বরিশালে ডায়রিয়ার প্রকোপ, জায়গা হচ্ছে না হাসপাতালে

চৈত্র মাসের তাপপ্রবাহ ও কাঠফাটা রোদে বরিশালে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। বরিশাল জেনারেল হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ৩০-৪০ জন রোগী ভর্তি হচ্ছেন। তবে হাসপাতালে পর্যাপ্ত বেড না থাকায় অনেক রোগীকে মেঝেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, হাসপাতালে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীদের সেবা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত স্যালাইন মজুদ রাখা হয়েছে। কিন্তু বেড সংকটের কারণে রোগীদের জন্য কষ্টকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বরিশাল জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের নার্স অর্চনা রানী বলেন, “গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। প্রতিদিন গড়ে ৩০-৪০ জন রোগী ভর্তি হচ্ছেন এবং সামনে চাপ আরও বাড়তে পারে। বেড সংকটের কারণে রোগীরা মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।”

এদিকে, হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ভর্তিকৃত রোগীদের মধ্যে বয়স্কদের সংখ্যা বেশি। তারা ধারণা করছেন, অপরিষ্কার এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণেও ডায়রিয়ার প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বরিশাল জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডের চিকিৎসক ডা. আশিকুর রহমান বলেন, “যেহেতু ডায়রিয়া পানিবাহিত রোগ, তাই পরিষ্কার পানি পান করাটা খুবই জরুরি। রোগীরা যদি অপরিষ্কার অবস্থায় থাকেন, তাহলে এ রোগ হতে পারে। সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।”

হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে অনেকেই প্রথমে পেটের ব্যথা ও বমি অনুভব করেন, পরে ডায়রিয়া শুরু হলে হাসপাতালে ভর্তি হন। কিছু রোগী শুরুতে ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে ব্যবহার করলেও তাতে কাজ না হওয়ায় তারা হাসপাতালে এসেছেন। ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ভর্তি রোগী আকলিমা বেগম জানান, “হঠাৎ পেট খারাপ হলে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনে খেয়েছি, কিন্তু কাজ না হওয়ায় হাসপাতালে এসেছি।”

বরিশাল জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মলয় কৃষ্ণ বড়াল জানান, “প্রতিদিন ৩০-৪০ জন রোগী ভর্তি হচ্ছে, এছাড়া বহির্বিভাগেও অনেক রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত স্যালাইন ও ওষুধ মজুদ রয়েছে, তবে বেড সংকটের কারণে সমস্যা হচ্ছে।”

চিকিৎসকদের ধারণা, সামনের দিনে তাপমাত্রা আরও বাড়লে হাসপাতালে রোগীর চাপ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। বরিশালের আবহাওয়া অফিস জানায়, চলতি মৌসুমে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এবং ভবিষ্যতে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রস্তুতি

বরিশালে এবার বর্ষবরণ উপলক্ষে মেলা অনুষ্ঠিত না হলেও, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। বরিশাল মহানগর পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, মেলা আয়োজনের পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে, তবে শোভাযাত্রার নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ নিশ্চিত করা হবে।

বর্ষবরণের ঐতিহ্যবাহী এই মঙ্গল শোভাযাত্রা প্রতিবছর বরিশাল শহরের বিভিন্ন সড়ক দিয়ে বের হয়, যেখানে হাজারো মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে অংশ নেয়। এবছর যদিও মেলার আয়োজন নেই, তবে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মঙ্গল শোভাযাত্রাটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সকল প্রস্তুতি চলছে। শোভাযাত্রার কর্মসূচি নির্ধারণ করা হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকসহ নানা শ্রেণির মানুষ এতে অংশ নেবেন।

বরিশাল মহানগর পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম আরো জানিয়েছেন, শোভাযাত্রার দিন বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী নিয়োগ করা হবে এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষণিক মনিটরিং করবেন।

এবারের বর্ষবরণ উৎসবের মূল আকর্ষণ হবে এই শোভাযাত্রা, যা বরিশালের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে সারা শহরে আনন্দের বার্তা পৌঁছাবে। মেলা না হলেও, শোভাযাত্রার মাধ্যমে বরিশালবাসী নতুন বছরকে স্বাগত জানাবে আনন্দ-উৎসাহে।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশালে সাক্ষ্য দিতে এসে কাটাখালী হাইওয়ে থানার ওসির মৃত্যু

বরিশালে সাক্ষ্য দিতে এসে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন সাতক্ষীরার কাটাখালী হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জুবাইর আহমেদ।

মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) বেলা ১২টার দিকে বরিশাল নগরীর সদর রোডের একটি আবাসিক হোটেলের সামনে অবস্থানকালে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর দ্রুত তাকে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) নেয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিজানুর রহমান এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ বর্তমানে শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

জুবাইর আহমেদ সাতক্ষীরার কাটাখালী হাইওয়ে থানায় অফিসার ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর আগে তিনি বরিশালের হিজলা ও মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কাজিরহাট থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার বাসিন্দা। তার বাবার নাম আহম্মেদ হোসেন।

বরিশাল কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, আদালতে সাক্ষী দিতে বরিশালে এসে অসুস্থ হয়ে পড়েন জুবাইর আহমেদ। তার মৃত্যুর খবর শুনে থানার অন্য কর্মকর্তারা শোক প্রকাশ করেছেন।

কাটাখালী হাইওয়ে থানার সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক মো. আরাফাত জানান, জুবাইর আহমেদ ছুটিতে বরিশালে গিয়েছিলেন এবং আদালতে তার কোনো সাক্ষ্য দেওয়ার কথা ছিল না বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, ২০১১ সালে পুলিশে যোগদান করা জুবাইর আহমেদ তার কর্মজীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়। বুধবার (৯ এপ্রিল) তার গ্রামের বাড়িতে দাফনের প্রস্তুতি চলছে।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বাকেরগঞ্জে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

আজ সকাল ১০টায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে মারাত্মক দুর্ঘটনা

বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মেহেদী হাসান (৩৫) নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার সকাল ১০টার দিকে বাকেরগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডের কাছে মল্লিক মার্কেট সংলগ্ন এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মেহেদী হাসান বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার খেকুয়ানী গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদ গাজীর ছেলে।

বাকেরগঞ্জ থানার এসআই আজাদ জানান, “আজ সকাল ১০টার দিকে বরিশাল থেকে আমতলী যাওয়ার পথে বাসের ধাক্কায় মেহেদী হাসান ঘটনাস্থলেই মারা যান। ঘটনাটি ঘটার পর তার পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে এবং তাদের আসার পর লাশ হস্তান্তরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

এছাড়া, তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার পর বাসের চালক পালিয়ে গেছে, তাই কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

মর্মান্তিক এ ঘটনার পর স্থানীয়রা এবং প্রশাসন শোকস্তব্ধ।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




চাঁদপুরে পানিতে ডুবে মা-ছেলেসহ তিন জনের মৃত্যু

চাঁদপুর সদরে পানিতে ডুবে মা-ছেলেসহ তিন জনের মৃত্যু ঘটেছে। গত বুধবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে শহরের বাখরপুর ও দক্ষিণ বালিয়া গ্রামে পৃথক স্থানে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। এতে মা খাদিজা বেগম (২৮), ছেলে আবু বক্কর সিদ্দিক এবং ২ বছর বয়সী শিশু মাকসুদা নিহত হন।

মৃত আবু বক্কর সিদ্দিকের মামা সুমন হোসেন জানান, আবু বক্কর সিদ্দিকের মা খাদিজা বেগম কিছুদিন আগে তার স্বামীকে হারিয়ে কামরাঙ্গীরচরে বাসা ভাড়া নিয়েছিলেন। গত দুই দিন আগে তিনি তার মৃত স্বামীর কবর জিয়ারতের জন্য চাঁদপুরে আসেন। বুধবার দুপুরে আবু বক্কর সিদ্দিক গোসল করতে গিয়ে পানিতে তলিয়ে যায়। তাকে বাঁচাতে গিয়ে খাদিজা বেগমও পানিতে ডুবে যান।

স্থানীয়রা তাদের চিৎকার শুনে উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

একই দিন দুপুরে দক্ষিণ বালিয়া সাবদী গ্রামের ফজলু সরকারের ২ বছর বয়সী শিশু মাকসুদা পানিতে ডুবে মারা যায়। প্রতিবেশীরা জানান, শিশুটি সবার অগোচরে পানির নিচে তলিয়ে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি করে পুকুরের পাশে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পায়। তাকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোহাম্মদ বেলাল জানান, এক ঘণ্টার ব্যবধানে তিনটি পানিতে ডুবে যাওয়া রোগীকে হাসপাতালে আনা হয়। তবে তাদের হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যু হয়। তিনি আরও জানান, শিশুদের বেশিরভাগই পানিতে ডুবে মারা যায়, তাই পরিবারের সদস্যদের সচেতন হতে হবে এবং শিশুদের পানির কাছে যেতে দেওয়া উচিত নয়।

মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বিএনপি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে চাইবে নির্বাচনের রোডম্যাপ: সালাহউদ্দিন

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ চাওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন নিয়ে নানা মহলে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে, তাই ডিসেম্বরের আগে নির্বাচন সংক্রান্ত একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপের দাবি জানাবে বিএনপি।”

বুধবার (৯ এপ্রিল) গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সালাহউদ্দিন আহমেদ এ মন্তব্য করেন। তিনি জানান, বিএনপি ড. ইউনূসের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে এবং প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতের সময় নির্বাচনী রোডম্যাপ চাওয়ার বিষয়ে আলোচনা করবে।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “বর্তমানে নির্বাচন নিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনেক অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আমরা চাই, একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ দিয়ে নির্বাচন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষ করা হোক।”

এছাড়া, বিএনপি নেতা সংবিধানে কিছু সংস্কারের প্রস্তাবনা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, “রাষ্ট্রে ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য বিএনপি পঞ্চদশ সংশোধনীর পূর্বাবস্থা পুনর্বহালের পক্ষে, তবে ধর্ম নিরপেক্ষতা বাতিল করার বিষয়ে কোন প্রস্তাবনা আমরা দেইনি। এটা নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে।” তিনি আরও জানান, জাতীয় সাংবিধানিক কমিশন (এনসিসি)-এর মাধ্যমে জরুরি অবস্থা জারির প্রস্তাবনাও দলটি সমর্থন করে না।

এ সময় তিনি বলেন, বিএনপি ইউনূস-মোদির মধ্যে আলোচনাকে স্বাগত জানিয়ে তাদের আলোচনা এবং দাবির মাধ্যমে জন আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে বলেও মন্তব্য করেন।


মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




পিরোজপুরে বাস উল্টে খাদে, ৭ জন আহত

পিরোজপুরে একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে গিয়ে সাতজন যাত্রী আহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনাটি ঘটে রোববার (৯ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে পিরোজপুর-খুলনা মহাসড়কের বনগ্রাম বাজারের কাছে।

পিরোজপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সেলিম মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রংপুর থেকে পিরোজপুরগামী তালুকদার পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস পিরোজপুর-বাগেরহাট সড়কের বনগ্রাম এলাকায় এসে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। বাসটির চালক নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণে বাসটি রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়, যার ফলে বাসের যাত্রীরা আহত হন।

বাসটিতে সাতজন যাত্রী ছিলেন, তাদের মধ্যে কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত যাত্রীদের উদ্ধার করেন এবং তাদের চিকিৎসার জন্য আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠান। এই দুর্ঘটনায় বাসের ভেতরে উপস্থিত যাত্রীদের মধ্যে কিছু জ্ঞান হারানো অবস্থায় ছিল, তবে তাদের সবাইকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস এবং স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর বাসটির উদ্ধার কাজ শুরু করা হয়। তবে এই পর্যন্ত বাসটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানিয়ে দিয়েছেন যে উদ্ধার কাজ চলমান রয়েছে এবং বাসটি দ্রুত উদ্ধার করা হবে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাটি ঘটার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে তাদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসা হয়েছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সড়কটি বেশ কিছুদিন ধরে সংস্কারকাজের অভাবে বেহাল দশায় রয়েছে, যা দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। তারা দাবি করেছেন, দ্রুত সড়কটির সংস্কার কাজ শুরু করতে হবে, যাতে এমন দুর্ঘটনা রোধ করা সম্ভব হয়।

এ বিষয়ে পিরোজপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সেলিম মিয়া বলেন, “আমরা দ্রুত উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। আশপাশের হাসপাতালগুলোতে আহত যাত্রীদের চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। বাসটির উদ্ধার কাজ সম্পন্ন হলে পুরো পরিস্থিতি পরিষ্কার হবে।”

এ দুর্ঘটনায় আহতদের অবস্থা নিয়ে এখনও নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি, তবে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা চলমান রয়েছে। ফায়ার সার্ভিস এবং পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে রয়েছেন এবং সড়কটি পরবর্তী সময়ে নিরাপদ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।


মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




হরিণঘাটা পর্যটনকেন্দ্রের দুরবস্থা: কবে কাটবে এই অবস্থা?

বরগুনার পাথরঘাটার হরিণঘাটা পর্যটনকেন্দ্র, যা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সমুদ্রের নিকটবর্তী অবস্থিত, বহু বছর পরেও উন্নতির স্বপ্ন দেখতে ব্যর্থ। দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত উন্নয়ন অভাব, নিরাপত্তাহীনতা ও পর্যটকদের সুবিধার জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগের অভাবে এই কেন্দ্র এখন পর্যটকদের কাছ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য করছে।

২০১৩ সালে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে হরিণঘাটা সংরক্ষিত বনে পর্যটনকেন্দ্রের নির্মাণ কাজ শুরু হয়, এবং ২০১৫ সালে তা শেষ হয়। তবে দীর্ঘ এক দশক পরেও পর্যটকরা সেভাবে আসছেন না, কারণ অবকাঠামো, ট্রেইল, নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন হয়নি।

সরাসরি মাঠপর্যায়ে গিয়ে দেখা যায়, লালদিয়ায় যেতে প্রায় দুই কিলোমিটার ফুট ট্রেইলে স্ল্যাব নেই, যার কারণে পর্যটকরা বনের মধ্য দিয়ে সমুদ্রের তীরে যেতে পারেন না। ট্রলার ভাড়া করে যেতে হয়, যা তাদের অতিরিক্ত খরচের পাশাপাশি, বনের প্রকৃতি উপভোগে বাধা সৃষ্টি করছে। এর পাশাপাশি, ওয়াচ টাওয়ারের রাস্তাও বেহাল। বিশ্রামাগারগুলো পুরোপুরি ভেঙে গেছে, এবং বনের ভিতরে কোনও ওয়াশরুম বা নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই, যা পর্যটকদের জন্য অনিরাপদ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নাজমুস সাকিব বলেন, “এতো সুন্দর একটি পর্যটন কেন্দ্র শুধুমাত্র অবকাঠামোগত দুরবস্থার কারণে পর্যটক আকর্ষণ করতে পারছে না। এখানে সংস্কারের প্রয়োজন, যা খুবই জরুরি।”

আরেক পর্যটক আশিক আহমেদ বলেন, “এখানে নিরাপত্তার ঘাটতি রয়েছে। বিশেষ করে নারীদের জন্য এখানে আসা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।”

মাইনুল ইসলাম সবুজ বলেন, “এখানে ফুট ট্রেইলের অনেক জায়গায় ভাঙন ধরেছে, বিশ্রামাগার নেই, এবং স্ল্যাবের অভাবের কারণে পর্যটকরা প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারছেন না।”

এই অবস্থার মধ্যে, বরগুনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, “হরিণঘাটা পর্যটনকেন্দ্রটি আধুনিকায়ন করার জন্য বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে, সব অব্যবস্থাপনা দূর হয়ে যাবে।”

পর্যটন কেন্দ্রটির বর্তমান অবস্থা থেকে স্পষ্ট যে, যদি দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু না হয়, তবে এটি পর্যটকদের জন্য এক অসম্ভব জায়গা হয়ে উঠবে।


মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




সারা দেশে বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, তাপমাত্রা কমতে পারে

ঢাকাসহ সারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আগামী তিন দিন বজ্রবৃষ্টি হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে।

আজ বুধবার (০৯ এপ্রিল) আবহাওয়াবিদ ড. মো. বজলুর রশিদ স্বাক্ষরিত ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি উত্তর দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এটি পরবর্তী ১২ ঘণ্টায় উত্তর দিকে এবং পরে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে। লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

এ অবস্থায় আজ বুধবার রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। অন্যদিকে দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

এ সময় ফরিদপুর, সিরাজগঞ্জ, ফেনী ও যশোর জেলাগুলোর ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

আগামী কয়েকদিনের পূর্বাভাস:

  • বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল): রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। তাপমাত্রা কিছুটা হ্রাস পেতে পারে।
  • শুক্রবার (১১ এপ্রিল): রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু জায়গায় বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস হ্রাস পেতে পারে।
  • শনিবার (১২ এপ্রিল): রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বজ্রবৃষ্টি হতে পারে, অন্যত্র আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে।
  • রোববার (১৩ এপ্রিল): একই ধরনের পূর্বাভাস থাকছে, তবে তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানায়, আগামী ৫ দিনের মধ্যে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে।


মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




দরুদ পাঠের বরকতে বিভিন্ন অলৌকিক ঘটনা

দরুদ পাঠের বরকত এতই শক্তিশালী যে, তা মানুষের জীবনে বিভিন্ন অলৌকিক ঘটনা ও বিশেষ রহমত নিয়ে আসে। ইসলামের ইতিহাসে এমন অনেক ঘটনা পাওয়া যায় যেখানে রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে স্মরণ করে পাঠ করা দরুদ মানুষের বিপদ থেকে রক্ষা করেছে। নিচে এমন কিছু ঘটনা উল্লেখ করা হলো, যেখানে দরুদ পাঠের বরকতে অসাধারণ ফল পাওয়া গেছে।

১. গায়েবি সাহায্য: হযরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি মরুভূমিতে চলতে চলতে ডাকাতদের আক্রমণের শিকার হন। তিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এ প্রতি দরুদ পাঠ করতে শুরু করেন। তখনই একদল অশ্বারোহী এসে ডাকাতদের তাড়িয়ে দেয় এবং তাকে উদ্ধার করে। তারা জানায়, “তুমি যখন দরুদ পাঠ করছিলে, আল্লাহ আমাদেরকে তোমার সাহায্যে পাঠিয়েছেন।” (কিতাবুশ-শিফা, ইমাম ক্বাযী আয়াদ)

২. কবরের আজাব থেকে মুক্তি: হযরত আবদুর রহমান ইবন আওফ (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ একবার জান্নাতের বাগানে বসে ছিলেন এবং বললেন, “যে ব্যক্তি প্রতিদিন ১০০ বার দরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ তার কবরের আজাব মাফ করে দেবেন এবং তাকে জান্নাতের সুসংবাদ দেবেন।” (মুয়াত্তা ইমাম মালিক)

৩. অন্ধ ব্যক্তির দৃষ্টি ফিরে আসা: হযরত উসমান ইবন হানিফ (রা.) থেকে বর্ণিত, এক অন্ধ ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে গিয়ে বললেন, “আমার দৃষ্টি চলে গেছে, আমি কী করতে পারি?” রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, “তুমি দু’রাকাত নামাজ পড়ো এবং ‘আল্ল-হুম্মা সল্লি আ’লা মুহা’ম্মাদিন ওয়াশফি’নি’ পাঠ করো।” ওই ব্যক্তি এ আমল করলেন এবং অলৌকিকভাবে তার দৃষ্টি ফিরে পেলেন। (তিরমিজি, হাদিস: ৩৫৭৮)

৪. রোগমুক্তি: এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে এসে বললেন, “আমি কঠিন রোগে আক্রান্ত, কিছুতেই সুস্থ হচ্ছি না।” রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, “তুমি বেশি বেশি দরুদ শরীফ পড়ো, আল্লাহ তোমাকে শিফা দান করবেন।” সে নিয়মিত দরুদ পাঠ করতে শুরু করলো এবং কিছুদিনের মধ্যেই সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেল। (আল-কাওকাবুদ দুররী)

৫. ঋণ থেকে মুক্তি: হযরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে এসে বললো, “আমি প্রচণ্ড ঋণের মধ্যে পড়েছি।” রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, “তুমি প্রতিদিন ১০০ বার দরুদ শরীফ পড়ো, আল্লাহ তোমার ঋণ মুক্তির ব্যবস্থা করবেন।” সে নিয়মিত দরুদ পড়তে লাগলো এবং কিছুদিনের মধ্যেই তার ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা হয়ে গেল। (দারেমি, হাদিস: ২৭৫৫)

৬. অভাব দূর হওয়া: ইমাম ইবনে জাওযী (রহ.) তার গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন, এক ব্যক্তি এতটাই অভাবে পড়েছিলেন যে খাবার কিনতে টাকা ছিল না। এক আলেম তাকে বললেন, “তুমি প্রতিদিন ১০০০ বার দরুদ শরীফ পড়ো, আল্লাহ তোমার অভাব দূর করবেন।” সে এই আমল শুরু করল এবং কিছুদিনের মধ্যে তার রিজিকের দ্বার খুলে গেল। (কিতাবুল আওরাদ)

৭. ক্ষমার সুসংবাদ: হযরত উবাই ইবন কাব (রা.) রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে বললেন, “আমি আমার দু’আর মধ্যে আপনার জন্য কতটুকু দরুদ রাখব?” রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, “তুমি যত বেশি পারো।” তিনি বললেন, “তাহলে আমি আমার দু’আর পুরো সময় আপনাকে দরুদ পড়তে ব্যয় করব।” তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, “তোমার সব চিন্তা ও দুশ্চিন্তা দূর হয়ে যাবে এবং তোমার গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।” (তিরমিজি, হাদিস: ২৪৫৭)

৮. বিপদ থেকে মুক্তি: হযরত উমর ইবন খাত্তাব (রা.) বর্ণনা করেন, এক ব্যক্তি সাগরপথে সফর করছিলেন। ঝড় শুরু হলো এবং নৌকা ডুবে গেল। তিনি দরুদ পাঠ করতে করতে বেঁচে গেলেন। (শারহু শিফা)

৯. জান্নাতের সুসংবাদ: ইমাম কুরতুবি (রহ.) বর্ণনা করেছেন, এক ব্যক্তি নিয়মিত দরুদ শরীফ পড়তেন। এক রাতে তিনি স্বপ্নে রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে দেখলেন। তিনি বললেন, “তোমার জন্য জান্নাতের সুসংবাদ আছে, কারণ তুমি জীবনে নিয়মিত আমার প্রতি দরুদ পাঠ করেছ।” (তাফসির কুরতুবি)

১০. রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে স্বপ্নে দেখা: হযরত আবু ইয়াজিদ (রহ.) বলেন, “যে ব্যক্তি নিয়মিত ১০০০ বার দরুদ পাঠ করবে, সে স্বপ্নে রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে দেখতে পাবে।” তিনি একদিন এ আমল শুরু করলেন এবং স্বপ্নে রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে দেখলেন। (তাফসির কুরতুবি)

১১. মৃত্যু-মূহুর্তে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এ সাক্ষাৎ: হযরত আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রা.) বর্ণনা করেন, এক বৃদ্ধ ব্যক্তি মৃত্যুশয্যায় শান্ত ছিলেন এবং বলছিলেন, “রাসূলুল্লাহ ﷺ এসেছেন, তিনি আমাকে জান্নাতের সুসংবাদ দিচ্ছেন।” তার পরিবার জানতে পেরে প্রশ্ন করলে, তিনি বললেন, “আমি প্রতিদিন ৫০০ বার দরুদ পাঠ করতাম।” (রুহুল বায়ান)


মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম