তরুণ উদ্যোক্তাদের অনুপ্রেরণায় ‘University Entrepreneur Award & Expo 2025’ দেশের অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত

বাংলাদেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে এবং তরুণ প্রজন্মকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে দেশের শীর্ষ তরুণ-নির্ভর প্রতিষ্ঠান Lynovexa Limited আয়োজন করতে যাচ্ছে এক অনন্য ও যুগান্তকারী উদ্যোগ — “University Entrepreneur Award & Expo 2025”।

এই আয়োজনের মূল উদ্যোক্তা ও প্রবর্তক Lynovexa Limited-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং University Entrepreneur Award-এর ফাউন্ডার সাদাত শাহ আল মুইজ।

তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা, তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও দিকনির্দেশনা প্রদান এবং উদ্যোক্তা-নেটওয়ার্ক তৈরির লক্ষ্যেই এই আয়োজন করা হচ্ছে।

সাদাত শাহ আল মুইজ বলেন, বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ২২ লাখ তরুণ কর্মবাজারে প্রবেশ করে। বিদেশে কর্মসংস্থান, সরকারি-বেসরকারি চাকরি এবং অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে যুক্ত হওয়ার পরও প্রায় ১০ লাখ তরুণ শোভন কর্মসংস্থানের সুযোগ পায় না। যদি এই তরুণদের মাত্র ১০ শতাংশকেও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা যায়, তবে তারা নিজেরাই বাকিদের জন্য কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারবে। University Entrepreneur Award & Expo 2025 তরুণদের সৃজনশীলতা, নেতৃত্ব ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশে এক গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।”

ইভেন্টের Organizing Board Advisor হিসেবে যুক্ত হয়েছেন ইউএস-বাংলা গ্রুপের জেনারেল ম্যানেজার কামরুল ইসলাম এবং রবি আজিয়াটা লিমিটেডের কর্পোরেট গভর্নেন্স ও প্রসেস ডিজিটালাইজেশন বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার আহমাদ জাওয়াদ।

তারা দুজনই তরুণ উদ্যোক্তাদের সহায়তা, দিকনির্দেশনা ও বাস্তব অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যমে আয়োজনের কাঠামো ও পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।

কামরুল ইসলাম বলেন, এই আয়োজন তরুণ উদ্যোক্তাদের সৃজনশীলতা ও নেতৃত্ব বিকাশে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। আজকের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের সফল উদ্যোক্তা ও দেশের অগ্রযাত্রার পথপ্রদর্শক হবে।

আহমাদ জাওয়াদ বলেন,বর্তমানে তরুণরা সীমাবদ্ধতায় আবদ্ধ থাকতে চায় না। তারা নিজেদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে চায় গণ্ডি পেরিয়ে। University Entrepreneur Award & Expo 2025 হবে সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়নের অনন্য এক প্ল্যাটফর্ম।”*

১৪ অক্টোবর ২০২৫ শান্তা মারিয়াম ইউনিভার্সিটি, ঢাকা আয়োজক:Lynovexa Limited ফাউন্ডার ও কনসেপ্ট ইনিশিয়েটর: সাদাত শাহ আল মুইজ, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, Lynovexa Limited ইভেন্ট পার্টনার: Bangladesh & Powered by Sales Machine সহযোগী প্রতিষ্ঠান: ইউএস-বাংলা গ্রুপ, পোলার আইসক্রিমসহ অন্যান্য স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান ।

প্রথম ধাপে দেশের ৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে, যা পরবর্তীতে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্প্রসারিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এই আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা শুধু উদ্যোক্তা ধারণার সঙ্গে পরিচিত হবেন না, বরং নিজেরা স্টার্টআপ উদ্যোগ তৈরি ও বাস্তবায়নেরও সুযোগ পাবেন।




ভোলায় নজরুল স্মৃতি সংঘে কবির আদর্শে তরুণদের প্রেরণা

মানবতার কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর লেখনীতে গেয়েছেন সাম্য, প্রেম, বিদ্রোহ ও মানবতার জয়গান। সেই চেতনা লালন করে ভোলাবাসী গড়ে তুলেছে “নজরুল স্মৃতি সংঘ”। চার দশকের বেশি সময় ধরে এ প্রতিষ্ঠানটি জেলার শিল্প-সাহিত্য চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করছে।

ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বিপরীতে অবস্থিত “নজরুল স্মৃতি সংঘ” প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৮ সালে। সমাজসেবা অধিদপ্তরে নিবন্ধিত এ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন (রেজি. নং-২৩৬/৭৮) মূলত তরুণ প্রজন্মকে কবি নজরুল ইসলামের সাহিত্য ও জীবনদর্শনে উদ্বুদ্ধ করার কাজ করছে।

সংগঠনের তত্ত্বাবধায়ক আলহাজ্ব মো. রাইসুল আলম জানান—
“জাতীয় কবি নজরুল ইসলামের নীতি-আদর্শকে শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে আমরা কাজ করছি। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে তরুণদের উদ্যোগেই এই সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়।”

এ সংঘ নিয়মিত সাহিত্য পাঠচক্র, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বৃক্ষরোপণ ও সামাজিক কর্মকাণ্ড আয়োজন করে থাকে। প্রতিবছর শীতকালে আয়োজন করা হয় “নজরুল স্মৃতি সংঘ ডে-নাইট ক্রিকেট টুর্নামেন্ট”। এ আয়োজনে ভোলার তরুণরা ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে অংশ নেয়।

কবি নজরুল ইসলামের সাহিত্যযাত্রায় ভোলার কৃতিসন্তান কবি মোজাম্মেল হকের অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর সম্পাদিত পত্রিকা মোসলেম ভারতবঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকায় নজরুলের প্রথম কবিতা ‘মুক্তি’ ও গল্প ‘হেনা’ প্রকাশিত হয়েছিল। সেই ঐতিহাসিক সম্পর্ক এখনো ভোলাবাসীর গর্বের বিষয়।

ভোলার শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ মো. জসিমউদ্দিন বলেন—
“ছাত্রজীবনে আমরা নজরুল স্মৃতি সংঘে কবির লেখা পড়ে বড় হয়েছি। নতুন প্রজন্মও এখানে এসে তাঁর চিন্তাধারায় সমৃদ্ধ হচ্ছে।”

সাংবাদিক মো. উমর ফারুক জানান—
“সরকারি সহায়তা পেলে নজরুল স্মৃতি সংঘকে পূর্ণাঙ্গ গবেষণাগারে রূপান্তর করা সম্ভব।”

ভোলা জেলা প্রশাসক মো. আজাদ জাহান বলেন—
“নজরুল স্মৃতি সংঘকে আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তরুণ প্রজন্মের কাছে কবির আদর্শ তুলে ধরা আমাদের দায়িত্ব।”

ভোলার এই নজরুল স্মৃতি সংঘ প্রমাণ করছে—জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম কেবল রাজধানী বা জাতীয় পরিসরেই নয়, বরং গ্রামীণ সমাজেও আজও সাম্য, মানবতা ও স্বাধীনতার প্রতীক হয়ে বেঁচে আছেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




একুশে পদক ২০২৫: প্রধান উপদেষ্টা দ্বারা সম্মানিত ১৮ বিশিষ্ট ব্যক্তি

জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি সম্মান ও কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে আজ একুশে পদক ২০২৫ প্রদান করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি পদক বিতরণ করেন। এবারের একুশে পদকপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য পুরস্কৃত ১৮ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।

এই বছর পদক প্রাপ্তরা হলেন:

  • চলচ্চিত্র: আজিজুর রহমান (মরণোত্তর),
  • সঙ্গীত: ওস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর), ফেরদৌস আরা,
  • আলোকচিত্র: নাসির আলী মামুন,
  • চিত্রকলা: রোকেয়া সুলতানা,
  • সাংবাদিকতা: মাহফুজ উল্লাহ (মরণোত্তর),
  • গবেষণা: মঈদুল হাসান,
  • শিক্ষা: ড. নিয়াজ জামান,
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: মেহদী হাসান খান (দলনেতা), রিফাত নবী (দলগত), মো. তানবিন ইসলাম সিয়াম (দলগত), শাবাব মুস্তাফা (দলগত),
  • সমাজসেবা: মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর),
  • ভাষা ও সাহিত্যে: হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর), শহীদুল জহির (মো. শহিদুল হক) (মরণোত্তর),
  • মানবাধিকার ও সাংবাদিকতা: মাহমুদুর রহমান,
  • সংস্কৃতি ও শিক্ষা: ড. শহিদুল আলম,
  • ক্রীড়া: বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।

প্রসঙ্গত, একুশে পদক ১৯৭৬ সাল থেকে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে প্রতিবছর দেওয়া হয়ে থাকে। এটি একটি জাতীয় সম্মান, যা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদানের জন্য দেশের গুণী ব্যক্তিত্বদের প্রদান করা হয়। একুশে পদক এক অনন্য জাতীয় সম্মান হিসেবে পরিচিত এবং এটি বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অংশ।

“মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম”




স্টলে হামলা, সব্যসাচীর বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বইমেলার সব্যসাচী প্রকাশনীর স্টলে নির্বাসিত লেখক তসলিমা নাসরিনের বই রাখার অভিযোগে একদল বিক্ষুব্ধ লোকের রোষানলে পড়েন শতাব্দী ভব নামে এক লেখক। পুলিশের সাহায্যে মেলা থেকে বের করে নেওয়া হয় তাকে। এ সময় প্রকাশ্যে লেখককে ক্ষমা চাইতে হয়। এর পরপরই সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হয় স্টলটি। বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ জানায়, সাময়িক বন্ধের পর স্টলটি খুলে দেওয়া হয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত টাস্কফোর্সের সভার পর নেওয়া হবে।

সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টায় সব্যসাচী স্টলে এই বিক্ষোভের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে।




পটুয়াখালীর চারটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী জেলার চারটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারী) সন্ধ্যায় পটুয়াখালী ইসলামী ফাউন্ডেশনের হলরুমে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়।

দলের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াযযম হোসাইন হেলাল প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন—

পটুয়াখালী-১ (সদর, মির্জাগঞ্জ, দুমকি): জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান

পটুয়াখালী-২ (বাউফল): ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও ঢাকা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ

পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা, দশমিনা): সাবেক জেলা আমির অধ্যাপক শাহ আলম

পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া, রাঙ্গাবালী): কলাপাড়া উপজেলা জামায়াতের আমির আব্দুল কাওয়ুম

মতবিনিময় সভায় বরিশাল মহানগর জামায়াতের আমির অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, জামায়াতের বরিশাল অঞ্চল টিম সদস্য মাওলানা একেএম ফখরুদ্দিন খান রাযী, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা মোশাররফ হোসেনসহ দলটির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান এবং সঞ্চালনা করেন জেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম আল কায়সারী।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় থাকলেও জামায়াতে ইসলামী সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। নির্বাচনে দলটির অংশগ্রহণ কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পুরস্কারপ্রাপ্তদের পেছনে দাঁড় করিয়ে ফটোসেশন নিয়ে ব্যাখ্যা দিলেন উপদেষ্টা ফারুকী

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্তদের পেছনে দাঁড় করিয়ে ফটোসেশন প্রসঙ্গে ব্যাখ্যা দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। ওই ছবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা হওয়ার পর আজ রবিবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক পোস্টে এ নিয়ে ব্যাখ্যা দেন তিনি।

তিনি তার ভেরিফায়েড একাউন্টে বলেন, ‘পুরস্কারপ্রাপ্ত গুণীজনদের গ্রুপ ফটোসেশন নিয়ে গতকাল থেকে নানারকম আলোচনা হচ্ছে। আপনারা সবাই জানেন সরকার বা পুরস্কার প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে স্টেজেই পুরস্কারপ্রাপ্তদের গ্রুপ ফটো সেশনের একটা রেওয়াজ চালু আছে। কিন্তু আমরা তো সংস্কার করতে আসা সরকার। আমাদের কেন রেয়াজ মানতে হবে?’

রবিবার মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, গ্রুপ ফটোসেশনের এই রেওয়াজ এ বছরের একুশে পদক প্রদান অনুষ্ঠান থেকে আর রাখা হবে না। গ্রুপ ফটোসেশন কোথায় কীভাবে হবে, এটা নিয়ে মন্ত্রণালয় কাজ করছে।’

বইমেলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি দিয়ে বানানো ডাস্টবিন নিয়েও সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এ প্রসঙ্গে পোস্টে কথা বলেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। তিনি তার পোস্টের দ্বিতীয় অংশে বলেন, ‘ছয় মাস হইলো, আমরা একটা খুনি-সাইকোপ্যাথের হাত থেকে মুক্তি পাইছি। জাস্ট ছয় মাস! যে খুনি শত শত মানুষকে গুম করিয়েছে, হাজার হাজার বিরোধীমতের মানুষকে খুন করিয়েছে, জুলাইতে একটা নারকীয় গণহত্যা চালিয়েছে, ইলিয়াস আলীকে গুমের পর হত্যা করে তার মেয়েকে জড়িয়ে ধরে নাটক করেছে, হেলিকপ্টার থেকে গুলি করিয়ে মানুষ মেরেছে- তার সঙ্গে শিষ্টাচার? হিটলারের সঙ্গে শিষ্টাচার? আর ইউ সিরিয়াস? সালাম দিয়ে বলতে হবে, ‘‘প্রিয় খুনি, আপনি আমার প্রণাম গ্রহণ করুন?’’

এরআগে গতকাল শনিবার বিকালে অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাত জনের হাতে এবারের বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার তুলে দেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। সে সময় উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। এক পর্যায়ে অতিথিদের পেছনে পুরস্কারপ্রাপ্তদের দাঁড় করিয়ে ফটোসেশন করা হয়।




বরগুনায় ভেঙে ফেলা হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু নৌকা জাদুঘর’

বরগুনায় অবস্থিত ‘বঙ্গবন্ধু নৌকা জাদুঘর’ শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালে ভেঙে ফেলা হয়েছে। ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর বরগুনা পৌর পুরানো গ্রন্থাগারটি ভেঙে নৌকা আদলে নির্মিত হয়েছিল এই জাদুঘর। তবে বিভিন্ন কারণের জন্য চার বছরের মধ্যে এটি ভেঙে ফেলা হলো।

এটি নির্মিত হয়েছিল নৌকা ও বাংলাদেশের উপকূলীয় ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচিত করার উদ্দেশ্যে। নৌকা জাদুঘরের গঠন ছিল ১৬৫ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৩০ ফুট প্রস্থের। ৭৫ ফুট উচ্চতা এবং ২৫ ফুট গলুই বিশিষ্ট এই জাদুঘরটি তৈরি করেছিলেন তৎকালীন বরগুনা জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ।

উদ্বোধনের সময় জাদুঘরের পাশে নৌকা গবেষণাকেন্দ্র, আধুনিক লাইব্রেরি, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নার, শিশুদের বিনোদনের জন্য রাইড, থিয়েটার, ক্যাফে সহ নানা প্রতিষ্ঠান নির্মাণের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। তবে উদ্বোধনের চার বছরেও সেগুলি বাস্তবায়ন হয়নি।

বরগুনা জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রেজবিউল কবির দাবি করেছেন, “এই জাদুঘরের নামে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে। স্থানীয় জনগণ এই প্রকল্পে ক্ষুব্ধ হয়ে এটি ভেঙে ফেলেছে।” তিনি আরও বলেন, “এখানে শহীদ জিয়া স্মৃতি পাঠাগার বানানো হোক।”

এ বিষয়ে স্থানীয় পর্যটন উদ্যোক্তা আরিফুর রহমান বলেন, “বরগুনা উপকূলীয় জেলা হওয়ায় নৌকা আমাদের ঐতিহ্য, তাই নাম পরিবর্তন করে হলেও নৌকা জাদুঘরটি টিকিয়ে রাখা উচিত ছিল।”

এদিকে, জেলা প্রশাসকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




পর্দা উঠছে এক ‘অন্য বইমেলার’

ফিরে দেখা ২০২৪ সমগ্র বাংলাদেশ বিশ্ব ক্রিকেট খেলা বাণিজ্য হ্যালো গ্লিটজ লাইফস্টাইল টেক সব খবর

বাংলাদেশ
পর্দা উঠছে এক ‘অন্য বইমেলার’
তুমুল গণআন্দোলনে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ঠিক ছয় মাসের মাথায় দ্বার খুলছে বইমেলার। এবার প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান বেড়েছে শতাধিক, বেড়েছে আয়তনও। সেইসঙ্গে মেলার রঙ, প্রতিপাদ্য আর দৃশ্যপটেও এসেছে পরিবর্তন। গণআন্দোলনের স্মরণে থাকছে ‘জুলাই
চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ এবার সেজেছে লাল-কালো আর সাদা রঙে; ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বিপ্লব, শোক আর আশার প্রদীপ।

ভাষার মাসের প্রথম দিন শনিবার সেখানে পর্দা উঠছে অমর একুশে বইমেলার, যেখানে ভাষা শহীদ, ভাষা সংগ্রামী ও মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের পাশাপাশি চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের শহীদদের প্রতিও শ্রদ্ধা আর স্মৃতি ধারণ করা হয়েছে।

তুমুল গণআন্দোলনে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ঠিক ছয় মাসের মাথায় দ্বার খুলছে বইমেলার। এবার প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান বেড়েছে শতাধিক, বেড়েছে আয়তনও। সেইসঙ্গে মেলার রঙ, প্রতিপাদ্য আর দৃশ্যপটেও এসেছে পরিবর্তন। আর গণআন্দোলনের স্মৃতি স্মরণে থাকছে ‘জুলাই চত্বর’।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস শনিবার বিকালে বইমেলা উদ্বোধন করবেন। ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান: নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ভাষার মাস জুড়ে চলবে মেলা।

শুক্রবার মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায়, স্টলগুলোর কাঠামো দাঁড়িয়ে গেলেও শেষ মুহূর্তে রঙ আর বইয়ের র‌্যাক তৈরিতে ব্যস্ত প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা। ভেসে আসছিল হাতুড়ি-পেরেকের ঠুকঠুক শব্দ।

মেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশকদের দ্রুত কাজ শেষ করার তাগাদা দিলেও অনেক প্রকাশক এখনও কাজ শেষ করতে পারেননি। বাংলা একাডেমির কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও দাপ্তরিক নানা কাজের পাশাপাশি ব্যস্ত বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সাজানো নিয়ে।

প্রকাশকরা বলছেন, একদিকে বই ছাপানোর ব্যস্ততা, অন্যদিকে মেলার মাঠে স্টল গোছানোর কাজ। সব মিলিয়ে তাদের এখন দম ফেলার ফুরসত নেই। কাঁটাবন, বাংলাবাজারের প্রেস থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মেলার মাঠে ছুটে বেড়াচ্ছেন বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থার কর্মীরা।

আগামী প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ওসমান গণি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “প্রতিবারই মেলায় সপ্তাহ-দশদিন আগে প্রকাশকদের স্টল বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এবার ২২ তারিখ আমরা স্টল পেয়েছি। মেলার মাঠে ঘুরে দেখেছি অনেকেই কাজ শেষ করে ফেলেছেন। আশা করি প্রথম দিন থেকেই এবার মেলা জমে উঠবে।”




বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারের নতুন তালিকা ঘোষণা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: স্থগিত তালিকা থেকে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২৪ এর নতুন তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন তালিকা অনুযায়ী কবিতায় পুরস্কার পাচ্ছেন মাসুদ খান, নাটক ও নাট্যসাহিত্যে শুভাশিস সিনহা, প্রবন্ধ/গদ্যে সলিমুল্লাহ খান, অনুবাদে জি এইচ হাবীব, গবেষণায় মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া, বিজ্ঞানে রেজাউর রহমান ও ফোকলোরে সৈয়দ জামিল আহমেদ।

গতকাল বুধবার রাতে অনুষ্ঠিত বাংলা একাডেমি নির্বাহী পরিষদের পুনর্বিবেচনা-সভায় স্থগিতকৃত পুরস্কৃত লেখক তালিকা থেকে এই নতুন তালিকা ঘোষণা করা হয়।

পুরাতন তালিকা থেকে শিশুসাহিত্য ক্যাটাগরিতে বাদ পড়লো ফারুক নওয়াজ ও মুক্তিযুদ্ধ ক্যাটাগরিতে বাদ পড়লো ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে চিহ্নিত মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে রচিত ‘বঙ্গবন্ধুর পোশাক’, ‘শেখ হাসিনার শাসনামল (প্রথম খন্ড) (১৯৯৬-২০০১)’, ‘শতাব্দীর বঙ্গবন্ধু’, ‘বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী-একটি তুলনামূলক আলোচনা’, ‘বঙ্গবন্ধু -মুক্তিযুদ্ধ’ বইগুলোর লেখক মোহাম্মদ হান্নান।

উল্লেখ্য, ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার নীতিমালা’র চতুর্থ অধ্যায়, নবম ধারা অনুযায়ী নির্বাহী পরিষদ নতুন কাউকে পুরস্কারের জন্য বিবেচনা করতে পারবেন না এবং দশম ধারা অনুযায়ী সুপারিশকৃত কোনো নাম বিবেচনা না করার ক্ষমতা ‘বাংলা একাডেমি নির্বাহী পরিষদ’ সংরক্ষণ করে।




“পর্দা যেখানে নেই, সেখানে রহমতও নেই: ছারছীনার পীর”

আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুফতি শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমাদ হুসাইন (মা.জি.আ.) সম্প্রতি একটি ওয়াজ মাহফিলে বলেন, “মহান আল্লাহতায়ালা আমাদের উপর কিছু ফরজ বিধান আরোপ করেছেন, তার মধ্যে পর্দা অন্যতম।” তিনি আরও বলেন, “বর্তমানে আমাদের সমাজে পর্দার বিধান প্রায় অবহেলিত, অথচ এটি প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ ও নারীদের জন্য ফরজ।”

মাহফিলে উপস্থিত শ্রোতাদের উদ্দেশে হযরত মাওলানা আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমাদ হুসাইন বলেন, “পর্দা পালন করার মাধ্যমে সমাজে আল্লাহর রহমত বর্ষিত হয় এবং সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। পর্দার বিধান পালনে জেনা, ব্যাভিচার, ধর্ষণসহ মারাত্মক অপরাধ থেকে জাতি মুক্তি পাবে।”

তিনি মঙ্গলবার রাতে বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলাধীন তালতলী সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে ছারছীনা শরীফের মরহুম পীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ (রহঃ) এর স্মরণে আয়োজিত ঈছালে ছওয়াব ওয়াজ মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখছিলেন।

এছাড়া, মাহফিলে আরও আলোচনা করেন বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সিনিয়র নায়েবে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু বকর মোহাম্মদ ছালেহ নেছারুল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোঃ হেমায়েত বিন তৈয়্যেব, ছারছীনা দারুচ্ছুন্নাত জামেয়া-এ-নেছারিয়া দ্বিনীয়ার মুফতী মাওলানা মোঃ হায়দার হুসাইন এবং মুহাদ্দিস মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ আল মাহমুদ।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম