সন্ধ্যা নদীর ভাঙনে এক রাতেই চার ঘর বিলীন

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় সন্ধ্যা নদীর আকস্মিক ভাঙনে চারটি পরিবারের ঘর সম্পূর্ণভাবে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
শনিবার (২৬ জুলাই) ভোরে উপজেলার জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের দক্ষিণ চর হোগল পাতিয়া গ্রামে এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারুক আহমেদ জানান, নদী ভাঙনের কবলে পড়ে মজিদ ব্যাপারী, আজিদ ব্যাপারী, সালেক ব্যাপারী ও বারেক বেপারির বসতভিটা সম্পূর্ণভাবে বিলীন হয়ে গেছে। তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা হিসেবে দুই বান টিন এবং শুকনো খাবার সরবরাহ করা হয়েছে। এছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডকে ভাঙনরোধে জরুরি পদক্ষেপ নিতে অবহিত করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা নাজমুল ইসলাম বলেন, ‘হঠাৎ বিকট শব্দে ঘুম ভাঙে। দেখি নদীর পাড় দেবে যাচ্ছে। পানির তোড়ে ঘর, গাছপালা সব ভেসে গেছে। কেউ মালামাল সরাতে পারেনি।’

একই গ্রামের আজিজ ব্যাপারী জানান, ‘চোখের সামনে আমাদের গাছ, ঘর দেবে যেতে দেখেছি। কিছুই বাঁচাতে পারিনি।’

মজিদ ব্যাপারী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘স্ত্রী-সন্তান নিয়ে কোনোরকমে দিন চলছিল। কিন্তু এই নদী আমাদের সর্বস্ব কেড়ে নিল। এখন আমরা খোলা আকাশের নিচে।’

প্রবল স্রোতে গত দুই দিনে পানি বাড়তে থাকায় আশপাশের এলাকা নিয়ে আতঙ্ক বাড়ছে। ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে সবুজ বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ চর হোগল পাতিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি জামে মসজিদ, ভাঙ্গারমুখ লঞ্চঘাটসহ অন্তত ২৫টি বাড়িঘর।

স্থানীয়রা দ্রুত ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




পটুয়াখালীতে টানা ভারি বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতায় জনজীবন বিপর্যস্ত

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে গত দু’দিন টানা ভারি বৃষ্টির ফলে পটুয়াখালী পৌর শহরসহ উপকূলীয় এলাকা ব্যাপক জলাবদ্ধতায় ভুগছে। শহরের অধিকাংশ সড়ক পানিতে তলিয়ে যায় এবং বসতঘরে পানি প্রবেশ করে জনজীবন প্রভাবিত হয়েছে। বিশেষ করে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ এবং শিক্ষার্থীরা বেশি কষ্টের মুখে পড়েছেন।

পটুয়াখালী আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৮.২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, চলমান বৃষ্টি আগামী দুই দিন অব্যাহত থাকতে পারে, যদিও ভারি বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমে আসবে।

শহরের জুবিলী স্কুল রোড, মহিলা কলেজ রোড, সবুজবাগ ৬ নম্বর লেন, মুন্সেফপাড়া, পুরাতন হাসপাতাল রোড এবং পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এলাকা সহ নিচু স্থানের অনেক জায়গায় হাঁটু পর্যন্ত পানি জমে গেছে। এতে রাস্তাঘাট চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

দিনমজুর কামাল হোসেন বলেন, “সকালে কাজে বের হতে না হতেই দেখি ঝুম বৃষ্টি, আর রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে আছে, তাই কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না, আবার ফিরে যাচ্ছি।”

ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাতমিন জানান, “আজকে স্কুলে পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু বৃষ্টি আর জলাবদ্ধতার কারণে পরীক্ষা হয়নি।”

অন্যদিকে, কলাপাড়া রাডার স্টেশন থেকে জানানো হয়েছে, পায়রা সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করা হয়েছে। সমুদ্র উত্তাল হওয়ায় গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার ট্রলারগুলো নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরে এসেছে।

এ অবস্থায় শহরের দোকানপাট বন্ধ, যান চলাচল ব্যাহত এবং অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে। জলাবদ্ধতার দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কায় স্থানীয়রা উদ্বিগ্ন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



প্রধান উপদেষ্টা ইউনূসের সঙ্গে আজ রাজনৈতিক দলের নতুন বৈঠক

দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা ও মতবিনিময়ের উদ্দেশ্যে আজ বিকেল ৫টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এক বৈঠকের আয়োজন করেন। এই বৈঠকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় গণফ্রন্টের আমিনুল হক টিপু বিশ্বাস, ১২ দলীয় জোটের মোস্তফা জামাল হায়দার, নেজামে ইসলাম পার্টির মাওলানা আব্দুল মাজেদ আতহারী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা ইউসুফ আশরাফ, এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা, বাংলাদেশ জাসদের ড. মুশতাক হোসেন, ন্যাশনালিস্ট ডেমোক্রেটিক মুভমেন্টের ববি হাজ্জাজ, জাকের পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজি, ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবলু, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা: মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, বাসদ-মার্কসবাদীর সমন্বয়ক মাসুদ রানা এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মন্জুরুল ইসলাম আফেন্দী।

উল্লেখ্য, এর আগেও গত সপ্তাহে প্রধান উপদেষ্টা বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি সহ ১৭টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এসব বৈঠক রাজনৈতিক উত্তেজনা কমিয়ে স্থিতিশীলতা ফিরে আনার লক্ষ্যে করা হচ্ছে।

আল-আমিন



নির্বাচনের তারিখ আসছে চার-পাঁচ দিনের মধ্যেই: মোস্তফা জামাল হায়দার

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ চার-পাঁচ দিনের মধ্যেই ঘোষণা করবেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস—এমনই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার।

শনিবার (২৬ জুলাই) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ১৪টি রাজনৈতিক দলের নেতাদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ তথ্য জানান।

মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা আমাদের স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তিনি চার-পাঁচ দিনের মধ্যেই নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করবেন। এটি নিঃসন্দেহে দেশের জনগণের জন্য একটি আনন্দের সংবাদ।”

তিনি আরও বলেন, “বর্তমান নৈরাজ্য ও রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে উত্তরণের সবচেয়ে কার্যকর পথ হচ্ছে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। এই নির্বাচনই সমস্যার সমাধান করবে।”

জানা যায়, এর আগেও দুই দফায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস। আর আজকের বৈঠকে আরও ১৪টি দল ও জোটের নেতারা অংশ নেন।

আল-আমিন

 




“কুয়াকাটা বাঁচাও, পর্যটন বাঁচাও” — সৈকত রক্ষায় একত্রিত জনতা

বঙ্গোপসাগরের অবারিত ঢেউয়ের ধাক্কায় হুমকির মুখে কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত। এরই প্রতিবাদ ও টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে শনিবার (২৬ জুলাই) সকাল ১০টায় পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সৈকতের সামনে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

“কুয়াকাটা বাঁচাও, পর্যটন বাঁচাও” এই স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে উপকূল। মানববন্ধনে বিএনপি, জামায়াত, টোয়াক (TOAC), ভয়েস ক্লাবসহ পর্যটন সংশ্লিষ্ট সংগঠন এবং বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ অংশ নেন।

বক্তারা বলেন,

“বঙ্গোপসাগরের সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে টানা কয়েকদিনের উত্তাল ঢেউয়ের তাণ্ডবে কুয়াকাটা সৈকতের বড় অংশে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই অন্যতম স্থানটি এখন বিলীনের পথে।”

টোয়াক সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন,

“আমাদের সৈকত যদি না থাকে, তবে পর্যটনশিল্পও থাকবে না। এখনই সময়—একটি টেকসই, দীর্ঘমেয়াদি সমুদ্রসৈকত রক্ষা প্রকল্প গ্রহণের।”

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন:

  • কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান হাওলাদার
  • পৌর জামায়াতের সাবেক আমির মাওলানা মঈনুল ইসলাম মন্নান
  • টোয়াক সেক্রেটারি জেনারেল জহিরুল ইসলাম
  • কুয়াকাটা প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি হোসাইন আমির, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান সোহেল
  • ছাত্রদলের আহ্বায়ক জুবায়ের আহমেদ রিয়াজ
  • ট্যুর গাইড অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কে এম বাচ্চু
  • ভয়েস ক্লাবের সভাপতি তরিকুল ইসলাম রনি

এছাড়া শিক্ষার্থী, জেলে, কৃষক, পর্যটক, স্থানীয় ব্যবসায়ীসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা সরকারের প্রতি দ্রুত স্থায়ী সমুদ্রপ্রাচীর নির্মাণ ও জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের আহ্বান জানান


মো: আল-আমিন
স্টাফ রিপোর্টার, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪

 




সবজির দামে আগুন, বৃষ্টি এলে আরও সংকটের শঙ্কা

রাজধানীর বাজারে সবজির সরবরাহ ঠিক থাকলেও তা যেন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। বাজারে প্রতিটি সবজি এখন অতিরিক্ত দামে বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি জোগান কম, টানা বৃষ্টিতে ক্ষেতের ক্ষতি এবং পরিবহন সংকটকে এর মূল কারণ হিসেবে দেখছেন বিক্রেতারা। তবে শঙ্কা আরও বাড়ছে—বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে সবজির দাম আরও উর্ধ্বমুখী হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন তারা।

শনিবার (২৬ জুলাই) সকালে রাজধানীর পূর্ব রামপুরার বউ বাজার ও আশপাশের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি দোকানে সবজির পরিমাণ ভালোই রয়েছে, কিন্তু ক্রেতাদের মুখে কোনো হাসি নেই। দাম শুনে কেউ কেউ হাত গুটিয়ে ফিরে যাচ্ছেন, কেউ আবার প্রয়োজনের চেয়ে কম কিনছেন।

অসময়ের টমেটো প্রতি কেজি ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যেখানে এক মাস আগেও এই দাম ছিল ৮০ থেকে ৯০ টাকা। গাঁজর ১০০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০, কাঁকরোল ৭০, করলা ৮০, বরবটি, ঝিঙ্গা, চিচিঙ্গা, ধন্দুল—সব কেজিপ্রতি ৮০ টাকা। এ ছাড়া কচুর লতি, পটল ও লম্বা বেগুন ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এমন দামে গৃহস্থালি খরচ সামাল দেওয়া ক্রেতাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।

অন্যান্য সবজির অবস্থাও একই। প্রতি হালি কাঁচা কলা ৪০ টাকা, পেঁপে ৪০, কচু ৬০, আর মিষ্টি কুমড়া প্রতি ফালি ৩০ টাকা ধরে বিক্রি হচ্ছে।

বউ বাজারের ষাটোর্ধ্ব বিক্রেতা কাশেম মিয়া বলেন, “আমরা তো পাইকারি বাজার থেকে এনে ২-৫ টাকা লাভে বিক্রি করি। দাম বাড়লে আমাদের লাভ বাড়ে না বরং ক্রেতা কমে যায়। মানুষ দাম শুনেই চলে যায়।”

তিনি জানান, গত দুই সপ্তাহে প্রায় প্রতিটি সবজির দাম ৫ থেকে ১০ টাকা করে বেড়েছে। বিশেষ করে বৃষ্টির কারণে অনেক ক্ষেত নষ্ট হয়েছে, আবার অনেক এলাকায় পরিবহন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তার ভাষায়, “মরিচের দাম কিছুটা কমেছে, যেটা আগে ২৪০ টাকা ছিল, এখন ১৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।”

দাম বাড়ার বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক ভোক্তা। রাজধানীর খিলগাঁওয়ের গৃহিণী লায়লা বেগম বলেন, “৭০-৮০ টাকা কেজি দরে সবজি কিনে সংসার চালানো এখন কঠিন হয়ে গেছে। আমরা কম আয়ের মানুষ। বাজারে গিয়ে হতাশা ছাড়া কিছু নেই।”

বাজারের বর্তমান অবস্থা দেখে বিক্রেতারা বলছেন, বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে সবজির সরবরাহ আরও কমে আসবে, ফলে দাম আরও বাড়তে পারে। অনেক ক্রেতা বলছেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের নজরদারি জরুরি। একইসঙ্গে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নিয়মিত ও সুষ্ঠুভাবে পণ্য সরবরাহের ব্যবস্থাও নিতে হবে—না হলে সাধারণ মানুষের রান্নাঘরে নাভিশ্বাস উঠবে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




‘জুলাই বিপ্লব প্রমাণ করে, বাংলাদেশে এখনো ভালো মানুষ আছে’ : জ্বালানি সচিব

“বাংলাদেশ এখনো নষ্ট হয়ে যায়নি, দেশের মানুষের মধ্যে এখনো দেশের প্রতি ভালোবাসা, আত্মত্যাগের চেতনা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের মর্যাদা রক্ষার স্পৃহা রয়েছে”—এমন মন্তব্য করে জুলাই বিপ্লবকে একটি অনন্য মাইলফলক হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

শনিবার (৩৬ জুলাই) রাজধানীর পেট্রোসেন্টারে আয়োজিত ‘জুলাই পুনর্জাগরণ’ অনুষ্ঠানমালার অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে এই মন্তব্য করেন তিনি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি বিভাগের বিভিন্ন দপ্তর, সংস্থা ও কোম্পানির উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবারের সদস্য, আহত যোদ্ধা এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা।

অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনের শহীদ ১৬টি পরিবার এবং একজন আহত যোদ্ধার হাতে সম্মাননা স্মারক হিসেবে এক লাখ টাকা করে মোট সতেরো লাখ টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়। শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণ করে তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, “এই আন্দোলন থেকে প্রমাণ হয় দেশে ভালো মানুষের সংখ্যা বেশি। কিছু খারাপ মানুষ আমাদের পথ আটকাতে পারে না। তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে হবে, যেন তারা দেশের ক্ষতি করতে না পারে।” তিনি আরিফ নামের একজন শহীদের কথা স্মরণ করে বলেন, “সে তার মাকে চিঠি লিখে আন্দোলনে গিয়েছিল, সে জানত সে ফিরবে না, কিন্তু দেশ ফিরবে। এটা সরাসরি দেশপ্রেমের চূড়ান্ত প্রকাশ।”

মাইলস্টোন কলেজের বিমান দুর্ঘটনায় নিহত শিক্ষকদের স্মরণ করে সচিব বলেন, “এই আত্মত্যাগ ছিল এক অনন্য উদাহরণ, যা জাতির প্রতি ভালোবাসার প্রতিফলন। তাদের অবদান আমাদের অনুপ্রাণিত করে।”

আহত জুলাই যোদ্ধা হোসাইন আহমেদ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে নিজের অভিজ্ঞতার বর্ণনা দেন। তিনি বলেন, “৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানার সামনে পুলিশ বন্দুক ঠেকিয়ে আমার হাতে গুলি করে। আমার হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর আমাকে মৃত ভেবে গাড়িতে তোলে, কিন্তু আমার ভাইয়েরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।”

নিহত ফাইয়াজের বাবা শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, “আমার ছেলের সরকারি চাকরিতে যোগদানের কথা ছিল, বিদেশ যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সে আন্দোলনে গিয়েছিল বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে। ১৮ জুলাই ধানমণ্ডি ২৭ নম্বরে তাকে হত্যা করা হয়। সন্তানের লাশ বাবার কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী জিনিস। তবে আজকের এই সম্মাননা আমাকে গর্বিত করেছে।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. আমিন উল আহসান বলেন, “আমরা যদি আমাদের নিজ নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করি, তাহলে কোনো বৈষম্য বা অন্যায় সৃষ্টি হবে না। সরকারি কর্মচারী হিসেবে আমাদের মনে রাখতে হবে, একদিন জবাবদিহি করতে হবে—প্রধান বিচারপতি হলেও নয় ছয় চলবে না।”

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান সভাপতির বক্তব্যে শহীদ পরিবারগুলোর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, “জুলাই বিপ্লবের চেতনা শুধু আন্দোলনের নয়, এটি দেশ গঠনের অনুপ্রেরণা। আমরা সবাই যদি এই চেতনা লালন করি, তাহলে দুর্নীতি ও অন্যায় দূর হবেই।”

অনুষ্ঠান শেষে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে আন্দোলনের শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করা হয়।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




নির্বাচনের আগে লুট হওয়া সব অস্ত্র উদ্ধার করা হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশে গণঅভ্যুত্থানের সময় ও পরে অবৈধভাবে মজুদ হওয়া অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, এই প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি।

শনিবার (২৬ জুলাই) নারায়ণগঞ্জ পুলিশ লাইন্স পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “সব অস্ত্র এখনো উদ্ধার হয়নি, তবে নির্বাচনের আগে এই অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হবে। কোনোভাবেই এগুলো দিয়ে কেউ যেন সহিংসতা করতে না পারে, সে বিষয়েও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “সাংবাদিকদের দায়িত্ব হচ্ছে সত্য তুলে ধরা। যদি প্রকৃত তথ্য সামনে আসে, বিভ্রান্তি দূর হবে এবং মানুষ সঠিক বার্তা পাবে। রাজনৈতিক দলগুলো মাঠে থাকবে তাদের কর্মসূচি নিয়ে, আর আমাদের দায়িত্ব হলো নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।”

জুলাই মাসে সংগঠিত গণঅভ্যুত্থান এবং সে সংক্রান্ত মামলাগুলো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “অনেক মামলার অগ্রগতি হয়েছে, তবে কিছু মামলায় উদ্দেশ্যমূলকভাবে আসামি করার কারণে তদন্তে বিলম্ব হচ্ছে। আমরা নিশ্চিত করছি, যেন নিরপরাধ কেউ হয়রানির শিকার না হয়।”

এর আগে উপদেষ্টা পরিদর্শন করেন সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজী এলাকায় অবস্থিত র‍্যাব-১১ এর সদর দপ্তর। সেখানে তিনি বলেন, “ভারত থেকে গত এক মাসে ১,৫০০ বাংলাদেশিকে পুশইন করা হয়েছে, যা সত্য। তবে বর্তমানে পুশইনের হার কিছুটা কমেছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের দেশের নাগরিকদের যেভাবেই হোক ফিরিয়ে নিতে হবে—তা ১০ বছর পর হোক বা ২০ বছর পর। তবে রোহিঙ্গাদের আমরা ফিরিয়ে নিচ্ছি না, তাদের নিয়মিতভাবে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।”

ভারতীয় কর্তৃপক্ষের পুশইনের কৌশল নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “নিয়ম মেনে হস্তান্তর না করে নদীর পাড়ে বা জঙ্গলে ফেলে যাচ্ছে আমাদের নাগরিকদের। এটি অত্যন্ত অমানবিক এবং গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা প্রতিবাদ জানিয়েছি এবং এখন কিছুটা পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।”

এ সময় আলোচিত মোহাম্মদপুর ছিনতাই প্রসঙ্গে তিনি জানান, “ঘটনার সঙ্গে জড়িত চারজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ছিনতাইকৃত ফোন উদ্ধার হয়েছে। তদন্ত চলছে, দোষীদের ছাড় দেওয়া হবে না। দায়িত্বে অবহেলা করলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও শাস্তির মুখে পড়বেন।”

পুলিশ প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা এ সময় উপদেষ্টার সফরসঙ্গী ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন র‌্যাবের মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক, নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার প্রত্যুষ মজুমদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাসমিন আক্তার, তারেক আল মেহেদী এবং ইসরাত জাহান।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



উপকূলে তিন নম্বর সংকেত, জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে দ্বীপ ও চর

উত্তর বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের কারণে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে আবহাওয়ার চরম অবনতি ঘটেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে। একই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় এলাকায় দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

আবহাওয়ার বিশেষ সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের উপর অবস্থানরত নিম্নচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ২৫ জুলাই মধ্যরাতে পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের ওপর অবস্থান করছিল। নিম্নচাপটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে বঙ্গোপসাগরের বাতাসে চাপের তারতম্য বেড়ে গেছে, ফলে সমুদ্র উত্তাল হয়ে উঠেছে। এতে সমুদ্রবন্দর ও উপকূলীয় জেলাগুলোতে বাড়তি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

নিম্নচাপ ও অমাবস্যার প্রভাবে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরিশাল, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার উপকূলীয় এলাকা এবং নিকটবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ১ থেকে ৩ ফুট উচ্চতার বায়ু-চালিত জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।

আবহাওয়া অফিস থেকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলার পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকবে। এরই মধ্যে মৎস্যজীবীদের অনেকে ঘাটে নৌকা বেঁধে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গেছেন। তবে কিছু এলাকায় এখনো ঝুঁকি নিয়ে অনেকে মাছ ধরছেন, যা বড় ধরনের বিপদের কারণ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

স্থানীয় প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্য ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে উপকূলীয় এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়িয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে উদ্ধারকারী দল ও আশ্রয়কেন্দ্রসমূহ। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনগুলো বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে অনুরোধ করেছে এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে।

এদিকে উপকূলের সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে চরাঞ্চলের মানুষ যারা আগে থেকেই জোয়ারের পানিতে ভোগান্তিতে রয়েছে, তাদের দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে স্থানীয়রা। অনেক কৃষকের ধানক্ষেত ইতোমধ্যে পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, নিম্নচাপটি স্থলভাগে উঠে এলেও এর প্রভাব কিছুদিন পর্যন্ত থেকে যেতে পারে। তাই সতর্ক সংকেত অব্যাহত থাকবে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষজনকে সব ধরনের সাবধানতা অবলম্বন করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



ঢাকায় এসিসি সভা সফলভাবে সম্পন্ন, বিসিবিকে ধন্যবাদ জানালেন সভাপতি নাকভি

ঢাকায় অনুষ্ঠিত এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) সভাকে সফল ও সন্তোষজনক বলে মন্তব্য করেছেন এসিসি সভাপতি মহসিন নাকভি। রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে অনুষ্ঠিত এই সভায় অংশগ্রহণ ও চমৎকার আতিথেয়তার জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।

সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নাকভি বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের মিটিং খুব ভালো হয়েছে। এসিসির ২৮টি সদস্য দেশই সভায় অংশ নিয়েছে। যারা স্বশরীরে এসেছেন এবং যারা ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন—সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, “বিশেষ করে বিসিবি ও আমিনুল ভাইকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। আতিথেয়তা ছিল অসাধারণ। সবকিছু খুব সুন্দরভাবে আয়োজন করা হয়েছিল। এসিসির পক্ষ থেকে আমি বলব, দিনটি ছিল অত্যন্ত স্মরণীয়।”

সভায় ক্রিকেটের অরাজনৈতিক ধারাকে গুরুত্ব দিয়ে নাকভি বলেন, “আমরা সবাই ক্রিকেটের উন্নয়নে কাজ করতে চাই। খেলাকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে চাই। ঢাকায় একটি দারুণ পরিবেশে দারুণ একটি মিটিং হয়েছে। আশা করি, ভবিষ্যতেও এমন সভার আয়োজন করতে পারব।”

উল্লেখ্য, সভার আগে ভারত ও শ্রীলঙ্কার সরাসরি উপস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। বিসিসিআই জানায়, তারা প্রতিনিধি পাঠাবে না। শ্রীলঙ্কাও একই অবস্থানে ছিল। তবে শেষ মুহূর্তে দুই দেশ ভার্চ্যুয়ালি সভায় অংশ নেয়। এ প্রসঙ্গে নাকভি বলেন, “সব দেশ ঢাকায় আসতে পারেনি—এটা স্বাভাবিক। আমি নিজেও এক সভায় সিঙ্গাপুর যেতে পারিনি। তবে সবচেয়ে বড় কথা, ২৫টি দেশ সরাসরি উপস্থিত ছিল। এটি এসিসির জন্য বড় সাফল্য।”