ভারতে পালানোর সময় সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবু, শ্যামল দত্তসহ আটক ৪

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: অবৈধভাবে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলা থেকে একাত্তর টেলিভিশনের সিইও মোজাম্মেল হক বাবু, দৈনিক ভোরের কাগজ পত্রিকার সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার মাহবুবুর রহমান ও প্রাইভেটকার চালক সেলিমসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে।

সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) উপজেলার দক্ষিণ মাইজপাড়া ও পোড়াকান্দুলিয়া সীমান্তের মাঝামাঝি এলাকা থেকে স্থানীয় জনতা তাদের আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। এ সময় তাদের বহনকারী একটি প্রাইভেটকার জব্দ করে স্থানীয়রা।

একাত্তর টিভির সিনিয়র রিপোর্টার মাহাবুবুর রহমান সমকালকে বলেন, ‘আমার বাড়ি ময়মনসিংহ সদরে। মোজাম্মেল হোসেন বাবু ভাই আমাকে বলার পর আমি তার সঙ্গে যোগ দেই। পথে ১০টি মোটরসাইকেল পথরোধ করে আটকিয়ে আমাদেরকে কিলঘুসি দিয়ে টাকা চায়। এক পর্যায়ে আমার মানিব্যাগ চেক করে ৩০০ টাকা পায়। টাকা নিয়ে মানিব্যাগটি ফকিন্নি বলে আমার মুখের উপর ফেলে দেয়। পরে আমাদের সবার কাছে চেক করে যা ছিল সব নিয়ে যায়। এরপর কি হইছে আমি বলতে পারবো না।’

ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চান মিয়া সমকালকে বলেন, আজ সোমবার ভোর ৬টার দিকে দক্ষিণ মাইজপাড়া ও পোড়াকান্দুলিয়া সীমান্তের মাঝামাঝি এলাকা থেকে স্থানীয় জনতা তাদের আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে। এ সময় তাদের বহনকারী একটি প্রাইভেটকার জব্দ করে স্থানীয়রা। আটক চারজন বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।

ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, আটকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট মামলায় তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব‍্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।




আমি কখনো হিজবুত তাহরির-শিবিরের সঙ্গে জড়িত ছিলাম না : মাহফুজ আলম

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হয়েছেন মাহফুজ আলম। বলা হচ্ছে কোটা সংস্কার আন্দোলনে তিনি পিছনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার পরামর্শ ও দিক নির্দেশনা মাঠে বাস্তবায়িত হয়েছে। তিনি প্রধান উপদেষ্টার সহকারী হওয়ার পর থেকে তার অতীতের কিছু কর্মকাণ্ড নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় অনেক কথা উঠেছে। সেই সমালোচনার বিষয়ে গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় তিনি নিজস্ব ভেরিফায়েড পেজে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হয়েছেন মাহফুজ আলম। বলা হচ্ছে কোটা সংস্কার আন্দোলনে তিনি পিছনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার পরামর্শ ও দিক নির্দেশনা মাঠে বাস্তবায়িত হয়েছে। তিনি প্রধান উপদেষ্টার সহকারী হওয়ার পর থেকে তার অতীতের কিছু কর্মকাণ্ড নিয়ে স্যোশাল মিডিয়ায় অনেক কথা উঠেছে। সেই সমালোচনার বিষয়ে গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় তিনি নিজস্ব ভেরিফায়েড পেজে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

ইকোনমিক টাইমস-এর এক সাংবাদিক আমার হিযবুত তাহরীরের সাথে মিথ্যা সম্পৃক্ততা নিয়ে লিখেছেন, যা ইচ্ছাকৃতভাবে আমাকে ভারতীয় রাষ্ট্রের ন্যারেটিভে ফাঁসানোর জন্য করা হয়েছে।
আমি আগে যেমন, এখনও তেমন হিযবুত তাহরীরের মতাদর্শের বিরুদ্ধে এবং যেকোনো অগণতান্ত্রিক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধেই আছি।

আমি ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাথেও জড়িত ছিলাম না। আমি তাদের রাজনৈতিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করি নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষে তারা আমাকে তাদের প্রোগ্রামে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল, কিন্তু তাদের বাংলাদেশ নিয়ে তাদের মতাদর্শ আমাকে আকৃষ্ট করতে পারে নি।

আমি জামায়াতে ইসলামকে অনুসরণ করি নি এবং এখনও করি না। সেই কারণে আমি তামিরুল মিল্লাত বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্যান্য শিবিরকর্মীদের মতো কোনো সুবিধা বা অধিকার পাইনি। বরং আমাকে ক্যাম্পাসে ইসলামোফোবিয়া এবং শিবির ট্যাগিংয়ের শিকার হতে হয়েছে।

আমাকে বেছে নিতে হয়েছে নির্জন পথ— মুজিববাদ, ইসলামোফোবিয়া এবং ইসলামী মতাদর্শের বিরুদ্ধে, বাঙালি মুসলমানদের ঐতিহাসিক আকাঙ্ক্ষার অভিমুখে। পরে আমি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং রাজনৈতিক অধ্যয়ন চক্রের সাথে জড়িত হয়ে জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানে আমার রাজনৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক ভূমিকা গ্রহণ করি।

আমি মাস্টারমাইন্ড ছিলাম না। তবে নয় দফাসহ ৫ জুন থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত প্রতিটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আমার সাথে পরামর্শ করে এবং আমার ‘অনুমোদন’ক্রমে। গত পাঁচ বছরে প্রায় সব প্রোগ্রাম ও ন্যারেটিভ আমার হাত দিয়েই লেখা হয়েছে। সবই আপনার জানতে পারবেন যদি আমি বা আমার সঙ্গীরা বর্তমানের চ্যালেঞ্জগুলো পার করতে পারি। দোয়া করবেন যেন আমরা সম্মানজনক জীবন যাপন করতে পারি অথবা শহীদ হতে পারি।

আমি একজন বিশ্বাসী এবং বাঙালি মুসলমান। আমি ইসলামী বা সেক্যুলার কোনো মতাদর্শকেই সমর্থন করি না। আমি এই অঞ্চলে  সভ্যতাগতভাবে পরিবর্তিত একটি রাষ্ট্র ও সমাজের রূপকল্প পোষণ করি, যা গড়ে উঠবে দায় ও দরদের আদর্শের ভিত্তিতে। নির্যাতিত জনগণের ব্যক্তিগত ও সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষাগুলো রাষ্ট্রনীতিতে রূপান্তরিত হবে।

ঢাকা হবে বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের সভ্যতাগত মেলবন্ধন এবং বেণী লেনাদেনার কেন্দ্র। ইনশাআল্লাহ!

দীর্ঘ ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি আরও লিখেন, আমি ইসলামী বা অন্য কোনো ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অভিপ্রকাশের বিরোধী নই। আমি মনে করি রাষ্ট্রগঠনে সম্প্রদায়গুলোর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অভিপ্রকাশসমূহের  সহাবস্থান করার সুযোগ থাকা দরকার। রাষ্ট্রের সেক্যুলার প্রকল্প যেন কোনো সম্প্রদায়েরই ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অভিপ্রকাশের জায়গাকে সংকুচিত করে না ফেলে। তবে এই অভিপ্রকাশগুলো যেন আবার ফ্যাসিবাদী মতাদর্শের দিকে না যায়।

একদম ঠিক ঠিক করে বললে, আমি লালন বা মার্কসের অনুসারী নই, তাই আমি ফরহাদ মজহারের ইসলাম ও মার্কসবাদ গ্রহণ করি না। লালনকে আমি বাংলার আত্ম-অন্বেষণ চর্চা ও আচার-অনুষ্ঠানের একটি সমন্বিত প্রকাশ হিসেবে দেখি। আর যতদিন পুঁজিবাদ থাকবে ততদিন প্রাসঙ্গিক থাকবেন মার্কস। তবে, বাঙালি মুসলমানদের প্রশ্নটি প্রধানত নদীমাতৃক ইসলাম ও বাংলার মুসলিম সম্প্রদায়ের ফ্রেমওয়ার্কে আলোচনা করা উচিত। বাঙালি মুসলমানদের উচিত হীনমন্যতার শেকল ভেঙে ফেলে তাদের পূর্বপুরুষদের দৃষ্টিভঙ্গি বিশ্বদরবারে ব্যাখ্যা করা।

আমি মাজার/কবর পূজারী নই। আমি বিভিন্ন তরিকার সুফি এবং আলেমদের শ্রদ্ধা করি। কৈশোরকাল এবং পরবর্তী সময়ে আমি অনেক আলেম ও পীরদের সাথে সংযুক্ত ছিলাম। এবং এখনও তাদের সাথে আমার সম্পর্ক আছে। তারা আমাকে নবীর (সা.) প্রতি ভালোবাসায় অভিষিক্ত করেছেন। আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। আবার, আমি আপোষকামী এবং ফ্যাসিবাদ সমর্থনকারী সুফিবাদ পছন্দ করি না। আমি সেই সুফি ও আলেমদের ভালোবাসি, যারা নিজেদের অধিকারের জন্য দাঁড়ান।

আমি মনে করি, যারা মাজার ভাঙছে তারা আসলে বাঙালি মুসলমানদের সাধারণ আকাঙ্ক্ষা এবং বাংলার ঐতিহাসিক ঐতিহ্যের বিরুদ্ধে কাজ করছে। ঐতিহাসিক সম্প্রদায় হিসেবে বাঙালি মুসলমানদের জোট গঠন করতে হবে দক্ষিণ এশিয়ার মজলুম হিন্দু, বৌদ্ধ, ও মুসলমানের সাথে। এভাবেই দূর করতে হবে মুজিববাদ, ইসলাম-আতঙ্ক, হিন্দুত্ববাদ, এবং ফ্যাসিবাদ-সমর্থনকারী সুফিবাদ ও ইসলামিজমকে। আমরা অনেক বার দেখেছি কীভাবে ফ্যাসিবাদবিরোধী ইসলামিজমও মুজিববাদ ও হিন্দুত্ববাদের বাঁচার উপায় হয়ে উঠেছে।

আমি আমার বাঙালি মুসলমান পূর্বপুরুষদের অনুসরণ করি, যারা ত্যাগ ও দূরদর্শিতার মাধ্যমে একটি সম্প্রদায় গড়ে তুলেছিলেন। এই সম্প্রদায় এ অঞ্চলে তাদের ন্যায্য হিস্যা পাবে এবং তাদের রূপকল্প বাস্তবায়িত হবে। আমি পশ্চাদপদ জাতীয়তাবাদগুলোর বিরুদ্ধে। বাংলাদেশের ভেতরে এবং বাইরে আরও আরও মানুষের সাথে সংযোগ স্থাপনের জন্য দরকার নতুন ভাষা ও শব্দভাণ্ডার।

পুনশ্চ: আমার লেখাগুলোতে কেউ আহত হলে, আমি অন্তর থেকে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আমি আপনাদের সকলকে সহনাগরিক হিসেবে এবং ভাই ও বোন হিসেবে ভালোবাসি। দয়াল দরদি নবিজিকে সালাম!




ত্রাণের বাকি টাকা সম্পর্কে যা জানালেন হাসনাত আব্দুল্লাহ

  • ত্রাণের বাকি টাকা বিশেষভাবে অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত রয়েছে জানিয়েছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ
  • স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণে আগামী কয়েকদিনে অডিট রিপোর্ট প্রকাশ করা হবে, জানিয়েছেন তিনি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : সম্প্রতি বন্যার্তদের সহায়তায় তোলা ত্রাণ ও টাকা বিশেষভাবে অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত রয়েছে বলে জানিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

শনিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ কথা জানান।

সেখানে হাসনাত আবদুল্লাহ লেখেন, ‘গত ৪ সেপ্টেম্বরের প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে আমাদের টিএসসির ত্রাণ কর্মসূচির আয় ও ব্যয়ের হিসাব জানানো হয়েছিল। ব্যয় বাদে বাকি টাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনতা ব্যাংক, সোনালী ব্যাংক শাখা, ইসলামি ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ে সংরক্ষিত রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক, একজন নারী শিক্ষার্থী ও একজন ছাত্রের নামে বিশেষভাবে অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে, যেখানে শুধু এই তিনজনের সম্মিলিত সিগনেচারের মাধ্যমে টাকা হস্তান্তর করা সম্ভব। এখন পর্যন্ত ওই একাউন্ট থেকে কোনো টাকা হস্তান্তর করা হয়নি।’

তিনি আরও লেখেন, ‘স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে আমরা ত্রাণ কার্যক্রমের আয় ও ব্যয়ের ওপর একটি অডিট করছি এবং আগামী কয়েকদিনের মধ্যে অডিট রিপোর্ট প্রকাশ করা হবে, ইনশাআল্লাহ। আমরা সবসময় গঠনমূলক সমালোচনা গ্রহণে আগ্রহী। কোনো বিশেষ ভুলবুঝাবুঝি থাকলে অনুগ্রহ করে তা নির্দিষ্টভাবে তুলে ধরুন, যাতে আমাদের কাজ আরও কার্যকরী হতে পারে। আগামীর বাংলাদেশ হোক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মডেল।’




দুমকিতে সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা – প্রেসক্লাবের নিন্দা

পটুয়াখালী প্রতিনিধি:: পটুয়াখালীর দুমকিতে দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের উপজেলা প্রতিনিধি মো. দেলোয়ার হোসেনকে ঘটনায় সংশ্লিষ্টতা না থাকলেও ষড়যন্ত্রমূলক আসামি করে মামলায় জড়ানোর তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংবাদকর্মীরা।

শুক্রবার সকালে প্রেসক্লাব দুমকির সভাকক্ষে এ নিন্দা ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রেসক্লাব দুমকির সভাপতি মো. হারুন অর রশীদ’র সভাপতিত্বে প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক দৈনিক যুগান্তর প্রতিনিধি মো. সাইফুল ইসলাম, সাংবাদিক নেতা প্রকৌশলী মো: কামাল হোসেন, দৈনিক কালবেলা প্রতিনিধি মো. রাজিবুল ইসলাম রন্টি বক্তব্য রাখেন।

বক্তারা বলেন, বেশ কিছুদিন আগে বাউফলের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও বাউফল উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক আব্দুল মোতালেব হাওলাদার ও তার ছেলে বগা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান মাহমুদের অবৈধ ইটভাটা নিয়ে দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকায় পর পর দুটি নিউজ প্রকাশিত হয়। তার জের ধরে গত (৬ আগস্ট) আব্দুল মোতালেব হাওলাদারের স্ত্রী মোসম্মৎ রেহেনা বেগম তার বসতঘর ভাংচুর ও লুটপাট হয়েছে মর্মে পটুয়াখালী বিজ্ঞ আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইবুনালে দ্রত বিচার আইনে একটি মামলা দায়ের করেন যার মামলা নং (৯৮/২০২৪) বর্তমান মামলাটি পি বি আই তদন্তাধীন রয়েছে। তাই আগামী ৫ দিনের মধ্যে এই মিথ্যা মামলা থেকে সাংবাদিক মো: দেলোয়ার হোসেনকে অব্যাহতি না দিলে পরবর্তীতে কঠোর কর্মসূচি হাতে নেয়া হবে।

পাশাপাশি এই মিথ্যে মামলার তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান সংবাদকর্মীরা।




ফাতিমা তাসনিম আমার পরিবারের কেউ নন: উপদেষ্টা নাহিদ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : ফাতিমা তাসনিম নামের এক নারী কানাডায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে মিথিলা ফারজানার পদে চাকরি পেয়েছেন বলে একটি খবর প্রকাশিত হয়েছে। তাতে ওই নারীর পরিচয় হিসেবে তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের বোন বলা হয়েছে। খবরটি সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন নাহিদ ইসলাম। ফ্যাক্ট চেকিং বা তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান রিউমার স্ক্যানারও একে ভুয়া খবর বলে জানিয়েছে।

এ বিষয়ে আজ মঙ্গলবার রাতে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘ফাতিমা তাসনিম নামের এই নারী আমার পরিবারের কেউ নন। তিনি কোথায় নিয়োগ পেয়েছেন, তা আমি জানি না। তাঁর সঙ্গে আমার কোনো যোগাযোগও নেই। তিনি মূলত গণ–অধিকার পরিষদের নেত্রী।’

এদিকে খবরটি যাচাই করে রিউমার স্ক্যানার বলেছে, বিডিপ্যানারোমা নামের এই ভুঁইফোড় সাইটটিতে বর্তমানে মাত্র চারটি নিউজ রয়েছে। এর একটি ফাতিমা তাসনিমকে নিয়ে। ফাতিমা তাসনিম গণ অধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য। তাঁকে উপদেষ্টা নাহিদের বোন বলে দাবি করা হলেও আদতে তাঁদের মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই। ফাতিমা কানাডার বাংলাদেশ মিশনে চাকরিও পাননি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এমন কোনো বিজ্ঞপ্তিই দেয়নি। ফাতিমা রিউমার স্ক্যানারকে বলেছেন, ‘এটা পুরোটাই একটা ভুয়া নিউজ। এর সঙ্গে বাস্তবে কোনো সত্যতা নেই। তা ছাড়া আমি এই ইউনিভার্সিটি (জগন্নাথ) থেকে পড়াশোনা করিনি। সবকিছুই অসত্য ও মিথ্যা।’




বাউফলে গণমাধ্যম কর্মীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: বাউফলে গণমাধ্যম কর্মী ও বৈষম্যবিরোধী বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী সৈয়দ নাঈমকে পিটিয়ে জখম করা হয়েছে। তাকে আহত অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এঘটনায় বাউফল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে৷

শুক্রবার দিবাগত রাত ৮ টার দিকে উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের ইব্রাহিম গফুর হাসপাতালের সামনে এই ঘটনা ঘটেছে। নাহিদ অনলাইন সংবাদমাধ্যম ঢাকা ট্রিবিউনের গ্রাফিক্স ডিজিইনার পদে চাকুরি করতেন।

জানা গেছে, দুইদিন আগে গণমাধ্যমকর্মী নাঈম তার অসুস্থ মাকে দেখতে উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নে নিজ বাড়িতে আসেন। শুক্রবার রাত ৮ টার দিকে মায়ের জন্য খাবার নিয়ে সন্ধ্যায় ইব্রাহীম গফুর হাসপাতালে গেলে পূর্ব বিরোধের জেরে স্থানীয় বিএনপি নেতার ছেলে সবুজ চৌকিদার নামে একজন ব্যাংক কর্মকর্তা দলবল নিয়ে নাঈমকে মারধর করে আহত করেন।

ভুক্তভোগী গণমাধ্যমকর্মী সৈয়দ মো. নাঈম বলেন, আমি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। ১৫ বছর আগের স্কুল স্পোর্টসের একটি বিরোধকে কেন্দ্র করে এবং সরকার পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটকে কাজে লাগিয়ে আমার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঢাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী ছিলেন বলেও জানান।

এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি শোনিত কুমার গায়েন বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় উঠে এল মুন্নী সাহার নাম

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :: পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে ১৫ বছরেরও বেশি সময় পর মুখ খুললেন তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) মঈন ইউ আহমেদ। বিদ্রোহের বিষয়ে বিস্তারিত কথার ফাঁকে ঘটনার সময় এটিএন নিউজের তৎকালীন সাংবাদিক মুন্নী সাহার সাংবাদিকতা নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। গতকাল শুক্রবার মঈন ইউ আহমেদ নিজের ইউটিউব চ্যানেলে এসব কথা বলেন।

বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে মঈন ইউ আহমেদ বলেন, ‘পিলখানার ভেতরে কী হচ্ছে, তারা (জওয়ানরা) কি অফিসারদের জিম্মি করছে না হত্যা করছে? শুধু আমরা গুলির আওয়াজ শুনছি এবং এই গুলির আওয়াজ ছড়িয়ে পড়ছে ওই এলাকার চারপাশে। গোয়েন্দাদের থেকে আমরা কোনো তথ্যই পাচ্ছিলাম না। শুধু ইলেকট্রনিক মিডিয়ার লোকজন (সাংবাদিক) ওখানে লাইভ প্রোগ্রাম কাভার করছিল।’

তিনি বলেন, ‘যার মধ্যে যারা ছিল আমার মনে পড়ে মুন্নী সাহা কাজ করছিল লাইভ এবং বিদ্রোহীরা অফিসারদের সম্পর্কে বিভিন্ন মিথ্যা তথ্য, ভুল তথ্য তুলে ধরছিল জনগণের সামনে। এর মাধ্যমে একটি ভুল ধারণা সৃষ্টি হচ্ছিল অফিসার সম্বন্ধে। এ ছাড়াও বিডিআরের অন্যান্য ক্যাম্পেও এই বিদ্রোহ ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করছে।’

সাবেক সেনাপ্রধান বলেন, ‘৯টা ৪৭ মিনিটে বিডিআরের মহাপরিচালককে ফোনে পাওয়া গেলো। আমি ওনাকে জিজ্ঞেস করলাম, কী হয়েছে? তিনি এক ভয়াবহ পরিস্থিতির সংক্ষিপ্ত বিবরণ আমাকে বলেন। ‘

বিদ্রোহের পর সেনাবাহিনীর পদক্ষেক সম্পর্কে সাবেক এ সেনাপ্রধান বলেন, ‘ক্যাপ্টেন শফিক ৩৫০ জন র‍্যাব সদস্য নিয়ে পিলখানা এলাকায় পৌঁছে গেলেন। তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে অনুমতি চান, পিলখানায় প্রবেশ করার জন্য। যেটা তিনি পাননি।’

মঈন ইউ আহমেদ বলেন, ‘তাকে যদি পারমিশন দেওয়া হতো ভেতরে প্রবেশ করার জন্য, বিদ্রোহীরা তখনো সংগঠিত হয়নি এবং ক্ষয়ক্ষতিও করতে পারেনি। ক্যাপ্টেন শফিক নিজেই তাদেরকে মোকাবিলা করতে পারতেন এবং কিছুক্ষণ পরেই আমরা এসে তার সঙ্গে মিলিত হয়ে বিদ্রোহীদের দমন করতে পারতাম। ’

তিনি বলেন, ‘ব্রিগেড কমান্ডারের নেতৃত্বে ১০ জন অফিসারের নেতৃত্বে ৬৫৫ জন অফিসার সেদিন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অভিযান পরিচালনা করেন। যার নাম দেওয়া হয়েছিল ‘‘অপারেশন রেস্টোর অর্ডার’’। আমি সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে (শেখ হাসিনা) বলি, ‘‘অপারেশন রেস্টোর অর্ডার’’ পরিচালনার শুরুতেই আমাদের একজন সৈনিককে নিহত হতে হয়েছে এবং একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এইমাত্র খবর পেলাম বিদ্রোহীরা অনেক অফিসারকে হত্যা করেছে। ’

মঈন ইউ আহমেদ বলেন, ‘আমি আরও বলি, বিদ্রোহীদের কোনো শর্ত মানা যাবে না। আর আপনি তাদেরকে বলবেন, অফিসার হত্যা এই মুহূর্তে বন্ধ করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আশা করব একটি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য বের করে যারা এখনো দোষী চিহ্নিত হয়নি, কিন্তু এর সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদেরকে আইনের আওতায় এনে সঠিক বিচার করা হোক।’




রাষ্ট্র সংস্কারে অন্তর্বর্তী সরকারকে ২ বছর দেয়া উচিৎ – নুরুল হক

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: গণ অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, রাষ্ট্রের সংস্কারের জন্য বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অন্তত দুই বছর সময় দেয়া উচিৎ। বিভিন্ন অফিস আদালতসহ নির্বাচন কমিশনকে ঢেলে সাজানোর জন্য এ সময় তাদের দিতে হবে নচেৎ একটি সুন্দর গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব না। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের রাজনৈতিক কোন সংশ্লিষ্টতা নাই।

শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পটুয়াখালী প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে এসব কথা বলেন তিনি।

পটুয়াখালী প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সোহরাব হোসেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ এবং গণ অধিকার ফোরামের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নুরুল হক বলেন, দুই বছর সরকারের ক্ষমতায় থাকার জন্য কাঠামো আরও বাড়ানো দরকার। ২১ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদ নিয়ে রাষ্ট্রের বর্তমান অবস্থায় তারা ভালোভাবে কাজ করতে পারবে না। এই সরকারের চেহারা জাতীয় সরকারের চেহারায় দেয়া যেতে পারে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে আলাপ করে তাদের মনোনীত প্রার্থীদেরকে অন্তর্ভুক্তি করে জাতীয় সরকারের রূপ দেওয়া যায়।

তিনি বলেন, সরকার যদি তাদের লক্ষ্য পরিষ্কার করে তবে রাজনৈতিক দলগুলোর আর কোন সন্দেহ থাকবে না। এই সরকার যদি রাষ্ট্রের সংস্কার করতে না পারে তাহলে কোন রাজনৈতিক সরকারও তা পারবেনা।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে এলাকায় এক দলের উত্থান দেখা যাচ্ছে তারা ডিসি অফিস, এসপি অফিসসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করতে চাচ্ছে। সমাজের প্রয়োজনে রাষ্ট্রের প্রয়োজনে এদের প্রতিহত করতে সাংবাদিকদের শক্তিশালী ভূমিকা পালন করতে হবে।




বিটিভিকে জনগণের মিডিয়া হিসেবে কাজ করতে হবে : সরকার নয়, জনবান্ধব হতে হবে- নাহিদ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘বাংলাদেশ টেলিভিশন’কে (বিটিভি) জনগণের মিডিয়া হিসেবে কাজ করতে হবে। সরকার নয়, জনবান্ধব হতে হবে।’
উপদেষ্টা আজ বুধবার রাজধানীর রামপুরাস্থ বাংলাদেশ টেলিভিশনের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে সরেজমিনে বিটিভি ভবন পরিদর্শনকালে  একথা বলেন।
বিটিভি’কে গণমাধ্যমের প্রকৃত নীতিমালা মেনে চলতে হবে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকারের এই গণমাধ্যমটি’র সংস্কারের জন্য আইন ও নীতিমালা পর্যালোচনা করা এখন সময়ের দাবী।

তিনি শিক্ষার্থী-জনতার অভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের ইন্টারভিউ নিয়ে ‘ডকুমেন্টারি ফিল্ম’ তৈরী করার জন্য বিটিভি কতৃপক্ষের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, ‘রাজধানীসহ প্রান্তিক পর্যায়ে এই আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের গল্প জনগণকে জানানো দরকার। সর্বস্তরের জনগণকে জানাতে হবে দেশের জন্য আত্মত্যাগকারী এসব বীরদের গল্পগাথা।’
এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা দৃঢ়তার সাথে বলেন, এই সরকার কোনো দলকে উপস্থাপন করে না। তাই প্রচারের ক্ষেত্রে একচেটিয়া কোনো দলকে প্রাধান্য না দেওয়ারও জন্য তিনি বিটিভিকে পরামর্শ দেন।
নাহিদ বলেন, যারা আওয়ামী সরকারের আমলে অনুষ্ঠান করতে পারেন নি, যারা বঞ্চিত ছিলেন, তাদেরকে সুযোগ করে দেওয়া উচিত।

তথ্য উপদেষ্টা বিটিভি কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্যে সুস্পষ্টভাবে বলেন যে, ‘আপনারা সরকারকে খুশি করতে কোনো ধরনের খবর বা প্রোগ্রাম সম্প্রচার করবেন না।’
বাংলাদেশ টেলিভিশনের উপ-মহাপরিচালক সাইদুর রহমান এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টাকে অবহিত করেন যে, শিক্ষার্থীদের বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত ১৮ জুলাই বিটিভি ভবনে হামলায় অন্তত: ১শ’ ৮৪ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ওই হামলায় প্রতিষ্ঠানের কেউ আহত হয়েছেন কিনা তাও জানতে চান নাহিদ ইসলাম।

এ সময় তথ্য উপদেষ্টা সংখ্যালঘুদের উপর হামলা, বানভাসী মানুষের দুর্গতি, সারাদেশে চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব এবং সীমান্তবর্তী এলাকায় হত্যাকান্ডের ঘটনাগুলো সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে




সাংবাদিকদের বাকস্বাধীনতা দিতে হবে – বিএনপি নেতা মোশাররফ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি :: বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘সাংবাদিকরা হচ্ছে সমাজের দর্পণ। তাদের বাক স্বাধীনতা দিতে হবে। গণমাধ্যমকর্মীরা দায়িত্বশীল জায়গা থেকে দায়িত্ব পালন করলে সমাজ যেমন উপকৃত হবে, তেমনি আগামী প্রজন্ম একটি ভালো বাংলাদেশ দেখতে পাবে।’

বুধবার বেলা ১১ টায় পটুয়াখালীর কলাপাড়া প্রেসক্লাবের হলরুমে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এবিএম মোশাররফ হোসেন আরও বলেন, ‘সকাল বেলা পত্রিকা পড়ে যেন বুঝতে পারি দেশের অবস্থা কী। এই দায়িত্বটা আপনারা ভালোভাবে পালন করবেন।’

স্থানীয় অবকাঠামোগুলো সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এই কলাপাড়া আমাদের সবার। বাংলাদেশের মধ্যে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এখানে পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা, পায়রা বন্দর, তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও নৌ ঘাঁটিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এগুলো আপনাদের লেখনীর মাধ্যমে সকলের সামনে তুলে ধরতে হবে।’

আরো পড়ুন : কলাপাড়ায় ১৪৫০ ফুট কাঁচা সড়ক, শতাধিক পরিবারের ভোগান্তি

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘এ দেশের ছাত্র-জনতা কোটা আন্দোলনের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদ সরকারকে হটিয়েছে। আমরা বিএনপি, এই আন্দোলনের একটি সহযোগী সংগঠন হিসেবে বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকারকে সহযোগিতা করতে চাই।’

প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক মো. হুমায়ন কবিরের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাজী হুমায়ুন সিকদার, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান চুন্নু, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট খন্দকার নাসির উদ্দিন, পৌর বিএনপির সভাপতি ফারুক গাজী, সাধারণ সম্পাদক মুসা তাওহীদ নান্নু মুন্সি, কলাপাড়া প্রেসক্লাব, রিপোর্টার্স ক্লাব ও রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।