“শহীদের ত্যাগের দায় এড়ানোর সুযোগ নেই”— কঠোর বার্তা তথ্য সচিবের

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা জীবন দিয়েছেন বা আহত হয়েছেন, তাদের আত্মত্যাগের দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ কারও নেই। তিনি বলেন, এই ত্যাগের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ফ্যাসিবাদমুক্ত, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সবাইকে সততা, দক্ষতা ও জবাবদিহির সঙ্গে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে।

রোববার (৩ আগস্ট) ঢাকার জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত তথ্যচিত্র প্রদর্শনী, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

সচিব মাহবুবা ফারজানা বলেন, “মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় ছাত্র-জনতা জীবনের ঝুঁকি নিয়েছে। তাদের ত্যাগ শুধু স্মরণ করলেই হবে না, ভাবতে হবে—আহতদের চিকিৎসা কিভাবে হবে, শহীদ পরিবারের পুনর্বাসন কিভাবে হবে। সময় এসেছে, তাদের কাছে আমাদের জবাবদিহি করার।”

তিনি বলেন, “বিগত সরকারের ১৫ বছরের শাসনামলে গণতন্ত্র ছিল কাগজে-কলমে, কিন্তু মানুষের মুখ বন্ধ ছিল। তরুণরা নিজেদের কথা বলার অধিকার হারিয়েছিল। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অপেশাদার আচরণে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতা হত্যার শিকার হয়েছে। আমাদের সন্তানদের যেন আর রাস্তায় রক্ত ঝরাতে না হয়, সেই নিশ্চয়তা আমাদেরকেই তৈরি করতে হবে।”

গণমাধ্যম, প্রশাসন ও নাগরিক স্বাধীনতা বিষয়ে সচিব বলেন, “ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হলে ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং প্রশাসনের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সক্রিয়ভাবে কাজ করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা যদি প্রত্যেকে নিজের অবস্থান থেকে সৎ, নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল হই, তাহলে বহুদিনের গড়ে ওঠা অপশাসনের জঞ্জাল দূর করা সম্ভব।”

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মুহম্মদ হিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফায়জুল হক, বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক এ এস এম জাহীদ এবং চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খালেদা বেগম।

আলোচনাসভার আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে নির্মিত একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং শেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও উপস্থিত ছিলেন।




শহিদ মিনারে ‘নতুন বাংলাদেশের ইশতেহার’ ঘোষণা করতে যাচ্ছে এনসিপি, নেয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা

ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের এক দফা ঘোষণার বর্ষপূর্তিতে, রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে ‘নতুন বাংলাদেশের ইশতেহার’ ঘোষণা করতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আজ রোববার (৩ আগস্ট) আয়োজিত এ সমাবেশকে ঘিরে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার ও এর আশপাশে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিববাড়ি মোড় ও দোয়েল চত্বরের প্রবেশপথে কড়া নজরদারি চলছে। শহিদ মিনার এলাকা ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের টহল, তল্লাশি ও অবস্থান স্পষ্টভাবে চোখে পড়ছে। ডিএমপির ডগ স্কোয়াড দিয়ে সমাবেশস্থলের বিভিন্ন এলাকা বোমা ও বিস্ফোরক শনাক্তকরণে পরীক্ষা চালানো হচ্ছে।

ইশতেহার ঘোষণায় কী থাকবে?
এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ লিয়ন জানান, দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম আজকের সমাবেশ থেকে যে ‘নতুন বাংলাদেশের ইশতেহার’ ঘোষণা করবেন, তা মূলত ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট দেওয়া এক দফা ঘোষণার ভিত্তি নিয়ে নির্মিত। এই ইশতেহারে থাকবে—

  • এক নাগরিকের মর্যাদাসম্পন্ন রাষ্ট্রব্যবস্থা
  • আধুনিক ও মানবিক সভ্যতা গড়ার রূপরেখা
  • রাষ্ট্রীয় সংস্কার ও সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার পরিকল্পনা
  • তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করে একটি মানবিক ও প্রযুক্তিনির্ভর রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার

তিনি আরও বলেন, “আমরা চাই নতুন প্রজন্ম জানুক, কেমন হবে নতুন বাংলাদেশ। ইশতেহারে থাকবে সেই ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা।”

জনদুর্ভোগ কমাতে সচেষ্ট আয়োজকরা
আয়োজকরা জানিয়েছেন, সমাবেশ সংক্ষিপ্ত রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জনদুর্ভোগ এড়াতে এনসিপির নিজস্ব শৃঙ্খলা টিম মিছিল ও জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

এনসিপির পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে, সমাবেশে অংশ নেওয়া নেতা-কর্মীরা যেন শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলার সঙ্গে অবস্থান নেয় এবং অন্যান্য পরীক্ষার্থী ও সাধারণ পথচারীদের অসুবিধায় না ফেলে।


সংক্ষিপ্ত তথ্যছক:

বিষয়ের নাম তথ্য
অনুষ্ঠান নতুন বাংলাদেশের ইশতেহার ঘোষণা
আয়োজক জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)
স্থান কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার, ঢাকা
তারিখ ৩ আগস্ট ২০২৫
নিরাপত্তা ব্যবস্থা ডিএমপি, ডগ স্কোয়াড, শৃঙ্খলা টিম
ইশতেহারের মূল বিষয় এক নাগরিকের রাষ্ট্র, মানবিক উন্নয়ন, প্রযুক্তি-ভিত্তিক আধুনিকতা

 

আল-আমিন,
চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম | 

 




ছাত্রদলের ছাত্র সমাবেশে ঢল, শাহবাগে যান চলাচলে নিয়ন্ত্রণ

ঐতিহাসিক জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আজ রোববার (৩ আগস্ট) রাজধানী শাহবাগ মোড়ে ছাত্র সমাবেশের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল (জানাছাদ)। দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য এই সমাবেশকে ঘিরে সকাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং আশপাশের এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিলে সমাবেশস্থলে জড়ো হতে শুরু করেছে ছাত্রদলের হাজারো নেতাকর্মী।

সমাবেশের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে একটি মঞ্চ। চলছে ব্যানার টাঙানো, সাউন্ড চেকসহ শেষ মুহূর্তের নানা প্রস্তুতি। নিরাপত্তার স্বার্থে শাহবাগ ও এর আশপাশে পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য।

ছাত্রদলের এই ছাত্র সমাবেশের পাশাপাশি অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর কর্মসূচি এবং এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলার কারণে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) সতর্কতামূলক ডাইভারশন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। যানজট ও জনদুর্ভোগ এড়াতে বিকল্প রুট ব্যবহারের জন্য নগরবাসীকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

যানচলাচলের বিকল্প রুটসমূহ:

  • হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়: উত্তর দিক থেকে আসা যানবাহন শাহবাগে না গিয়ে বামদিকে হেয়ার রোড বা মিন্টু রোড হয়ে যাতায়াত করবে।
  • কাটাবন মোড়: পশ্চিম দিক থেকে আগত যানবাহন ডানদিকে নীলক্ষেত/পলাশী কিংবা বামদিকে সোনারগাঁও রোড হয়ে চলাচল করবে।
  • মৎস্য ভবন মোড়: হাইকোর্ট/কদম ফোয়ারা থেকে আসা যানবাহন শাহবাগে না গিয়ে হেয়ার রোড বা মনসুর আলী সরণি ব্যবহার করবে।
  • কাকরাইল থেকে: মৎস্য ভবন পেরিয়ে সোজা হাইকোর্ট হয়ে গুলিস্তান বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়মুখী চলাচল করার নির্দেশনা রয়েছে।
  • টিএসসি/রাজু ভাস্কর্য: দোয়েল চত্বর বা নীলক্ষেত হয়ে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

এছাড়া শহীদ মিনার সংলগ্ন সড়ক ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের প্রবেশপথ এড়িয়ে চলার অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ বিশেষভাবে এই দিনে যানজটের শঙ্কা বিবেচনায় রেখে সাধারণ নাগরিক এবং বিশেষত এইচএসসি/সমমান ও বিসিএস পরীক্ষার্থীদের যথেষ্ট সময় হাতে নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে রওনা হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এই সমাবেশকে ঐতিহাসিক উল্লেখ করে বলেন, “এটি গণ-অভ্যুত্থানের এক নতুন চেতনার প্রকাশ। বর্তমান স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজের প্রতিবাদের ভাষা।”

ঢাকার রাজপথে আজকের সমাবেশ শুধুই রাজনৈতিক বার্তা নয়, বরং এটি একটি স্পষ্ট সামাজিক ও প্রজন্মগত অঙ্গীকার—তারা বলছে, ‘জনগণের শাসন ফিরে আনতেই হবে।’


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



অ্যাটর্নি জেনারেল: “শেখ হাসিনা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মিথ্যাবাদী স্বৈরাচার”

জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আজ রোববার (৩ আগস্ট) শুরু হয়েছে আনুষ্ঠানিক বিচার। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, এবং পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে মামলার সূচনা বক্তব্য রাখছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. তাজুল ইসলাম

বিচার শুরুর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সামনে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কঠোর ভাষায় মন্তব্য করেন। তিনি বলেন:

“পৃথিবীর ইতিহাসে শেখ হাসিনার মতো কোনো স্বৈরাচারের জন্ম হয়নি। তিনি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মিথ্যাবাদী স্বৈরাচার। যদি মিথ্যার ওপর পিএইচডি করতে হয়, শেখ হাসিনার কাছেই শিখতে হবে।”

তিনি আরও বলেন,

“পৃথিবীর সব স্বৈরশাসকের যদি কোনো সমিতি হয়, শেখ হাসিনা হবেন তার সভাপতি।”

আজকের বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয় সকাল সাড়ে ১১টায়, বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ। অন্য দুই বিচারক হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক মোহাম্মদ মোহিতুল হক

ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই বিচারকাজ সরাসরি ট্রাইব্যুনালের ফেসবুক পেজে সম্প্রচার করা হচ্ছে।

রাজসাক্ষীর আবেদন গৃহীত

এই মামলায় সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন সত্য প্রকাশের শর্তে রাজসাক্ষী হতে সম্মত হলে ট্রাইব্যুনাল তার আবেদন গ্রহণ করেছে।

মামলার পটভূমি ও অগ্রগতি:

  • ১ জুন: ট্রাইব্যুনাল ৫টি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আমলে নেয়।
  • ১৭ জুন: পলাতক শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান কামালকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
  • ১০ জুলাই: অভিযোগ গঠন করে ৩ আগস্ট প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের দিন ধার্য করা হয়।

আসামিপক্ষের প্রতিনিধিত্ব:

  • শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন
  • চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনের পক্ষে জায়েদ বিন আমজাদ

জনমত ও রাজনৈতিক উত্তাপ:

এই বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা যখন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এমন তীব্র ভাষায় সমালোচনা করেন, তা রাজনৈতিক ও আইনি দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

 

মো. আল-আমিন
স্টাফ রিপোর্টার, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




“রক্ত নয়, জ্ঞান-মেধায় গড়তে হবে নতুন বাংলাদেশ” — শারমীন মুরশিদের আহ্বান

সমাজকল্যাণ, মহিলা ও শিশুবিষয়ক উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, দেশের বর্তমান ভঙ্গুর কাঠামোকে ভেঙে নতুন সমাজ গঠনের সময় এসেছে। তবে সেই সংগ্রাম রক্ত দিয়ে নয়, হতে হবে জ্ঞান ও মেধার শক্তিতে।

শনিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘ওয়ারিয়র্স অব জুলাই’ আয়োজিত ‘স্যালুট টু জুলাই ওয়ারিয়র্স’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সরাসরি অংশগ্রহণকারী শারমীন সেই সময়কার স্মৃতি স্মরণ করে বলেন, “১৮ জুলাই রাস্তায় দাঁড়িয়ে দেখেছি হেলিকপ্টার থেকে গুলি চালানো হচ্ছিল, পুলিশও গুলি ছুঁড়ছিল। এক ছাত্র গুলিবিদ্ধ হলে আমি তার দিকে ছুটে যাই। সেদিন আমিও গুলির শিকার হতে পারতাম, কিন্তু ভাগ্যক্রমে বেঁচে যাই।”

তিনি বলেন, “আমরা আর রক্ত দিতে চাই না। এখন সময় জ্ঞান, মেধা ও দক্ষতা দিয়ে দেশ গড়ার। শিক্ষিত ও সচেতন নাগরিকরাই পারে এই ভঙ্গুর সমাজ কাঠামো বদলে দিতে।”

১৬ বছরের অপশাসনের প্রভাব তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, “আমরা যে কাঠামো পেয়েছি তা পাহাড়সম কঠিন। এই কাঠামো ভাঙতে এক বছর যথেষ্ট নয়। তবু আমাদের থেমে গেলে চলবে না।”

ছাত্র সমাজকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, “তোমরা কোটা নয়, মেধার ভিত্তিতে আন্দোলন করেছো। এই দেশকে সাম্য ও ন্যায়ভিত্তিক করতে হলে এখন তোমাদের ক্লাসে ফিরে গিয়ে প্রস্তুতি নিতে হবে। আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই—যেখানে মেধা, মানবিকতা ও ন্যায়ের জয় হবে।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য বক্তারাও জুলাই আন্দোলনের চেতনা সামনে রেখে ভবিষ্যৎ গঠনে তরুণদের অগ্রণী ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।




শৃঙ্খলা ও সততার জন্য জামায়াতের নেতৃত্ব প্রশংসনীয়: প্রেস সচিব শফিকুল আলম

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা ও সততা অনুকরণীয়। এই গুণাবলি দেশের সব রাজনৈতিক দলের জন্য অনুসরণযোগ্য হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

শনিবার (২ আগস্ট) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে জামায়াত আমির শায়খুল হাদিস ড. শফিকুর রহমানকে নিয়ে একটি স্ট্যাটাসে তিনি এই মন্তব্য করেন। সেখানে জামায়াত আমিরের সুদৃঢ় নেতৃত্ব, নৈতিকতা ও সংকটময় সময়ে ভারসাম্যপূর্ণ ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রেস সচিব।

স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, “হার্ট সার্জারির পর বিশেষ করে শফিকুর রহমান ভাইকে নিয়ে ভাবছি এবং সালাত ও দোয়ায় তার জন্য প্রার্থনা করছি।”

তিনি আরও লেখেন, “এই গভীর অনিশ্চয়তার সময়ে তার শান্ত নেতৃত্ব এবং সংস্কার প্রক্রিয়ায় গঠনমূলকভাবে যুক্ত হওয়ার সদিচ্ছা বিশেষভাবে লক্ষণীয়। তার নেতৃত্বে জামায়াত অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা এবং সততার যে সুনাম বজায় রেখেছে, তা দেশের সব রাজনৈতিক দলের জন্য অনুকরণীয় হওয়া উচিত।”

জামায়াত আমিরের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে প্রেস সচিব বলেন, “তিনি যেন দ্রুত সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠেন—এই প্রার্থনাই করছি। তার জন্য শান্তি ও মানসিক শক্তি কামনা করছি। ইনশাআল্লাহ।”

স্ট্যাটাসটি প্রকাশের পর রাজনৈতিক মহলে তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যেখানে জামায়াতের নেতৃত্ব ও নৈতিক অবস্থানকে কেন্দ্র করে ভিন্নমত ও সমর্থনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।




পিআর পদ্ধতিতে  নির্বাচনী ব্যবস্থায় শঙ্কা মেজর হাফিজের

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বর্তমান নির্বাচন পদ্ধতি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, পিআর (প্রপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) বা আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বমূলক পদ্ধতি চালু হলে জনগণের সঙ্গে তাদের প্রতিনিধির সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে।

শনিবার রাজধানীর রমনা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারকে সম্মাননা প্রদান’ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মেজর হাফিজ বলেন, “এই পিআর পদ্ধতিতে দেখা যাবে, ভোলার একজন সংসদ সদস্য হচ্ছেন এমন ব্যক্তি, যিনি আদতেই কুড়িগ্রামের বাসিন্দা। এলাকাভিত্তিক পরিচিতি, সমস্যা বোঝা এবং জনগণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক—এসব বিষয়ই তখন হারিয়ে যাবে।”

তিনি আরও বলেন, “জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে যারা প্রাণ দিয়েছেন, তারা কোনো নির্দিষ্ট পদ্ধতির পক্ষে ছিলেন না। তারা চেয়েছিলেন দেশের গণতন্ত্র ফিরে আসুক। আর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার একমাত্র উপায় হলো জনগণের ভোটে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন।”

বিএনপির এই নেতা বলেন, “বর্তমান সরকার ক্ষমতার মোহে পড়ে গণতন্ত্রের সহজ পথ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনই পারে জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে।”

আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণকারী ও শহীদদের মূল্যায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “অনেক সময় দেখা যায়, যারা সত্যিকার অর্থে বিপ্লবে জীবন দেন, তাদের আর কেউ মনে রাখে না। বরং আন্দোলন সফল হলে কেউ কেউ এসে কৃতিত্ব নেওয়ার চেষ্টা করে।”

মুক্তিযোদ্ধা সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়েও মন্তব্য করেন মেজর হাফিজ। তিনি বলেন, “১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ছিল ৮১ হাজার, এখন সেটা দাঁড়িয়েছে আড়াই লাখে। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলেই আত্মীয়-স্বজনসহ সবাইকে মুক্তিযোদ্ধা বানিয়ে ফেলে।”

অনুষ্ঠানে শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মান জানানো হয় এবং নেতৃবৃন্দ একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ডাক দেন।




গোপন তৎপরতা তদন্তাধীন, জড়িত কেউ রেহাই পাবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম বর্তমানে নিষিদ্ধ, তাই তারা কোনো অপকর্মে জড়ালে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

শনিবার (২ আগস্ট) রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “যেহেতু তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে, সেহেতু তারা কোনো অপকর্ম করতে চাইলে কোনোভাবেই ছাড় পাবে না। কে কোন বাহিনীর, সেটা বিবেচ্য নয়—আইনের আওতায় সবাই আসবে।”

আওয়ামী লীগের গোপন তৎপরতা ও এক সেনা কর্মকর্তার জড়িত থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে উপদেষ্টা জানান, বিষয়টি তদন্তাধীন। তিনি বলেন, “তদন্ত করলে সব জানা যাবে। যে-ই জড়িত থাকুক, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

৫ আগস্ট উপলক্ষে দেশে কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আল্লাহ চাইলে কোনো শঙ্কা নেই। আপনারা যেভাবে সহায়তা করছেন, তাতে আমরা আত্মবিশ্বাসী।”

সাংবাদিকদের ভূমিকার প্রশংসা করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “মিডিয়া সত্য প্রচার করছে বলেই আজ দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সত্য ঘটনাগুলো প্রচার করলে জনগণ উপকৃত হয়, আইনশৃঙ্খলার উন্নতি ঘটে।”

তিনি আরও বলেন, “আপনারা সত্য প্রকাশ করছেন বলেই বিদেশি মিডিয়াগুলোর তীব্রতা কমে আসছে। তারা আগের মতো সরব হতে পারছে না, কারণ বাস্তবতা স্পষ্ট হচ্ছে।”

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার এ বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। নিষিদ্ধ ঘোষিত দল হিসেবে আওয়ামী লীগের তৎপরতা এবং তার বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান যে কঠোর, তা এ বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।




সব পক্ষের অংশগ্রহণে ৫ আগস্ট প্রকাশ হবে ঐতিহাসিক জুলাই ঘোষণাপত্র

আগামী ৫ আগস্ট বিকেল ৫টায় গণঅভ্যুত্থানে যুক্ত সব পক্ষের উপস্থিতিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে জুলাই ঘোষণাপত্র জাতির সামনে উপস্থাপন করা হবে। শনিবার (২ আগস্ট) দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকার ইতোমধ্যে জুলাই ঘোষণাপত্রের খসড়া চূড়ান্ত করেছে। ঘোষণা অনুষ্ঠানে দেশের প্রধান তিনটি রাজনৈতিক দল—বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)—সহ গণআন্দোলনের বিভিন্ন পক্ষের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে। বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে জানানো হবে বলে জানায় প্রেস উইং।

এ ঘোষণাপত্রকে গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী অন্তর্বর্তী সরকারের একটি ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে ধরা হচ্ছে। সরকারের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, যেকোনো দিন, তবে সর্বোচ্চ ৫ আগস্টের মধ্যেই প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আনুষ্ঠানিকভাবে এটি প্রকাশ করবেন।

প্রসঙ্গত, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে সংগঠিত গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের ক্ষমতায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আসে, যার অন্যতম লক্ষ্য রাষ্ট্রীয় কাঠামোগত সংস্কার ও জনগণের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা পূরণ।

সূত্র জানায়, ঘোষণাপত্রের খসড়ায় মোট ২৬টি দফা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। খসড়ার প্রারম্ভে বলা হয়েছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে জুলাই মাসে এই গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছে। খসড়ার শুরুর ভাষ্যটি আগে “নেতৃত্বে” শব্দটি দিয়ে লেখা হলেও পরে তা পরিবর্তন করে “ডাকে” করা হয়েছে—বিতর্ক এড়ানোর লক্ষ্যে।

ঘোষণাপত্রে অতীত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দ্বিতীয় দফা ক্ষমতা গ্রহণের পর টানা ১৫ বছরের শাসনামলে বিরোধী রাজনৈতিক দল—বিশেষ করে বিএনপি ও জামায়াতের রাজনৈতিক সংগ্রামের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বিএনপির অনুরোধে ৭৫-এর ৭ নভেম্বরের সিপাহী বিপ্লব এবং রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সরকারের আমলে আনা সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর উল্লেখ রয়েছে।

রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে, এই ঘোষণাপত্র নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে উঠতে পারে।




সুন্দরবন স্কয়ারে ভয়াবহ আগুন, ১১টি ইউনিট কাজ করছে নিয়ন্ত্রণে

রাজধানীর গুলিস্তানে অবস্থিত সুন্দরবন স্কয়ার মার্কেটের পঞ্চম তলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সকাল ১০টার দিকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিট কাজ করছে, তবে এখনও আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন জানান, আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ১১টি ইউনিট পৌঁছেছে। আগুন পঞ্চম তলায় লাগলেও, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম তলায় বহু দোকানদার ও কর্মচারী আটকে রয়েছেন। তাদের দ্রুত নিচে নামতে বারবার মাইকিং করা হলেও তারা নির্দেশ উপেক্ষা করছেন, যা তাদের জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে।

দোলন বলেন, “আমরা বারবার মাইকিং করছি, তাদের নিচে নামার অনুরোধ করছি। সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরাও একইভাবে চেষ্টা করছেন। কিন্তু কেউ কথা শুনছে না। ধারণা করছি, এসব কর্মচারীরা ভবনের ভেতরে থাকা দোকানগুলোর স্টাফ, যারা হয়তো সেখানেই থাকেন বা কাজ করেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ।”

ঘটনাস্থলে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরাও মোতায়েন রয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের আরেক কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম বলেন, “সকাল ১০টায় আমাদের কাছে আগুন লাগার খবর আসে। এরপর একে একে ১১টি ইউনিট সেখানে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। এখনো আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। এছাড়া এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।”

ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে ভবনের ওপরের তলাগুলোতে উপস্থিত মানুষের অব্যাহত অবাধ্যতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

ঘটনার আপডেট জানার জন্য সর্বসাধারণকে সতর্কভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।