আবারও বাড়ল আয়কর রিটার্ন জমার সময়

ব্যক্তি করদাতাদের বার্ষিক আয়কর রিটার্ন জমার সময় আরও এক দফা বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে। এছাড়া, কোম্পানি করদাতাদের রিটার্ন জমার সময় ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে বাড়িয়ে ১৬ মার্চ পর্যন্ত করা হয়েছে।

ব্যবসায়ী এবং পেশাজীবীদের দাবির প্রেক্ষিতে এনবিআর এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) এনবিআর এই বিষয়ে নির্দেশনা জারি করেছে।

আগে আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল ৩১ জানুয়ারি। তবে আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী, ২০২৪-২০২৫ করবর্ষের জন্য সাধারণ করদাতাদের রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ সময় ৩০ নভেম্বর নির্ধারিত ছিল। কোম্পানি করদাতাদের জন্য সময়সীমা ছিল ১৫ ফেব্রুয়ারি, কিন্তু পরিস্থিতি বিবেচনায় তিন দফায় সময়সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এনবিআর জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ১২ লাখের বেশি অনলাইন রিটার্ন জমা পড়েছে। এই বছর এনবিআর বিশেষ আদেশের মাধ্যমে ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ, গাজীপুর এবং নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনে অবস্থিত সকল সরকারি কর্মচারী, সারাদেশের তফসিলি ব্যাংক, মোবাইল টেলিকম সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এবং বহুজাতিক কোম্পানিতে কর্মরতদের জন্য আয়কর রিটার্ন অনলাইনে দাখিল করা বাধ্যতামূলক করেছে।

এনবিআর গত ৯ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইন রিটার্ন দাখিল সিস্টেম (ই-রিটার্ন) চালু করেছে। এতে করে করদাতারা সহজে নির্ধারিত চার্জের মাধ্যমে অনলাইনে আয়কর পরিশোধ করতে পারবেন।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




দেশে দারিদ্র্য সীমার নিচে ১৯.২ শতাংশ মানুষ: বিবিএস

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) জানিয়েছে, দেশের ১৯.২ শতাংশ মানুষ বর্তমানে দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাস করছে। এই প্রতিবেদনে শহরে দারিদ্র্য হার সাড়ে ১৬ শতাংশ হলেও গ্রামে এটি ২০ শতাংশেরও বেশি বলে জানানো হয়েছে।

আজ (৩০ জানুয়ারি) রাজধানীর বিআইসিসি সম্মেলন কক্ষে বিবিএসের পোভার্টি অ্যান্ড লাইভলিহুড স্ট্যাটিসটিকস সেল-এর তৈরি করা প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন।

বিশ্বব্যাংক, বিশ্ব খাদ্য সংস্থা ও বিবিএসের যৌথ গবেষণায় উঠে আসা এই প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের সবচেয়ে বেশি দারিদ্র্যের হার রয়েছে বরিশাল বিভাগে, যেখানে ২৬.৬ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করছে। অন্যদিকে, সবচেয়ে কম দারিদ্র্যের হার চট্টগ্রাম বিভাগে, যেখানে এটি ১৫.২ শতাংশ।

ঢাকা বিভাগের দারিদ্র্যের হার ১.৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯.৬ শতাংশে, তবে রাজশাহী এবং ময়মনসিংহ বিভাগে দারিদ্র্যের হার কমেছে। মাদারীপুর জেলার ডাসার উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ৬৩.২ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করছে, যা বিশেষভাবে উদ্বেগজনক বলে জানানো হয়।

এ প্রতিবেদন দেশের দারিদ্র্য পরিস্থিতি সম্পর্কে একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করেছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী দেশ চলছে না: শামসুজ্জামান দুদু

বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু মন্তব্য করেছেন যে, দেশের উন্নয়ন এবং পরিস্থিতি জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী এগুচ্ছে না। তিনি জানিয়েছেন, বর্তমানে বাংলাদেশ এক ষড়যন্ত্রের জালে আটকে গেছে, এবং সেই জাল ছিঁড়ে ফেলার জন্য একটি জনগণের নির্বাচিত সরকার প্রয়োজন।

আজ (৩০ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী চালক দলের উদ্যোগে আয়োজিত নিত্য-প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আনার দাবিতে এক প্রতীকী অবস্থান কর্মসূচিতে শামসুজ্জামান দুদু এ মন্তব্য করেন।

দুদু বলেন, “বাংলাদেশ হাসিনামুক্ত হওয়ার পর মানুষের যে প্রত্যাশা ছিল, নির্বিঘ্নে বসবাস করা, লুটেরাদের হাত থেকে দেশ রক্ষা পাওয়া, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রশাসন মানুষের পাশে দাঁড়ানো। কিন্তু গত ছয় মাসে বাংলাদেশ যেভাবে চলেছে, ক্রমেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে।”

তিনি আরও বলেন, “এখনো বাজারে সিন্ডিকেটের হাতে নিয়ন্ত্রণ রয়েছে, যেটি শেখ হাসিনার শাসনামলেও ছিল, আর এর ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়ছে। আমি সরকারের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি, দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণ করুন এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাপন সহজ করুন।”

দুদু অভিযোগ করেন যে, বাংলাদেশ বর্তমানে ষড়যন্ত্রের জালে আটকে গেছে এবং এই জাল ছিঁড়ে ফেলার জন্য কঠোর রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রয়োজন। তিনি বলেন, “এটি একটি কঠিন কাজ, কিন্তু একমাত্র জনগণের সমর্থিত সরকারই এটি করতে পারবে। আর সেই সরকার প্রতিষ্ঠা করতে জনগণের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। জনগণ যদি তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে, তবে কঠিন সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব।”

বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, “সরকার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সমর্থন করেছে, তবে তারা যথাযথ ফল না পাওয়ার কারণে এখনো এই সরকারের সমর্থন বহাল রয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো যদি বারবার হতাশাজনক পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়, তাহলে এই সমর্থন বজায় রাখা কঠিন হবে।”

অবশেষে, তিনি নির্বাচন এবং সংস্কারের বিষয়ে মন্তব্য করেন এবং বলেন, “আমাদের নেতা তারেক রহমান বলেছেন, নির্বাচন এবং সংস্কারের মধ্যে কোনো সংঘাত নেই, কিন্তু সরকার যেভাবে ধারণা দিতে চাচ্ছে, তাতে সংস্কার না হলে নির্বাচন হবে না, আর সংস্কার হলে নির্বাচনে দেরি হবে।”

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




জি কে শামীম ও তার মায়ের দুর্নীতি মামলার রায় পেছাল

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় আলোচিত ঠিকাদার জি কে শামীম ও তার মা আয়েশা আক্তারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় রায়ের তারিখ পিছিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) এই মামলার রায় ঘোষণার দিন নির্ধারিত ছিল। কিন্তু রায় প্রস্তুত না হওয়ায় ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক মো. রবিউল আলম আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি নতুন তারিখ ধার্য করেছেন। ২০১৯ সালের ২১ অক্টোবর দুদকের পক্ষ থেকে জি কে শামীম ও তার মা আয়েশা আক্তারের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। ২৯৭ কোটি ৮ লাখ ৯৯ হাজার টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের উপ-পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন এই মামলা করেন।

তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ১৭ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ২০২২ সালের ১৮ অক্টোবর তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করা হয়। ২০১৯ সালে ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানের সময় ২০ সেপ্টেম্বর গুলশানের নিজ কার্যালয় থেকে গ্রেফতার হন জি কে শামীম। তার বিরুদ্ধে গুলশান থানায় অস্ত্র, মাদক এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে তিনটি মামলা হয়।

একসময় নিজেকে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা হিসেবে পরিচয় দিতেন শামীম। কখনও যুবলীগের সমবায় বিষয়ক সম্পাদক, আবার কখনও নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে পরিচয় দিতেন। তবে যুবলীগ তার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করে। জি কে শামীম সাতজন সশস্ত্র দেহরক্ষী নিয়ে চলাফেরার জন্য পরিচিত ছিলেন। ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরের বড় বড় ঠিকাদারি কাজ নিজের প্রতিষ্ঠানের দখলে রাখতেন।

২০২২ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শেখ ছামিদুল ইসলাম অস্ত্র মামলায় জি কে শামীম ও তার সাত দেহরক্ষীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। সাজাপ্রাপ্ত দেহরক্ষীরা হলেন— মো. জাহিদুল ইসলাম, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. কামাল হোসেন, মো. সামসাদ হোসেন, মো. আমিনুল ইসলাম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. মুরাদ হোসেন।

এছাড়া অর্থপাচারের মামলায়ও জি কে শামীম ১০ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




শেভরনের প্রস্তাব নাকচ করল বাংলাদেশ

বাংলাদেশ সরকার বহুজাতিক জ্বালানি কোম্পানি শেভরনের নতুন প্রস্তাব নাকচ করেছে। অফশোর পিএসসির (উৎপাদন ও বণ্টন চুক্তি) শর্তে অনশোরে চুক্তির প্রস্তাব দিয়েছিল শেভরন, যা পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। শেভরন সুনামগঞ্জ, শেরপুর ও ময়মনসিংহ এলাকা নিয়ে গঠিত ব্লক-১১ এবং হবিগঞ্জের ব্লক-১২ এর বর্ধিত এলাকায় চুক্তির প্রস্তাব করেছিল।

শেভরন বাংলাদেশ নতুন করে অফশোর মডেল পিএসসি-২০২৩ অনুযায়ী চুক্তির প্রস্তাব দেয়। তবে পেট্রোবাংলার মতে, গভীর সমুদ্রে গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের ব্যয় ও ঝুঁকি বেশি হওয়ায় সেখানে গ্যাসের দর বেশি নির্ধারিত হয়। স্থলভাগে সেই একই দর অনুযায়ী চুক্তি করা সম্ভব নয়।

পেট্রোবাংলা জানায়, ২০১৯ সালের মডেল পিএসসি সংশোধন করে ২০২৩ সালের নতুন মডেল পিএসসি চালু করা হয়। এতে গ্যাসের দর নির্দিষ্ট না রেখে ব্রেন্ট ক্রুডের আন্তর্জাতিক বাজার দরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখা হয়। নতুন চুক্তিতে প্রতি হাজার ঘনফুট গ্যাসের দাম ব্রেন্ট ক্রুডের ১০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগের চুক্তির তুলনায় পরিবর্তিত।

পেট্রোবাংলার একাধিক কর্মকর্তা জানান, শেভরনের নতুন প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য নয়। আগের চুক্তিগুলোর তুলনায় পিএসসি-২০২৩ এ সরকারের শেয়ার কমানো হয়েছে এবং শর্ত কঠোর করা হয়েছে। এছাড়া, ১১ নম্বর ব্লকের একটি অংশে ইতোমধ্যেই বাপেক্স জরিপ চালিয়েছে এবং সেখানে ২.৪৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মজুত পাওয়া গেছে।

বর্তমানে শেভরন বাংলাদেশ তিনটি গ্যাসক্ষেত্র (বিবিয়ানা, জালালাবাদ ও মৌলভীবাজার) থেকে দৈনিক ১১২৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করছে, যা দেশের মোট উৎপাদিত গ্যাসের একটি বড় অংশ। তবে ব্লক-১২ চুক্তির মেয়াদ ২০৩৪ সালে শেষ হচ্ছে, এবং শেভরনের মেয়াদ পাঁচ বছর বাড়ানোর প্রস্তাবও নাকচ করা হয়েছে। পেট্রোবাংলার মতে, এই বিষয়ে এখনই সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন নেই।

শেভরন বাংলাদেশ সম্প্রতি গ্যাস বিল পরিশোধের জন্য তাগাদা দিয়েছে। কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রেসিডেন্ট এরিক এম ওয়াকার জানুয়ারিতে একটি চিঠির মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে ৭৫ মিলিয়ন ডলার পরিশোধের অনুরোধ করেছেন। বর্তমানে শেভরনের গ্যাস বিলের বকেয়া পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৭০ মিলিয়ন ডলারে।

শেভরন বাংলাদেশের মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন ম্যানেজার শেখ জাহিদুর রহমান জানান, প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও জ্বালানি খাতে অবদান রাখতে আগ্রহী। তবে নতুন চুক্তির বিষয়ে শেভরন কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




৬ মাসে এই সরকারের অর্জন অভূতপূর্ব: প্রেস সচিব

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, গত ৬ মাসে এই সরকারের অর্জন অভূতপূর্ব। স্টক মার্কেটে প্রতিটি কোম্পানি লভ্যাংশ ঘোষণা করছে। গত ৬ মাসে কোম্পানিগুলো কেমন পারফর্ম করেছে দেখেন, সেখানে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।

বুধবার (২৯ জানুয়ারি) ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের সংবাদ সম্মেলনে সিপিডি’র প্রতিবেদন নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

শফিকুল আলম বলেন, আমরা রফতানির তথ্য ম্যানুপুলেট করি না। গত চার মাসে রফতানি গড়ে ১৫ শতাংশের ওপরে বেড়েছে। আগে এমন কখন হয়েছে, আমি তো অর্থনীতি বিষয়ে সাংবাদিকতা করেছি। চট্টগ্রামে বন্দরের কার্যক্রম দেখেন সাড়ে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ২০০০ সালের পরে কন্টেইনার হ্যান্ডেলিংয়ের রেকর্ড ভেঙেছে এ বছর। বিশ্বের চারটি বড় কোম্পানি যারা বন্দর হ্যান্ডেলিং করে, তারা একসঙ্গে জানিয়েছে যে, চট্টগ্রাম পোর্ট, মাতারবাড়ি, লালদিয়া টার্মিনাল তারা ম্যানেজ করতে চায়। তারা চায় কারণ তাদের কাছে পরিসংখ্যান আছে। তারা তো দেখছে যে, বাংলাদেশের রফতানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

কারখানা বন্ধ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রতি বছর ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়, প্রতিবছর কিছু জন্ম হয়। কিছু কিছু বড় হয়। ফলে অসমর্থ্য কিছু কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এটা অর্থনীতির একটি চক্র। আমরা দেখছি যে, আমাদের যথেষ্ট ভালো রফতানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমরা আশা করছি, আরও কিছু পদক্ষেপ যদি আমরা নিতে পারি, চট্টগ্রাম বন্দের সক্ষমতা যদি ফেরে— আপনি নিশ্চিত থাকেন এফডিআই প্রচুর আসবে। আগের সরকার ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল করে জমি দখল করে বসে আছে, কোনও বিনিয়োগকারী আসে না। কোরিয়ান ইপিজেডের ঝামেলা ২০ বছর ধরে জিইয়ে রেখেছে, তাহলে বিদেশিদের কাছে কী বার্তা যায়।

১৪০ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের প্রতিবেদনে ভুল তথ্য আছে জানিয়ে তিনি বলেন, আমি মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে প্রতিবেদন পুরোটা পড়েছি। ১৪০ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে কিন্তু কোন কর্তৃপক্ষ মামলা দেয়নি। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘অথরিটিস’ , কিন্তু আমার মনে হয়— হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এখানে জানার ভুল আছে। এটা অথরিটিস না , যারা ভিক্টিম তাদের পরিবার মামলাগুলো করেছে। বাংলাদেশের সরকার করেনি, পুলিশ করেনি। সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা আমরা করিনি।

এখন একজন ভিক্টিমের ফ্যামিলি যার ছেলে মারা গেছে, যার ভাই মারা গেছে, উনি যদি এসে কারও বিরুদ্ধে মামলা করেন, সেখানে আমরা তো এটার জন্য দায়ী না। সেক্ষেত্রে আমার কী করার আছে। সেই জায়গায় মনে হয়— ওনাদের ভুল আছে, আমরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবো, বলবো যে, প্রতিবেদন সংশোধন করতে হবে। কারণ মামলা তো আমরা করিনি। একজন ভিক্টিমের পরিবার মামলা করলে আমরা তো তাদের বলতে পারি না যে, মামলা না করতে। কেউ যাতে হয়রানির শিকার না হয় এবং এই মামলাগুলো থেকে যাতে দ্রুত রেহাই পাওয়া যায়, সেজন্য তথ্য মন্ত্রণালয়ের ৮ সদস্যের কমিটি করে দেওয়া হয়েছে। ওনারা খুব দ্রুত এই মামলাগুলো দেখবেন।

তিনি আরও বলেন, এই জায়গায় আমরা স্বচ্ছতার মধ্যে আছি। এখন পর্যন্ত কিন্তু ৪ জন সাংবাদিক গ্রেফতার হয়েছে, আর কেউ হয়নি। আমরা চাচ্ছি যে, এই মামলাগুলোর মাধ্যমে কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়।




বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারের নতুন তালিকা ঘোষণা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক: স্থগিত তালিকা থেকে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২৪ এর নতুন তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন তালিকা অনুযায়ী কবিতায় পুরস্কার পাচ্ছেন মাসুদ খান, নাটক ও নাট্যসাহিত্যে শুভাশিস সিনহা, প্রবন্ধ/গদ্যে সলিমুল্লাহ খান, অনুবাদে জি এইচ হাবীব, গবেষণায় মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া, বিজ্ঞানে রেজাউর রহমান ও ফোকলোরে সৈয়দ জামিল আহমেদ।

গতকাল বুধবার রাতে অনুষ্ঠিত বাংলা একাডেমি নির্বাহী পরিষদের পুনর্বিবেচনা-সভায় স্থগিতকৃত পুরস্কৃত লেখক তালিকা থেকে এই নতুন তালিকা ঘোষণা করা হয়।

পুরাতন তালিকা থেকে শিশুসাহিত্য ক্যাটাগরিতে বাদ পড়লো ফারুক নওয়াজ ও মুক্তিযুদ্ধ ক্যাটাগরিতে বাদ পড়লো ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে চিহ্নিত মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে রচিত ‘বঙ্গবন্ধুর পোশাক’, ‘শেখ হাসিনার শাসনামল (প্রথম খন্ড) (১৯৯৬-২০০১)’, ‘শতাব্দীর বঙ্গবন্ধু’, ‘বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী-একটি তুলনামূলক আলোচনা’, ‘বঙ্গবন্ধু -মুক্তিযুদ্ধ’ বইগুলোর লেখক মোহাম্মদ হান্নান।

উল্লেখ্য, ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার নীতিমালা’র চতুর্থ অধ্যায়, নবম ধারা অনুযায়ী নির্বাহী পরিষদ নতুন কাউকে পুরস্কারের জন্য বিবেচনা করতে পারবেন না এবং দশম ধারা অনুযায়ী সুপারিশকৃত কোনো নাম বিবেচনা না করার ক্ষমতা ‘বাংলা একাডেমি নির্বাহী পরিষদ’ সংরক্ষণ করে।




চলচ্চিত্রের আলাদা মন্ত্রণালয় হওয়া উচিত : ফারুকী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বুধবার অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ফিল্ম স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে এক জাতীয় চলচ্চিত্র সম্মেলনে বক্তৃতা দেন সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। তিনি বলেন, “চলচ্চিত্রের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় হওয়া উচিত। ভিন্ন ভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে চলচ্চিত্রের উন্নতি সম্ভব নয়।” সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সিনেমা সংশ্লিষ্ট নানা ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ প্রায় চার শতাধিক প্রতিনিধি।

ফারুকী তার বক্তব্যে আরো বলেন, চলচ্চিত্রের উন্নতির জন্য একটি সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা এবং কর্মশালার আয়োজনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি যোগ করেন, “চলচ্চিত্র সংস্কারে পদক্ষেপ নিতে হলে, আমাদেরকে আন্দোলন করতে হবে। দাবি আদায়ে রাস্তায় নামুন, আমাদের ঘেরাও করুন, তারপর আমরা কাজ করতে বাধ্য হব।”

এছাড়া, চলচ্চিত্রের স্বতন্ত্র মন্ত্রণালয়ের দাবির বিষয়ে ফারুকী বলেন, “স্বতন্ত্র মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন সম্ভব না হলেও, আমরা সংস্কৃতি বিষয়ক সবকিছু এক ছাতার নিচে একত্রিত করে সুপারিশ পেশ করব, যাতে ভবিষ্যতে সঠিকভাবে কাজ করা যায়।”

ফারুকী চলচ্চিত্র শিল্পের সংকটের সমাধানে শিল্পী ও কলাকুশলীদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান এবং বলেন, “এখন পর্যন্ত চলচ্চিত্র জগতে যা হচ্ছে, তা ব্যক্তিগত উদ্যোগে হচ্ছে। রাষ্ট্র কখনো কিছু দিতে পারেনি।” তিনি চলচ্চিত্রের সংকট সমাধানে অংশীজনদের এক হয়ে আন্দোলন করার তাগিদ দেন, যা ছাড়া কোনো সমাধান সম্ভব নয়।

এ সম্মেলনে চলচ্চিত্র অনুদান কমিটির সদস্য আকরাম খান, জনপ্রিয় গীতিকার লতিফুল ইসলাম শিবলী, নির্মাতা রায়হান রাফী, প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিল, অভিনেতা ইমতিয়াজ বর্ষণসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, সিনেমা নিউজ ২৪ ডট কম

 




পটুয়াখালী আদালত চত্বরে আসামিদের ওপর হামলা, আহত ২

পটুয়াখালী জেলা জজ আদালত চত্বরে হাজিরা দিতে এসে হামলার শিকার হয়েছেন মামলার আসামিরা। বাদীপক্ষের লোকজন তাদের ওপর চড়াও হয়ে ইট ও লাঠিসোঁটা দিয়ে মারধর করে। এতে দুইজন গুরুতর আহত হন। বুধবার (স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা) জেলা আইনজীবী সমিতির প্রধান ফটকের সামনে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

হামলায় আহতরা হলেন মো. সোহাগ মিয়া ও মো. জামাল। এদের মধ্যে গুরুতর আহত সোহাগ মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনি সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মরহুম মাহবুবুর রহমান তালুকদারের ভাতিজা এবং কলাপাড়া নীলগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবুল মিয়ার ছোট ভাই।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, হামলায় অংশ নেওয়া সবাই বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী। হামলাকারীরা ঘটনাস্থলে থাকা লোকজনের মোবাইল ফোন চেক করে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে ছবি ও ভিডিও মুছে ফেলতে বাধ্য করে।

আহত সোহাগ মিয়ার বড় ভাই মো. আল-আমিন জানান, ২০১২ সালে ছাত্রদল নেতা মো. জিয়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে আদালতে হাজিরা দিতে এসেছিলেন। এ সময় বাদীপক্ষ ও তাদের সমর্থকরা তাদের ওপর চড়াও হয় এবং ইট ও লাঠি দিয়ে হামলা চালায়। হামলায় সোহাগ মিয়ার হাঁটু থেতলে দেওয়া হয় এবং জামালসহ আরও কয়েকজনকে বেধড়ক মারধর করা হয়।

নীলগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবুল মিয়া বলেন,
“আদালত চত্বরে এমন ন্যক্কারজনক হামলা দুঃখজনক। আহতদের চিকিৎসা পর্যন্ত নিতে দেওয়া হয়নি। হামলার পর তাদের চোখ বেঁধে বসাকবাজার এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে এরকম ঘটনা আরও ঘটতে পারে।”

পটুয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট ওয়াহিদ সরওয়ার কালাম বলেন,
“আদালত চত্বরে এমন হামলা খুবই নিন্দনীয় ও দুঃখজনক। আদালত এলাকায় মানুষের নিরাপত্তা থাকা উচিত।”

পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহম্মেদ জানান,
“আমরা হামলার খবর পেয়েই পুলিশ পাঠিয়েছি। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি। আহতরা কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে শুনেছি।”

এই ঘটনায় আদালত চত্বরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




সাবেক এমপি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা

জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বরগুনা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু ও তার স্ত্রী মাধবী দেবনাথের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ বুধবার দুদকের উপ-পরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এক ব্রিফিংয়ে জানান, দুদকের সহকারী পরিচালক মো. রুহুল হক দুদকের জেলা কার্যালয়, ঢাকা-১ এ মামলাগুলো দায়ের করেন।

অভিযোগের বিস্তারিত

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু দায়িত্বশীল পদে থেকে অবৈধ উপায়ে ৫ কোটি ৪১ লাখ ২০ হাজার ১২৫ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়া, তার ১৬টি ব্যাংক হিসাবে ৪১ কোটি ৯৩ লাখ ২৫ হাজার ৭০২ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। এ অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে।

স্ত্রী মাধবী দেবনাথের বিরুদ্ধে অভিযোগ

ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর স্ত্রী মাধবী দেবনাথও জ্ঞাত আয়ের উৎসের বাইরে ২ কোটি ২ লাখ ৪১ হাজার ৪০৪ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি, তিনি ৭টি ব্যাংক হিসাবে ৮ কোটি ৪৫ লাখ ৬১ হাজার ২৭৮ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন।

এ অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সম্পদ অনুসন্ধান

ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর ছেলে সুনাম দেবনাথ, পুত্রবধূ কাসপিয়া তালুকদার ও মেয়ে শুক্লা দেবনাথের বিরুদ্ধেও অবৈধ সম্পদ অর্জনের তথ্য পেয়েছে দুদক।

সুনাম দেবনাথ: ৯৬ লাখ ৫৮ হাজার ৪৪৩ টাকার সম্পদ

কাসপিয়া তালুকদার: ৪৯ লাখ ৮৮ হাজার ৪০০ টাকার সম্পদ

শুক্লা দেবনাথ: ৬৮ লাখ ৯১ হাজার টাকার সম্পদ

এই তিনজনের বিরুদ্ধে সম্পদের সঠিক হিসাব প্রদানের জন্য সম্পদ বিবরণী জমা দেওয়ার আদেশ জারির সুপারিশ করা হয়েছে।

পরবর্তী পদক্ষেপ

দুদক সূত্র জানায়, মামলাগুলোর তদন্ত শিগগিরই শুরু হবে এবং প্রয়োজনীয় প্রমাণ সংগ্রহ করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম