পুরুষদের ফার্টিলিটি বাড়াতে খাবারের গুরুত্ব

ফার্টিলিটি শুধু নারীদের জন্য নয়, পুরুষদের জন্যও সমান গুরুত্বপূর্ণ। শরীরের পুষ্টির যোগান প্রজনন ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে। বিশেষ করে, খারাপ খাদ্যাভ্যাস শুক্রাণুর গুণমান কমাতে এবং টেস্টোস্টেরনের মাত্রা হ্রাস করতে পারে, যা পুরুষদের প্রজনন ক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। তবে, সঠিক খাদ্য নির্বাচন করলে ফার্টিলিটি বাড়ানো সম্ভব। জেনে নিন, পুরুষদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ খাবার যা তাদের ফার্টিলিটি বাড়াতে সহায়তা করতে পারে।

১. জিঙ্ক
টেস্টোস্টেরন উৎপাদন এবং শুক্রাণু বিকাশের জন্য জিঙ্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর ঘাটতি শুক্রাণুর সংখ্যা এবং গতিশীলতা কমিয়ে দেয়। তাই, চর্বিহীন মাংস, কুমড়োর বীজ, ছোলা এবং ডিম খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

২. ভিটামিন সি
ভিটামিন সি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শুক্রাণুর ক্ষতি প্রতিরোধ করে এবং জারণ চাপ কমায়। লেবু, স্ট্রবেরি, বেল পেপার এবং ব্রোকলি ভিটামিন সি-এর চমৎকার উৎস। এই খাবারগুলো নিয়মিত খাওয়ার চেষ্টা করুন।

৩. ভিটামিন ডি
ভিটামিন ডি-এর অভাব টেস্টোস্টেরন হ্রাস এবং শুক্রাণুর গুণমান কমিয়ে দিতে পারে। সূর্যের আলো, স্যামন, ফোর্টিফাইড দুধ এবং ডিমের কুসুম ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণে সহায়তা করতে পারে। তবে, সাপ্লিমেন্ট নেবার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৪. ফোলেট
ফোলেট শুক্রাণু উৎপাদন এবং ডিএনএ সংশ্লেষণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ফোলেটের ভালো উৎস হিসেবে পাতাযুক্ত সবুজ শাক, মটরশুটি, মসুর ডাল এবং ফোর্টিফাইড সিরিয়াল রয়েছে।

৫. ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শুক্রাণুর আকৃতি এবং গতিশীলতা উন্নত করতে সাহায্য করে। স্যামন, ম্যাকেরেল, সার্ডিন, আখরোট এবং তিসির বীজের মতো খাবারগুলো খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।

আপনার প্রজনন ক্ষমতা ভালো রাখতে সঠিক পুষ্টির সঙ্গে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা জরুরি।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




হঠাৎ বুক ধড়ফড় করলে কী করবেন?

বুক ধড়ফড় করা একটি সাধারণ সমস্যা হলেও এর পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে গুরুতর অসুস্থতার কারণ। অনেকেই হঠাৎ বুক ধড়ফড়, অস্বস্তি, বা চিনচিনে ব্যথার অভিজ্ঞতা লাভ করেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, হৃদস্পন্দনের অস্বাভাবিকতা যেমন কার্ডিয়াক অ্যারিদমিয়া, ব্র্যাডিঅ্যারিদমিয়া, বা ট্যাকিঅ্যারিদমিয়ার লক্ষণ হতে পারে এটি। এই সমস্যাগুলোর কারণ এবং সমাধান সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক অবস্থায় প্রতি মিনিটে ৭২ বার হয়ে থাকে। তবে অতিরিক্ত মানসিক চাপ, অতিরিক্ত কাজের চাপ, কিংবা অন্যান্য স্বাস্থ্যগত কারণ হৃদযন্ত্রের স্বাভাবিক সঙ্কোচন-প্রসারণকে ব্যাহত করতে পারে।

কার্ডিয়াক অ্যারিদমিয়ার ধরন ও ঝুঁকি

কার্ডিয়াক অ্যারিদমিয়া সাধারণত দুই ধরণের হতে পারে।

1. ব্র্যাডিঅ্যারিদমিয়া: এই অবস্থায় হৃদস্পন্দন ৬০-এর নিচে নেমে যায়। ফলে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়ে হার্ট ব্লকের ঝুঁকি দেখা দেয়।

2. ট্যাকিঅ্যারিদমিয়া: এতে হৃদস্পন্দন ১০০-এর ওপরে উঠে যায়। এই অবস্থায় হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

 

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি ১০০০ জনে ৫ জনের এমন সমস্যা দেখা যায়। বিশেষত, বয়স ৬০ পার হলে এই সমস্যা আরও বেশি দেখা দিতে পারে।

কখন সতর্ক হবেন?

সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে:

হঠাৎ বুক ধড়ফড় শুরু হওয়া।

সামান্য পরিশ্রমেই শ্বাসকষ্ট।

মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।

অস্বাভাবিক ক্লান্তি।

যদি এ ধরনের সমস্যা বারবার ঘটে, দ্রুত একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ইসিজি, হল্টার মনিটরিং, লুপ রেকর্ডার ইত্যাদি পরীক্ষার মাধ্যমে এর কারণ নির্ণয় করা সম্ভব।

প্রতিকার ও করণীয়

ডিপ ব্রিদিং অনুশীলন করুন: বুক ধড়ফড় করলে শান্ত থাকুন এবং ধীরে ধীরে শ্বাস টেনে ছাড়ুন।

খোলা জায়গায় যান: বদ্ধ স্থানে থাকলে অসুবিধা আরও বাড়তে পারে।

সিগারেট এড়িয়ে চলুন: বুক ধড়ফড় শুরু হলে ধূমপান থেকে বিরত থাকুন।

হালকা গরম পানিতে গোসল করুন: মাথার আগে হাত ও পা ভিজিয়ে গোসল করুন।

শরীরকে বিশ্রাম দিন: ভারী কাজ বা সিঁড়ি ভাঙা থেকে বিরত থাকুন।

চিকিৎসকের কাছে যান: শ্বাসকষ্ট বা অস্বাভাবিক কোনো সমস্যা হলে দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক রাখতে অভ্যাস পরিবর্তন

সঠিক জীবনধারা হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম, এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এ সমস্যা প্রতিরোধ করা সম্ভব।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




লবঙ্গের মসলার গুণে শীতের কাশি কমবে!

শীতের কাশি আর গলা ব্যথা আমাদের অনেকেরই একটি সাধারণ সমস্যা। এমন সময় লবঙ্গের ব্যবহার আপনাকে হতে পারে খুবই উপকারী। লবঙ্গের ছোট্ট উপকারিতা আপনার কাশি ও সর্দি সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করতে পারে। লবঙ্গ মুখে রাখলে খুসখুসে কাশি, সর্দি বা গলা ব্যথার সমস্যা দ্রুত কমে যায়।

লবঙ্গ এমন একটি মসলা, যা শুধুমাত্র খাবারের স্বাদ বাড়াতে কাজ করে না, বরং এটি একটি শক্তিশালী ভেষজও। লবঙ্গে প্রচুর ম্যাঙ্গানিজ থাকে, যা শরীরের এনজাইমগুলোর কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনায় সহায়ক। এর ফলে হাড় মেরামত এবং হরমোন তৈরিতেও সহায়তা করে।

এই মসলায় থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান শরীরকে ফ্রি র্যাডিকেলের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে। এছাড়া লবঙ্গের মধ্যে ভিটামিন কে, পটাসিয়াম, বিটা-ক্যারোটিন এবং ইউজেনলও রয়েছে, যা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

গবেষণায় দেখা গেছে, লবঙ্গে এমন উপাদান রয়েছে যা কাশি ও শ্বাসনালির অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করে। এর অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি প্রপার্টি শ্বাসনালির প্রদাহ কমাতে কার্যকরী। এতে থাকা অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাল উপাদান শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ কমায়, ফলে কাশি, গলা ব্যথা এবং খুসখুসে ভাব থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।

তাছাড়া, লবঙ্গ মুখে রাখলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়, যা ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয়ে থাকে। যারা হজমের সমস্যা ভোগেন, তাদেরও এটি সহায়ক হতে পারে। লবঙ্গের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান লিভারকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

শীতে পেশির ব্যথা এবং যন্ত্রণা বাড়ে, সেক্ষেত্রে লবঙ্গের ব্যবহার অনেকটা আরাম দিতে পারে। এই ভেষজটির গুণে শরীরের সামগ্রিক সুস্থতা রক্ষা সম্ভব।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




শীতে দাঁতের ব্যথা বৃদ্ধি পেলে কীভাবে যত্ন নেবেন?

শীতে অনেকেরই দাঁতে ব্যথা বৃদ্ধি পায়, বিশেষত পুরনো দাঁতের সমস্যা যা শীতের আক্রমণে আরও প্রকট হয়। ঠান্ডা পানি, শিরশিরানি বা বাতাসের কারণে দাঁতের ব্যথা ও মাড়ির সমস্যা বাড়তে পারে। এই সময়ে সেলুলোজ জাতীয় আঁশযুক্ত খাবার দাঁতের ফাঁকে আটকে গিয়ে ব্যাকটেরিয়ার কারণে দাঁতে ব্যথা সৃষ্টি করতে পারে।

শীতে দাঁতের যত্নে কী করবেন?

১. দু’বেলা দাঁত ব্রাশ করুন। বিশেষভাবে রাতে ঘুমানোর আগে এবং সকালে নাশতা খাওয়ার পর দাঁত ব্রাশ করা জরুরি।
২. সঠিক নিয়মে দাঁত ব্রাশ করুন, সামনে-পেছনে না করে, বরং আস্তে আস্তে ওপরে-নিচে ব্রাশ করুন।
৩. নিচের পাটির দাঁতের জন্য ব্রাশ দাঁতের গোড়ার দিক থেকে ওপরের দিকে এবং উপরের পাটির জন্য দাঁতের গোড়ার দিক থেকে নিচের দিকে করুন।
৪. দেড় থেকে দুই মিনিট দাঁত ব্রাশ করুন। এর বেশি করলে দাঁতের ক্ষয় হতে পারে।
৫. দুপুরে খাওয়ার পর কুলিকুচি করুন।
৬. দুই মাস পর পর ব্রাশ এবং তিন মাস পর পর টুথপেষ্ট পরিবর্তন করুন।

দাঁতের ব্যথা বাড়লে করণীয়

১. দাঁতের ব্যথা সাময়িকভাবে কমানো কোনো চিকিৎসা নয়। নিয়মিত দাঁতের যত্ন নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. মাড়ি থেকে রক্ত পড়লে স্কেলিং করানো প্রয়োজন।
৩. দাঁতে ব্যথা বা শিরশিরানির ক্ষেত্রে ডেন্টিস্টের কাছে দ্রুত যাওয়াই উত্তম।
৪. ফ্লোরাইড পেস্ট ব্যবহার করলে সেনসিটিভিটি কমে।
৫. অতিরিক্ত ব্রাশ বা অবহেলা দাঁতের ক্ষয় সৃষ্টি করতে পারে, যা ফিলিং ও কোটিংয়ের মাধ্যমে ঠিক করা যায়।
৬. বছরে অন্তত দু’বার ডেন্টিস্টের কাছে গিয়ে দাঁত দেখান।
৭. দাঁত ব্যথা হলে গরম সেঁক না দিয়ে বরফ লাগানো উচিত। তবে লবণ গরম পানি দিয়ে কুলকুচি করতে পারেন।
৮. কোমলপানীয়, পান, নেশা জাতীয় দ্রব্য পরিহার করতে হবে।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ফাইবার সমৃদ্ধ ফল: স্বাস্থ্যকর হজম এবং ভালো ওজন বজায় রাখার জন্য

ফাইবার আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষত হজম ভালো রাখতে, স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখতে এবং রোগের ঝুঁকি কমাতে। কিছু ফল রয়েছে, যেগুলোর মধ্যে ফাইবারের পরিমাণ অনেক বেশি, এবং এগুলো আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় যোগ করলে সুস্থ থাকতে সাহায্য করবে। চলুন, জেনে নেওয়া যাক ফাইবারে ভরপুর কিছু ফল:

১. পেয়ারা
সহজলভ্য এবং ফাইবারে ভরপুর ফলগুলোর মধ্যে একটি হলো পেয়ারা। একটি মাঝারি আকারের পেয়ারা প্রায় ৫ গ্রাম ফাইবার সরবরাহ করতে পারে। এছাড়া, পেয়ারা ভিটামিন সি-তে সমৃদ্ধ, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। কাঁচা পেয়ারা চিবিয়ে খাওয়া যায় অথবা সালাদে ব্যবহার করা যায়। তবে, জুস তৈরি করলে ফাইবারের বড় অংশ বাদ পড়ে।

২. পেঁপে
পেঁপে ফাইবার এবং পাপাইন নামক এনজাইমের জন্য পরিচিত, যা হজমে সহায়তা করে। এক কাপ পেঁপেতে প্রায় ২.৫ গ্রাম ফাইবার থাকে। পেঁপে সকালের নাস্তায় খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়।

৩. কলা
কলা সহজলভ্য এবং ফাইবারের একটি দুর্দান্ত উৎস। একটি মাঝারি কলায় প্রায় ৩ গ্রাম ফাইবার থাকে। এছাড়া, কলা পটাশিয়ামে সমৃদ্ধ, যা হৃদরোগের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। কলা দ্রুত নাস্তার জন্য উপযুক্ত এবং স্মুদি বা সিরিয়ালে যোগ করা যেতে পারে।

৪. আপেল
আপেল ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের দারুণ উৎস। একটি মাঝারি আপেলে প্রায় ৪ গ্রাম ফাইবার থাকে, বিশেষ করে যদি আপনি খোসা সহ খেতে পারেন। আপেল রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

৫. নাশপাতি
নাশপাতি রসালো এবং উচ্চ ফাইবারযুক্ত। একটি মাঝারি আকারের নাশপাতিতে প্রায় ৫-৬ গ্রাম ফাইবার থাকে। এটি হজমের জন্য বেশ উপকারী এবং স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখতে সাহায্য করে, কারণ এতে ক্যালোরি কম থাকে।

৬. সফেদা
সফেদা একটি মিষ্টি ফল যা প্রায় ৫ গ্রাম ফাইবার সরবরাহ করে। এটি ভিটামিন সি এবং ভিটামিন এ-এও সমৃদ্ধ। সফেদা হজমশক্তি উন্নত করার জন্য উপকারী এবং খাদ্যতালিকায় সহজেই যোগ করা যায়।

৭. কমলা
কমলা ভিটামিন সি-এর জন্য জনপ্রিয়, তবে এতে প্রচুর ফাইবারও রয়েছে। একটি মাঝারি কমলায় প্রায় ৩ গ্রাম ফাইবার থাকে। এটি হাইড্রেটিং এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।

৮. আনারস
আনারস প্রচুর ফাইবারে সমৃদ্ধ। এক কাপ আনারসের টুকরায় প্রায় ২.৩ গ্রাম ফাইবার থাকে। ব্রোমেলাইন নামক এনজাইমটি হজমে সহায়তা করে এবং প্রদাহ কমায়। কাঁচা বা গ্রিল করে খাওয়া যায়, অথবা ফলের সালাদের সঙ্গে মিশিয়ে পরিবেশন করা যেতে পারে।

এই ফলগুলো আপনার খাদ্যতালিকায় যুক্ত করলে, আপনি পাবেন স্বাস্থ্যের অনেক উপকারিতা। তাই, এখন থেকেই এগুলো নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন!

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




লবঙ্গের চমৎকার স্বাস্থ্য উপকারিতা: প্রতিদিন একটি লবঙ্গ খান!

রান্নাঘরের পরিচিত এক ছোট কালো মসলার নাম লবঙ্গ। সবজি, ডাল বা মিষ্টি — প্রতিটি রান্নাতেই লবঙ্গের উপস্থিতি থাকে। তার সুগন্ধ ও স্বাদ খাবারের গুণ বাড়িয়ে দেয়। তবে, এর শুধু রান্নার কাজ নয়, স্বাস্থ্য উপকারিতাও রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রতিদিন একটি লবঙ্গ খেলে নানা ধরনের উপকার পাওয়া যায়। চলুন, জেনে নেওয়া যাক এর কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা:

১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে
লবঙ্গের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে। এটি সর্দি, কাশি, ফ্লু সহ নানা সাধারণ রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে। তাই প্রতিদিন একটুখানি লবঙ্গ খেলে শরীর সংক্রমণের বিরুদ্ধে আরও কার্যকরীভাবে লড়াই করতে সক্ষম হয়।

২. রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে
ডায়াবেটিস বা প্রি-ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের জন্য লবঙ্গ হতে পারে এক কার্যকরী উপাদান। লবঙ্গের ডায়াবেটিস-বিরোধী বৈশিষ্ট্য টাইপ ২ ডায়াবেটিসের হাইপারলেপ্টিনেমিয়া নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে, এমনটাই এক গবেষণায় প্রকাশ পেয়েছে।

৩. দাঁতের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে
লবঙ্গের ব্যথানাশক বৈশিষ্ট্য দাঁতের ব্যথা উপশম করতে সাহায্য করে। অনেক টুথপেস্টে লবঙ্গের উপস্থিতি দেখা যায়, যা দাঁতের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে এবং মুখের ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে। দাঁতের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে লবঙ্গ তেলও ব্যবহার করা যেতে পারে।

৪. অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর
লবঙ্গ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ, যা শরীরের কোষের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। এটি অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করে, ফলে বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি কমে এবং কোষের ক্ষতি হ্রাস পায়।

৫. হজম স্বাস্থ্য উন্নত করে
হজমের সমস্যা হলে লবঙ্গ একটি কার্যকরী উপাদান হতে পারে। এটি হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে, পেট ফাঁপা, গ্যাস এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সহায়তা করে। তাই হজমের সমস্যা সমাধানে লবঙ্গ খাওয়ার অভ্যাস করুন।

লবঙ্গের এই স্বাস্থ্য উপকারিতা নিশ্চিতভাবেই আপনার দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে আরও সুস্থ এবং উপকারী করে তুলবে।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ভিটামিন ডি: সুস্থতার মূলমন্ত্র

সুস্থ শরীর ও সজীব মনের জন্য ভিটামিন ডি অপরিহার্য। এটি এমন একটি প্রাকৃতিক উপাদান যা হাড় ও পেশি শক্তিশালী করতে সহায়তা করে এবং মন-মেজাজও ভালো রাখে। ভিটামিন ডি-এর অভাবে পেশি দুর্বল হয়ে পড়ে, অস্টিওপোরোসিসসহ বিভিন্ন জটিল রোগের শিকার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। এর ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং দৈনন্দিন কাজ করার ইচ্ছাও হারিয়ে যায়।

আজকের কর্মব্যস্ত জীবনে সূর্যালোকে সময় কাটানোর সুযোগ কমে গেছে। তবে, ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণের জন্য সাপ্লিমেন্ট ও খাবারের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাওয়া সম্ভব।

ভিটামিন ডি-এর ভালো উৎস

বিশেষ কিছু খাবারে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়, যেমন:

দুগ্ধজাত খাবার: দুধ, মাখন, এবং পনির।

ডিমের কুসুম: প্রোটিন ও ভিটামিন ডি-এর সমৃদ্ধ উৎস।

তৈলাক্ত মাছ: স্যামন, সার্ডিন, টুনা।

তবে কিছু নির্দিষ্ট শাকসবজিও ভিটামিন ডি গ্রহণের ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। নিচে এমন কয়েকটি শাকসবজি তুলে ধরা হলো:

1. করলা: করলার ভাজা কিংবা রস শরীরের ভিটামিন ডি শোষণ ক্ষমতা বাড়ায়।

2. পালং শাক: শীতের মৌসুমে পালং শাকের পুষ্টিগুণ শরীরকে শক্তি জোগায়।

3. লাউ: লাউয়ের রস বা চিংড়ির ঘণ্ট শরীরে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে।

4. মিষ্টি আলু: ফাইবারে ভরপুর মিষ্টি আলু ভিটামিন ডি-এর একটি ক্ষুদ্র উৎস।

5. কুমড়া: নিয়মিত কুমড়া খেলে শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি মেলে।

6. ডাঁটা: ডাঁটা দিয়ে চচ্চড়ি বা ঝোল খেলে শরীর পায় ভিটামিন ডি।

7. মাশরুম: বিশেষত সূর্যালোকে বাড়া মাশরুম ভিটামিন ডি তৈরিতে সক্ষম।

 

ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি দূর করতে এই খাবারগুলো প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় যোগ করুন। পাশাপাশি, প্রতিদিন অন্তত ১৫-২০ মিনিট রোদে থাকা নিশ্চিত করুন। এতে শরীর ও মন দুটিই সুস্থ থাকবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ ও প্রতিকার: জানুন বিপদের ইঙ্গিত

উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন একটি নীরব ঘাতক রোগ হিসেবে পরিচিত। এই সমস্যার কারণে স্ট্রোক ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি দ্বিগুণ বেড়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষের স্বাভাবিক রক্তচাপ ১২০/৮০ মিলিমিটার পারদ চাপ। তবে, রক্তচাপ যদি ১৪০/৯০ মিলিমিটার পারদের বেশি হয়, তখন তা উচ্চ রক্তচাপ বলে বিবেচিত হয়।

উচ্চ রক্তচাপের কয়েকটি সাধারণ লক্ষণ রয়েছে। এগুলো হলো:

দৃষ্টি ঝাপসা হওয়া

বুকে ব্যথা বা চাপ অনুভূত হওয়া

শ্বাসকষ্ট বা নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া

নাক দিয়ে রক্ত পড়া

মাথা ব্যথা বা মাথা ঘোরা

অনিদ্রা ও ক্লান্তি

প্রস্রাবে রক্ত যাওয়া

শরীরের কোনো অঙ্গ বিশেষ দুর্বল বা অবশ হয়ে যাওয়া

অনিয়মিত হৃদস্পন্দন

অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের ক্ষেত্রে খিঁচুনি

চোখের সমস্যা ও উচ্চ রক্তচাপ

উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণ অনেক সময় চোখে ফুটে ওঠে। এটি অবহেলা করলে বড় বিপদের কারণ হতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে বলা হয় ‘হাইপারটেনসিভ রেটিনোপ্যাথি’। এর ফলে চোখের রেটিনার রক্তনালিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই সমস্যায় আক্রান্তদের স্ট্রোকের ঝুঁকি থাকে বেশি।

চোখে রক্তনালিগুলো ফেটে গেলে চোখ লাল হয়ে যেতে পারে। এটি উচ্চ রক্তচাপের একটি গুরুতর লক্ষণ। অনেক সময় চোখ পরীক্ষা না করলে এই সমস্যাগুলো ধরা পড়ে না। তাই নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না থাকলে দৃষ্টিশক্তি কমে যেতে পারে। এর পেছনে মূল কারণ হলো রেটিনার রক্তনালিগুলোর ক্ষতি, যা চোখের রক্ত প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে।

করণীয়

উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে জীবনযাপনে পরিবর্তন আনতে হবে। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পরিমিত খাবার গ্রহণ, ধূমপান ও অ্যালকোহল বর্জন, এবং পর্যাপ্ত ব্যায়াম উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




হিউম্যান মেটাপনিউমোভাইরাস থেকে বাঁচতে যা করবেন

হিউম্যান মেটাপনিউমোভাইরাস (এইচএমপিভি) প্রথম শনাক্ত হয়েছিল ২০০১ সালে, এবং এটি আবারও হুমকি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। সব বয়সের মানুষই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। এইচএমপিভি মূলত শ্বাসযন্ত্রের ফোঁটার মাধ্যমে ছড়ায়। এর বিস্তার রোধে সতর্কতা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিচে এই ভাইরাস থেকে বাঁচতে করণীয়গুলো তুলে ধরা হলো।

১. হাত পরিষ্কার রাখুন

ভাইরাস ছড়ানো রোধে ঘন ঘন সাবান ও পানি দিয়ে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুয়ে নিন। হাত ধোয়ার সুযোগ না থাকলে অ্যালকোহলযুক্ত হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন। পাশাপাশি, চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন।

২. মাস্ক ব্যবহার করুন

মাস্ক ব্যবহার ভাইরাস ছড়ানো উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে পারে। এটি নাক ও মুখ ঢেকে পরুন এবং হাঁচি বা কাশির সময় সুরক্ষিত থাকুন।

৩. রেসপিরেটরি ম্যানার্স মেনে চলুন

কাশি বা হাঁচি দেওয়ার সময় কনুই বা টিস্যু দিয়ে মুখ ঢাকুন। ব্যবহৃত টিস্যু সঠিকভাবে ফেলে দিয়ে দ্রুত হাত স্যানিটাইজ করুন।

৪. স্পর্শকৃত জিনিস পরিষ্কার রাখুন

দরজার হাতল, স্মার্টফোন, আলোর সুইচ এবং কীবোর্ডের মতো জিনিসগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করুন। সঠিক জীবাণুনাশক ব্যবহার নিশ্চিত করুন।

৫. অসুস্থ ব্যক্তিদের থেকে দূরে থাকুন

শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতার লক্ষণযুক্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন। আপনার আশেপাশে কেউ অসুস্থ হলে তাদের দ্রুত চিকিৎসার পরামর্শ দিন।

৬. অসুস্থ হলে বাড়িতে থাকুন

জ্বর, কাশি বা শ্বাসকষ্ট হলে জনবহুল জায়গায় যাওয়া এড়িয়ে চলুন। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলুন এবং বিশ্রামে থাকুন।

৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করুন

তাজা ফল, শাক-সবজি, হোল গ্রেইনসহ সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন। প্রচুর পানি পান এবং নিয়মিত ব্যায়াম করুন। এই অভ্যাসগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে।

এইচএমপিভির সংক্রমণ প্রতিরোধে এগুলো মেনে চললে ঝুঁকি অনেকটাই কমবে। স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে সুস্থ থাকুন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ছোট ছোট অভ্যাস

স্মৃতিশক্তি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রিয়জনের জন্মদিন মনে রাখা থেকে শুরু করে কাজের প্রতি মনোযোগ ধরে রাখা পর্যন্ত—সবকিছুতেই এটি প্রয়োজনীয়। কিন্তু কিছু ছোট ছোট অভ্যাস মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতে এবং স্মরণশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। নিচে এমন পাঁচটি অভ্যাস নিয়ে আলোচনা করা হলো যা স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক।

১. সকালে পানি পান করার অভ্যাস করুন

সকাল শুরু করুন এক গ্লাস পানি পান করে। দীর্ঘ ঘুমের পর শরীর পানিশূন্য হয়ে যায়, যা মস্তিষ্কের কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করে। পানিশূন্যতা দূর করতে পানি পান করা স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। বিছানার পাশে এক গ্লাস পানি রাখতে পারেন যেন ভুলে না যান।

২. পর্যাপ্ত ঘুমান

মানসম্মত ঘুম স্মৃতিশক্তির জন্য অপরিহার্য। ঘুমের সময় মস্তিষ্ক স্মৃতিগুলোকে সংরক্ষণ করে এবং প্রক্রিয়া করে। স্ক্রিন ব্যবহার কমিয়ে ঘুমানোর এক ঘণ্টা আগে থেকে বিশ্রাম নিন। এটি নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত করলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়বে।

৩. গুরুত্বপূর্ণ বিষয় লিখে রাখুন

যা মনে রাখতে চান তা লিখে রাখুন। এটি শুধু তথ্য সংরক্ষণে সাহায্য করে না, বরং চিন্তাভাবনা গুছিয়ে আনতেও সহায়ক। কাজের তালিকা, নতুন ধারণা বা এলোমেলো চিন্তাগুলো লিখে রাখার অভ্যাস স্মরণশক্তি উন্নত করে।

৪. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খান

মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতে খাদ্যতালিকায় বেরি, পালং শাক, বাদাম, আখরোট, এবং ডার্ক চকলেট অন্তর্ভুক্ত করুন। এগুলো অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ, যা মস্তিষ্কের কোষ রক্ষা করে এবং জ্ঞানীয় দক্ষতা বৃদ্ধি করে। প্রতিদিন এক মুঠো বাদাম খাওয়ার অভ্যাস স্মৃতিশক্তির জন্য উপকারী।

৫. প্রতিদিন হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুলুন

প্রতিদিন ২০ মিনিট দ্রুত হাঁটলে মস্তিষ্কে রক্ত ​​প্রবাহ বাড়ে, যা স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ উন্নত করে। এটি মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখতে সহায়ক এবং শারীরিক স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী।

এই অভ্যাসগুলো গ্রহণ করলে স্মৃতিশক্তি উন্নত হবে এবং মস্তিষ্ক আরও সক্রিয় থাকবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম