চীনের সাথে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের সই হওয়া ৬ দলিল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর এবারের সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের গণমাধ্যমের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ছে। এবারের সফরে দুই দেশের গণমাধ্যমের মধ্যে পাঁচটি সমঝোতা স্মারক ও একটি দলিল সই হয়েছে। সেগুলো হচ্ছে– চীনের জাতীয় বেতার ও টেলিভিশন প্রশাসন এবং বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর সই, চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি) এবং বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতাবিষয়ক স্মারক সই, চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি) এবং বিটিভির মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই, সিনহুয়া নিউজ এজেন্সি ও বিটিভির মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই, চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া ও বাংলাদেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থা-বাসসের মধ্যে স্মারক সই এবং আরেকটি দলিল সই করে সিনহুয়া সংবাদ সংস্থা ও বাংলাদেশ টেলিভিশন।

সই হওয়া বাকি দলিলগুলো হচ্ছে

ডিজিটাল অর্থনীতিতে বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে সমঝোতা স্মারক; চায়না ন্যাশনাল ফাইন্যান্সিয়াল রেগুলেটরি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এনএফআরএ) এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যে ব্যাংকিং ও বীমা নিয়ন্ত্রণ-সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক, বাংলাদেশ থেকে চীনে তাজা আম রপ্তানির জন্য উদ্ভিদ স্বাস্থ্য সম্পর্কিত উপকরণ বিষয়ে প্রটোকল, অর্থনৈতিক উন্নয়ন নীতি-সহায়তা ক্ষেত্রে সমঝোতা স্মারক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহায়তা বিষয়ে সমঝোতা স্মারক, বাংলাদেশে প্রকল্পে চায়না-এইড ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টারের ‘সম্ভাব্যতা সমীক্ষা’ বিষয়ে আলোচনার সাইনিং অব মিনিটস (কার্যবিবরণী) সই, চীনের সহায়তায় ষষ্ঠ বাংলাদেশ-চায়না মৈত্রী সেতু সংস্কার প্রকল্পের চিঠি বিনিময়, নাটেশ্বর প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা পার্ক প্রকল্পে চায়না-এইড কনস্ট্রাকশনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা বিষয়ে চিঠি বিনিময়, চীনের সহায়তায় নবম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু প্রকল্প বিষয়ে চিঠি বিনিময়, মেডিকেল সেবা ও জনস্বাস্থ্য বিষয়ে সহযোগিতা শক্তিশালী করতে সমঝোতা স্মারক, অবকাঠামোগত সহযোগিতা জোরদারে সমঝোতা স্মারক, গ্রিন অ্যান্ড লো-কার্বন উন্নয়ন বিষয়ে সহযোগিতা বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক, বন্যার মৌসুমে ইয়ালুজাংবু (ব্রহ্মপুত্র) নদীর হাইড্রোলজিক্যাল তথ্য বাংলাদেশকে দেওয়ার বিধিবিষয়ক সমঝোতা স্মারক নবায়ন, চীনের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ বিষয়ে সমঝোতা স্মারক সই হয়।




সময় টিভির সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: সময় টিভির সাংবাদিক ও পটুয়াখালী প্রেসক্লা‌বের সদস্য মো. ম‌নির হোসেন বাদলের বিরুদ্ধে সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়েরের ঘটনায় প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে মানববন্ধন করা হয়েছে।

সোমবার (৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ১০টায় পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সদর রোড ভবন প্রাঙ্গণে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন সর্বস্তরের সাংবাদিকবৃন্দ।

এ সময় মানববন্ধনে গত ৩ জুলাই বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে সময় টিভির সাংবাদিক ও পটুয়াখালীর প্রেসক্লা‌বের সদস‌্য ম‌নির হোসেন বাদ‌লসহ চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। মামলা প্রত্যাহারসহ এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সাংবাদিক হয়রানি বন্ধের দাবি জানান বক্তারা।

এ সময় বক্তব্য রাখেন- পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি স্বপন ব্যানার্জী, জাকির হোসেন, সহ-সভাপতি অ্যাড. সোহরাব হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক জালাল আহম্মেদ, মুফতি সালাহউদ্দিন, মুজাহিদুল ইসলাম প্রিন্স প্রমুখ।

আরো পড়ুন : কুয়াকাটা সৈকতের ১০ কি. মি. জুড়ে এক লাখ বৃক্ষ রোপণ চলছে

জানা যায়, পটুয়াখালীর বাউফলে গৃহবধূকে ভাগিয়ে নেয়ার অভিযোগে এক যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে পটুয়াখালী আদালতে মামলা করেন ওই গৃহবধূর স্বামী। এ ঘটনায় ‘অন্যের বউ ভাগিয়ে নেয়ায় যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা’ শিরোনামে গত ২৯ জুন সময় টিভির ওয়েবসহ বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। এতে ক্ষুব্ধ হন বাউফল পৌর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আরিফুজ্জামান খান রিয়াদ (৪৩)। তিনি বাদী হয়ে গত ৩ জুলাই বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে সময় টিভির সাংবাদিক ও পটুয়াখালীর প্রেসক্লা‌বের সদস‌্য ম‌নির হো‌সেন বাদ‌লসহ চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার অন্য বিবাদীরা হলেন- দৈনিক কালবেলার বাউফল উপজেলা প্রতিনিধি জি এম মশিউর রহমান মিলন, বাউফল প্রতিদিন ডটকম অনলাইন পোর্টালের সম্পাদক মো. এনামুল হক এনা, বেসরকারি টেলিভিশন সময় টিভির রিপোর্টার মো. মনির হোসেন বাদল ও দৈনিক ভোরের আকাশের বাউফল প্রতিনিধি মো. ফিরোজ। আদালত বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) তদন্ত করার দায়িত্ব দেন।




সেমিফাইনাল ম্যাচ নিয়ে দুশ্চিন্তায় স্পেন

বরিশাল অফিস :: চলতি ইউরো আসরে স্পেন দারুণ সময় পার করছে। এখন পর্যন্ত সবকটি ম্যাচ জিতে জায়গা করে নিয়েছে সেমিফাইনালেও। শুক্রবার রাতে আরেক ফেবারিট ও আয়োজক জার্মানিকে বিদায় করে লা ফুয়েন্তের দল কেটেছে সেমির টিকিট। তবে তাতেও স্বস্তির নেই তাদের। কারণ কার্ড ও ইনজুরিজনিত সমস্যায় ফ্রান্সের বিপক্ষে সেমিফাইনাল ম্যাচে একাধিক খেলোয়াড়কে পাচ্ছে না স্পেন।

গতকাল জার্মানির বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচে মাত্র অষ্টম মিনিটেই অনাকাঙ্ক্ষিত এক ফাউলের শিকার হয়ে মাঠ ছাড়েন পেদ্রি। এবারের ইউরো থেকেই ছিটকে গিয়েছেন তিনি এমনতাই জানা গেছে। বাঁ পায়ের চোট থেকে সেরে উঠতেও সময় লাগবে, তাই সেমিতে দলে তাকে না পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

উয়েফার নতুন নিয়ম অনুযায়ী ইউরোর সেমিফাইনালের আগে কেউ পরপর দুই ম্যাচে হলুদ কার্ড দেখলে, তিনি সেমিফাইনাল খেলায় নিষেধাজ্ঞা পাবেন। আর তাতেই কপাল দানি কারভাহাল ও রবিন লা নরম্যান্ডের। জার্মানির জামাল মুসিয়ালাকে শেষ মিনিটে বিশাল ফাউল করে তো লাল কার্ডই দেখতে হয়েছে কারভাহালকে।

এছাড়াও স্পেনের অধিনায়ক আলভারো মোরাতারও সেমিতে খেলা নিয়ে শঙ্কা আছে। জয়সূচক গোলের পর মাত্রাতিরিক্ত উদযাপনের সময় তাকে হলুদ কার্ড দেখানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও রেফারি অ্যান্থনি টেলর তাকে কার্ড দেখিয়েছিলেন কি না সেটি এখনও নিশ্চিত করেনি উয়েফা। যদিও সম্প্রচারকারী চ্যানেলে মোরাতাকে হলুদ কার্ড দেখানো হয়েছে বলে বলছেন অনেকে।

বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী আগামী ১০ জুলাই রাত ১টায় ইউরোর ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে স্পেন ও ফ্রান্স।




চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ বিএফইউজে-ডিইউজের

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: সংবাদ প্রকাশের জেরে পটুয়াখালীর বাউফলের চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে বরিশালের সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজের) একাংশের।

গতকাল শুক্রবার (৫ জুলাই) পাঠানো বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন বিএফইউজের একাংশের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী ও মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি শহিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম।

বিবৃতিতে সাংবাদিক নেতারা বলেন, ‘সরকার দলীয় নেতাকর্মীর দ্বারা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হামলা-মামলার ঘটনা নতুন কিছু নয়। যখনই সাংবাদিকরা সত্য কথা লেখে, সমাজের অনিয়ম তুলে ধরে তখনই তারা ক্ষমতাসীনদের হামলা-মামলার স্বীকার হন। পটুয়াখালীর বাউফলে যুবলীগ নেতা কর্তৃক চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে করা মামলা এর ব্যতিক্রম নয়।’

নেতারা বলেন, ‘আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, এসব মিথ্যা মামলা দিয়ে সাংবাদিকদের ভয় দেখানো যাবে না। সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধভাবে এই অপশক্তিকে মোকাবিলা করবে। একইসঙ্গে আমরা এই ন্যক্কারজনক এ মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’ অবিলম্বে এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা।

আরো পড়ুন : পটুয়াখালীতে স্বর্ণের দোকানে ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ

গত ৩ জুলাই সংবাদ প্রকাশের জেরে পটুয়াখালীর বাউফলের চার সাংবাদিকের বিরুদ্ধে বরিশালের সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে মামলা করেন বাউফল পৌর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আরিফুজ্জামান ওরফে রিয়াদ খান (৪৩)।

মামলায় আসামিরা হলেন–দৈনিক কালবেলার বাউফল প্রতিনিধি জি এম মশিউর রহমান, বাউফল প্রতিদিন ডটকমের সম্পাদক মো. এনামুল হক, সময় টিভির স্টাফ রিপোর্টার মো. মনির হোসেন ও দৈনিক ভোরের আকাশের বাউফল প্রতিনিধি মো. ফিরোজ।

আদালত বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শোণিত কুমার গায়েনকে মামলা তদন্ত করার দায়িত্ব দিয়েছেন।

এর আগে পরকীয়ার জেরে এক গৃহবধূকে নিয়ে পালানোর অভিযোগে মো. আরিফুজ্জামানের বিরুদ্ধে পটুয়াখালী আদালতে মামলা হয়। ২৬ জুন ওই গৃহবধূর স্বামী বাদী হয়ে মামলাটি করেন। ওই মামলার সূত্র ধরে সংবাদ প্রকাশ করায় সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন এই যুবলীগ নেতা।




চলচ্চিত্র ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে বাচসাস’র ভূমিকা প্রশংসনীয়: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বাংলাদেশ চলচ্চিত্র, বিনোদন ও সাংস্কৃতিক সাংবাদিকদের ৫৬ বছরের ঐতিহ্যবাহী সংগঠন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস)-এর সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। সভার শুরুতে সম্প্রতি এফডিসিতে অনাঙ্ক্ষিত ঘটে যাওয়া ঘটনা বাচসাস-এর নেতৃত্বে সমাধান হওয়ায় সাধুবাদ জানান তিনি। ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনা না ঘটে সে জন্য বাচসাসকে সুদৃষ্টি রাখতে বলেছেন তিনি।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসময় বাচসাস সভাপতি রাজু আলীম ও সাধারণ সম্পাদক রিমন মাহফুজ বেশকিছু প্রস্তাবনা ও পরিকল্পনা লিখিত আকারে কমিটির পক্ষ থেকে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর কাছে তুলে দেন।

চলচ্চিত্র ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে বাচসাস’র ভূমিকা প্রশংসনীয় উল্লেখ করে আলী আরাফাত বলেন, বাচসাস ঐতিহ্যবাহী একটি সংগঠন। জেনেছি সম্প্রতি বাচসাস ‘চলচ্চিত্র শিল্পে সমস্যা ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক করেছে। এটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ। ভবিষ্যতে চলচ্চিত্রের উন্নয়নে বাচসাসকে পাশে থাকার আহ্বান করব।

অনুদান প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বচ্ছতা ও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র বাছাই করা হবে। অনুদানে চলচ্চিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে সরকার আরও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতে চায়। স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রক্রিয়ায় যাতে চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য অনুদান প্রদান করা হয়, সে ব্যাপারে সরকার সচেষ্ট।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাচসাস’র সহ-সভাপতি অনজন রহমান, সহ-সাধারণ সম্পাদক রাহাত সাইফুল, অর্থ সম্পাদক সাহাবুদ্দিন মজুমদার, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল আলম মিলন, সমাজ কল্যাণ ও মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আনজুমান আরা শিল্পী, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক ইরানি বিশ্বাস, দপ্তর সম্পাদক আহমেদ তেপান্তর, নির্বাহী সদস্য রুহুল আমিন ভূঁইয়া প্রমুখ।




অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল বন্ধে বিটিআরসিকে অনুরোধ করা হবে




আল জাজিরার সম্প্রচার বন্ধের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ইসরায়েলের




সরকার পরিচালনাকারী সবাই ফেরেশতা নয় : তথ্য প্রতিমন্ত্রী




অপতথ্য রোধে একসঙ্গে কাজ করতে পারে সরকার, পেশাদার গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজ’

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :অপতথ্য রোধে সরকার, পেশাদার গণমাধ্যম এবং সুশীল সমাজ অংশীদার হয়ে একসঙ্গে কাজ করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডির মাইডাস সেন্টারে দক্ষিণ এশিয়ায় বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্যানেল আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। ‘বর্তমান বৈশ্বিক পরিবেশগত সংকটের প্রেক্ষাপটে মুক্ত গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা’ শীর্ষক এ আলোচনার আয়োজন করে ইউনেস্কো, টিআইবি এবং আর্টিকেল নাইন্টিন।

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের সমালোচনা করা সমস্যা নয়। সত্য তথ্যের ওপর ভিত্তি করে যেকোন সমালোচনা করলে সেটা সরকার স্বাগত জানায়। যখন পরিকল্পিতভবে অপতথ্যের প্রচার করা হয়, দেশের উন্নয়ন থামানোর জন্য সাংবাদিকতার অপব্যবহার করা হয়, অপতথ্য প্রচারের জন্য পরিবেশকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়, সেটিই সমস্যা তৈরি করে। এক্ষেত্রে অপতথ্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সাংবাদিকতা বন্ধে সরকার, পেশাদার গণমাধ্যম এবং সুশীল সমাজ একসাথে অংশীদার হয়ে কাজ করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, সরকার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে চায়। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ১৯৭১ সালে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাথে সংগতিপূর্ণ। আমাদের সর্বোচ্চ আইন সংবিধানের মাধ্যমে এ বিষয়গুলোর সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। আমরা গণতন্ত্র ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য সংগ্রাম করেছি, জীবন উৎসর্গ করেছি এবং একটি দেশ তৈরি করেছি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, যখন আমরা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার কথা বলবো, তখন সেটা জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে হতে হবে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা যাতে কোন গোষ্ঠীর এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য অপব্যবহার না হয়। যখনই আমরা গণমাধ্যমের স্বাধীনতার কথা চিন্তা করবো, তা যেন গণমাধ্যমের সঠিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে হয়, অপব্যবহারের ক্ষেত্রে নয়।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার জলবায়ু ও পরিবেশের বিষয়টি মাথায় রেখে একশো বছরের পরিকল্পনা ডেল্টা প্ল্যান প্রণয়ন করেছে। নেদারল্যান্ডস সরকারের সহায়তার ২১০০ সালে এটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য প্রাথমিকভাবে দায়ী না হলেও, বাংলাদেশ এর অন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত দেশ। যেহেতু জলবায়ু পরিবর্তন রোধে কেন্দ্রীয়ভাবে সরকারের অঙ্গীকার রয়েছে, তাই যারা এর বিরুদ্ধে কাজ করছে তাদেরকে সরকার মেনে নেওয়ার কোনো কারণ নেই। তাই পরিবেশ সুরক্ষা পক্ষে প্রতিবেদন বা সাংবাদিকতা সরকার অবশ্যই স্বাগত জানাবে। কারণ ডেল্টা প্ল্যান অনুযায়ী আগামী একশো বছরে দীর্ঘ মেয়াদে দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা, ভূমি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, বাস্তুসংস্থান ও পরিবেশ নিয়ে সরকার কাজ করছে।

সরকার শুধু উন্নয়নে বিশ্বাস করে না বরং টেকসই উন্নয়নে বিশ্বাস করে, যা পরিবেশগত সুরক্ষাকে অন্তর্ভুক্ত করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রতিবেদন প্রকাশের ক্ষেত্রে মৌলিক সততা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকার যে কোনো ধরনের সমালোচনা সব সময় স্বাগত জানাবে এবং দেশের যেকোনো প্রান্তের প্রতিবেদক বা সাংবাদিককে সুরক্ষা দেবে। সত্য ও বৈজ্ঞানিক তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রতিবেদন প্রকাশ করলে এমনকি সরকারের সমালোচনা করলেও সেটি সরকার প্রশংসা করবে ও স্বাগত জানাবে।

আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত আলেকজান্দ্রা বার্গ ফন লিন্ডে, ইউনেস্কোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও অফিস প্রধান সুজান ভাইজ, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান এবং মাছরাঙা টেলিভিশনের প্রধান সম্পাদক ও ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের চেয়ারম্যান রেজোয়ানুল হক।প্যানেল আলোচনা সঞ্চালনা করেন আর্টিকেল নাইন্টিন-এর বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক শেখ মঞ্জুর-ই-আলম। এর আগে বিষয়ভিত্তিক উপস্থাপন করেন দি বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান শামসুদ্দিন ইলিয়াস এবং ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক উসরাত ফাহমিদা।




তীব্র গরমে শরীরে পানি ঘাটতি পূরণ করবে যেসব ফল

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  এই অসহ্য গরমে জনজীবন অতীষ্ট হয়ে উঠেছে। প্রচণ্ড গরমে ঘেমে নেয়ে সবাই একাকার। আর এ কারণে অনেকের শরীরে পানিশূন্যতাও দেখা দিচ্ছে। আসলে ঘামের সঙ্গে শরীরের প্রয়োজনীয় পানি অনেকটাই বের হয়ে যায়। সেই ঘাটতি পূরণ না হলে দেখা দিতে পারে ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা।

তবে শুধু গরমের কারণেই নয়, ডায়রিয়া, বমি, জ্বর ইত্যাদির জন্যও দেখা দিতে পারে শরীরে পানির ঘাটতি। বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দিলে পানির পাশাপাশি খনিজ পদার্থেরও ঘাটতি হয়। তাই এ সময় ডাব, স্যালাইন ইত্যাদি পান করতে পারেন।

আবার পটাশিয়ামের অভাব পূরণের জন্য নিয়মিত পাকা কলাও খেতে পানে। তবে এড়িয়ে চলতে হবে কফি খাওয়া। অতিরিক্ত কফি শরীরে পানিশূন্যতার সৃষ্টি করে। তাই গরমে কফি ও তেলে ভাজা খাবার এড়িয়ে চলুন। তবে বেশ কিছু ফল আছে, যা আপনার শরীরের পানির ঘাটতি পূরণ করতে পারবে। যেমন-

লেবু

গরমে প্রশান্তি পেতে কমবেশি সবাই লেবুর শরবত পান করেন। ভিটামিন সি যুক্ত এই ফলের রস আপনাকে সতেজ অনুভূতি দেবে সারাদিন। তবে লেবুর শরবতে খুব বেশি চিনি মেশাবেন না।

লেবুতে থাকা পটাশিয়াম শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। ঘামের কারণে শরীরে খনিজের যে ঘাটতি তৈরি হয় তার অনেকটাই পূরণ করে লেবু। লেবুর প্রায় ৮৮ শতাংশই পানি।

তরমুজ

গ্রীষ্মকালীন ফল তরমুজ। বাজারে বেশ সহজলভ্য ফলটি। গরমে একটু স্বস্তি পেতে খেতে পারেন এই ফল। এটি শরীরে জলের অভাব পূরণ করে। তরমুজে শতকরা ৯০ ভাগের বেশি পানি থাকে। 

ফলে পানিশূন্যতা রোধে এটি হতে পারে একটি উপকারী খাবার। সঙ্গে আছে ফাইবার, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট লাইকোপিন ও ম্যাগনেসিয়াম। যা তীব্র গরমেও আপনাকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

টমেটো

টমেটো এখন প্রায় সারাবছরই পাওয়া যায়। টমেটো রান্না কিংবা কাঁচা, যেভাবেই খাবেন তা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। তবে সবচেয়ে বেশি উপকার পাবেন কাঁচা খেলে।

এতে আছে ভিটামিন এ, ভিটামিন বি ২, ভিটামিন সি, ক্রোমিয়াম, ফোলেট, ফাইবার, পটাশিয়াম ও ফাইটোকেমিক্যালের উপকারী পুষ্টি। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত টমেটো খেলে ক্যানসার, হৃদরোগ ও অটোইমিউন ডিসঅর্ডারের ঝুঁকিও কমতে পারে।

শসা

গরমের আরেকটি সেরা ফল হল শসা। এটি পানিশূন্যতা রোধ করতে সাহায্য করে। শসায় আছে ভিটামিন কে, ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম। শসার প্রায় ৯৫ শতাংশই পানি।

এই ফলের সবচেয়ে উপকারী গুণ হলো, এতে ক্যালোরির পরিমাণ খুবই কম।নিয়মিত শসা খেলে দূর হয় শরীরে জমে থাকা বিষাক্ত পদার্থ। এটি ত্বককে ভেতর থেকে পরিষ্কার রাখে। শসা খেলে গরমে শরীর ঠান্ডা থাকে।

সূত্র: বোল্ডস্কাই