বরিশালে ডিসি কাপ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

“এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই” এই স্লোগানে দেশব্যাপী তারুণ্যের উৎসব ২০২৫ উদযাপনের অংশ হিসেবে বরিশালে ডিসি কাপ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে জেলা প্রশাসন বরিশাল ও ফরমার ক্রিকেটার্স ক্লাব বরিশালের আয়োজনে জেলা আউটার স্টেডিয়ামে এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মো. রায়হান কাওছার। সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন: ডিআইজি বরিশাল রেঞ্জ মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলম,ক্রীড়া পরিদপ্তরের পরিচালক মো. মোস্তফা জামান
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আলাউল হাসান
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. সাইদুল ইসলাম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শুরুতে সংক্ষিপ্ত আলোচনার পর অতিথিরা বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে ডিসি কাপ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৫ এর শুভ সূচনা করেন।

উদ্বোধনী ম্যাচে দুই দলের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ দর্শকদের দারুণ আনন্দ দেয়। এই টুর্নামেন্টে ১২টি দল অংশ নিচ্ছে। জেলা ক্রীড়া অফিস ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় আয়োজিত এ টুর্নামেন্ট তারুণ্যের ক্রিকেট প্রতিভাকে একত্র করতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

“মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম”

 




সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ মহার্ঘ ভাতার ঘোষণা আসছে

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: অর্থ মন্ত্রণালয় এ-সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবের খসড়া চূড়ান্ত করেছে, যা অনুমোদনের জন্য প্রধান উপদেষ্টার কাছে পাঠানো হবে। ১ থেকে ৩য় গ্রেডে মহার্ঘ ভাতা হবে মূল বেতনের ১০ শতাংশ, ৪ থেকে ১০ গ্রেডের চাকরিজীবীরা ২০, ১১ থেকে ২০ গ্রেডধারীরা ২৫ শতাংশ হারে মহার্ঘ ভাতা পাবেন। এতে সর্বনিম্ন ৪ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৮০০ টাকা বেতন বাড়বে। স্কেলের মারপ্যাঁচের কারণেও কেউ ৪ হাজার টাকার কম এ ভাতা পাবেন না। তবে মহার্ঘ ভাতা কার্যকর হওয়ার পর আগের সরকারের দেওয়া ৫ শতাংশ বিশেষ প্রণোদনা সুবিধাটি আর বহাল থাকবে না। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা দেশ রূপান্তরকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তারা আরও জানিয়েছেন, পেনশন ভোগরত কর্মকর্তা-কমর্চারীরাও মহার্ঘ ভাতা পাবেন।

জনপ্রশাসন সচিব আরও বলেন, মহার্ঘ ভাতা নিয়ে দুটি সভা হয়েছে। এবার যারা পেনশনে গিয়েছেন তাদেরও মহার্ঘ ভাতা দেওয়া হবে। যারা মহার্ঘ ভাতা পাবেন, ইনক্রিমেন্টের সময় সেই ভাতা বেসিকের সঙ্গে যোগ হবে। কত শতাংশ মহার্ঘ ভাতা দেওয়া হবে? এ প্রশ্নের জবাবে মহার্ঘ ভাতা পর্যালোচনা কমিটির এ সদস্য অর্থ উপদেষ্টা ও অর্থ সচিবের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।

সরকারি কর্মচারীদের সর্বশেষ পে-স্কেল দেওয়া হয় ২০১৫ সালে। এরপর আর বেতন বাড়েনি তাদের। অথচ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়েছে। চাকরিজীবীদের দৈনন্দিন খরচ বেড়ে যাওয়ায় মূল বেতনের সঙ্গে নির্দিষ্ট হারে মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

সরকারি চাকরিজীবীদের কার কত বেতন বাড়ছেসরকারি চাকরিজীবীদের কার কত বেতন বাড়ছে
মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় করতে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি চাকরিজীবীদের দাবি ছিল মহার্ঘ ভাতার। এরই পরিপ্রেক্ষিতে অন্তর্বর্তী সরকার মহার্ঘ ভাতা নির্ধারণে কমিটি গঠন করে। কমিটি বিষয়ে অর্থ বিভাগের জারি করা আদেশে বলা হয়েছিল, সরকারি কাজে নিয়োজিত জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫-এর আওতাভুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মহার্ঘ ভাতা সংস্থানের বিষয়টি পর্যালোচনা করে সুপারিশ করার জন্য এ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির কার্যপরিধি ছিল মহার্ঘ ভাতার প্রযোজ্যতা ও প্রাপ্যতার বিষয় পর্যালোচনা করা এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশ দাখিল করবে কমিটি।

সাধারণত পাঁচ বছর অন্তর একটি নতুন বেতন স্কেল ঘোষণা করে সরকার। কিন্তু ২০১৫ সালের পর আর কোনো নতুন পে-স্কেল দেওয়া হয়নি দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায়। সর্বশেষ পে-কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ফরাসউদ্দিন। তিনি নতুন পে-কমিশন না করে মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় নিয়ে বেতন কমিশন গঠনের সুপারিশ করেন। কিন্তু আগের সরকার এ সুপারিশ বাস্তবায়ন করেনি। বাড়তি মূল্যস্ফীতিতে বেতন বাড়াতে নতুন পে-স্কেল ঘোষণাসহ বেশ কিছু দাবি জানিয়ে আসছিলেন সরকারি চাকরিজীবীরা।

সরকারি চাকরিজীবীদের সর্বোচ্চ ৭৮০০ ও সর্বনিম্ন ৪০০০ টাকা বেতন বাড়বেসরকারি চাকরিজীবীদের সর্বোচ্চ ৭৮০০ ও সর্বনিম্ন ৪০০০ টাকা বেতন বাড়বে
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, দপ্তর, করপোরেশন ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১৪ লাখ কর্মচারী কর্মরত। চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে তাদের বেতনভাতা বাবদ বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৮১ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। বাজেটে মহার্ঘ ভাতায় কোনো বরাদ্দ নেই। তবে কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এ হার চূড়ান্ত করে পরিচালন বাজেটের অন্য খাতের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

এর আগে গত ২৩ ডিসেম্বর সরকারি কর্মচারীদের জন্য সংশোধিত বাজেটে মহার্ঘ ভাতার বরাদ্দ রাখার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন পরিকল্পনা ও শিক্ষা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ। ওইদিনের একনেক বৈঠক শেষে তিনি বলেছিলেন, সরকারি কর্মচারীদের বহু ধরনের দাবিদাওয়া মেটাতে গিয়ে বেতনভাতা বাড়ানোর বিষয় আছে। মহার্ঘ ভাতার বিষয় আছে। তাই রাজস্ব খাতে ব্যয় কমিয়ে রাখা খুবই কঠিন। কাজেই সবকিছু উন্নয়ন বাজেটের ওপর এসে পড়ে। উন্নয়ন বাজেট কমাতে হবে। বাজেট-ঘাটতি সহনীয় পর্যায়ে রাখতে উন্নয়ন বাজেট সমন্বয় করতে হবে।




যুক্তরাজ্য যেতে পারলেন না নিপুণ, সিলেট বিমানবন্দরে আটকে গেলেন

সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চিত্রনায়িকা নিপুণকে যুক্তরাজ্য যাওয়ার পথে আটকে দিয়েছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি বাংলাদেশ বিমানের বিজি ২০১ ফ্লাইটে যুক্তরাজ্য যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু ইমিগ্রেশন পুলিশের বাধার মুখে তার যাত্রা স্থগিত হয়ে যায়।

সূত্র জানায়, শুক্রবার সকালে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার সময় নিপুণকে চিনে ফেলে দায়িত্বশীলরা। তার পাসপোর্টে নাম ছিল ‘নাসরিন আক্তার’ এবং স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে ঢাকার বনানী উল্লেখ করা ছিল। এরপর তাকে ইমিগ্রেশন পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয় এবং ওই ফ্লাইটে তার যাত্রা বাতিল করা হয়।

এছাড়া, জানা যায়, ফ্লাইট বাতিলের পর নিপুণকে বিমানবন্দরে বাইরে চলে যেতে অনুমতি দেওয়া হয়। কিছু সূত্র জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) আপত্তি জানিয়েছিল, যার ফলে এই ঘটনা ঘটে।

নিপুণ আক্তারের লন্ডনে যাওয়ার গুঞ্জন চলছিল কিছুদিন ধরে, তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তিনি দেশে থেকেই আত্মগোপনে ছিলেন। এদিকে, তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে আলোচিত হয়েছিলেন এবং রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে বিভিন্ন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরগুনায় বিসিক শিল্পনগরীর ৬০ প্লটের ৪০টি এখনও বরাদ্দহীন

বরগুনা বিসিক শিল্পনগরী প্রকল্পের প্লট বরাদ্দ নিতে উদ্যোক্তাদের আগ্রহ কমে যাওয়ায় ৬০টি প্লটের মধ্যে ৪০টি এখনও বরাদ্দ হয়নি। উচ্চমূল্য এবং প্রশাসনিক জটিলতার কারণে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের অনেকেই এই প্লট নিতে আগ্রহী হচ্ছেন না। চার বছর আগে প্রকল্পের কাজ শেষ হলেও, এখনো অধিকাংশ প্লট বরাদ্দের বাইরে রয়েছে।

বিসিক শিল্পনগরী প্রকল্পের খরচ বাড়ানো এবং প্লটের দাম কমানো হলে বরগুনার বিসিক কর্মকর্তা মিলটন চন্দ্র বৈরাগী আশাবাদী যে, চলতি বছরের মধ্যে সব প্লট বরাদ্দ হয়ে যাবে। ২০১১ সালে ৭ কোটি ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি অনুমোদন পায় এবং ২০২০ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

প্রাথমিকভাবে প্লটের দাম ছিল প্রতি শতাংশ ৩ লাখ ২ হাজার টাকা, যা পরবর্তীতে কমিয়ে ২ লাখ টাকা করা হয়েছে। তবুও, প্রকল্পের চার বছরে মাত্র ২০টি প্লট বরাদ্দ হয়েছে, বাকি প্লটগুলো এখনও বরাদ্দের অপেক্ষায় রয়েছে। অনেক উদ্যোক্তা প্লটের দাম ও জমি পাওয়ার জটিলতার কারণে আগ্রহ হারিয়েছেন।

এক নারী উদ্যোক্তা, আসমা আক্তার সিতু বলেন, “বিসিক শিল্পনগরীতে প্লটের বরাদ্দের ক্ষেত্রে কিছু জটিলতা রয়েছে, যা আমাদের জন্য সমস্যার সৃষ্টি করছে। আমরা ছোট উদ্যোক্তা, ভবিষ্যতে কারখানা বা অন্য ব্যবসার জন্য প্লট নিতে আগ্রহী, তবে নানা জটিলতার কারণে এটি সম্ভব হচ্ছে না।”

অন্য একজন উদ্যোক্তা, আব্দুর রহিম বলেন, “প্লটের দাম খুব বেশি, আমার মতো সাধারণ উদ্যোক্তার পক্ষে সেই দাম পরিশোধ করা সম্ভব নয়।”

বরগুনার বিসিক শিল্পনগরী কর্মকর্তা মিলটন চন্দ্র বৈরাগী জানান, “দ্বিতীয় দফায় দাম কমানো হয়েছে এবং এখন প্লট বরাদ্দের প্রক্রিয়া চলছে। আমরা আশা করছি, চলতি বছরেই সব প্লট বরাদ্দ হয়ে যাবে এবং শিল্পকারখানা চালু হবে।”

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশালে সিন্ডিকেটের কবলে বিলাসবহুল লঞ্চের টিকিট

বরিশাল নৌবন্দরে সিন্ডিকেট চক্রের কারণে যাত্রীদের ভোগান্তি বৃদ্ধি পেয়েছে। ঢাকা-বরিশাল নৌপথে চলাচলকারী বিলাসবহুল লঞ্চের কেবিনের টিকিট কালোবাজারিতে বিক্রি হচ্ছে অতিরিক্ত দামে। চাহিদা বৃদ্ধির কারণে একাধিক সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে, যারা টিকিটের মজুদ নিয়ন্ত্রণ করে সাধারণ যাত্রীদের থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করছে। বিশেষ করে শীত মৌসুমে কুয়াশার কারণে সড়ক পথে দুর্ঘটনা এড়াতে যাত্রীরা লঞ্চের মাধ্যমে ঢাকায় যেতে আগ্রহী। এতে লঞ্চের কেবিনের টিকিটের চাহিদা আরও বৃদ্ধি পায়, কিন্তু রোটেশন প্রথার কারণে যাত্রীদের জন্য পর্যাপ্ত টিকিটের জোগান দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।

জানা গেছে, সিন্ডিকেট চক্রের সদস্যরা লঞ্চের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে কালোবাজারি করছে। এসব চক্র যাত্রীদের কাছ থেকে দেড় থেকে দুইগুণ দামেও টিকিট বিক্রি করছে। এর ফলে বিআইডব্লিউটিএ (বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ) রোটেশন প্রথার বিরুদ্ধে থাকলেও লঞ্চ মালিকদের সঙ্গে সমঝোতা করতে পারছে না।

অবশ্য কিছু লঞ্চ কর্তৃপক্ষ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার চেষ্টা করছে। তবে লঞ্চের সংখ্যা বাড়ানোর দাবিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী যাত্রীরা। তারা মনে করেন, রোটেশন প্রথা ভেঙে লঞ্চ সংখ্যা বৃদ্ধি করা হলে এই সমস্যার সমাধান হবে।

এক যাত্রী, মজিবর মোল্লা জানান, “স্টেশন কাউন্টার থেকে টিকিট না পেয়ে আমি বাধ্য হয়ে কালোবাজারির কাছ থেকে দ্বিগুণ দামে টিকিট কিনেছি। এ বিষয়ে তদন্ত প্রয়োজন এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।” অন্যদিকে, লঞ্চ মালিকরা তাদের পক্ষ থেকে অঙ্গীকার করেছেন যে, তারা কালোবাজারি ঠেকাতে সতর্ক আছেন।

বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ-এর কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শিগগিরই এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং যাত্রীদের সেবায় আরও উদ্যোগ নেয়া হবে। তবে, সিন্ডিকেট চক্রের কারণে নৌপথে চলাচলকারী যাত্রীদের ভোগান্তি এখনও অব্যাহত।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




চার দেশের ভূখণ্ড নিয়ে ‘বৃহত্তর ইসরাইলের’ মানচিত্র প্রকাশ

Logo
ই-পেপার
সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি অর্থনীতি আন্তর্জাতিক সারাদেশ খেলা বিনোদন চাকরি
Advertisement

আন্তর্জাতিক

চার দেশের ভূখণ্ড নিয়ে ‘বৃহত্তর ইসরাইলের’ মানচিত্র প্রকাশ
Icon আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯ জানুয়ারি ২০২৫, ০২:৫৪ পিএম

15
Shares
facebook sharing buttonmessenger sharing buttontwitter sharing buttonwhatsapp sharing buttonprint sharing buttoncopy sharing button
চার দেশের ভূখণ্ড নিয়ে ‘বৃহত্তর ইসরাইলের’ মানচিত্র প্রকাশ
ছবি: সংগৃহীত

Advertisement

মধ্যপ্রাচ্যের চারটি আরব দেশের ভূখণ্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে ‘বৃহত্তর ইসরাইলের’ মানচিত্র প্রকাশ করেছে তেলআবিব। নতুন মানচিত্রে ফিলিস্তিন, জর্ডান, সিরিয়া ও লেবাননের ভূখণ্ডকে বৃহত্তর ইসরাইলের অংশ বলে দাবি করা হয়েছে। খবর আরব নিউজের।

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: চলতি সপ্তাহে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই মানচিত্রটি ছড়িয়ে পড়ে। এতে ফিলিস্তিন, জর্ডান, সিরিয়া ও লেবাননের বিস্তীর্ণ ভূখণ্ড কথিত ‘বৃহত্তর ইসরাইলের’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এই মানচিত্র প্রকাশের পরই নিন্দার ঝড় উঠেছে। অধিকৃত পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র নাবিল আবু-রুদেইনে ওই মানচিত্রকে সব আন্তর্জাতিক আইন ও প্রস্তাবের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছেন।

তিনি বলেন, ইসরাইলের দখলদারির নীতি, অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের হামলা এবং আল-আকসা মসজিদের বিরামহীন অবমাননা বন্ধ করতে জরুরি ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

জর্ডানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইসরাইলের পক্ষ থেকে প্রকাশিত মানচিত্রকে ‘উস্কানিমূলক ও ভিত্তিহীন’ বলে উল্লেখ করেছে। তারা বলছে, বর্ণবাদের ভিত্তিতে নেয়া ইসরাইলি পদক্ষেপ যেমন জর্ডানের সার্বভৌমত্বকে দুর্বল করতে পারবে না, তেমনি তা ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায়সঙ্গত অধিকারও লঙ্ঘন করতে পারবে না।

এছাড়া সৌদি আরবও ওই ইসরাইলি মানচিত্রের নিন্দা ও প্রত্যাখ্যান করেছে সৌদি আরব। রিয়াদ বলেছে, এই ধরনের চরমপন্থি দাবি ইসরাইলের উদ্দেশ্য প্রকাশ করে, যা তাদের দখলদারিকে সুসংহত করতে, রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্বের ওপর প্রকাশ্য আক্রমণ চালিয়ে যেতে এবং আন্তর্জাতিক আইন ও নিয়ম লঙ্ঘন করতে চায়।




অভ্যুত্থানে শহীদদের নামে সড়ক নামকরণ

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়াচ্ছে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসন। ইতিমধ্যে, শহীদদের নামে বিভিন্ন সড়কের নামকরণের পাশাপাশি তাদের কবরস্থান ও সমাধি স্থল বাঁধাই করার বিষয়েও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

পটুয়াখালী জেলা থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিয়ে নিহত হন ২৫ জন ছাত্র-জনতা, এবং আহত হন শতাধিক। আন্দোলনের সময়ে শহীদদের সহায়তার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনও যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, নিহতদের কবরস্থানগুলো নির্দিষ্ট ডিজাইনে বাঁধাই করা হবে। এছাড়া, শহীদদের নামে এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে নামকরণ করা হবে। এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে শহীদের আত্মত্যাগকে সম্মান জানানো হবে।

এদিকে, অনেক পরিবারে উপার্জনক্ষম ব্যক্তি শহীদ বা আহত হওয়ার ফলে তাদের আর্থিক অবস্থা এখন সংকটাপন্ন। এসব পরিবারের সাহায্যে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তার দাবী করেছেন তারা।

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন জানিয়েছেন, “২৪ তারিখের গণআন্দোলনে আহতদের উন্নত চিকিৎসা এবং নিহতদের পরিবারের সদস্যদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি সহ অন্যান্য সহায়তা প্রদান করতে আমরা কাজ করছি।”

ইতিমধ্যে, পটুয়াখালী শহরের সার্কিট হাউজ চত্বরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষার্থী হৃদয় চন্দ্র তরুয়ার নামে হৃদয় তরুয়া চত্বর নামকরণ করা হয়েছে। তার বড় বোনকে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরী দেওয়া হয়েছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




আ.লীগ যতবার ক্ষমতায় এসেছে, বাকস্বাধীনতাকে হ*ত্যা করেছে: রহমাতুল্লাহ

বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ বলেছেন, “আমার মৌলিক স্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতাকে কেউ যাতে কোনোদিন হত্যা না করতে পারে, সেজন্যই স্বাধীনতার সংগ্রাম হয়েছিল।” তিনি আরও বলেন, “আমরা ইতিহাস থেকে জানি, ১৯৭২ থেকে ৭৫ সাল পর্যন্ত শেখ মুজিবুর রহমান সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে আজীবনের জন্য রাষ্ট্রপ্রধান হয়েছিলেন। সে সময় গণতন্ত্র হত্যা করেছিল আওয়ামী লীগ। এরপর আওয়ামী লীগ যতবার ক্ষমতায় এসেছে, মানুষের বাকস্বাধীনতা হত্যা করেছে।”

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে বরিশাল সদর উপজেলার কাশিপুর ইউনিয়নে প্রচেষ্টা সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র ও রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রহমাতুল্লাহ বলেন, “গত ১০-১৫ বছরে আপনাদের কেউ ভোট দিতে পারেননি। মানুষের ভোট তাদের লাগেনি, তাই তারা নিজেদের আখের গুছিয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “তারা (আওয়ামী লীগ) আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়াকে হত্যা করতে চেয়েছিল, তারা তারেক রহমানকে হত্যা করতে চেয়েছিল। আল্লাহর হাতে তো সব ফয়সালা। তিনি ফয়সালা করে দিলেন, খালেদা জিয়া সম্মানিত হবেন, তারেক রহমান বেঁচে থাকবেন—আর তাই হলো। কিন্তু আপনি (শেখ হাসিনা) ভারতে গিয়ে পালিয়েছেন। আপনার সহকর্মীরা বনে-জঙ্গলে, ভারতে, বিভিন্ন দেশে পালিয়ে আছেন। কারা করেছে? আল্লাহর পাঠানো আবাবিল পাখি সেটা করেছে। যেমন আল্লাহ কাবাঘর রক্ষা করেছেন আবাবিল পাখি দিয়ে, তেমনি বাংলাদেশের মানুষকে রক্ষা করেছেন ছোট ছোট বাচ্চাদের রাজপথে নামিয়ে দিয়ে।”

রহমাতুল্লাহ বলেন, “আল্লাহ যেমন মানুষের জন্য পরীক্ষার সময় দান করেন, ঠিক তেমনই তিনি আমাদের রক্ষা করেছেন এবং আগামীতে দেশের গণতন্ত্র হত্যা না হতে পারে, সে জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়া খুব অসুস্থ, তার জন্য সবাই দোয়া করবেন। তিনি দেশের গণতন্ত্রের জন্য জীবনবাজি রেখে গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান করেছেন। তার অবস্থানের কারণে হাসিনা সরকার তাকে মিথ্যে মামলা দিয়ে জেলে ঢুকিয়েছে এবং তাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করেছে।”

রহমাতুল্লাহ বলেন, “বিএনপির বিরুদ্ধে, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র চলছে। সেই ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে আমরা যেন আমাদের মনের মতো, আশার মতো, আকাঙ্ক্ষার মতো একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারি, সেই ষড়যন্ত্র ছিন্ন করে তারেক রহমান যেন আমাদের মধ্যে এসে আগামীর নির্বাচনে নেতৃত্ব দিতে পারেন, সেজন্য সবাই দোয়া করবেন।”

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




কক্সবাজার সৈকতের ঝাউবনে খুলনার কাউন্সিলরকে গুলি করে হত্যা

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের ঝাউবনে খুলনার এক কাউন্সিলরকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) রাত সোয়া ৯টার দিকে সৈকতের সুগন্ধা ও সি-গাল পয়েন্টের মাঝখানে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। কক্সবাজার সদর থানার ওসি ইলিয়াস খান জানান, মোটরসাইকেল আরোহী হঠাৎ এসে কাউন্সিলর গোলাম রব্বানীকে গুলি করে পালিয়ে যায়।

নিহতের পকেটে পাওয়া এনআইডি তথ্য অনুযায়ী, তার নাম গোলাম রব্বানী। তিনি খুলনা সিটি করপোরেশনের ৪নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ছিলেন এবং খুলনার দৌলতপুরের দেয়ানা উত্তর পাড়ার মো. গোলাম আকবরের ছেলে। গোলাম রব্বানী টিপু নামে পরিচিত ছিলেন। ৫ আগস্টের সরকার পতনের পর তিনি এলাকা থেকে পলাতক ছিলেন।

কক্সবাজার সদর থানার ওসি ইলিয়াস খান আরও জানান, মোটরসাইকেল আরোহী হঠাৎ এসে গোলাম রব্বানীকে গুলি করে। গুলি তার মাথার এক পাশ দিয়ে লেগে অন্যপাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। আশপাশের লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান, তবে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অটোরিকশাচালক সালাম জানিয়েছেন, সিগাল পয়েন্টের কাঠের ব্রিজের কাছে হঠাৎ গুলির আওয়াজ শোনা যায়। লোকজন ছুটে পালিয়ে যায়। তিনি সাহস করে গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিকে উদ্ধার করেন এবং অটোরিকশায় করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দিন চৌধুরী জানান, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এছাড়া, গোলাম রব্বানী কক্সবাজারে কখন এসেছিলেন, তা জানার চেষ্টা চলছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশালে আঞ্চলিক ভাষায় কনটেন্ট বানিয়ে ভাইরাল সাদ্দাম মাল

ছোটবেলা থেকেই সাংস্কৃতিক জগতের প্রতি আগ্রহী সাদ্দাম মাল আজ দেশব্যাপী পরিচিত একটি কনটেন্ট ক্রিয়েটর। তার জন্ম পটুয়াখালীর কুয়াকাটার হোসেনপাড়া এলাকায়, যা এখন দেশের অনেকের কাছে পরিচিত হয়ে উঠেছে। বর্তমান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুক এবং ইউটিউবের মাধ্যমে সাদ্দাম মাল তার অভিনয় এবং কনটেন্ট তৈরি করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। বিশেষত, তার অভিনীত আঞ্চলিক ভাষার কনটেন্টগুলো প্রায়ই ভাইরাল হয়ে চলে আসে।

শৈশব থেকেই সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া সাদ্দাম মাল একসময় স্থানীয় কুয়াকাটা শিল্পী গোষ্ঠীতে যোগ দেন। সেখান থেকে শুরু হয় তার অভিনয়ের যাত্রা। ছোটবেলা থেকেই তার মধ্যে অভিনয়ের প্রতি অদ্ভুত এক আকর্ষণ ছিল, যা তাকে স্থানীয় সাংস্কৃতিক মঞ্চে নিয়মিত অংশগ্রহণ করতে প্রেরণা দিয়েছে। পরে, ২০০০ সালের মাঝামাঝি সময়ে তিনি জাতীয় পর্যায়েও তার অভিনয়ের দক্ষতা প্রমাণ করেন, বিশেষ করে “নকশী কাথাঁর মাঠ” নাটকে তার দারুণ ভূমিকা ছিল।

আঞ্চলিক ভাষায় কনটেন্টের মাধ্যমে সাফল্য :: তবে সাদ্দাম মালের জীবনে বড় পরিবর্তন আসে কোভিড-১৯ মহামারীর সময়ে। তার ভাতিজা আবু বকর, ছোট ভাইরা এবং আরও কয়েকজন স্থানীয় যুবক মিলে সাদ্দাম মালকে পরামর্শ দেন আঞ্চলিক ভাষায় কনটেন্ট তৈরি করতে। সাদ্দামের ভাষায়, “এটা ছিল সোনালী সুযোগ, যেখানে নিজের ভাষা, নিজস্ব সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করার সুযোগ পেলাম।” কুয়াকাটায় শুটিং শুরু হওয়া কনটেন্টগুলো প্রথমে স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয়তা লাভ করে, কিন্তু পরে ধীরে ধীরে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে থাকে।

বরিশালের আঞ্চলিক ভাষায় তৈরি এসব কনটেন্ট ফেসবুক ও ইউটিউবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। সাদ্দাম মাল তার কনটেন্টে এমনভাবে অভিনয় করেন যে, দর্শকরা নিজেকে তার চরিত্রে দেখতে পায়। তার বিশেষ কনটেন্ট “ক্রিমিনাল জামাই” দর্শকদের কাছে তুমুল জনপ্রিয় হয়ে ওঠে, যেখানে তিনি মোতালেব নামক চরিত্রে অভিনয় করেন। তার এই চরিত্রটি এতটাই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যে, সেই নামেই তাকে পরিচিতি লাভ করতে হয়।

শো-বিজে সাদ্দাম মালের যাত্রা :: তবে কনটেন্ট তৈরি করেই থেমে যাননি সাদ্দাম মাল। কনটেন্টের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে তাকে অভিনয় করার সুযোগও আসে। তিনি শাকিব খানের অভিনীত “রাজকুমার” সিনেমায় অভিনয় করেছেন, পাশাপাশি “নিথর কোলাহল”, “ভাইরাল ভাই”, “রসের হাঁড়ি বাড়াবাড়ি”, “হাউজ হাজবেন্ড ও ফাউল”, “জার্নি টু বরিশাল”, “লাল বাইসাইকেল”, “জাগরণী”, “ডিম”, “রোদ বৃষ্টির গল্প”, “ইলিশের গন্ধ”, “মেঘনার আকাশ” সহ একাধিক নাটকে অভিনয় করেছেন। তার অভিনয়ের প্রতিভা এবং কনটেন্ট নির্মাণের দক্ষতার কারণে সাদ্দাম মাল এখন একজন প্রতিষ্ঠিত অভিনেতা।

সাদ্দাম মাল শুধু অভিনেতা নন, তিনি একজন দক্ষ কনটেন্ট নির্মাতা। কনটেন্ট তৈরির পুরো প্রক্রিয়াটি তার নিজের হাতে। চিত্রগ্রহণ, গল্প লেখা, শুটিং লোকেশন নির্বাচন — এসবের প্রতিটিতে তার রয়েছে বিশদ মনোযোগ। তার কনটেন্ট টিমের সদস্যরা, যেমন তার ভাতিজা এস.এম আলমাস, ছোট ভাই সাগর, আরিফ, আবু বকর, এবং আরও অনেক সহযাত্রী মিলেই এসব কাজ সম্পন্ন হয়। বিশেষত, তার ভাগিনা আলমাস, যিনি চেয়ারম্যান চরিত্রে অভিনয় করেন, সাদ্দাম মালের সঙ্গে কাজ করার এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতা লাভ করেন।

সাদ্দাম মালের কাছে তার দর্শকদের প্রতি এক ধরনের কৃতজ্ঞতা রয়েছে। তিনি বলেন, “আমার এই যাত্রা সম্ভব হয়েছে আমার দর্শকদের ভালোবাসায়। তাদের ভালোবাসা আমাকে সাফল্যের পথ দেখিয়েছে।” এখন তিনি আরও নতুন প্রকল্প নিয়ে কাজ করতে চান। তার পরিকল্পনা হল, আরও বেশি ভালো কনটেন্ট তৈরি করা, যাতে মানুষ আরও বেশি উপকৃত হতে পারে। এছাড়া, তিনি নিজ অঞ্চলে, কুয়াকাটায় আরও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড গড়ে তুলতে চান এবং তার কর্মজীবনকে সামনের দিকে আরও বিস্তৃত করতে চান।

এখন সাদ্দাম মাল কনটেন্ট নির্মাণকে তার পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি নিজের এবং তার সহকর্মীদের ভালোভাবে জীবিকা নির্বাহ করছেন। বর্তমানে সাদ্দাম মাল তার পরিবার, সহকর্মী এবং টিমের সদস্যদের সঙ্গে মিলে প্রতিটি কাজের মধ্য দিয়ে তার পেশাগত লক্ষ্য পূরণ করছেন। তার মতে, “এই কাজই আমার জীবনের মুল অনুপ্রেরণা। আমি চাই আমার কাজের মাধ্যমে দেশের মানুষের মাঝে প্রভাব ফেলতে এবং ভালো কিছু উপহার দিতে।”

অবশ্যই, সাদ্দাম মাল চান তার এই কাজের মাধ্যমে দেশবাসীর হৃদয়ে স্থান করে নিতে এবং একদিন একজন ভালো কৃষক হয়ে মাটি ও মানুষের মাঝে মিশে থাকতে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম