রাজউকের প্লট দুর্নীতি: শেখ রেহানা ও তার তিন সন্তানের বিরুদ্ধে মামলা

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) থেকে প্লট গ্রহণের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা এবং তার সন্তানদের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলায় শেখ রেহানা, তার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, মেয়ে আজমিনা সিদ্দিক, টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকসহ মোট ১২-১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।

১৩ জানুয়ারি, সোমবার, দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাগুলো দায়ের করা হয়। দুদক মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, ১২ জানুয়ারি, শেখ হাসিনা, তার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল এবং জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে পূর্বাচল প্রকল্পে ৬০ কাঠা প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয় যে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে এবং বরাদ্দ পাওয়ার যোগ্য না হওয়া সত্ত্বেও পূর্বাচল আবাসন প্রকল্পের ২৭নং সেক্টরের ২০৩নং রাস্তার প্লট নং ১৭ সায়মা ওয়াজেদের নামে বরাদ্দ নিয়ে প্লটের বাস্তব দখলসহ রেজিস্ট্রি মূলে প্লট গ্রহণ করেছেন।

এছাড়া, মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, বোন শেখ রেহানা, বোনের ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি, মেয়ে আজমিনা সিদ্দিকসহ মোট ৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।

দুদক অনুসন্ধান করেছে যে, শেখ হাসিনা এবং তার পরিবারের সদস্যরা রাজউক কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশ করে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের কূটনৈতিক জোনে ৬০ কাঠা প্লট বরাদ্দ নিয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া, দুদক ২২ ডিসেম্বর ঘোষণা করেছে যে, তারা শেখ হাসিনা এবং তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে বিদেশে ৩০০ মিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগও অনুসন্ধান করছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় দাবি করেছেন, রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পে এবং অন্যান্য প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ ভিত্তিহীন। তিনি দুদকের প্রতি চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন যে, তারা এই দুর্নীতির প্রমাণ দেখাতে পারলে বিষয়টি মীমাংসা হবে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশালে বিএনপির দুই শীর্ষ নেতাকে শোকজ নোটিশ

বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক এবং সদস্য সচিব জিয়া উদ্দিন সিকদারকে শোকজ (কারণ দর্শানোর) নোটিশ পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় বিএনপি। দলীয় শৃঙ্খলা লঙ্ঘন করে, কেন্দ্রীয় বিএনপির নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে গত শনিবার তারা মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা আয়োজন করেছিলেন, যার জন্য তাদের বিরুদ্ধে এই শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

১৩ জানুয়ারি, সোমবার, কেন্দ্রীয় বিএনপির পক্ষ থেকে পাঠানো শোকজ নোটিশে উল্লিখিত হয়েছে যে, বরিশাল বিমানবন্দর থেকে বিশাল মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা নিয়ে শহরে প্রবেশ করা হয়। তাদেরকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কেন সাংগঠনিক শাস্তির আওতায় পড়বে না, এ বিষয়ে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। ফারুক এবং সিকদার শোকজ নোটিশ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং তারা উত্তর দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

বরিশাল মহানগর বিএনপির আভ্যন্তরীণ বিরোধে এই শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আগামী সম্মেলনের জন্য কেন্দ্রীয় বিএনপি সিদ্ধান্ত নেবে, তবে মহানগরের নেতাদের মধ্যে বিরোধ তুঙ্গে উঠেছে। সম্প্রতি দুই নেতা তাদের অনুসারীদের নিয়ে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা আয়োজন করেন, যা দলের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে কিছু নেতারা তাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান জানিয়েছেন, দলের শোডাউন নিষিদ্ধ ছিল এবং বরিশালে তা ভঙ্গ করা হয়েছে, যা দলের শৃঙ্খলার বিরুদ্ধে। সাধারণ জনগণও এতে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে, এজন্য শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, বরিশাল মহানগর বিএনপির মধ্যে সাংগঠনিক সংস্কারের অভাব এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা বেড়ে গেছে। বিভিন্ন গ্রুপ নতুন কমিটির পক্ষে-বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। কিছু বড় নেতা রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে দলের শৃঙ্খলার ক্ষতি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ২৫ নভেম্বর, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, যিনি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা, সম্মেলনের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা দিয়েছেন। বর্তমানে বরিশাল মহানগর বিএনপিতে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিরোধীরা বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যার ফলে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে।

বর্তমানে বরিশাল বিএনপির ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলার অভাব এবং একের পর এক বিতর্কিত ইস্যুর কারণে সম্মেলনের প্রস্তুতিতে অন্তর্কলহ দেখা দিয়েছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




গণমাধ্যমের উন্নয়নে চাই সম্মিলিত উদ্যোগ: কামাল আহমেদ

স্বাধীন, বস্তুনিষ্ঠ এবং শক্তিশালী গণমাধ্যম গড়ে তুলতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ। তিনি বলেন, “এই সভায় উঠে আসা মতামত ও সুপারিশ আমরা সরকারের কাছে তুলে ধরব।”

সোমবার (১৩ জানুয়ারি) বরিশালের বান্দ রোডে অবস্থিত শিল্পকলা একাডেমির মিলনায়তনে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

কামাল আহমেদ বলেন, “গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি শক্তিশালী কাঠামো তৈরি করা আমাদের মূল লক্ষ্য। এ জন্য সাংবাদিকদের মতামত সংগ্রহ করে একটি সুসংহত সুপারিশমালা প্রস্তুত করা হবে, যা সরকার গণমাধ্যম সংস্কারের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে পারবে।”

সভায় বরিশাল বিভাগের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা গণমাধ্যমের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা করেন। তারা প্রেস কাউন্সিলকে আরও কার্যকর করার ওপর জোর দেন এবং গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

সিনিয়র সাংবাদিক কাওসার হোসেন বলেন, “গণমাধ্যমে স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতার অভাব রয়েছে। সাংবাদিকদের কাজের ক্ষেত্রে নানা অন্তরায় দূর করতে প্রয়োজন উপযুক্ত নীতিমালা এবং সুরক্ষা কাঠামো।”

উল্লেখযোগ্য আলোচনার বিষয় ::

১. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন।
২. সাংবাদিকদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ রোধ।
৩. গণমাধ্যমের নিরপেক্ষতা নিশ্চিতকরণ।

সাংবাদিকরা আশা প্রকাশ করেন, এই কমিশনের সুপারিশমালা গণমাধ্যমের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কমিশনের সদস্যরা জানান, বরিশাল অঞ্চলে গণমাধ্যম সংস্কারের বিষয়ে প্রাপ্ত সুপারিশগুলো পর্যালোচনা করে জাতীয় পর্যায়ে উপস্থাপন করা হবে।

“মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম”




বরিশালে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়, জমে উঠেছে জামদানি শিল্প পণ্যমেলা

গত কয়েকদিনের কনকনে শীত উপেক্ষা করে বরিশাল এবং আশপাশের এলাকার দর্শনার্থীরা উপচে পড়া ভিড় নিয়ে অংশগ্রহণ করছে গৌরনদী জামদানি শিল্প পণ্যমেলায়। ক্রেতা-বিক্রেতা এবং বিনোদনপ্রেমীদের বিশাল ভিড় তা প্রমাণ করে যে, মাসব্যাপী এই মেলা জমে উঠেছে।

গৌরনদীতে শুরু হওয়া এই পণ্যমেলার উদ্দেশ্য ছিল নতুন প্রজন্মের কাছে দেশীয় জামদানি শাড়ি এবং মসলিনখ্যাত ঐতিহ্যবাহী জামদানি শাড়ির বাজার সম্প্রসারণ। মেলা শুরু হয়েছে গত ১৮ ডিসেম্বর থেকে এবং এটি চলবে এক মাস ধরে।

মেলায় জামদানি শাড়ি ছাড়াও নানা ধরনের দেশীয় পণ্যের পসরা সাজিয়েছেন দোকানিরা। মেলায় পাওয়া যাচ্ছে থ্রি-পিচ, গৃহস্থালি পণ্য, কসমেটিক্স, কাপড়চোপড়, আসবাবপত্র, ইলেকট্রনিক্স পণ্য, দেশি-বিদেশি পোশাক, জুতা, সাজসজ্জা এবং প্রসাধনী জাতীয় পণ্য। মেলার মধ্যে বিনোদনের জন্য রয়েছে নৌকা দোলা রাইড, ড্রাগন ট্রেন, ভূতের ঘরসহ বিভিন্ন আয়োজন। এছাড়া, মুখরোচক খাবারের দোকানও পাওয়া যাচ্ছে।

গৌরনদী, বরিশাল, আগৈলঝাড়া, কালকিনি, উজিরপুর, কোটালীপাড়া, মুলাদী, বাবুগঞ্জ, বানারীপাড়া সহ বিভিন্ন এলাকার বিনোদনপ্রেমীরা মেলায় আসছেন। বিশেষত শুক্র এবং শনিবারে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে দর্শনার্থীদের ভিড় থাকে আরও বেশি।

বিএম জাহিদ নামক এক দর্শনার্থী জানান, করোনার পর থেকে বিনোদনের জন্য তেমন কোনো আয়োজন হয়নি। দীর্ঘদিন পর মেলায় আসতে পেরে তিনি ও তার পরিবার খুব আনন্দিত। একাধিক নারী দর্শনার্থীও জানিয়েছেন, মেলার টিকিটের মূল্য মাত্র ১০ টাকা এবং পণ্যের দাম হাতের নাগালে থাকায় তারা খুব খুশি।

মেলার আয়োজক মাজেদুল ইসলাম এবং আলী আজগর জানান, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তাদের মেলা আয়োজনের অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং গৌরনদী বাসীকে বিনোদন দেওয়ার জন্য এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। তারা আরও বলেন, মেলায় কোন ধরনের অশ্লীলতা থাকবে না এবং এটি পরিবারসহ সবাই উপভোগ করতে পারবে।

গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আবু আবদুল্লাহ খান বলেন, মেলা চলাকালীন ১৪টি শর্তে বরিশাল জেলা প্রশাসনের অনুমতি রয়েছে। যদি কোন শর্ত ভঙ্গের অভিযোগ পাওয়া যায়, তবে তৎক্ষণাৎ মেলা বন্ধ করে দেওয়া হবে।

মেলা শুরু হওয়ার পর থেকেই ক্রেতাদের এবং দর্শনার্থীদের ভিড় বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিটি দোকানে ক্রেতারা পছন্দের পণ্য কিনে আনন্দিত। বিক্রেতারাও তাদের বিক্রির সংখ্যা দেখে বেশ খুশি।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




রাত ৮টার পর বরিশাল বেলস্ পার্কে শিক্ষার্থীরা থাকতে পারবে না

বরিশাল নগরীর বেলস্ পার্কে রাত ৮টার পর কোনো স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী থাকতে পারবে না। যদি কেউ এই সময়ের পর সেখানে অবস্থান করেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজ রোববার জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় একাধিক সদস্যের বক্তব্যের পর বেলস্ পার্কে অনিয়ম ও অনৈতিক কাজের অভিযোগের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় জানানো হয়, বাবুগঞ্জের মীরগঞ্জ ফেরিঘাটের ইজারা বাতিল করা হবে, এবং ইতিমধ্যে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জেলা জুড়ে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলমান রয়েছে।

এদিকে, ডিসেম্বর মাসে বরিশাল মেট্রোপলিটন এলাকায় ১১৯টি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, যার মধ্যে ডাকাতি, দস্যুতা, ধর্ষণ, খুন, সিঁধেল চুরি, চুরি, নারী নির্যাতন, মাদকদ্রব্য এবং অন্যান্য অপরাধ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। জেলার ১০ উপজেলায় ১৬৫টি অপরাধ ঘটেছে, এর মধ্যে ধর্ষণ, নারী নির্যাতন, মাদকদ্রব্য, খুন, চুরি ও ডাকাতি ঘটনারও উল্লেখ রয়েছে।

এ সময় সভায় সেনাবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ সুপার, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত আরও ২৮ ফিলিস্তিনি

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বর্বর হামলায় কমপক্ষে আরও ২৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে করে উপত্যকাটিতে নিহতের মোট সংখ্যা ৪৬ হাজার ৫৫০ ছাড়িয়ে গেছে।

রোববার (১২ জানুয়ারি) বার্তাসংস্থা আনাদোলুর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গাজায় ইসরায়েলের চলমান হামলায় ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬ হাজার ৫৬৫ জনে পৌঁছেছে।

এছাড়া, এই হামলায় আরও অন্তত এক লাখ ৯ হাজার ৬৬০ জন ব্যক্তি আহত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর অব্যাহত আগ্রাসনে ২৮ জন নিহত এবং আরও ৮৯ জন আহত হয়েছেন। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে আছেন, কারণ উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।

ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গাজা উপত্যকা জুড়ে ধ্বংস হওয়া বাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও ১০ হাজারেরও বেশি লোক নিখোঁজ রয়েছেন।

যদিও জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে, তবুও ইসরায়েল তার নৃশংস আক্রমণ অব্যাহত রেখেছে। গত ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এই হামলায় হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বাবা হারালেন নির্মাতা রায়হান রাফী

জনপ্রিয় নির্মাতা ও চিত্রনাট্যকার রায়হান রাফীর বাবা সিরাজ উদ্দিন চৌধুরী মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

রোববার (১২ জানুয়ারি) গভীর রাত ২টা ৩৪ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

আজ সোমবার (১৩ জানুয়ারি) ভোরে অভিনেত্রী তমা মির্জা ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে এই দুঃখজনক খবরটি নিশ্চিত করেন। তিনি লিখেছেন, “রায়হান রাফীর আব্বু আমাদের মাঝে আর নেই। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহি রাজিউন। রাত ২টা ৩৪ মিনিটে আংকেল ইউনাইটেড হাসপাতালে মারা গেছেন।”

তমা মির্জা আরও লেখেন, “এমন কিছুও যে লিখে জানাতে হবে, কল্পনাও করিনি। আংকেলকে সিলেটে উনাদের পারিবারিক কবরস্থানে আগামীকাল মঙ্গলবার দাফন করা হবে।”

তিনি শোক প্রকাশ করে লেখেন, “আন্টির জন্য, রাফীর জন্য, আপুদের জন্য- গোটা পরিবারের জন্য সবাই দোয়া করবেন যেন এই কঠিন সময়ে তারা ভেঙে না পড়ে। মাটির মতো মানুষটাকে আল্লাহ তার কাছে ভালো রাখবেন, ইনশাআল্লাহ।”

প্রসঙ্গত, সিরাজ উদ্দিন চৌধুরী বার্ধক্যজনিত কারণে দীর্ঘদিন ধরে নানা রোগে ভুগছিলেন। গত কয়েক মাসে তার শারীরিক অবস্থা অনেক খারাপ হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




আগামী নির্বাচনকে এযাবৎকালের সেরা ও ঐতিহাসিক করতে চাই: প্রধান উপদেষ্টা

বাংলাদেশের আগামী নির্বাচনকে সরকার এযাবৎকালের সেরা ও ঐতিহাসিক করার পরিকল্পনা করছে, যাতে এটি গণতন্ত্রের একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে। এ কথা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

রোববার (১২ জানুয়ারি) ঢাকায় নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হ্যাকন অ্যারাল্ড গুলব্র্যান্ডসনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ মন্তব্য করেন তিনি। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আমরা চাই আগামী নির্বাচনটি বাংলাদেশের জন্য ইতিহাস হয়ে থাকুক এবং এটি গণতন্ত্রের মাইলফলক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হোক।”

**নরওয়ের প্রতি আহ্বান:**

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনূস নরওয়ের প্রতি বাংলাদেশকে এশিয়ায় নরওয়েজিয়ান পণ্যের আঞ্চলিক বিতরণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, “নরওয়ের পণ্য এশিয়ায় বিতরণের জন্য বাংলাদেশকে একটি কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করুন, যাতে আপনাদের নরওয়ে থেকে লোক আনতে না হয় এবং আমাদের তরুণ জনগোষ্ঠীকে কাজে লাগানো যায়।”

এসময়, অধ্যাপক ইউনূস নরওয়ের টেলিকম জায়ান্ট টেলিনরের বাংলাদেশে গ্রামীণফোন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের কথা স্মরণ করে বলেন, এটি বিগত বছরগুলোতে টেলিনর পরিবারের সবচেয়ে লাভজনক উদ্যোগে পরিণত হয়েছে।

নরওয়ের রাষ্ট্রদূত গুলব্র্যান্ডসেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি নরওয়ের দৃঢ় সমর্থন প্রকাশ করেন এবং নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গার স্টোরের একটি চিঠি প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর করেন। চিঠিতে নরওয়ে বাংলাদেশের সংস্কার উদ্যোগ, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রচেষ্টা এবং মানবাধিকার রক্ষা ও পরিবেশগত টেকসই উন্নয়নের অঙ্গীকারের প্রশংসা করেছে।

প্রধান উপদেষ্টা মিয়ানমারের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে নরওয়ের সহায়তা কামনা করেন। তিনি বলেন, “নরওয়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বড় ভূমিকা পালন করেছে, তাই রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আপনাদের সহায়তা প্রয়োজন।”

রাষ্ট্রদূত গুলব্র্যান্ডসেন আরও বলেন, “ফিলিস্তিন ইস্যু, আন্তর্জাতিক কর এবং প্লাস্টিক দূষণ বিষয়ে নরওয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী।” এছাড়া, ঢাকায় নরওয়ে দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন মারিয়ানে রাবে নেভেলস্রুদ ফিলিস্তিনে মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর বিষয়ে নরওয়ের নেতৃত্বাধীন জাতিসংঘ প্রস্তাবে পৃষ্ঠপোষকতার জন্য বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




কর আরোপে ক্ষুব্ধ বরিশালের সাধারণ মানুষ

সম্প্রতি, সরকার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর নতুন করে কর আরোপ করেছে, যার ফলে সাধারণ মানুষের জন্য জীবনযাত্রা আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। সরকার দাবি করছে, বাজার এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, কিন্তু বরিশালের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আসলে পরিস্থিতি ভিন্ন। শীতকালীন সবজির দাম কিছুটা কমলেও, অন্যান্য পণ্যের দাম আকাশচুম্বী। নতুন শুল্ক বৃদ্ধির কারণে জনমনে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, বাজার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক। তবে, সরেজমিনে বরিশালের বাজারে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। শীতকালীন সবজি যেমন ফুলকপি ও শালগমের দাম কমলেও, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এখনো আকাশচুম্বী। মুদি দোকানগুলোতে চিনি ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকা, রসুন ২২০ টাকা, এবং ২৮ কেজি চালের বস্তা ১,৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বরিশাল নগরীর পলাশপুর এলাকার গৃহিণী হাসিনা আক্তার জানান, “বাজার করতে গেলে প্রতিদিন দুশো-তিনশো টাকা লাগে। আলু, তেল, ডালের দাম সব আকাশচুম্বী। তার সঙ্গে মোবাইল আর গ্যাসের দাম বাড়লে কীভাবে ঘর চালাব? সরকার কি আমাদের নিঃশেষ করে দিতে চায়?”

শ্রমিক আমিনুল হক বলেন, “চিনি ১৭০, রসুন ২২০ টাকা। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতেই পকেট ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে। এইভাবে কি আর সংসার চালানো সম্ভব?”

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) মোবাইল রিচার্জ, কলরেট, এবং ইন্টারনেট সেবার ওপর সম্পূরক শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৩ শতাংশ করেছে। এই পদক্ষেপের ফলে মোবাইল ফোনে ১০০ টাকার রিচার্জে গ্রাহককে ৫৬ টাকার বেশি কর দিতে হবে। এতে সরকারের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি হলেও, সাধারণ জনগণের পক্ষে এই বাড়তি খরচ বহন করা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বরিশাল নগরীর বিবি পুকুর পাড়ের মোবাইল রিচার্জ দোকানের মালিক রাসেল মিয়া জানান, “এখন প্রতিদিন রিচার্জ কম হচ্ছে। মানুষ তো মোবাইল ব্যবহার কমাচ্ছে। শুল্ক বাড়ানোর পর গ্রাহক কমে যাবে।”

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনের আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম শাহেদ বলেন, “জনগণ এখন সরকারের কাছ থেকে ইতিবাচক পদক্ষেপ আশা করছিল। এই মুহূর্তে নতুন করে কর আরোপ জনমানসের বিপরীতে অবস্থান নেওয়ার প্রমাণ।”

বরিশালের পোর্ট রোডের মুদি দোকানি মনিরুল ইসলাম বলেন, “চিনি, ডাল, চাল এসব পণ্য কিনে আনতে গিয়ে দাম বেড়েই চলছে। এখন এই নতুন শুল্ক যোগ হয়ে গেলে দাম আরও বেড়ে যাবে। খুচরা বিক্রিতে গ্রাহকরা তো বেশি দামে নিতে চান না।”

বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চায়নি। বিএনপির বরিশাল মহানগর আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক জানান, “তিনি এখনও এই বিষয়ে জানেন না।” অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের মহানগর আমীর জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর জানান, “বিষয়টি বিস্তারিত জানার পর আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হবে।”

এমন পরিস্থিতি দেশে এক সংকটজনক অবস্থার সৃষ্টি করেছে। সরকার যেখানে সমাধান খুঁজতে চেয়েছে, সেখানে নতুন কর আরোপ জনগণের জন্য নতুন সমস্যা তৈরি করেছে। সাধারণ মানুষ থেকে শিক্ষার্থী পর্যন্ত সবাই এই বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে, কিন্তু রাজনীতিতে বিরাজ করছে এক অস্বাভাবিক নীরবতা।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




স্বাধীন সামরিক বাহিনী সংস্কার কমিশন গঠনের প্রস্তাব

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অবিচারের সমাধান করে স্বাধীন সামরিক বাহিনী সংস্কার কমিশন গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. হাসান নাসিরসহ ৭ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল।

রোববার (১২ জানুয়ারি) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফ উদ্দিনকে দেওয়া স্মারকলিপিতে এ দাবি জানায় প্রতিনিধি দলটি।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অন্যায্য পদোন্নতি ও বরখাস্ত, বাধ্যতামূলক অবসরসহ আর্থিক বা সামাজিক হয়রানি করা হয়েছে দাবি করে স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা দীর্ঘকাল ধরে গুরুতর অবিচার ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়ে আসছেন। এই অবিচারের কারণে তাদের পেশাগত জীবন ও ব্যক্তিগত জীবনে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। বাংলাদেশের সামরিক বাহিনীতে এমন অবিচারের প্রতিকার এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে, আমরা একটি স্বাধীন সামরিক সংস্কার কমিশন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করছি।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, বর্তমানে পুরোনো সামরিক আইন ব্যবহৃত হচ্ছে যা আধুনিক পরিস্থিতির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। সংবিধানের ৪৫ অনুচ্ছেদ সামরিক সদস্যদের ন্যায়বিচারের সুযোগকে সীমিত করেছে এবং সামরিক বিচার ব্যবস্থায় স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে।

এজন্য সামরিক বিচার পর্যালোচনা, ২০০৯ সাল থেকে সমস্ত বিতর্কিত বরখাস্ত এবং কোর্ট মার্শাল পর্যালোচনা করা, যারা অবিচারপূর্ণভাবে পদচ্যুত হয়েছেন, তাদের পদোন্নতিসহ সব ধরনের আর্থিক সুবিধা প্রদান করা, যাদের অবিচারে বরখাস্ত করা হয়েছে তাদের পুনর্বহাল করা, পুনর্বহালকৃত কর্মকর্তাদের সরকারি বা সামরিক প্রতিষ্ঠানগুলিতে নিয়োগ দেওয়াসহ অবিচারের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান হাসান নাসির।

একইসঙ্গে পুরোনো সামরিক আইন ও বিধি বাতিল করে নতুন আইন প্রবর্তন, সামরিক সদস্যদের ন্যায়বিচারের সুযোগ বৃদ্ধি করতে সংবিধানের ৪৫ অনুচ্ছেদ সংশোধন ও সামরিক বিচার ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার দাবি জানান তিনি।

এছাড়াও স্বাধীন সামরিক বাহিনী সংস্কার কমিশন গঠনের দাবি জানানো হয় প্রতিরক্ষা সচিবকে দেওয়া স্মারকলিপিতে।

সেখানে আরও বলা হয়, সামরিক বাহিনীর সদস্যদের ন্যায্য অধিকার এবং তাদের পেশাগত জীবনকে সম্মানিত করা ও বিদ্যমান আইন সংস্কার করে নতুন আইন প্রবর্তন করার জন্য একটি স্বাধীন কমিশন অত্যন্ত জরুরি। এই কমিশন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, মানবাধিকার কর্মী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং সশস্ত্র বাহিনীর প্রাক্তন ও বর্তমান সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত হতে পারে।