বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ শুরু ২০ জানুয়ারি

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: আগামী ২০ জানুয়ারি থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদের কার্যক্রম শুরু করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আলী নেওয়াজ বলেন, আমরা আশা করছি ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসের দ্বিতীয়ার্ধে এ কার্যক্রম শুরু করতে পারব। ইতোমধ্যে আমরা প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। ৫ জানুয়ারির মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শেষ করতে পারব। যারা এ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন তারা মাঠের যে জনবল বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন তাদের প্রশিক্ষণ দেবেন।

তিনি আরও বলেন, ২ জানুয়ারি খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। এটি আমরা সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেব। জনগণ এটা দেখার সুযোগ পাবেন। সেখান থেকে যদি কেউ বাদ পড়ে থাকেন তাহলে তাদের দাবি-আপত্তি নিষ্পত্তির একটা ব্যবস্থা করা হবে। দাবি-আপত্তি নিষ্পত্তির পর ২ মার্চ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। এ কাজ আমরা প্রতি বছরই করে থাকি। এটাকে আমরা চব্বিশের হালনাগাদ ও পঁচিশের ভোটার তালিকা হিসেবে গণ্য করব।

আগাম এক বছরের তথ্য সংগ্রহ করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা শুধু পঁচিশ সালের তথ্য সংগ্রহ করব না। একইসঙ্গে ছাব্বিশ সালের ১ জানুয়ারি যাদের বয়স ১৮ হবে তাদের তথ্যও সংগ্রহ করব। তাদের আমরা ২০২৬ সালের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করব। তবে তারা পঁচিশ সালের কোনো নির্বাচনে ভোটার হিসেবে গণ্য হবেন না।

দেশের সব নাগরিকের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, তথ্য সংগ্রহকারীরা যখন বাড়ি বাড়ি যাবেন তখন তাদের সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করবেন।




যা আছে জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্রের খসড়ায়

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানকে সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে ‘জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র’ প্রকাশ করবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

আগামী ৩১ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে এ ঘোষণাপত্র প্রকাশ করা হবে।

শনিবার (২৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার পর থেকে জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলছে নানা আলোচনা।

তবে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম ইতোমধ্যে স্পষ্ট করেছেন এই ঘোষণাপত্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই।

তাহলে কি আছে এই ঘোষণাপত্রে?

জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্রের খসড়ায় বলা আছে, যেহেতু বাংলাদেশের মানুষ ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্তির জন্য ১৯৪৭ সাল যুদ্ধ করেছে, যেহেতু পাকিস্তান ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করেছে, যেহেতু ১৯৭২ এর সংবিধান আমাদের জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করতে পারেনি, যেহেতু মার্শাল ল’ এবং সাংবিধানিক সংশোধনীসমূহ ক্রমান্বয়ে রাষ্ট্রকে দুর্বলতম করেছে। এই উত্থান-পতনের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস হয়েছে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হয়েছে।

খসড়ায় আরও উল্লেখ রয়েছে, যেহেতু বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামকে ফ্যাসিস্ট শাসন কায়েম করার ক্ষেত্রে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে; পিলখানা, শাপলা চত্বর গণহত্যা, বিচার বিভাগীয় হত্যা, সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে; ছাত্র-জনতা এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে; রাজাকারের নাতি হিসেবে আখ্যায়িত করে তাদের ব্যক্তিত্ব ও মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত করা হয়েছে; আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ফ্যাসিস্ট শাসন দীর্ঘস্থায়ী কারার ক্ষেত্রে বেপরোয়া ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে; ছাত্ররা ৯ দফা দাবি উপস্থাপন করেছিল, ইন্টারনেট বন্ধ করে কারফিউ জারি করে ছাত্র-জনতার উচ্চকিত কণ্ঠ স্তিমিত করার চেষ্টা হয়েছিল; ছাত্র-জনতা অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছিল; সকল শ্রেণি-পেশার, ধর্ম, বর্ণ, সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী, ডান-বাম নির্বিশেষ ফ্যাসিজমের বিরুদ্ধে অকল্পনীয় ঐক্য গড়ে তুলেছে, সেহেতু ছাত্র-জনতা ব্যাপক জনসমর্থন লাভ করেছে এবং সহস্রাধিক জীবন বিসর্জন দিয়েছে। সেই সঙ্গে আজও শত শত ছাত্র-জনতা মৃত্যু যন্ত্রণায় কাতর, সেজন্য আমরা নিজেদের স্বাধীন সার্বভৌম জনগণ হিসেবে ঘোষণা করলাম। এর প্রেক্ষিতে…

* আমরা পার্লামেন্ট বিলুপ্তি চাই।
* হাসিনা সরকারের সময় নিযুক্ত কর্মকর্তা কর্মচারীদের রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখতে চাই।
* আমরা ড. ইউনূসের নেতৃত্বে একটা অন্তর্বর্তী সরকার চাই।
* মিলিটারি শাসন ও ১/১১ এর পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, সেজন্য বেগম খালেদা জিয়ার তড়িৎ মুক্তি কামনা করছি।
* আমরা ’৭২ এর সংবিধান সংস্কার বা বাতিল চাই।
* আমরা সকল প্রতিষ্ঠানের সংস্কার চাই।
* আমরা গুম, খুন ও গণহত্যার সুবিচার চাই।
* অর্থপাচার, পাচারকৃত অর্থ উদ্ধার এবং পাচারকারী ব্যক্তিদের শাস্তি চাই।
* আমরা নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত চাই। ’৭২ এর বন্দোবস্ত বাতিল চাই।
* ১/১১ এর বন্দোবস্ত বাতিল চাই।
* আমরা একটি গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র (Democratic Republic) চাই, আমরা বৈষম্য চাই না।

এই ঘোষণা ৫ আগস্ট, ২০২৪ থেকে কার্যকর হবে বলেও জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্রের খসড়ায় উল্লেখ রয়েছে।




দুদকের নতুন মহাপরিচালক আবু হেনা মোস্তফা জামান

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে আবু হেনা মোস্তফা জামানকে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বর্তমানে জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

রবিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আবু হেনা মোস্তাফা জামানকে দুদকের মহাপরিচালক হিসেবে পদায়নের জন্য তার চাকরি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ন্যস্ত করা হয়েছে।




দুমকিতে প্রেমিকার বিয়ের দাবিতে অনশন, প্রেমিক পলাতক

পটুয়াখালীর দুমকিতে প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকা অনশনে বসেছেন। রোববার (২৯ ডিসেম্বর) রাতে উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নের লেবুখালী গ্রামে হারুন শিকদারের ছেলে প্রেমিক হাসান মাহমুদ সাজনের বাড়িতে এই অনশন শুরু করেন।

চাঁদনী, ওই তরুণী জানান, গত চার বছর ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল এবং সম্পর্কের কারণে নিয়মিত দেখা-সাক্ষাৎ হত। একপর্যায়ে প্রেমিক সাজিন তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমে তার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেন। কয়েক বছর বিয়ের আশ্বাস দিলেও গত পাঁচ মাস ধরে সাজিন তার সঙ্গে সব যোগাযোগ বন্ধ করে দেন।

সম্প্রতি চাঁদনী জানতে পারেন যে, সাজিনের সঙ্গে অন্য একটি মেয়ের বিয়ের আলোচনা চলছে। তখন তিনি সাজিনের বাড়িতে আসেন। চাঁদনী বলেন, “আমি যখন বাড়িতে আসি, সাজিন আমাকে দেখেই বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। এরপর আমি সাজিনের ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে থাকলে, সাজিনের মা, ফুফু ও বোন মিলে আমাকে মারধর করেন এবং আমার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেন। পরে গণমাধ্যম কর্মীরা এসে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে তারা মোবাইল ফোনটি ফিরিয়ে দেন।”

চাঁদনীর মা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন, এবং ভুক্তভোগী তরুণী আরও জানান, এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিরা তাকে বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করছেন। এমন পরিস্থিতিতে তিনি নিজেকে নিরাপত্তাহীন মনে করছেন।

অভিযুক্ত প্রেমিক হাসান মাহমুদ সাজিন তার বক্তব্যে বলেন, “চাঁদনীর সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি আমার ছোট বোনের বান্ধবী, সেই সুবাদে মাঝে মাঝে আমাদের বাড়িতে আসতেন। এর বাইরে কিছুই নয়।”

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন বলেন, “চাঁদনী আক্তারের মা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে প্রাথমিক তদন্তে তাদের মধ্যে সম্পর্কের সত্যতা পেয়েছে। প্রেমিক বর্তমানে পলাতক রয়েছে।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




নতুন নীতিমালায় টেলিযোগাযোগ খাতে অস্থিরতার শঙ্কা

দেশের টেলিযোগাযোগ খাতকে কেন্দ্র করে বিটিআরসি নতুন একটি নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে, যার নাম “ইনফ্রাস্ট্রাকচার শেয়ারিং গাইডলাইন”। এই নীতিমালার প্রভাব নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, এটি টেলিযোগাযোগ খাতে একতরফা আধিপত্য প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করবে।

নতুন গাইডলাইন অনুসারে মোবাইল অপারেটরদের নিজস্ব ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক নির্মাণ ও ফিক্সড ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে। এর ফলে মোবাইল অপারেটরদের হাতে ইন্টারনেটের পুরো বাজার চলে যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে দেশে ইন্টারনেট সেবার দাম বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং দেশীয় আইএসপি প্রতিষ্ঠানগুলো অস্তিত্ব সংকটে পড়বে।

২০০৮ সালের আগেও দেশের টেলিযোগাযোগ খাতে একটি মোবাইল অপারেটরের একক আধিপত্য ছিল। তখন সার্কিট ট্রান্সমিশন ও ব্যান্ডউইথ সরবরাহে প্রতিষ্ঠানগুলো বিপুল অর্থ গুণতে বাধ্য হতো। কিন্তু এনটিটিএন নীতিমালার আওতায় ফাইবার অ্যাট হোম ও সামিট কমিউনিকেশনসের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোর আবির্ভাবের পর সেবার দাম কমে আসে।

তবে নতুন গাইডলাইনের মাধ্যমে মোবাইল অপারেটরদের আরও ক্ষমতাশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে করে এনটিটিএন প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হবে এবং টেলিযোগাযোগ খাতে অস্থিরতা বাড়বে।

বিটিআরসি গত ১৮ ডিসেম্বর এই গাইডলাইনের খসড়া প্রকাশ করে। এটি অনুমোদনের জন্য ২৯ ডিসেম্বর চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিদ্যমান এনটিটিএন নীতিমালার সামান্য সংশোধনই যথেষ্ট ছিল। কিন্তু তা না করে নতুন গাইডলাইন তৈরির পেছনে কী উদ্দেশ্য, তা বোধগম্য নয়।

ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সাইমুম রেজা তালুকদার মনে করেন, বিদ্যমান নীতিমালা সংশোধন করলেই টেলিযোগাযোগ খাতের উন্নয়ন সম্ভব হতো। অথচ নতুন গাইডলাইন প্রণয়ন শুধু অস্থিরতা সৃষ্টি করবে।

টেলিযোগাযোগ খাত বিশেষজ্ঞ সুমন আহমেদ সাবিরের মতে, এই গাইডলাইন অনুমোদিত হলে গত ১৫ বছরের স্থিতিশীল পরিবেশ নষ্ট হবে। স্থানীয় আইএসপি প্রতিষ্ঠানগুলোর টিকে থাকা কঠিন হবে এবং মোবাইল অপারেটরদের একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হবে।

এছাড়া মোবাইল অপারেটরদের আরও ক্ষমতা দেওয়ার মাধ্যমে ইন্টারনেটের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে। এমনকি নিরবচ্ছিন্ন নেটওয়ার্ক সেবাও বিঘ্নিত হতে পারে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, তড়িঘড়ি করে এই গাইডলাইন অনুমোদন না করে বিদ্যমান নীতিমালার ওপর আরও কাজ করা উচিত। এতে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো টিকতে পারবে এবং টেলিযোগাযোগ খাতে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ বজায় থাকবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



বরিশাল সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু গ্রেপ্তার

রাজধানীর খিলগাঁও তিলপাপাড়া এলাকার একটি বাসা থেকে বরিশাল সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও বরিশাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি, শিল্পপতি সাইদুর রহমান রিন্টুকে গ্রেপ্তার করেছে খিলগাঁও থানা পুলিশ।

সাইদুর রহমান রিন্টু, যিনি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী এবং বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন, তাকে রোববার (২৯ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে গ্রেপ্তার করা হয়। খিলগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দাউদ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, রিন্টুকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এছাড়া, তার বিরুদ্ধে বরিশাল জেলায় অন্যান্য মামলা রয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) রিন্টুকে আদালতে পাঠানো হবে।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




ঝালকাঠিতে অবৈধ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিল ভ্রাম্যমাণ আদালত

ঝালকাঠির নলছিটিতে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা এক ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে কাঁচা ইট ধ্বংস ও ভাটা গুঁড়িয়ে দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। রোববার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলা কুলকাঠি ইউনিয়নের সরই গ্রামে পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট শাখার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়জুন্নেছা আক্তার।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আনজুমান নেছা। অভিযানে জানা যায়, সরই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের ফসলি জমিতে ছাড়পত্র ছাড়া অবৈধভাবে ইটভাটা গড়ে উঠেছিল এবং সেখানে ইট পোড়ানো হচ্ছিল। স্কুল কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়রা পরিবেশ অধিদপ্তরে এ ভাটার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে, পরিবেশ অধিদপ্তর অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ ভাটাটি ভেঙে দেয়। ভেঙে ফেলার পর ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের মাধ্যমে আগুন নেভানো হয়।

জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আনজুমান নেছা জানান, “অভিযোগ পেয়ে আমরা অভিযান চালিয়েছি। এটি আগে বন্ধ ছিল, কিন্তু পুনরায় চালু করা হয়েছিল। এ ভাটার কোনো ছাড়পত্র ছিল না। মালিককে পাওয়া যায়নি, তাই তাকে নোটিশ পাঠানো হবে। আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




 টেংরাগিরি ইকোপার্ক: অবহেলা ও সংস্কারের অভাবে বেহাল অবস্থা

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, বরগুনার তালতলী উপজেলার টেংরাগিরি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ধ্বংসের পথে। প্রায় ২০১০-১১ এবং ২০১১-১২ অর্থবছরে প্রায় দুই কোটি ৬৪ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই অভয়ারণ্যটি বর্তমানে নানা সমস্যায় জর্জরিত।

বনে প্রবেশের জন্য টেংরাগিরি সেতুর নির্মাণ কাজ তিন বছর ধরে বন্ধ রয়েছে, যার ফলে দর্শনার্থীদের সংখ্যা কমে গেছে। সেতুর উচ্চতা সংক্রান্ত জটিলতা, সীমানা প্রাচীরের অবস্থা, চলাচলের রাস্তা ও সেতু সবকিছুই নাজুক হয়ে পড়েছে। বন বিভাগ এবং জেলা প্রশাসন আশ্বাস দিয়েছে যে দ্রুত সমস্যাগুলোর সমাধান করা হবে।

টেংরাগিরি ইকোপার্কের মধ্যে দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে নির্মিত সড়ক, সেতু ও বিশ্রামাগারের বেশিরভাগই ভেঙে গেছে। ইটের রাস্তা থেকে উঠে গেছে ইট, ছোট ছোট সেতুর কাঠ ও সিমেন্টের পাটাতন সরে গেছে, যার ফলে দুর্ঘটনা ঘটার ঝুঁকি রয়েছে। দর্শনার্থীরা বর্তমানে ঝুঁকি নিয়ে খেয়া নৌকায় পারাপার করছেন। এছাড়া বনের ভিতরে বিভিন্ন প্রাণীর নিরাপত্তার জন্য নির্মিত বেষ্টনীগুলি ভেঙে গেছে, এবং কিছু স্থানে বন্যপ্রাণী দেখা না যাওয়ার কারণে পর্যটকরা হতাশ হচ্ছেন।

বরগুনা থেকে আসা পর্যটকরা এই ইকোপার্কের বেহাল অবস্থার কথা জানিয়ে বলেন, ‘সবকিছু ভাঙাচোরা হয়ে গেছে। রাস্তা, সেতু এবং বন্যপ্রাণী দেখার জন্য স্থাপনা সবই পরিত্যক্ত।’ তারা আরও বলেন, ‘যতদিন পর্যন্ত এসব সমস্যা সমাধান না হবে, ততদিন পর্যটকরা আসতে চাইবেন না।’

বন বিভাগের তালতলী রেঞ্জ অফিসার মো. মতিউর রহমান জানান, সেতু নির্মাণের কাজ সম্পূর্ণ হলে পর্যটকদের আসার সুবিধা হবে। তবে সেগুলোর সংস্কার এবং পুনরায় নির্মাণের জন্য বরাদ্দের অপেক্ষায় রয়েছেন।

বরগুনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আলম জানিয়েছেন, পর্যটন কেন্দ্রটি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের পাশাপাশি পর্যটন শিল্পের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কর্তৃপক্ষ দ্রুত সমস্যাগুলোর সমাধানে ব্যবস্থা নিবে।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




চিকিৎসক-নার্স সংকটে ভোলার খায়ের হাট হাসপাতাল, চিকিৎসা সেবা ব্যাহত

ভোলার খায়ের হাট ৩০ শয্যা হাসপাতাল বর্তমানে নানা সংকটের মুখে। চিকিৎসক ও নার্সের অভাবে ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসা সেবা। প্রায় দেড় মাস ধরে রোগী ভর্তি বন্ধ রয়েছে এবং হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষার যন্ত্রাংশও নেই। এমন পরিস্থিতিতে, জরুরি বিভাগেও সামান্য সমস্যা ছাড়া সেবা দেওয়া হচ্ছে না।

খায়ের হাট হাসপাতালটি তিনটি উপজেলার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত, যেখানে পাঁচটি ইউনিয়নের প্রায় দেড় লাখ মানুষ চিকিৎসা সেবা পাওয়ার কথা। কিন্তু অভাবনীয় চিকিৎসক সংকট এবং অবকাঠামোগত দুর্বলতার কারণে তাদের সেবা পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে, রোগীদের ভোলা সদর হাসপাতাল কিংবা বরিশাল যেতে বাধ্য হতে হচ্ছে, যা তাদের জন্য একাধিক ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, বর্তমানে হাসপাতালে একটি ডেন্টাল সার্জন ও একটি মেডিকেল অফিসার কাজ করছেন, তবে তিনি দিনের কয়েক ঘণ্টা ছাড়া অন্যান্য সময় বহির্বিভাগে সামান্য রোগীই দেখেন। প্রায় দেড় মাস ধরে রোগী ভর্তি বন্ধ থাকায়, অনেক রোগী চিকিৎসার জন্য দীর্ঘ পথে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছেন।

রোগী ও স্বজনরা জানান, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভাবে তারা সঠিক চিকিৎসা পাচ্ছেন না। উদাহরণস্বরূপ, শিশুদের চিকিৎসার জন্য এখানে কোনো বিশেষজ্ঞ নেই। এক রোগী জানান, বুকে ও কোমরে ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে আসলে চিকিৎসক এক্সরে করার পরামর্শ দেন, কিন্তু যন্ত্রাংশের অভাবে তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে যেতে বলা হয়।

এছাড়া, হাসপাতালের জরুরি বিভাগে সামান্য রোগও চিকিৎসা পাচ্ছে না, যার ফলে আশেপাশের গ্রামের মানুষের ভোগান্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে। রোগীদের অভিযোগ, তাদের চিকিৎসা নেওয়ার জন্য ২০ কিলোমিটার দূরে ভোলা সদর হাসপাতালে যেতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত কষ্টকর।

হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক, ডেন্টাল সার্জন ডা. আরেফিন রশীদ জানান, হাসপাতালটির চিকিৎসক ও নার্সের ঘাটতি মেটাতে কর্তৃপক্ষকে বারবার জানানো হলেও সমস্যার সমাধান হয়নি। বর্তমানে ৫৩টি পদে মাত্র ১৫ জন কর্মী রয়েছেন, ফলে চিকিৎসা সেবা প্রদান কঠিন হয়ে পড়েছে।

ভোলা সিভিল সার্জন ডা. মো. মনিরুল ইসলাম জানান, সমস্যা সমাধানে ইতোমধ্যে কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে এবং একজন নতুন চিকিৎসক দেওয়া হলেও তিনি এখনও যোগদান করেননি। কর্তৃপক্ষ দ্রুত এই সমস্যা সমাধানে কাজ করছে এবং হাসপাতালের কার্যক্রম স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




আজ থেকে শুরু হচ্ছে বিপিএল, মাঠে নামবে বরিশাল-রাজশাহী

আজ, সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) এর ১১তম আসর। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এই আসরটি সাফল্যমণ্ডিত করার জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা করেছে। প্রথম দিনেই মাঠে নামছে গত বছরের চ্যাম্পিয়ন ফরচুন বরিশাল এবং শক্তিশালী রাজশাহী। মিরপুর শেরে বাংলায় দুপুর ১:৩০ মিনিটে শুরু হবে এই ম্যাচ। সন্ধ্যায় ঢাকা ক্যাপিটালস ও রংপুর রাইডার্সের মধ্যে একটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, যা সন্ধ্যা ৭টায় শুরু হবে। দুটি ম্যাচই সরাসরি সম্প্রচার করবে টি-স্পোর্টস।

বিপিএলের প্রথম আসরটি ২০১২ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং তা ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। তবে সময়ের সাথে সাথে এই টুর্নামেন্টের গুণগত মান কিছুটা কমে গেছে। এবার, ১১তম আসরটি নতুনভাবে শুরু হচ্ছে, যাতে নতুন উদ্দীপনা এবং আকর্ষণ থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। যদিও শুরুর দিনগুলোতে কিছু দলের অধিনায়ক ও বিদেশি খেলোয়াড়রা এখনও দলের সঙ্গে যুক্ত হয়নি, তবুও বিপিএল শুরু হতে যাচ্ছে নানা প্রতিযোগিতার মাঝে।

এই আসরে অংশগ্রহণ করছে ৭টি দল এবং মোট ৪৬টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। গ্রুপ পর্বে প্রতিটি দল একে অপরের সঙ্গে দুইবার মুখোমুখি হবে, যার পর সেরা ৪টি দল খেলবে প্লে-অফে। প্লে-অফের তিনটি ম্যাচ হবে: কোয়ালিফায়ার-১, এলিমিনেটর এবং কোয়ালিফায়ার-২। শেষ পর্যন্ত ৭ ফেব্রুয়ারি শেরে বাংলায় অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল ম্যাচ।

সাত দলের স্কোয়াড:

ঢাকা ক্যাপিটালস
দেশি: মোস্তাফিজুর রহমান, তানজিদ হাসান, লিটন দাস, হাবিবুর রহমান, মুকিদুল ইসলাম, আবু জায়েদ, মুশফিক হাসান, সাব্বির রহমান, মুনিম শাহরিয়ার, আসিফ হাসান, শাহাদাত হোসেন ও আলাউদ্দিন বাবু।
বিদেশি: থিসারা পেরেরা, জনসন চার্লস, শাহনেওয়াজ দাহানি, মীর হামজা, স্টিফেন এসকিনেজি, সাইম আইয়ুব, আমির হামজা।

চিটাগং কিংস
দেশি: সাকিব আল হাসান, শরীফুল ইসলাম, শামীম হোসেন, পারভেজ হোসেন, খালেদ আহমেদ, আলিস আল ইসলাম, মোহাম্মদ মিঠুন, নাঈম ইসলাম, মারুফ মৃধা, রাহাতুল ফেরদৌস, শেখ পারভেজ, মার্শাল আইয়ুব।
বিদেশি: মঈন আলী, উসমান খান, হায়দার আলী, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, বিনুরা ফার্নান্দো, গ্রাহাম ক্লার্ক ও থমাস ও’কনেল।

দুর্বার রাজশাহী
দেশি: এনামুল হক, তাসকিন আহমেদ, জিশান আলম, ইয়াসির আলী, সাব্বির হোসেন, সানজামুল ইসলাম, এসএম মেহরব হোসেন, আকবর আলী, হাসান মুরাদ, শফিউল ইসলাম, মোহর শেখ ও মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী।
বিদেশি: মোহাম্মদ হারিস, বিলাল খান, সাদ নাসিম, লাহিরু সামারাকুন।

খুলনা টাইগার্স
দেশি: মেহেদী হাসান মিরাজ, আফিফ হোসেন, নাসুম আহমেদ, হাসান মাহমুদ, মোহাম্মদ নাঈম, ইমরুল কায়েস, মাহিদুল ইসলাম, আবু হায়দার, জিয়াউর রহমান, মাহফুজুর রহমান, মাহমুদুল হাসান।
বিদেশি: ওশানে থমাস, মোহাম্মদ হাসনাইন, লুইস গ্রেগরি, মোহাম্মদ নেওয়াজ।

রংপুর রাইডার্স
দেশি: নুরুল হাসান, মেহেদী হাসান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, নাহিদ রানা, সাইফ হাসান, সৌম্য সরকার, রাকিবুল হাসান, রেজাউর রহমান, ইরফান শুক্কুর, কামরুল ইসলাম, আজিজুল হক তামিম ও তৌফিক খান।
বিদেশি: অ্যালেক্স হেলস, খুশদিল শাহ, আল্লাহ গজনফর, স্টিভেন রায়ান টেলর, সৌরভ নেত্রবালকার, আকিফ জাভেদ ও কার্টিস ক্যাম্ফার।

সিলেট স্ট্রাইকার্স
দেশি: জাকির হাসান, জাকের আলী, তানজিম হাসান, রনি তালুকদার, মাশরাফি বিন মর্তুজা, আল আমিন হোসেন, আরাফাত সানি, রুয়েল মিয়া, আরিফুল হক, নিহাদুজ্জামান, নাহিদুল ইসলাম।
বিদেশি: পল স্টার্লিং, জর্জ মানসি, রাহকিম কর্নওয়াল, সামিউল্লাহ শেনওয়ারি, রিস টপলি।

ফরচুন বরিশাল
দেশি: তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম, তাওহিদ হৃদয়, মাহমুদউল্লাহ, তানভীর ইসলাম, নাজমুল হোসেন, রিপন মন্ডল, ইবাদত হোসেন, নাঈম হাসান, রিশাদ হোসেন, তাইজুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, আরিফুল ইসলাম ও ইকবাল হোসেন ইমন।
বিদেশি: ডেভিড ম্যালান, কাইল মায়ার্স, মোহাম্মদ নবী, ফাহিম আশরাফ, আলী মোহাম্মদ, খান জাহানদাদ, জেমস ফুলার, পাথুম নিশাঙ্কা, নান্দ্রে বার্গার।


মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম