অগ্নিনিরাপত্তাহীন ভবনের ঝুঁকিতে বরিশাল নগর

বরিশাল সিটি করপোরেশনের যাত্রা শুরু হয় ২০০২ সালে। বর্তমানে ৫৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই নগরে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের বসবাস। আবাসিক ও বাণিজ্যিক মিলিয়ে শহরে ভবনের সংখ্যা প্রায় ৬৩ হাজার হলেও এর বেশির ভাগ ভবনেই নেই আধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা। অগ্নিনিরাপত্তার এই ঘাটতি নগরবাসীর জন্য ক্রমেই বড় ঝুঁকির কারণ হয়ে উঠছে।

অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্র বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও কার্যকর অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা চোখে পড়ে না। গত বছর হাসপাতালটির ডায়ালাইসিস ইউনিটের ভাণ্ডার কক্ষে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। যদিও এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি, তবে মুহূর্তেই রোগী ও স্বজনদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

হাসপাতালে মায়ের চিকিৎসার জন্য কয়েকদিন ধরে অবস্থান করা সায়েম নামের এক স্বজন জানান, তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরেও কোথাও দৃশ্যমান অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র দেখতে পাননি।

তবে হাসপাতালের সীমাবদ্ধতার কথা স্বীকার করে পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম মশিউল মুনীর বলেন, শিগগিরই অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

অগ্নিনিরাপত্তার দুর্বল চিত্র দেখা গেছে শিল্প এলাকাতেও। গত ৫ ডিসেম্বর বরিশাল বিসিক শিল্প নগরীর খান সন্স টেক্সটাইল মিলের একটি সুতা উৎপাদন কারখানায় অগ্নিকাণ্ড ঘটে। কারখানার শ্রমিকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সেখানে থাকা অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রটি অচল ছিল। ফলে আগুন নেভাতে শুরুতেই বেগ পেতে হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

নগরের আদালতপাড়া, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এলাকা, ভেনাস শপিং মল, মোহসীন মার্কেট ও সিটি মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, কোথাও কার্যকর অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা নেই। কোনো কোনো স্থানে থাকলেও তা কেবল নামমাত্র এবং ব্যবহার অনুপযোগী।

এ বিষয়ে বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মো. ফারুক হোসেন সিকদার বলেন, “প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের বসবাস এই শহরে। কিন্তু অধিকাংশ ভবনেই আধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নেই, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।”

নগর বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত অগ্নিনিরাপত্তা বিধিমালা বাস্তবায়ন ও নিয়মিত তদারকি না করা হলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকেই যাবে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




কিস্তির টাকার বদলে নেওয়া হাঁস ফেরত, এনজিওকর্মী বরখাস্ত

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ঋণের কিস্তির টাকা আদায়ের নামে এক গৃহবধূর বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া চীনা হাঁসটি চার দিন পর ফেরত দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রকাশের পর ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হলে শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে এনজিও কর্তৃপক্ষ হাঁসটি গৃহবধূর হাতে তুলে দেয়। একই সঙ্গে অভিযুক্ত এনজিওকর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

শনিবার দুপুরে টিএমএসএস এনজিওর গৌরনদী শাখার ম্যানেজার মো. রাজেক ইসলাম, ফিল্ড সুপারভাইজার মো. আরাফাত ও মো. সুজন মিয়া আগৈলঝাড়া উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের ফুল্লশ্রী গ্রামে গিয়ে ভুক্তভোগী গৃহবধূ হাফিজা খানমের হাতে হাঁসটি তুলে দেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঋণের কিস্তির টাকা না পেয়ে হাঁস ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হলে টিএমএসএস এনজিওর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নেয়। শনিবার সকালে বরিশাল বিভাগীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মফিউর রহমান, মাদারীপুর জোনাল কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান এবং বরিশাল জোনাল কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের নেতৃত্বে একটি তদন্ত দল ঘটনাস্থলে গিয়ে সরেজমিন তদন্ত করে। তারা ভুক্তভোগী হাফিজা খানম, তার স্বামী মুরাদ হোসেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেন।

তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত মাঠকর্মী ফিরোজ খানকে সাময়িক বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এনজিও সূত্র জানায়, তাকে গত ১১ ডিসেম্বর থেকেই সাময়িক বরখাস্ত দেখানো হয়েছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, আগৈলঝাড়া উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের ফুল্লশ্রী গ্রামের মো. মুরাদ হোসেনের স্ত্রী হাফিজা খানম টিএমএসএস এনজিও থেকে ৬০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। গত ৯ ডিসেম্বর ওই ঋণের শেষ কিস্তির ১ হাজার ৩২০ টাকা আদায়ের জন্য তার বাড়িতে যান মাঠকর্মী ফিরোজ খান। কিস্তির টাকা দিতে অক্ষমতা জানিয়ে হাফিজা খানম পাশের বাড়িতে গেলে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠান থেকে তার একটি চীনা হাঁস ধরে নিয়ে যান ওই মাঠকর্মী।

পরে ১১ ডিসেম্বর হাঁসটি ফেরত পাওয়ার দাবিতে আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিখন বণিকসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী গৃহবধূ।

চার দিন পর হাঁসটি ফেরত পেয়ে হাফিজা খানম বলেন, “আমার স্কুলপড়ুয়া মেয়ের শখের হাঁসটি ফিরে পেয়ে আমরা সবাই খুব খুশি। সংবাদ প্রকাশ না হলে হয়তো হাঁসটি আর ফেরত পেতাম না।”

এ বিষয়ে টিএমএসএস এনজিওর গৌরনদী শাখার ম্যানেজার মো. রাজেক ইসলাম বলেন, “ঘটনাটি তদন্ত করে অভিযুক্ত মাঠকর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আজ আমরা নিজ উদ্যোগে গৃহবধূর বাড়িতে গিয়ে হাঁসটি ফেরত দিয়েছি।”


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরছেন তারেক রহমান

বিএনপির দীর্ঘদিনের নির্বাসিত নেতা ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী ২৫ ডিসেম্বর লন্ডন থেকে বাংলাদেশে ফিরছেন—এ ঘোষণা আসতেই দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার সূচনা হয়েছে। শুক্রবার রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন, প্রায় ১৮ বছর নির্বাসিত জীবন কাটানোর পর তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন শুধু বিএনপির জন্য নয়, দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তিনি বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে তারেক রহমান দীর্ঘ এক যুগ ধরে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন এবং সমগ্র জাতি তার এই প্রত্যাবর্তনের খবরে উচ্ছ্বসিত।

তিনি আরও জানান, ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার মাটিতে পা রাখার মাধ্যমে দেশে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার সূচনা হবে বলে দলটি বিশ্বাস করে। তার আগমনকে কেন্দ্র করে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে, যা দেশের সার্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিকেও প্রভাবিত করতে পারে।

সংবাদ সম্মেলনে স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ বিএনপির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। দলের নেতারা মনে করছেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরা বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে নতুন মাত্রা যোগ করবে এবং দলকে সংগঠিত করতে বড় ভূমিকা রাখবে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




জরুরি বৈঠকে কঠোর বার্তা প্রধান উপদেষ্টার

রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় শুক্রবার অনুষ্ঠিত হলো এক গুরুত্বপূর্ণ জরুরি বৈঠক, যেখানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্যদের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, নিরাপত্তা হুমকি এবং সদ্য সংঘটিত হামলার প্রেক্ষাপটে বৈঠকটি ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানসহ প্রধান উপদেষ্টার বিভিন্ন মন্ত্রণালয়-বিষয়ক বিশেষ সহকারী এবং সেনাবাহিনী, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা।

বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস সাম্প্রতিক সময়ে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলাকে অত্যন্ত গুরুতর ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই হামলা দেশের গণতান্ত্রিক ধারাকে ভিন্নখাতে নেওয়ার সুপরিকল্পিত অপচেষ্টা, যা রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ওপর সরাসরি আঘাত।

তিনি আরও বলেন, দেশের বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হতে দেওয়া হবে না। যে শক্তিই নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করুক না কেন, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সরকার তা প্রতিহত করবে। শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনই এখন সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বলেও জানান তিনি।

বৈঠকে জানানো হয়, বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওসমান হাদীর অবস্থা এখনও সংকটাপন্ন। পরিবারের অনুরোধে তাকে ইতোমধ্যে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে হামলাকারীদের দ্রুততম সময়ের মধ্যেই আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি তিনি দেশবাসীর কাছে হাদীর সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজসহ গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে যাতে হামলাকারীরা পালিয়ে যেতে না পারে। জুলাই অভ্যুত্থানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সম্ভাব্য টার্গেটদের নিরাপত্তাও বাড়ানোর নির্দেশ দেন প্রধান উপদেষ্টা।

বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত হয়, নির্বাচনকালীন সংকট মোকাবেলায় দ্রুত একটি বিশেষ হটলাইন চালু করা হবে, যাতে যেকোনো তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর কাছে পৌঁছে যায়। একই সঙ্গে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান এবং সন্দেহজনক স্থানে বিশেষ তল্লাশি জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভা শেষে প্রধান উপদেষ্টা জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং রাজনৈতিক সহমত গড়ে তুলতে তিনি শিগগিরই দেশের প্রধান রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




ঢাকা-৮ আসনে ইনকিলাব মঞ্চের প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদীকে গুলি

ঢাকা-৮ আসনের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইনকিলাব মঞ্চের প্রার্থী ও সংগঠনের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদীকে দুপুরে রাজধানীর পল্টনের বিজয়নগরে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা।

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) ঘটনার পরপরই গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়, যেখানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

ঢামেক জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মোশকাত আহমেদ জানান, হাদীর মাথায় গুলি লেগেছে এবং তিনি বর্তমানে গভীর কোমায় রয়েছেন। চিকিৎসকের ভাষায়, তার অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন।

এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, “হাদীর ওপর হামলা শুধু অন্যায় নয়, রাজনৈতিক পরিবেশের জন্যও হুমকি। আমাদের জীবনও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, তবুও আমরা গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার রক্ষায় লড়াই চালিয়ে যাব।”

উল্লেখ্য, গত নভেম্বর মাসে দেশি-বিদেশি ৩০টির বেশি নম্বর থেকে হুমকি পাওয়ার কথা প্রকাশ করেছিলেন শরিফ ওসমান হাদী। সেই হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে নিরাপত্তা নিয়ে তার উদ্বেগ বাড়ছিল, আর অবশেষে ঘটলো এই সশস্ত্র হামলা।

ঘটনার পর ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী উপস্থিত হয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছে। হামলার উদ্দেশ্য, পরিকল্পনা এবং জড়িতদের পরিচয় অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




তানোরে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যাওয়া শিশু সাজিদের মৃত্যু

রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যাওয়া শিশু মো. সাজিদকে টানা ৩২ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হলেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো যায়নি। উদ্ধার শেষে হাসপাতালে নেওয়ার পর শিশুটির ইসিজি করা হলে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছে চিকিৎসকরা। শিশুটির বাবার নাম রাকিব

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দীর্ঘ সময়ের রুদ্ধশ্বাস অভিযান শেষে শিশুটিকে গর্ত থেকে উদ্ধার করেন।

এর আগে বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে তানোর উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট গ্রামে পরিবারের বাড়ির পাশেই বহুদিনের অকেজো ও খোলা থাকা গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যায় শিশুটি। নলকূপটির মালিক একই এলাকার বাসিন্দা তাহের

ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শিশুটিকে উদ্ধারে মূল গর্তের পাশ দিয়ে সুড়ঙ্গ তৈরি করে নিচে নামার চেষ্টা করা হয়। বিকেলে উদ্ধারকারী দল ৪৫ ফুট গভীরেও শিশুটিকে খুঁজে না পেলেও অভিযান চলতে থাকে। সন্ধ্যা পর্যন্ত বিরামহীন উদ্ধার কাজের পর শিশুটিকে উপরে তোলা সম্ভব হয়, কিন্তু হাসপাতালে নেওয়ার পর আর তার জীবন রক্ষা করা যায়নি।

স্থানীয়দের দাবি, খোলা অবস্থায় ফেলে রাখা গভীর নলকূপের মুখই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার জন্য দায়ী। ভবিষ্যতে এ ধরনের অবহেলার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ও নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তারা।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




৩২ ঘণ্টা পর তানোরে গভীর নলকূপের গর্ত থেকে শিশু স্বাধীন উদ্ধার

রাজশাহীর তানোরে গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যাওয়া শিশু স্বাধীনকে দীর্ঘ ৩২ ঘণ্টা পর জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। উদ্ধার শেষে শিশুটিকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সে অচেতন অবস্থায় চিকিৎসাধীন।

বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ফায়ার সার্ভিসের বিশেষায়িত রেসকিউ টিম কয়েক দফা জটিল অভিযান শেষে তাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মঞ্জুর হক

ঘটনাটি ঘটে বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে তানোর উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের কোয়েলহাট গ্রামে। পরিবারের বাড়ির পাশের বহুদিনের অকেজো গভীর নলকূপটির মুখ খোলা ছিল। খেলতে গিয়ে অসাবধানতাবশত সেখানে পড়ে যায় শিশু স্বাধীন। তার বাবার নাম রাকিব। নলকূপটির মালিক একই এলাকার বাসিন্দা তাহের

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, মূল গর্তের পাশ দিয়ে সুড়ঙ্গ তৈরি করে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এর আগে উদ্ধারকারী দল ৪৫ ফুট পর্যন্ত খনন করেও তাকে খুঁজে না পেলেও অভিযান থামানো হয়নি। সন্ধ্যা পর্যন্ত বিরামহীনভাবে উদ্ধার কাজ চালানো হয় এবং শেষ পর্যন্ত শিশুটিকে জীবিত অবস্থায় পাওয়া যায়।

মানবিক এই ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়েছে, তবে খোলা থাকা গভীর নলকূপের কারণে এমন দুর্ঘটনা ভবিষ্যতে রোধে সচেতনতা বৃদ্ধির দাবি উঠেছে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারে এক ভাষণের মাধ্যমে নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তারিখ জানিয়ে দেন। তফসিল অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের ৩০০ আসনে একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে জুলাই জাতীয় সনদের আলোকে সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশ–২০২৫-এর ওপর গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে, যা এই নির্বাচনের গুরুত্ব ও পরিধিকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ২৯ ডিসেম্বর। বাছাই চলবে ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল করার শেষ দিন ১১ জানুয়ারি, আর এসব আপিল নিষ্পত্তির সময়সীমা রাখা হয়েছে ১২ থেকে ১৮ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি, আর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ হবে ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচারণা চলবে ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত, এরপর নীরবতা পর্ব কার্যকর হবে।

এর আগে বুধবার নির্বাচন কমিশন বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। সাক্ষাৎ শেষে বিকেলে সিইসির ভাষণ রেকর্ড করা হয়, যা আজ প্রচারিত হয়। তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে আসন বিন্যাস, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়োগ, মোবাইল কোর্ট পরিচালনা, আইনশৃঙ্খলা সেল গঠনসহ অন্তত ২০টি পরিপত্র জারি করার প্রস্তুতি নিয়েছে ইসি। নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম জানিয়েছেন, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের প্রজ্ঞাপনসহ সমস্ত প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা হবে।

স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত মোট ১২টি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ ছয়বার, বিএনপি চারবার এবং জাতীয় পার্টি দুইবার সরকার গঠন করেছে। তবে রাজনৈতিক অস্থিরতা, সাংবিধানিক পরিবর্তনসহ নানা কারণে বেশ কয়েকটি সংসদ তাদের পূর্ণ মেয়াদ শেষ করতে পারেনি। পঞ্চম, সপ্তম, অষ্টম, নবম, দশম ও একাদশ সংসদই কেবল পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্ণ করেছে, যা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন ইতোমধ্যে সরব হয়ে উঠেছে। মনোনয়ন, প্রচারণা, জোট রাজনীতি, মাঠপর্যায়ে সমর্থন—সব মিলিয়ে আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি উত্তপ্ত ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে বলে বিশ্লেষকদের মত।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




মধ্যরাতে সিলেট অঞ্চলে টানা দুই ভূমিকম্প

সিলেটের বিয়ানীবাজার ও মৌলভীবাজারের বড়লেখা এলাকায় গভীর রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে টানা দুই দফায় মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। বুধবার দিবাগত রাত ২টা ৫০ মিনিট থেকে ২টা ৫৫ মিনিট—মাত্র পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে দুই বার এই ভূমিকম্পে এলাকার মানুষের মাঝে দুশ্চিন্তা তৈরি হলেও কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণাকেন্দ্র নিশ্চিত করেছে, এটি হিমালয়ের পাদদেশীয় অঞ্চলে নিয়মিত ঘটে থাকা স্বল্পমাত্রার ভূমিকম্পের অংশ, যা বড় কোনো ঝুঁকি সৃষ্টি করে না।

রাত ২টা ৫০ মিনিট ৩১ সেকেন্ডে প্রথম ভূমিকম্পটি অনুভূত হয় সিলেটের বিয়ানীবাজার এলাকায়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৫ এবং উৎস ছিল অঞ্চলটির স্থানীয় ভূ-পৃষ্ঠের নিচে সঞ্চিত চাপ। এরপর মাত্র পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে রাত ২টা ৫৫ মিনিট ১৪ সেকেন্ডে দ্বিতীয় দফায় কম্পন অনুভূত হয় মৌলভীবাজারের বড়লেখায়। দ্বিতীয় ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৩, যা তুলনামূলকভাবে দুর্বল হলেও বিস্তৃত এলাকায় কম্পন অনুভূত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে সাময়িক উদ্বেগ তৈরি হয়।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণাকেন্দ্র জানিয়েছে, অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক অবস্থান এবং টেকটোনিক প্লেটের গতিশীলতার কারণে সিলেট, আসাম, ত্রিপুরা ও মায়ানমার সীমান্তবর্তী এই এলাকাগুলোতে এমন হালকা ভূমিকম্প প্রায় সময়ই ঘটে থাকে। এসব কম্পন সাধারণত ভূ-চাপ নিরসনে ভূমিকা রাখে এবং বড় কোনো ধ্বংসাত্মক ভূমিকম্পে রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

পর্যবেক্ষণকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুবাইয়াত কবির জানান, মৃদু ভূমিকম্পের ফলে কোনো ধরনের ঝুঁকি বা ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। এটি স্বাভাবিক ভূ-কম্পন কার্যক্রমেরই অংশ। তবুও ভূমিকম্প প্রবণ এলাকায় বসবাসকারীদের ঘরবাড়ি নির্মাণে নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

মধ্যরাতে হওয়া এই দুই দফার কম্পনে স্থানীয়রা আতঙ্কিত হলেও পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসে। কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




প্রবাসী ভোটারে রেকর্ড নিবন্ধন—‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে ৩ লাখ ছাড়াল সংখ্যা

প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে প্রথমবারের মতো ডাকযোগে ভোট গ্রহণের সুযোগ তৈরির পর থেকেই ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে নিবন্ধনের হার আশাব্যঞ্জকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে অংশ নিতে এখন পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে মোট ৩ লাখ ৭ হাজার ৫৭৭ জন প্রবাসী বাংলাদেশি নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত ইসি’র অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত পরিসংখ্যানে দেখা যায়—এই বিপুল সংখ্যক ভোটারের মধ্যে ২ লাখ ৮৪ হাজার ৩৪৯ জন পুরুষ এবং ২৩ হাজার ২২৮ জন নারী। প্রথমবারের মতো প্রবাসীদের সরাসরি নির্বাচনে অন্তর্ভুক্ত করা হওয়ায় এটি বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রবাসীদের মধ্যে সৌদি আরবে সর্বোচ্চ ৮৪ হাজার ৬০০ জন, এরপর ক্রমানুসারে কাতার ২৫ হাজার ২৫৭, যুক্তরাষ্ট্র ২০ হাজার ৭৫৫, সংযুক্ত আরব আমিরাত ১৯ হাজার ৮৫২, মালয়েশিয়া ১৮ হাজার ১৫৬, সিঙ্গাপুর ১৫ হাজার ২৯৪, যুক্তরাজ্য ১৩ হাজার ৬৬৩, ওমান ১২ হাজার ৬২৫, ইতালি ৯ হাজার ৯৬৫, কানাডা ৯ হাজার ৮৫২, দক্ষিণ কোরিয়া ৯ হাজার ৬০২, অস্ট্রেলিয়া ৮ হাজার ২২১, কুয়েত ৮ হাজার ২০৪ এবং জাপান ৭ হাজার ৬৮ জন নিবন্ধন করেছেন।

এদিকে নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নিবন্ধনের সুযোগ রাখা হয়েছে ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। তফসিল ঘোষণার দিন থেকে ১৫ দিনের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ নির্বাচনী কাজে যুক্তদের অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। ইসি জানিয়েছে, বিশেষ দায়িত্বে থাকা পুলিশ, সেনা কিংবা আনসার সদস্যদের নিবন্ধন পরবর্তী সময়ে আলাদাভাবে সম্পন্ন করা হবে।

ইসি সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান—বিদেশে অবস্থানকারীদের সুবিধার্থে ‘আউট অব কান্ট্রি’ ভোটার নিবন্ধনের সময়সীমা বাড়িয়ে ২৫ ডিসেম্বর মধ্যরাত পর্যন্ত করা হয়েছে। বিশ্বের যেকোনো দেশ থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করে প্রাপ্তবয়স্ক বাংলাদেশিরা তাদের ভোটার নিবন্ধন সম্পন্ন করতে পারবেন।

এর পাশাপাশি সৌদি আরবসহ সাতটি দেশে প্রবাসীরা ঠিকানা সংশোধনের জন্য অতিরিক্ত সময় পেয়েছেন। সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, ওমান, কুয়েত এবং বাহরাইন—এই সাত দেশের ভোটাররা ১৪ ডিসেম্বর সকাল ৯টা পর্যন্ত ঠিকানা আপডেট করতে পারবেন।

ইসি প্রবাসীদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে—অ্যাপে নিবন্ধনের সময় অবশ্যই সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা প্রদান করতে হবে। ভুল বা অসম্পূর্ণ ঠিকানা দিলে সংশ্লিষ্ট ভোটারের কাছে পোস্টাল ব্যালট পৌঁছানো সম্ভব হবে না। প্রয়োজনে কর্মস্থল বা পরিচিত ব্যক্তির ঠিকানাও ব্যবহার করা যাবে।

১৯ নভেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার আনুষ্ঠানিকভাবে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপ উদ্বোধনের পর থেকে ১৪৮টি দেশে ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রম চলছে। অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোর ও অ্যাপ স্টোর থেকে ডাউনলোড করে বিদেশের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হচ্ছে প্রবাসীদের।

নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে নিবন্ধনে ভিড় আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইসি মনে করছে—এবারের নির্বাচনে প্রবাসীদের অংশগ্রহণ হতে পারে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম