হাসিনার বিচার শুরু হয়েছে, ফ্যাসিবাদীদের শাস্তি প্রয়োজন: ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জুলাই গণহত্যার বিচার ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদের পক্ষে যারা কাজ করেছে তাদের প্রত্যেকের শাস্তি হওয়া প্রয়োজন।

বুধবার (৯ জুলাই) রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দলের নেতাদের দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ফখরুল এ মন্তব্য করেন।

ফখরুল বলেন, “বিএনপি আওয়ামী লীগের নির্যাতন, নিপীড়ন, হত্যা ও গুমের সবচেয়ে বড় শিকার। আমারও ১১২টি মামলা ছিল এবং আমি ১৩বার জেলে গিয়েছি। যারা ফ্যাসিবাদের পক্ষে কাজ করেছে, তাদের অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে এবং আইনের আওতায় আনা উচিত।”

তিনি বলেন, “শেখ হাসিনাকে এককভাবে হাজার হাজার মানুষের হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের জন্য দায়ী মনে করি। তার বিচার শুরু হয়েছে। আমরা আশা করি, গণহত্যা ও ফ্যাসিজমের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের বিচার হবে। যদি দলগতভাবে আওয়ামী লীগের দায় পাওয়া যায়, তবে দল হিসেবে তাদেরও বিচার হওয়া উচিত।”

গণতন্ত্রে বিএনপির অবদান তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, “গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো বিএনপি। একদলীয় শাসন থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার লড়াইও করেছে বিএনপি।”

তিনি দেশের সব রাজনৈতিক দলকে আহ্বান জানান দেশের সঠিক পথে ফেরানোর জন্য। নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তাও তিনি জোর দিয়ে বলেন, “নির্বাচন দরকার জনগণের জন্য। একটি নির্বাচিত সরকার দরকার, যার সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক থাকবে। সংস্কার এবং নির্বাচন একসাথে চলতে পারে এবং বিএনপি সংস্কারের দাবি প্রথম থেকেই তুলেছে।”

পরে তিনি আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিল্পী ফরিদা পারভীনকে দেখতে যান এবং তার চিকিৎসার জন্য বিএনপির পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। ফরিদা পারভীনকে ‘লালন সংগীতে অদ্বিতীয়’ হিসেবে আখ্যায়িত করে ফখরুল সরকারকে তার সুচিকিৎসার জন্য বিশেষ বোর্ড গঠন ও প্রয়োজনে বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান।

এ সময় বিএনপির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন উজ্জ্বল, সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সাঈদ সোহরাব, জাসাস সভাপতি হেলাল খান ও সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন রুকনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে তিনি নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ডা. আব্দুল কুদ্দুস ও অধ্যাপক ডা. সিরাজউদ্দিনকে দেখতে যান।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম




মিরাজের আশাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি, সিরিজ হারেও তরুণদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল

পাল্লেকেলেতে তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচে শ্রীলঙ্কার কাছে ৯৯ রানের পরাজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ সিরিজ হেরে গেলেও দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ তরুণদের মধ্যে আশার আলো দেখছেন। সিরিজ হার সত্ত্বেও মিরাজ বিশ্বাস করেন, আগামী দিনে তরুণ খেলোয়াড়রা ভালো করবে।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মিরাজ বলেন, “আমাদের দল এখনো তরুণ এবং নতুন খেলোয়াড় এসেছে। আমরা সবসময় ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রাখি। সময় দিতে হবে। সুযোগ পেলে তারা একদিন ভালো ফলাফল দেখাবে।”

এই সিরিজে প্রথমবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলার সুযোগ পেয়েছেন পারভেজ হোসেন ও তানভীর ইসলাম। পাশাপাশি দলে আছেন অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা যেমন তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান এবং লিটন দাস। প্রায় এক দশক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে থাকা মিরাজও জানালেন, ধারাবাহিকতা এখনও অর্জিত হয়নি।

শেষ ম্যাচে লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে ২০ ওভারে ১০২ রানে ৩ উইকেট হারানো সত্ত্বেও পরবর্তীতে ঝড়ে গিয়েছিল দলের ব্যাটিং লাইন। মিরাজ বললেন, “মাঝের ওভারগুলোতে কোনো জুটি গড়ে উঠেনি, সেটাই মূল সমস্যা ছিল। শুরু থেকেই জুটি গড়তে পারিনি।”

নিজে ২৮ রান করে খেলেছেন মিরাজ, তিনি জানান, “জয় অসম্ভব মনে হচ্ছিল না। আমি ও হৃদয় ইতিবাচক খেলতে চেষ্টা করছিলাম এবং শেষ ১০ ওভার জয়ের দিকে যাবার চেষ্টা করেছি।”

সিরিজ শেষে হতাশার ছাপ থাকা সত্ত্বেও মিরাজের এই আশাবাদ তরুণদের প্রতি বিশ্বাস ও দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বলতার বার্তা দিয়েছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম

 




শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের বিচার হওয়া উচিত: ফখরুল

 

আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং দলের প্রধান শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বিচার হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, “গণহত্যা, ফ্যাসিবাদ এবং দমননীতির পক্ষে কাজ করার দায়ে শেখ হাসিনার বিচার শুরু হয়েছে। তার সঙ্গে যারা এসব কর্মকাণ্ডে যুক্ত, তাদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে। এমনকি দলীয়ভাবে আওয়ামী লীগের বিচার হওয়া উচিত।”

বুধবার (৯ জুলাই) রাজধানীতে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। প্রশ্নটি ছিল—বিবিসির একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্দোলন দমাতে গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিএনপির অবস্থান কী?

মির্জা ফখরুল বলেন, “ফ্যাসিবাদের পক্ষে যারা কাজ করে, তারা শাস্তির উপযুক্ত। আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে, বিরোধী দলগুলোর ওপর হত্যা, গুম, দমন চালিয়েছে। আমিই ১১২টি মামলার আসামি এবং ১৩ বার কারাবরণ করেছি।”

এর আগে তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ডা. আব্দুল কদ্দুস এবং অধ্যাপক ডা. সিরাজউদ্দিনকে নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে দেখতে যান। পরে তিনি আয়শা মেমোরিয়াল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বরেণ্য লালনসংগীতশিল্পী ফরিদা পারভিনকে দেখতে যান এবং বিএনপির পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।

গণমাধ্যমের উদ্দেশ্যে ফখরুল বলেন, “ফরিদা পারভিন উপমহাদেশের একজন গুণী শিল্পী, বিশেষ করে লালনসংগীতে তিনি অদ্বিতীয়। তার চিকিৎসায় সরকারকে আন্তরিকভাবে উদ্যোগ নিতে হবে। প্রয়োজনে তাকে বিদেশে পাঠিয়ে সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।”

নির্বাচন ও সংস্কার বিষয়ে ফখরুল বলেন, “নির্বাচন প্রয়োজন জনগণের জন্য। একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচিত সরকার ছাড়া রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা সম্ভব নয়। আমরা আগে থেকেই সংস্কারের দাবি করে আসছি। নির্বাচন ও সংস্কার পাশাপাশি চলতে পারে।”

তিনি বলেন, দেশের রাজনৈতিক দলগুলোকে একসঙ্গে দেশকে সঠিক পথে নিতে হবে। জাতীয় স্বার্থে সবাইকে দায়িত্বশীলভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম

 




যুবদল নেতা আরিফ হত্যা: সুব্রত বাইনের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন

রাজধানীর হাতিরঝিলে যুবদল নেতা মো. আরিফ সিকদার হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন ওরফে ফতেহ আলীর ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

বুধবার (৯ জুলাই) দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। বর্তমানে সুব্রত বাইন আদালতের হাজতখানায় রয়েছেন।

এর আগে গত ২৩ জুন তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। ওইদিন ভার্চুয়ালি আদালতে হাজির করে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ এপ্রিল রাতে রাজধানীর নয়াটোলা মোড়ল গলির ‘দি ঝিল ক্যাফে’র সামনে গুলি করা হয় যুবদল নেতা আরিফ সিকদারকে। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২১ এপ্রিল তার মৃত্যু হয়। নিহত আরিফ ঢাকা মহানগর উত্তরের ৩৬নং ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সহ-ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন।

এ ঘটনায় তার বোন রিমা আক্তার বাদী হয়ে হাতিরঝিল থানায় সুব্রত বাইনের সহযোগী মাহফুজুর রহমান বিপুসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত করছে ডিবি পুলিশের তেজগাঁও বিভাগ।

অন্য আসামিরা হলেন—ইয়াছিন, আসিফ হোসেন, অনিক, মিরাজ, আশিক, ইফতি, জাফর ইমাম তরফদার মন্টু, রতন শেখ ও আলিফ।

উল্লেখ্য, গত ২৭ মে যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হন সুব্রত বাইন, মোল্লা মাসুদসহ চারজন। এরপর অস্ত্র আইনে দায়ের করা মামলায় আদালত সুব্রত বাইনের ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন

এস এল টি/ চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম




হৃদয়ের লড়াইয়ের মাঝেও বিপর্যস্ত টাইগাররা, জয়ের জন্য বাকি ১২৯ রান

লঙ্কানদের দেওয়া ২৮৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় এদিনও ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। তবে একপ্রান্ত আগলে রেখে লড়াই করেছেন মিডল অর্ডারের ভরসা তাওহিদ হৃদয়। ইনিংসের চাপের মাঝে ঠান্ডা মাথায় ৭৫ বলে তুলে নেন ব্যক্তিগত ফিফটি। কিন্তু ফিফটির পর আর বেশি সময় টিকতে পারেননি তিনি। দুর্দান্ত এক ইনসুইংয়ে তাকে বোল্ড করে ফিরিয়ে দেন দুশমন্থা চামিরা। হৃদয়ের ব্যাট থেকে এসেছে ৭৮ বলে ৫১ রান, যা দলের স্কোরবোর্ডে কিছুটা স্বস্তি যোগালেও ম্যাচে জয়ের আশা এখনও কঠিন চ্যালেঞ্জ।

৩৩ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ১৫৭ রান। হাতে আছে মাত্র ৪ উইকেট, বাকি ১২৯ রান তুলতে হবে শেষ ১৭ ওভারে।

এই রান তাড়ায় শুরুতেই ধাক্কা খায় টাইগাররা। ইনিংসের প্রথম দুই ওভারে ১৫ রান উঠলেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে ব্যর্থ ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। তৃতীয় ওভারের শেষ বলে আসিথা ফার্নান্দোর ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি। ১৩ বলে করেন ১৭ রান।

তামিমের বিদায়ের পর তিনে নামেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তার ওপর ছিল বাড়তি দায়িত্ব, কিন্তু হতাশ করেন তিনিও। চামিরার গুড লেংথ ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে ফিরেন কোনো রান না করেই। দলের বিপদ বাড়ে তখনই।

২০ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এরপর দলকে সামাল দেওয়ার চেষ্টায় নামেন এনামুল হক বিজয় (ইমন) ও হৃদয়। দুজন মিলে জুটি গড়ার ইঙ্গিত দিলেও দীর্ঘস্থায়ী করতে পারেননি। ভেল্লালেগের এক ডেলিভারিতে বাউন্ডারি মারতে গিয়ে ধরা পড়েন ইমন। তার ব্যাট থেকে আসে ৪৪ বলে ২৮ রান।

পরবর্তীতে হৃদয়ের সঙ্গে উইকেটে আসেন মেহেদি হাসান মিরাজ। শুরু থেকেই ইতিবাচক ব্যাটিংয়ে রান তোলার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু তার ইনিংসও থেমে যায় হঠাৎ এক ভুল শটে। ২৫ বলে ২৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন এই অধিনায়ক।

এরপর ছয় নম্বরে নেমে সুযোগ পান শামীম হোসেন। তার উইকেটে থাকা গুরুত্বপূর্ণ হলেও নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিতে পারেননি তিনি। হাসারাঙ্গার বলে এগিয়ে এসে খেলতে গিয়ে স্টাম্পিংয়ের শিকার হন তিনি।

একদিকে হৃদয় চেষ্টা চালিয়ে গেলেও আরেকপ্রান্তে ব্যর্থতার মিছিলেই ডুবেছে বাংলাদেশ। এখন জয় পেতে হলে প্রয়োজন বড় কোনো অলৌকিক জুটি কিংবা ব্যাটিং ইউনিটের প্রত্যাবর্তন। হাতে রয়েছে কেবল ৪ উইকেট, লক্ষ্য ছোঁয়ার জন্য প্রয়োজন আরও ১২৯ রান।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম

 




যমুনা ও সচিবালয় এলাকায় সমাবেশ নিষিদ্ধ করে ডিএমপির ফের গণবিজ্ঞপ্তি

সচিবালয় ও যমুনা এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ, মানববন্ধন ও মিছিল নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানায় সংস্থাটি।

মঙ্গলবার (৮ জুলাই) ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) ও ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার (বিপিএম-সেবা) স্বাক্ষরিত একটি গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামীকাল বুধবার (৯ জুলাই) সকাল থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তা বলবৎ থাকবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অরডিন্যান্স-১৯৭৬ এর ২৯ ধারার ক্ষমতাবলে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে—বাংলাদেশ সচিবালয় সংলগ্ন এলাকা, প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনা এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চল, যার মধ্যে রয়েছে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ক্রসিং, কাকরাইল মসজিদ ক্রসিং, অফিসার্স ক্লাব ক্রসিং ও মিন্টু রোড ক্রসিং।

এই সব এলাকায় কোনো ধরনের সভা-সমাবেশ, শোভাযাত্রা, মানববন্ধন, অবস্থান কর্মসূচি কিংবা ধর্মঘটের আয়োজন করা যাবে না।

ডিএমপি জানিয়েছে, জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে সর্বশেষ গত ৭ জুন একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল সংস্থাটি।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম

 




“গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে নতুন রাষ্ট্রকাঠামোর আহ্বান এনসিপির”

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, “গণঅভ্যুত্থানের পর একটি নতুন গণতান্ত্রিক সংবিধান প্রণয়ন করতে হবে, যা মুজিববাদী ও আওয়ামী শাসনের সংবিধানকে প্রতিস্থাপন করবে।” তিনি আরও বলেন, নতুন সংবিধানে মুক্তিযুদ্ধ, গণঅভ্যুত্থান ও ব্রিটিশবিরোধী লড়াইয়ের প্রকৃত ইতিহাস প্রতিফলিত হতে হবে।

সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় সিরাজগঞ্জ শহরের বাজার স্টেশন এলাকায় এক পথসভা ও পদযাত্রায় এসব মন্তব্য করেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, “গত ৫০ বছর ধরে মুজিববাদী ও আওয়ামী সংবিধান দেশের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। এই সংবিধান রাষ্ট্র ও সমাজকে বিভক্ত করেছে এবং কখনোই একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনের পথে এগোয়নি।”

তিনি বলেন, “বাংলাদেশে গুম-খুনের যেসব ঘটনা ঘটেছে, প্রতিটি ঘটনার নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করতে হবে। বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব না। দেশের কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন—যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ স্বৈরাচারী হতে না পারে।”

বসুন্ধরা গ্রুপ ও দেশের মিডিয়া নিয়ে সমালোচনা করে নাহিদ ইসলাম বলেন, “বসুন্ধরা একটি মাফিয়া গ্রুপে পরিণত হয়েছে। তারা দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করছে। মিডিয়া হয়ে উঠেছে জনগণকে জিম্মি করার হাতিয়ার। বসুন্ধরা ও এস আলমের মতো লুটেরা গোষ্ঠীর বিচার নিশ্চিত করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “গণঅভ্যুত্থানের পরও যারা ব্যবসায়ীদের রাজনৈতিক আশ্রয় দিচ্ছে, তাদের প্রত্যাখ্যান করতে হবে। গণজাগরণে অংশ নেওয়া তরুণ প্রজন্ম কারও ভয় পায় না। ভয়ের সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার যে কোনো চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।”

সিরাজগঞ্জ ও নাটোরে এনসিপির পদযাত্রায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে নাহিদ ইসলাম বলেন, “যারা প্রকাশ্যে বা পরোক্ষভাবে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে, তাদের মনে রাখা উচিত—এনসিপির নেতাকর্মীরা কোনো আঘাত বিনা প্রতিরোধে মেনে নেবে না।”

পথসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম-সদস্য সচিব তাসনিম জারা, যুগ্ম-সচিব মাহিন সরকার, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা।




মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরতে হবে মন্ত্রণালয়ের কাজের মাধ্যমে :প্রধান উপদেষ্টা

মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ও পক্ষপাতহীন ইতিহাস তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, “মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম এমনভাবে পরিচালিত হতে হবে, যাতে প্রকৃত ইতিহাস উদঘাটিত হয় এবং প্রজন্মের কাছে সঠিক বার্তা পৌঁছায়।”

সোমবার বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি। সভায় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়া এবং মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বৈঠকে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের আওতাধীন সম্পত্তির সদ্ব্যবহার এবং ট্রাস্টের সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন প্রধান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, “এই ট্রাস্টকে আবার জীবন্ত করতে হবে। তাদের অধীনে কী ধরনের এন্টারপ্রাইজ হতে পারে এবং কাজের পরিধি কী হবে—তা নির্ধারণে দ্রুত একজন পরামর্শক নিয়োগ দিতে হবে এবং পরবর্তীতে একটি কমিটি গঠন করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আগামী দিনে মন্ত্রণালয়ের প্রতিটি প্রকল্পে যেন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সঠিকভাবে উপস্থাপিত হয়, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের সচেষ্ট হতে হবে।”

বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক ই আজম জানান, মন্ত্রণালয়ের কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে গড়ে তোলা অবকাঠামোগুলোতে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস নেই। এসব স্থাপনায় রণাঙ্গনের বর্ণনা বা মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনের চিত্র নেই বরং একটি নির্দিষ্ট পরিবারের ছবি ও সামগ্রী দিয়ে অতিরঞ্জিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, “২৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন’ শীর্ষক একটি গবেষণা প্রকল্প হাতে নেওয়া হলেও তেমন কোনো গবেষণা হয়নি।”

ফারুক ই আজম আরও অভিযোগ করেন, “শেখ হাসিনা সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের সুবিধাভোগী শ্রেণি হিসেবে গড়ে তুলেছিল। বরাদ্দ সম্পত্তি, অর্থ ও সুযোগ-সুবিধাকে দলীয়করণ করে আওয়ামী লীগের রাজনীতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে। মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের আওতাধীন অনেক মূল্যবান সম্পত্তি এখনো অরক্ষিত রয়েছে, এ বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।”

সভার শেষে সর্বসম্মতিক্রমে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস রক্ষায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।




জুলাই জাগরণের দিনলিপি -৭ জুলাই

৩৬ জুলাইয়ের বাংলা ব্লকেডে সারাদেশ অচল

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ‘বাংলা ব্লকেড’ নামের নতুন কর্মসূচিতে অচল হয়ে পড়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা। ৭ জুলাই, আন্দোলনের সপ্তম দিনে সারাদেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ কর্মসূচিতে যোগ দেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ছাত্ররা। দাবির কেন্দ্রে ছিল—সকল গ্রেডে বৈষম্যমূলক ও অন্যায্য কোটা বাতিল করে যৌক্তিক সংস্কার এবং সংসদে আইন পাসের মাধ্যমে চূড়ান্ত সমন্বয়।

আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “আমাদের চার দফা দাবি ছিল। এখন থেকে আমাদের দাবি একটাই—সব গ্রেডে বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করে যৌক্তিক সমন্বয় নিশ্চিত করতে হবে সংসদীয় আইনের মাধ্যমে।”

এদিন দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করে কোটাপদ্ধতির যৌক্তিক সংস্কারের দাবি জানায় গণতান্ত্রিক ছাত্রজোট। জোটের সমন্বয়ক রাগীব নাঈম বলেন, “রাজনৈতিক স্বার্থে মুক্তিযোদ্ধা কোটার অস্বাভাবিক বহাল যেমন বৈষম্য তৈরি করছে, তেমনি অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর কোটা বাতিলও সামাজিক বৈষম্য বাড়াবে।”

বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত রাজধানীর শাহবাগ, বাংলামোটর, কারওয়ান বাজার, সায়েন্স ল্যাব, নীলক্ষেত, চানখাঁরপুলসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বদরুন্নেসা কলেজ ও বোরহানউদ্দিন কলেজের শিক্ষার্থীরা পৃথকভাবে অবরোধে অংশ নেন। আগারগাঁওয়ে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করেন বিকেল ৪টায়।

শিক্ষার্থীদের অবস্থানের ফলে রাজধানীতে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়। তবে রাত ৮টায় তারা কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়ে আপাতত সরে দাঁড়ান। নাহিদ ইসলাম জানান, “ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের মাধ্যমে অনির্দিষ্টকালের জন্য ছাত্র ধর্মঘট চলবে। বাংলা ব্লকেড কর্মসূচিও অব্যাহত থাকবে।”

এদিন রাজধানীর বাইরেও আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সকাল ১১টায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক দুই ঘণ্টা অবরোধ করেন। চট্টগ্রামে চবি ও বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা ২ নম্বর গেট মোড়ে অবস্থান নেন, পুলিশের বাধার মুখে পরিকল্পনা বদল করে সেখানে যান চলাচল বন্ধ করেন।

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয় দিনের মতো সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়ক অবরোধ করেন। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় অবরোধ করে কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কে, হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দিনাজপুর-রংপুর মহাসড়কে, এবং পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দ্বিতীয় দিনের মতো ঢাকা-পাবনা মহাসড়কে অবস্থান নেন।

এছাড়াও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও তাদের নিজ নিজ এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে অংশ নেন।

এই কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা জানান, যৌক্তিক সংস্কার ও সমন্বয় নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে এবং আগামী দিনে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম

 




নারী ও শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের প্রতিবাদে বরিশালে মানববন্ধন

কুমিল্লার মুরাদনগর, বরিশাল, ভোলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নারী ও শিশুদের ওপর বর্বর নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বরিশালে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি। এসব ঘটনার দ্রুত বিচার ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

সোমবার (৭ জুলাই) সকাল ১১টায় বরিশাল নগরীর অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে আয়োজিত মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও মানবাধিকার কর্মীরা অংশ নেন। বক্তারা বলেন, দেশে নারী ও শিশুদের ওপর সহিংসতা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েই চলেছে। অপরাধীদের যথাযথ শাস্তি না হওয়ায় ধর্ষণ, নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা বারবার ঘটছে।

বক্তারা আরও বলেন, সমাজে বিচারহীনতার সংস্কৃতি বিদ্যমান থাকায় অপরাধীরা প্রশ্রয় পাচ্ছে। এখন সময় এসেছে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার। শুধুমাত্র আইন কার্যকর করলেই হবে না, সমাজের প্রতিটি স্তরে সচেতনতা বাড়াতে হবে এবং প্রতিরোধের একটি শক্তিশালী ভিত নির্মাণ করতে হবে।

নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে আগামী প্রজন্ম এক ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হবে বলে বক্তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তাই সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল স্তরে দায়িত্বশীলতা এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম