দেশবাসীকে ড. ইউনূসের ঈদের শুভেচ্ছা বার্তা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
রোববার (৩০ মার্চ) এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি ঈদের জামাতে দলমত নির্বিশেষ সবাই যেন পরাজিত শক্তির সব প্ররোচনা সত্ত্বেও সুদুঢ়ভাবে ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারে, সেজন্য সবাইকে দোয়া করার আহ্বান জানিয়েছেন।

দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরে শুভেচ্ছা জানিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতরে সবাইকে জানাই ঈদের শুভেচ্ছা। ঈদের পরিবার-পরিজনকে নিয়ে নির্বিঘ্নে আনন্দ সহকারে নিজ নিজ বাড়ি যাবেন। আত্মীয়-স্বজনদের কবর জিয়ারত করবেন। গরিব পরিবারের খোঁজ খবর নেবেন। তাদের ভবিষ্যৎ ভালো করার জন্য চিন্তা-ভাবনা করবেন। আপনার সন্তানদের সঙ্গে তাদের পরিচয় করিয়ে দেবেন। এই কামনা করছি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ঈদের জামাতে দলমত নির্বিশেষ সবাই যেন পরাজিত শক্তির সব প্ররোচনা সত্ত্বেও সুদুঢ়ভাবে ঐক্যবদ্ধ থাকি, সেজন্য আল্লাহর কাছে মোনাজাত করবেন, এই আহ্বান জানাচ্ছি। সবার জীবন সার্থক হোক আনন্দময় হোক। মহান আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।




পটুয়াখালীর ৩৫ গ্রামে আগাম ঈদ উদযাপন

পটুয়াখালীর ৩৫টি গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আজ ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন। সদর উপজেলার বদরপুর গ্রামসহ জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে আগাম ঈদ পালনের এই ঐতিহ্য বহু দশক ধরে চলে আসছে। বদরপুর দরবার শরীফে সকাল ৯টায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ইমামতি করেন দরবার শরীফের সেজ পীর সাহেব কেবলা শাহ সুফি সৈয়দ আরিফ বিল্লাহ্ রব্বানী।

এর পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন স্থানে সৌদির সঙ্গে মিল রেখে রোজা রাখা মুসল্লিরা ঈদের নামাজ আদায় করেন। গলাচিপার সেনের হাওলা, পশুরী বুনিয়া, নিজ হাওলা, কানকুনি পারা, মৌডুবি, বাউফলের মদনপুরা, রাজনগর, বগা, ধাউরাভাঙ্গা, সুরদি, চন্দ্রপাড়া, দ্বিপাশা, শাপলা খালী, কনকদিয়া, আমিরাবাদ, কলাপাড়ার নিশানবাড়িয়া, ইটবাড়ীয়া, শহরের নাঈয়া পট্টি, টিয়াখালী, তেগাছিয়া ও দক্ষিণ দেবপুরসহ বিভিন্ন গ্রামের মানুষ আজ ঈদ উদযাপন করছেন।

বদরপুর দরবার শরীফের খাদেম মো. নাজমুল হোসেন জানান, ১৯২৮ সাল থেকে এই অঞ্চলের মানুষ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা রাখা ও ঈদ উদযাপন শুরু করে আসছেন। সেই ঐতিহ্য অনুসরণে এবারও তারা একদিন আগেই ঈদুল ফিতর পালন করছেন।

স্থানীয়দের মতে, এই এলাকার মুসল্লিরা হানাফি মাজহাব অনুসরণ করলেও তারা কাদেরিয়া তরিকার ভক্ত। তাঁদের বর্তমান পীর হিসেবে পরিচিত চন্দনাইশ উপজেলার হযরত শাহ সুফি মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মমতাজ আলী, যারা ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সংস্কারের ধারাকে অব্যাহত রেখেছেন।

রবিবার (৩০ মার্চ) সকাল পৌনে নয়টায় কলাপাড়ার ধানখালী ইউনিয়নের উত্তর নিশানবাড়িয়া জাহাগিরিয়া শাহ্সূফি মমতাজিয়া দরবার শরীফ মাঠে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া, জেলার সদর, কলাপাড়া, রাঙ্গাবালি, গলাচিপা, দুমকি ও বাউফল উপজেলাসহ মোট ৩৫টি গ্রামে ঈদের নামাজ আদায় ও উৎসবের আয়োজন করা হয়। সকালে শুরু থেকে এসব গ্রামে রঙিন সাজে সেজে থাকা হোটেল ও রিসোর্ট, অতিথিদের মিষ্টান্ন ও বিভিন্ন পিঠাপুলে পরিবেশন করে উৎসবের আমেজ ফিরিয়ে আনা হয়।

স্থানীয়রা আরও জানান, “আমরা পৃথিবীর যে কোন স্থানে চাঁদ দেখার সঙ্গে সঙ্গে ঈদ পালন করি। এবছরও নামাজের পর বিশেষ মোনাজাতে সবাই সবার জন্য দোয়া করেছি।” পটুয়াখালীর বদরপুর দরবার শরীফে নামাজ আদায় করতে আসা ফরিদ হোসেন বলেন, “ইউরোপ, আমেরিকাসহ পৃথিবীর যে কোন দেশে চাঁদ দেখা গেলেই আমরা ঈদ উদযাপন করি। এবছরও আমরা উৎসবের মধ্য দিয়ে ঈদ পালন করেছি।”

উত্তর নিশানবাড়িয়া জাহাগিরিয়া শাহ্সূফি মমতাজিয়া দরবার শরীফের পরিচালক নিজাম বিশ্বাস বলেন, “প্রতিবছরের মতো এবছরও সৌদির সঙ্গে মিল রেখে ঈদের নামাজ আদায় করেছি। গতকাল রাত দশটার দিকে চট্টগ্রামের দরবার শরীফ থেকে জানানোর পর ঈদ উদযাপনের প্রস্তুতি নিয়েছি। নামাজ শেষে দেশ ও উম্মাহর শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়েছে এবং হাজারো মানুষ এতে অংশ নিয়েছেন।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




চীন সফর শেষে দেশে পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : চার দিনের সরকারি সফর শেষে চীন থেকে দেশে পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

শনিবার (২৯ মার্চ) রাত ৮টা ১০ মিনিটে তাকে বহনকারী ফ্লাইটটি রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এর আগে বিকেল ৩টায় চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের বিশেষ একটি ফ্লাইটে বেইজিং ক্যাপিটাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন প্রধান উপদেষ্টা।

চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের প্রধান প্রটোকল অফিসার এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহকারী মন্ত্রী হং লেই বেইজিং ক্যাপিটাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার ঐতিহাসিক চার দিনের সরকারি চীন সফরের সমাপ্তিতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে বিদায় জানান।




কুয়াকাটায় ঈদে পর্যটকদের বরণে প্রস্তুত হোটেল ও সৈকত

এবারের পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটিতে দেশে টানা ৯ দিনের ছুটির ঘোষণা করা হয়েছে। এই দীর্ঘ ছুটিতে প্রতিবছরের মতো এবারও দেশজুড়ে পর্যটকদের আগমন হতে চলেছে, বিশেষ করে কুয়াকাটায়। কুয়াকাটা, যার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং সমুদ্র সৈকতের জন্য বিখ্যাত, এবার ঈদের আনন্দে মেতে উঠবে হাজার হাজার পর্যটক।

কুয়াকাটায় ইতোমধ্যে পর্যটকদের জন্য অগ্রিম হোটেল বুকিং শুরু হয়ে গেছে। জানা গেছে, প্রথম শ্রেণির হোটেলগুলোর প্রায় ৫০-৬০ শতাংশ কক্ষ অগ্রিম ভাড়া হয়ে গেছে এবং দ্বিতীয় শ্রেণির হোটেলগুলোর ৩০-৪০ শতাংশ কক্ষও ভাড়া হয়ে গেছে। পর্যটকদের নিরাপত্তা, সুরক্ষা এবং সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন স্টেক হোল্ডার, ১৬টি পেশার প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধি এবং ট্যুরিস্ট পুলিশের মধ্যে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

হোটেল ও মোটেলগুলোর সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। রঙিন সাজে সজ্জিত করা হচ্ছে হোটেল ও রিসোর্ট, যাতায়াতের রাস্তা সৌন্দর্যমণ্ডিত করা হয়েছে এবং প্রতিটি আবাসিক হোটেল পর্যটক আকর্ষণের প্রতিযোগিতায় মেতে উঠেছে। কুয়াকাটা ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার সেক্রেটারি জেনারেল জহিরুল ইসলাম জানান, রমজান মাসে কুয়াকাটা ছিল পর্যটকশূন্য, তবে এখন পর্যটক আগমনের জন্য তারা প্রস্তুত। তিনি আশা করেন, ঈদের ছুটিতে বিপুলসংখ্যক পর্যটক কুয়াকাটায় আসবে।

কুয়াকাটার সিকদার রিসোর্ট অ্যান্ড ভিলার এজিএম আল-আমিন খান উজ্জ্বল জানান, তাদের রিসোর্টে ঈদ ছুটিকে কেন্দ্র করে রুম বুকিংয়ের জন্য ফোন আসছে, এবং ইতোমধ্যে ৬০ শতাংশ কক্ষ বুক হয়ে গেছে। তিনি আরো বলেন, তারা আশা করছেন, বাকি দিনগুলিতে পুরোপুরি বুকিং হয়ে যাবে এবং পর্যটকদের জন্য সর্বোচ্চ সেবা প্রদান করবেন।

এদিকে, কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম জানান, ঈদের সময়ে বাড়তি পর্যটকের আগমনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তার ব্যবস্থা ইতোমধ্যে সুনিশ্চিত করা হয়েছে। নিয়মিত নিরাপত্তা বাহিনীর পাশাপাশি অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট এবং স্কাউট টিম সদস্যরা সৈকত এবং রিসোর্ট এলাকাগুলোর নিরাপত্তায় কাজ করবে।

এ বিষয়ে ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের ইনচার্জ শাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, ঈদের ছুটিতে পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য নানা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তারা লেম্বুর বন থেকে রামনাবাদ চ্যানেল পর্যন্ত বিচ্ছিন্নভাবে বিভিন্ন টিমের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। তিনি আরো বলেন, জল ও স্থলপথে সার্বক্ষণিক পর্যটকদের সেবায় নিয়োজিত থাকবেন ট্যুরিস্ট পুলিশ।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



কিছু ছাত্র প্রশাসনের ওপর প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছে: নুর

গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেছেন, “এক সময় ছাত্ররা ন্যায়বিচার ও রাজনৈতিক সচেতনতার জন্য লড়াই করত, কিন্তু এখন কিছু ছাত্র প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে (ইউএনও অফিস, ডিসি অফিস, এসপি অফিস ও থানা) অনৈতিক আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছে, যা দুঃখজনক।”

শনিবার (২৯ মার্চ) বিকেলে গলাচিপা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গণঅধিকার পরিষদ গলাচিপা উপজেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

নুরুল হক নুর বলেন, “একসময় ছাত্ররা বৈষম্যের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করত, কিন্তু বর্তমানে আন্দোলনের নেতারা রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। এটি আগে সবার জন্য একটি মুক্ত প্ল্যাটফর্ম ছিল, কিন্তু এখন স্বার্থান্বেষীরা দলীয় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ছে।”

তিনি আরও বলেন, “২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে প্রতিবাদী চেতনা সৃষ্টি হয়েছিল, তার ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থান সম্ভব হয়েছে। জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো গণআন্দোলন সফল হতে পারে না।”

নুর বলেন, “মেধাবীরা রাজনীতিতে সক্রিয় না থাকায় দুর্বৃত্তরা আধিপত্য বিস্তার করছে। ফলে সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের অভাব দেখা দিচ্ছে। মেধাবীদের রাজনীতিতে আসা উচিত, যাতে ন্যায় ও সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।”

তিনি বলেন, “আমি পটুয়াখালী-৩ আসন থেকে সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে চাই। জনগণের সমর্থন পেলে সংসদে গিয়ে তাদের অধিকার রক্ষায় কাজ করব।”

তিনি জানান, “গলাচিপার রামনাবাদ নদীর ব্রিজ বাতিল হওয়ার পথে ছিল। তবে যথাযথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে এটি পুনরায় টেন্ডার করা হয়েছে। আশা করি শিগগিরই এর নির্মাণকাজ শুরু হবে।”

ইফতার মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা শাখার আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের পটুয়াখালী জেলা কমিটির আহ্বায়ক মো. সৈয়দ নজরুল ইসলাম লিটন, সদস্য সচিব মো. শাহআলম, উপজেলা শাখার সদস্য সচিব মো. জাকির হোসেন মুন্সি, জেলা যুব অধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি মহিবুল্লাহ এনিম ও কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি আবু নাঈম।

গণঅধিকার পরিষদ, যুব অধিকার পরিষদ, শ্রমিক অধিকার পরিষদ ও ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা এই মাহফিলে অংশ নেন। ইফতারে প্রায় ৩ হাজার মানুষের জন্য খাবারের আয়োজন করা হয়।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দুমকিতে শহীদ বীর পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (ZRF) উদ্যোগে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে পটুয়াখালী জেলার দুমকি উপজেলায় শহীদ বীর পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে। এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয় ZRF এর প্রেসিডেন্ট জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনায়, যেখানে ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিমের তত্ত্বাবধানে ঈদ উপহার বিতরণ কর্মসূচির আহবায়ক কৃষিবিদ আনোয়ারুল নবী মজুমদার বাবলা, সদস্য সচিব ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন ও অন্যান্য সহযোগীদের উপস্থিতিতে এ কাজ সম্পন্ন হয়।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের বরিশাল বিভাগের মনিটর অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ। তিনি দুমকি উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের ঝাটারা নিবাসী শহীদ মোহাম্মদ মিলন হাওলাদার এবং পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের আলগী নিবাসী শহীদ মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন এর পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী প্রদান করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, ডা. মো. মহিবুল্লাহ্ রুবেল, এটিএম সাইফুদ্দিন হীরা, জাকারিয়া আহমেদ, জাহিদুল ইসলাম রাতুল, খালিদ রাফি, সুমন শরীফ, সৈয়দ রিয়াদ, মো. রেজওয়ান ইসলাম রামিমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এটি একটি মহৎ উদ্যোগের অংশ হিসেবে শহীদ বীর পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা ও সমর্থন জানিয়ে তাদের ঈদ উপহার দেওয়া হয়। ZRF-এর এই উদ্যোগের মাধ্যমে তারা শহীদ বীর পরিবারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং ঈদ আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার লক্ষ্যে একটি সুন্দর পদক্ষেপ নিয়েছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



বিশ্বকে বদলে দিতে বড় কিছু করার স্বপ্ন দেখার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস চীনের পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে একটি বিশেষ ভাষণ দিয়েছেন, যেখানে তিনি বিশ্বকে বদলে দিতে বড় কিছু করার স্বপ্ন দেখার আহ্বান জানিয়েছেন।

আজ শনিবার বেইজিংয়ে পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “একটি বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শুধু শেখার জায়গা নয়, এটি স্বপ্ন দেখারও জায়গা।” তিনি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন দেখতে উৎসাহিত করে বলেন, “আপনি যদি স্বপ্ন দেখেন, তবে তা ঘটবেই। আপনি যদি স্বপ্ন না দেখেন, তবে তা কখনও ঘটবে না।”

অধ্যাপক ইউনূস শিক্ষার্থীদের অতীতের দিকে তাকিয়ে স্বপ্ন দেখার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং বলেন, “যা কিছু ঘটেছে, কেউ না কেউ আগে তা কল্পনা করেছিল।” তিনি কল্পনার শক্তি নিয়ে বলেন, “কল্পনা যে কোনো কিছু থেকে বেশি শক্তিশালী।”

তিনি শিক্ষার্থীদের এমন বিষয় নিয়ে স্বপ্ন দেখার আহ্বান জানান, যেগুলো অনেক সময় অসম্ভব মনে হতে পারে। তিনি বলেন, “মানবসভ্যতার যাত্রা হলো অসম্ভবকে সম্ভব করা। সেটাই আমাদের কাজ। আর আমরাই তা করতে পারি।”

এই অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে পিকিং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করা হয়। পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের কাউন্সিলের সভাপতি হে গুয়াংচাই এবং প্রেসিডেন্ট গং চিহুয়াংও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

প্রধান উপদেষ্টা তাঁর ভাষণে বলেন, “পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়কে আমি নিজের ঘর মনে করি, কারণ আমি এখানে সম্মানসূচক অধ্যাপক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছি।” তিনি আরও বলেন, “এমন একটি মর্যাদাপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি গ্রহণ করতে পেরে আমি গর্বিত।”

অধ্যাপক ইউনূস তাঁর সরকারের সংস্কার কর্মসূচি তুলে ধরে বলেন, একটি গণতান্ত্রিক ও স্থিতিশীল বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, যেখানে উদ্যোক্তা বিকাশকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে এবং সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, “মানুষ জন্মগতভাবে দরিদ্র নয়, বরং ভুল অর্থনৈতিক ব্যবস্থার কারণে দরিদ্র হয়ে পড়ে, যেখানে সবার জন্য সমান সুযোগ থাকে না।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হওয়ার দিকে মনোনিবেশ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “মানুষ জন্মগ্রহণ করে চাকরি খোঁজার জন্য নয়, বরং তারা সৃষ্টিশীল। মানুষকে চাকরিপ্রার্থী না হয়ে উদ্যোক্তা হতে উৎসাহিত করতে হবে।”

বিশ্বে নারী উদ্যোক্তার সম্ভাবনার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের দরিদ্রতম নারীও মাত্র ২০ মার্কিন ডলার ঋণ নিয়ে উদ্যোক্তা হতে পারে।” তিনি আরও বলেন, “নারীরা বিশ্বের যে কোনো জায়গায় উদ্যোক্তা হতে পারেন।”

অধ্যাপক ইউনূস শিক্ষার উদ্দেশ্য সম্পর্কে বলেন, “শিক্ষার উদ্দেশ্য হলো সৃজনশীলতা কাজে লাগিয়ে বিশ্বকে পরিবর্তন করা।” তিনি তার ‘তিন শূন্য তত্ত্ব’ – শূন্য কার্বন নির্গমন, শূন্য দারিদ্র্য, এবং শূন্য বেকারত্ব – নিয়ে আলোকপাত করেন এবং বলেন, “বিশ্বকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে কার্বনমুক্ত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।”

শেষে তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান, যাতে তারা কার্বন নির্গমনে অবদান না রাখে এবং নিজেদের ‘তিন শূন্য’ ব্যক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



ভূমিকম্পের উচ্চ ঝুঁকিতে বাংলাদেশ: ফায়ার সার্ভিসের প্রস্তুতির আহ্বান

বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও ঢাকা অঞ্চল ভূমিকম্পের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ভূমিকম্প মোকাবিলার জন্য আগাম প্রস্তুতি ও সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর।

শনিবার (২৯ মার্চ) ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গতকাল (২৮ মার্চ) মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডে পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে, যা উল্লেখযোগ্য ক্ষতির কারণ হয়েছে। একই ধরনের ভূমিকম্প বাংলাদেশেও ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা

ফায়ার সার্ভিসের বিজ্ঞপ্তিতে ভূমিকম্পের ঝুঁকি কমাতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে:

  • ভবন নির্মাণ ও সংস্কার: বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড ২০২০ অনুযায়ী ভূমিকম্প প্রতিরোধী ভবন নির্মাণ ও পুরোনো ভবন সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
  • অগ্নি প্রতিরোধ ব্যবস্থা: বহুতল ও বাণিজ্যিক ভবনে অগ্নি প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
  • ইউটিলিটি সেবা: গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের লাইন যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে, যাতে ভূমিকম্পের সময় অগ্নিকাণ্ড বা বিস্ফোরণের ঝুঁকি কমে।
  • সচেতনতামূলক মহড়া: ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে ভূমিকম্পকালীন করণীয় সম্পর্কে নিয়মিত মহড়া আয়োজনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
  • জরুরি টেলিফোন নম্বর সংরক্ষণ: ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স, পুলিশ, হাসপাতালসহ অন্যান্য জরুরি নম্বর সংরক্ষণ করা ও দৃশ্যমান স্থানে টাঙানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দুর্যোগ প্রস্তুতির অংশ হিসেবে করণীয়

ভূমিকম্পের সময় জরুরি অবস্থায় কার্যকর ভূমিকা রাখার জন্য ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে কয়েকটি প্রস্তুতিমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে:

  • ভলান্টিয়ার প্রশিক্ষণ: দুর্যোগকালীন উদ্ধারকাজে সহায়তা করতে স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
  • জরুরি সরঞ্জাম সংরক্ষণ: বাড়িতে টর্চলাইট, রেডিও (অতিরিক্ত ব্যাটারিসহ), বাঁশি, হ্যামার, হেলমেট, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ, ফার্স্ট এইড বক্স ও শিশু যত্ন সামগ্রী সংরক্ষণ করতে হবে।
  • সরকারি সংস্থার সহযোগিতা: ভূমিকম্প পরবর্তী উদ্ধারকাজে ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সহযোগিতা নিশ্চিত করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর জানিয়েছে, ভূমিকম্প সংক্রান্ত যে কোনো তথ্য ও জরুরি সহায়তার জন্য ০১৭২২৮৫৬৮৬৭ মোবাইল নম্বর ও ১০২ হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



চীন সফর শেষে দেশে ফিরছেন প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস চীনে চারদিনের সরকারি সফর শেষে দেশের উদ্দেশে বেইজিং ত্যাগ করেছেন। শনিবার (৩০ মার্চ) স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৫৭ মিনিটে এয়ার চায়নার একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইটে তিনি ঢাকার পথে রওনা দেন।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহকারী মন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের চিফ প্রোটোকল অফিসার হং লেই বিমানবন্দরে প্রধান উপদেষ্টাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় জানান।

এর আগে, ড. ইউনূস চীনের হাইনান প্রদেশে আয়োজিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়া (বিএফএ) সম্মেলনে অংশ নেন। সেখানে তিনি এশিয়ার অর্থনীতি, টেকসই উন্নয়ন এবং সামাজিক ব্যবসার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। এছাড়া, তিনি চীনের বিভিন্ন বিনিয়োগ সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

২৮ মার্চ বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসেন প্রধান উপদেষ্টা। বৈঠকে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়। এছাড়া, তিনি টেকসই অবকাঠামো ও জ্বালানি বিনিয়োগ, বাংলাদেশ ২.০ উৎপাদন ও বাজার সম্প্রসারণ এবং সামাজিক ব্যবসা ও যুব উদ্যোক্তা উন্নয়নের ওপর তিনটি গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নেন।

২৯ মার্চ তিনি পিকিং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি গ্রহণ করেন এবং সেখানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ভাষণ দেন। তার ভাষণে তিনি উদ্ভাবনী চিন্তা ও সামাজিক ব্যবসার ভূমিকা সম্পর্কে গুরুত্বারোপ করেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বরিশালে ঈদযাত্রায় ফিরে এসেছে পুরানো দৃশ্য

বরিশাল নদী বন্দর এখন আবারও প্রাণ ফিরে পেয়েছে। ঈদে ঘরে ফিরতে আসা যাত্রীদের সঙ্গে বন্দরে ভোরে একে একে এসে পৌঁছেছে ১১টি লঞ্চ। শনিবার ভোর ৪টা থেকে ৫টা ৩০ মিনিটের মধ্যে, ৭টি সরাসরি লঞ্চ এবং আরও ৪টি ভায়া পথের লঞ্চ বরিশালে পৌঁছায়।

পদ্মা সেতু চালুর পর যাত্রীদের সংখ্যা কমে যাওয়ার ফলে দীর্ঘদিন ধরে বরিশাল নদী বন্দরে এমন ভিড় দেখা যায়নি। তবে এবারের ঈদে সেই পুরানো দৃশ্য আবার ফিরেছে। যাত্রীদের পদচারণায় বন্দরের প্রতিটি জায়গা ছিল পূর্ণ, পন্টুনে কোনো জায়গা ছিল না।

বরিশাল নদী বন্দরের ভোরটা একেবারে অন্যরকম, কীর্তনখোলার বুকে ভোরের আলো ফোটার আগেই ঢাকার ভরা লঞ্চগুলোর আলোকসজ্জা দেখা যাচ্ছিল। প্রতি লঞ্চে ছিল মানুষের ভিড়, যার কোলাহলে বন্দরের বাতাস ছিল একেবারে জীবিত।

এবার ঈদ উপলক্ষে ঢাকা-বরিশাল নৌপথে বিশেষ সার্ভিস চালু হয়েছে। ২৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই সার্ভিসে অতিরিক্ত লঞ্চ সংযোজন করা হয়েছে, তবে লঞ্চ মালিকেরা এটাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশেষ সার্ভিস হিসেবে মনে করছেন না। বরিশাল নৌযাত্রী ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক দেওয়ান আবদুর রশিদ এই সিদ্ধান্তকে অমূলক বলে উল্লেখ করেছেন।

নদী বন্দরের কর্মীরা, হকাররা, ভাসমান দোকানিরা সকলেই ব্যস্ত। এক শ্রমিক জানান, “ঈদের সময়ই আমাদের কাজ হয়, আমরা এই সময়টার জন্য অপেক্ষা করি।” তিনি আরও বলেন, “এবার বাড়ি ফিরলে ঈদে আনন্দ হবে, যদিও আসতে অনেক কষ্ট হয়েছে।”

লঞ্চগুলোর অভ্যন্তরীণ আলোকসজ্জা দেখে মনে হচ্ছিল—নদীর বুকে ছোট ছোট শহর। এমন দৃশ্য অনেক দিন পর দেখা গেছে। তবে এবার লঞ্চে কেবিনের সংখ্যা সীমিত, যাত্রীদের জন্য ডেকের ভাড়া ৪০০ টাকা, সিঙ্গেল কেবিন ১,২০০ টাকা এবং ডাবল কেবিন ২,৪০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) জানায়, পদ্মা সেতু চালুর পর এই নৌপথে যাত্রীসংখ্যা অনেক কমে গেছে। তবে ঈদের সময়ে যাত্রীদের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে এবং এই ভিড় আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম