ঢাকায় শুরু হলো অনলাইন জিডি সেবা, ঘরে বসেই করা যাবে অভিযোগ

পুলিশি সেবা আরও সহজলভ্য করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) ১০ আগস্ট থেকে সব থানায় অনলাইন সাধারণ ডায়েরি (জিডি) কার্যক্রম চালু করেছে।

শুক্রবার (১৫ আগস্ট) ডিএমপির মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এখন থেকে নাগরিকরা ঘরে বসেই অনলাইনে জিডি করতে পারবেন। এজন্য গুগল প্লে স্টোর থেকে “অনলাইন জিডি” অ্যাপ ডাউনলোড করে স্মার্টফোনের মাধ্যমে নির্দেশনা অনুযায়ী সহজে জিডি করা যাবে।

থানায় সরাসরি জিডির মতোই অনলাইন জিডিতেও আবেদনকারী একটি জিডি নম্বর এবং এর অগ্রগতি সম্পর্কে হালনাগাদ তথ্য পাবেন। আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র ও নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর যাচাই করে তথ্য সংরক্ষণ করায় ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সুরক্ষিত থাকবে।

ডিএমপি জানিয়েছে, অনলাইন জিডি ব্যবস্থা পুলিশের কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়ানোর পাশাপাশি নাগরিকদের মূল্যবান সময় বাঁচাবে। শুধু অভিযোগ গ্রহণ নয়, জিডির ভিত্তিতে পুলিশের নেওয়া ব্যবস্থা সম্পর্কেও আবেদনকারীরা অবগত হতে পারবেন।

তবে প্রচলিত পদ্ধতিতে থানায় গিয়ে জিডি করার সুযোগও আগের মতোই বহাল থাকবে।




ড. ইউনূস নিশ্চিত: অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দায়িত্ব হস্তান্তর

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচিত সরকারের হাতে হস্তান্তর করা হবে। পাশাপাশি তিনি ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছেন, পাশাপাশি পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে সমন্বিত কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখতে চান।

বুধবার (১৩ আগস্ট) সিঙ্গাপুরভিত্তিক সিএনএ টিভির এক সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস নির্বাচনের প্রস্তুতি, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রশ্নের উত্তর দেন। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন সাংবাদিক লোকি সু।

ড. ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের চারটি মূল লক্ষ্য ছিল—সংস্কার, বিচার, নির্বাচন এবং দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠন। তিনি বলেন, এ সব লক্ষ্য সম্পূর্ণরূপে অর্জন করা এখনো সমাপ্ত হয়নি, তবে এগুলোর দিকে দৃঢ়ভাবে অগ্রসর হচ্ছে সরকার। তিনি যুক্তি দেখান, আগে নির্বাচন হলে সমস্যাগুলো সমাধান না করে শুধুমাত্র নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতায় পাঠানো হত, যা দীর্ঘমেয়াদে ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থার পুনরাবৃত্তি ঘটাত।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য করতে পারলে জনগণ তাদের ভোটের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের ভোটাররা গত ১৫ বছর ধরে ভোটাধিকার ব্যবহার করতে পারেননি। সেই কারণেই সুষ্ঠু ও বৈধ নির্বাচন নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ড. ইউনূস দেশের প্রতিটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সমন্বয় নিশ্চিত করতে ভারত, পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে সমন্বিত সম্পর্ক বজায় রাখার প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগরের মাধ্যমে প্রতিবেশী দেশগুলোকে এক অর্থনৈতিক অঞ্চলে আনা সম্ভব এবং ভারতের সেভেন সিস্টার্স রাজ্যগুলোও এতে যুক্ত হতে পারে।

প্রধান উপদেষ্টা এও উল্লেখ করেন, তিনি নির্বাচিত সরকার আসার পর আর দায়িত্বে থাকবেন না। তাঁর কাজ হলো একটি নিরপেক্ষ, গ্রহণযোগ্য ও শালীন নির্বাচন নিশ্চিত করা, যাতে ভোটাররা স্বাধীনভাবে ভোট প্রদান করতে পারেন।

তিনি বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ধ্বংসপ্রাপ্ত অবস্থাকে পুনর্গঠনের জন্য অন্তর্বর্তী সরকার সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। তিনি নিশ্চিত করেছেন, যে কোনো বৈধ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের নাগরিকরা নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগে সক্ষম হবেন এবং সরকার দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে হস্তান্তর করবে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



ই-রিটার্নে করদাতার রেকর্ড, ১০ দিনে প্রায় এক লাখ জমা

২০২৫-২৬ কর বছরের জন্য অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল কার্যক্রম শুরুর পর প্রথম ১০ দিনেই (১৩ আগস্ট পর্যন্ত) ৯৬ হাজার ৯৪৫ জন করদাতা ই-রিটার্ন দাখিল করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

গত ৪ আগস্ট অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ আনুষ্ঠানিকভাবে ই-রিটার্ন সিস্টেম উদ্বোধন করেন। পরিসংখ্যান বলছে, গত বছরের একই সময়ে (প্রথম ১০ দিনে) অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করেছিলেন মাত্র ২০ হাজার ৫২৩ জন। অর্থাৎ এ বছর দৈনিক গড় রিটার্ন দাখিলের হার বেড়েছে প্রায় ৫ গুণ।

এনবিআরের বিশেষ আদেশ অনুযায়ী, ৩ আগস্ট থেকে সারা দেশের সব ব্যক্তি শ্রেণির করদাতার জন্য অনলাইনে (www.etaxnbr.gov.bd) আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তবে ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী, শারীরিকভাবে অসমর্থ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি করদাতা এবং মৃত করদাতার পক্ষে আইনগত প্রতিনিধি—এরা এই বাধ্যবাধকতা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। ১১ আগস্ট সংশোধিত আদেশে বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিকদেরও এ বাধ্যবাধকতা থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।

যারা ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধন সমস্যার কারণে অনলাইনে রিটার্ন জমা দিতে পারবেন না, তারা ৩১ অক্টোবর ২০২৫-এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট উপকর কমিশনারের কাছে যৌক্তিক কারণসহ আবেদন করতে পারবেন। অনুমোদন মিললে তারা পেপার রিটার্ন দাখিলের সুযোগ পাবেন।

করদাতারা এখন ঘরে বসেই ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, রকেট, নগদসহ যেকোনো মোবাইল ফাইন্যানশিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে কর পরিশোধ করতে পারছেন। অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে acknowledgement slip ও আয়কর সনদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রিন্ট নেওয়ার সুবিধাও থাকছে।

ই-রিটার্ন প্রক্রিয়ায় সহায়তার জন্য এনবিআর একটি কল সেন্টার চালু করেছে, যেখানে ০৯৬৪৩ ৭১ ৭১ ৭১ নম্বরে ফোন করে তাৎক্ষণিক সমাধান পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া www.etaxnbr.gov.bd পোর্টালের eTax Service অপশন ব্যবহার করেও করদাতারা লিখিতভাবে সমস্যার সমাধান পেতে পারেন।

এনবিআর দেশের দায়িত্বশীল নাগরিকদের যথাসময়ে প্রকৃত আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায় উল্লেখ করে অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের আহ্বান জানিয়েছে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



মির্জাগঞ্জ হামলা মামলায় আলতাফ হোসেন চৌধুরীসহ সবার অব্যাহতি

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরীসহ সব আসামি অব্যাহতি পেয়েছেন। আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, মামলার স্থান, সময় ও ঘটনাক্রম সঠিকভাবে উল্লেখ না থাকা, মেডিক্যাল সার্টিফিকেটের অনুপস্থিতি, এবং আহতদের ছবি ও বিস্তারিত বর্ণনা না থাকার কারণে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।

বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) পটুয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. ইউছুফ হোসেন এই আদেশ দেন। মামলার অপর ১৩ আসামিও একই রায়ে অব্যাহতি পান।

রায়ের পর প্রতিক্রিয়ায় আলতাফ হোসেন চৌধুরী ও আসামি পক্ষের আইনজীবীরা জানান, মামলাটি ছিল সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, মিথ্যা ও হয়রানিমূলক। তারা দাবি করেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের রাজনৈতিক চাপের কারণে এ মামলা করা হয়েছিল। স্বাধীন বিচার ব্যবস্থায় ন্যায় বিচার পেয়ে তারা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি মির্জাগঞ্জ উপজেলার মাধবখালী ইউনিয়নের মধ্য রামপুর গ্রামে আলতাফ হোসেন চৌধুরীর নির্দেশে সহ-আসামিরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা, কুপিয়ে জখম ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন বলে অভিযোগ ছিল। ঘটনাটি ঘটার ১১ বছর পর, ২০১৩ সালের ১৭ জুলাই স্থানীয় কিরণ সরকার বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

পরে ২০১৭ সালের ১৮ জুলাই মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ আদালতে চার্জশিট জমা দেয়। মামলাটি বিচারের জন্য পটুয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসে। আজ অভিযোগ গঠনের দিন আসামি পক্ষ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১/ক ধারায় অব্যাহতির আবেদন করে। বিচারক মামলার নথি পর্যালোচনা করে পর্যাপ্ত প্রমাণ না পাওয়ায় সবাইকে অব্যাহতি দেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



ঝড়ো শুরুর পরও বড় ব্যবধানে হার বাংলাদেশ ‘এ’ দলের

অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনে পাকিস্তান শাহীন্সের বিপক্ষে টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজে মাঠে নামে নুরুল হাসান সোহানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ‘এ’ দল। ২২৮ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়ায় নেমে পাওয়ার প্লেতে দারুণ সূচনা করলেও মাঝপথে ধস নেমে শেষ পর্যন্ত ৭৯ রানের বড় ব্যবধানে হার মেনে নিতে হয় সোহানদের।

পাকিস্তান শাহীন্সের ব্যাটিং শুরু থেকেই ছিল আগ্রাসী। ওপেনার খাওয়াজা নাফে ও ইয়াসির খান মিলে পাওয়ার প্লেতে দলকে এনে দেন ৬৯ রান বিনা উইকেটে। নাফে মাত্র ২৭ বলে হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়ে ৩১ বলে করেন ৬১ রান, যেখানে ছিল ৮টি চার ও ২টি ছক্কা। ইয়াসির খানও পিছিয়ে ছিলেন না—৪০ বলে করেন ৬২ রান। উদ্বোধনী জুটি রান আউটে ভাঙলেও শেষ দিকে আব্দুল সামাদের ঝড়ো ইনিংসে আরও গতি পায় দল। তিনি মাত্র ২৩ বলে ফিফটি তুলে অপরাজিত থাকেন ৫৬ রানে। ইরফান খান নিয়াজীর ১২ বলে ২৫ রানের ক্যামিওতে নির্ধারিত ২০ ওভারে পাকিস্তান শাহীন্সের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২২৭/৪।

লক্ষ্য তাড়ায় প্রথম ওভারেই নাইম শেখ ৫ রানে আউট হলেও, সাইফ হাসান ও জিসান আলমের জুটিতে দ্রুত ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। দুজনের ব্যাটে আসে ৮৬ রান। জিসান ১৭ বলে ৩৩ রান করে ফিরলেও সাইফ তুলে নেন ২৬ বলে ফিফটি, শেষ পর্যন্ত করেন ৩২ বলে ৫৭ রান। তবে সেখান থেকেই শুরু হয় উইকেট পতনের ধস। আফিফ হোসেন (৬), নুরুল হাসান সোহান (২২) এবং বাকি ব্যাটাররা ধারাবাহিকভাবে ব্যর্থ হন। শেষ ৮ উইকেটে যোগ হয় মাত্র ৪৮ রান, দল গুটিয়ে যায় ১৬.৫ ওভারে ১৪৮ রানে।

পাকিস্তানের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে কার্যকর ছিলেন আকরাম (৩/১৯) ও সাদ মাসুদ (৩/৩০)। সহায়তা করেন ওয়াসিম জুনিয়র (২/২৪)। ম্যাচসেরা হয়েছেন ইয়াসির খান তার ৬২ রানের ইনিংসের জন্য।

বাংলাদেশ ‘এ’ দলের পরবর্তী ম্যাচ শনিবার, প্রতিপক্ষ নেপাল।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



হজযাত্রায় শারীরিক সক্ষমতা বাধ্যতামূলক: সরকারের নতুন নির্দেশনা

শারীরিকভাবে অক্ষম ও দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের হজে পাঠানো যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। তিনি বলেন, শুধুমাত্র সুস্থ ও সক্ষম ব্যক্তিদের হজের জন্য নিবন্ধন করাতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত জাতীয় হজ ও ওমরাহ ফেয়ারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) আয়োজিত এ মেলায় হজ এজেন্সি ও হজ গমনেচ্ছুদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, “অসুস্থ ও অক্ষম ব্যক্তিদের হজে নেওয়া হলে সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়। বিভিন্ন ধরনের জটিলতা দেখা দেয়।” এজন্য তিনি সিভিল সার্জনদের হজযাত্রীদের ‘ফিটনেস সার্টিফিকেট’ প্রদানে আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, “২০২৫ সালের হজ সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এখন ২০২৬ সালের হজের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। আশা করছি, আগামী বছর আরও উন্নত ও সুশৃঙ্খল হজ আয়োজন করতে পারবো।”

হজ এজেন্সিগুলোর প্রতি সতর্ক বার্তা

ধর্ম উপদেষ্টা হজ এজেন্সিগুলোকে সতর্ক করে বলেন, “কিছু এজেন্সি হজযাত্রীদের ব্যাগে মাদকদ্রব্য বা সৌদি আরবে নিষিদ্ধ সামগ্রী বহন করায়। অনেকে দেশে ফেরার সময় হজযাত্রীদের মাধ্যমে অবৈধভাবে সোনা নিয়ে আসে, যা দেশের ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করে।”

তিনি এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকতে এবং হজযাত্রীদের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদন ও যথাযথ প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

হাবের সঙ্গে সম্পর্ক

হাবের সঙ্গে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সম্পর্ক ‘ভ্রাতৃত্বপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা একসঙ্গে হজযাত্রীদের স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছি এবং ভবিষ্যতেও করবো।”

তিন দিনব্যাপী হজ ও ওমরাহ ফেয়ারে মোট ১৫৪টি স্টল রয়েছে। হজ এজেন্সি, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকসমূহ হজসংক্রান্ত তথ্য ও সেবা দিচ্ছে। মেলা শেষ হবে ১৬ আগস্ট বিকেলে।

অনুষ্ঠানে হাব সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধর্মসচিব একেএম আফতাব হোসেন প্রামাণিক, ঢাকায় সৌদি দূতাবাসের উপ-মিশন প্রধান ইব্রাহিম আবদুল্লাহ আল-আহমারী ও হাব মহাসচিব ফরিদ আহমদ মজুমদার।




সরকারের সংস্কার অভিযানে দৃশ্যমান অগ্রগতি: ৩৭ সুপারিশ বাস্তবায়িত

রাষ্ট্রীয় সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গঠিত ১০টি সংস্কার কমিশনের মোট ৩৭টি সুপারিশ ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে বলে জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বাকি ১১টি কমিশনের মধ্যে একমাত্র সংবিধান সংস্কার কমিশনকে ব্যতীত রেখে, অন্যান্য কমিশনগুলোর ৩৬৭টি সুপারিশ ‘আশু বাস্তবায়নযোগ্য’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, গত সপ্তাহে জানানো হয়েছিল ১২১টি সুপারিশ বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি সুপারিশ ইতোমধ্যে সম্পূর্ণ বাস্তবায়িত হয়েছে, আরও ১৪টির আংশিক বাস্তবায়ন হয়েছে এবং বাকিগুলো বাস্তবায়নের বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে।

ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশগুলো:

নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ও গণমাধ্যম নীতিমালা জারি, হলফনামার খসড়া তৈরি।

জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন: পাসপোর্ট পেতে পুলিশ ভেরিফিকেশন বাতিল, সরকারি দপ্তরে গণশুনানি বাধ্যতামূলক করা।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক): তদন্তপূর্ব অনুসন্ধান ব্যবস্থা বাতিল, আইনের ধারা সংশোধন, টাস্কফোর্স গঠন।

বিচার বিভাগ সংস্কার: সুপ্রিম কোর্টে বিচারক নিয়োগ প্রক্রিয়া উন্নয়ন, আদালতে নারী ও শিশুদের জন্য স্বতন্ত্র স্থান, অনলাইন সাক্ষ্যগ্রহণ ব্যবস্থা, ইনফরমেশন ডেস্ক স্থাপন।

নারী বিষয়ক সংস্কার: সাক্ষী সুরক্ষা আইন, নারী সেবা প্রদানকারীদের জেন্ডার সংবেদনশীল প্রশিক্ষণ।

শ্রমখাত: যুবকদের সংজ্ঞা নির্ধারণ, নারী ক্রীড়াবিদদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে আইন সংশোধন।

অভিবাসন ও শ্রমিক সংশ্লিষ্ট সুপারিশ:

প্রবাসী শ্রমিকদের জন্য বাধ্যতামূলক জীবনবীমা,

নারী অভিবাসীদের ব্যাংক হিসাব খোলার অধিকার,

ভাষা ও পেশাগত প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক,

শ্রমিকদের দুর্ঘটনায় চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ,

ত্রিপক্ষীয় ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট কমিটি গঠন,

শ্রম আদালতের সংখ্যা বৃদ্ধি ও সার্কিট কোর্ট,

নারী শ্রমিকদের রাতের শিফটে নিরাপত্তা ও পরিবহন নিশ্চিতকরণ,

ট্যানারি শিল্পে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বিবেচনায় বিশেষ পরিদর্শক নিয়োগ।

নতুন ২৪৬টি সুপারিশ আশু বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত:

আজ অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের ৩৮তম বৈঠকে আরও ২৪৬টি আশু করণীয় সংস্কার সুপারিশ বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
এর মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে রয়েছে:

শ্রম সংস্কার কমিশনের ৮২টি,

নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের ৭১টি,

স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন কমিশনের ৩৭টি,

স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশনের ৩৩টি,

তথ্য সংস্কার কমিশনের ২৩টি সুপারিশ।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার, সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ এবং সহকারী প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি।




“ফ্যাসিবাদ বিদায় নিয়েছে, ষড়যন্ত্র এখনো চলছে”: মাহমুদুর রহমান

লেখক, বুদ্ধিজীবী ও দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান বলেছেন, “ফ্যাসিবাদ বিদায় নিলেও ষড়যন্ত্র থেমে নেই। তরুণ ও যুব সমাজের চরিত্র হননের অপচেষ্টা এখনো চলছে। লোভ-লালসার ঊর্ধ্বে উঠে একতাবদ্ধভাবে এই ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে।”

বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের (আইডিবি) হলরুমে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
“তারুণ্যের গণঅভ্যুত্থান: নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে চ্যালেঞ্জ উত্তরণে যুব তরুণদের ভূমিকা” শীর্ষক এই সেমিনারটি আয়োজন করে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুব উন্নয়ন সংস্থা, আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে।

ড. মাহমুদুর রহমান বলেন, “গত ১৬ বছর ধরে তরুণদের ব্রেইনওয়াশ করার চেষ্টা চলেছে। কিন্তু তারুণ্যের শক্তি ফ্যাসিবাদকে তাড়িয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলেছে।”

সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব খন্দকার রাশেদুল হক, যিনি বলেন, “যুবকরাই সমাজ পরিবর্তনের মূল চালিকা শক্তি। প্রবীণরা উদ্বুদ্ধ করবে, যুবকেরা জীবন বাজি রেখে ঝাঁপিয়ে পড়বে।”

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনে এমপি পদপ্রার্থী ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, “জুলাই বিপ্লবে শেখ হাসিনা পালালেও বড় ফ্যাসিবাদ এখনও সচিবালয়ে রয়ে গেছে। এই প্রশাসন জনগণের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ।”

অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এটিএম জিয়াউল হাসান বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের পরও ষড়যন্ত্র চলছে। আরও বিপ্লব আসছে, তরুণ সমাজকে প্রস্তুত থাকতে হবে।”

বক্তারা অভিযোগ করেন, ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ বাংলাদেশে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের চেষ্টা চালালেও সফল হয়নি। কিন্তু বর্তমান প্রশাসনের কিছু অংশ এখনো বিপ্লব নস্যাৎ করতে সক্রিয়।

সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসিনুর রহমান বলেন, “জুলাই বিপ্লবে রিকশাওয়ালারও ভূমিকা ছিল, অথচ শ্রমজীবী মানুষের কথা ঘোষণায় আসেনি।”
তিনি আরও বলেন, “বিপ্লব সফল হলেও ইউনুস সরকারের আচরণ হতাশাজনক। তার উচিত জনগণের সঙ্গে সরাসরি কথা বলা।”

সেমিনারে বক্তারা সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান এবং তরুণদের সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।




উপদেষ্টা পদ ছাড়ার ইঙ্গিত দিলেন আসিফ মাহমুদ, এনসিপিতে যোগ অনিশ্চিত

নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলে তফসিল ঘোষণার আগেই উপদেষ্টার পদ ছাড়বেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, “নির্বাচন করার বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেইনি। তবে করলে তফসিলের আগেই উপদেষ্টার পদ ছাড়ব। এনসিপিতে যোগ দেব কিনা, সেটিও নিশ্চিত নয়।”

সম্প্রতি গুলশানে সাবেক এক নারী এমপির বাসায় গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের বহিষ্কৃত নেতা জানে আলম অপুর চাঁদাবাজির ঘটনায় তার নাম জড়ানোর বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি অভিযোগটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন।

তিনি বলেন, “চাঁদাবাজির সঙ্গে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। অপু নামক ব্যক্তির যে স্টেটমেন্ট নেওয়া হয়েছে, তা জোর করে নেওয়া হয়েছে বলে শুনছি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তার সঙ্গে আমার কোনো যোগাযোগ হয়নি।”

আসিফ আরও বলেন, “তার (অপু) স্ত্রীর বরাতে শুনেছি, তাকে গুম করে স্টেটমেন্ট নেওয়া হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থার দিক থেকেও এমন খবর পাওয়া যাচ্ছে। এমন ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়।”

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “ওইদিন সকালে ওয়েস্টিনে গিয়েছিলাম কি না, মনে নেই। হেলমেট পরা যে কাউকে যে কারও সঙ্গে মেলানো যেতে পারে।”

রাজনীতিতে সম্পৃক্তদের নির্বাচনের সময় পদত্যাগ করা উচিত বলেও মন্তব্য করেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, “যাদের রাজনৈতিক পরিচয় আছে, তারা সরকারের দায়িত্বে না থাকাই ভালো।”

ব্যক্তিগত প্রসঙ্গে তিনি জানান, ব্যস্ততার কারণে অনেক সময় গভীর রাত বা ভোরে কাজ শেষ হয়, তখন ৩০০ ফিট এলাকার নীলা মার্কেট থেকে হাঁসের মাংস কিনে খাওয়া হয়। যদি সময় বেশি হয়ে যায়, তখন ওয়েস্টিন হোটেলে যাওয়া হয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছরের কাজের মূল্যায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জনগণ অভ্যুত্থানের সুফল পেয়েছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে কতটা সুফল পেয়েছে, তা বলা কঠিন। এখন পর্যন্ত না-পারার পাল্লাটাই ভারী।”




ফেব্রুয়ারির ভোট সামনে রেখে ইসির রোডম্যাপ প্রস্তুত, প্রকাশ শিগগিরই

আগামী সপ্তাহেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে রোডম্যাপ প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনায় ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রস্তুতি চলছে এবং এসব প্রস্তুতির সময়ভিত্তিক কর্মতালিকা নিয়েই রোডম্যাপ প্রকাশ করা হবে।

বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান ইসি সচিব। তিনি বলেন, “ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিষয়ে রোডম্যাপ নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। আশা করছি, আগামী সপ্তাহে আমাদের নির্বাচনী রোডম্যাপ দিতে পারবো। এতে আমাদের প্রস্তুতি সম্পর্কে সবাই ধারণা পাবেন।”

সচিব আরও জানান, রোডম্যাপে ভোটার তালিকা হালনাগাদ, সীমানা পুনঃনির্ধারণ, রাজনৈতিক দল নিবন্ধন, নির্বাচনী আইন সংস্কার, নির্বাচন উপকরণ সংগ্রহ, সংলাপ আয়োজন, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, মুদ্রণ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সভা এবং নির্বাচনী কর্মকর্তাদের নিয়ে পরিকল্পনার বিস্তারিত বিবরণ থাকবে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, ডিসেম্বরের প্রথমার্ধে ভোটের তফসিল ঘোষণা করতে চায় কমিশন। এই লক্ষ্যে আগেভাগেই সব প্রস্তুতি নিতে চায় তারা। রোডম্যাপ প্রকাশের মাধ্যমে নির্বাচন-সংক্রান্ত কার্যক্রমে গতি আসবে বলে মনে করছে কমিশন।

উল্লেখ্য, নবম সংসদ নির্বাচনের আগে থেকেই রোডম্যাপ প্রকাশের প্রচলন শুরু হয়, যা এখনও চলমান। সর্বশেষ দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ প্রকাশ হয়েছিল ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে। বর্তমান কমিশনও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে।

প্রসঙ্গত, বর্তমান কমিশন ২০২৪ সালের নভেম্বরে দায়িত্ব গ্রহণের পর একটি প্রাথমিক কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে, যার সময়সীমা ছিল ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। এবার ফেব্রুয়ারিতে ভোটের সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ হওয়ায় সেই কর্মপরিকল্পনা নতুনভাবে পরিমার্জন করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ১৮ আগস্ট কমিশনের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে এবং অনুমোদনের পর রোডম্যাপটি পুস্তিকা আকারে প্রকাশ করা হতে পারে।