মধ্যরাতের ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টা ২৩ মিনিটে অনুভূত এ ভূকম্পনটির উৎপত্তি ছিল মিয়ানমারে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.১।
এটি মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প।
তবে তাৎক্ষণিকভাবে এতে হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
গভীর রাতে অনুভূত হওয়া ভূমিকম্পটি আতঙ্ক ছড়িয়েছে দেশে বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের মধ্যে। কম্পন অনুভূত হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই নেটিজেনরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এর তীব্রতার কথা তুলে ধরেন।

ফেসবুকে অনেকেই জানিয়েছেন, তার বিছানায় থাকা অবস্থায় শক্তিশালী কম্পন ও দুলুনি অনুভুব করেছেন; যা বেশ কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়।




বাংলাদেশের পুনর্গঠনে বিশ্বব্যাংকের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত

বিশ্বব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আন্না বিয়ার্দে বাংলাদেশের পুনর্গঠনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি তাদের দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন। বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনের ফাঁকে আন্না বিয়ার্দে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এক বিশেষ বৈঠকে অংশ নেন। বৈঠকে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার জানিয়েছেন, বৈঠকের সময় আন্না বিয়ার্দে বাংলাদেশের প্রতি বিশ্বব্যাংকের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সংস্কার কার্যক্রমে যেকোনো সহযোগিতার জন্য প্রস্তুতির আশ্বাস দেন।

আন্না বিয়ার্দে বলেন, “আমি আমাদের সমর্থন প্রকাশ করতে চাই। আপনারা যেকোনো সহায়তার জন্য আমাদের ওপর নির্ভর করতে পারেন।”

তিনি আরও জানান, বিশ্বব্যাংক বছরের দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশের প্রতি তাদের সমর্থন প্রসারিত করতে আগ্রহী। বৈঠকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগ, সংস্কার কর্মসূচি, এবং অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি তারেক আরিফুল ইসলাম।

বিশ্বব্যাংকের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রতি এই সমর্থন ভবিষ্যতে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বিশ্বের দুই বৃহত্তম বন্দরের বিনিয়োগে বাংলাদেশে নতুন যুগের সূচনা

বিশ্বের দুই বৃহত্তম বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান, ডিপি ওয়ার্ল্ড ও এ. পি. মোলার-মেয়ার্স্ক বাংলাদেশের শিপিং শিল্পে ব্যাপক বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তারা বঙ্গোপসাগরের উপকূলজুড়ে নতুন বন্দর নির্মাণে সহায়তা করতে এবং বাংলাদেশকে একটি প্রধান বৈশ্বিক রপ্তানি কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়।

আজ দাভোসে, বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের শীর্ষ সম্মেলনে ডিপি ওয়ার্ল্ডের গ্রুপ চেয়ারম্যান সুলতান আহমেদ বিন সুলাইম এবং এ. পি. মোলার-মেয়ার্স্ক চেয়ারম্যান রবার্ট মোলার উগলা বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠককালে এই প্রস্তাব উত্থাপন করেন। তারা চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যকারিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের কথা বলেন।

ডিপি ওয়ার্ল্ডের সিইও সুলতান আহমেদ বিন সুলাইম জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম বন্দরের নিউ মুরিং কনটেইনার টার্মিনালে বিনিয়োগের মাধ্যমে জাহাজজট কমানো এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বন্দরের দক্ষতা বৃদ্ধি করা হবে। এছাড়া, এই উদ্যোগ বাংলাদেশের জন্য আরও বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ করবে এবং পরিবেশে দূষণ কমাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সুলতান আহমেদ আরও জানান, তারা একটি ডিজিটাল কাস্টমস সিস্টেম চালু করতে চান, যা চট্টগ্রাম বন্দরে দুর্নীতি কমাতে সাহায্য করবে এবং গতি বাড়াবে। তারা বাংলাদেশের ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোগুলোতেও বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা করছে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দরের উন্নয়নে আমাদের অবকাঠামো খাতে দ্রুত কাজ করতে হবে কারণ এটি আমাদের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আমরা বঙ্গোপসাগরের উপকূলে আরও বন্দর তৈরি করতে চাই, যাতে আমরা আঞ্চলিক ব্যবসার একটি কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারি।”

এছাড়া, ডেনমার্ক-ভিত্তিক এ. পি. মোলার-মেয়ার্স্ক কোম্পানিও বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী। তারা চট্টগ্রাম বন্দরের কাছে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালকে পরিবেশবান্ধব একটি বন্দর হিসেবে গড়ে তুলতে এবং সেই লক্ষ্যে প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করতে চান। তাদের মতো একাধিক প্রকল্প মরক্কো এবং ওমানে সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে এবং তাদের বিনিয়োগে সালালাহ বন্দর বিশ্বমানের একটি বন্দর হিসেবে পরিচিত।

এছাড়া, প্রধান উপদেষ্টা ডিপি ওয়ার্ল্ড এবং এ. পি. মোলার-মেয়ার্স্কের কর্মকর্তাদের ঢাকায় আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “আমরা বঙ্গোপসাগরের উপকূলে বেশ কিছু বন্দর তৈরি করতে চাই এবং এ জন্য বিদেশি বিনিয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বিশ্বব্যাংকের সমর্থনে বাংলাদেশ পুনর্গঠনের বার্তা

বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের পুনর্গঠনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। সংস্থাটির অপারেশনস বিভাগের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনা বিয়ার্ড বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সাইডলাইনে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ সমর্থন জানান।

প্রধান উপদেষ্টার ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার সাক্ষাতের তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আনা বিয়ার্ড বাংলাদেশের প্রতি বিশ্বব্যাংকের সমর্থনের কথা পুনরায় উল্লেখ করে বলেন, “আপনাদের যা কিছু প্রয়োজন, আমাদের ওপর নির্ভর করতে পারেন। আমরা আপনাদের পাশে আছি।”

সাক্ষাতকালে তাদের মধ্যে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার উদ্যোগ এবং জুলাই আন্দোলন নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা হয়।

এই সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের এসডিজি সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং জেনেভায় বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি তারেক আরিফুল ইসলাম। আলোচনায় বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে সহযোগিতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ফের রিজার্ভ নামলো ১৯ বিলিয়নের ঘরে

দেশে বৈদেশিক মুদ্রার সংকট এখনো পুরোপুরি কাটেনি। কয়েক মাস ধরে রিজার্ভে উত্থান-পতন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে এসেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ২২ জানুয়ারি আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ ১৯.৯৩ বিলিয়ন ডলার। একই দিনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব হিসাব অনুযায়ী এটি ২৫.২২ বিলিয়ন ডলার।

গত ১৫ জানুয়ারি বিপিএম-৬ মান অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২০.১৩ বিলিয়ন ডলার। সেই হিসাবে মাত্র ছয় দিনে এটি কমেছে ২০ কোটি ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ আরও কম, যা আইএমএফকে জানানো হলেও জনসম্মুখে প্রকাশ করা হয় না।

বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভের তিন ধরনের হিসাব রাখে। প্রথমটি হলো বৈদেশিক মুদ্রায় গঠিত বিভিন্ন তহবিলসহ মোট রিজার্ভ। দ্বিতীয়টি আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব করা হয়। আর তৃতীয়টি হলো ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ, যা জনসম্মুখে প্রকাশ করা হয় না।

বর্তমান সরকারের সময়ে ডলার বিক্রি বন্ধ থাকলেও রিজার্ভে ধীরে ধীরে উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিভিন্ন উৎস থেকে ডলার যোগ হওয়ায় সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রিজার্ভ কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। ২০২৪ সালে প্রবাসীরা ২৬.৮৯ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠিয়েছেন, যা দেশের ইতিহাসে একক বছরে সর্বোচ্চ।

বিশেষত, ডিসেম্বরে প্রবাসী আয়ের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রতি মাসেই দুই বিলিয়নের ঘর অতিক্রম করেছে রেমিট্যান্স, যা দেশের অর্থনীতিতে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।

এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ ১৪ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমেছিল। তখন বৈদেশিক ঋণ ও বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার কেনার মাধ্যমে রিজার্ভ বাড়ানো হয়।

বর্তমানে সরকার ডলার বিক্রি বন্ধ রেখে বিভিন্ন উৎস থেকে ডলার সংগ্রহ করছে, যা রিজার্ভ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ড. ইউনূস: বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আমন্ত্রণ

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে আরও বেশি বিনিয়োগ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজতর করেছে এবং উন্নত পরিবেশে আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও বিনিয়োগকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত।”

সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনের ফাঁকে তিনি বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের সাথে বৈঠকে এই মন্তব্য করেন।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, ড. ইউনূস বৈঠকে বাংলাদেশের বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেছেন। চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং তরুণ জনগোষ্ঠীর সম্ভাবনা ব্যবহার করে বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী একটি রফতানি কেন্দ্র হয়ে ওঠার দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

ড. ইউনূস বলেন, “বাংলাদেশ বড় আকারের বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। আমরা বিভিন্ন দেশের বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করছি।”

ড. ইউনূস বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান ও প্রতিষ্ঠানের নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ডিপি ওয়ার্ল্ডের গ্রুপ চেয়ারম্যান সুলতান আহমেদ বিন সুলাইম এবং মেটার গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স প্রেসিডেন্ট নিক ক্লেগের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

ড. ইউনূস বর্তমানে দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলনে তৃতীয় দিনের মত ব্যস্ত সময় পার করছেন। গত ২১ জানুয়ারি তিনি দাভোসে পৌঁছান এবং বিভিন্ন বৈঠকে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও বিনিয়োগ সম্ভাবনার কথা তুলে ধরছেন।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




উপদেষ্টাদের রাজনীতি করতে হলে সরকার থেকে বের হয়ে করতে হবে: আসিফ মাহমুদ

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেছেন, উপদেষ্টারা যদি রাজনীতি করতে চান, তবে তাদের সরকার থেকে বের হয়ে তা করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের কাজে কোনো রাজনৈতিক দলের হস্তক্ষেপ করা অনুচিত।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে আসিফ মাহমুদ এই বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, সরকারে থেকে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা কাম্য নয়।

তিনি আরও বলেন, সরকারি বা সাংবিধানিক গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে তদবির বা চাপ প্রয়োগ করার কোনো স্থান নেই। সরকার এবং রাজনৈতিক দলের মধ্যে সুষ্পষ্ট সীমারেখা থাকা উচিত।

তিনি এও জানান যে, সরকারে দায়িত্ব পালনকালে উপদেষ্টাদের নিরপেক্ষ থেকে কাজ করা উচিত। কোনো প্রকার রাজনৈতিক প্রভাব বা চাপের কারণে সরকারি সিদ্ধান্তে ব্যাঘাত ঘটানো অনৈতিক এবং তা গ্রহণযোগ্য নয়।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




নিরপেক্ষ সরকারের দাবি আরেকটা ১/১১ এর ইঙ্গিত বহন করে : নাহিদ

বিএনপি মহাসচিবের নিরপেক্ষ সরকারের দাবিকে আরেকটি এক-এগারো সরকারের ইঙ্গিত বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, বিএনপি তাদের বক্তব্যের মাধ্যমে আবারও দেশকে ফ্যাসিবাদের দিকে ঠেলে দিতে চাইছে।

নাহিদ ইসলাম উল্লেখ করেন, বিএনপি নেতারা তাদের বক্তব্যে অভ্যুত্থানের ইঙ্গিত দিচ্ছেন। এ ধরনের পরিকল্পনা গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ। তিনি বলেন, ছাত্র আন্দোলন ও জনগণের চাপে যখন একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া তৈরি হয়েছিল, তখনই ক্যান্টনমেন্টে গিয়ে ক্ষমতার ভাগাভাগি করা হয়েছিল। এখন সেই একই পথ অনুসরণ করে বিএনপি নিরপেক্ষ সরকার চেয়ে নতুন ষড়যন্ত্র করছে।

তিনি আরও বলেন, ছাত্র আন্দোলন কখনো সেনাশাসন বা জরুরি অবস্থাকে সমর্থন করে না। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

নাহিদ দাবি করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিভিন্ন পক্ষ সুবিধা ভোগ করলেও এর স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। তিনি বলেন, এখন বিএনপি নিরপেক্ষ সরকারের দাবি তুলছে, যা আদতে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য ক্ষতিকর।

তিনি বিএনপিকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, গণতন্ত্র ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় অভ্যুত্থান বা ষড়যন্ত্রমূলক পরিকল্পনা থেকে সরে এসে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে হবে।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দিতে বদ্ধপরিকর: ইসি আব্দুর রহমান মাছউদ

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমান মাছউদ বলেছেন, জাতিকে একটি সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও প্রভাবমুক্ত নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন বদ্ধপরিকর। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিন দিন উন্নতি করছে, যার মাধ্যমে সুন্দর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন হবে এবং ভোটগ্রহণ হবে ব্যালটের মাধ্যমে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় পটুয়াখালী জেলা নির্বাচন অফিসে ভোটার তালিকা হালনাগাদ ২০২৫ উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।

নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, “ভোটগ্রহণের পরিবেশ সুন্দরভাবে সৃষ্টি হবে। সঠিক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করছি। জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৫ সালের শেষের দিকে বা ২০২৬ সালের শুরুতে অনুষ্ঠিত হবে।”

সভায় সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র নির্বাচন অফিসার খান আবি শাহানুর খান। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমান মাছউদ জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা নিয়ে বক্তব্য রাখেন।

এ সময় পটুয়াখালীর সকল উপজেলার নির্বাচন কর্মকর্তারা, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ এবং গণমাধ্যমের সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো বাংলাদেশ সফরে আসবেন, নারী ফুটবলে সহায়তার আশ্বাস

বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো আগামী দুই মাসের মধ্যে বাংলাদেশ সফর করতে পারেন এবং দেশের নারী ফুটবলে সহায়তা প্রদানের আশা ব্যক্ত করেছেন। তিনি চলমান বিশ্ব ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সভায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ তথ্য জানান।

ফিফা সভাপতি বলেন, বাংলাদেশ সফরের সময় তিনি দেশের ফুটবল উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দেবেন। সৌদি আরবের নারী ফুটবল উন্নয়নেও ফিফার সহায়তা থাকবে, যা বাংলাদেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের জন্যও উপকারী হবে।

ড. ইউনূসের কার্বন নিরপেক্ষ ক্রীড়ায় উদ্যোগের প্রশংসা করে ইনফান্তিনো দক্ষিণ এশিয়ায় ফুটবল উন্নয়নকে আরও সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, “আমি আগামী দুই মাসের মধ্যে বাংলাদেশ সফর করতে চাই।”

এ সময়, ড. ইউনূস বাংলাদেশের নারী ফুটবলারদের জন্য ডরমিটরি ও অন্যান্য অবকাঠামো উন্নয়নের প্রস্তাব দিলে, ইনফান্তিনো বলেন, ফিফা বাংলাদেশ নারী ফুটবলের জন্য তহবিল বরাদ্দ করতে প্রস্তুত রয়েছে।

এ সভায় উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এসডিজি সমন্বয়কারী লামিয়া মুরশেদ এবং জেনেভায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আরিফুল ইসলাম।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম