“শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া যাবে না” — খালেদা জিয়ার দৃঢ় আহ্বান

গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। সেই সাথে বলেন শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া যাবে না। মঙ্গলবার (১ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিএনপি আয়োজিত ‘জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থান: শোক ও বিজয়ের প্রথম বার্ষিকী’ উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা’ থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে দেওয়া সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় খালেদা জিয়া বলেন, “আমাদের সামনে একটি বিরল সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে নতুনভাবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার। সেই কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।”

তিনি বলেন, “শহীদদের রক্তস্রোত ও মায়েদের অশ্রু যেন বৃথা না যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য জাতীয় ঐক্য বজায় রাখা জরুরি। আসুন, সবাই মিলে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করি এবং কোটি মানুষের নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেই।”

বক্তব্যের শুরুতেই খালেদা জিয়া ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণ-অভ্যুত্থান স্মরণ করে বলেন, “এক বছর পেরিয়ে আবার ফিরে এসেছে রক্তস্নাত সেই মাস। দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার। নির্যাতন, হত্যা ও গুমের মাধ্যমে তারা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে। কিন্তু ছাত্র ও জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সেই ফ্যাসিবাদ পতিত হয়েছে।”

আন্দোলনে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও আহতদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, “যারা গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হয়েছেন, তাদের তালিকা তৈরি করতে হবে। তাদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে হবে। প্রতিটি পরিবারকে সম্মান জানাতে হবে এবং তাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।”

বিকেল ৩টায় শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে ‘গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪: জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ২০২৪ সালের আন্দোলনের ঘটনাবলি নিয়ে নির্মিত ‘জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা’ শীর্ষক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।




সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন কতটা উপযোগী, প্রশ্ন তুললেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান

সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন ব্যবস্থায় জাতীয় ঐক্যের পরিবর্তে বিভেদ সৃষ্টির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, “বাংলাদেশকে বিদেশী প্রভাবমুক্ত রাখতে হলে এখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন জনগণের ঐক্য। কিন্তু সংখ্যানুপাতিক ভোট পদ্ধতি ঐক্যের পরিবর্তে দলগুলোর মধ্যে বিভক্তি তৈরি করতে পারে।”

মঙ্গলবার (১ জুলাই) রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিএনপি আয়োজিত ‘গণঅভ্যুত্থান ২০২৪: জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের পাশাপাশি ফ্যাসিস্টদের বিচার শুরু করেছে। একই সঙ্গে রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে কাঠামোগত সংস্কারের কাজ চলছে।”

তিনি জানান, সংস্কার প্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিজেদের মতামত দিচ্ছে এবং অধিকাংশ দলই দেশের কল্যাণে গঠনমূলক প্রস্তাব রাখছে। তবে সব প্রস্তাব বাংলাদেশের বাস্তবতা ও রাজনৈতিক সংস্কৃতির সাথে কতটা উপযোগী, তা গভীরভাবে পর্যালোচনা করা দরকার।

সংখ্যানুপাতিক ভোটব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, “এই ব্যবস্থায় সবাই অংশ নিতে পারে ঠিকই, কিন্তু তা বিভক্তির পথ খুলে দিতে পারে। ঐক্য নয়, বরং প্রতিযোগী দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক দ্বন্দ্ব আরও বাড়তে পারে।”

অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভীসহ দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নির্বাচন এবং সংবিধান সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক মহলে সংলাপ এবং বিতর্ক শুরু হয়েছে। এর প্রেক্ষিতেই তারেক রহমান এ মন্তব্য করেন।




স্বর্ণের বাজারে উর্ধ্বগতি, বেড়েছে ভরিপ্রতি দাম

 

দেশের স্বর্ণ বাজারে কয়েক দফা দরপতনের পর অবশেষে আবারও দাম বাড়ানো হয়েছে। নতুন দামে ২২ ক্যারেট মানের স্বর্ণের প্রতি ভরি এখন বিক্রি হবে ১ লাখ ৭২ হাজার ১২৬ টাকায়— যা আগের চেয়ে ১ হাজার ৮৯০ টাকা বেশি।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) মঙ্গলবার (১ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন এই দাম নির্ধারণের কথা জানায়। আগামীকাল বুধবার (২ জুলাই) থেকে নতুন মূল্য কার্যকর হবে বলে নিশ্চিত করেছে বাজুস কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বিশ্ববাজারে কিছুটা মূল্য হ্রাস পেলেও দেশের বাজারে চাহিদা ও পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী:
🔸 ২২ ক্যারেট: প্রতি ভরি ১,৭২,১২৬ টাকা
🔸 ২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি ১,৬৪,২৯৯ টাকা
🔸 ১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি ১,৪০,৮৩১ টাকা
🔸 সনাতন পদ্ধতি: প্রতি ভরি ১,১৬,৪৮৮ টাকা

এর আগে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৭০ হাজার ২৩৬ টাকা।

অন্যদিকে, রুপার দামে কোনো পরিবর্তন হয়নি। আগের মতোই রুপার দাম রয়েছে অপরিবর্তিত—

রুপার বর্তমান দাম:
🔹 ২২ ক্যারেট: ২,৫৭৮ টাকা
🔹 ২১ ক্যারেট: ২,৪৪৯ টাকা
🔹 ১৮ ক্যারেট: ২,১১১ টাকা
🔹 সনাতন পদ্ধতি: ১,৫৮৬ টাকা

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজারে চাহিদা ও আন্তর্জাতিক মূল্যের ওঠানামার প্রভাবেই এই সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /

 




পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি: শেখ হাসিনাসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ

রাজধানীর পূর্বাচলে রাজউকের সরকারি প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা পাঁচটি মামলায় পলাতক আসামি হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. জাকির হোসেন গালিব এ আদেশ দেন।

আদালত বিজি প্রেসের মাধ্যমে এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছেন এবং পরবর্তী প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২০ জুলাই তারিখ নির্ধারণ করেছেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী সালাম জানান, প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির ঘটনায় দায়ের করা মোট ছয়টি মামলার মধ্যে একটি মামলায় গত ১৭ জুন গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে সেটি এখনও প্রকাশিত হয়নি। বাকি পাঁচটি মামলায় ২৩ আসামির পলাতক থাকার বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ থাকায় দুদক গেজেট প্রকাশের আবেদন করে।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী, যাদের নামে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে তারা হলেন—সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, বোন শেখ রেহানা, রেহানার মেয়ে ও ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিক, আরেক মেয়ে আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তী, ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার, অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদার, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান মিঞা এবং আরও কয়েকজন সাবেক ও বর্তমান রাজউক কর্মকর্তাসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও রাজনীতিক।

এছাড়া মামলায় আসামি করা হয়েছে সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব সালাউদ্দিনকেও।

প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে দুর্নীতির অভিযোগে পৃথক ছয়টি মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব মামলায় অভিযোগ রয়েছে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে পূর্বাচলে রাজউকের মূল্যবান প্লট আত্মীয়-স্বজন, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সরকারি কর্মকর্তাদের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির প্রতিচ্ছবি।

মামলাগুলোর প্রতিটিতে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। আসামিদের পলাতক থাকায় ইতিমধ্যে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। আগামী ২০ জুলাই এসব মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য রয়েছে।




শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি শেষ, আসামি পক্ষের শুনানি ৭ জুলাই

জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণহত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক পুলিশ প্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষ করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। আসামিদের পক্ষে শুনানির জন্য আগামী ৭ জুলাই দিন ধার্য করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-১ এই আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন এবং চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের পক্ষে আইনজীবী জায়েদ বিন আমজাদ শুনানিতে অংশ নেন।

এর আগে, চলতি বছরের ১ জুন এই তিন আসামির বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগ আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল এবং শেখ হাসিনা ও কামালের বিরুদ্ধে নতুন করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরে ১৬ জুন তাদের এক সপ্তাহের মধ্যে আদালতে হাজির হতে দুটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন আদালত। ১৭ জুন তাদের আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়ে নোটিশ জারি করা হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা আদালতে হাজির না হলে বিচার কার্যক্রম অনুপস্থিতিতেই চলবে বলে আদালত জানায়।

মামলার অপর আসামি সাবেক পুলিশ প্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন। মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানিও সম্পন্ন হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ১২ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে, যেখানে তাকে জুলাই-আগস্ট গণহত্যার ‘নির্দেশদাতা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ১৮ ফেব্রুয়ারি এই তদন্ত ২০ এপ্রিলের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছিল ট্রাইব্যুনাল।

এরও আগে, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদেরসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে চলমান দুটি মামলায় তদন্ত দ্রুত শেষ করতে দুই মাস সময় বেঁধে দেয় ট্রাইব্যুনাল।

রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে সংঘটিত গণহত্যায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার, পরিকল্পিত হামলা ও মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত সাবেক শীর্ষ নেতারা সরাসরি জড়িত ছিলেন।

আগামী ৭ জুলাই আসামিদের পক্ষে অভিযোগ গঠনের বিরোধিতায় শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এরপর আদালত অভিযোগ গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।




জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি ‘ফুল গিয়ারে’, জানালেন সিইসি নাসির উদ্দিন

সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আলোচিত বৈঠক নিয়ে অবশেষে মুখ খুলেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। মঙ্গলবার (১ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, বৈঠকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কমিশনের প্রস্তুতি সম্পর্কে আলোচনা হয়েছে।

সিইসি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা জানতে চেয়েছেন—আমরা নির্বাচনের জন্য কীভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমি তাকে জানাই, নির্বাচন কমিশন ‘ফুল গিয়ারে’ প্রস্তুতি নিচ্ছে।”

তিনি আরও জানান, বৈঠকে নির্বাচনের নির্দিষ্ট তারিখ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। তার কথায়, “যখন সময় হবে, নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমেই নির্বাচনের তারিখ সবাই জানতে পারবেন।”

সিইসি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা একটি ফ্রি, ফেয়ার এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চান। তিনি আন্তরিকভাবেই চাচ্ছেন নির্বাচন সুষ্ঠু হোক। এখানে আমাদের মধ্যে মতের মিল হয়েছে। আমরাও সেই লক্ষ্যে কাজ করছি।”

গত বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সিইসি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা নিরপেক্ষ, আমিও নিরপেক্ষ। আমরা কোনো নির্দিষ্ট এজেন্ডা নিয়ে আলোচনা করিনি। কিন্তু স্বাভাবিকভাবে নির্বাচনের প্রসঙ্গ এসেছে।”

নিজের শারীরিক অসুস্থতা নিয়েও এ সময় বক্তব্য দেন সিইসি। বলেন, “আমি হাসপাতালে শুয়ে শুয়ে বিভিন্ন সংবাদ দেখছিলাম। কিছু মিডিয়া আমাকে পদত্যাগ করিয়ে ফেলেছে, কেউ কেউ বলেছে আমি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের পর অসুস্থ হয়ে গেছি। আমার কি অসুস্থ হওয়ার অধিকার নেই? অনুমান দিয়ে যেন মানুষ পরিচালিত না হয়, সেটাই আমাদের ধর্মীয় শিক্ষাও।”

তিনি জানান, কমিশন বর্তমানে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই প্রস্তুতি নিচ্ছে। “যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচন করতে হয়, সেখানে ভোটার তালিকা ব্যবহার করা হবে। তবে প্রধান উপদেষ্টা স্থানীয় নয়, জাতীয় নির্বাচন নিয়েই কথা বলছেন। সেহেতু আমরাও সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি নিচ্ছি।”

নির্বাচনের সময়কাল সম্পর্কে তিনি বলেন, “প্রথমে প্রধান উপদেষ্টা বলেছিলেন, ২০২৬ সালের শুরুতে নির্বাচন হবে। আজকেও দেখেছি, তিনি মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেছেন আগামী বছরের শুরুতেই জাতীয় নির্বাচন হবে। সেই টাইমফ্রেম সামনে রেখেই আমরা এগোচ্ছি।”

সম্প্রতি লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠকের প্রসঙ্গও উঠে আসে সিইসির বক্তব্যে। তিনি বলেন, “সেখানে ফেব্রুয়ারি কিংবা এপ্রিলের মতো সময় আলোচনায় এসেছে। আমরাও সে অনুযায়ী পরিকল্পনা করছি।”

তিনি আরও যোগ করেন, “নানামুখী চ্যালেঞ্জের মধ্যেও নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে।”




গাইবান্ধা থেকে ‘নতুন দেশ গড়ার’ আন্দোলন শুরু করল এনসিপি

গাইবান্ধা থেকে ‘নতুন দেশ গড়ার’ আন্দোলনের ঘোষণা দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘জুলাই পথযাত্রা’ কর্মসূচি শুরু করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। মঙ্গলবার (১ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় গাইবান্ধা পৌরপার্কে আয়োজিত এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, “২০২৪ সালে আমরা শেখ হাসিনার সরকার উৎখাতের আন্দোলনে রাজপথে নেমেছিলাম। সরকার পতন হয়েছে, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত নতুন রাষ্ট্র এখনও গড়া হয়নি। এবার সেই নতুন দেশ গড়ার আন্দোলন শুরু করেছি গাইবান্ধা থেকে।”

তিনি জানান, গাইবান্ধার মানুষ বহুদিন ধরে বৈষম্যের শিকার। জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানে গাইবান্ধার ছয়জন শহীদ হয়েছেন—তাদের আত্মত্যাগ নতুন স্বাধীনতার ভিত্তি রচনা করেছে। “এই আত্মত্যাগ এনসিপি ও দেশের মানুষ চিরকাল স্মরণ রাখবে,” বলেন তিনি।

নাহিদ আরও বলেন, “২০২৪ সালেই আমরা ভয়ভীতির সংস্কৃতি ভেঙে দিয়েছি। এবার কথা বলার স্বাধীনতা নিশ্চিত করতেই আমরা রাস্তায় নেমেছি। বাংলাদেশে আর কোনোদিন ভয়ভিত্তিক শাসনের সুযোগ দেওয়া হবে না।”

জনগণকে সাহসের সঙ্গে নিজেদের দাবি ও সমস্যার কথা প্রকাশ করতে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আপনারা নির্ভয়ে মতপ্রকাশ করুন, এনসিপি আপনাদের পাশে আছে।”

এর আগে সকালে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা রংপুরে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেন। পরে সাদুল্লাপুরে সংক্ষিপ্ত পথসভা এবং গাইবান্ধা শহরে জনসংযোগ কর্মসূচি পালন করেন তারা। শহরের শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানান নেতৃবৃন্দ।

এবারের ‘জুলাই পথযাত্রা’ কর্মসূচির মূল দাবি হচ্ছে—জনতার অধিকার প্রতিষ্ঠা, রাষ্ট্রের কাঠামোগত সংস্কার এবং নতুন সংবিধান প্রণয়ন। এটি এনসিপির সারাদেশব্যাপী আন্দোলনের অংশ হিসেবে শুরু হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, সাইফুল্লাহ হায়দার, আসাদুল্লাহ আল গালিব, আবু সাঈদ লিয়ন, দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, ডা. মাহমুদা আলম মিতু, মোহাম্মদ আতাউল্লাহ, মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী এবং সদস্য ফিহাদুর রহমান দিবস।

এ ছাড়া গাইবান্ধার সাত উপজেলার এনসিপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দও কর্মসূচিতে অংশ নেন।




স্বৈরাচারের আর কোনো ঠাঁই হবে না: প্রধান উপদেষ্টা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধনী আয়োজনে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, “স্বৈরাচার যেন আর কখনো মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, এজন্য প্রতিবছর জুলাই-আগস্ট মাসজুড়ে গণজাগরণমূলক এই কর্মসূচি পালন করা হবে।”

মঙ্গলবার (১ জুলাই) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পুনরুত্থান কর্মসূচি’র উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “যে লক্ষ্য নিয়ে তরুণ ছাত্র, রিকশাচালক, শ্রমিকসহ সাধারণ মানুষ শহীদ হয়েছেন— সেই লক্ষ্যকে বাস্তবায়ন করতে নতুন করে শপথ নেব। আমরা আর কোনো স্বৈরশাসকের উত্থানের সুযোগ দেব না।”

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “গত বছরের জুলাই আমাদের স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বড় গণজাগরণ ছিল। এটি ছিল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, ন্যায়ের ভিত্তিতে রাষ্ট্র পুনর্গঠন এবং ফ্যাসিবাদের অবসানের শপথ।”

তিনি বলেন, “অভ্যুত্থানের তাৎক্ষণিক লক্ষ্য পূরণ হয়েছে ঠিকই, কিন্তু তার গভীরে ছিল নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থার স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে।”

তিনি আরও বলেন, “১৬ বছর পর যে বিদ্রোহ সম্ভব হয়েছিল, তা যেন আমাদের আবার অপেক্ষা করতে না হয়— এজন্য আমরা প্রতিবছর এই সময়টিকে গণচেতনার উৎসবে রূপ দেব। স্বৈরাচারের ছায়া দেখলেই তাকে প্রতিরোধ করবো। আর এক মুহূর্ত দেরি নয়।”

ড. ইউনূস বলেন, “আমরা এই মাসকে শুধু স্মরণ নয়, বরং নতুন শপথের মাস হিসেবে দেখছি। সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের ঐক্যের মাধ্যমে আমরা এই যাত্রাকে শক্তিশালী করতে চাই।”

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া সকল শহীদ, আহত ও সংগ্রামীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আমি শ্রদ্ধা জানাই সেই সাহসী তরুণ-তরুণী, নারী-পুরুষ, শিক্ষক-শ্রমিক-রিকশাচালককে, যারা রাস্তায় নেমে গণতন্ত্রের পতাকা উঁচিয়ে ধরেছিলেন।”

তিনি বলেন, “জুলাই মাস হোক জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। চলুন, এই মাসকে পরিণত করি গণজাগরণের ও নতুন বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতির মাসে।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী এবং শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার। বক্তারা বলেন, এই কর্মসূচি যেন গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার আন্দোলনে পরিণত হয়।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ১,২৯০

সারাদেশে পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ১,২৯০ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৮১১ জন বিভিন্ন মামলা ও ওয়ারেন্টভুক্ত, আর বাকি ৪৭৯ জন অন্যান্য অপরাধে জড়িত ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দফতর।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) দুপুরে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ সদর দফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি), মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস ইনামুল হক সাগর।

তিনি জানান, “বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে সারা দেশে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ধারাবাহিকভাবে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এতে ১,২৯০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় একটি চাপাতি ও তিনটি দা উদ্ধার করা হয়েছে।”

পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, নিয়মিত কার্যক্রমের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। সমাজে অপরাধ প্রবণতা কমাতে এই ধরনের অভিযান কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলেও আশা করা হচ্ছে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




৪৪তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ, ১ হাজার ৬৯০ জন সুপারিশপ্রাপ্ত ক্যাডার

৪৪তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এতে ১ হাজার ৭১০টি শূন্যপদের বিপরীতে মোট ১ হাজার ৬৯০ জন প্রার্থীকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। সোমবার (৩০ জুন) রাত সাড়ে ১১টার পর পিএসসির ওয়েবসাইটে এই ফল প্রকাশ করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমান।

পিএসসির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিভিন্ন ক্যাডারে মনোনয়নের জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিতদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তবে কারিগরি ও পেশাগত ক্যাডারের ২০টি পদে যোগ্য প্রার্থী না পাওয়ায় মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব হয়নি।

কমিশনের ওয়েবসাইট (www.bpsc.gov.bd) এবং টেলিটক ওয়েবসাইট (http://bpsc.teletalk.com.bd)-এ ফলাফল ও মনোনয়ন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে। পিএসসি জানিয়েছে, প্রকাশিত ফলে কোনো যুক্তিসংগত কারণে সংশোধনের প্রয়োজন হলে তা সংশোধনের অধিকার কমিশন সংরক্ষণ করে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, যেসব প্রার্থী লিখিত ও মৌখিক উভয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও ক্যাডার পদে মনোনয়ন পাননি, তাদের নন-ক্যাডার পদে নিয়োগের প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। সরকারের কাছ থেকে শূন্য পদের চাহিদা পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট বিধি অনুসারে পর্যায়ক্রমে সুপারিশ করা হবে।

৪৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছিল ২০২১ সালের ৩০ নভেম্বর। এতে মোট ১ হাজার ৭১০টি ক্যাডার পদে নিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পদ ছিল শিক্ষা ক্যাডারে—৭৭৬টি।

বাকি পদগুলোর মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ২৫০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ৫০ জন, পররাষ্ট্রে ১০ জন, আনসার ক্যাডারে ১৪ জন, নিরীক্ষা ও হিসাব ক্যাডারে ৩০ জন এবং পরিবার পরিকল্পনা ক্যাডারে ২৭ জন নেওয়ার কথা বলা হয়।

এই ফলাফলের মাধ্যমে দেশের সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতামূলক চাকরি বিসিএস পরীক্ষার আরেকটি ধাপ সম্পন্ন হলো।