে গুলশান লেক, হাতিরঝিল, রমনা উদ্যান, সংসদ ভবন এলাকায় পরিযায়ী পাখি আসে, কিন্তু নিরাপদ নয় তারা।

পরিবেশবিদরা বলছেন, পাখিবান্ধব শহর মানে শুধু পাখির নিরাপত্তা নয়— এটি পরিবেশবান্ধব, বাসযোগ্য ও মানসিকভাবে শান্তিপূর্ণ সমাজের প্রতিচ্ছবি।
এ জন্য প্রয়োজন—

  • শহরের পরিকল্পনায় সবুজ বেল্ট ও গাছ সংরক্ষণ
  • কাচ ও আলো ব্যবহারে সচেতনতা
  • শিশুকিশোরদের বার্ড ওয়াচিংয়ের মাধ্যমে সচেতন করা
  • স্থানীয় প্রজাতির গাছ রোপণ
  • জলাশয় সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ
  • শব্দ ও আলোক দূষণ হ্রাসে কঠোর ব্যবস্থা
  • পাখির খাদ্যের জন্য বিষমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলা

বাংলাদেশের বন অধিদপ্তর ইতোমধ্যেই পরিযায়ী পাখি সংরক্ষণে পদক্ষেপ নিয়েছে। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন প্রয়োগ, অবৈধ পাখি বাজারে অভিযান, কমিউনিটি প্যাট্রল দল, সংরক্ষিত অঞ্চল ঘোষণা ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে তারা।

ব্যক্তিগত পর্যায়ে আমরা কী করতে পারি?

  • বারান্দা ও ছাদে পানির পাত্র রাখা
  • কীটনাশক এড়িয়ে জৈব বাগান করা
  • আহত পাখিকে সাহায্য করা
  • পাখি নিয়ে শিক্ষামূলক প্রচারণায় অংশ নেওয়া

এই দিবস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়— আমরা প্রকৃতির অংশ, পাখি শুধু সৌন্দর্যের বাহক নয়, টেকসই পৃথিবীর রক্ষাকর্তাও। আসুন, শহর গড়ি পাখির জন্য, প্রকৃতির জন্য, নিজেদের জন্য।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




ঈদে আসছে ‘উৎসব’: বড়পর্দায় সাদিয়া আয়মান, চমকে দেবেন জয়া-চঞ্চল-অপি করিম!

ঢাকা: বর্তমান সময়ের আলোচিত অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান এবার নাম লেখালেন বড়পর্দায়। ঈদুল আজহায় মুক্তির লক্ষ্যে নির্মিতব্য নতুন সিনেমা ‘উৎসব’-এর শুটিং ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে। ছবিটি পরিচালনা করছেন ‘কাইজার’ খ্যাত গুণী নির্মাতা তানিম নূর

ছবিটি ঘিরে শুরু থেকেই দর্শকদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে। গত মাসে বার্তা২৪.কম-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাদিয়া বলেছিলেন, “সিনেমা করছি, বড়পর্দার জন্যই করছি। পরিবার নিয়ে দেখার মতো একটি গল্প। সব ঠিক থাকলে কোরবানির ঈদেই ছবিটি মুক্তি পাবে।”

তবে সে সময় তিনি ছবির নাম, পরিচালক কিংবা সহশিল্পীদের বিষয়ে মুখ খুলতে চাননি। অবশেষে জানা গেছে সব তথ্য—এবং তা নিশ্চিত করেছেন ছবির প্রযোজক ও নির্মাতা সৈয়দ আহমেদ শাওকী তার এক ফেসবুক পোস্টে।

ছবির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো তারকাবহুল কাস্টিং। ‘উৎসব’ ছবিতে দেখা যাবে দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান, শক্তিশালী অভিনয়ের জন্য খ্যাত অপি করিম, জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী এবং ছোটপর্দার কিংবদন্তি জাহিদ হাসানকে।

সাদিয়ার বিপরীতে এই ছবিতে নায়ক হিসেবে থাকছেন মঞ্চ ও টিভির সম্ভাবনাময় অভিনেতা সৌম্য জ্যোতি। বার্তা২৪.কম-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সৌম্য নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ছবিটি চার্লস ডিকেন্সের বিখ্যাত গল্প ‘A Christmas Carol’ অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে বলে জানা গেছে। তবে পরিচালক বা শিল্পীদের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কিছু বলা হয়নি।

সব মিলিয়ে, ঈদুল আজহার বড়পর্দার মুক্তির তালিকায় ‘উৎসব’ ইতোমধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। তারকা জৌলুস, ক্লাসিক গল্প এবং নবীন-প্রবীণ অভিনয়শিল্পীদের একত্রে দেখা—সবই মিলিয়ে এই ছবিটি হতে পারে ঈদের অন্যতম চমক।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /