বাস বন্ধে দুর্ভোগে যাত্রী, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পটুয়াখালী-ঢাকা রুটে স্বাভাবিক বাস চলাচল

পটুয়াখালী-ঢাকা রুটে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ায় মোবাইল কোর্টের অভিযানে জরিমানা করার পর থেকে একযোগে বাস চলাচল বন্ধ রাখে অধিকাংশ পরিবহন কোম্পানি। এতে শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাত থেকেই টার্মিনালের অন্তত ২০টির বেশি কাউন্টার বন্ধ ছিল, যার মধ্যে ছিল সেবা গ্রীনলাইন, হানিফ, সাকুরা, ডলফিন, শ্যামলী এন আর, লাবিবা, ইউনিক পরিবহন ইত্যাদি। ফলে ঢাকা অভিমুখে যাত্রা করতে গিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা।

জানা যায়, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে পটুয়াখালী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাতটি বাস কোম্পানিকে মোট ৫৪ হাজার টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এরপর থেকে বাস মালিকপক্ষ বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়।

সীমিত সংখ্যক বাস চললেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম হওয়ায় অনেকে ঢাকা যাওয়ার জন্য বিকল্প পথে রওনা দেন। কেউ বরিশাল ঘুরে ঢাকা যেতে বাধ্য হন, আবার কেউ লঞ্চে নির্ভরশীল হন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে যাত্রীরা আগেই টিকিট কেটেও গন্তব্যে যেতে পারেননি।

সাকুরা পরিবহনের যাত্রী আনোয়ার হোসেন বলেন, “আগেই টিকিট কেটেছিলাম, কিন্তু বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে শুনি বাস যাবে না। পরে টিকিটের টাকা ফেরত দিয়ে দিলেও অনেক ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।”

ঢাকার আহসানুল্লাহ ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী হুরি জান্নাত মিম বলেন, “হানিফ পরিবহনের কাউন্টারে গেলে ১২০০ টাকা ভাড়া চায়। প্রতিবাদ করতেই বলে টিকিট প্রশাসনের কাছে আছে, সেখান থেকে নিতে।”

এদিকে ডলফিন, লাবিবা পরিবহনের কাউন্টারম্যানরা জানান, মালিকপক্ষের নির্দেশেই তারা বাস চলাচল বন্ধ রেখেছেন এবং যাত্রীদের ফেরত পাঠাচ্ছেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে শনিবার (৫ এপ্রিল) রাতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ও বাস মালিকদের সঙ্গে আলোচনা শেষে পুনরায় বাস চলাচল স্বাভাবিক হয়। পাশাপাশি যাত্রীদের ভোগান্তি লাঘবে নির্ধারিত সময়সূচির বাইরে আরও দুটি ঢাকাগামী লঞ্চ যুক্ত করা হয়।

পটুয়াখালীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তারেক হাওলাদার বলেন, “আমরা দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছি। বাস মালিকদের সঙ্গে কথা বলে পরিবহন ব্যবস্থা স্বাভাবিক করা হয়েছে। যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে অতিরিক্ত দুটি লঞ্চ যুক্ত করা হয়েছে।”

 

মো: আল- আমিন

 




নতুন কাঠামো গড়ে তুলেই গড়তে হবে এক নতুন পৃথিবী: অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস

নতুন চিন্তাভাবনার কাঠামো ব্যবহার করে একটি নতুন পৃথিবী গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সম্প্রতি চীন সফরের সময় বেইজিংয়ে চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি)-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

সাক্ষাৎকারে প্রশ্নকর্তা অধ্যাপক ইউনূসের ‘তিন শূন্য তত্ত্ব’ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “শি জিনপিং-এর আধুনিকীকরণ তত্ত্বের সঙ্গে আমার তত্ত্বের অনেকটাই সামঞ্জস্য রয়েছে। বিষয়বস্তু এক হলেও উপস্থাপন ভিন্ন। লক্ষ্য কিন্তু অভিন্ন—একটি নতুন পৃথিবী গড়ে তোলা। এই পুরনো পৃথিবী যতই সামনে টানার চেষ্টা করি না কেন, কাঠামোগত সমস্যার কারণে তা সফল হচ্ছে না। তাই পুরাতনকে মেরামত না করে সম্পূর্ণ নতুন করে ভাবতে হবে। এটাই আমার ‘তিন শূন্য তত্ত্ব’-এর মূল কথা।”

এ সময় প্রশ্নকর্তা বলেন, “এই তত্ত্ব বাস্তবায়িত হলে আমাদের পৃথিবী অনেক সুন্দর হবে।” এর জবাবে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “পৃথিবী শুধু সুন্দর হবে না, বরং টিকে থাকবে। বর্তমানে যে সভ্যতায় আমরা বাস করছি, তা একটি আত্মঘাতী কাঠামোর উপর দাঁড়িয়ে আছে। এই আত্মহনন থেকে রক্ষা পেতে হলে আমাদের নতুন কাঠামোর দিকে অগ্রসর হতে হবে।”

চীনে তাঁর সফরের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি বলেন, “খুব ভালো লাগছে। পুরনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। অনেক বছর ধরে একসঙ্গে কাজ করেছি। যেমন, আমার বন্ধু প্রফেসর ড্যু অনেক আগে থেকেই গ্রামীণ ব্যাংক থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছেন এবং চায়নিজ একাডেমি অব সোস্যাল সায়েন্সেস পরিচালনা করছেন। তাঁর মাধ্যমে মাইক্রোক্রেডিট অ্যাসোসিয়েশন অব চায়না গঠিত হয়েছে, যা এখন এক বিশাল সংগঠন। তারা বাৎসরিক সম্মেলন ও নানা আয়োজন করে।”

চীনা দর্শকদের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমি যে বক্তব্য দিয়েছি, তা চীনা দর্শক ও অতিথিদের মধ্যে ভালো সাড়া ফেলেছে বলে মনে করি। উপ-প্রধানমন্ত্রী নিজে এসে প্রশংসা করেছেন। বিশেষ করে তিন শূন্য তত্ত্বের বিষয়টি তরুণদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়াসটা তাঁর নজর কেড়েছে। অনেকেই আমার বক্তব্যের পর এসে প্রশংসা করেছেন।”

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “২০০৯ সালে যখন তিনি ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তখন তার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হয়েছিল। তিনি সেই স্মৃতির কথা মনে করিয়ে দিলেন। ফুজিয়ান প্রদেশের গভর্নর থাকাকালীন তিনি মাইক্রোক্রেডিট নিয়ে আমাদের আলোচনায় দারুণ আগ্রহ দেখিয়েছিলেন। এবারও তিনি আমাদের প্রস্তাব শুনে বলেছেন, বাংলাদেশের প্রয়োজনে চীন সাহায্য ও সহযোগিতা করবে।”

চায়নিজ একাডেমি অব সোস্যাল সায়েন্সেসের গ্রামীণ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের গবেষক অধ্যাপক ড্যু বলেন, “অধ্যাপক ইউনূস কেবল শান্তিতে নোবেল পুরস্কারজয়ী নন, দারিদ্র্য বিমোচনের ক্ষেত্রে তাঁর উদ্যোগ গোটা বিশ্বে অনুসরণীয়। ১৯৯৩ সালে আমরা বাংলাদেশে গিয়ে তাঁর কার্যক্রম দেখে শিখি এবং তা চীনে বাস্তবায়ন করি। এখনো তিনি আগের মতোই নিবেদিতপ্রাণ, শুধু তাঁর নিজের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নন—দেশের জন্যও কাজ করছেন।”

চীন ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “সব ক্ষেত্রেই অগ্রগতি সম্ভব। আজকের আলোচনায় তারা বাংলাদেশে আসার আগ্রহ দেখিয়েছেন। আমরা যে সুযোগগুলো তৈরি করেছি, তা গ্রহণের জন্য তাদের আহ্বান জানিয়েছি এবং তারা সম্মত হয়েছেন। আমরা চীনে অনেক বন্ধু পেয়েছি, সেই বন্ধুত্বকে কাজে লাগিয়ে দেশ গড়তে চাই।”


মো:আল-আমিন

 

 




বরিশালে ভাড়া নৈরাজ্য, বিআরটিসি সিন্ডিকেটেও জিম্মি যাত্রীরা

ঈদের ছুটির পর কর্মস্থলে ফেরা মানুষের ঢল সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে বরিশাল কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল। প্রতিদিন ভোর থেকেই হাজারো যাত্রী টিকিটের আশায় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াচ্ছেন। তবে এই সুযোগে বেড়েছে ভাড়া নৈরাজ্য, যাত্রীদের অভিযোগে উঠে এসেছে ভয়াবহ চিত্র।

ঢাকাসহ বিভিন্ন রুটে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত বেশি আদায় করছে কিছু বেসরকারি পরিবহন, বিশেষ করে ‘ইলিশ পরিবহন’। অভিযোগ আছে, ভাড়া জানতে চাইলে কাউন্টার ম্যানেজাররা পালিয়ে যাচ্ছেন ক্যামেরা দেখলেই। যাত্রীদের বলা হচ্ছে, সিট নেই, অতিরিক্ত ভাড়া দিলে সিট পাওয়া যাবে—এভাবেই চলছে প্রতারণা।

চমকপ্রদ তথ্য হলো, সরকারি পরিবহন সংস্থা বিআরটিসিও এর ব্যতিক্রম নয়। যাত্রীদের অভিযোগ, ডিপোর হাফিজ ও কামাল নামের দুই চালকের নেতৃত্বে গঠিত একটি সিন্ডিকেট যাত্রীদের জিম্মি করে ৭০০ টাকার স্থানে ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করছে। ডিপোর ভেতর কৌশলে মাত্র কয়েকটি সিট রাখা হচ্ছে, বাকি যাত্রীদের পাঠানো হচ্ছে বাইরে অপেক্ষমাণ বাসে।

রহমতপুর থেকে গৌরনদী পর্যন্ত বিআরটিসি কাউন্টারগুলো কার্যত কোনো ভূমিকা পালন করছে না। অথচ ঈদের পরে প্রতিদিন গড়ে ২০টি ট্রিপ পরিচালনা করছে বিআরটিসি।

এদিকে, অতিরিক্ত ভাড়া ও হয়রানি বন্ধে টার্মিনালে মোতায়েন রয়েছে র‍্যাব ও পুলিশ। র‍্যাব-৮ এর অধিনায়ক নিস্তার আহমেদ জানিয়েছেন, ফিরতি যাত্রায়ও আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

যাত্রীদের নিরাপত্তা ও ন্যায্য ভাড়া নিশ্চিত করতে পরিবহন মালিক সমিতি ও বিআরটিসি কর্তৃপক্ষের কার্যকর নজরদারি ও জবাবদিহিতা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

“মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




পটুয়াখালীর বাউফলে ‘জুলাই বিপ্লবের’ যোদ্ধা হৃদয়ের দাফন সম্পন্ন, প্রশাসনের অনুপস্থিতিতে ক্ষোভ

পটুয়াখালীর বাউফলে ‘জুলাই বিপ্লবের’ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত তরুণ আশিকুর রহমান হৃদয়ের (১৭) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (৫ এপ্রিল) সকাল ৯টায় বাউফল সদর ইউনিয়নের পশ্চিম যৌতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

হৃদয়ের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তবে জানাজায় প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা কিংবা জনপ্রতিনিধির অনুপস্থিতি স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ও বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে। জানাজায় অংশ নেন সহস্রাধিক মুসল্লি।

উপস্থিত ছিলেন বাউফল ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মাওলানা আব্দুল সোবাহান, জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি এবং বাউফল উন্নয়ন ফোরাম ও বাউফল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ (ভার্চুয়ালি)। এ ছাড়া এনসিবির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সুপ্রিম কোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মুজাহিদুল ইসলাম শাহিনও জানাজায় উপস্থিত ছিলেন।

পারিবারিক সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের ১৮ জুলাই ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে ‘জুলাই বিপ্লব’ চলাকালে পুলিশের গুলিতে হৃদয়ের মাথায় তিনটি গুলি লাগে। এরপর দীর্ঘদিন গোপনে চিকিৎসা নিতে হয়। সরকার পরিবর্তনের পর গত ৫ আগস্ট তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা মাথা থেকে দুটি গুলি অপসারণ করলেও, একটি গুলি জটিল স্থানে রয়ে যায়।

চিকিৎসার ধারাবাহিকতায় গত ২ এপ্রিল হৃদয় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। মাথাব্যথা ও জ্বর নিয়ে ৪ এপ্রিল দুপুরে তাকে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেলে রেফার করেন। কিন্তু আর্থিক সঙ্কটে সেখানে নেওয়া সম্ভব হয়নি। বিকেল ৩টার দিকে হৃদয় মৃত্যুবরণ করেন।

বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমিনুল ইসলাম বলেন, “আমি বর্তমানে ছুটিতে আছি। হৃদয়ের মৃত্যুর খবর আমরা শুনেছি এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। তিনি ‘জুলাই বিপ্লবের’ আহতদের ক্যাটাগরিতে ছিলেন। এখন তার মৃত্যুতে সরকারিভাবে যেসব সুবিধা দেওয়ার কথা, তা যেন তার পরিবার পায়—সে বিষয়ে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ রিপোর্টার, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




মেহেন্দীগঞ্জে ১২ লাখ টাকার অবৈধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস

বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার কালাবদর ও মেঘনা নদীর মোহনায় জাটকা রক্ষায় পরিচালিত যৌথ অভিযানে প্রায় ১২ লাখ টাকার অবৈধ জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে মেহেন্দীগঞ্জ ও হিজলা উপজেলার মৎস্য অধিদপ্তর এবং কোস্ট গার্ড হিজলার যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার মোহাম্মদ আলম এবং কন্টিনজেন্ট কমান্ডার মো. আবুল কালাম আজাদ।

অভিযান চলাকালে নদীতে পাতা অবস্থায় থাকা ২টি পাই জাল জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ১২ লাখ টাকা। পরে এসব জাল আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার মোহাম্মদ আলম বলেন, “জাটকা ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তিনি আরও জানান, জেলেদের সচেতন করতে প্রশাসনের এমন অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




নির্বাচনের দাবিতে মাঠে নামছে বিএনপি, রোডম্যাপ না দিলে গণআন্দোলনের হুঁশিয়ারি

আগামী সংসদ নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ফের উত্তাপ ছড়াতে শুরু করেছে। এপ্রিল মাস থেকেই মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি ও তাদের সমমনা রাজনৈতিক দলগুলো। তাদের প্রধান লক্ষ্য—সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে দ্রুত একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করানো।

বিএনপির দাবি, সরকার নির্বাচন নিয়ে সময় ক্ষেপণ করছে এবং বারবার বক্তব্য পরিবর্তন করে দেশ-বিদেশে নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। তারা প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আবারও বৈঠকের পরিকল্পনা করছে। এই বৈঠকে নির্বাচনকালীন সরকারব্যবস্থা, সংস্কার এবং নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে নির্বাচনের দাবি জানানো হবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “রোডম্যাপ ঘোষণার জন্য আমরা অনেকদিন ধরে বলে আসছি। ঈদের পর এ নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা করব। তবে কাঙ্ক্ষিত ঘোষণা না এলে আমরা রাজপথে কর্মসূচির মাধ্যমে জবাব দেব।”

তিনি আরও বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা একেক সময় একেক কথা বলছেন—আমরা আগে তার বক্তব্য শুনব, এরপর রাজনৈতিক কর্মসূচি নির্ধারণ করব।”

এদিকে স্বাধীনতা দিবস ও ঈদ উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, “এ বছর ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের জুনের মধ্যে নির্বাচন হবে।” তবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একে অস্পষ্ট মন্তব্য বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, “ছয় মাসের সময় দিয়ে কোনো রোডম্যাপ না দেওয়ায় জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।”

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামও একই মত পোষণ করে বলেন, “সংস্কার ও বিচার ছাড়া কোনো নির্বাচন জনগণ মেনে নেবে না।”

এদিকে, এনসিপির এক মুখ্য সংগঠক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইউনূস সরকারকে ২০২৯ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, এটি হয়তো একটি জাতীয় সরকার গঠনের পূর্বাভাস হতে পারে।

তবে বিএনপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দল হুঁশিয়ারি দিয়ে বলছে, সরকারের সময় বাড়ানো হলে তা দেশের জন্য হবে চরম বিপজ্জনক।

মো: আল-আমিন
স্টাফ রিপোর্টার, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




মার্কিন শুল্ক বৃদ্ধির ইস্যুতে সন্ধ্যায় জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে একটি জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সভা অনুষ্ঠিত হবে বলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং নিশ্চিত করেছে।

জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি আমদানিকৃত পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশি পণ্যে শুল্ক বাড়িয়ে ৩৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে আগে ছিল গড়ে ১৫ শতাংশ।

এই শুল্ক বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশের রপ্তানি খাত, বিশেষ করে তৈরি পোশাক ও হস্তশিল্পের উপর ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। জরুরি সভায় উপস্থিত থাকবেন সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তারা, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য বিশ্লেষকরা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিশেষজ্ঞরা।

প্রধান উপদেষ্টা এ বিষয়ে কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ ও প্রয়োজনীয় নীতিনির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ রিপোর্টার, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ঈদ আনন্দে ভাসছে বরিশালের বিনোদন কেন্দ্রগুলো

এস এস এল টি তুহিন :: ঈদের ছুটিতে বরিশালের বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। টানা নয় দিনের সরকারি ছুটিকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে ঈদের আনন্দ যেন উৎসবে পরিণত হয়েছে। সারা বছরের কর্মব্যস্ততা পেছনে ফেলে পরিবার-পরিজন নিয়ে আনন্দে মেতে উঠেছে মানুষ।
শুক্রবার ( ৪ এপ্রিল) দুপুরে বরিশাল নগরীর জনপ্রিয় বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে মানুষের ঢল নামে। বিলেস পার্ক, প্ল্যাটেন পার্ক, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, স্বাধীনতা পার্ক, ত্রিশ গোডাউনসহ শহরের প্রায় সব বিনোদন কেন্দ্রেই দর্শনার্থীদের ভিড় উপচে পড়ে। ঈদের ছুটিকে ঘিরে শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের আগমনে মুখর হয়ে ওঠে পুরো নগরী।
পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা একজন দর্শনার্থী ফাহিম হাওলাদার বলেন,সারা বছর কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়, ঈদের এই সময়টুকুই শুধু পাওয়া যায় নিজের ও পরিবারের জন্য। তাই সবাইকে নিয়ে এসেছি একটু আনন্দ করার জন্য।
আরেকজন দর্শনার্থী সামীম হোসেন জনি
জানান,বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে এসেছি, অনেক মজা হচ্ছে। শহরের এই জায়গাগুলোতে ঈদ ছাড়া খুব একটা আসা হয় না। আজ সবাই মিলে খুব ভালো সময় কাটাচ্ছি।
আরেকজন অভিভাবক ইলিয়াস জানান, শিশুদের নিয়ে এসেছি, ওদের খুশি দেখেই আমাদের আনন্দ।
তরুণী এক দর্শনার্থী ফাহিজা আক্তার রিমা
বলেন,পার্কগুলোতে মানুষের ভিড় অনেক, তবু সবার মুখে হাসি এটাই সবচেয়ে ভালো লাগছে।পরিবারের সবাইকে নিয়ে এমন দিন কাটাতে পারা সত্যিই আনন্দের।
শুধু নগরবাসী নয়, বরিশালের আশেপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকেও মানুষ এসেছেন শহরের বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে। কেউ এসেছেন সকালে, কেউ দুপুরে দিনভর চলেছে আড্ডা, খাবার, সেলফি তোলা আর নির্মল আনন্দে মেতে ওঠা।
নগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও ছিলো বাড়তি নজর। পুলিশের পক্ষ থেকে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়, যাতে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা মানুষেরা নির্বিঘ্নে সময় কাটাতে পারেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উত্তর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার সুশান্ত সরকার বলেন,ঈদে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছি। সবাই যাতে আনন্দঘন পরিবেশে ঈদ উদযাপন করতে পারেন, সেটা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।
ঈদের এমন প্রাণবন্ত বিনোদনের মাধ্যমে বরিশালবাসী তাদের সারা বছরের ক্লান্তি ভুলে নতুন উদ্যমে ফিরে যেতে চায় স্বাভাবিক জীবনে।



ফিরতি যাত্রায় দক্ষিণাঞ্চলের কর্মজীবী মানুষে ঢল

এস এল টি তুহিন :: দীর্ঘ নয় দিনের ঈদের ছুটি শেষে আবারও কর্মস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন দক্ষিণাঞ্চলের কর্মজীবী মানুষ। বরিশালসহ আশেপাশের জেলা থেকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে ফেরা মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে বরিশালের বাস ও লঞ্চ টার্মিনাল।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সকাল থেকেই বরিশালের কেন্দ্রীয় নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল, নদীবন্দর, রূপাতলী বাস কাউন্টার এবং নগরীর বিভিন্ন টিকিট কাউন্টারে ছিল যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। কেউ ফিরছেন পরিবারের সঙ্গে, আবার কেউ ফিরছেন একাই কর্মজীবনে নতুন উদ্যমে যোগ দিতে।

বরিশালের কেন্দ্রীয় নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনালেও যাত্রীদের চাপ সামাল দিতে পরিবহন মালিকরা অতিরিক্ত ট্রিপ চালু করেছে। তবে অভিযোগ রয়েছে, অনেক পরিবহনই সুযোগ নিয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। ঢাকাগামী যাত্রী আল আমিন জানান,প্রতি বছর ভাড়া একটু বাড়ে বুঝি। কিন্তু এবার ৫০০ টাকার টিকিট এখন ৬৫০ টাকায় নিতে হয়েছে। এটা তো বাড়াবাড়ি।

অন্যদিকে,যাত্রীদের চাপ, বাড়তি লঞ্চ থাকার পড়েও আজ শুক্রবার বরিশাল নদী বন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় ১৩টি লঞ্চ। লঞ্চ ঘাটে একই অভিজ্ঞতার কথা জানালেন যাত্রী রিফাত হোসেন। তিনি বলেন,লঞ্চের ডেকে জায়গা পাওয়ার জন্য হুড়োহুড়ি লেগে যাচ্ছে। অতিরিক্ত যাত্রী নিলেও কর্তৃপক্ষ কিছু বলছে না। ভিড় নিয়ে সমস্যা নেই, কিন্তু নিরাপত্তার অভাব ভয় ধরিয়ে দিচ্ছে।

যৌথ অভিযান ও প্রশাসনের তৎপরতা
ঈদের এই যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে বরিশাল বিআরটিএ, জেলা প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
আজ শুক্রবার দুপুরে রূপাতলী ও নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনালে অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আজহারুল ইসলাম। এ সময় তিনি বলেন, ঈদ উপলক্ষে পরিবহনগুলো যেন অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না করে এবং ফিটনেসবিহীন যান চলাচল না করতে পারে, সেজন্য আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছি।

এই অভিযানে হানিফ পরিবহনের একটি বাসকে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং যাত্রীদের কাছ থেকে আদায়কৃত অতিরিক্ত ভাড়া ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো.শফিকুল ইসলাম বলেন,আমরা ফিটনেসবিহীন বাস যাতে সড়কে না চলে, তা নিশ্চিত করছি। সেইসঙ্গে প্রতিটি পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে যাতে যাত্রীরা নিরাপদে চলাচল করতে পারেন।

বরিশাল জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ দেলোয়ার হোসেন বলেন, লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই ঠেকাতে প্রতিদিন ম্যাজিস্ট্রেট টিম কাজ করছে। পাশাপাশি নৌবন্দর কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

বরিশাল নদীবন্দর উপ-পরিচালক শেখ মোহাম্মদ সেলিম রেজা জানান,ঈদের পর ফিরতি যাত্রায় যাত্রীদের নিরাপত্তা ও স্বস্তিদায়ক ভ্রমণ নিশ্চিত করতে আমরা সার্বক্ষণিক তদারকি করছি। অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে যেন কোনো লঞ্চ ছাড়তে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি রাখা হয়েছে। বিআইডব্লিউটিএ’র পক্ষ থেকে আমরা নিয়মিত মাঠে আছি, পাশাপাশি আমাদের সহায়তায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত বরিশাল নদীবন্দর থেকে সরাসরি ১১টি এবং ভায়া দুটি লঞ্চ রাজধানী ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে, প্রতিটি লঞ্চে ছিল যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়।

যদিও সরকারি ছুটি এখনো শেষ হয়নি, তবে শুক্রবার ছিল ফিরতি যাত্রার মাঝামাঝি সময়। শনিবার ও রবিবার যাত্রীদের চাপ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাবে এবং আগামী সপ্তাহজুড়েই কর্মস্থলমুখী মানুষের ঢল অব্যাহত থাকবে।




প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে নিতে রাজি হয়েছে মিয়ানমার

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক : বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ৮ লাখ রোহিঙ্গার মধ্যে প্রত্যাবর্তনের যোগ্য ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে প্রথম ধাপে ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে মিয়ানমার।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশকে নিশ্চিত করেছে যে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ৮ লাখ রোহিঙ্গার তালিকা থেকে তারা ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনের জন্য যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ২০১৮-২০ সালের মধ্যে ছয় ধাপে এ সংক্রান্ত মূল তালিকা সরবরাহ করা হয়েছিল।