বিনিয়োগ সংস্থাগুলোকে একত্রিত করার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের ভূমি অধিকার সমস্যা সমাধান এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য সকল বিনিয়োগ সংস্থাকে এক ছাতার নিচে আনার নির্দেশ দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) ইয়ংওন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান কিহাক সাং এবং অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় বিদেশী বিনিয়োগকারীদের সাথে বৈঠককালে প্রধান উপদেষ্টা এই নির্দেশনা দেন। তিনি বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুনকে পাঁচটি বিনিয়োগ সংস্থাকে একত্রে নিয়ে আসার জন্য পদক্ষেপ নিতে বলেন।

বৈঠক শেষে, ইয়ংওন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান কিহাক সাং বাংলাদেশের বিনিয়োগের সমস্যা, বিশেষ করে ভূমি অধিকার সম্পর্কিত জটিলতা তুলে ধরেন এবং বড় আকারের বিনিয়োগ পরিস্থিতি উন্নত করার জন্য প্রধান উপদেষ্টার কাছে অনুরোধ করেন।

এছাড়া, কোরিয়ান ইপিজেডের জমি সমস্যা আগামী ৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সমাধান হবে বলে আশ্বাস দেন কিহাক সাং। তিনি বলেন, “আমরা চাই কোরিয়ান ইপিজেড বাংলাদেশের সবার জন্য মডেল হোক। আশা করি এটি বড় বিনিয়োগ আকর্ষণ করবে এবং ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।”

ড. ইউনূস চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম উন্নত করার জন্য ইতোমধ্যে কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন এবং দ্রুত রপ্তানির জন্য গ্রিন চ্যানেল চালুর কথাও জানিয়েছেন। চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে দ্রুত শিপমেন্টের ব্যবস্থা নেয়া হলে, অর্থনীতির গতিশীলতা আরো বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এছাড়া, কোরিয়ায় একটি বৃহৎ টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য ড. ইউনূসকে আমন্ত্রণ জানান কিহাক সাং। তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশি তরুণদের প্রশিক্ষণ প্রদান করার আশ্বাসও দেন।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণা অনুযায়ী নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু: ইসি সচিব

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টার ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) আগারগাঁওয়ে কমিশন ভবনে ইউএনডিপির প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

ইসি সচিব বলেন, “ভোটার তালিকা প্রণয়ন এবং নির্বাচনে কারিগরি সহযোগিতা দেবে ইউএনডিপি। আগামী দশ দিনের মধ্যে ইউএনডিপি তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতার তালিকা প্রদান করবে।”

এসময়, ইউএনডিপির প্রতিনিধিরা নির্বাচনের জন্য ইসির চাহিদা অনুযায়ী সাহায্য করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। ২০০৫ সাল থেকে বাংলাদেশের সকল নির্বাচনেই ইউএনডিপি কমিশনকে সরাসরি সহযোগিতা দিয়ে আসছে। জাতিসংঘের এ সংস্থা নির্বাচনী পরামর্শ, কারিগরি সহায়তা, লজিস্টিক, প্রশিক্ষণ, ভোটার তালিকা প্রণয়ন, এবং জনসচেতনতা সৃষ্টির মতো নানা গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকে।

জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি গোয়েন লুইস বলেন, “বাংলাদেশের নির্বাচনে সহযোগিতা করতে চায় ইউএনডিপি এবং এ বিষয়ে আমাদের সহযোগিতার প্রস্তাবগুলো কমিশনের সাথে আলোচনা চলছে।”

এদিকে, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০২৫ সালের শেষ দিকে অথবা ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানান।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশালে ঘরের মাঠে বিপিএল না হওয়ায় ক্রীড়াপ্রেমীদের হতাশা

ক্রিকেটের প্রতি বরিশালবাসীর উন্মাদনা অসীম। তবে এই বছর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) আয়োজনের সময়, ফরচুন বরিশাল অসাধারণ পারফরম্যান্স সত্ত্বেও, ঘরের মাঠে খেলার সুযোগ পাচ্ছে না। এই কারণে বরিশালবাসী দুঃখিত ও হতাশ। বরিশালের আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকায় স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা নিজেদের মাঠে বিপিএল খেলা দেখতে পারছেন না।

বরিশালের ক্রীড়াপ্রেমী আশিকুজ্জামান বলেন, “যদি আমাদের মাঠে ফরচুন বরিশালের ম্যাচ আয়োজন করা যেত, তাহলে স্থানীয় তরুণ খেলোয়াড়রা আরও অনুপ্রাণিত হতো। মাঠে খেলা দেখার আনন্দ আলাদা।”

প্রশিক্ষণরত নতুন ক্রিকেটার ফরহান আহমেদ বলেন, “বরিশালের সমর্থন আমাদের শক্তি। তাদের ভালোবাসা আমাদের আরও বেশি প্রেরণা দেয়। মাঠে খেলার সুযোগ না পেলেও, আমরা সবাই একসঙ্গে জিততে চাই।”

আরেক ক্রিকেটার আরিফ হোসেন বলেন, “ফরচুন বরিশালের হয়ে খেলা মানে এক স্বপ্ন। বরিশালবাসীর ভালোবাসায় অটুট বিশ্বাস রেখে আমরা শুধু জয়ের লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলেছি।”

ফরচুন বরিশালের মালিক মিজানুর রহমান জানান, “বরিশালের স্টেডিয়ামটি দ্রুত সংস্কার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানকার সংস্কৃতি এবং নতুন প্রতিভার বিকাশের জন্য খেলা আয়োজনের কোনো বিকল্প নেই।”

যদিও মাঠে খেলা দেখতে না পারলেও, বরিশালবাসী প্রিয় দলের জয় উদযাপনে কমতি রাখছে না। ফরচুন বরিশালের রাজশাহীর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে জয় পাওয়ার পর শহর জুড়ে ক্রিকেট উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়ে। ৬ ও ৭ জানুয়ারির দুই ম্যাচে জয় পাওয়ার পর উদ্দীপনা আরও বেড়ে যায়।

নগরীর বিভিন্ন স্থানে প্রজেক্টরে খেলা দেখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কোথাও খিচুরি পার্টি, কোথাও বারবিকিউ আয়োজন করে সমর্থকরা খেলার আনন্দ উদযাপন করেছেন। বিএম কলেজের শিক্ষার্থী ফয়সাল বারী বলেন, “বরিশালে ক্রিকেট মানেই অন্যরকম এক আবেগ। ফরচুন বরিশালের খেলা হলে গোটা শহর জেগে ওঠে।”

নিউটন নামের এক ব্যবসায়ী জানান, “আমার প্রজেক্টর ভাড়া নিয়ে নগরীতে কাড়াকাড়ি পড়েছে। বিপিএলের দিনগুলোতে সাউন্ড সিস্টেম ও প্রজেক্টরের ভাড়া নিয়ে দারুণ ব্যস্ত সময় পার করতে হচ্ছে।”

বরিশাল জেলা ক্রীড়া অফিসার সাইদুল ইসলাম জানান, “স্টেডিয়ামের সংস্কারকাজ দ্রুতই শেষ করার চেষ্টা চলছে। এটি শেষ হলে আমরা বিপিএলসহ আন্তর্জাতিক মানের খেলাগুলো আয়োজন করতে পারব।”

বরিশালবাসী আশা করে, স্টেডিয়ামের সংস্কার কাজ দ্রুত শেষ হবে এবং ঘরের মাঠে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক খেলাগুলোর আয়োজন হবে। ক্রীড়াঙ্গনে বরিশালের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে সরকারের দ্রুত পদক্ষেপের জন্য অপেক্ষা করছেন ক্রীড়ামোদীরা।

ফরচুন বরিশালের উজ্জ্বল পারফরম্যান্স, সমর্থকদের ভালোবাসা এবং স্টেডিয়াম উন্নয়নের স্বপ্ন মিলিয়ে বরিশালে একটি নতুন ক্রীড়াযুগের সূচনা হবে, এটাই বরিশালের প্রত্যাশা।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




ঢাকা-বরিশাল লঞ্চে অত্যাধুনিক সরঞ্জামের ব্যবহার জানেন না চালক-ক্রু, দুর্ঘটনা বাড়ছে

ঢাকা-বরিশাল নৌরুটে চলাচলকারী বিলাসবহুল যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি থাকা সত্ত্বেও, লঞ্চ চালক ও অন্যান্য ক্রুদের সেগুলো ব্যবহারের দক্ষতা নেই। প্রশিক্ষণ অভাবের কারণে প্রায়ই এসব লঞ্চ দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বারবার তাগিদ দিলেও, প্রশিক্ষণের কোন ব্যবস্থা নেয়নি বিআইডব্লিউটিএ এবং লঞ্চ মালিকপক্ষ।

ঢাকা-বরিশাল রুটে ১৭০ কিলোমিটার পথের উপর চলাচল করে প্রায় ৩০টি বিলাসবহুল লঞ্চ। এসব লঞ্চে রয়েছে আধুনিক যন্ত্রপাতি যেমন রাডার, ইন্ডিকেটর, রিমোট কন্ট্রোল, ইকো সাউন্ডার, জিপিএস এবং ভিএইচএফ। এই যন্ত্রগুলো নদীপথে দুর্ঘটনা কমাতে সহায়ক হতে পারে, তবে চালকরা এসব প্রযুক্তি ব্যবহারে অদক্ষ।

চালক এবং সুকানিদের অভিযোগ, লঞ্চ পরিচালনার জন্য আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারে তাঁদের কোনও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়নি। ফলে এই অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতির বেশিরভাগই ব্যবহৃত হয় না।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এবং লঞ্চ মালিকদের মধ্যে একে অপরের ওপর দায় চাপানোর ফলে চালক-সুকানিদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিষয়ে কোনও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

সুন্দরবন গ্রুপের ম্যানেজার জাকির হোসেন বলেন, “লঞ্চ চালানোর পদ্ধতি অনেক বদলে গেছে। বৈরি আবহাওয়া ও কুয়াশার কারণে অনেক সময় দুর্ঘটনা ঘটে। মালিকপক্ষ বড় অংকের বিনিয়োগ করে লঞ্চ পরিচালনা করে, কিন্তু বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষের উচিত চালক এবং সুকানিদের প্রতি বছর নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।”

বরিশাল বিআইডব্লিউটিএর বন্দর ও পরিবহন বিভাগের যুগ্ম-পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক জানান, “কুয়াশায় কীভাবে লঞ্চ চালাতে হবে, সে বিষয়ে আমরা আগে থেকেই লঞ্চ মালিকদের জানিয়ে দিয়েছি। কুয়াশায় যদি ১০০ মিটারের মধ্যে কিছু না দেখা যায়, তবে লঞ্চ বন্ধ রাখতে এবং ঘন ঘন হর্ন বাজানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে, সচেতনতার অভাবেই চালকরা এই নির্দেশনা মানছে না। আমাদের মনে হয় মাস্টার ও সুকানিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া খুবই জরুরি।”

বরিশাল বিভাগে প্রায় ২০০ চালক এবং সুকানি অদক্ষভাবে বিলাসবহুল লঞ্চ পরিচালনা করছেন, যার ফলে কুয়াশা ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে এই রুটে সবচেয়ে বেশি নৌ-দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যাম্বুলেন্স সেবা বন্ধ, রোগীরা ভোগান্তিতে

বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জ্বালানি সংকটের কারণে গত দুই মাস ধরে বন্ধ রয়েছে একমাত্র অ্যাম্বুলেন্স সেবা। অকটেনের বকেয়া পরিশোধ না করায় এই সেবা বন্ধ হয়েছে, যার ফলে মুমূর্ষু রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দূরবর্তী হাসপাতালে নেওয়ার সমস্যা তৈরি হয়েছে।

বর্তমানে, রোগীদের স্বজনরা সরকারি অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করতে পারছেন না এবং বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সে যেতে তাদের প্রায় দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ ভাড়া দিতে হচ্ছে। এতে গরিব ও দুস্থ রোগীদের জন্য আর্থিক চাপ বেড়ে গেছে, আর রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অ্যাম্বুলেন্সটির জ্বালানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স এম খান ফিলিং স্টেশনে প্রায় ৭ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে, যার কারণে ১১ নভেম্বর থেকে তেল সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাওয়ার জন্য রোগীদের প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করতে হচ্ছে এবং এই কারণে তাদের খরচ বেড়ে যাচ্ছে।

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, এক কিলোমিটার ভাড়া ১০ টাকা ধরা হলেও সরকারি অ্যাম্বুলেন্স বন্ধ থাকায় এখন রোগীদেরকে প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্সে ২ হাজার থেকে ২.৫ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হচ্ছে।

রঘুনাথপুর গ্রামের কাজী বশির উদ্দিন জানান, তার বোনের শাশুড়ি অসুস্থ, ডাক্তার তাকে শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। কিন্তু সরকারি অ্যাম্বুলেন্স বন্ধ থাকায় প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্সে যেতে প্রায় ৩ হাজার টাকা খরচ হবে।

অ্যাম্বুলেন্স চালক মো. মহসিন বলেন, ‘প্রতিদিন রোগীর স্বজনরা ফোন করেন, কিন্তু তেল না থাকায় আমি অ্যাম্বুলেন্স চালাতে পারছি না। দুই মাস ধরে অ্যাম্বুলেন্স বন্ধ রয়েছে, তাই অলস সময় কাটাচ্ছি।’

এদিকে, মেসার্স এম খান ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার জানান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষের বকেয়া পরিশোধ না করায় তেল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুমী আক্তার জানান, বর্তমানে প্রায় ৭ লাখ টাকা বকেয়া রয়েছে, এর মধ্যে ৬ লাখ টাকা বরাদ্দ পেয়েছেন এবং বিল প্রক্রিয়াধীন। বিল পাস হলেই দ্রুত অ্যাম্বুলেন্স সেবা পুনরায় চালু করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




ফের ১০ ডিগ্রির নিচে পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা

শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় পঞ্চগড়ে ফের তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে এসেছে। এ কারণে শীতজনিত রোগের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) ভোর ৬টায় পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পাশাপাশি, বাতাসের আর্দ্রতা দাঁড়িয়েছে শতকরা ৯৯ ভাগে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পঞ্চগড়ের প্রথম শ্রেণির তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ।

গত সোমবার (১৩ জানুয়ারি) তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রার এ ওঠানামায় শীতজনিত সমস্যাগুলি বৃদ্ধি পেয়েছে, বিশেষ করে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সমস্যা বাড়ছে। তাদের আয়-রোজগার হ্রাস পাওয়ার পাশাপাশি, কাজে যেতে না পারার কারণে ভ্যানচালক, পাথর শ্রমিক, চা শ্রমিক ও দিনমজুররা ব্যাপক দুর্ভোগে পড়েছেন।

স্থানীয়দের মতে, শীতের কারণে তাপমাত্রা ওঠানামা করছে, এবং এই মেঘলা দিনে কুয়াশার সাথে ঠান্ডা বাতাসও রয়েছে। আবার রোদ উঠলেও সকালে কনকনে শীত হাড় কাঁপাচ্ছে। ফলে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে অনেকেই জ্বর, সর্দি, শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।

এ বিষয়ে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ বলেন, “দুদিন তাপমাত্রা বাড়ার পর আজ আবার তাপমাত্রা কমে ৯ ডিগ্রির ঘরে এসেছে। এ তাপমাত্রায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে। তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলে আশঙ্কা করছি। গতকাল তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।”

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




লায়লা হত্যাচেষ্টা: প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে চার্জ শুনানি পেছাল

টিকটকার আব্দুল্লাহ আল মামুন, যিনি প্রিন্স মামুন নামে পরিচিত, তার বিরুদ্ধে টিকটকার লায়লা আখতার ফরহাদকে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে দায়ের করা মামলার চার্জ শুনানি পেছানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুল হকের আদালতে এ মামলার চার্জ শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এদিন মামলার দুই পক্ষ—মামুন ও লায়লা—আদালতে উপস্থিত হন। মামুনের পক্ষ থেকে আইনজীবী চার্জ শুনানি পিছিয়ে দেওয়ার জন্য সময় আবেদন করেন, তবে বাদীপক্ষের আইনজীবী চার্জ শুনানির জন্য প্রার্থনা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত সময় আবেদন মঞ্জুর করে এবং মামলার চার্জ শুনানি আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করেন।

২০২৩ সালের ১২ ডিসেম্বর লায়লা আখতার ফরহাদ মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, ফেসবুকের মাধ্যমে মামুনের সঙ্গে পরিচয় হয় লায়লার। এরপর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং দুই পরিবারের সম্মতিতে তাদের বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তারপর থেকে মামুন লায়লার বাসায় অবস্থান করতে থাকেন।

এই সময়ের মধ্যে বিভিন্নভাবে মামুন লায়লার কাছ থেকে টাকা দাবি করতেন। প্রায় সময় মাদক সেবন করে গভীর রাতে বাসায় ফিরতেন এবং অশ্লীল ভাষায় কথা বলতেন। মাঝে মাঝে লায়লাকে মারধরও করতেন। এসব পরিস্থিতিতে মামুনের অযৌক্তিক দাবির বিরুদ্ধে লায়লা প্রতিবাদ করলে মামুন উত্তেজিত হয়ে তাকে শারীরিকভাবে আক্রমণ করতেন।

২০২৩ সালের ১১ ডিসেম্বর, একটি জন্মদিনের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ শেষে বাসায় ফেরার পথে, মদপানের জন্য মিরপুরে যাওয়ার প্রস্তাব দিলে লায়লা তাকে নিষেধ করেন। এই ঘটনায় মামুন উত্তেজিত হয়ে লায়লাকে গালিগালাজ করেন এবং পরে মারধর করে হত্যাচেষ্টা চালান।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




তাহসান-রোজার মধুচন্দ্রিমার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল

গায়ক তাহসান খান এবং তার স্ত্রী রোজা আহমেদের মধুচন্দ্রিমার ছবি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। নতুন বছরের শুরুতেই এই দম্পতি জীবনযাত্রার একটি নতুন অধ্যায়ে পা রেখেছেন। তাহসান এবং রোজা বিয়ে করেছেন সম্প্রতি, আর এই খবরটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।

বিয়ের এক সপ্তাহ পর, ৭ জানুয়ারি, তাহসান ও রোজা মালদ্বীপে তাদের মধুচন্দ্রিমা কাটাতে যান। সেদিন সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে তারা দেশের একটি এয়ারলাইন্সের বিমানে চড়ে সুদূর মালদ্বীপের জন্য রওনা দেন। সূর্যময় দ্বীপরাজ্যে তাদের বিশেষ মুহূর্তগুলো উপভোগ করছেন এই দম্পতি।

মধুচন্দ্রিমার একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করেছেন রোজা আহমেদ। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, রোজা মালদ্বীপের সাগর পাড়ে দাঁড়িয়ে আছেন, সাদা বালিতে পা রেখে এবং লাল রঙের গাউন পরিহিত অবস্থায়। রোজার এই ছবি দেখে মনে হচ্ছিল যেন তিনি এক সোনালী পরী, যা সাগরের নীল পানির মাঝে একদম মায়াবীভাবে আলোকিত হয়ে উঠেছে।

এর আগে, ৪ জানুয়ারি, তাহসান মেকআপ আর্টিস্ট রোজা আহমেদকে বিয়ে করেন। গায়ে হলুদের ছবি প্রকাশের পরই তাহসান বিয়ের ছবি দিয়ে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন। রোজা আহমেদ নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটি থেকে কসমেটোলজিতে পড়াশোনা করেছেন এবং পরবর্তীতে কসমেটোলজি লাইসেন্স নিয়ে নিউইয়র্কের কুইন্সে ‘রোজাস ব্রাইডাল মেকওভার’ প্রতিষ্ঠা করেছেন।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




চীনা আধিপত্যের লাগাম টানতে চায় যুক্তরাষ্ট্র, শিপ বিল্ডিং শিল্পে নতুন কৌশল

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈশ্বিক সামুদ্রিক শিল্পে আধিপত্য বিস্তার করতে চীনের অনৈতিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে নতুন পদক্ষেপ নিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। চীন যে ধরনের অর্থনৈতিক সহায়তা, প্রযুক্তি হস্তান্তরের চাপ এবং মেধাস্বত্ব চুরির মাধ্যমে জাহাজ নির্মাণ শিল্পে প্রভাব বিস্তার করছে, তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

২০২৪ সালের এপ্রিলে মার্কিন ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ (ইউএসটিআর) ক্যাথরিন টাই-এর অধীনে শুরু হওয়া তদন্তে চীনের শিপ বিল্ডিং শিল্পে ত্বরান্বিত অগ্রগতি এবং মার্কিন শিল্পের ওপর এর প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত তথ্য উঠে এসেছে। ২০০০ সালে বৈশ্বিক ১৫০ বিলিয়ন ডলারের শিপ বিল্ডিং বাজারে চীনের শেয়ার ছিল মাত্র ৫ শতাংশ, যা বর্তমানে ৫০ শতাংশে পৌঁছেছে। একই সময়ে, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানও শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে উঠে এসেছে।

এদিকে, চীনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের মধ্যে রয়েছে, শ্রমিকদের মজুরি কৃত্রিমভাবে কমিয়ে রাখা, বিদেশি কোম্পানির জন্য অযৌক্তিক বাধা সৃষ্টি এবং প্রযুক্তি হস্তান্তর নিয়ে চাপ সৃষ্টি করা। এই পরিস্থিতি মার্কিন শিল্পের জন্য একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে, যার ফলস্বরূপ যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ বা পোর্ট ফি বৃদ্ধি করতে পারে।

অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এবং নির্বাচনী দল চীনকে নিয়ে আরও কঠোর পদক্ষেপের পক্ষে। এর আগে, ট্রাম্প প্রশাসন চীনা পণ্যের ওপর হাজার হাজার কোটি ডলারের শুল্ক আরোপ করেছিল। বর্তমান পরিস্থিতি এবং চীনা পণ্যের ওপর আরও শুল্ক আরোপের সম্ভাবনা নিয়ে শংকা প্রকাশ করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এই শিপ বিল্ডিং শিল্প পুনর্গঠন করতে কয়েক দশক এবং বিলিয়ন ডলার খরচ হতে পারে, এবং বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া হতে চলেছে। বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন, যুক্তরাষ্ট্রে জাহাজ নির্মাণের বেসরকারি ও সরকারি কারখানাগুলোর সংখ্যা বর্তমানে অত্যন্ত সীমিত, এবং এই শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপের প্রয়োজন।

এছাড়া, ট্রাম্প প্রশাসনের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইক ওয়াল্টজ ও ডেমোক্র্যাট সিনেটর মার্ক কেলি সহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ একত্রে কাজ করছেন যাতে মার্কিন জাহাজ নির্মাণশিল্পের পুনর্গঠন সম্ভব হয়।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




পিরোজপুরে কাঠের সিঁড়ি বেয়ে সেতু পার, ১৩ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার চাঁদকাঠি এলাকার তালতলা শাখা নদীর ওপর নির্মিত ৬৬ মিটার দীর্ঘ সেতুটি স্থানীয়দের জন্য ছিল একটি স্বপ্নের মতো। তবে সেই স্বপ্নে কিছুটা অন্ধকার নেমে এসেছে, কারণ সেতুর মূল কাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক এখনও নির্মিত হয়নি। এর ফলে, সেতুর দুই পাশে কাঠের সিঁড়ি তৈরি করে প্রায় ১৩ গ্রামের হাজারো মানুষ ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে বাধ্য হচ্ছেন। হাটবাজার, অফিস, স্কুল-কলেজ এবং চিকিৎসার জন্য যাতায়াতকারী বাসিন্দাদের প্রতিদিনের জীবন এক অনিশ্চিত যাত্রায় পরিণত হয়েছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, নাজিরপুর উপজেলার চাঁদকাঠি এলাকার তালতলা শাখা নদীর ওপর নাওটানা-পাকুরিয়া সেতুর নির্মাণ কাজ ২০২০ সালের ২৩ মার্চ শুরু হয়। প্রকল্পের সময়সীমা ছিল ২০২২ সালের ৩১ ডিসেম্বর, তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিমরান মায়ান ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল ধীরগতিতে মূল সেতুর কাজ শেষ করলেও সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করেই পুরো টাকা তুলে নেয়। ৫ কোটি ৮৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সেতু এখন এলাকাবাসীর জন্য দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সেতুর দুই পাশে কাঠের সিঁড়ি বানিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয়রা। আগে এখানকার মানুষ নদীতে খেয়া পারাপার করত, তবে সেতু হওয়ায় খেয়া পারাপার বন্ধ হয়ে গেছে। এখন সেতু পারাপারই একমাত্র উপায়, কিন্তু কাঠের সিঁড়ি ব্যবহারে দুর্ঘটনার ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মনিকা বিশ্বাস জানান, “ব্রিজটি দীর্ঘদিন অকেজো ছিল, কিছু কাজ করা হলেও সেতুর সংযোগ সড়ক এখনও নির্মিত হয়নি। বাচ্চারা স্কুলে যেতে পারছে না, এবং বৃদ্ধদের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে।” অন্যদিকে, রাইসুল ইসলাম ইউনুস জানান, “ব্রিজের কাজ সমাপ্ত না করে ঠিকাদার পালিয়ে গেছেন, আমরা নিজেরাই সিড়ি ও বালুর বস্তা দিয়ে চলাচলের ব্যবস্থা করেছি।”

স্কুল ছাত্র অতনী বিশ্বাস বলেন, “বৃষ্টির সময় সবচেয়ে বেশি কষ্ট হয়, অনেকেই পড়ে যায় সিঁড়ি দিয়ে ওঠা-নামার সময়।” কৃষক অজয় হালদার জানান, “রাস্তা দিয়ে উঠতে সমস্যা, পাঁচ কেজি চাল নিয়ে যেতেও সমস্যা হয়।”

এদিকে, পিরোজপুর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী রনজিত দে জানান, “নাওটানা সেতুর মূল অংশের কাজ শেষ হয়েছে, তবে সংযোগ সড়কের কাজ বাকি রয়েছে। আমরা শিগগিরই কাজ শুরু করবো এবং এক মাসের মধ্যে তা সমাপ্ত করব।”

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম