পটুয়াখালীতে বাড়ছে গোলপাতার গুড়ের কদর

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): জেলার কলাপাড়া উপজেলার মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামে দেখা মিলল ৯৪ বছর বয়সি হোসেন আলী মুন্সির। তার বাড়ি সংলগ্ন বেড়িবাঁধের বাইরে গোল গাছের সারি।

জানালেন ব্রিটিশ আমল থেকেই গোল চাষের সঙ্গে যুক্ত আছেন তিনি। গাছ থেকে আহরণ করেন গোলের রস। সে রস থেকে তৈরি হয় সুস্বাদু গুড়। খেজুর রস বা আখের রস থেকে গুড় উৎপাদনের খবর সবার জানা থাকলেও গোলের গুড় সম্পর্কে অনেকেরই জানা নেই। কিন্তু সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলে গোল পাতার গাছ থেকে গুড় তৈরি হওয়ার ব্যাপারটি বেশ পুরোনো। পটুয়াখালী বা এর আশপাশের অঞ্চলে এই গুড় বহুল পরিচিত।

গোল গুড় তৈরির প্রক্রিয়া অনেকটা খেজুর গুড় তৈরির মতোই। ভাদ্র-আশ্বিন মাসে গোল গাছ পরিষ্কার করে ছড়া (গাছের যে অংশে ফল ধরে) নিচু করে বেঁধে দিতে হয়। এরপর আরও দেড় মাস ছড়া প্রতিদিন ঘষে ঘষে আরও নিচু করে দিতে হয়। কারণ ছড়া যত নিচু হবে রস আহরণে তত সুবিধা। অগ্রহায়ণ মাসের শেষের দিকে রস আহরণের সুবিধার্থে টানা ৭-৮ দিন দিনে দুই বেলা করে ছড়া কেটে দিতে হয়। এরপর ছড়ায় রস আসতে শুরু করে। কেটে দেওয়া প্রতিটি ছড়ায় পাত্র বেঁধে দেওয়া হয়। এক-একটি ছড়া থেকে আধা কেজি থেকে এক কেজি পর্যন্ত রস পাওয়া যায়। লবণাক্ত মাটিতে জন্মানো সত্ত্বেও গোল গাছের রস অন্য যেকোনো রসের চেয়ে বেশি ঘন আর মিষ্টি। রোজ সকালে গাছ থেকে রস সংগ্রহ করেন চাষিরা। বাড়িতে রস জ্বাল দেওয়া হয়। রস জ্বাল দেওয়া বিশেষ পাত্রের নাম ডোঙ্গা। সেই ডোঙ্গায় ৪-৫ কেজি রস জ্বাল দিলে এক কেজি গুড় পাওয়া যায়।

এই এলাকায় বর্ষীয়ান গুড় চাষিদের একজন হোসেন আলী মুন্সি। তিনি নামেও মুন্সি আর কাজেও রেখেছেন মুন্সিয়ানার ছাপ। তার কাছ থেকে জানা গেল, গোল চাষ করতে প্রচুর লবণাক্ত পানি লাগে। পানি বেশি পেলে রস ভালো হয়। তার মতো অনেক বর্ষীয়ান গুড় চাষির হাত ধরেই গোল গুড়ের খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। গুড় বিক্রি করে চলে তাদের সংসার। তার দেখাদেখি তার ভাই, তার ছেলে-মেয়েরাসহ আশপাশের অনেকেই গুড় চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

নিজের তৈরি করা গুড় নিয়ে কারিগর হোসেন আলী মুন্সি বলেন, ‘আমাগো গুড়ে কোনো ভেজাল নাই। আগে বাজারে লইয়া যাইতাম, এহন বাড়ি আইয়া মাইনসে গুড় কিন্যা লইয়া যায়। এ বছর ১৮০-২০০ টাকা দরে গুড় বেচতাছি। আমার ২০ কানি বাগান, যে রস পাই হেয়াতে প্রতিদিন ৫-৬ কেজি গুড় হয়। এইয়া দিয়াই সংসার চলে।’

গোল চাষের সীমাবদ্ধতা আছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে হোসেন আলী মুন্সি বলেন, ‘আগে খালগুলা ছাড়া আছেলে এহন জায়গায় জায়গায় বান দিয়া পানি চলাচল বন্ধ কইরা ফালাইছে। অনেক জায়গায় খাল ভরাট হইয়া গেছে। ক্ষেতে ঠিকমতো পানি আয়ে না। হের লইগ্যা সেচ দেওয়া লাগে। সেচ দেতে অনেক খরচ হইয়া যায়। সরকার যদি এদিক নজর দেতে হেইলে আমাগো অনেক সুবিধা হইতো।’

জানা যায়, কলাপাড়া, রাঙ্গাবালী ও গলাচিপা উপজেলার প্রায় ১০টি ইউনিয়নে হয় গোলের চাষ। বর্তমানে মিঠাগঞ্জে শতাধিক পরিবার গোল চাষের সঙ্গে সম্পৃক্ত। গোল গাছ থেকে শুধু রস বা গুড়ই নয়, গোলপাতা ঘরের ছাউনি বা বেড়া তৈরিতে লাগে। গোলপাতা বিক্রি করে বাড়তি আয় করেন চাষিরা। এ ছাড়া গোল ফল বা গাবনা তালের শাঁসের মতো খাওয়া যায় এবং এর অবশিষ্টাংশ জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। পানি প্রবাহ ঠিক রাখাসহ সরকারের তরফ থেকে বীজের সুবিধা পেলে এসব এলাকায় গোল চাষ আরও ত্বরান্বিত হবে।

একই এলাকার গোল গুড় উৎপাদক সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা যে গুড় বানাই তাতে কোনো ভেজাল নাই। গুড় বানাইতে কোনো কেমিক্যাল দেই না। এই গুড়ের স্বাদ অন্য গুড়ের চেয়ে ভিন্ন। এই গুড়ের কারণে আমাগো এলাকায় অনেক মানুষ আসে। খাঁটি গুড়, এহন অনলাইনেই কাস্টমার বেশি।’

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, গোল গাছ লবণাক্ত পানিতে হয়। তাই এই গুড় কিছুটা নোনা এবং খনিজ উপাদানে ভরপুর। গোল চাষ সম্প্রসারণে উপকূলীয় অঞ্চলে নদী তীরে ১০ লাখ চারা রোপণের উদ্যোগ নিয়েছে বন বিভাগ।




জিরা ভেজানো পানি পান করলে ত্বকের যে ৫ উপকার হয়




বইয়ের ভেতরে মিলল ২ কেজি গাঁজা, ডিবির জালে আটক ৩

মো: আল-আমিন (পটুয়াখালী): পটুয়াখালীর জেলা সদরে বইয়ের মধ্য থেকে ২ কেজি গাঁজাসহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের জালে আটক হয়েছে ৩ বৃদ্ধ মাদক কারবারি।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে এসআই সঞ্জীব কুমার সরকার সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ জেলা সদরের টাউন কালিকাপুরের কলাতলা রাস্তার মাথা থেকে তাদেরকে আটক করেন।

আটককৃতরা হলেন- জেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের বল্লভপুর এলাকার মৃত. আজিজ তালুকদারের ছেলে মোঃ জালাল তালুকদার (৫৫), বদরপুর ইউনিয়নের খলিশাখালী গ্রামের মৃত. আসমত আলী ফরাজীর ছেলে মোঃ আলম ফরাজী (৫২) এবং চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার জট পুকুরিয়া এলাকার কাঞ্চনা গ্রামের মৃত. হরে কৃষ্ণ পালের ছেলে শ্রী ধ্রুব পাল (৫৬)।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, একটি সাদা প্লাষ্টিকের বস্তায় বিভিন্ন প্রকারের বইয়ের মধ্যে কসটেপ দ্বারা পেচানো নীল রংয়ের পলিথিনের মধ্য থেকে এ গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ একেএম আজমল হুদা বলেন, আটককৃতদের নামে সদর থানায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, মাদক নিমূর্লে আমরা বদ্ধপরিকর। আমাদের এ অভিযান চলমান থাকবে।




এই শীতে স্টাইল করুন ৪ ধরনের শাল পরে

 চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:   শীত ফ্যাশনে ট্র্যাডিশনাল ছোঁয়া রাখতে বর্তমানে অনেকেই শাল পরেন। শাড়ি, সালোয়ার কামিজ থেকে শুরু করে গাউন কিংবা ওয়েস্টার্ন সবকিছুর সঙ্গেই দারুণ মানিয়ে যায় শাল। তবে শালটি আপনি কীভাবে ক্যারি করছেন তা জানতে হবে আগে।

আপনিও যদি শাল লাভার হন, তাহলে এই শীতে ৪ ধরনের শাল দিয়ে স্টাইল করতে পারেন। জেনে নিন শাল ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনগুলো বেছে নেবেন-

রঙিন উলের শাল

এ ধরনের শাল দেখতে বেশ সুন্দর হয়। সব রকম পোশাকের সঙ্গে স্টাইলও করা যায়। আপনি কুর্তির সঙ্গেও যেমন এই শাল পরতে পারেন, তেমনই জিন্স ও টপের সঙ্গেও স্টাইল করতে পারেন।

এমনকি এই শালকে টপের উপর দিয়ে পরে কোমরে বেল্ট লাগিয়ে নিলেই স্টাইলিশ লুক ক্রিয়েট করে ফেলতে পারবেন।

অ্যাম্ব্রোয়েডারি সিল্কের চাদর

বর্তমানে অ্যাম্ব্রোয়েডারি কারুকার্যকে গুরুত্ব দিচ্ছেন অধিকাংশ ফ্যাশনিস্তা। তাই আপনিও যদি ট্রেন্ডে থাকতে চান, তাহলে অ্যাম্ব্রোয়েডারি সিল্কের চাদর কালেকশনে রাখতে ভুলবেন না।

ফ্লোরাল অ্যাম্ব্রোয়েডারি বা অ্যাবস্ট্রাক্ট মোটিফের এমব্রয়ডারি ওয়ার্ক করা চাদর আপনাকেও যে বেশ মানাবে।

বোহেমিয়াল ফ্রিঞ্জড শাল

ইজি লুকের জন্য এমন শাল আপনার সংগ্রহে রাখতেই হবে। ট্র্য়াডিশনাল কুর্তি বা কামিজের সঙ্গে এমন শাল পরাই যায়, আবার জিন্স-টপের সঙ্গেও মানানসই।

স্টেটমেন্ট ভেলভেট শাল

এ ধরনের শালে ওয়েস্টার্ন ট্র্যাডিশনের ছোঁয়া থাকে। তাই তো এমন শাল পশ্চিমী পোশাকের সঙ্গে ক্যারি করতে পারবেন অনায়াসেই।

এক্ষেত্রে বেছে নিতে পারেন ভেলভেট শাল, যা আপনার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মানানসই হবে। এমনকি আপনার সৌন্দর্যকেও বাড়াবে বহুগুণে।




পুরোনো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিলিট করবেন কিভাবে?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া সাইট ফেসবুক। যেখানে প্রতি মুহূর্তে কয়েকশ কোটি মানুষ লগইন করছেন। তবে অনেকেই আছেন হয়তো শুরুতে ফেক আইডি ব্যবহার করতেন কিংবা পুরোনো আইডিটি এখন ব্যবহার করতে চাইছেন না। তারা চাইলে পুরোনো বা ফেক অ্যাকাউন্টটি পুরোপুরি ডিলিট করে দিতে পারেন।

সহজেই পুরোনো অ্যাকাউন্টটিকে বন্ধ করে ফেলতে পারবেন। আর তারপরে যখনি কেউ আপনার নাম খুঁজবে, তাকে আর সেই অ্যাকাউন্টটি দেখাবে না ফেসবুক। জেনে নিন কীভাবে করবেন কাজটি-

>> আপনার মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি লগইন করুন।

>> উপরের ডানদিকে কোণায় আপনার প্রোফাইল ফটোতে ক্লিক করুন।

>> “সেটিংস অ্যান্ড প্রাইভেসি” অপশনটি সিলেক্ট করুন।

>> এবার “সেটিংসে”-এ ক্লিক করুন।

>> “ইওর ফেসবুক ইনফরমেশন” অপশনটিতে ক্লিক করুন।

>> এবার “ডিঅ্যাক্টিভেশন অ্যান্ড ডিলিটেশন” অপশনটি দেখতে পারেন, তাতে ক্লিক করুন।

>> “ডিলিট ইওর অ্যাকাউন্ট”-এ ক্লিক করুন।

>> আপনাকে আপনার অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড আবার লিখতে হবে।

>> লেখা হয়ে গেলে, আবার “ডিলিট ইওর অ্যাকাউন্ট”-এ ক্লিক করুন।

ফেসবুক আপনাকে আপনার অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলার জন্য ১৪ দিন সময় দেবে। এরমধ্যে আপনি যদি চান, তাহলে অ্যাকাউন্টটিকে আবার পুনরুদ্ধার করতে পারেন। ১৪ দিন পরে, আপনার অ্যাকাউন্ট সম্পূর্ণরূপে মুছে ফেলা হবে। তখন আপনি চাইলেও আর সেই অ্যাকাউন্ট ফিরে পাবেন না।

এমনকি আপনি যখনই আপনার অ্যাকাউন্ট ডিলিট করে দেবেন, তার সব ছবি ভিডিও মুছে যাবে। তাই তা আগে থেকে সেভ করে রাখতে পারেন।

সূত্র: ফেসবুক হেল্প সেন্টার




অনাগত শিশুর লিঙ্গ প্রকাশ করা যাবে না, হাইকোর্টে নীতিমালা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  মাতৃগর্ভে থাকা সন্তানের লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না জানিয়ে নতুন নীতিমালা করে হাইকোর্টে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এতে বলা হয়েছে, হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও চিকিৎসকসহ সবাইকে এ নীতিমালা মানতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, অনাগত শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না মর্মে নীতিমালা করে ছয় মাস আগে জমা দেওয়া হয়েছিল। মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) হাইকোর্টে এ বিষয়ে শুনানি রয়েছে।

জানা যায়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যার পরিচালক ডা. তাহমিনা সুলতানা এ প্রতিবেদন জমা দেন। এর আগে ২০২০ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি মাতৃগর্ভে থাকাকালীন অবস্থায় শিশুর লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। একই বছরের ২৬ জানুয়ারি এ বিষয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়।

স্বাস্থ্য সচিব, নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ও সমাজ কল্যাণ সচিবকে এ নোটিশ পাঠান অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান। নোটিশে তাদের তিন দিনের মধ্যে সব সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক ও ক্লিনিক কর্তৃপক্ষকে মাতৃগর্ভের শিশুর লিঙ্গ পরিচয় জানার উদ্দেশ্যে পরীক্ষা-লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ বন্ধ করতে নির্দেশনা জারি করতে বলা হয়।

এ বিষয়ে আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, আমাদের দেশে এখনো বেশির ভাগ মানুষের ছেলে সন্তানই আশা করেন। কারণ তারা মনে করেন, ছেলেরা বংশের ধারক, তারা আয় করে, বেশি শক্তিশালী। এমন কি অনেক নারীও মনে করে ছেলে সন্তান তাদের ভবিষ্যতের সুরক্ষা দেবে। এ অবস্থায় যদি পরীক্ষার মাধ্যমে গর্ভে থাকা সন্তানের লিঙ্গ পরিচয় জানা যায় এবং তা মা-বাবার কাঙ্ক্ষিত না হলে গর্ভবতী মায়ের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার ওপর প্রভাব ফেলে। মা যদি হতাশায় ভোগেন, তবে বাচ্চার মস্তিষ্ক গঠন /বিকাশ সঠিকভাবে হয় না। চীন-ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গর্ভে থাকা সন্তানের লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তাই বাংলাদেশে নারী ও শিশুদের সুরক্ষা নিশ্চিতে গর্ভে থাকা শিশুদের লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ বন্ধ হওয়া জরুরি।

তিনি বলেন, গর্ভবতী মা ও শিশুর কল্যাণের জন্য বা অনাগত সন্তানের সুস্থতা জানতে তারা যেকোনো পরীক্ষা করতেই পারেন। কিন্তু শুধু পেটে থাকা সন্তান ছেলে না মেয়ে তা জানার উদ্দেশ্যে ডাক্তারি পরীক্ষা বা রিপোর্টে লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ কোনোভাবেই কাম্য নয়।

মাতৃগর্ভের সন্তানের লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশ করা সম্পর্কে এর আগেই আইনে নিষেধ করা হয়। তবে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সোমবার থেকে এটি তাদের নতুন নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করলো।




করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টে চলমান টিকাই কার্যকরী : স্বাস্থ্য ডিজি

 চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণের বিরুদ্ধে দেশে চলমান ভ্যাকসিনই কার্যকরী বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম। তিনি বলেন, করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট খুব দ্রুত ছড়ায়। তবে এনিয়ে এতো আশঙ্কার কিছু নেই।




উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না রাখলে হারাতে পারেন দৃষ্টিশক্তিও

এতে করে দৃষ্টিশক্তও হারাতে পারেন মানুষ। হাইপারটেনশন থেকে হতে পারে হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি। দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ রেটিনায় রক্ত পরিবহনকারী রক্তবাহিকাগুলোর ক্ষতি করতে পারে।

সমস্যা তৈরি হতে পারে চোখের পেছনের স্পর্শকাতর পর্দায়। পরিবর্তন ঘটাতে পারে। রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হলে ফ্লুইড বেরিয়ে আসে।

তার ফলে রেটিনাল টিস্যুগুলোর ক্ষতি হয়। কখনো কখনো অল্প অল্প করে রক্তক্ষরণ কারণ হতে পারে। এর ফলে দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যেতে পারে।

১. রেটিনার শিরা ও ধমনীর পথ রুদ্ধ হওয়া- এই সমস্যার কারণেই রেটিনার স্ট্রোক হয়।

২. ইস্কেমিক অপটিক নিউরোপ্যাথি- মস্তিষ্কের সঙ্গে চোখের সংযোগকারী স্নায়ু এই অবস্থায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়। উচ্চ রক্তচাপের ফলে এই স্নায়ুগুলোতে রক্ত প্রবাহ কমে যেতে পারে, যার ফলে দৃষ্টিহানি হতে পারে।

৩. উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসে যারা ভোগেন তাদের ডায়াবেটিক আই ডিজিজ হতে পারে।

৪. সাবকনজাংটিভাল হেমারেজ – রক্তচাপের আকস্মিক পরিবর্তনের ফলে চোখের সাদা অংশের সূক্ষ্ম ধমনী ফেটে যেতে পারে ও আশপাশের অংশে রক্ত বের হতে পারে।

এটি চোখের টকটকে লালভাব সৃষ্টি করে, যা খুবই উদ্বেগজনক। তবে এই সমস্যা তুলনামূলকভাবে কম ক্ষতিকারক ও নিজে থেকেই সারে। সামান্য ওষুধ বা কোনো চিকিৎসা ছাড়াই ২-৪ সপ্তাহের মধ্যে লালভাব দূর হয়।

৫. উচ্চ রক্তচাপ গ্লুকোমা ডেকে আনে দ্রুত। বার্ধক্যে গ্লুকোমা ও চোখের রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় হাইপারটেনশন

উচ্চ রক্তচাপের সমস্যাটি এখন আর শুধু বয়স্কদের অসুখ নয়। বর্তমান ট্রেন্ড কিন্তু ভয়ংকর দিকে গড়াচ্ছে। ২০-২৫ বছর বয়সেই এই সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই।

আসলে প্রতিনিয়ত বাড়তে থাকা চাপ, স্ট্রেসের কারণেই বাড়ছে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা। চিকিৎসকরা বলছেন, যাদের পরিবারে হাই ব্লাড প্রেসারের ইতিহাস আছে তাদের বয়স ২০ পার হলেই বিপি মনিটর করা শুরু করতে হবে।

হু এর নির্দেশিকা অনুসারে, ব্লাড প্রেসার যদি ১৪০/৯০ এর বেশি হয়, তবে তো ওষুধ চালু করতেই হবে। তবে সঠিক নিয়মে জীবনযাত্রা পরিচালনা করতে হবে।

সূত্র: এবিপি লাইভ




দাঁত ঝকঝকে সাদা করুন সহজ ঘরোয়া উপায়ে




দেশে দ্বিতীয়বারের মতো ক্যাডাভেরিক কিডনি প্রতিস্থাপন সম্পন্ন

চন্দ্রদীপ নিউজ: বাংলাদেশে দ্বিতীয়বারের মতো ক্যাডাভেরিক প্রক্রিয়ায় ‘ব্রেইন ডেড’ ঘোষিত মানুষের কিডনি অন্য দুজন কিডনি বিকল মানুষের দেহে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। বর্তমানে দুজনই সুস্থ রয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) এবং মিরপুরস্থ কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল এন্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটে এ ধরণরে কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়।

বিএসএমএমইউতে ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্লান্ট পদ্ধতিতে কিডনি প্রতিস্থাপন টিমের প্রধান ছিলেন বিএসএমএমইউর প্রক্টর ও দেশের বিশিষ্ট ইউরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান দুলাল।

রাতেই ট্রান্সপ্লান্ট টিমের ছবিসহ ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, Alhamdullilah, just we have completed 2nd cadaveric renal transplantation in Bangabandhu sk Mujib Medical university.

ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্লান্টের শুরুতে বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ কেবিন ব্লকের ওটিতে আসেন। সেখানে অঙ্গদাতা মো. মাসুমের পরিবারের সদস্য ও গ্রহীতার স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন।

এসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘৩৮ বছরের একজন পুরুষকে বৃহস্পতিবার ব্রেইন ডেড ঘোষণা করা হয়। তিনি মস্তিষ্কে আঘাতজনিত কারণে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে চিকিৎসাধীন ছিলেন।