পেট ব্যথা দূর করার ঘরোয়া উপায় জেনে নিন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: অনেক সময় আমরা পছন্দের খাবারটি একটু বেশিই খেয়ে ফেলি, ফলে পেট ব্যথা, বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। এর ফলে আমরা প্রতিজ্ঞা করি যে আর কখনো অতিরিক্ত খাবো না, কিন্তু পরবর্তীতে সেই ভুল পুনরাবৃত্তি হয়। তবে কিছু ঘরোয়া প্রতিকার জানা থাকলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। চলুন জেনে নিই, পেট ব্যথা থেকে দূরে থাকতে কোন খাবারগুলো খাবেন:

১. **আদা**
আদা পেট ব্যথার লক্ষণ বমি ও বমি বমি ভাব দূর করতে কার্যকরী। এটি কাঁচা বা রান্না করে খাওয়া যেতে পারে এবং তরল হিসেবে খেলে আরও ভালো ফল পাওয়া যায়। আদার চমৎকার হজমশক্তি ও প্রদাহ বিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা মোশন সিকনেস মোকাবেলায়ও সহায়তা করে।

২. **ক্যামোমাইল**
ঐতিহাসিকভাবে পেট ব্যথা ও অন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যা যেমন গ্যাস, বদহজম, ডায়রিয়া, এবং বমি বমি ভাবের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে ক্যামোমাইল। এটি শিশুদের কোলিক উপশমে সহায়তা করে এবং অন্ত্রের প্রশান্তিদায়ক প্রভাব রাখে।

৩. **পুদিনা**
ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (আইবিএস) হলে পেটে ব্যথা, পেট ফাঁপা, কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়রিয়া হতে পারে। পেপারমিন্ট পেটের অস্বস্তিকর উপসর্গগুলো কমাতে সাহায্য করে এবং অন্ত্রের পেশীর খিঁচুনি কমায়।

৪. **কাঁচা কলা**
কাঁচা কলা ডায়রিয়ার তীব্রতা ও সময়কাল কমাতে সাহায্য করে। এর বিশেষ ধরনের ফাইবার, যা প্রতিরোধী স্টার্চ নামে পরিচিত, অন্ত্রে বাড়তি পানি শোষণ করতে উদ্দীপিত করে। কলা ভিটামিন বি৬, পটাসিয়াম ও ফোলেট সমৃদ্ধ, যা ক্র্যাম্প ও ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।

৫. **দই**
পেটে ব্যাকটেরিয়ারের ভারসাম্যহীনতার কারণে পেটে ব্যথা হতে পারে। প্রোবায়োটিক সমৃদ্ধ দই ডিসবায়োসিস সংশোধন করতে সহায়তা করে। প্লেইন ইয়োগার্টে জীবন্ত ব্যাকটেরিয়া রয়েছে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়রিয়া দূর করতে কার্যকর।




ত্বকের সমস্যা দূর করতে আগে যত্ন নিন অন্ত্রের

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: ত্বকের সমস্যার সমাধানে ময়েশ্চারাইজার, সিরাম, টোনার, ফেসওয়াশ, ফেসিয়াল এবং বিউটি ট্রিটমেন্টের মতো নানা পণ্য ব্যবহৃত হলেও, সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে অন্ত্রের স্বাস্থ্যের গুরুত্বও অস্বীকার করা যায় না। বর্তমান সৌন্দর্য সচেতন সমাজের মধ্যে এসব স্কিন কেয়ার পণ্য জনপ্রিয়তা অর্জন করলেও, ত্বককে সুস্থ রাখতে অভ্যন্তরীণ যত্ন অধিক কার্যকর।

আমাদের খাদ্যাভ্যাস শুধু স্বাস্থ্যের উপরই নয়, বরং ত্বকের উপরও প্রভাব ফেলে। উদাহরণস্বরূপ, ভাজা-পোড়া খাবার বেশি খেলে ত্বকে পিম্পল হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই ত্বকের সৌন্দর্য ধরে রাখতে হলে আগে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

ভারতীয় চিকিৎসক কর্ণ রাজন সম্প্রতি তার ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্টে এ বিষয়ে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। তিনি বলেন, “ত্বকের উন্নতি করতে চাইলে স্কিনকেয়ার ছাড়াও অন্ত্রের স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিতে হবে। রঙিন ফল ও শাক-সবজি অন্ত্রের জন্য উপকারী, যার প্রভাব ত্বকেও পড়ে। টমেটো, বেল পেপার, গাজর খেলে ত্বকে লক্ষণীয় পরিবর্তন আসে।”

একটি পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, যেসব শিশু একজিমা রোগে ভুগছে তাদের অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ঘাটতি রয়েছে। প্রোবায়োটিকসে পর্যাপ্ত পরিমাণ ল্যাকটোবাইসিলি এবং বাইফিডোব্যাকটেরিয়াম পাওয়া যায়, যা একজিমা আক্রান্ত শিশুদের ত্বকের উন্নতি ঘটাতে সাহায্য করে।

ডাক্তার রাজন আরও বলেন, “খাদ্যে প্রিবায়োটিক সমৃদ্ধ খাবার অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো সিদ্ধান্ত। এই ধরনের খাবারে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, ফলে প্রাকৃতিকভাবে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি যৌগের উৎপাদন বেড়ে যায় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা প্রভাবিত হয়।”

বিশেষজ্ঞরা বলেন, নির্দিষ্ট কোনো খাবার ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ানোর নিশ্চয়তা দেয় না। তবে রঙিন ফল ও শাক-সবজি এই ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকে। বিশেষ করে উচ্চ প্রিবায়োটিকস সম্পন্ন এবং বিভিন্ন রঙের খাবার অন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার কার্যক্ষমতা বাড়ায়।

সুতরাং, পেটের যত্ন নিলে ত্বকের সুস্থতা বজায় রাখা অনেকাংশে সহজ হয়ে যায়। ত্বকে সমস্যা দেখা দিলে বিশেষজ্ঞের সঙ্গে খাদ্যতালিকা নিয়ে আলোচনা করা উচিত। জীবনধারা পরিবর্তনের মাধ্যমে ত্বকের সমস্যাগুলি সমাধান করা সম্ভব।

**তথ্যসূত্র:** হিন্দুস্তান টাইমস

 




 অপ্রাপ্ত বয়সে চুল পাকা: কী করণীয়?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: অপ্রাপ্ত বয়সে চুল পাকা বা অকালপক্বতা আজকাল একটি সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বয়সের আগেই মাথায় পাকা চুল দেখা দিলে অভিভাবকরা উদ্বিগ্ন হন। সাম্প্রতিক গবেষণায় চুল পাকার কারণ এবং এর প্রতিকার সম্পর্কে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে।

### চুল পাকার কারণ:

1. **জিনগত প্রভাব:** প্রায় ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রে চুল পাকা জিনগত কারণে হয়ে থাকে। অর্থাৎ, পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও যদি চুল পাকা থাকে, তাহলে সন্তানদের ক্ষেত্রেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে।

2. **শারীরিক কারণ:** শরীরে ভিটামিন ও খনিজের অভাবের কারণে ৫ শতাংশ ক্ষেত্রে চুল পেকে যেতে পারে। বিশেষ করে ভিটামিন বি-১২, আয়রন, এবং প্যান্টোথেনিক অ্যাসিডের অভাব এই সমস্যার কারণ হতে পারে।

3. **অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস:** শিশুদের মাঝে জাঙ্ক ফুডের প্রচলন বেড়ে গেছে, যার ফলে পর্যাপ্ত পুষ্টি না পাওয়ার কারণে চুলে পাক ধরতে পারে।

4. **স্ট্রেস:** আধুনিক জীবনের সঙ্গে জড়িত মানসিক চাপও চুল পাকার অন্যতম কারণ। স্ট্রেসের কারণে শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও খনিজের ঘাটতি দেখা দেয়, যা চুলের স্বাভাবিক রং ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়।

5. **লিভারের সমস্যা:** লিভারের দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা থাকলে কম বয়সে চুল পেকে যেতে পারে। তাই চুল পাকার সঙ্গে লিভারের সমস্যার সম্ভাবনাও পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

### প্রতিকার:

1. **পুষ্টিকর খাদ্য:** খাদ্য তালিকায় পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজযুক্ত খাবার রাখা উচিত, বিশেষ করে সবুজ শাকসবজি, ভিটামিন বি-১২ এবং আয়রন সমৃদ্ধ খাবার।

2. **স্ট্রেস কমানো:** মানসিক চাপ কমানোর জন্য নিয়মিত ব্যায়াম ও পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া জরুরি।

3. **প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার:** চুলে প্রাকৃতিক উপাদান যেমন হেনা বা ভেষজ রং ব্যবহার করে পাকা চুল ঢেকে দেওয়া যেতে পারে।

যদিও চুল পাকা পুরোপুরি থামানো যায় না, তবে সঠিক যত্নের মাধ্যমে এর গতি কমানো সম্ভব।




প্রতিদিন লিপস্টিক ব্যবহারে ঠোঁটের ক্ষতি হতে পারে?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: নারীর সাজের অন্যতম অনুষঙ্গ লিপস্টিক। প্রতিদিন লিপস্টিক ব্যবহার করলে ঠোঁটে কোনো ক্ষতি হয় কি না, তা নিয়ে অনেকের মনে সংশয় রয়েছে। বিশেষ করে, অনেকেই মনে করেন যে প্রতিদিন লিপস্টিক ব্যবহার করলে ঠোঁট কালো হয়ে যায়।

চিকিৎসকদের মতে, কিছু লিপস্টিকের মধ্যে থাকা রাসায়নিক উপাদান ঠোঁটের মতো স্পর্শকাতর অঙ্গে ক্ষতি করতে পারে। তবে সব লিপস্টিকের ক্ষেত্রে এই ক্ষতির আশঙ্কা নেই। ঠোঁটের স্বাস্থ্য এবং লিপস্টিকের গুণাগুণের ওপরই মূলত নির্ভর করে এ সমস্যাগুলো।

#### যেসব সমস্যায় লিপস্টিক ব্যবহার থেকে সতর্ক থাকতে হবে:

1. **শুষ্ক ঠোঁট:** কিছু লিপস্টিক ঠোঁটকে শুষ্ক করে তুলতে পারে। বিশেষ করে শুষ্ক ত্বকের সমস্যায় ভুগছেন এমন ব্যক্তিদের জন্য এই সমস্যা গুরুতর হতে পারে। তবে তেল বা মাখনযুক্ত লিপস্টিক ঠোঁটের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

2. **অ্যালার্জি:** যাদের বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানে অ্যালার্জি রয়েছে, তাদের লিপস্টিক ব্যবহারের আগে সতর্ক হওয়া উচিত। নতুন প্রসাধনী ব্যবহার করার আগে অবশ্যই ‘প্যাচ টেস্ট’ করে নেওয়া জরুরি।

3. **কালচে ছোপ:** রোদের অতিবেগুনি রশ্মি বা জিনগত কারণেও ঠোঁটে কালচে ছোপ পড়তে পারে। শুধুমাত্র লিপস্টিক ব্যবহারের কারণেই ঠোঁট কালো হয়ে যাবে এমন ধারণা সঠিক নয়।

#### ঠোঁটের স্বাস্থ্য রক্ষায় করণীয়:
1. **হাইড্রেশন:** পর্যাপ্ত পানি খাওয়ার মাধ্যমে ঠোঁটের আর্দ্রতা বজায় রাখা উচিত। এছাড়া, ঠোঁটের জন্য নিরাপদ এবং UV সুরক্ষার উপযোগী লিপবাম ব্যবহার করা যেতে পারে।

2. **এক্সফোলিয়েশন:** নিয়মিত ঠোঁটের মৃত কোষ দূর করতে নরম স্ক্রাব দিয়ে এক্সফোলিয়েট করা উচিত।

3. **প্রাইমার ব্যবহার:** লিপস্টিক ব্যবহারের আগে প্রাইমার ব্যবহার করলে ঠোঁটে রাসায়নিকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।




কিডনি সমস্যার লক্ষণ: আপনি কি ভুগছেন?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: কিডনি আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, এবং এই অঙ্গের সমস্যার লক্ষণগুলো চিনতে পারা খুবই জরুরি। কিডনিতে সমস্যা হলে কিছু বিশেষ লক্ষণ প্রকাশ পায়, যা আগে থেকে জানলে চিকিৎসা নেওয়া সহজ হয়। টিবি হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. আয়েশা আক্তার কিডনি সমস্যার লক্ষণগুলো সম্পর্কে জানিয়েছেন।

**কিডনির সমস্যা সাধারণত দুই ধরনের:**
১. একিউট কিডনি ইনজুরি
২. ক্রনিক কিডনি ডিজিজ

একিউট কিডনি ইনজুরি হঠাৎ করে হয়, আর ক্রনিক কিডনি ডিজিজ দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা। কিডনি রোগের লক্ষণগুলো জানা থাকলে সমস্যা জটিলের দিকে যাওয়ার আগে চিকিৎসা নেয়া সম্ভব।

**কিডনির সমস্যার কিছু লক্ষণ:**
– প্রস্রাবে ফেনা ভাব; এটি প্রোটিনের প্রভাবে হয়ে থাকে এবং প্রস্রাবের রং লালচে হতে পারে।
– ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতার কারণে মাংসপেশিতে টান লাগতে পারে।
– দীর্ঘদিন ডায়াবেটিস না শনাক্ত হলে বা নিয়ন্ত্রণে না থাকলে কিডনি, লিভার, ও চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
– শরীরের বিভিন্ন অংশে পানি জমা, যেমন হাত-পা বা মুখ ফোলাফোলা ভাব।
– প্রস্রাবের পরিমাণ কম বা বেশি হতে পারে, সঙ্গে জ্বালা করতে পারে।
– ঘন ঘন প্রস্রাবে যাওয়ার অনুভূতি।
– ক্লান্তি বা বমি বমি ভাব।
– শরীরের বিভিন্ন অংশে চুলকানি।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, ইউরিন ইনফেকশন, কিডনিতে পাথর বা প্রস্টেটের সমস্যা থাকলে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করতে হবে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা না হলে কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এছাড়া, কিডনি ভালো রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস খুবই গুরুত্বপূর্ণ।




ব্রণের কালো দাগ দূর করতে কী করবেন?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: ব্রণ ও এর দাগ নিয়ে দুশ্চিন্তা নেই এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর! শুধু মেয়েরা নয়, ছেলেরাও এই সমস্যার শিকার। ব্রণ সেরে যাওয়ার পর এর যে কালো দাগ তা সৌন্দর্য নষ্ট করে। তাই ব্রণ দূর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নিতে হবে ব্রণের কালো দাগের।

### ১. ফেসিয়াল করুন
ব্রণের কালো দাগ থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত ফেসিয়াল করা দারুণ কাজে দেয়। এটি ত্বকের দাগ হালকা করতে এবং ত্বককে প্রাণবন্ত রাখতে সাহায্য করে।

### ২. অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন
ত্বকের গ্লো ফিরে আনতে এবং ব্রণের দাগ দূর করতে অলিভ অয়েল ব্যবহার করা যেতে পারে। অলিভ অয়েল ত্বকের লোমকূপের ছিদ্র খুলে দেয় এবং ত্বককে শ্বাস নিতে সাহায্য করে, ফলে ব্রণ ও দাগ কমে যায়।

### ৩. পর্যাপ্ত পানি পান করুন
ত্বককে প্রাণবন্ত ও সুস্থ রাখতে পর্যাপ্ত পানি পান করা অপরিহার্য। প্রতিদিন ৩ লিটার পানি পান করলে ত্বক ভালো থাকবে এবং ব্রণ বা কালো দাগের বিরুদ্ধে লড়াই করবে। ডিটক্স ওয়াটার পান করাও ভালো।

### ৪. প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করুন
অনেকেই ত্বকের যত্নে ব্রণের কালো দাগ দূর করতে আপেল সিডার ভিনেগার, লেবু, অথবা টমেটোর রস ব্যবহার করেন। এগুলোও দারুণ কাজ করে ব্রণের কালো দাগ মলিন করতে। আলুর রস ব্যবহার করা এবং নিয়মিত ত্বকের যত্ন নেওয়া ব্রণের কালো দাগ কমাতে সাহায্য করবে।

### ৫. রূপ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন
রূপ বিশেষজ্ঞরা নিয়মিত ফেসিয়াল এবং প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহারের মাধ্যমে ব্রণের কালো দাগ থেকে মুক্তির পরামর্শ দেন।

সঠিক যত্ন এবং নিয়মিত রূপচর্চা করলে ব্রণের কালো দাগ দূর করা সম্ভব।




দাঁত শিরশির করার কারণ ও প্রতিকার: আপনি কি জানেন কেন দাঁত শিরশির করে?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: আপনি কি কখনো অনুভব করেছেন যে আইসক্রিম খেতে পারছেন না, মিষ্টি খেলে দাঁত শিরশির করছে, টক জিনিস খেলে অল্পতেই দাঁত টক হয়ে যাচ্ছে, কিংবা ঠান্ডা বাতাস দাঁতে লাগলে শিরশির করছে? এসবের কারণ হচ্ছে ডেন্টিন হাইপারসেনসিটিভিটি।

ডেন্টিন হচ্ছে দাঁতের সবচেয়ে সেনসিটিভ অংশ। এনামেল আমাদের শরীরের সবচেয়ে শক্ত হাড়, যা সহজেই ব্যাকটেরিয়াল অ্যাসিডের জন্য ক্ষয়প্রাপ্ত হতে পারে। এনামেল ক্ষয় হলে ডেন্টিন শক্তি বের হয়ে যায়, আর তখন দাঁত শিরশির করে। যখন দন্তমজ্জা বের হয়ে যায়, তখন দাঁতে তীব্র ব্যথা হয়। দাঁত শিরশির করা সাময়িক বা দীর্ঘ সময়ের জন্য হতে পারে। এটা একটি দাঁতে অনুভূত হতে পারে অথবা অনেক দাঁতেও।

### দাঁত শিরশির করার কারণ

দাঁত শিরশির করার অনেক কারণ থাকতে পারে। এসবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু হলো:

– গরম খাদ্য ও পানীয়
– ঠাণ্ডা খাদ্য ও পানীয়
– ঠান্ডা বাতাস
– মিষ্টিজাতীয় খাদ্য ও পানীয়
– টকজাতীয় খাদ্য ও পানীয়
– ঠান্ডা পানি ব্যবহার করে দাঁত পরিষ্কারের সময়
– অ্যালকোহলসমৃদ্ধ মাউথওয়াশ

### এনামেল ক্ষয়ের কারণ

কিছু কিছু কারণে এনামেল ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে দাঁত শিরশির করতে পারে:

– শক্ত ব্রাশ দ্বারা দাঁত ব্রাশ করা
– বেশি জোরে এলোমেলোভাবে দাঁত ব্রাশ করা
– টকজাতীয় বা এসিডিক খাদ্য ব্যবহার
– পরিপাকতন্ত্রের পীড়ার কারণে এনামেল ক্ষয় হতে পারে
– দাঁত ভেঙে গেলে বা আঘাতজনিত কারণে এনামেলের আবরণী উঠে গেলে
– দাঁত ফিলিং বা ক্যাপ করার সময় প্রয়োজনের অতিরিক্ত এনামেল কেটে ফেললে
– দাঁত সাদা করার প্রক্রিয়ার কারণে
– দাঁতের ফিলিং উঠে গেলেও দাঁত শিরশির করতে পারে
– বয়সজনিত কারণে এনামেল ক্ষয় হতে পারে

### প্রতিকার

দাঁত শিরশির করার চিকিৎসা নির্ভর করে এর কারণের ওপর। এ জন্য দেরি না করে দ্রুত ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

– বাজারে বিভিন্ন ধরনের মেডিকেটেড টুথপেস্ট পাওয়া যায়, যা শিরশির রোধ করে।
– সঠিক উপায়ে দাঁত পরিচর্যা করা।
– টকজাতীয় খাদ্য না খাওয়া।
– ফ্লুরাইডেটেড ডেন্টাল সামগ্রী ব্যবহার করা।
– ৬-১২ মাস অন্তর দাঁতের ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া।

 




মন খারাপ হলে কি শারীরিক অসুস্থতা বাড়ে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: যেকোনো মানসিক বিপর্যয় দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক রোগ নিয়ন্ত্রণে বাধা সৃষ্টি করে। জীবনসঙ্গীর মৃত্যুর অল্প কিছুদিনের মধ্যে যদি কেউ মারা যান বা শারীরিকভাবে ভেঙে পড়েন, তখন অনেকেই ধারণা করেন, প্রিয় মানুষের মৃত্যুর শোক সামলাতে না পারার কারণেই এমনটা ঘটেছে। আদতে কি শোকের সঙ্গে শারীরিক অবস্থার যোগসূত্র আছে? এমন ঘটনার কি কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে?

কথায় বলে, সুস্থ দেহে সুস্থ মনের বাস। দেহ সুস্থ না থাকলে মন ভালো থাকে না। আবার মন ভালো না থাকলেও কিছু শারীরিক সমস্যা বাড়তে পারে। দেহ আর মনের এই আন্তঃসম্পর্কের ব্যাখ্যা দিয়েছেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের শিশু-কিশোর ও পারিবারিক মনোরোগবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ডা. হেলালউদ্দীন আহমেদ।

যেকোনো মানসিক বিপর্যয়ের কারণেই দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক রোগ নিয়ন্ত্রণে বাধা সৃষ্টি হতে পারে। যেমন, একজনের ডায়াবেটিস আছে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য তাঁকে একটি নির্দিষ্ট ধারায় জীবনযাপন করতে হয়। খাওয়া-দাওয়া, শরীরচর্চা, ওষুধ সেবন—সব ঠিক থাকলে তবেই সুস্থ থাকেন। মাঝেমধ্যে রক্তের সুগার মেপেও দেখতে হয়। যদি কোনো কারণে মানসিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হন, তাহলে তাঁর এই সুনিয়ন্ত্রিত জীবনধারা ব্যাহত হতে পারে।

তিনি হয়তো তখন সময়মতো খাওয়াদাওয়া করলেন না বা এমন কিছু খেয়ে ফেললেন, যা তাঁর জন্য ক্ষতিকর; নিয়মমাফিক ওষুধ সেবন করলেন না কিংবা দস্তুরমতো শরীরচর্চা করতে পারলেন না। এ রকম হলে তাঁর ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। সময়মতো খাবার না খেলে রক্তের সুগারের মাত্রা ভয়াবহ পর্যায়ে নেমেও যেতে পারে।

ডায়াবেটিসের মতোই উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্‌রোগ, হাঁপানি, দীর্ঘমেয়াদি কিডনির রোগসহ অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ঘটনা ঘটে। যেসব রোগকে স্বাস্থ্যকর জীবনধারার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়, সে রকম যেকোনো রোগ থাকলেই মানসিক বিপর্যয়ের সময়টাতে জটিলতা বাড়তে পারে।

মানসিকভাবে ভালো না থাকার কারণে ঘুমের সমস্যা হতে পারে। বাড়তে পারে মানসিক চাপের সঙ্গে সম্পর্কিত হরমোনের মাত্রা, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে শরীরের ওপর। অর্থাৎ মন ভালো না থাকলে নানান কারণেই শারীরিক অসুস্থতা বাড়ার ঝুঁকি থাকে।

কারও প্রিয়জনের মৃত্যু হলে কিংবা অন্য কারণে কেউ মারাত্মক কোনো মানসিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হলে তাঁর পরিচিতজনদের দায়িত্ব বেড়ে যায়। কেবল প্রথম কয়েকটা দিন তাঁর জন্য খাবার পাঠানো কিংবা তাঁর কাছে থাকাই যথেষ্ট নয়। অন্ততপক্ষে তিনি মোটামুটি স্বাভাবিক অবস্থায় না ফেরা পর্যন্ত তাঁর শরীর ও মনের প্রতি বিশেষভাবে যত্নশীল হওয়া প্রয়োজন।

যেসব রোগের চিকিৎসায় জীবনধারাকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়, সে রকম কোনো রোগ থাকলে স্বাস্থ্যকর জীবনধারা বজায় রাখার বিষয়ে সহযোগিতা করতে হবে। এমনকি আগে থেকে কোনো ধরনের রোগ না থাকলেও খেয়াল রাখতে হবে তাঁর মনের। অস্বাভাবিক দুঃখবোধ বিষণ্নতার একটি উপসর্গ। কিছু শোক কখনোই পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয় না, তবু শোক সামলে একসময় স্বাভাবিক ছন্দে জীবনকে এগিয়ে নিতে হয়।




টয়লেটে ফোন ব্যবহার করলে ভয়াবহ রোগ হয় শরীরে!

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: টয়লেটের দরজার লক, ফ্লাশ, কমোড, পানি ট্যাপ ইত্যাদিতে জমে থাকে প্রচুর ব্যাকটেরিয়া। টয়লেট যেহেতু বেশিরভাগ সময় ভেজা ও স্যাঁতস্যাঁতে থাকে, তাই এই পরিবেশে ব্যাকটেরিয়া আরও দ্রুত ছড়াতে পারে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই ধরনের পরিবেশ ক্ষতিকর সেসব ব্যাকটেরিয়ার জন্য সহায়ক। এগুলো যদি কোনোভাবে আমাদের শরীরে প্রবেশ করে, তাহলে রোগ বিস্তারে সময় লাগে না।

২০১৬ সালে একটি বিশেষ জরিপে দেখা গেছে, অস্ট্রেলিয়া ও আমেরিকার প্রায় ৭৫ শতাংশ বাসিন্দা টয়লেটে মোবাইল ফোন নিয়ে যান। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি রীতিমতো বিপজ্জনক বলেই মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।

### টয়লেটে মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে কী ক্ষতি হয়?

১. **ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের সংক্রমণ:** বাথরুমে প্রচুর জীবাণু, ব্যাকটেরিয়া এবং ভাইরাস থাকতে পারে, বিশেষ করে ই. কোলাই, সালমোনেলা এবং স্টেফাইলোকক্কাস। ফোন নিয়ে বাথরুমে গেলে এই জীবাণুগুলো সহজেই ফোনে জমে যেতে পারে। পরে যদি ফোনটি মুখ, চোখ বা হাতের সংস্পর্শে আসে, তাহলে এটি রোগের কারণ হতে পারে।

২. **পেটের অসুখ ও খাদ্যবাহিত রোগ:** বাথরুমের জীবাণু ফোনের মাধ্যমে খাদ্য বা হাতের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করলে পেটের অসুখ বা ডায়রিয়া হতে পারে। খাদ্যবাহিত রোগের জীবাণু যেমন ই. কোলাই বা নরোভাইরাস বাথরুমের ভেজা ও স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে বেশি থাকে, যা ফোনের মাধ্যমে ছড়াতে পারে।

৩. **হাতের হাইজিনে অবহেলা:** বাথরুম ব্যবহারের পর ফোনে মনোযোগ দিলে হাত ধোয়ার প্রক্রিয়া তাড়াহুড়ো বা উপেক্ষিত হতে পারে। ফলে জীবাণু হাত থেকে ফোনে এবং অন্য বস্তুতে ছড়িয়ে যেতে পারে।

৪. **মনের একাগ্রতা ব্যাহত হওয়া:** বাথরুমে ফোন ব্যবহার করলে মনোযোগ বিভক্ত হতে পারে। অনেকেই ফোনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা মেইলে ডুবে থাকেন, যা দীর্ঘসময় বাথরুমে থাকার কারণ হতে পারে এবং এর ফলে শরীরে অস্বস্তি হতে পারে। দীর্ঘসময় বসে থাকলে মলদ্বারে চাপ পড়তে পারে, যা হেমোরয়েডের ঝুঁকি বাড়ায়।

৫. **ফোনের ক্ষতি:** ফোনে পানি বা আর্দ্রতা ঢোকার ঝুঁকি থাকে, যা ফোনের কার্যকারিতা নষ্ট করতে পারে। বাথরুমের স্যাঁতসেঁতে অবস্থায় ফোনে ফাঙ্গাস বা অন্যান্য জীবাণু জন্ম নিতে পারে, যা ফোনের স্ক্রিন বা মাইক্রোফোনের ক্ষতি করতে পারে।

### উপসংহার

বাথরুমে ফোন নেওয়া মানসিকভাবে আরামদায়ক মনে হলেও এটি জীবাণু সংক্রমণ, স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং ফোনের ক্ষতির কারণ হতে পারে। এসব ঝুঁকি এড়াতে বাথরুমে ফোন না নেয়াই ভালো।




গরমে ডাবের পানি কতটা জরুরি?

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক :: গরমের প্রচণ্ড তাপে শরীরকে ঠান্ডা রাখার জন্য ডাবের পানি এক অমৃততুল্য পানীয়। এটি শুধু পানিই নয়, বরং এটি একটি প্রাকৃতিক শরীর সুস্থ রাখার উপাদান।

### ডাবের পানির উপকারিতা

1. **শরীরকে ঠান্ডা রাখে:** গরমের দিনে শরীর থেকে প্রচুর ঘাম বের হয়, ফলে শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দেয়। ডাবের পানি প্রাকৃতিকভাবে ঠান্ডা হওয়ায় শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং ডিহাইড্রেশন রোধ করে।

2. **পুষ্টিগুণে ভরপুর:** ডাবের পানিতে পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন সি ও বি কমপ্লেক্স প্রচুর পরিমাণে থাকে। এই খনিজ পদার্থ ও ভিটামিনগুলি হাড় মজবুত করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, হজমে সাহায্য করে এবং শরীরকে শক্তিশালী করে।

3. **কিডনির জন্য উপকারী:** ডাবের পানি কিডনিকে পরিষ্কার করে, কিডনি পাথরের ঝুঁকি কমায় এবং কিডনি সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যা থেকে রক্ষা করে।

4. **ত্বকের জন্য উপকারী:** ডাবের পানি ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে, ত্বকের কোষগুলিকে পুষ্টি যোগায় এবং ত্বকের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

5. **শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য রক্ষা করে:** গরমের দিনে ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে ইলেক্ট্রোলাইট বের হয়ে যায়। ডাবের পানি শরীরে ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য রক্ষা করে।

### কাদের জন্য ডাবের পানি বিশেষ উপকারী?

– **গর্ভবতী মহিলা:** গর্ভাবস্থায় শরীরে পানির চাহিদা বেড়ে যায়, ডাবের পানি এই চাহিদা পূরণে সাহায্য করে।
– **শিশু:** শিশুরা খুব তাড়াতাড়ি ডিহাইড্রেট হয়ে যায়, ডাবের পানি শিশুর শরীরে পানির ঘাটতি পূরণ করে।
– **বয়স্ক ব্যক্তি:** বয়স্ক ব্যক্তিদের ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি বেশি থাকে, ডাবের পানি তাদের জন্য উপকারী।
– **অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রমকারী ব্যক্তি:** অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রমের ফলে শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দেয়, ডাবের পানি এই ঘাটতি পূরণ করে।
– **উচ্চ রক্তচাপের রোগী:** ডাবের পানিতে পটাশিয়াম প্রচুর পরিমাণে থাকে, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

### কাদের জন্য ডাবের পানি এড়ানো উচিত?

– **যাদের কিডনির সমস্যা আছে:** কিডনির সমস্যা থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ডাবের পানি খাওয়া উচিত নয়।
– **যাদের হৃদরোগ আছে:** হৃদরোগ থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ডাবের পানি খাওয়া উচিত নয়।
– **যাদের ডায়াবেটিস আছে:** ডায়াবেটিস থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ডাবের পানি খাওয়া উচিত নয়।

### কিছু বিষয় মাথায় রাখা জরুরি

– **পরিমাণ:** অতিরিক্ত ডাবের পানি খাওয়াও ক্ষতিকর হতে পারে।
– **পরিচ্ছন্নতা:** পরিষ্কার না হওয়া ডাবের পানি পেট খারাপ করতে পারে।
– **ঠান্ডা:** খুব ঠান্ডা ডাবের পানি গলা ব্যথা হতে পারে।

গরমকালে ডাবের পানি এক অমৃততুল্য পানীয়। এটি শরীরকে ঠান্ডা রাখে, পুষ্টি যোগায় এবং বিভিন্ন রোগ থেকে রক্ষা করে। তবে, নিজের শারীরিক অবস্থার অনুযায়ী ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ডাবের পানি খাওয়া উচিত।