দেশকে গুছিয়ে বিদায় নিতে চাই: তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা মো: মাহফুজ আলম বলেছেন, “দেশকে যেনো একটি গুছানো অবস্থায় রেখে আমরা বিদায় নিতে পারি। আপনারা দোয়া করবেন, যে সংস্কার কাজ হাতে নিয়েছি, তা যেন সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারি।”

শুক্রবার (১৪ মার্চ) পিরোজপুরের ছারছীনা দরবার শরীফের ১৩৫তম মাহফিলের শেষ দিনে আখেরি মোনাজাতের আগে আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি। মাহফিলে অংশ নিয়ে তিনি ছারছীনা দরবার শরীফের মরহুম পীরদের কবর জিয়ারত করেন এবং দেশ ও নিজের জন্য দোয়া চান।

তিনি বলেন, “আমার দাদাজান ছারছীনা দরবারের মুরিদ ছিলেন। ছোটবেলায় বাবার সঙ্গে এখানে আসার সুযোগ হয়েছিল। এই দরবারের প্রতিষ্ঠাতা আল্লামা শাহ্ সূফী নেছার উদ্দিন আহমদ (রহঃ) দীনি সংস্কারে যে অবদান রেখেছেন, তা অনন্য। প্রায় দেড় শতাব্দী ধরে এই দরবার দীনি খেদমত চালিয়ে যাচ্ছে।”

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ছারছীনা দরবার শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমাদ হুসাইন, পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফুল আলম খান, বরিশালের জেলা প্রশাসক মোঃ দেলোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুকিত হাসান খান, আল্লামা সাঈদী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শামীম সাঈদীসহ অন্যান্য ধর্মীয় ও প্রশাসনিক ব্যক্তিবর্গ।

আখেরি মোনাজাতে পীর ছাহেব কেবলা দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা করেন। লাখো মুসল্লির “আমীন আমীন” ধ্বনি আকাশ-বাতাসে প্রতিধ্বনিত হয়।


মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বাংলাদেশের সমুদ্র সম্ভাবনা বিশাল: ড. ইউনূস

বাংলাদেশের মানুষ ভাগ্যবান, কারণ তাদের একটি সমুদ্র রয়েছে, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

শুক্রবার কক্সবাজারের বিআইএএম অডিটোরিয়ামে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, “আমাদের দীর্ঘ উপকূলরেখা ও সমুদ্রবন্দর ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যদি এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারি, তাহলে দেশের অর্থনীতিতে বিপুল পরিবর্তন আসবে।”

ড. ইউনূস বলেন, কক্সবাজার কেবল পর্যটন শহরই নয়, এটি অর্থনীতিরও একটি কেন্দ্র হয়ে উঠছে। এখানকার সমুদ্রতীরের যেকোনো স্থানে সমুদ্রবন্দর নির্মাণের সম্ভাবনা রয়েছে, যা নেপাল ও ভারতের সেভেন সিস্টার্স রাজ্যগুলোর জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, “নেপাল ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কোনো সমুদ্র নেই। পারস্পরিক সুবিধার্থে তাদের জন্য আমাদের সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করার সুযোগ সৃষ্টি করা প্রয়োজন।”

বাংলাদেশে উৎপাদিত লবণের বৈশ্বিক বাজার নিয়ে তিনি বলেন, “কক্সবাজারের কৃষকদের উৎপাদিত লবণ এখন রপ্তানিযোগ্য মানসম্পন্ন। বিদেশি আমদানিকারকরা এই লবণ কিনতে আগ্রহী কি না, সেটি আমাদের গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।”

ড. ইউনূস কক্সবাজারে বায়ু বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “সমুদ্রের বাতাসকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। আমরা যদি পাইলট প্রকল্প চালু করতে পারি, তাহলে এটি দেশের টেকসই বিদ্যুৎ খাতের জন্য একটি বড় সুযোগ হয়ে উঠবে।”

তিনি স্থানীয় জনগণের কাছে জানতে চান, রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ কক্সবাজারবাসীর ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলছে এবং তারা কীভাবে ভবিষ্যতে এই পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারেন।

সভায় স্থানীয় জনগণ কক্সবাজারের উন্নয়নে বিভিন্ন দাবি ও প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরাতে সম্মিলিত প্রচেষ্টার আশ্বাস ড. ইউনূসের

রোহিঙ্গারা যেন আগামী বছর মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নিজেদের বাড়িতে ফিরে গিয়ে ঈদ উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে জাতিসংঘের সঙ্গে সম্মিলিতভাবে প্রচেষ্টা চালানোর অঙ্গীকার করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

শুক্রবার কক্সবাজারের উখিয়ায় শরণার্থী শিবিরে প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গার সঙ্গে ইফতারে যোগ দিয়ে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন। এই ইফতারে তাঁর সঙ্গে সফররত জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসও অংশ নেন।

ইফতারের আগে রোহিঙ্গাদের দুর্দশার কথা শুনে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “আমরা চাই, রোহিঙ্গারা দ্রুত তাদের মাতৃভূমিতে নিরাপদে ফিরে যাক। জাতিসংঘের সহযোগিতায় আমরা সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাব।”

তিনি রোহিঙ্গাদের সঙ্গে সহজ যোগাযোগের জন্য চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলেন, যা উপস্থিত শরণার্থীদের মধ্যে আন্তরিকতার আবহ সৃষ্টি করে।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, “রোহিঙ্গাদের টেকসই সমাধান দিতে হলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় হতে হবে। আমরা চাই, তারা সম্মানের সঙ্গে নিজেদের দেশে ফিরে যাক।”

ইফতার আয়োজনে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি, স্থানীয় প্রশাসন ও আন্তর্জাতিক দাতাসংস্থার প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




উখিয়ায় রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ইফতার করলেন ড. ইউনূস ও গুতেরেস

উখিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে ইফতার করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রায় এক লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর সঙ্গে তাঁরা ইফতার করেন।

ইফতারের আগে তাঁরা শিবিরের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করেন এবং রোহিঙ্গাদের দুঃখ-দুর্দশার কথা শোনেন। জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেস রোহিঙ্গাদের প্রতি বিশ্ব সম্প্রদায়ের সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং তাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের বিষয়ে গুরুত্ব দেন।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে আরও এগিয়ে আসতে হবে। তিনি স্থানীয় প্রশাসন ও দাতাসংস্থাগুলোর প্রচেষ্টারও প্রশংসা করেন।

এ সময় জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা, স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




“রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতিসংঘকে উদ্যোগ নিতে হবে: পীর সাহেব চরমোনাই”

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই) বলেছেন, “বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে মানবতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। জাতিসংঘকে উদ্যোগ নিয়ে তাদের নিজ দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করতে হবে।”

শুক্রবার (১৪ মার্চ) বরিশাল ক্লাবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মহানগর শাখার আয়োজিত ‘ইফতার মাহফিল ২০২৫’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, “দেশের সংবিধান, নির্বাচন কমিশন, জনপ্রশাসন, পুলিশ, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও বিচার বিভাগের সংস্কার জরুরি। এগুলো সংস্কার না হলে দেশ আগের অবস্থায় রয়ে যাবে।”

তিনি আরও বলেন, “বিশ্বের ৯০টিরও বেশি দেশে অনুসৃত সংখ্যানুপাতিক (PR) নির্বাচন পদ্ধতি চালু করা হলে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আসবে। এতে কার্যকর ও যথাযথ প্রতিনিধিত্বশীল পার্লামেন্ট গঠিত হবে এবং নির্বাচনে কালো টাকা ও পেশিশক্তির ব্যবহার বন্ধ হবে।”

তিনি বলেন, “আমরা চাই না দেশ দীর্ঘদিন নির্বাচনবিহীন অবস্থায় থাকুক। নির্বাচন যেন সুষ্ঠু ও অবাধ হয় এবং সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হয়, সে জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার ও ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।”

ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন—

  • উপাধ্যক্ষ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
  • মাওলানা কাজী মামুনুর রশীদ খান ইউসুফী, শুরা সদস্য, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
  • মাওলানা সৈয়দ নাসির আহমেদ কাওসার, সহ-সভাপতি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগর
  • মাওলানা ইদ্রিস আলী ও মাওলানা মুহাম্মাদ জামিলুর রহমান, চাচইর ফাজিল মাদরাসার অধ্যাপক
  • প্রিন্সিপাল মো. ওমর ফারুক, সভাপতি, জাতীয় শিক্ষক ফোরাম বরিশাল মহানগর
  • অ্যাডভোকেট শেখ আব্দুল্লাহ নাসির, সভাপতি, ইসলামী আইনজীবী পরিষদ বরিশাল মহানগর
  • মাওলানা মো. রেজাউল করীম, সভাপতি, ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগর
  • গাজী মুহাম্মাদ রেদোয়ান, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল মহানগর

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




“মানুষের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন খালেদা জিয়া” : আবু নাসের

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মো. রহমাতুল্লাহ বলেছেন, “মানুষের উন্নয়নে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বারবার রক্ষা করেছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।”

শুক্রবার (১৪ মার্চ) শায়েস্তাবাদ ইউনিয়ন ও অঙ্গসংগঠনের আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আবু নাসের বলেন, “স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকার মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে বারবার অবৈধভাবে সরকার গঠন করেছে। জনগণকে জিম্মি করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়েছে। গণতন্ত্র ধ্বংস করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করেছে। কিন্তু বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে দেশ ও মানুষ নিরাপদ ছিল।”

তিনি আরও বলেন, “আওয়ামী লীগ ইসলামী রাজনীতিকে নিষিদ্ধ করেছিল এবং আলেম-ওলামাদের মিথ্যা মামলায় হয়রানি করেছে।”

নাসের বলেন, “আগামীর বাংলাদেশ হবে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নতির দেশ। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে। তার হাতকে শক্তিশালী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”

শায়েস্তাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি নেতা হেমায়েতের সভাপতিত্বে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে বিশেষ অতিথি ছিলেন—

  • সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আলহাজ নুরুল আমিন
  • ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শামসুল কবির ফরহাদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ


মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




রোহিঙ্গারা বাড়ি ফিরতে চায়: জাতিসংঘ মহাসচিব

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, রোহিঙ্গারা মিয়ানমারেই ফিরে যেতে চায়, কারণ সেটাই তাদের মাতৃভূমি। নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনই এই সংকটের প্রধান সমাধান।

শুক্রবার (১৪ মার্চ) কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

গুতেরেস বলেন, “বাংলাদেশের জনগণ রোহিঙ্গাদের বিশাল সহায়তা দিয়েছে। এবার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এগিয়ে আসার সময় এসেছে। মানবিক সহায়তার বাজেট কমলে ভয়াবহ বিপর্যয় হবে। মানুষ কষ্ট পাবে, এমনকি মারা যাবে।”

তিনি আরও বলেন, “২০১৮ সালে আমি যখন কক্সবাজার এসেছিলাম, তখনও দেখেছি যে রোহিঙ্গা শিবিরগুলো জলবায়ু সংকটের সম্মুখীন। শুধু খাদ্য সহায়তা দিলেই চলবে না, তাদের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নও প্রয়োজন।”

জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, “মিয়ানমারের সব পক্ষকে সংযম অবলম্বন করতে হবে। আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী সাধারণ মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। রাখাইনে সংঘাত ও নির্যাতন বন্ধ না হলে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন সম্ভব নয়।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা হাল ছাড়ব না যতক্ষণ না পরিস্থিতি শরণার্থীদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের জন্য উপযুক্ত হয়। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”

বিমানবন্দর থেকে সরাসরি উখিয়ায় যান জাতিসংঘ মহাসচিব। তিনি রোহিঙ্গা লার্নিং সেন্টার, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ও পাটজাত পণ্যের উৎপাদন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। তার সফরে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও সঙ্গে ছিলেন।


মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ইফতার করলেন জাতিসংঘ মহাসচিব গুতেরেস ও প্রধান উপদেষ্টা

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গাদের সঙ্গে ইফতার করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের পর তারা এই ইফতার অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

ক্যাম্প পরিদর্শনকালে রোহিঙ্গা শিক্ষার্থী ও কমিউনিটি নেতারা রাখাইনের গণহত্যার বিচার, নিরাপদ প্রত্যাবাসন ও খাদ্য সহায়তা বাড়ানোর অনুরোধ জানান। তারা জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে সহযোগিতার আহ্বান জানান।

এর আগে সকালে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন জাতিসংঘ মহাসচিব। দীর্ঘ সাত বছর পর তিনি বাংলাদেশ সফরে আসলেন। বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) বিকেলে ঢাকায় পৌঁছালে বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।


মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




ভোলায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু

ভোলার দৌলতখান উপজেলায় পুকুরে গোসলে নেমে রাবেয়া আক্তার (৬) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৪ মার্চ) দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

রাবেয়া দৌলতখান উপজেলার চরপাতা গ্রামের সলিমুদ্দিন ফরাজি বাড়ির মো. ইব্রাহীমের মেয়ে।

নিহতের খালু মো. আলী আকবর জানান, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাবেয়া তাদের বসতঘরের পেছনের পুকুরে অন্য শিশুদের সঙ্গে গোসল করতে যায়। কিছুক্ষণ পর সঙ্গীরা বুঝতে পারে সে পানির নিচে তলিয়ে গেছে এবং দ্রুত তার দাদিকে খবর দেয়।

পরিবার ও স্থানীয়রা পুকুরে নেমে খোঁজাখুঁজি করে রাবেয়াকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

দৌলতখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিল্লুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।


মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




প্রশাসনের দুর্বলতায় দুষ্কৃতকারীদের দৌরাত্ম্য: রিজভী

তৃণমূলে প্রশাসনের শিথিলতা ও দুর্বলতার কারণে সমাজে দুষ্কৃতকারীরা আশকারা পাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

শুক্রবার (১৪ মার্চ) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “বিগত ১৬ বছরে আওয়ামী দুঃশাসনের ফলে শান্তি ও সামাজিক সংহতি বিনষ্ট হয়েছে। দুর্বৃত্তায়নের বিস্তার ঘটিয়ে সমাজকে অস্থির করে তোলা হয়েছে।”

রিজভী অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে হত্যা, গুম, ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ নানা অপরাধ আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। তিনি বলেন, সম্প্রতি মাগুরায় ৮ বছর বয়সী শিশু আছিয়াকে ধর্ষণের পর তার মৃত্যু পুরো জাতিকে শোকাহত করেছে।

ন্যায়বিচারের দাবি
তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘ দুঃশাসনের কারণে মানবিকতা, ন্যায়বিচার ও নৈতিকতা হারিয়ে গেছে। প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা না হলে এই প্রবণতা আরও বাড়বে। অবিলম্বে সত্যিকারের আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে।”

বিএনপি নেতা জানান, দলটি “নিপীড়িত নারী ও শিশুদের আইনি এবং স্বাস্থ্য সহায়তা সেল” গঠন করেছে, যা দেশব্যাপী নির্যাতনের শিকার নারীদের সহায়তা দেবে।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম