বরিশালের বাজারে তরমুজের সরবরাহ বেড়েছে, চাহিদাও তুঙ্গে

রমজান মাসের ইফতারে তরমুজের চাহিদা বাড়ায় বরিশালের বাজারগুলোতে বেড়েছে এর সরবরাহ। গরমের প্রভাব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তরমুজ কেনার ভিড়ও লক্ষ্য করা যাচ্ছে বাজারে।

গত এক সপ্তাহ ধরে বরিশালের বাজারে প্রতিদিন নতুন তরমুজ আসছে। শুক্রবার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, তরমুজ বিক্রেতাদের হাঁকডাক বেড়েছে, ক্রেতাদের ভিড়ও তুলনামূলক বেশি। কেউ দরদাম করে কিনছেন, আবার কেউ দাম বেশি মনে করে ফিরে যাচ্ছেন।

বরিশালের বাজারে বর্তমানে ছোট থেকে মাঝারি আকারের তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে। পাঁচ কেজি ওজনের একটি মাঝারি তরমুজের দাম প্রায় ৪০০ টাকা। বিক্রেতারা আশা করছেন, সরবরাহ আরও বাড়লে দাম কিছুটা কমতে পারে।

সাধারণত তরমুজের মৌসুম এপ্রিল-মে মাসে হলেও ফেব্রুয়ারির শেষ ও মার্চের শুরু থেকেই বাজারে আগাম তরমুজ আসতে শুরু করেছে। বর্তমানে বাজারে থাকা তরমুজের বেশিরভাগই আকারে ছোট থেকে মাঝারি, যার ওজন তিন থেকে পাঁচ কেজির মধ্যে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, তরমুজের ভালো ফলন ও লাভজনক দামের কারণে কৃষকদের আগ্রহও বাড়ছে চাষে। চাহিদা বেশি থাকায় আগামী দিনে বাজার আরও সরগরম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




আজ থেকে কর্মবিরতিতে যাচ্ছেন বিসিএস চিকিৎসকরা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : দুই দফা দাবিতে শনিবার থেকে কর্মবিরতি শুরু করতে যাচ্ছে বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ফোরাম। এদিন সকাল ১০টা থেকে টানা তিনদিন দুই ঘণ্টা করে চলবে এই কর্মসূচি।

শুক্রবার (৭ মার্চ) ফোরামের পক্ষে ডা. মোহাম্মদ আল আমিন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এর আগে ২৫ ফেব্রুয়ারি এক প্রেস কনফারেন্সে এই কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছিল সংগঠনটি।

বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ফোরামের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের সরকারি হাসপাতালে কর্মরত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ন্যায্য পদোন্নতি ও সব প্রকার বৈষম্য নিরসনের দাবিতে কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। বিসিএস (স্বাস্থ্য) বিশেষজ্ঞ ফোরামের উদ্যোগে ও সব চিকিৎসা সোসাইটির সমর্থনে ৮, ৯ ও ১০ মার্চ প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে ১২টা পর্যন্ত কর্মবিরতি পালিত হবে।




পটুয়াখালীতে ২২ বছর পর যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

পটুয়াখালীতে ২২ বছর পলাতক থাকার পর অবশেষে মো. ফিরোজ হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৮ পটুয়াখালী ক্যাম্প। শুক্রবার (৭ মার্চ) সকালে বাউফল উপজেলার সূর্যমনি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয় এবং পরে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

র‌্যাব সূত্রে জানা গেছে, ২০০৩ সালে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংঘর্ষের ঘটনায় ফিরোজ হাওলাদারসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়। মামলায় ভিকটিমকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়, এমনকি তার পায়ের রগ কেটে দেওয়া হয়। আহত অবস্থায় ভিকটিমের স্ত্রী জোহরা বেগম বাদী হয়ে বাউফল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার করা গেলেও ফিরোজ হাওলাদার দীর্ঘ ২২ বছর পলাতক ছিলেন। ২০০৭ সালে আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানার সাজা দেন। এরপর তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

র‌্যাব-৮ পটুয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সিনিয়র এএসপি তুহিন রেজা জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার ভোরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে আসামিকে নিজ এলাকায় গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জায়গায় আত্মগোপনে থাকা ফিরোজ হাওলাদারকে নজরদারিতে রাখা হয়েছিল। অবশেষে নির্ভুল তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।”

গ্রেপ্তারের পর ফিরোজ হাওলাদারকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানান র‌্যাবের এই কর্মকর্তা।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করতে হবে: নাহিদ ইসলাম

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর নেতা নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করা জরুরি। এজন্য শুধু সরকার নয়, সব রাজনৈতিক দল ও সামাজিক শক্তিকেও এগিয়ে আসতে হবে।

শুক্রবার (৭ মার্চ) রাজধানীর বাংলামোটরের রূপায়ণ টাওয়ারে এনসিপির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে নারীদের প্রতি সহিংসতা, ধর্ষণ ও ইভটিজিংয়ের ঘটনা বেড়ে গেছে। এনসিপি এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, যেন নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনা হয়।”

রয়টার্সের এক সাক্ষাৎকার নিয়ে ভুল অনুবাদ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমি বলেছিলাম, দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নাজুক। এই অবস্থায় নির্বাচন করাটা কঠিন হবে। দীর্ঘদিন ধরে পুলিশ প্রশাসনের একটি সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার অভিজ্ঞতা হয়নি। তাই নির্বাচনের আগে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, *”আমরা সমাজের স্বচ্ছল ব্যক্তি ও সদস্যদের সহযোগিতায় ক্রাউড ফান্ডিং শুরু করতে যাচ্ছি। এর মাধ্যমে *নিজস্ব কার্যালয় স্থাপন ও নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তহবিল সংগ্রহ করব।”

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, নাগরিক সংবাদ ২৪ ডট কম

 




ডিসেম্বর থেকে মার্চের মধ্যে নির্বাচন

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে। তবে এ সময়ের মধ্যে নির্বাচনের সময়সূচি নির্ভর করবে সরকার গৃহীত প্রয়োজনীয় সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নের ওপর, যা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য অপরিহার্য বলে মনে করা হচ্ছে। ঢাকায় ড. ইউনূসের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বিবিসির দক্ষিণ এশিয়া সংবাদদাতা সামিরা হুসেইন। ইংরেজি সাক্ষাৎকারটি বৃহস্পতিবার বিবিসির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনটি বাংলায় অনুবাদ করেছে সরকারি বার্তা সংস্থা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।

বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেছেন, সংস্কার কার্যক্রম আমাদের প্রত্যাশিত দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন হলে ডিসেম্বরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার প্রক্রিয়া প্রয়োজন হলে আমাদের আরও কয়েক মাস লাগতে পারে। অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর তাকে দায়িত্ব নিতে বলা হলে তিনি তখন ‘হতচকিত’ বোধ করেন। তিনি বলেন, আমি কখনো ভাবিনি যে আমি সরকার পরিচালনার দায়িত্ব নেব। আমি আগে কখনো প্রশাসনিক দায়িত্বে ছিলাম না, তাই সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য আমাকে উপায়গুলো খুঁজে নিতে হয়েছে। যখন বিষয়টি ঠিক হলো তখন আমরা সংগঠিতভাবে কাজ শুরু করলাম। তিনি বলেন, আমার কাছে দেশের জন্য আইনশৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার এবং অর্থনীতি পুনর্গঠন মূল অগ্রাধিকার ছিল।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্বাসনে থাকা শেখ হাসিনা এবং তার দল আওয়ামী লীগ এ নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা তা এখনো স্পষ্ট নয়। ঢাকার সরকারি বাসভবনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস বলেন, তারা (আওয়ামী লীগ) সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচনে অংশ নিতে চায় কিনা। আমি তাদের জন্য এ সিদ্ধান্ত নিতে পারি না। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন ঠিক করবে কারা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে। শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. ইউনূস বলেন, শান্তি ও শৃঙ্খলা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। পাশাপাশি অর্থনীতি। এটি একটি বিচূর্ণ অর্থনীতি, একটি বিপর্যস্ত অর্থনীতি। এমন মনে হচ্ছে যেন গত ১৬ বছর কোনো ভয়ঙ্কর টর্নেডো চলেছে, আর আমরা এখন সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে টুকরোগুলো তুলে নেওয়ার চেষ্টা করছি। তিনি বলেন, আমরা সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খলা থেকে বেরিয়ে আসছি। গত গ্রীষ্মে বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়া সহিংস বিক্ষোভের কথা উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস বলেন, মানুষকে গুলি করা হয়েছে, হত্যা করা হয়েছে। প্রায় সাত মাস পরও ঢাকার বাসিন্দারা বলছেন যে আইনশৃঙ্খলা এখনো পুনরুদ্ধার হয়নি এবং পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে না-এমন এক প্রশ্নের জবাবে ড. ইউনূস বলেন, উন্নতি আপেক্ষিক বিষয়। যদি আপনি এটি গত বছরের একই সময়ের সঙ্গে তুলনা করেন, তাহলে মোটামুটি সহনীয় মনে হবে। তিনি বলেন, যা এখন ঘটছে, তা অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে আলাদা কিছু নয়। দেশের বর্তমান সমস্যাগুলোর জন্য আগের সরকারকে দায়ী করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, আমি বলছি না যে, এ ঘটনাগুলো ঘটতেই হবে। আমি বলছি, আপনাকে এটা বিবেচনায় নিতে হবে-আমরা কোনো আদর্শ দেশ বা আদর্শ শহর হঠাৎ করে তৈরি করিনি। এটি সেই দেশেরই ধারাবাহিকতা, যা আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি, যে দেশ বহু বছর ধরে একইভাবে চলছে।




মূল্যস্ফীতির হার কমে ৯.৩২ শতাংশে, ২২ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন

দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার ফেব্রুয়ারি মাসে কমে দাঁড়িয়েছে ৯.৩২ শতাংশে, যা গত ২২ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম। এর আগে ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে সর্বশেষ মূল্যস্ফীতি ছিল ৯.২৪ শতাংশ

বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি মাসের ভোক্তা মূল্য সূচক (সিপিআই) প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

গত জানুয়ারি মাসে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯.৯৪ শতাংশ। তবে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারির তুলনায় চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে এই হার ছিল ৯.৬৭ শতাংশ

খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত খাতের অবস্থা

  • খাদ্যখাতে মূল্যস্ফীতি: ফেব্রুয়ারিতে কমে ৯.২৪ শতাংশ হয়েছে, যা জানুয়ারিতে ছিল ১০.৭২ শতাংশ
  • খাদ্য বহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি: কিছুটা বেড়ে ৯.৩৮ শতাংশ হয়েছে, যা জানুয়ারিতে ছিল ৯.৩২ শতাংশ

মূল্যস্ফীতি কমার কারণ

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, চাল, ডাল, তেল, লবণ, মাছ, মাংস, সবজি, মসলা ও তামাকজাতীয় পণ্যের দাম কমার ফলে খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে শীতকালীন ফসলের সরবরাহ বাড়ায় খাদ্যপণ্যের দাম কমেছে।

তবে খাদ্য বহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়েছে, যা বিভিন্ন সেবামূল্যের বৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




পরীমনির সাবেক স্বামী সৌরভ গ্রেফতার

চিত্রনায়িকা পরীমনির সাবেক স্বামী ফেরদৌস কবির সৌরভকে (২৯) গ্রেফতার করেছে ডিবি পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) রাজধানীর বসুন্ধরা রেসিডেন্সিয়াল এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

গ্রেফতার হওয়া সৌরভ যশোরের কেশবপুর পৌরসভার আওয়ামী লীগ নেতা মেয়র রফিকুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ সহচর বলে জানা গেছে। তিনি সাবেক এমপি শাহীন চাকলাদার গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে তার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ আনা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।

২০১২ সালের ২৮ এপ্রিল সৌরভের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল পরীমনির। দেনমোহর ধার্য করা হয়েছিল এক লাখ টাকা। তবে দুই বছর পর তাদের দাম্পত্য সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়, যা পরে বিচ্ছেদ পর্যন্ত গড়ায়। সৌরভ কেশবপুর পৌরসভার সাবেক নারী কাউন্সিলর শাহানা কবির ফতেমার ছেলে।

এদিকে, ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আবারও আলোচনায় এসেছেন পরীমনি। সম্প্রতি এক পুরুষের বাহুডোরে মাথা রেখে ছবি পোস্ট করেছেন তিনি। মঙ্গলবার রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে এই ছবি শেয়ার করেন জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী। ছবির ক্যাপশনে তিনি নতুন করে জীবনে বসন্ত আসার ইঙ্গিত দেন। মুহূর্তের মধ্যেই ছবিটি নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হয়, যা নিয়ে ভক্ত-অনুরাগীদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে। তবে ওই ব্যক্তি কে, সে বিষয়ে কিছু জানাননি পরীমনি।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




আওয়ামী লীগ এ সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে কি না- এমন এক প্রশ্নের জবাবে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস সর্বশেষ বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে তারা নির্বাচন করতে চায় কি না। আমি তাদের জন্য সিদ্ধান্ত নিতে পারি না। নির্বাচনে কারা অংশগ্রহণ করবে তা নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেয়।’ অন্যদিকে গণ-অভ্যুত্থানে পরাস্থ আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত এই সরকারের অধীনে তারা নির্বাচনে যাবে না।

ভারতে থাকা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার বেশ কয়েকটি ভার্চুয়াল সভা থেকে জানা যায়, তিনি আগামী নির্বাচনের বিষয়ে একাধিকবার কথা বলেছেন। তার ভাষ্য, এই সরকারের অধীনে নির্বাচন নয়। অনুকূল পরিবেশ এলে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নেবে।

এদিকে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ শীর্ষ পর্যায়ের অনেক নেতা অজ্ঞাত কারণে নিশ্চুপ হয়ে আছেন। আর বেশকজন কেন্দ্রীয় নেতা আছেন কারাগারে। গণ-অভ্যুত্থানের পর হত্যা মামলাসহ নানাবিধ মামলা মাথায় নিয়ে আত্মগোপনে আছেন প্রায় সব কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবকে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও এমপি। আত্মগোপনে থেকে বেশ কজন নেতা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এসে দলীয় সিদ্ধান্তের বিষয়ে কথা বলেছেন। এই নেতাদের ভাষ্য এই সরকারের অধীনে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে যাবে না। তাদের ধারণা, এই সরকারের সময় খুব বেশি নেই। পরবর্তী সময়ে সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি কোনো সরকার এলে নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

জানতে চাইলে সাবেক নৌপ্রতিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী আমাদের সময়কে বলেন, ‘সংবিধানে অন্তর্বর্তী সরকার বলে কিছু নেই। ফলে এই কাঠামোতে আওয়ামী লীগের নির্বাচনে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না। আগে দখলদার বাহিনীকে হটিয়ে দেশে সংবিধানিক প্রক্রিয়ায় না ফিরলে আওয়ামী লীগ

নির্বাচনে অংশ নেবে না।’

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল বলেন, ‘এমন কোনো বৈরী পরিবেশ নেই যে নির্বাচনে আমাদের দল অংশ নেয়নি। ইউনূস সরকার যে স্বপ্ন দেখছে, তা বাস্তবায়িত হবে না। আর হ্যাঁ এটা উনি সত্য বলেছেন, আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা এটা উনার (প্রধান উপদেষ্টা) ওপর নির্ভর করছে না। কারণ, আমরা যতটুকু জানি বা ধারণা করছি খুব বেশি দিন তিনি ক্ষমতায় নেই। উনি ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দেশে নির্বাচনের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হলে আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নেবে।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কেন্দ্রীয় নেতা জানান, জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি অনেক ভাবনার। এটা নিয়ে নীতি-নির্ধারকরা ভাববেন। তবে দলীয় প্রতীকবিহীন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অনেক নেতাকর্মী অংশ নেবে। এ বিষয়ে নেতাকর্মীদের প্রস্তুত করাও হচ্ছে।




ইসলামি রাষ্ট্রে নারীদের পূর্ণ স্বাধীনতা থাকবে: ছাত্রশিবির সেক্রেটারি

নারীদের জন্য ইসলাম সর্বোচ্চ সম্মান নিশ্চিত করে এবং ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলে নারীরা পূর্ণ স্বাধীনতা উপভোগ করতে পারবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম।

বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) সন্ধ্যায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) আয়োজিত ইফতার মাহফিল শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, ইসলামি নীতিমালার ভিত্তিতে পরিচালিত রাষ্ট্রে নারীরা নিরাপদে চলাফেরা করতে পারবে এবং কর্মক্ষেত্রেও তাদের পূর্ণ স্বাধীনতা থাকবে। তিনি আরও বলেন, “নারীদের জন্য পৃথক বিশ্ববিদ্যালয় থাকা উচিত, যেখানে নারী শিক্ষক ও প্রশাসনের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এতে তাদের সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।”

ছাত্রশিবির সেক্রেটারি বলেন, ইসলাম নারীকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দিয়েছে এবং নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য শালীনতার নির্দেশনা দিয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, “ইসলামের কোনো বিধান নারীদের ঘরে বন্দি রাখার কথা বলে না। বরং ইসলামি বিধান অনুসরণ করলে নারীরা চাকরি ও অন্যান্য ক্ষেত্রে নিরাপদ থাকবে।”

নারী নির্যাতন প্রসঙ্গে নুরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, “বর্তমানে নারীরা বিভিন্নভাবে নিপীড়নের শিকার হচ্ছে। যারা নারী স্বাধীনতার কথা বলে, তাদের দেশগুলোতেই নারীরা বেশি সহিংসতার শিকার হয়। অন্যদিকে, ইসলামি আইন মেনে চলা দেশগুলোতে ধর্ষণের হার তুলনামূলক কম।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা চাই না নারীরা বিনোদনের সামগ্রী হয়ে উঠুক। বরং আমরা তাদের প্রকৃত মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাই।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




১৫ রোজা থেকে রাতে স্পিডবোট ও বাল্কহেড চলাচল বন্ধের নির্দেশ

পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৫ রোজা থেকে রাতের বেলা স্পিডবোট ও বাল্কহেড চলাচল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন নৌপরিবহন এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।

বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) সচিবালয়ে দেশের বিভিন্ন নৌপথে জলযানসমূহের সুষ্ঠু চলাচল নিশ্চিত করতে আয়োজিত এক প্রস্তুতিমূলক সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ঈদযাত্রাকে নিরাপদ করতে সরকার কড়া নজরদারি করবে।

নৌযানে নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নিলে শুধু জরিমানা নয়, সেই লঞ্চের রুট পারমিটও স্থগিত করা হবে। এছাড়াও, ঈদযাত্রায় লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা যাবে না।

কোনো লঞ্চ নির্ধারিত সিরিয়ালের বাইরে ছেড়ে যেতে পারবে না। অতিরিক্ত যাত্রী বহন নিষিদ্ধ থাকবে। সদরঘাটসহ দেশের সব নৌবন্দরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদারকি করবে। নৌবাহিনীও নিরাপত্তা রক্ষায় সহায়তা করবে।

ফিটনেস সনদ ছাড়া কোনো লঞ্চ চলতে পারবে না এবং নির্ধারিত গতিসীমার বেশি চালানো যাবে না। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি লঞ্চ ও জলযান নিয়মিত চেকিংয়ের আওতায় থাকবে।

শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা বলেন, সদরঘাটে নৌযান ধরতে যাত্রীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটাতে সড়কের শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা হবে। অবৈধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা যানবাহন সরাতে প্রয়োজনে রেকার ব্যবহার করা হবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম