খালেদা জিয়াকে শেষ বিদায় জানাতে সারাদেশ থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে বিএনপির নেতাকর্মীর ঢল

চন্দ্রদ্বীপ ‍নিউজ : সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে শেষ বিদায় জানাতে  ও তার জানাজায় অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকার আসছেন বিএনপির শোকার্ত  নেতাকর্মীরা।

অনেক নেতাকর্মী মঙ্গলবার (৩০ডিসেম্বর) দুপুরের পর থেকেই রওনা দিতে শুরু করেন ।শেষবারের মতো খালেদা জিয়াকে একনজর দেখার আশায় নেতাকর্মীরা যে যার মতো গণপরিবহন, ট্রেন, লঞ্চ ও ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছেন।

জানা গেছে, খালেদা জিয়ার মৃত্যুর সংবাদ পাওয়ার পর থেকেই নেতাকর্মীরা ঢাকায় আসতে শুরু করেন।ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলাগুলো থেকে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে নেতাকর্মীরা মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের পথে রওনা দেবেন বলে জানা গেছে। সরজমিনে দেখা গেছে, খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবরে সবার মুখে মলিনতার ছাপ। তাছাড়া, দলীয় কার্যালয়গুলোতে শোক আর শূন্যতা বিরাজ করছে। কার্যালয়গুলোতে কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবন মাঠ ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব জানাজার নামাজ পড়াবেন। এরপর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।




শেষবারের মতো ‘ফিরোজায়’ নেওয়া হচ্ছে খালেদা জিয়ার মরদেহ

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ:সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ আজ বুধবার সকাল ৯টার একটু আগে বাংলাদেশের পতাকায় মোড়ানো একটি গাড়িতে করে এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে বের করে  তাঁর বাসভবন ‘ফিরোজায়’নেওয়া হচ্ছে । সেখানে তাকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাবেন স্বজন ও দলীয় নেতা কর্মীরা।

পরে তাঁকে জানাজার জন্য নেওয়া হবে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে।

বুধবার বেলা ২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে তাঁকে তাঁর স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পাশে দাফন করা হবে বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।




মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বেগম খালেদা জিয়ার শেষ বিদায়ের জানাজার প্রস্তুতি

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :জন্মিলে মরিতে হবে এটাই নিয়ম । কিন্তু যে মৃত্যু সারাদেশ কে নাড়া দেয় মানুষকে আবেগতাড়িত করে এমন মৃত্যু কতো জন পায়,দেশ আজ তেমনি এক মহিয়সীকে বিদায় জানাতে সমবেত হবে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে যেখানে বাদ জোহর অনুষ্ঠিত হবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন আপোসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা ।

প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের এক ফেসবুক পোস্টে বলা হয়েছে, বুধবার জানাজার সময় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজার বদলে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের পশ্চিম প্রান্তে খালেদা জিয়ার মরদেহবাহী কফিন রাখা হবে। জাতীয় সংসদ ভবনের ভেতরের মাঠ, বাইরের অংশ এবং মানিক মিয়া অ্যাভিনিউজুড়ে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

খালেদা জিয়ার প্রতি সর্বস্তরের মানুষ যাতে নির্বিঘ্নে সম্মান জানাতে পারেন এবং তাঁর জানাজায় অংশ নিতে পারেন সে জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ করছে নিরাপত্তা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রীয় সব দপ্তর। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের চারপাশের সড়কগুলোতেও যেন সাধারণ মানুষ অবস্থান করতে পারেন, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জানাজার পর বেলা সাড়ে তিনটার দিকে শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হবে। এ সময় খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্য, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি, বিদেশি অতিথি, রাষ্ট্রদূত এবং বিএনপি মনোনীত রাজনীতিকেরা উপস্থিত থাকবেন।

খালেদা জিয়ার দাফন নির্বিঘ্নে শেষ করার জন্য জিয়া উদ্যানে নির্ধারিত ব্যক্তিদের ছাড়া আর কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। দাফন শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেখানে জনসাধারণের চলাচল সীমিত রাখা হবে।




খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতি হারাল এক মহান অভিভাবক: প্রধান উপদেষ্টা

দেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির শীর্ষ নেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতি এক মহান অভিভাবককে হারিয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় দেওয়া ভাষণের শুরুতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে সমগ্র জাতি গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত। দেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির এই অগ্রগণ্য নেত্রী আর আমাদের মাঝে নেই—এটি জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।

ভাষণে তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক পরম মহিমান্বিত ব্যক্তিত্ব। গণতন্ত্র, বহুদলীয় রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাঁর ভূমিকা ইতিহাসে অম্লান হয়ে থাকবে। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে তাঁর আপসহীন নেতৃত্ব বারবার জাতিকে গণতন্ত্রহীন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের পথ দেখিয়েছে এবং মুক্তির প্রেরণা জুগিয়েছে।

এই শোকাবহ সময়ে মরহুমার পরিবার-পরিজন, রাজনৈতিক সহকর্মী এবং অগণিত কর্মী-সমর্থকের প্রতি সমগ্র জাতির পক্ষ থেকে আন্তরিক সমবেদনা জানান প্রধান উপদেষ্টা। একই সঙ্গে তিনি মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন, যেন সবাই এই শোক কাটিয়ে ওঠার শক্তি ও ধৈর্য লাভ করেন।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, দেশ ও জাতির প্রতি খালেদা জিয়ার অবদান চিরকাল শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হবে। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, গণমুখী নেতৃত্ব এবং স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অবিচল অবস্থান অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। এমন একজন দূরদর্শী ও নিখাদ দেশপ্রেমিক নেত্রীর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।

দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এই কঠিন সময়ে সবাই যেন ঐক্যবদ্ধ থাকে এবং মহান আল্লাহর দরবারে বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে। একই সঙ্গে শোকের সুযোগ নিয়ে কোনো ধরনের অস্থিতিশীলতা বা নাশকতার অপচেষ্টা যেন না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকার অনুরোধ জানান তিনি।

ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেন। পাশাপাশি তাঁর নামাজে জানাজার দিন বুধবার এক দিনের সাধারণ ছুটিও ঘোষণা করা হয়। জানাজাসহ সব শোকানুষ্ঠান শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে পালনের জন্য দেশবাসীর প্রতি বিনীত আহ্বান জানান তিনি।

শেষে প্রধান উপদেষ্টা মহান আল্লাহর কাছে দেশবাসীর জন্য ধৈর্য, শক্তি ও ঐক্য কামনা করেন।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় খালেদা জিয়ার ভূমিকা অনস্বীকার্য: শেখ হাসিনা

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী, আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খালেদা জিয়ার অবদান ছিল অপরিসীম।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে পাঠানো এক শোকবার্তায় এসব কথা বলা হয়। নিষিদ্ধ রাজনৈতিক কার্যক্রমের প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ওই বার্তায় শেখ হাসিনা বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর দুঃখ ও শোক প্রকাশ করেন।

শোকবার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তাঁর অবদান ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও জাতীয় জীবনে খালেদা জিয়ার ভূমিকা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তাঁর মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এবং বিএনপির নেতৃত্বে এক বড় শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে।

শেখ হাসিনা মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বলেন, আমি মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন বেগম খালেদা জিয়াকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন।

এছাড়া শোকবার্তায় তিনি খালেদা জিয়ার পরিবার-পরিজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। বিশেষ করে তাঁর ছেলে তারেক রহমান ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের এই কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণের শক্তি দান করার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর মঙ্গলবার ভোর ৬টায় ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেগম খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




খালেদা জিয়া ছিলেন দেশের রাজনীতির এক মহিমান্বিত ব্যক্তিত্ব: প্রধান উপদেষ্টা

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, খালেদা জিয়া ছিলেন দেশের রাজনীতিতে এক পরম মহিমান্বিত ব্যক্তিত্ব, যিনি গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে তিনি গভীরভাবে শোকাহত ও মর্মাহত। এই দুঃখজনক সময়ে তিনি মরহুমার পরিবার, রাজনৈতিক সহকর্মী এবং অসংখ্য কর্মী-সমর্থকের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।

শোকবার্তায় উল্লেখ করা হয়, বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির এক অনন্য ও শক্তিশালী নেতৃত্বের প্রতীক ছিলেন। বহুদলীয় গণতন্ত্র, রাজনৈতিক সহনশীলতা এবং জনগণের অধিকার রক্ষার আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে তাঁর আপসহীন অবস্থান বারবার জাতিকে গণতন্ত্রের পথে ফেরার প্রেরণা জুগিয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, দেশ ও জাতির প্রতি বেগম খালেদা জিয়ার অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হবে। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, গণমুখী নেতৃত্ব এবং স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অবিচল অবস্থান ছিল অনন্য। এমন একজন দূরদর্শী ও দেশপ্রেমিক নেত্রীর শূন্যতা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।

তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই শোকাবহ সময়ে সবাই যেন মহান আল্লাহর দরবারে বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং ধৈর্য ও সংযমের পরিচয় দেন। একই সঙ্গে শোকের সুযোগে কোনো ধরনের অস্থিতিশীলতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা রুখে দিতে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।

শোকবার্তায় আরও জানানো হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে। পাশাপাশি তাঁর জানাজার নামাজের দিনে এক দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। জানাজাসহ সব শোকানুষ্ঠান শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে পালনের জন্য দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।

শেষে প্রধান উপদেষ্টা মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন, যেন তিনি জাতিকে এই গভীর শোক কাটিয়ে ওঠার শক্তি, ধৈর্য ও ঐক্য দান করেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দায় শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের: আইন উপদেষ্টা

বিএনপির চেয়ারপার্সন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগকে দায়ী করেছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ড. আসিফ নজরুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার মাধ্যমে দেওয়া রায়ের কারণে দীর্ঘদিন কারাবন্দি থাকতে হয়েছে। তিনি দাবি করেন, প্রহসনমূলক মামলার মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠিয়ে অমানবিক মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার করা হয়েছে।

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, যে মামলাগুলোতে খালেদা জিয়াকে সাজা দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো ছিল সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাজানো। এসব মামলার পেছনে ন্যায়বিচারের কোনো প্রতিফলন ছিল না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ড. আসিফ নজরুল তার বক্তব্যে বলেন, “ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর জন্য ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ও তার সরকারের পূর্ণ দায় রয়েছে।” তিনি এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং ইতিহাসের সামনে সত্য উদঘাটনের দাবি জানান।

এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন এক প্রতীকী নেতৃত্ব, যাকে দমন করতে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




ব্যাগভর্তি পাখি শিকার করলেন বরগুনার দুই কারারক্ষী

বরগুনায় প্রকাশ্যে এয়ারগান দিয়ে পাখি শিকারের অভিযোগ উঠেছে জেলা কারাগারে কর্মরত দুই কারারক্ষীর বিরুদ্ধে। স্থানীয় সাংবাদিকরা ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করে বাধা দিলে শিকার করা পাখিভর্তি ব্যাগ ও এয়ারগান নিয়ে মোটরসাইকেলে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন অভিযুক্তরা।

ঘটনাটি ঘটে সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার দিকে বরগুনা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুল কাদের সড়কে। অভিযুক্তরা হলেন বরগুনা জেলা কারাগারের কারারক্ষী মো. হাফিজুর রহমান এবং সহকারী প্রধান কারারক্ষী মো. রফিকুল ইসলাম

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরগুনায় কর্মরত একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের স্টাফ রিপোর্টার ও চিত্র সাংবাদিক পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় ওই সড়কে দুই কারারক্ষীকে পাখি শিকার করতে দেখেন। তারা সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে শিকার বন্ধের অনুরোধ জানালে অভিযুক্তরা সঙ্গে থাকা ব্যাগভর্তি শিকার করা পাখি ও এয়ারগান নিয়ে মোটরসাইকেলে করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থলে এক কারারক্ষীর হাতে একটি ডাহুক পাখি এবং অপরজনের হাতে একটি এয়ারগান দেখা যায়। মোটরসাইকেলে ঝুলানো ব্যাগে অন্তত ২৫টি শিকার করা পাখি ছিল বলে দাবি করা হয়।

জানা গেছে, অভিযুক্ত সহকারী প্রধান কারারক্ষী মো. রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে এর আগেও পাখি শিকারের অভিযোগ উঠেছিল। সে সময় সাংবাদিকদের সামনে ভবিষ্যতে এমন কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

এ বিষয়ে কারারক্ষী মো. হাফিজুর রহমান দাবি করেন, তিনি ছুটিতে ছিলেন এবং নিজের মোটরসাইকেলে বের হলে সহকর্মী মো. রফিকুল ইসলাম তার সঙ্গে ছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ জানতে পারার পর রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়েছে এবং এয়ারগান জব্দ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার কাছ থেকেও লিখিত ব্যাখ্যা নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে অভিযুক্ত সহকারী প্রধান কারারক্ষী মো. রফিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

পরিবেশকর্মীরা বলছেন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী এয়ারগান দিয়ে পাখি শিকার শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বরগুনার পরিবেশকর্মী মুশফিক আরিফ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

এ বিষয়ে বন বিভাগের বরগুনা রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আখতারুজ্জামান বলেন, তিনি বিষয়টি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে অবগত নন। খোঁজ নিয়ে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




ঝিরঝির বৃষ্টির মত ঝরছে কুয়াশা, আজও থাকবে শীতের দাপট

চন্দ্রদ্বীপ ‍নিউজ:  শীতের তীব্রতায় নাকাল দেশ ও জনপদ,মরার উপর খড়ার ঘাঁ হয়ে  সকাল থেকে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা বৃষ্টির মত ঝরছে কুয়াশা, সেই সঙ্গে শৈতপ্রবাহে  নগর জীবনে নেমে এসেছে দূর্ভোগ ।

আজও আকাশ অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

একইসঙ্গে দিনের তাপমাত্রা সাধারণত অপরিবর্তিত থাকতে পারেও বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তবে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে। কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার কারণে শীতের অনুভূতি অব্যাহত থাকতে পারে। ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় উত্তর বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬-১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যেতে পারে।

এদিকে, সকাল ৬টায় ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার তাপমাত্রা ছিলো ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আদ্রর্তা ছিল ৯৩ শতাংশ।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আজ সূর্য অস্ত যাবে সন্ধ্যা ৫টা ২২ মিনিটে।

 




বেগম জিয়ার মৃত্যুতে ৭ দিনের শোক পালনের করবে বিএনপি

চন্দ্রদ্বীপ ‍নিউজ: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম  খালেদা জিয়া মঙ্গল বার সকাল ৬টায় ইন্তেকাল করেছেন।

তার মৃত্যুতে সাত দিন শোক পালন করার ঘোষনা দিয়েছে  বিএনপি।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) পৌনে ৯ টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে শোক প্রকাশ করে এ তথ্য জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।

খালেদা জিয়া রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর অসুস্থতার দরুন চিকিৎসাধীন ছিলেন।

তার প্রয়াণে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।