ভুলভাবে সালাম দেওয়া বিপজ্জনক! জেনে নিন সঠিক পদ্ধতি

ইসলামে সালাম একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল। তবে দুঃখজনকভাবে, অনেকেই এই সালামকে ভুল উচ্চারণের মাধ্যমে অর্থ বিকৃত করে ফেলছেন, যা কখনো কখনো শান্তির পরিবর্তে অভিশাপ বা গজবের অর্থ বহন করে।

নিম্নে কিছু সাধারণ ভুল এবং তা থেকে পরিণতি তুলে ধরা হলো:

ভুল সালাম এবং তার অর্থ:

১. স্লামালাইকুম – অর্থ: উটের নাড়িভুঁড়ি আপনার জন্য!
২. আসসালামালাইকুম – অর্থ: আপনার মৃত্যু হোক!
৩. স্লামালিকুম – অর্থ: আপনার উপর গজব বর্ষিত হোক!
৪. সেলামালাইকুম / আসলা মালিকুম – এসবেও ভুল ও বিকৃত অর্থ বহন করে।

এসব ভুল উচ্চারণ কখনোই সালামের প্রকৃত তাৎপর্য বহন করে না। বরং এগুলো শান্তির বদলে গজব, অভিশাপ এবং অশান্তি কামনার ইঙ্গিত দেয় – যা এক মুসলমানের মুখে থাকা উচিত নয়।

ভুল উত্তরও বিপজ্জনক:

বিভিন্ন সময় সালামের জবাব দিতে গিয়ে এমন কিছু শব্দ ব্যবহার করা হয়, যা অর্থের দিক থেকে ভয়াবহ:

  • অলাইকুম সালাম
  • অলাইকুম আস-সালাম
  • আলিকুম সালাম

এসবও সালামের শুদ্ধ জবাব নয় এবং এর মাধ্যমে নেকি পাওয়ার পরিবর্তে।

মো: তুহিন হোসেন, বরিশাল অফিস।




দুই হাত হারানো গাজার  বালকের ‘বিষন্ন’ ছবি পেলো বর্ষসেরার খেতাব




বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক মুহসিনকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) ইংরেজি বিভাগের সম্মানিত অধ্যাপক ড. মো. মুহসিন উদ্দীনকে সিন্ডিকেট ও একাডেমিক কাউন্সিল থেকে অব্যাহতি দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের নিচতলায় এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে অধ্যাপক মুহসিনকে তাঁর স্বপদে পুনর্বহালের দাবি জানান।

বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের দাবি, অধ্যাপক মুহসিন একজন আদর্শবান শিক্ষক এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র পূর্ণ অধ্যাপক। তিনি সবসময় ন্যায়ের পক্ষে কথা বলেছেন এবং বিশেষ করে ‘জুলাই আন্দোলন’-এর সময় শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁকে ‘স্বৈরাচারের দোসর’ হিসেবে চিহ্নিত করে সিন্ডিকেট ও একাডেমিক কাউন্সিল থেকে বাদ দেওয়া সম্পূর্ণ অন্যায় ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে তারা মন্তব্য করেন।

সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিভাগের শিক্ষার্থী নাফিজ আল জাহাঙ্গীর বলেন, “ড. মুহসিন উদ্দীন ছিলেন জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সাহসী কণ্ঠস্বর। তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন ও ব্যক্তিগত আক্রোশপ্রসূত।”

নবম ব্যাচের শিক্ষার্থী আতিক আবদুল্লাহ বলেন, “আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমাদের শ্রদ্ধাভাজন শিক্ষকের অবমূল্যায়ন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। যদি অবিলম্বে তাঁকে পুনর্বহাল করা না হয়, আমরা কঠোর কর্মসূচিতে যাব।”

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন ইয়াসিন কাজী, রায়হান, রাকিনসহ আরও অনেকে। তাঁরা সবাই এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সোচ্চার অবস্থান জানান।

জানা গেছে, গত ১৩ এপ্রিল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট ও একাডেমিক কাউন্সিলের এক সভায় অধ্যাপক মুহসিন উদ্দীনকে “পতিত সরকারের সমর্থক ও দোসর” হিসেবে উল্লেখ করে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এই বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শুচিতা শরমিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলাম বলেন, “উপাচার্যের নির্দেশে অধ্যাপক মুহসিনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।” তিনি এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।


মো: তুহিন হোসেন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশাল সিটি ভোটে জালিয়াতির অভিযোগ, ট্রাইব্যুনালে মেয়র প্রার্থী ফয়জুল করিমের মামলা

২০২৩ সালে অনুষ্ঠিত বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনে ভোট কারচুপি, সহিংসতা ও নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির ও মেয়র পদপ্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম (শায়খে চরমোনাই) বরিশাল নির্বাচন ট্রাইব্যুনালে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল ২০২৫) দুপুরে বরিশাল সদর সিনিয়র সহকারী জজ ও নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে সরাসরি উপস্থিত হয়ে তিনি মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী নৌকা প্রতীকের আবুল খায়ের আবদুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাতসহ মোট ছয়জনকে বিবাদী করা হয়েছে।

মামলায় ফয়জুল করিম দাবি করেন, ২০২৩ সালের ১২ জুন অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি ‘হাতপাখা’ প্রতীক নিয়ে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। কিন্তু নির্বাচনের দিন বিভিন্ন কেন্দ্রে ভয়ভীতি, হামলা, প্রভাব বিস্তার ও জালিয়াতির মাধ্যমে ফলাফল বিকৃত করা হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, ২২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেরা খাতুন বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে পরিদর্শনে গেলে তার ওপর সশস্ত্র হামলা চালানো হয়, যাতে তিনি গুরুতর আহত হন। বিষয়টি বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারকে লিখিতভাবে জানালেও কোনো আইনগত সহায়তা পাননি।

এছাড়াও মামলায় উল্লেখ করা হয়, জাগুয়া কলেজ কেন্দ্র থেকে হাতপাখা প্রতীকের পোলিং এজেন্টকে জোরপূর্বক বের করে দেওয়া হয় এবং ওই ঘটনায় সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। এমনকি ভোটারদের ভয় দেখাতে বাইরের জেলা থেকে অস্ত্রধারী বহিরাগতদেরও আনা হয়।

ফয়জুল করিম মামলায় দাবি করেন, প্রকৃত ফলাফলে তিনি বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত ফলাফলে তাকে ৩৩,৮২৮ ভোটে পরাজিত দেখানো হয় এবং নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে ৮৭,৮০৮ ভোটে জয়ী ঘোষণা করা হয়।

তিনি বলেন, “ভোট কারচুপি, সহিংসতা ও প্রশাসনিক প্রভাবের কারণে এই নির্বাচন মৌলিকভাবে প্রভাবিত হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত হলে আমার বিজয় নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হবে।”

সিটি কর্পোরেশন আইন, ২০০৯ এবং স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) নির্বাচন বিধিমালা, ২০১০ অনুযায়ী, ফয়জুল করিম ১ নম্বর প্রতিপক্ষের প্রার্থিতা বাতিল করে তাকে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের বৈধ মেয়র ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছেন।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে আইনজীবী শেখ আবদুল্লাহ নাসির বলেন, “আমরা আদালতকে জানিয়েছি, একটি স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থার অধীনে প্রকৃত বিজয়ীকে পরাজিত ঘোষণা করা হয়েছে। তৎকালীন নির্বাচন কমিশনারের মন্তব্য ও প্রশাসনিক নির্লিপ্ততায় ন্যায়বিচার পাওয়া যায়নি। এখন আদালতের মাধ্যমে সেই প্রতিকার চাওয়া হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে প্রশাসনের মাধ্যমে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত হচ্ছে, কিন্তু নগরবাসী কোনো কার্যকর নাগরিক সেবা পাচ্ছে না। তাই জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধি মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিমকে বিজয়ী ঘোষণা করে নির্বাচন ফল বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে।




স্ত্রীর অভিমানে বিষপান, তালতলীতে স্বামীর মর্মান্তিক আত্মহত্যা

 

বরগুনার তালতলীতে স্ত্রীর উপর অভিমান করে মো. জহিরুল ইসলাম (২৪) নামের এক যুবক বিষপানে আত্মহত্যা করেছেন। বুধবার (১৬ এপ্রিল) রাতে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত জহিরুল ইসলাম উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের জাকিরতবক গ্রামের বাসিন্দা মজিবুর রহমানের ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আট মাস আগে পঁচাকোড়ালিয়া ইউনিয়নের চন্দনতলা গ্রামের সবুজ মৃধার মেয়ে লামিয়া আক্তার (১৯) এর সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কলহ চলছিল।

সম্প্রতি ঈদুল ফিতরের সময় স্ত্রী লামিয়া বাবার বাড়িতে চলে যান। এ নিয়ে জহিরুল মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় শ্বশুরবাড়ির আত্মীয়দের সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়। ধারণা করা হচ্ছে, এ ঘটনার কিছুক্ষণ পর রাত ৮টা থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে তিনি বিষপান করেন।

পরিবারের সদস্যরা বিষপানের বিষয়টি বুঝতে পেরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। তবে বরিশাল নেয়ার পথে রাতেই তার মৃত্যু হয়।

তালতলী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহ্জালাল জানান, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে স্ত্রীকে নিয়ে মানসিক চাপে পড়ে যুবকটি আত্মহত্যা করেছে। তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।”


মো: তুহিন হোসেন,
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও তার পরিবারের ব্যাংক হিসাব স্থগিত




নির্বাচনের আগে তিনটি মৌলিক শর্ত পূরণের আহ্বান জামায়াত আমিরের

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশ এক নতুনভাবে স্বাধীনতা পেয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের আগে তিনটি মৌলিক শর্ত পূরণ আবশ্যক।”

বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর গুলশানে হোটেল ওয়েস্টিনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সফর শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

জামায়াত আমির বলেন, “হাজারো মানুষের রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে যা অর্জিত হয়েছে, তা রক্ষা করতে হলে নির্বাচনকে ভিত্তিহীন হতে দেওয়া যাবে না। এজন্য দৃশ্যমান মৌলিক সংস্কার দরকার। আমরা একটি সংস্কারপত্র কমিশনে জমা দিয়েছি।”

তিনি বলেন, প্রথমত রাজনৈতিক দলগুলোকে মৌলিক সংস্কারে অংশগ্রহণ করতে হবে। তারা সহযোগিতা করলে দ্রুত সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি হবে। সহযোগিতা না করলে পুরনো ধারার অনাকাঙ্ক্ষিত নির্বাচনই হবে, যার দায় দলগুলোকেই নিতে হবে।

দ্বিতীয় শর্ত হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, “গণহত্যাকারীদের দৃশ্যমান বিচার করতে হবে, যাতে জনগণের আস্থা ফিরে আসে ও শহীদদের আত্মা শান্তি পায়।”

তৃতীয় শর্ত হিসেবে তিনি বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ফিরিয়ে আনতে হবে। আমি জিতলে নির্বাচন সুষ্ঠু, না জিতলে অনিয়ম—এই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।”

সংবাদ সম্মেলনের শেষ দিকে তিনি বলেন, “শর্ত পূরণ না হলে নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি কতটা রক্ষা পাবে, তা আল্লাহই ভালো জানেন।”

মো: আল-আমিন
স্টাফ রিপোর্টার, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



নতুন রাজনৈতিক দল ‘বাংলাদেশ আ-আম জনতা পার্টি’র আত্মপ্রকাশ, আহ্বায়ক রফিকুল আমীন

রাজনৈতিক অঙ্গনে যুক্ত হলো নতুন নাম—‘বাংলাদেশ আ-আম জনতা পার্টি’। ডেসটিনি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল আমীনের নেতৃত্বে এই দলের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। তিনি দলের আহ্বায়ক এবং ফাতিমা তাসনিম সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানীর বনানীতে শেরাটন হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দলের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।

ঘোষণাপত্র পাঠের সময় রফিকুল আমীন বলেন, “স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও দেশের মানুষ বঞ্চনা ও বৈষম্যের শিকার। এই পরিস্থিতি বদলাতে হলে সবাইকে এক হতে হবে। স্বৈরাচার বিদায় করে মানুষের মৌলিক ও রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় আমাদের দল অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।”

তিনি আরও জানান, দলটি সুশাসন প্রতিষ্ঠা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি, অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠন, সরকারি দপ্তর ও আদালতে ডিজিটাল ব্যবস্থার প্রসার, শিক্ষা ও প্রশাসনে দলীয় প্রভাব হ্রাসসহ সময়োপযোগী উদ্যোগ বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সদস্য সচিব ফাতিমা তাসনিম বলেন, “রাজনৈতিক সচেতনতা না থাকলে দেশে আবার স্বৈরাচার ফিরে আসবে। আমরা অতীতে যেমন স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে ভূমিকা রেখেছি, ভবিষ্যতেও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াব।”

অনুষ্ঠানে ২৯৭ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি ছিল নানা মাত্রায় সমৃদ্ধ।

মো: আল-আমিন
স্টাফ রিপোর্টার, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




আধুনিক মৎস্য অবতরণকেন্দ্র নির্মাণে ২৩২ কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন

পর্যটন নগরী কক্সবাজারে মৎস্যজীবীদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে ২৩২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ হচ্ছে আধুনিক মৎস্য অবতরণকেন্দ্র ও পাইকারি মৎস্য বাজার। বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) সকালে এই প্রকল্পের নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা বলেন, “পর্যটন নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সামুদ্রিক মাছ স্বাস্থ্যসম্মতভাবে অবতরণ ও সংরক্ষণের সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি মাছ বিপণনে গতি আসবে।”

মৎস্যধরা নিষিদ্ধ সময় প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “আগে ৬৫ দিন মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকায় প্রতিবেশী দেশের জেলেরা সুবিধা নিত। এখন তা কমিয়ে ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত ৫৮ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে করে অন্য দেশের জেলেরা বাংলাদেশি জলসীমায় ঢুকে মাছ ধরতে না পারে।”

প্রকল্পের আওতায় বাঁকখালী নদীর পশ্চিম তীরে ৩.৭০ একর জমিতে গড়ে তোলা হচ্ছে অত্যাধুনিক অবকাঠামো। এই নির্মাণকাজ ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন—বিএফডিসির চেয়ারম্যান সুরাইয়া আখতার জাহান, বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত স্যাইদা শিনিচি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. তোফাজ্জেল হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আব্দুর রউফ, জাইকার বাংলাদেশ প্রধান ইচিগুচি টামোহাইদ এবং কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নিজাম উদ্দিন আহমেদ।

অনুষ্ঠানে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দফতরের প্রতিনিধি, মৎস্যজীবী, ব্যবসায়ী ও ফিশিং বোট মালিক সমিতির নেতারাও অংশগ্রহণ করেন।

মো: আল-আমিন
স্টাফ রিপোর্টার, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




বন্ধ হচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীদের আন্দোলনের পথ 

 

চন্দ্রদ্বীপ ডেস্ক:  গত বছরের ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে সরকার পরিবর্তন হলে একের পর এক কর্মসূচি নিয়ে মাঠে ছিলেন সরকারি কর্মচারীরা। সরকারি কর্মচারীদের এমন দলবদ্ধ আন্দোলনের পথ বন্ধ করতে সরকারি চাকরি আইন সংশোধন করছে অন্তর্বর্তী সরকার।

এ জন্য নতুন একটি অধ্যাদেশের খসড়া করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন পেলে শিগগির এ বিষয়ে অধ্যাদেশ জারি করা হবে।  সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সরকারের নির্দেশনার আলোকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি অনুবিভাগ তড়িঘড়ি করে সরকারি চাকরি আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেয়। সাধারণত সংশ্লিষ্ট উইং থেকে ফাইল তৈরি করে আইন সংশোধনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা হাতে হাতে ফাইল প্রস্তুত করেছেন।