এক সঙ্গে তিন ছেলে, দুশ্চিন্তায় দিনমজুর বাবা

একদিকে নতুন প্রাণের আগমনে খুশি, অন্যদিকে সংসারের ব্যয় সামলাতে দুশ্চিন্তায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের এক গরিব দম্পতি। দিনমজুর অলি মিয়ার স্ত্রী হাছেনা বেগম একসঙ্গে তিনটি পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। আগেই তাদের তিন ছেলে রয়েছে।

রবিবার (২৯ জুন) রাতে কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব শহরের হলিটাচ মেডিকেল কেয়ার অ্যান্ড হাসপাতালে সফল সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে হাছেনা বেগম (৩২) তিন নবজাতকের জন্ম দেন। চিকিৎসকরা জানান, মা ও সন্তানরা সুস্থ রয়েছেন।

হাসপাতালের গাইনি বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. শফিকুল ইসলাম বলেন, “সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে নিরাপদে প্রসব করানো হয়েছে। মা ও তিন নবজাতক সবাই ভালো আছেন।”

হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফয়জুল আলম জানান, “একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম আমাদের হাসপাতালের জন্যও একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা। আমরা তাদের যতটা সম্ভব সহযোগিতা করছি।”

তবে খুশির পাশাপাশি দুশ্চিন্তাও ঘিরে ধরেছে পরিবারটিকে। পেশায় দিনমজুর অলি মিয়া বলেন, “একদিকে আনন্দ, কিন্তু অন্যদিকে চিন্তা থামছে না। আগে থেকেই তিন সন্তান, এখন নতুন করে আরও তিন জন। দিন আনি দিন খাই, খরচ সামলানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে।”

হাছেনার শাশুড়ি আওলিয়া বেগম বলেন, “আল্লাহর রহমতে তিন নাতি পেয়েছি। চিকিৎসকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। তবে আমার ছেলে অন্যের বাড়িতে খেটে সংসার চালায়। এখন তার কাঁধে চাপ আরও বেড়ে গেল।”

স্থানীয় প্রশাসন কিংবা সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা পেলে এই দরিদ্র পরিবারের মুখে কিছুটা হলেও হাসি ফোটতে পারে—এমনটাই প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম




আরও কমলো এলপিজির দাম, ১২ কেজি সিলিন্ডার এখন ১৩৬৪ টাকা

তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম ভোক্তা পর্যায়ে আরও এক দফা কমিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। জুলাই মাসের জন্য ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩৯ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৩৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার বিকেলে বিইআরসির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থার চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ নতুন দাম ঘোষণা করেন। ঘোষণার পর আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকেই নতুন দর কার্যকর হয়েছে।

এলপিজির মূল্য নির্ধারণে বিইআরসি সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান আরামকোর ঘোষিত সৌদি কার্গো মূল্য (সৌদি সিপি) অনুসরণ করে। জুলাই মাসের জন্য আরামকো প্রোপেনের দাম নির্ধারণ করেছে ৬০০ ডলার ও বিউটেনের দাম ৫৭০ ডলার প্রতি মেট্রিক টনে। বিইআরসি প্রোপেন ও বিউটেনের অনুপাত ৩৫:৬৫ ধরে গড় মূল্য নির্ধারণ করেছে ৫৮০.৫০ ডলার প্রতি মেট্রিক টন, যা ভিত্তি করে চলতি মাসের দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

১২ কেজির সিলিন্ডার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় গৃহস্থালির কাজে। তবে অনেক সময় বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি না বিক্রির অভিযোগও পাওয়া যায়।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। প্রোপেন ও বিউটেন আমদানি, ডলারের বিনিময় হার এবং অন্যান্য খরচ বিবেচনায় নিয়ে মাসিক ভিত্তিতে দাম হালনাগাদ করা হয়।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




স্বর্ণের বাজারে উর্ধ্বগতি, বেড়েছে ভরিপ্রতি দাম

 

দেশের স্বর্ণ বাজারে কয়েক দফা দরপতনের পর অবশেষে আবারও দাম বাড়ানো হয়েছে। নতুন দামে ২২ ক্যারেট মানের স্বর্ণের প্রতি ভরি এখন বিক্রি হবে ১ লাখ ৭২ হাজার ১২৬ টাকায়— যা আগের চেয়ে ১ হাজার ৮৯০ টাকা বেশি।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) মঙ্গলবার (১ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নতুন এই দাম নির্ধারণের কথা জানায়। আগামীকাল বুধবার (২ জুলাই) থেকে নতুন মূল্য কার্যকর হবে বলে নিশ্চিত করেছে বাজুস কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, বিশ্ববাজারে কিছুটা মূল্য হ্রাস পেলেও দেশের বাজারে চাহিদা ও পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী:
🔸 ২২ ক্যারেট: প্রতি ভরি ১,৭২,১২৬ টাকা
🔸 ২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি ১,৬৪,২৯৯ টাকা
🔸 ১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি ১,৪০,৮৩১ টাকা
🔸 সনাতন পদ্ধতি: প্রতি ভরি ১,১৬,৪৮৮ টাকা

এর আগে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৭০ হাজার ২৩৬ টাকা।

অন্যদিকে, রুপার দামে কোনো পরিবর্তন হয়নি। আগের মতোই রুপার দাম রয়েছে অপরিবর্তিত—

রুপার বর্তমান দাম:
🔹 ২২ ক্যারেট: ২,৫৭৮ টাকা
🔹 ২১ ক্যারেট: ২,৪৪৯ টাকা
🔹 ১৮ ক্যারেট: ২,১১১ টাকা
🔹 সনাতন পদ্ধতি: ১,৫৮৬ টাকা

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজারে চাহিদা ও আন্তর্জাতিক মূল্যের ওঠানামার প্রভাবেই এই সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /

 




আমতলীতে সরকারি বীজের কৃত্রিম সংকট ও অতিরিক্ত দাম, কৃষকের ক্ষোভ

আমন মৌসুমের শুরুতেই বরগুনার আমতলী উপজেলায় ধানবীজের কৃত্রিম সংকট ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। কৃষকরা বলছেন, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ৮০ টাকা বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে ১০ কেজির বীজ বস্তা। এতে ক্ষোভে ফুঁসছে উপজেলার হাজারো কৃষক।

সরকার নির্ধারিত মূল্য ৬৭০ টাকা হলেও বাজারে এই বীজ বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকায়। অভিযোগের তীর উত্তর সোনাখালী এলাকার ডিলার মো. মধু প্যাদার দিকে। স্থানীয়রা বলছেন, তিনি বরিশালের জননী ট্রেডার্সের মালিক ফরিদ মিয়ার কাছ থেকে অনুমোদনহীনভাবে প্রায় ৬০ মেট্রিক টন বীজ এনে নিজের গোডাউনে মজুত করে তা আমতলী, তালতলী, কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালীতে বেশি দামে সরবরাহ করছেন।

রায়বালা গ্রামের কৃষক জুয়েল হাওলাদার বলেন, “বিআর-২৩ জাতের ১০ কেজির বীজ কিনেছি ৭৫০ টাকায়।”
আড়পাঙ্গাশিয়ার আফজাল হোসেন শরীফের ভাষায়, “মধু প্যাদা বাজারে সিন্ডিকেট করে রেখেছে, সাধারণ কৃষকের কষ্টের কোনো দাম নেই।”
অন্যদিকে, কাউনিয়ার নজরুল ইসলাম বলেন, “কয়েকটা দোকান ঘুরেও বীজ পাইনি, খালি হাতে ফিরেছি।”

চলতি মৌসুমে আমতলীতে ২৩ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে প্রয়োজন প্রায় ৫৮০ মেট্রিক টন বীজ। অথচ বিএডিসি সরবরাহ করেছে মাত্র ৫৫ মেট্রিক টন।

ডিলার হুমায়ুন ঢালী বলেন, “মধু প্যাদা অনুমোদনহীনভাবে বীজ এনে মুদি দোকান ও কসমেটিকস দোকানেও বিক্রি করছেন। আমরা ডিলার হয়েও লোকসানে বীজ দিচ্ছি।”

মধু প্যাদা বলেন, “সরকারি বরাদ্দ মাত্র ৪ মেট্রিক টন। চাহিদা মেটাতে ফরিদ মিয়ার কাছ থেকে বীজ এনেছি। বিষয়টি কর্মকর্তারাও জানেন।”

বরিশালের ফরিদ মিয়া বলেন, “আমি ব্যবসায়িক স্বার্থে অনেক বীজ দিয়েছি, সব তথ্য প্রকাশ করা যাবে না।”

আমতলী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাসেল মিয়া বলেন, “বেশি দামে বীজ বিক্রি করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে একজন ডিলারের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।”

তবে বরিশাল বিএডিসির উপ-পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে বলেন, “বাইরে থেকে বীজ কিনলে সমস্যা কী? এত বাড়াবাড়ি করছেন কেন?”

এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রোকনুজ্জামান খান বলেন, “যারা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত দামে বীজ বিক্রি করছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

কৃষকদের আশঙ্কা, সংকট নিরসন না হলে এবারের আমন মৌসুমে উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে। এজন্য দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ও বাজার নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছেন তারা।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /

 




ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঝালকাঠি পৌরসভার সচেতনতামূলক কর্মসূচি উদ্বোধন

বাঁচতে হলে জানতে হবে, ডেঙ্গু কীভাবে এড়াতে হবে’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যাপক সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালু করেছে ঝালকাঠি পৌরসভা।
রোববার (২৯ জুন) সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মো. আশরাফুল রহমান।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায়, পৌরসভার প্রশাসক কাওছার হোসেন, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান শাহরিয়ার এবং অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলাম।

কর্মসূচির আওতায় পৌর এলাকার নয়টি ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করছে পৌরসভার কর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় নয়টি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। পাশাপাশি বাসিন্দাদের মাঝে লিফলেট বিতরণ, সচেতনতামূলক প্রচার, এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

ডেঙ্গুবিরোধী এই সচেতনতামূলক অভিযানে অংশ নিয়েছে—

  • ঝালকাঠি সিটি ক্লাব
  • বিডি ক্লিন
  • ক্লিন রিভার
  • ইয়ুথ অ্যাকশন সোসাইটি
  • ভিবিডি
  • রেড ক্রিসেন্ট
  • রোভার স্কাউট
  • গার্ল ইন রোভার
    সহ আরও কয়েকটি সংগঠনের তিন শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক

এই কর্মসূচিতে স্বেচ্ছাসেবীরা প্রত্যেক ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানাচ্ছেন। তারা স্থানীয়দের বুঝিয়ে দিচ্ছেন—ডেঙ্গু প্রতিরোধে কোন পরিবেশ এডিস মশার জন্য উপযোগী এবং কীভাবে তা ধ্বংস করা যায়।

পৌর প্রশাসক কাওছার হোসেন জানান,

“এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ডেঙ্গু বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। আমরা শুধু একটি দিনের কর্মসূচি চালাচ্ছি না, বরং এই অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।”

পৌরসভা আশাবাদী, জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা রোধ সম্ভব হবে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫

 




বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তার, হাসপাতালগুলোতে শয্যা সংকট

বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। গত এক মাসের বেশি সময় ধরে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে, কিন্তু স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামো সেই তুলনায় অপ্রস্তুতই থেকে গেছে। শয্যার সংকট, টেস্ট সুবিধার অভাব ও চিকিৎসাসেবার সীমাবদ্ধতায় ভুগছে রোগী ও স্বজনরা।

শনিবার (২৮ জুন) সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগে নতুন করে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৪১ জন। এর মধ্যে ৬৮ জনই বরগুনা জেলার। এ নিয়ে বিভাগে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৪৪৬ জন। এর মধ্যে বরগুনা জেলাতেই আক্রান্ত ২ হাজার ৭০০ জন, যা পরিস্থিতির ভয়াবহতা স্পষ্ট করে তুলেছে।

শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৬০০ ছাড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এখানে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে, যা চলতি মৌসুমে মৃত্যুর সংখ্যা ৫ জনে পৌঁছেছে। রোগীদের অভিযোগ, এখনো ডেঙ্গু টেস্ট করাতে হচ্ছে বাইরে থেকে, যদিও স্যালাইন সরবরাহ কিছুটা স্বাভাবিক। হাসপাতালজুড়ে শয্যা সংকট এতটাই প্রকট, যে অনেক রোগী মেঝে, করিডর ও সিঁড়ির পাশে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

বরগুনা জেলা হাসপাতালে বর্তমানে ভর্তি রয়েছেন ১৫৪ জন রোগী। নতুন ভর্তি ৭৬ জনমোট আক্রান্ত ২৮৫৫ জন। হাসপাতালের সাধারণ ওয়ার্ডে আর জায়গা নেই। অনেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন নিজ নিজ বাড়িতে, অবস্থার অবনতি হলে গন্তব্য বরিশাল বা ঢাকা।

পটুয়াখালীতে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৪ জন নতুন আক্রান্ত। মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সর্বাধিক আক্রান্ত, সেখানে ২৮ জন ভর্তি। তবে জেলার কোথাও পৃথক ডেঙ্গু ওয়ার্ড নেই। চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে মেডিসিন ও শিশু ওয়ার্ডে। এ পর্যন্ত ৫৯৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

  • বরিশাল সদর হাসপাতালে নতুন ভর্তি: ১০ জন
  • পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে: ১৬ জন
  • ভোলা: ৩ জন
  • পিরোজপুর: ৯ জন
  • ঝালকাঠি: নতুন কেউ ভর্তি হয়নি

বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে বর্তমানে ৪৫৪ জন রোগী চিকিৎসাধীন। তারা স্বীকার করেছে, অব্যবস্থাপনা এবং চিকিৎসা সুবিধার ঘাটতির কারণে রোগীদের ভোগান্তি বাড়ছে।

ডেঙ্গু পরিস্থিতির ভয়াবহতা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। সময়মতো ডায়াগনোসিস ও চিকিৎসা নিশ্চিত না হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এখনই পৃথক ডেঙ্গু ওয়ার্ড স্থাপন, পর্যাপ্ত বেড ও মেডিকেল সরঞ্জাম সরবরাহ, এবং টেস্ট সুবিধা বিনামূল্যে নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫

 




প্রবাসে বসে এনআইডি পেতে ৪৭ হাজার বাংলাদেশির আবেদন

বিদেশে অবস্থান করেও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পেতে আগ্রহ দেখিয়েছেন প্রায় ৪৭ হাজার বাংলাদেশি প্রবাসী। নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, বিশ্বের ৯টি দেশে শুরু হওয়া ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রমে ইতোমধ্যে এই বিপুল সংখ্যক আবেদন জমা পড়েছে।

নির্বাচন কমিশনের প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন বিষয়ক একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৯টি দেশের ১৬টি স্টেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ দূতাবাসের সহায়তায় প্রবাসীদের এনআইডি প্রদানের কাজ চলছে। এ পর্যন্ত ৪৬ হাজার ৯৮২টি আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে ২০ হাজার ২৬৬ জনের আবেদন তদন্ত শেষে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ২২ হাজার ৫৭৫টি আবেদন এখনো তদন্তাধীন, এবং ৪৯৫টি আবেদন অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত আঙ্গুলের ছাপ ও ছবি নেওয়া হয়েছে ২৫ হাজার ৫৫০ জন প্রবাসীর। আবেদন বাতিল হয়েছে ৩ হাজার ৬৪৬টি। সবচেয়ে বেশি আবেদন এসেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে—মোট ১৯ হাজার ৫৬২টি। সবচেয়ে কম আবেদন জমা পড়েছে অস্ট্রেলিয়া থেকে, মাত্র ১৫৩টি।

জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ূন কবীর জানান, আগামী ১৫ জুলাই থেকে জাপানেও ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হবে। পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকা ও যুক্তরাষ্ট্রেও কার্যক্রম শুরুর প্রস্তুতি চলছে।

বর্তমানে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, যুক্তরাজ্য, ইতালি, কুয়েত, কাতার, মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও কানাডায় এই কার্যক্রম চালু রয়েছে। লক্ষ্য হচ্ছে, বিশ্বের প্রায় ৪০টি দেশে অবস্থানরত প্রায় দেড় কোটির বেশি বাংলাদেশিকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়া।

এদিকে, দেশের অভ্যন্তরে হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৩৭ লাখ ৩২ হাজার ২৭৪ জন। চলতি বছর নতুনভাবে ৬০ লাখের বেশি ভোটারকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে, যা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




ঝালকাঠিতে মৌসুমে চালের দাম বেড়ে বিপাকে ভোক্তা

বোরো ধানের ভরা মৌসুমেও ঝালকাঠিতে হঠাৎ করে চালের দাম বেড়ে গেছে। বাজারে কোনো দৃশ্যমান সংকট না থাকলেও মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে বিভিন্ন মানের চালের দাম কেজিতে ৪ থেকে ৭ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এতে করে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের পরিবারগুলো।

স্থানীয় খুচরা ও পাইকারি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ২৫ কেজির প্রতি বস্তায় চালের দাম বেড়েছে প্রায় ১০০ টাকা পর্যন্ত। মোটা চাল যেমন বুলেট ও গুটি স্বর্ণা বিক্রি হচ্ছে ৫২ থেকে ৬০ টাকা দরে, মাঝারি মানের পাইজাম ও বালাম ৬০ থেকে ৬৭ টাকায় এবং মিনিকেটের মতো সরু চাল বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮৫ টাকায়। অথচ এক সপ্তাহ আগেও এগুলোর দাম ছিল তুলনামূলকভাবে অনেক কম।

চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় ভোক্তাদের পাশাপাশি ক্ষুদ্র চাল ব্যবসায়ীরাও পড়েছেন বিপাকে। উত্তরবঙ্গের চাতালগুলো থেকে ঝালকাঠিতে চালের বড় একটি অংশ সরবরাহ হয়ে থাকে। কিন্তু সম্প্রতি বৈরী আবহাওয়ার কারণে ওইসব অঞ্চলে ধান সঠিকভাবে শুকানো যাচ্ছে না, ফলে উৎপাদন ও সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটছে।

এছাড়া বড় কর্পোরেট কোম্পানিগুলোর চাল মজুদের প্রবণতাও বাজারে সংকট সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মোকাম থেকে অধিক পরিমাণ চাল কিনে সংরক্ষণ করায় সাধারণ বাজারে সরবরাহ কমে গেছে। এই কৃত্রিম সংকটেই মূলত চালের দাম বাড়ার মূল কারণ হিসেবে দেখছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

অন্যদিকে, ভোক্তারা বলছেন, বাজারে নিয়মিত তদারকি না থাকায় চালের দামে এমন উর্ধ্বগতি রোধ করা যাচ্ছে না। তাদের আশঙ্কা, সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বরগুনা ডেঙ্গুর হটস্পটে পরিণত, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৯৩ জন

উপকূলীয় জেলা বরগুনায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব থাকলেও বরগুনা এখন একপ্রকার হটস্পটে পরিণত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ জুন) দুপুরে সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, হাসপাতালজুড়ে রোগীর উপচে পড়া ভিড়, শয্যা সংকট এবং চিকিৎসাসেবায় চরম দুর্ভোগ।

স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ধস, মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন রোগীরা

বরগুনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালসহ জেলার অন্যান্য হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীর চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা। শয্যার সংকটে অনেক রোগী বারান্দা ও করিডোরে বিছানা পেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন। নারীদের ও শিশুদের ওয়ার্ডেও একই চিত্র।

২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৯৩, মৃত্যুও বাড়ছে

সিভিল সার্জন অফিসের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বরগুনায় নতুন করে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৩ জন। এর মধ্যে বরগুনা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮০ জন এবং বাকি ১৩ জন জেলার অন্যান্য হাসপাতালে।
উপজেলা ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী:

  • আমতলী: ১ জন
  • বেতাগী: ২ জন
  • বামনা: ৬ জন
  • পাথরঘাটা: ৪ জন

বর্তমানে বরগুনার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ২৪২ জন। এ বছর জানুয়ারি থেকে ১১ জুন পর্যন্ত জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২,৪৯৫ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২,২৫৩ জন।

সরকারি হিসেবে বরগুনা সদর হাসপাতালে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা ৬ জন। তবে বেসরকারিভাবে জানা গেছে, বরগুনা সদর উপজেলার অন্তত ১৬ জন রোগী বরিশাল ও ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

সংকটে চিকিৎসাসেবা, সচেতনতার তাগিদ

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রেজোয়ানুর আলম বলেন, “চিকিৎসক ও নার্সরা নিরলসভাবে কাজ করছেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় চিকিৎসা উপকরণ দ্রুত সরবরাহ না হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।”

বরগুনার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ জানান, “ডেঙ্গু রোগী প্রতিদিনই বাড়ছে। স্থানীয়দের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। মশার উৎসস্থল ধ্বংস, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও নিয়মিত মশক নিধন কার্যক্রম ছাড়া এই সংকট মোকাবিলা সম্ভব নয়।”

তিনি আরও জানান, সংকট মোকাবেলায় ইতিমধ্যে ২৫০ শয্যার হাসপাতালে ৮ জন চিকিৎসক ও ১০ জন নার্স পদায়ন করা হয়েছে। স্যালাইন ও রক্ত পরীক্ষার কিট সরবরাহে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

উপসংহার

ডেঙ্গুতে বরগুনার বিপর্যস্ত চিত্র স্বাস্থ্যখাতের চরম দুর্বলতাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে। দ্রুত সচেতনতা, জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি এবং পর্যাপ্ত চিকিৎসা সরঞ্জামের সংস্থান না হলে এই হটস্পট আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




গঙ্গামতি চর: কুয়াকাটার বুকে এক নিসর্গের জাদুকাব্য

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতের মাত্র ১০ কিলোমিটার পূর্বে বিস্তৃত গঙ্গামতি চর—একটি স্থান যেখানে সমুদ্রের গর্জন, লেকের শান্ত জলরাশি আর সবুজ বন মিলে সৃষ্টি করেছে এক অপার্থিব সৌন্দর্য। প্রকৃতিপ্রেমী আর ভ্রমণপিপাসুদের কাছে দিনদিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এই চর, যেখানে প্রতিটি সকাল শুরু হয় সূর্যের স্নিগ্ধ আলো আর কাঁকড়ার রঙিন নৃত্যে।

সূর্যোদয়ে রঙিন এক নাট্যাভিনয়

গঙ্গামতির লালচে বেলাভূমিতে ভোরের আলো পড়তেই শুরু হয় কাঁকড়ার দৌড়ঝাঁপ। সূর্যোদয়ের মুহূর্তগুলো যেন ক্যানভাসে আঁকা কোনো শিল্পকর্ম। এই দৃশ্য দেখে পল্লীকবি জসিমউদ্দিনের কবিতার মাঠগুলো মনে পড়ে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়।

বনজীবনের জীবন্ত নিদর্শন

চরজুড়ে বিস্তৃত কেওড়া, গেওয়া, বাইন ও ছইলার বনে নানা ধরনের বন্যপ্রাণীর বিচরণ পর্যটকদের মুগ্ধ করে। এখানে পাখির কলতান, বানরের লাফালাফি, শেয়ালের নিঃশব্দ পথচলা আর বুনো শুকরের মাটির নিচে কন্দ খোঁজার দৃশ্য সবই যেন প্রকৃতির নিজ হাতে আঁকা একটি ভ্রাম্যমাণ জাদুঘর।

লেকের হৃদয়স্পর্শী সৌন্দর্য

গঙ্গামতির লেক যেন চরটির প্রাণ। জোয়ার-ভাটার প্রভাবে প্রতিনিয়ত এর রূপ বদলায়। পর্যটকরা ট্রলার, ডিঙি নৌকা কিংবা হেঁটে এই লেক আর আশপাশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করেন। ভাটার সময় গাছ থেকে ঝরে পড়া পাতা ও ফুল মিলে তৈরি করে অনন্য এক প্রাকৃতিক শিল্প।

যাতায়াতে সহজতা, অথচ উন্নয়ন নেই

কুয়াকাটা জিরোপয়েন্ট থেকে সহজেই মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, অথবা ভ্যানে গঙ্গামতিতে যাওয়া যায়। ভাটার সময় যাওয়া যায় মাইক্রোবাসেও। তবুও পর্যটন সুযোগ-সুবিধার অভাবে এই চর এখনও অবহেলিত। নেই পর্যাপ্ত সড়ক উন্নয়ন, নিরাপত্তা কিংবা পরিচ্ছন্নতা।

ঢাকা থেকে আসা পর্যটক দম্পতি সাদমান ও সিলভি বলেন, “এটা যেন এক অন্য জগৎ। লেক, বন আর কাঁকড়া মিলিয়ে অভিজ্ঞতাটা ছিল অসাধারণ।”

ঘুমিয়ে থাকা সম্ভাবনার গন্তব্য

স্থানীয়দের মতে, সরকারি উদ্যোগ ও বিনিয়োগের অভাবে গঙ্গামতির সম্ভাবনা এখনও অচর্চিত। যদিও কিছু হাউজিং কোম্পানি ইতোমধ্যে এখানকার জমিতে বিনিয়োগ শুরু করেছে এবং আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র গড়ার পরিকল্পনা করছে। এখানে সাগরভাঙনের ঝুঁকি কম, ভূমির স্বাভাবিক ভারসাম্যও অনেক বেশি—সব মিলিয়ে পরিকল্পিত উন্নয়নের জন্য এটি একটি আদর্শ স্থান।

উপসংহার

গঙ্গামতি শুধু একটি চর নয়—এটি ভবিষ্যতের এক সম্ভাবনাময়, টেকসই, পরিবেশবান্ধব আন্তর্জাতিক পর্যটন কেন্দ্র হতে পারে। দরকার শুধু দৃষ্টি প্রসারিত করা, পরিকল্পনা গ্রহণ এবং আন্তরিক সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫