বরিশালে পতিত জমির ময়লা আবর্জনার স্তুপ এখন সবজির ক্ষেত

বরিশাল নদীবন্দর ভবনের সামনে অবস্থিত একটি পতিত জমি ছিল এক সময় ময়লা আবর্জনার স্তুপে ভরা। তবে ওই জায়গায় সাম্প্রতিক সময়ে শুরু হয়েছে এক অভিনব কৃষি উদ্যোগ। বরিশাল অঞ্চলের কিছু নৌ-শ্রমিক এবং উদ্যোক্তার প্রচেষ্টায় ওই জমিতে চাষাবাদ শুরু হয়, যেখানে এখন শাকসবজি ও অন্যান্য ফসলের সুনাম ছড়িয়ে পড়ছে।

স্থানীয় শ্রমিকরা নিজের উদ্যোগে ময়লা জমি পরিষ্কার করে শুরু করেন শাকসবজি চাষ। ধীরে ধীরে তাদের প্রচেষ্টা বিশেষ ফলাফল আনতে শুরু করে। এক সময় এই এলাকায় পানি ও দূষিত বর্জ্য জমতে থাকত, যার ফলে সেখানে কিছুই বুনতে পারতেন না মানুষ। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে ঐ জমির পৃষ্ঠভূমির রূপান্তর ঘটে এবং স্বাভাবিকভাবে সেখানে গড়ে ওঠে সবজি বাগান। এ পরিস্থিতি স্থানীয়দের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং তাঁদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয় এমন উদ্দীপনা এবং উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য।

সম্প্রতি বরিশাল নদীবন্দর ভবনের পাশেই দুটি ধরনের শিম গাছ সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। এগুলো হাইব্রিড জাতের শিম, যার ফলন এতটা বেড়ে গেছে যে, স্থানীয় কৃষকদের কাছে এটা অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে। গাছগুলোর মালিক, বিলাসবহুল পারাবত লঞ্চের কলম্যান ইমাম হোসেন, এই সফলতা উদযাপন করছেন। তিনি বলেন, “কেবল পাঁচটি বীজ রোপণের ফলে যা হয়েছে, সেটি চমকপ্রদ! আমার প্রত্যাশা ছিল না যে এমন ফলন হবে। এই শিমের বিক্রি আগাম মৌসুমের জন্য আশার আলো প্রদান করছে।”

এছাড়া, শিমের বীজ সংগ্রহকারী সংবাদকর্মী আব্দুর রহমান এবং তিনি উল্লেখ করেছেন যে এই উন্নত শিমগুলোর সাধারণত উৎপাদন পাহাড়ি অঞ্চলে হয়, কিন্তু বরিশাল অঞ্চলে চাষ করা হাইব্রিড শিমের ফলন আশাব্যঞ্জক হয়েছে। স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছে যে তারা আগামী সময়ে এই ধরনের শিম চাষে আগ্রহী হয়ে উঠবে।

জেলা নদীবন্দর এলাকার পতিত জমিতে কৃষি কাজের উদ্যোক্তা সাংবাদিক রিপন হাওলাদারও বলেছেন, “শ্রমিকদের কাজের চাপ কমিয়ে তাদের কৃষিতে যুক্ত করা উচিত ছিল। তারা এখন নিয়মিত সবজি চাষের মাধ্যমে আয়ের পাশাপাশি সৃজনশীলতায় উৎসাহিত হচ্ছেন।”

বর্তমানে ওই বাগানে বোম্বাই মরিচ, দেশীয় প্রজাতির শিম সহ বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করা হচ্ছে এবং শ্রমিকরা তা বাজারেও বিক্রি করছেন।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশালের সবকিছুই এখন বিএনপির নিয়ন্ত্রণে

বরিশাল শহরে একাধারে বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্য, সরকারি দপ্তর এবং যান চলাচলের অবকাঠামো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বিএনপি নেতাদের কর্তৃত্ব। অভিযোগ উঠেছে যে, নগরীজুড়ে সব ধরনের অর্থনৈতিক কার্যক্রম দখল করতে চলেছে বিএনপি। যেকোনো ধরনের চাঁদাবাজি এবং অনিয়মের ফলে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা সমস্যায় পড়েছেন, কিন্তু দলটির নেতারা এতে দায় নেবেন না বলে দাবি করছেন। নগরীর ১৭টি হাট-বাজার, ৯টি লঞ্চঘাট, দুইটি বাস টার্মিনাল, বিসিক শিল্পনগরী, এবং অন্যান্য বিভিন্ন অবকাঠামোতে বিএনপির নেতৃত্বে বিভিন্ন অনিয়ম চলছে।

এদিকে, সরকারি দপ্তরের টেন্ডারগুলোও বিএনপি নেতাদের কাছে চলে গেছে। তারা চাঁদাবাজি ও দখলদারির অভিযোগে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ওপর প্রভাব বিস্তার করছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন যে, ৫ আগস্টের পর থেকে পরিস্থিতি আরও বেশি অস্থির হয়ে পড়েছে। অনেক জায়গায় পুরনো মালিকরা পালিয়েছেন, এবং এখন দখলকারীদের হাতেই জমে আছে কার্যক্রম।

বাসটার্মিনাল ও লঞ্চঘাট দখল :: নগরীর নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল বর্তমানে নিয়ন্ত্রণ করছেন সাবেক এমপি মজিবর রহমান সরোয়ারের ছোট ভাই মোশাররফ হোসেন। ৫ আগস্টের পর তিনি সমিতির মালিকদের ইচ্ছেমত আয়-ব্যয় নিয়ন্ত্রণ শুরু করেন। অপরদিকে, রূপাতলী বাস টার্মিনালও নগর বিএনপির সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তার কথায়, তিনি নির্বাচিত হয়ে কমিটি নিয়েছেন এবং তাতে দখল করার কিছু নেই।

বরিশাল নদী বন্দর এবং বিভিন্ন লঞ্চঘাটেও শীর্ষে রয়েছে বিএনপি নেতাদের হাত। সেখানে তাদের পক্ষ থেকে টাকা সংগ্রহ এবং নিয়ন্ত্রণের একাধিক অভিযোগ রয়েছে। বিশেষত চানমারী ও কেটিসি ঘাটে দখলদারির বিষয়ে আবারো বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে।

বরিশাল চেম্বার অব কমার্স ও আইনজীবী সমিতি, এবং বিসিক শিল্পনগরী, সহ অন্যান্য সামাজিক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে বর্তমান কমিটিগুলোর হাতে চলে গেছে বিএনপি নেতাদের দখল। সেখানে কেউ অভিযোগ করছেন এবং সেসব পরবর্তীতে প্রশাসনে জমা দেওয়া হয়। বাণিজ্য প্রতিষ্ঠানগুলোতেও সমস্যাগুলো দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এসব বিষয়ে দলের বিভ্রান্তিকর অভিযোগ তুলে নেতা মনিরুজ্জামান ফারুক দাবি করেছেন, যদি এমন কোনো অভিযোগ প্রমাণসহ আসে তবে দল কঠোর ব্যবস্থা নেবে। তার মতে, বিএনপি কোনো ধরনের চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সমর্থন করে না।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




সাবেক প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান রিমান্ডে

বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সময় মো. সাগর নামে এক ব্যক্তির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমানের ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) মিরপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক মনিরুল ইসলাম, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, আদালতে এনামুর রহমানকে হাজির করে ১০ দিন রিমান্ডের আবেদন করেন। আসামির পক্ষে তার আইনজীবী শ্রী প্রাণ নাথ রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন, তবে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী এ বিরোধিতা করেন।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এনামুর রহমানের ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এ সময় আদালতে উপস্থিত হয়ে এনামুর রহমান বলেন, “জুলাই থেকে অক্টোবর চার মাসে গুলিবিদ্ধ ২৯০ জনকে বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।”

এনামুর রহমানের আইনজীবী বলেন, তার মক্কেল গত সংসদ নির্বাচনে এমপি ছিলেন না এবং এই হত্যা মামলায় তার সংশ্লিষ্টতা নেই। এছাড়াও তিনি অসুস্থ এবং বয়স্ক, তাই তার রিমান্ড বাতিল করতে অনুরোধ করেন।

এছাড়া, রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক বলেন, এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রানা প্লাজার আহতদের চিকিৎসা দিয়ে তিনি আলোচনায় আসেন এবং পরে মাথায় ফ্যাসিস্টের ভূত চেপে বসে। তিনি শেখ হাসিনাকে ফ্যাসিস্ট বানাতে সাহায্য করেছেন, এই কারণে তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক বিচার হওয়া উচিত।

গত ২৬ জানুয়ারি, রাজধানীর ভাটারা এলাকা থেকে ঢাকার মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এনামুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে।




বরিশালে বিএনপির অফিস পোড়ানো মামলায় ছাত্রদল সহ-সভাপতি কারাগারে

বরিশালে বিএনপির অফিস পোড়ানোর এবং দলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগে মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি সায়েম হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ তাকে গত শনিবার রাতে নগরীর নথুল্লাবাদ এলাকার নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে। এরপর গত রোববার পৃথক দুটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি সায়েম হোসেনকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এ ঘটনার পেছনে অভিযোগ উঠেছে যে, নথুল্লাবাদের এক প্রভাবশালী ব্যক্তি বিএনপি নেতাদের ম্যানেজ করে মামলায় সায়েম হোসেনকে আসামি করেছেন। এ ঘটনায় বিএনপির স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল করীম রনি জানান, “মহানগর ছাত্রদলের কমিটি বড় এবং এতে সায়েম নামের একজন সহ-সভাপতি রয়েছেন। তবে যিনি গ্রেপ্তার হয়েছেন তিনি ঠিক সায়েম কিনা, সেটা দেখা উচিত।”

মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক তসলিমও বলেন, “কমিটিতে ৭৩ নম্বর সহ-সভাপতি পদে সায়েম নামের একজন আছেন। শনিবার রাতে তার গ্রেপ্তারের খবর শুনে দলের মধ্যে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।”

গত বছরের সেপ্টেম্বরে শেখ হাসিনা সরকারের পতনপরবর্তী বরিশালে বিএনপির অফিস পোড়ানো, শোক র‍্যালিতে হামলা এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুক ও সদস্য সচিব জিয়াউদ্দিন সিকদারের নেতৃত্বে মামলা করা হয়। ওই মামলায় সায়েমকে আসামি করা হয়।

এ বিষয়ে বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক বলেন, “মামলা যখন হয়েছে, তখন সব আসামি আমাদের দেওয়া হয়নি। দলের নেতা-কর্মীরা যার নাম দিয়েছে, তাকেই আমরা আসামি করেছি। এখন যে ছাত্রদল নেতার নাম এসেছে, তাকে আমরা খুঁজে পাচ্ছি না। দলের নেতা-কর্মীদের নাম আমাদের মামলায় আসার সুযোগ নেই, তাই তাকে বের করার দায়িত্ব আমাদের।”

মো: তুহিন হোসেন,স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশাল সদর উপজেলায় ২২৫টি ইটভাটার বৈধতা রয়েছে ১১৪ টির!

বরিশাল সদর উপজেলায় দশটি ইউনিয়নে ২২৫টি ইটভাটা অবস্থান করছে। তবে, এর মধ্যে মাত্র ১১৪টি ভাটার বৈধতা রয়েছে। বাকি ১১১টি ইটভাটা গড়ে উঠেছে অবৈধভাবে, এবং প্রাচীন যুগের মতোই এসব ভাটায় ইট পোড়ানো হচ্ছে কাঠ দিয়ে। এতে পরিবেশ ও কৃষি জমির ক্ষতিও হচ্ছে।

সদর উপজেলার ২৫৬.৪৫ বর্গকিলোমিটার এলাকার বিভিন্ন ইউনিয়নে সম্প্রতি সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা যায়, কৃষি জমিতে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ইটখোলার কার্যক্রম চলছে ব্যাপক হারে। ফসলি মাঠ ও নদী-নদীর তীরে ইটভাটার কারণে ওই এলাকায় পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে। এতে স্থানীয়রা নানা শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন। ইট পোড়ানোর জন্য কাঠ ব্যবহার করায় জায়গাটি বিষাক্ত ধোঁয়া ও ধুলাবালিতে আচ্ছন্ন, যা মানুষের শ্বাসকষ্ট, চর্ম রোগ ও হাঁপানির মতো সমস্যা সৃষ্টি করছে। বিশেষত নবজাতক শিশুদের জন্য এটি আরো বিপজ্জনক হয়ে উঠছে।

প্রশাসন বা পরিবেশ অধিদপ্তর অনেকক্ষেত্রে এ বিষয়ে উদ্যোগ নিলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব ইটভাটা স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে এবং প্রশাসনকে উৎকোচ দেওয়ার পর আবারও চালু হয়ে যাচ্ছে। তাই, একদিকে আইন অমান্য করে ইটভাটা পরিচালনা হলেও অন্যদিকে স্থানীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নও ঘটে, কারণ এলাকাবাসী এখানে কর্মসংস্থান পাচ্ছে।

স্থানীয় কৃষকরা অভিযোগ করছেন, ইটভাটা স্থাপনের ফলে কৃষি উৎপাদন যেমন ধান এবং অন্যান্য শাকসবজি কমে গেছে। একসময় শীতলক্ষ্যা নদের তীরে এই এলাকায় প্রচুর ফসল হতো, কিন্তু এখন পরিবেশ দূষণের কারণে কৃষি জমির উর্বরতা হ্রাস পেয়েছে। মাটি বষুদ্ধ হয়ে পড়েছে এবং গাছেও ফল ধরছে না।

একটি ইটভাটার মালিক পক্ষ জানান, ‘‘আমরা কোনো ক্ষতি করছি না, বরং লোকজনের কাজের ব্যবস্থা করছি।’’ অপরদিকে পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক কাজী সাইফুদ্দীন বলেছেন, ‘‘আমরা অবৈধ ইটভাটাগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছি এবং সামনে আরও অভিযান চলবে।”

এই পরিস্থিতির কারণে আগামী দিনগুলোতে প্রকৃত পক্ষে কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছে বরিশাল জেলা প্রশাসন।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বিসিসির ছাঁটাই হওয়া কর্মীদের বাধায় বর্জ্য অপসারণ বন্ধ, শহরজুড়ে ময়লার স্তূপ

বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) ছাঁটাই হওয়া পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বাধায় শহরের বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম বিঘ্নিত হয়ে পড়েছে। এ কারণে গতকাল সোমবার সকাল থেকে নগরজুড়ে ময়লার স্তূপ সৃষ্টি হয়েছে, যা নগরবাসীদের জন্য ব্যাপক সমস্যার সৃষ্টি করছে।

সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৬০ বছর বয়স পার হয়ে যাওয়া অস্থায়ী পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের আর কাজে নিয়োজিত করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে আসা শ্রমিকরা গত দুই সপ্তাহ ধরে নিজেদের কাজে পুনর্বহালের দাবিতে বিক্ষোভ করে চলেছেন। আজ, সোমবার, এই শ্রমিকরা যখন বর্জ্য অপসারণের কাজে বাধা দেয়, তখন নগরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

সকালবেলা নগরের ৩০ নম্বর ওয়ার্ড এলাকা পরিদর্শন করলে রাস্তার চারপাশে আবর্জনা ও ময়লা পড়ে থাকতে দেখা যায়। এর ফলে শুধু সাধারণ পথচারীরা নয়, যান চলাচলেও বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। বরিশালের একটি স্কুলের সামনের ডাস্টবিন থেকে ময়লা উপচে পড়ার কারণে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে এক ধরনের আতঙ্ক ও দূর্গন্ধের মধ্যে সময় কাটাতে হচ্ছে।

শহরের পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা মো. ইউসুফ আলী জানান, আজ সকালে সিটি করপোরেশনের অন্যান্য শ্রমিকরা ময়লা অপসারণে যাওয়ার পর ছাঁটাই হওয়া কর্মীরা তাদের উপর হামলা করেন। এই হামলায় অন্তত দুইজন কর্মী আহত হয়েছেন। বর্তমানে নগরজুড়ে প্রায় ২০০ টন আবর্জনা পড়ে রয়েছে, যা দ্রুত পরিষ্কার করা প্রয়োজন।

একই বিষয় নিয়ে ছাঁটাই হওয়া পরিচ্ছন্নতাকর্মী কবির হাওলাদার বলেন, “আমরা চাকরি ফিরে পাওয়ার দাবিতে দশ দিন ধরে আন্দোলন করছি। আমাদের দাবির আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা আমাদের অবস্থান থেকে সরে যাব না।”

বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রায়হান কাওসার বলেন, “আজ দুপুরে আমরা ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকদের সঙ্গে বসব, আশা করছি কোনো সমাধান আসবে।”

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণে ভারতের ইতিবাচক সিদ্ধান্তের প্রত্যাশা : টবি ক্যাডম্যান

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের বিশেষ পরামর্শক টবি ক্যাডম্যান আশা প্রকাশ করেছেন যে, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ বিষয়ে ভারতের কাছ থেকে ন্যায়ের স্বার্থে ইতিবাচক জবাব আসবে।

আজ সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন টবি ক্যাডম্যান। তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশ সরকার যথাযথভাবে ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের আহ্বান জানিয়েছে। এটা ভারতের সিদ্ধান্ত যে, তারা ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়াবে নাকি বিচার এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করবে। তবে আমরা আশাবাদী, ভারত ন্যায়বিচারের পক্ষে অবস্থান নেবে।’’

প্রত্যর্পণ চিঠির বিষয়ে ভারত কোনো সাড়া না দেওয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশ সরকার জোর করতে পারে না, তবে আমরা আশা করতে পারি যে শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। আইন অনুযায়ী তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সকল সুযোগ দেওয়া হবে।’’

টবি ক্যাডম্যান আরও জানান, আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে মামলাগুলো সম্পন্ন করার জন্য চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে কাজ করছেন। ‘‘কাজগুলো সঠিকভাবে করার জন্য আমরা আইনের সহায়তা পাচ্ছি। যেহেতু এ ধরনের মামলা অত্যন্ত জটিল, সেক্ষেত্রে সময় নিয়ে কাজ করাই সঠিক পদ্ধতি,’’ বলেন তিনি।

টবি ক্যাডম্যান আরও জানান, আইনের বিদ্যমান কাঠামোতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের পরিবর্তনের মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থা আরও নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে স্বীকৃত হবে।

উল্লেখ্য, টবি ক্যাডম্যান ব্রিটিশ আইনজীবী এবং লন্ডনভিত্তিক ল’ ফার্ম ‘গুয়ের্নিকা ৩৭’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা। গত বছরের ২০ নভেম্বর তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম এই নিয়োগকে ট্রাইব্যুনালের জন্য উল্লেখযোগ্য মাইলফলক বলে অভিহিত করেছেন।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বরিশালে বিনা ভাড়ায় ১৭ মাস ধরে চলছে সাবেক মেয়র তাপসের মধুমতি ব্যাংক

বরিশাল সিটি করপোরেশনের মালিকানাধীন সিটি সুপার মার্কেটে গত ১৭ মাস ধরে বিনা ভাড়ায় কার্যক্রম পরিচালনা করছে মধুমতি ব্যাংক। ব্যাংকটির বিরুদ্ধে এ নিয়ে একাধিকবার নোটিশ প্রদান করা হলেও কর্তৃপক্ষ কোন ধরনের পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। এখন, সব ভাড়া পরিশোধের পর ফেব্রুয়ারির মধ্যে স্থানটি খালি করে দেয়ার নোটিশ দেওয়া হয়েছে সিটি করপোরেশন থেকে।

২০২৩ সালের আগস্ট মাসে মধুমতি ব্যাংক বরিশাল শাখা, বরিশাল নগরীর সদর রোডে অবস্থিত সাততলা সিটি সুপার মার্কেটের প্রথম ও দ্বিতীয় তলায় ১,৯৩০ বর্গফুট এলাকা ভাড়া নেয় এবং সেখানে ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু হয়। মাসিক ভাড়া ছিল ৯৬ হাজার ৫০০ টাকা। কিন্তু ১৭ মাসে এক টাকাও ভাড়া পরিশোধ না করার কারণে সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে।

এছাড়া, অভিযোগ উঠেছে যে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসের আত্মীয় হওয়ায় মধুমতি ব্যাংকের শাখা পরিচালনা এবং তার মালিকানার সুযোগে এ ধরনের অনিয়ম ঘটেছে। বরিশালের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাদ সাদিক আব্দুল্লাহের সঙ্গে তার সম্পর্কের কারণে ব্যাংকটি এই ধরনের সুবিধা পাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শহরের হাট বাজার শাখার সূত্র থেকে জানা যায়, মধুমতি ব্যাংকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কোনো সুরাহা না দেওয়ার কারণে সিটি করপোরেশন সম্প্রতি পূর্ণ পরিমাণ ভাড়া পরিশোধের জন্য নোটিশ প্রদান করে এবং ফেব্রুয়ারির মধ্যে স্থান খালি করার জন্য নির্দেশ দিয়েছে।

ভাড়ার শর্তাবলী অনুযায়ী, ব্যাংকটি দুই বছরের অগ্রিম ভাড়া পরিশোধ না করায় সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত। বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারির মধ্যে যদি ব্যাংকটি ভবনটি না ছাড়ে, তবে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে মধুমতি ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে রাজি না হলেও তিনি জানান, বিষয়টি প্রধান কার্যালয়ে অবহিত করা হয়েছে এবং সেখানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা যায়, সিটি সুপার মার্কেটের নতুন ভবন নির্মাণের পর সেখানে অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সরিয়ে নিয়ে আসা হবে। ভবনটির নির্মাণ কাজ শেষ হলেও বরাদ্দ, ঠিকাদার এবং অন্যান্য জটিলতার কারণে ৫ বছর পার হয়ে গেলেও নির্মাণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়নি।

মো: তুহিন হোসেন
টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকছে না সাত কলেজ

 চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি ৭ কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে হবে না। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

সোমবার (২৭ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয় সংলগ্ন সভাকক্ষে ঢাবি প্রশাসনের সঙ্গে ৭ কলেজের অধ্যক্ষদের জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয় সংলগ্ন লাউঞ্জে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজ বিষয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় এরইমধ্যে আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং ধৈর্যধারণ, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। বৈঠক শেষে লিখিত বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ এ কথা জানান।

১. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের সম্মানজনক পৃথকীকরণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

২. অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা সংক্রান্ত পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে এক বছর এগিয়ে এনে এবছর থেকেই অর্থাৎ ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ভর্তি না নেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

৩. শিক্ষার্থীদের দাবি অনুযায়ী ২৯ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে পরবর্তী শিক্ষাবর্ষের কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য সভায় জোর সুপারিশ করা হয়।

৪. ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের দাবি অনুযায়ী আসন সংখ্যা ও ভর্তি ফি নির্ধারণসহ যাবতীয় বিষয়ে মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

৫. যেসব শিক্ষার্থী বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান শিক্ষা কার্যক্রমের অধীনে রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দায়িত্বশীল থাকবে, যাতে তাদের শিক্ষাজীবন কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

শিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখার জন্য সভা সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।




১০ বিষয়ে একমত বিএনপি-ইসলামী আন্দোলন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  ইসলামী শরিয়াহ বিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত না নেওয়া ও ইসলাম বিরোধী কথা না বলাসহ ১০ বিষয়ে একমত হয়েছে বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। সোমবার দুপুরে রাজধানীর পল্টনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রায় দেড় ঘণ্টার বৈঠক শেষে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা জানান।

যে সব বিষয়ে দুটি দল একমত হয়েছে

১. আধিপত্যবাদ, সম্প্রসারণবাদ ও সাম্রাজ্যবাদ মুক্ত স্বাধীন সার্বভৌম টেকসই রাষ্ট্র গঠনে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা।
২. দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসী, খুনি ও টাকা পাচারকারীদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা।
৩. ভোটাধিকারসহ সব মানবাধিকার রক্ষায় জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলা।
৪. ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষ করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ব্যবস্থা করা।
৫. দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ এবং সব অধিকার বঞ্চিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা এবং আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক করে নিয়ে আসা।
৬. আওয়ামী ফ্যাসিবাদ বিরোধী সব শক্তি দেশ পুনর্গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা।
৭. ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তিগুলো একে অপরের বিরুদ্ধে আঘাত করে কথা না বলা।
৮. আগামীতে যেন আওয়ামী লীগের মতো আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি ক্ষমতায় আসতে না পারে, সে ব্যাপারে রাজনৈতিকভাবে ঐক্যবদ্ধ থাকা।
৯. ইসলামী শরিয়াহ্বিরোধী কোন সিদ্ধান্ত না নেওয়া এবং ইসলাম বিরোধী কোনো কথা না বলা।
১০. প্রশাসনে এখনো বিদ্যমান আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসরদের দ্রুত অপসারণ করা।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির ভাইস চেয়ার বরকতউল্লাহ বুলু, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম, মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনুস আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ মাদানী, যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান, ইমতিয়াজ আলম, সহকারী মহাসচিব আতিকুর রহমানসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।