হাদির কবর জিয়ারতে তারেক রহমান, আজিজ মার্কেটের সামনে অবস্থান ইনকিলাব মঞ্চের

শহিদ শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় যাচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসা থেকে তিনি কবর জিয়ারতের উদ্দেশে রওনা হন।

তারেক রহমানের এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে ইনকিলাব মঞ্চ। সংগঠনটি জানিয়েছে, হাদির কবর জিয়ারত উপলক্ষে তারা শাহবাগ মোড় ছেড়ে আজিজ সুপার মার্কেটের সামনে অবস্থান নিয়েছে।

শনিবার সকালে ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে জানানো হয়, ‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শহিদ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত উপলক্ষে ইনকিলাব মঞ্চ শাহবাগ মোড় থেকে ডানদিকে আজিজ সুপার মার্কেটের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে। দুপুর ১২টায় পুনরায় শাহবাগ মোড়ে শহিদ হাদি চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি চলবে।’

পোস্টে আরও বলা হয়, হাদির হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষকে শাহবাগের শহিদ হাদি চত্বরে উপস্থিত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এর আগে, শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) জুমার নামাজের পর থেকেই ওসমান হাদির হত্যার বিচার দাবিতে শাহবাগ এলাকায় অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে ইনকিলাব মঞ্চ। কনকনে শীত উপেক্ষা করেও রাতভর তারা সেখানে অবস্থান চালিয়ে যায়।

এদিকে তারেক রহমানের কবর জিয়ারত ও শাহবাগ এলাকায় চলমান অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিরাপত্তা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




আজ শহীদ হাদির কবর জিয়ারতে যাবেন তারেক রহমান

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :  আজ শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) বেলা ১১টায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র জুলাই বিপ্লবের অগ্রনি সৈনিক , ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী কন্ঠস্বর শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির কবর জিয়ারত করতে যাবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

আজ শনিবার সকালে বিএনপির ফেসবুক পেজে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এ সময় তার সঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের সিনিয়র নেতারা থাকবেন।

কবর জিয়ারত শেষে তারেক রহমান নির্বাচন কমিশনে গিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নিবন্ধন কার্যক্রমে অংশ নেবেন।

এরপর তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের খোঁজখবর নিতে রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতাল পরিদর্শনে যাবেন বলে জানানো হয়েছে।



আজ স্মৃতিসৌধে যাবেন তারেক রহমান

চন্দ্রদ্বীপ নিউজ :   মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও আত্মত্যাগকারীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে  বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে  যাবেন ।   এ উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে স্মৃতিসৌধের পুরো কমপ্লেক্স পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে। ঝাড়ু দেওয়া ছাড়াও লেকের পানি পরিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি স্মৃতিসৌধ এলাকায় বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে জেলা পুলিশ। এ সময় এক হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবেন।

বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্মৃতিসৌধ এলাকায় প্রস্তুতির কাজ চলমান রয়েছে। একই সঙ্গে সতর্ক অবস্থানে দায়িত্ব পালন করছেন পুলিশ সদস্যরা।

জাতীয় স্মৃতিসৌধের ইনচার্জ ও সাভার গণপূর্ত বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন খান আনু বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘদিন পর দেশে ফিরেছেন। আমরা জানতে পেরেছি, তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে আসবেন। এ কারণে আমরা আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। স্বাভাবিক দিনেও যেভাবে স্মৃতিসৌধ পরিচ্ছন্ন রাখা হয় এবং পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের জন্য প্রস্তুত করা হয়, সেভাবেই কাজ করা হচ্ছে। পাশাপাশি অতিথিরা যেসব এলাকা ব্যবহার করবেন, সেসব স্থান বিশেষভাবে পরিষ্কার করা হবে। প্রয়োজনে নির্দেশনা পেলে পুরো কমপ্লেক্সে সাধারণ মানুষের প্রবেশ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হতে পারে। নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।




তারেক রহমান এভারকেয়ারে পৌঁছে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং বেগম খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছে তাঁর মায়ের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও খোঁজখবর নেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে তিনি হাসপাতালে প্রবেশ করেন।

এর আগে বিকেল ৪টা ১৮ মিনিটে রাজধানীর পূর্বাচলের গণসংবর্ধনা মঞ্চ থেকে ১৫ মিনিটের বক্তব্য শেষে তিনি হাসপাতালের দিকে যাত্রা করেন। সরেজমিনে থাকা প্রতিবেদকরা জানিয়েছেন, নিরাপত্তার কারণে তিনি বুলেটপ্রুফ গাড়িতে রাস্তায় ছিলেন।

সংবর্ধনা মঞ্চে বক্তৃতা চলাকালীন তারেক রহমান বলেন, “সবার সঙ্গে মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ব, যা একজন মা দেখেন। অর্থাৎ একটি নিরাপদ বাংলাদেশ আমরা গড়ে তুলতে চাই। যেখানে একজন মানুষ নিরাপদে ঘর থেকে বের হতে পারে এবং ঘরে ফিরে আসতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের সময় এসেছে সকলে মিলে দেশ গড়ার। এ দেশে পাহাড়ের, সমতলের, মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান—সকলের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। যে কোনো নারী, পুরুষ বা শিশু যেন নিরাপদে বাইরে বের হতে পারে এবং ঘরে ফিরে আসতে পারে।”

বক্তৃতার শেষে তারেক রহমান জানান, “সবাই মিলে কাজ করব, গড়ব আমাদের বাংলাদেশ। আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞ।”

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




‘মহানবী (সা.)-এর দেখানো পথে দেশ পরিচালনা করব’: তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফিট সড়কের গণসংবর্ধনা মঞ্চে বক্তৃতা দিতে গিয়ে বলেন, “আল্লাহর দয়া ও মানুষের সমর্থন থাকলে আমরা প্রত্যাশিত দেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হব। আগামী দিনে মহানবী (সা.)-এর দেখানো পথে দেশ পরিচালনা করব।”

তিনি আরও বলেন, “আজ আমাদের সময় এসেছে সকলে মিলে দেশ গড়ার। পাহাড়-সমতল, হিন্দু-বৌদ্ধ-মুসলিম সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে। তরুণ নারী-পুরুষ ও কৃষকের প্রত্যাশা পূরণ করতে হলে ঐক্য অপরিহার্য।”

তারেক রহমান ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনা ও ১৯৯০ সালের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, “ওসমান হাদি চেয়েছিলেন এদেশের মানুষ অর্থনৈতিক অধিকার ফিরে পাক। যারা শহীদ হয়েছেন তাদের রক্তের ঋণ শোধ করতে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।”

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




মন হাসপাতালে মায়ের কাছে পড়ে আছে: তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর ৩০০ ফিট সড়কের গণসংবর্ধনা মঞ্চে বক্তৃতা দিতে গিয়ে বলেন, “এখন মঞ্চে আমি দাঁড়িয়ে আছি, কিন্তু মন পড়ে আছে হাসপাতালে মায়ের কাছে।”

তারেক রহমান আরও বলেন, “সন্তান হিসেবে আমি চাই, আল্লাহ মা খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা দান করুন। আমাদের সকলকে নিশ্চিত করতে হবে—ধর্ম, শ্রেণি বা রাজনৈতিক মত নির্বিশেষে—দেশের শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা আমাদের দায়িত্ব। প্রতিটি মানুষ, শিশু, নারী কিংবা পুরুষ যেন নিরাপদে থাকতে পারে।”

বক্তব্যের শেষে তিনি যোগ করেন, “সবাই মিলে কাজ করব, গড়ব আমাদের বাংলাদেশ।”

 

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




‘আল্লাহর কাছে শুকরিয়া, মাতৃভূমিতে ফিরে এসেছি’—তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) ১৭ বছর পর প্রথমবারের মতো মাতৃভূমিতে সরাসরি জনসভায় অংশ নিয়ে বললেন, “আল্লাহর কাছে শুকরিয়া, মাতৃভূমিতে আপনাদের মাঝে ফিরে আসতে পেরেছি।”

ঢাকার পূর্বাচলের জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে আয়োজিত গণসংবর্ধনা মঞ্চ থেকে তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “মানুষ গণতন্ত্র ফিরে পেতে চায়। সকলে মিলে দেশ গড়ার সুযোগ এসেছে। শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে এবং যেকোনো উসকানির মুখে দেশকে রক্ষা করতে হবে।”

তারেক রহমান আরও বলেন, “ওসমান হাদি চেয়েছিলেন মানুষের অর্থনৈতিক অধিকার ফিরুক। ৭১ সালের ও ২৪-এর শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করতে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। আমাদের সময় এসেছে সবাই মিলে নিরাপদ ও সমৃদ্ধ দেশ গড়ার।”

মঞ্চে তার সঙ্গে বিএনপির অন্যান্য নেতা-কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। তারেক রহমান বিমানবন্দর থেকে লাল-সবুজ রঙের বিশেষ গাড়িবহরে করে গণসংবর্ধনা মঞ্চে পৌঁছান এবং জনসাধারণের সঙ্গে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




‘আই হ্যাভ অ্যা প্লান’: তারেক রহমান

প্রত্যাশিত, শান্তিপূর্ণ ও জনগণের কল্যাণভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে নতুন ও সুস্পষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে আসার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর পূর্বাচলে আয়োজিত গণসংবর্ধনার মঞ্চে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।

বক্তব্যের এক পর্যায়ে বিশ্বখ্যাত মানবাধিকার নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের ঐতিহাসিক ভাষণের প্রতি ইঙ্গিত করে তারেক রহমান বলেন,
“বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন সদস্য হিসেবে আমি বলতে চাই— আই হ্যাভ অ্যা প্লান, ফর দ্য পিপল অব দিস কান্ট্রি।”

তিনি বলেন, এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা। তার ভাষায়, বাংলাদেশ এমন একটি দেশ হবে যেখানে মানুষের কথা বলার অধিকার থাকবে, মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।

তারেক রহমান আরও বলেন,
“আসুন, আমরা সবাই আল্লাহর দরবারে দোয়া করি—দেশের যে সকল জাতীয় নেতৃবৃন্দ আছেন, তারা যেন একসঙ্গে দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে জনগণের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারেন।”

বক্তব্যে তিনি দেশের আইনশৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। বলেন, যেকোনো পরিস্থিতিতে দেশের শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হতে হবে।
“যেকোনো উসকানির মুখেও আমাদের দেশকে রক্ষা করতে হবে। আমরা দেশের শান্তি চাই, দেশের শান্তি চাই, দেশের শান্তি চাই,”—তিনবার উচ্চারণ করে তিনি শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

তারেক রহমানের এই বক্তব্যে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে। অনেকেই মনে করছেন, এটি ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মপরিকল্পনা ও রাষ্ট্রচিন্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত, যা সামনে বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান ও দিকনির্দেশনায় বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

গণসংবর্ধনার পুরো পরিবেশ ছিল আবেগঘন ও উৎসবমুখর। লাখো নেতা-কর্মীর উপস্থিতিতে তারেক রহমানের বক্তব্য নতুন প্রত্যাশা ও রাজনৈতিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




‘আবারও সময় এসেছে সবাই মিলে দেশ গড়ার’ : তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বলেছেন, “আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি, লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছিল। আবারও সময় এসেছে সবাই মিলে দেশ গড়ার।”

বেলা ৩টা ৫০ মিনিটে গণসংবর্ধনা মঞ্চে উঠে বেলা ৩টা ৫৭ মিনিটে তিনি বক্তব্য শুরু করেন। শুরুতেই তিনি বলেন,
“প্রিয় বাংলাদেশ। এই দেশ সবার, সকল ধর্মের। আজ আমাদের সময় এসেছে সকলে মিলে দেশ গড়া। এ দেশে যেমন পাহাড়ের মানুষ আছে তেমনি সমতলের মানুষ আছে। সকলে মিলে আমরা একটা নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে চাই।”

বক্তব্যে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালে দেশের মানুষ স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, ২০২৪ সালে তেমনই সর্বস্তরের মানুষ একজোট হয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছে। আজ বাংলাদেশের মানুষ তাদের কথা বলার অধিকার এবং গণতন্ত্রের অধিকার ফিরে পেতে চায়।

তারেক রহমান বলেন, “আমাদের সময় এসেছে সকলে মিলে দেশ গড়ার। এ দেশে পাহাড়ের, সমতলের, মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই আছে। আমরা চাই এমন একটি বাংলাদেশ যেখানে একজন নারী, পুরুষ, শিশু যেই হোক না কেন, ঘর থেকে বের হলে নিরাপদে যেতে ও ফিরতে পারবে।”

মঞ্চে তার সঙ্গে বিএনপির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তিনি উপস্থিত নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান।

এর আগে তিনি রাজধানীর পূর্বাচলের গণসংবর্ধনাস্থলে পৌঁছান লাল-সবুজ রঙে সাজানো গাড়িবহরে। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গণসংবর্ধনাস্থল পর্যন্ত নেতা–কর্মী ও সমর্থকদের বিপুল উপস্থিতিতে উচ্ছ্বাসের পরিবেশ বিরাজ করেছিল।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫

 




গণসংবর্ধনা মঞ্চে দীপ্ত পায়ে উঠলেন তারেক রহমান

বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে লাল-সবুজের বাস থেকে নেমে দীপ্ত পায়ে হেঁটে গণসংবর্ধনা মঞ্চে উঠেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

মঞ্চে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই তিনি অপেক্ষমান লাখ লাখ নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশে হাত নেড়ে নিজের আগমনী বার্তা দেন। উপস্থিত জনতা তারেক রহমানকে দেখতে পেয়ে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন এবং ‘তারেক রহমান আসছে, বাংলাদেশ হাসছে’, ‘মা-মাটি ডাকছে, তারেক রহমান আসছে’ ইত্যাদি স্লোগান দিয়ে আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি করেন।

এ সময় বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী ও দলের উচ্চ পর্যায়ের নেতা ও কর্মীরা মঞ্চের পাশে উপস্থিত ছিলেন। গণসংবর্ধনা মঞ্চের রঙিন ব্যানার, ফেস্টুন এবং সাজানো রাস্তা রাজনৈতিক ঐক্য ও জনশক্তির প্রতিফলন ঘটিয়েছে।

তারেক রহমানের গণসংবর্ধনা মঞ্চে আগমন দেশবাসীর কাছে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে ধরা হচ্ছে, যা বিএনপির রাজনৈতিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ দিক নির্দেশনা দেবে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫