বরিশাল নদীবন্দরে নতুন রূপে সাজছে পন্টুন, কিন্তু টিকিট কাউন্টারে নেই ভিড়

ঈদুল ফিতরের আগে দক্ষিণাঞ্চলের ঘরমুখো যাত্রীদের যাত্রা আরও সহজ করতে নানা প্রস্তুতি চলছে বরিশাল নদীবন্দরে। পন্টুনগুলোর পুরানো অংশ মেরামত ও রং করার মাধ্যমে নতুন রূপে সাজানো হচ্ছে, তবে টিকিট কাউন্টারগুলো এখনও অনেকটাই ফাঁকা।
মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) দুপুরে বরিশাল নদীবন্দর এবং এর আশপাশের বিভিন্ন কাউন্টার ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। বরিশাল নদীবন্দরের পন্টুনগুলোতে বর্তমানে ঝালাই ও রঙের কাজ চলছে। শ্রমিকরা দিনের পর দিন মেরামত ও সাজসজ্জার কাজ করছেন। পন্টুনের এই নতুন রূপে ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থার প্রস্তুতি চলছে।

তবে, আকর্ষণীয় সজ্জা এবং শোভাময় পরিবেশ সত্ত্বেও, লঞ্চ টিকিট বিক্রির কোনো তেমন সাড়া মিলছে না। ঈদ উপলক্ষে আগাম টিকিট বিক্রির কাজ শুরু হলেও নগরীর অধিকাংশ টিকিট কাউন্টারই এখন ফাঁকা। মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত, টিকিট কাউন্টারে কর্মরত স্টাফরা অলস সময় পার করছেন, কারণ যাত্রীদের কোনো তেমন ভিড় নেই। তারা জানাচ্ছেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর থেকে যাত্রী সংখ্যা অনেকটাই কমে গেছে। এর আগে বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের যাত্রীরা ঢাকায় যাওয়ার জন্য লঞ্চের পথই বেছে নিতেন, কিন্তু এখন সেই চিরচেনা ভিড় আর দেখা যাচ্ছে না।

নদীবন্দরের পন্টুনে চলছে রঙের কাজ এবং মেরামতের পর, পন্টুনটি যাত্রীদের জন্য আরও নিরাপদ এবং সুবিধাজনক হবে, এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন কর্তৃপক্ষ। বরিশাল নদীবন্দরের কর্মকর্তা মোহাম্মদ শেখ সেলিম রেজা বলেন, “পন্টুনে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই মেরামত ও সাজসজ্জার কাজ চলছে। ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সজাগ থাকবেন।”

তবে, বর্তমানে টিকিট কাউন্টারগুলোতে আগের মতো ভিড় না থাকলেও, কর্তৃপক্ষ আশাবাদী যে ঈদের কাছাকাছি সময়ে লোকজন আসতে শুরু করবে। সুন্দরবন লঞ্চের কাউন্টার ইনচার্জ শাকিল ইসলাম জানিয়েছেন, “আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে টিকিট বিক্রি চলছে, কিন্তু এখন আগের মতো সেই চাপ নেই।”

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




নৌকা প্রতীকে নিবন্ধন চেয়ে ইসিতে আবেদন




বাংলাদেশে এখনো ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা যায়নি




কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধ’র্ষ’ণ ও হ’ত্যা: তিনজনের মৃ’ত্যুদ’ণ্ড

ঢাকার কেরানীগঞ্জে মারিয়া নামে এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে তিনজনের মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছে আদালত। মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) সকালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

দোষী সাব্যস্ত তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি মরদেহ গুমের অভিযোগে সাত বছর করে কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে সন্দেহাতীতভাবে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় আলী আকবর ও মো. রিয়াজ নামের দুই আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

২০২২ সালের ১১ জুন সকালে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার আঁটিবাজার এলাকায় টহল পুলিশের কাছে জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বর থেকে একটি কল আসে। এতে জানানো হয়, পশ্চিম বামনসুর জামে মসজিদের পাশের একটি পুকুরে তরুণী মরদেহ ভাসছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং তদন্ত শুরু করে।

মরদেহের পরিচয় শনাক্তের পর জানা যায়, এটি মারিয়া নামের এক কিশোরীর লাশ। মামলার তদন্তে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। ভুক্তভোগীর বান্ধবী বৃষ্টি আক্তার আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে জানান, নিহত তরুণী তার বান্ধবী ছিল।

ঘটনার পরপরই সন্দেহভাজন শাওনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে সে দোষ স্বীকার করে জানায়, তার সঙ্গে মো. রাকিব, মো. সজীব ও আরও দুজন মিলে মারিয়াকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে মরদেহ পানিতে ফেলে দেয় তারা।

পরে রাকিব ও সজীবকেও গ্রেফতার করা হয়। তারা আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে শাওনের দেওয়া তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে।

কেরানীগঞ্জ মডেল থানার সাব-ইন্সপেক্টর অলক কুমার দে মামলাটি তদন্ত করে ২০২৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পাঁচজনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। পরে চার্জগঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল মামলার বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং ১৯ জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে। সকল তথ্য-প্রমাণ ও সাক্ষ্য বিশ্লেষণ করে আদালত তিনজনের মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এরশাদ আলম (জর্জ) জানান, “এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এটি সমাজে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।”

এদিকে, নিহত কিশোরীর পরিবার দ্রুত রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছে।

এই রায়ের মাধ্যমে ধর্ষণ ও হত্যার মতো জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা দেওয়া হলো। তবে সচেতনতা ও কঠোর নজরদারি ছাড়া এ ধরনের অপরাধ পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব নয় বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ঐতিহ্যের সাক্ষী মজিদবাড়িয়া শাহি মসজিদ বিলীনের পথে!

দক্ষিণাঞ্চলের প্রাচীন মুসলিম স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন পটুয়াখালীর মজিদবাড়িয়া শাহি মসজিদ আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। প্রায় সাড়ে ৫০০ বছর আগে সুলতানি আমলে নির্মিত এই মসজিদটি অবহেলা ও সংস্কারের অভাবে ক্রমশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবির পরও এখন পর্যন্ত স্থায়ী সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মসজিদবাড়িয়া গ্রামে অবস্থিত এই শাহি মসজিদটি ১৪৬৫ সালে সুলতান রুকনুদ্দীন শাহ নির্মাণ করেন বলে জানা যায়। এটি এক গম্বুজবিশিষ্ট একটি মসজিদ, যার স্থাপত্যশৈলী অসাধারণ। মসজিদটিতে তিনটি কারুকার্যখচিত মেহরাব, পূর্বদিকে তিনটি খিলান পথ, ছয়টি আটকোণা মিনার ও সুদৃশ্য পিলার রয়েছে। বারান্দাযুক্ত এই মসজিদের পূর্ব, উত্তর ও দক্ষিণ পাশে দুটি করে জানালা রয়েছে। মসজিদের সংলগ্ন দীঘিটি মুসল্লিদের অজু ও গোসলের জন্য ব্যবহৃত হতো। মসজিদের পাশে অবস্থিত দুটি কবর পরগনার শাসক ইয়াকিন শাহ ও কালা শাহের বলে ধারণা করা হয়।

প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের তালিকাভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে মসজিদটির সংস্কারে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। মসজিদের দেয়াল, পিলার ও জানালার কাঠামো ক্ষয়ে যাচ্ছে, অনেক স্থানে ফাটল ধরেছে। এলাকাবাসীরা বহুবার সংস্কারের দাবি জানালেও এটি উপেক্ষিত রয়ে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আবুল বাশার বলেন, “যদি এখনই সংস্কার করা না হয়, তাহলে আমাদের ঐতিহাসিক মসজিদটি ধ্বংস হয়ে যাবে।”

প্রবীণ বাসিন্দা শামসুল গাজি বলেন, “ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি মসজিদটি সংস্কার করা হবে। কিন্তু এখনো কোনো স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।”

প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের খুলনা ও বরিশাল বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক লাভলী ইয়াসমিন জানান, “আমরা প্রতিবছর কিছু সংস্কার কাজ করি, তবে মসজিদের বড় ক্ষতি হয়ে থাকলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফিন বলেন, “মসজিদটি আমাদের ঐতিহ্যের অংশ। প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে এর সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত এই মসজিদটি পূর্ণাঙ্গভাবে সংস্কার করা হোক, যাতে এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষিত থাকে। সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগই পারে এই ঐতিহাসিক স্থাপনাকে রক্ষা করতে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



সন্দ্বীপকে নৌবন্দর ঘোষণার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার

সন্দ্বীপকে নৌবন্দর ঘোষণার উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সোমবার (২৪ মার্চ) দুপুরে সন্দ্বীপ উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে ফেরি সার্ভিসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ কথা জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “সন্দ্বীপকে নৌবন্দর ঘোষণা, কুমিরা-গুপ্তছড়া ঘাট উন্মুক্ত, ঢাকা থেকে সরাসরি বাস চালু, ফেরিঘাট এলাকায় সংযোগ সড়ক নির্মাণ ও নৌপথে নিয়মিত ড্রেজিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, এসব উদ্যোগ সন্দ্বীপবাসীর দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমিয়ে আনবে এবং সন্দ্বীপ দেশের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, “স্বাধীনতার ৫০ বছর পার হলেও সন্দ্বীপের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। এতদিন মানুষকে মধ্যযুগীয় ভোগান্তি সহ্য করতে হয়েছে।” তবে ফেরি সার্ভিস চালুর মাধ্যমে এ অঞ্চলের মানুষ সেই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ড. ইউনূস বলেন, “সন্দ্বীপের মানুষ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে আছে, বিশেষ করে নিউইয়র্কে। এতদিন তারা দেশ আসতে ভয় পেত, যোগাযোগব্যবস্থা ছিল অনিরাপদ। এখন সন্দ্বীপ শুধু বসবাসের জন্য নয়, পর্যটন ও বিনিয়োগের জন্যও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।” তিনি সন্দ্বীপবাসীদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আপনারা যে রেমিট্যান্স পাঠান, তার একটি অংশও যদি সন্দ্বীপের উন্নয়নে খরচ করেন, তবে দ্বীপের চেহারা পাল্টে যাবে।”

এদিন গুপ্তছড়া জেটিঘাটে ফেরি সার্ভিসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নৌপরিবহন উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেন। এর আগে উপদেষ্টাদের বহনকারী ফেরি ‘কপোতাক্ষ’ সীতাকুণ্ড উপজেলার বাঁশবাড়িয়া থেকে সন্দ্বীপের গুপ্তছড়া প্রান্তে পৌঁছায়।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন—
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান
পানিসম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম (বীরপ্রতীক)
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

সন্দ্বীপের যোগাযোগব্যবস্থার এই উন্নয়ন দ্বীপের মানুষদের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে এবং বাণিজ্যিক ও পর্যটনখাতকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।


মো. আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




নজরুল ইসলাম খান রাজনকে ঘিরে উজ্জীবিত বরিশাল বিএনপি

জাকির নেগাবান ও এস এল টি তুহিন, বরিশাল :: বরিশাল বিএনপির রাজনীতিতে নতুন প্রাণ সঞ্চার করেছেন দলের অভিজ্ঞ, ত্যাগী ও গঠনমূলক নেতৃত্বের প্রতীক অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম খান রাজন। দীর্ঘদিন প্রবাসে চিকিৎসা ও রাজনৈতিক নির্বাসনের পর দেশে ফিরে তিনি নতুনভাবে সংগঠনের কাজে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। তার প্রত্যাবর্তন বরিশাল বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে দলীয় কোন্দল, নেতৃত্ব সংকট ও সাংগঠনিক দুর্বলতার সময় তার সক্রিয় অংশগ্রহণ নেতাকর্মীদের মধ্যে চাঙ্গাভাব এনে দিয়েছে।

বরিশাল বিএনপির শক্তিশালী সাংগঠনিক ভূমিকা :: ২০০৩ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বরিশাল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম খান রাজন। এরপর ২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব পালনের সময় তিনি তার সাংগঠনিক দক্ষতা ও কর্মীদের প্রতি দায়বদ্ধতার কারণে বরিশাল বিএনপির অন্যতম জনপ্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

বর্তমানে বরিশাল বিএনপিতে নেতৃত্ব সংকট কাটিয়ে সংগঠনকে গতিশীল করার প্রয়াসে তিনি ফের মাঠে সক্রিয় হয়েছেন। তার নেতৃত্বে বরিশাল বিএনপি নতুন করে উজ্জীবিত হচ্ছে এবং দলীয় কর্মসূচিগুলোতে ব্যাপক অংশগ্রহণ দেখা যাচ্ছে।

বিএনপি নেতাকর্মীদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ :: বরিশালে ফেরার পর থেকেই বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম খান রাজনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও বৈঠকে মিলিত হচ্ছেন। সম্প্রতি বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা তার সাথে সাক্ষাৎ করেছেন।

শনিবার (২২ মার্চ) রাত ৯টায় নগরীর স্ব-রোডের বাসভবনে বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা তার সাথে সাক্ষাৎ করেন। এসময় তারা দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।

রাজন কর্মীদের আশ্বস্ত করে বলেন,দলীয় কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। সংগঠনকে শক্তিশালী করতে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। আমি আপনাদের পাশে আছি এবং থাকব।

দলীয় অভ্যন্তরীণ সংকটের বিরুদ্ধে অবস্থান::
গত ১৬ মার্চ বরিশাল জেলা বিএনপির (দক্ষিণ) পকেট কমিটি গঠনের প্রতিবাদে নজরুল ইসলাম খান রাজনের নেতৃত্বে একাংশ নেতাকর্মী নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে এই মিছিল বরিশাল ক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এসময় ক্লাব মিলনায়তনে বিএনপির বিভাগীয় মতবিনিময় সভা চলছিল। সভায় উপস্থিত বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও বরিশাল বিভাগীয় টিম প্রধান আবদুল আউয়াল মিন্টুর কাছে বিক্ষোভকারীরা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে কমিটি গঠনের দাবি জানান।

বিক্ষোভের পর সাংবাদিকদের দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় নজরুল ইসলাম খান রাজন বলেন,বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নেতৃত্ব নির্বাচন হয়ে আসছে। কিন্তু এখন কিছু নেতা দলীয় গণতান্ত্রিক চর্চা ব্যাহত করতে চাচ্ছে। আমরা এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছি এবং কেন্দ্রীয় নেতাদের বিষয়টি জানিয়েছি। কেন্দ্রও গণতান্ত্রিক পদ্ধতির নিশ্চয়তা দিয়েছে। অনিয়ম হলে আমরা কঠোর আন্দোলনে যাবো।

একাধিক দলীয় সূত্র জানিয়েছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসন থেকে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের জন্য মনোনয়নপ্রত্যাশী নজরুল ইসলাম খান রাজন।

এই আসনে মনোনয়ন পেতে দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক সাংসদ আবুল হোসেন খানও দৌঁড়ঝাঁপ চালাচ্ছেন। তবে রাজন বরিশাল বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে বেশি গ্রহণযোগ্য বলে মনে করা হচ্ছে। তার সাংগঠনিক দক্ষতা ও জনপ্রিয়তা তাকে এই আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে রাখছে।

রাজনৈতিক হামলা ও ফিরে আসার সংগ্রাম::
২০১১ সালের ১১ মে ভোলায় বিএনপির সমাবেশ শেষে বরিশাল ফেরার পথে চরকাউয়া ফেরীতে আকস্মিক হামলার শিকার হন নজরুল ইসলাম খান রাজন।

হামলাকারীরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে চোখ উৎপাটনের চেষ্টা করে। রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়।

দীর্ঘ একযুগ পর ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে তিনি দেশে ফেরেন এবং ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির মহাসমাবেশে মিছিল নিয়ে যোগ দেন। এরপর ১৮ ডিসেম্বর বরিশাল সদর উপজেলার চন্দ্রমোহন ইউনিয়নের টুমচর গ্রামে নিজ বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে বাবার কবর জিয়ারত করেন।

বর্তমানে নজরুল ইসলাম খান রাজনের নেতৃত্বে বরিশাল বিএনপি ঐক্যবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি দলের ত্যাগী ও বঞ্চিত নেতাকর্মীদের একত্রিত করে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ করছেন। বরিশালে তার ফিরে আসা বিএনপির জন্য এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে বলে মনে করছেন দলীয় নেতাকর্মীরা।

বরিশাল অফিস /এসএলটি




জরুরি অবস্থা জারির গুজব, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব নাসিমুল গনি জানিয়েছেন, দেশে জরুরি অবস্থা জারির গুজব ছড়ানো হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মনিটরিং ও পেট্রোলিং ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে অবৈধ অভিবাসী প্রত্যাবর্তন সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক (এসওপি) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্র সচিব এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন:
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা (অবসরপ্রাপ্ত) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী
অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল
বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা

স্বরাষ্ট্র সচিব জানান, বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অভিবাসন রোধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, “অনেকেই দালালের মাধ্যমে ঘরবাড়ি ও জমি বিক্রি করে অস্ট্রেলিয়ায় অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এটি ঠেকাতে সরকার সক্রিয় হয়েছে এবং অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে এসওপি স্বাক্ষর করেছে।”

অস্ট্রেলিয়ায় ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সহজ করতে ঢাকায় একটি ভিসা সেন্টার চালুর পরিকল্পনা করছে দেশটি। তবে, অস্ট্রেলিয়ার ডিটেনশন সেন্টারে কতজন বাংলাদেশি রয়েছেন, সে বিষয়ে তথ্য প্রকাশ করেননি স্বরাষ্ট্র সচিব।

ঈদ উপলক্ষে সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জরুরি অবস্থা জারির গুজব নাকচ করে তিনি বলেন, “ঈদের সময় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।”


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া এসওপি চুক্তি: অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার রোধে নতুন মাইলফলক

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) স্বাক্ষরিত হয়েছে, যা দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও অংশীদারিত্ব জোরদার করার পাশাপাশি অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, এই চুক্তি বাংলাদেশের চলমান প্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক যা নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও বৈধ অভিবাসনের নীতিকে শক্তিশালী করবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম এবং অস্ট্রেলিয়ার সীমান্ত বাহিনীর কমান্ডার মার্ক হোয়াইটচার্চ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার শুধু ব্যক্তিগত জীবনকে বিপন্ন করে না, বরং বৈধ অভিবাসন চ্যানেলগুলোর জন্যও হুমকি তৈরি করে। বাংলাদেশ সরকার এই সমস্যার সমাধানে অঙ্গীকারবদ্ধ।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করছি, যাতে প্রতিটি নাগরিকের জন্য নিরাপদ ও সম্মানজনক অভিবাসন নিশ্চিত করা যায়।”

ঢাকায় অস্ট্রেলিয়ার ভিসা আবেদন প্রক্রিয়াকরণ চালুর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অস্ট্রেলিয়া সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “এতে বাংলাদেশি নাগরিকরা দ্রুত ও সহজে ভিসা পেতে পারবেন।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গনি এবং ঢাকায় অস্ট্রেলিয়ার হাই কমিশনার সুসান রাইল।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “আসুন আমরা একসঙ্গে কাজ করি, যাতে অভিবাসন হয় নিরাপদ, বৈধ ও সকলের জন্য কল্যাণকর।”


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে ব্যাপক প্রস্তুতি

আগামী ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্যাপনের লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

ঢাকাসহ সারাদেশে প্রত্যুষে একত্রিশবার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হবে। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এরপর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টার নেতৃত্বে বীরশ্রেষ্ঠ পরিবারের সদস্য, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বীর মুক্তিযোদ্ধারা শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। বিদেশি কূটনীতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের জনগণও স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।

জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও স্থানীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, ছাত্র-ছাত্রীদের সমাবেশ ও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হবে। তবে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসে কোনো আলোকসজ্জা করা যাবে না।

দেশের প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপসমূহ জাতীয় পতাকা ও অন্যান্য পতাকায় সজ্জিত করা হবে। দিবসটি উপলক্ষে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা বিশেষ বাণী প্রদান করবেন। সংবাদপত্রসমূহ বিশেষ ক্রোড়পত্র, নিবন্ধ ও সাহিত্য সাময়িকী প্রকাশ করবে। ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় মাসব্যাপী মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অনুষ্ঠান প্রচার করা হবে।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, বাংলা একাডেমি, জাতীয় জাদুঘর, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, বাংলাদেশ শিশু একাডেমিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শিশুদের চিত্রাঙ্কন, রচনা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, প্রামাণ্যচিত্র ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনের আয়োজন করবে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ফুটবল, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট, কাবাডি, হাডুডু ইত্যাদি খেলার আয়োজন করা হবে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান করা হবে। বাংলাদেশ ডাক বিভাগ স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করবে। দেশের মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির জন্য বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। হাসপাতাল, জেলখানা, শিশু পরিবার, বৃদ্ধাশ্রম ও পথশিশুদের জন্য বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হবে।

সকল শিশুপার্ক ও জাদুঘর বিনামূল্যে উন্মুক্ত থাকবে। চট্টগ্রাম, খুলনা, মোংলা, পায়রা বন্দর, ঢাকার সদরঘাট, নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল ও চাঁদপুরে নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের জাহাজ জনসাধারণের পরিদর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসেও দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে অনুরূপ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম