ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতের দাবিতে মানববন্ধন

দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতি ও পর্যটনের অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ঝুঁকিপূর্ণ ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়ককে ছয় লেনে উন্নীত করার জোর দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা। এ দাবিতে পটুয়াখালী শহরের চৌরাস্তায় শুক্রবার (২ মে) জুমার নামাজের পর মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এই কর্মসূচির আয়োজন করে পটুয়াখালী ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন।

সংগঠনের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আন নাহিয়ানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশ নেন জেলার বিশিষ্ট নাগরিক ও পেশাজীবীরা। বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি গোলাম কিবরিয়া, পটুয়াখালী ফোরামের সেক্রেটারি অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম কায়সারী, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা গাজী স্বপন।

বক্তারা বলেন, পদ্মা সেতু চালুর পর দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানী ও দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগ সহজ হয়েছে। এর ফলে পর্যটন ও ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটছে। বিশেষ করে কুয়াকাটাকে ঘিরে বিশাল সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে। কিন্তু এই সম্ভাবনার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়কের ভয়াবহ অবস্থা।

তারা জানান, প্রতিদিন এই রুটে প্রচুর যানবাহন চলাচল করে, কিন্তু মহাসড়কটি সরু, ভাঙাচোরা এবং চরম ঝুঁকিপূর্ণ। এর ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে, প্রাণহানি হচ্ছে, অনেকে পঙ্গুত্ববরণ করছেন। একটি পর্যটন নির্ভর অর্থনৈতিক জোনে এমন একটি মহাসড়ক খুবই অগ্রহণযোগ্য।

আব্দুল্লাহ আন নাহিয়ান বলেন, ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীত করা হলে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে। এতে পর্যটন, কৃষি ও বাণিজ্যে অভূতপূর্ব গতি আসবে। এই মহাসড়ক উন্নয়নের মাধ্যমে কুয়াকাটা আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারবে। এজন্য তিনি সরকারের প্রতি দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

স্থানীয় জনগণ মনে করেন, ছয় লেন মহাসড়ক দক্ষিণাঞ্চলকে জাতীয় অর্থনীতির মূল স্রোতে যুক্ত করতে ভূমিকা রাখবে এবং ভাঙন ও অবহেলার শিকার দক্ষিণাঞ্চলের প্রতি সরকারের দৃষ্টিভঙ্গিরও পরিবর্তন ঘটাবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



গণমাধ্যম সূচকে ১৬ ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশ : তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে এক বছরে ১৬ ধাপ অগ্রগতি অর্জন করেছে বাংলাদেশ। এ বিষয়ে আজ শুক্রবার এক প্রতিক্রিয়ায় তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম বলেছেন, দেশের গণমাধ্যমে সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই বলেই এই অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বর্তমানে বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ সকল গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান সরকারের প্রভাবমুক্তভাবে কাজ করছে। কোনো সংবাদমাধ্যমে হস্তক্ষেপ করার জন্য টেলিফোন বা রাজনৈতিক চাপ দেওয়া হচ্ছে না বলেও জানান উপদেষ্টা।

মাহফুজ আলম আরও বলেন, সরকার গণমাধ্যমকে স্বাধীন ও শক্তিশালী করতে চায় এবং সে লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই সূচকে ১৬ ধাপ উন্নতি তারই প্রমাণ। অচিরেই গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী একাধিক সংস্কার কর্মসূচি হাতে নেওয়া হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী বছর বাংলাদেশের অবস্থান আরও উন্নত হবে এবং সাংবাদিক ও গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের পেশাগত অধিকার আরও মজবুতভাবে সুরক্ষিত থাকবে।

‘রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস্’ কর্তৃক প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ইনডেক্স ২০২৫’-এর তথ্যমতে, ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ১৪৯তম। গত বছর এই অবস্থান ছিল ১৬৫তম। এ বছর বাংলাদেশ ১০০ নম্বরের মধ্যে পেয়েছে ৩৩ দশমিক ৭১, যা গত বছরের ২৭ দশমিক ৬৪ থেকে উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন।

তবে পরিসংখ্যানে দেখা যায়, আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সালে দায়িত্ব গ্রহণের সময় বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১২১তম। সেখান থেকে দীর্ঘ ১৫ বছরে মোট ৪৪ ধাপ পিছিয়েছে দেশটি।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, প্রতিবেশী দেশ ভারতের অবস্থান এ বছর বাংলাদেশের চেয়ে দুই ধাপ পিছিয়ে ১৫১তম।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



অননুমোদিত হজ থেকে বিরত থাকতে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অনুরোধ

চলতি হজ মৌসুমে কেউ যেন অনুমতি ছাড়া হজ পালন না করে—এমন সতর্ক অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম মন্ত্রণালয়। সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খল হজ ব্যবস্থাপনা, হজযাত্রীদের নিরাপত্তা এবং সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অটুট রাখার স্বার্থে দেশে ও প্রবাসে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের এ আহ্বান জানানো হয়েছে।

ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলতি হজ মৌসুমে কোনো ব্যক্তি যেন ভিজিট ভিসায় মক্কা কিংবা পবিত্র স্থানসমূহে অবস্থান না করেন। সেই সঙ্গে হজ বিধিমালা লঙ্ঘনকারীদের কোনো ধরনের সহায়তা না করারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভিজিট ভিসায় অবস্থানরত ব্যক্তিদের পৃষ্ঠপোষকতা, পরিবহন, হোটেল বা আবাসনের ব্যবস্থা করে দেয়া, কিংবা সংরক্ষিত হজ এলাকায় প্রবেশে সহায়তা করাও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

এ বিষয়ে সৌদি সরকার কড়া অবস্থানে গিয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, বৈধ হজ পারমিট ছাড়া কেউ পবিত্র নগরী মক্কায় প্রবেশ করলে তাকে ২০ হাজার রিয়াল জরিমানা করা হবে। এমনকি কাউকে সহায়তা করলেও জরিমানা ১ লাখ রিয়াল পর্যন্ত হতে পারে এবং নিজস্ব যানবাহন জব্দের বিধানও রয়েছে। কোনো বিদেশি নাগরিক নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত অবস্থান করলে তাকে দেশে ফেরত পাঠিয়ে ভবিষ্যতের জন্য সৌদিতে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হবে, যা কার্যকর থাকবে ১০ বছর।

২০২৫ সালের হজ মৌসুমের জন্য ২৯ এপ্রিল (১ জিলকদ) থেকে ১০ জুন (১৪ জিলহজ) পর্যন্ত সৌদি আরবে এ বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে। এ সময় ভিজিট ভিসাধারীরা মক্কা ও আশপাশের পবিত্র স্থানগুলোতে প্রবেশ করলে তা কঠোর নজরদারির আওতায় আসবে।

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন, হজ একটি পবিত্র ইবাদত এবং এর ব্যবস্থাপনায় সৌদি আরবের আইন-কানুন যথাযথভাবে মেনে চলা জরুরি। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের প্রায় ৩৫ লাখ মানুষ সৌদিতে কর্মরত এবং এখান থেকেই সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে। তাই কোনো অনৈতিক ও বেআইনি কাজ দেশের স্বার্থকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।”

ধর্ম সচিব একেএম আফতাব হোসেন প্রামানিক বলেন, “হজ একটি দ্বিরাষ্ট্রীয় কার্যক্রম, যেখানে সৌদি আরব নীতিনির্ধারণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশ সরকার অংশীজন হিসেবে কাজ করে থাকে। সুপরিকল্পিত ও শৃঙ্খল হজ ব্যবস্থাপনার জন্য সকল পক্ষকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে।”

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ ২০২৫ সালে একটি সফল ও সুশৃঙ্খল হজ আয়োজন করতে পারবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



আ.লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি নাগরিক পার্টির

জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ এবং দলটির নিবন্ধন বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে এবি পার্টির ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই দাবি জানান।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ৫ আগস্ট দেশের জনগণ রায় দিয়েছে—আওয়ামী লীগ আর কখনও এই দেশে রাজনীতি করার অধিকার রাখে না। গণমানুষের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটে রাজপথে, এবং সেটাই ঘটেছে ৫ আগস্ট। তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ মুজিববাদ ও আওয়ামী লীগকে প্রত্যাখ্যান করেছে। রাজপথে জনগণের অবস্থান, প্রতিবাদ, এবং প্রতিরোধই প্রমাণ করে যে দেশে গণঅভ্যুত্থান ঘটেছে। সেই অভ্যুত্থানই প্রমাণ করে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক ও নৈতিক বৈধতা হারিয়েছে।

তিনি দাবি করেন, আওয়ামী লীগের বহু নেতা-নেত্রী জনরোষের ভয়ে দেশ ছেড়েছেন। তাই এখন সময় এসেছে দলটির সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার। তিনি বলেন, “আমরা গণতান্ত্রিক পন্থায় আওয়ামী লীগের বিষয়ে একটি চূড়ান্ত ফয়সালা চাই।” নাহিদ ইসলাম মনে করেন, আইনি ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দলটিকে নিষিদ্ধ করে বিচারের মুখোমুখি করা উচিত।

তিনি আরও বলেন, “এখন প্রশ্ন হওয়া উচিত, আওয়ামী লীগ এ দেশে আর রাজনীতি করতে পারবে কি না—তা নয়। বরং তাদের কীভাবে নিষিদ্ধ করে আইনত বিচার করা যায়, সেই পথ বের করতে হবে।”

আলোচনায় উপস্থিত রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও বলেন, জনগণের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্র ও সংবিধানের ভেতরে থেকেই আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু করা উচিত।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



ছুটির আনন্দে মুখর বরিশালের পার্কগুলো

সরকারি তিন দিনের ছুটিতে উৎসবের আমেজে মুখর হয়ে উঠেছে বরিশালের বিনোদন কেন্দ্রগুলো। ছুটির এই সময়টিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে নগরীর মানুষ ভিড় করেছেন বিভিন্ন পার্ক ও দর্শনীয় স্থানে। সকাল থেকেই বেলেস পার্ক, প্লাটেন পার্ক, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, স্বাধীনতা পার্ক ও ত্রিশ গোডাউনে উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।

অন্যান্য সময় যে স্থানগুলোতে তেমন ভিড় থাকে না, সেখানে এবার যেন জনস্রোত নেমে এসেছে। নগরবাসীর পাশাপাশি পাশের জেলা ও উপজেলা থেকেও দর্শনার্থীরা এসেছেন ছুটির আনন্দ উপভোগ করতে।

এক দর্শনার্থী সানজিদা ইসলাম মিম বলেন, “সারা বছর কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকি। এই সময়টাতে পরিবারকে সময় দিই। বাচ্চারা খুশি, আমরাও শান্তি পাই।”

আরেকজন দর্শনার্থী রিয়াজুর কবির জানান, “আমার সন্তানরা খেলছে, ঘুরছে। আমরাও বেশ স্বস্তি পাচ্ছি।”

পরিবারগুলোর মতে, এমন সময় একসাথে কাটানোই সবচেয়ে বড় আনন্দ। পার্কগুলোতে ছিল প্রাণের স্পন্দন, হাসি-আনন্দে মুখর এক পরিবেশ।

নগরীর নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ছিল সন্তোষজনক। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ সকল বিনোদন কেন্দ্রের নিরাপত্তা জোরদার করে অতিরিক্ত টহলের ব্যবস্থা নেয়। পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, “ছুটিতে বাড়তি ভিড় হবে এটা আগেই বুঝে সব জায়গায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।”

সাধারণ মানুষ এবং দর্শনার্থীরা আশা করছেন, ভবিষ্যতেও এমন উৎসবমুখর ও নিরাপদ পরিবেশ বজায় থাকবে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / 




কুয়াকাটা সৈকতে পর্যটকদের বিপদ, জোয়ারে ভেসে আসা ভগ্নাংশ!

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে এসে পর্যটকদের আনন্দে ছন্দপতন ঘটাচ্ছে পানির নিচে লুকিয়ে থাকা পুরোনো স্থাপনার ভগ্নাংশ ও জিও ব্যাগ। সামান্য অসতর্কতায় সমুদ্রে নামলেই কেউ না কেউ আহত হচ্ছেন। এই ভয়ানক সমস্যাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়রা এবং পর্যটকেরা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। প্রশাসন ইতিমধ্যে সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানানো হয়েছে।

এক সময় সৈকতের কেন্দ্রীয় স্থান হিসেবে পরিচিত ছিল কুয়াকাটা চৌরাস্তা থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত জিরো পয়েন্ট। পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে এলাকাটি গড়ে তুলতে সরকার সেখানে স্থাপনা নির্মাণ করে। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে উপকূলজুড়ে বেড়েছে ভাঙন। এতে সেসব স্থাপনা সমুদ্রে বিলীন হয়ে পড়ে। এখন পানির নিচে সেগুলোর কংক্রিটের ভগ্নাংশ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। সময়ের ব্যবধানে সৈকতের বালু সরে গিয়ে সেগুলো দৃশ্যমান হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের মতে, পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) যে এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলেছিল, সেখানে এখন ব্যাগের ওপর শ্যাওলা জমে গেছে, ফলে সেগুলো খুব পিচ্ছিল হয়ে গেছে। এর ফলে বহু পর্যটক স্লিপ করে পড়ে যাচ্ছেন। ব্যাগগুলোতে ফাটল ও গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। পুরো সৈকতজুড়ে পেছলে পড়ে বা কেটে গিয়ে আহত হচ্ছেন শত শত মানুষ। সবচেয়ে আশঙ্কাজনক বিষয় হলো, এগুলোর বেশিরভাগই চোখে দেখা যায় না, বরং সমুদ্রের পানির নিচে লুকিয়ে থাকে।

টোয়াকের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন আনু জানান, সম্প্রতি ঈদুল ফিতরের ছুটিতে সৈকতে ভিড় জমায় হাজারো পর্যটক। এরমধ্যে আহত হয়েছেন পাঁচ শতাধিক পর্যটক। এতে অনেকেই চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে ছুটে যান। এ পরিস্থিতি পর্যটন খাতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে। তাই পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জিও ব্যাগ ও পুরোনো ভগ্নাংশ দ্রুত সরানো প্রয়োজন।

এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম জানিয়েছেন, পুরোনো স্থাপনার ভগ্নাংশ সরিয়ে ফেলার কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং পর্যটকদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

পর্যটকদের আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু কুয়াকাটা। এ জায়গাটিকে নিরাপদ রাখার দায়িত্ব প্রশাসনের, স্থানীয়দের এবং সচেতন সকলের। পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



মে দিবসে অশ্রুত কণ্ঠ: সরকারি স্বীকৃতি বঞ্চিত উপকূলের নারী জেলেরা

গতকাল ছিল পহেলা মে, আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। দেশজুড়ে শোভাযাত্রা, স্লোগান আর ব্যানারে ভরে উঠেছে শহরের রাস্তাঘাট। শ্রমিকের অধিকারের কথা ওঠে বারবার। অথচ উপকূলের এক প্রান্তিক শ্রেণি—নারী মৎস্যজীবীরা থেকে যান এই আলোচনার বাইরে, নিঃশব্দে।

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার আগুনমুখা নদীর ঘাটে প্রতিদিন সূর্য ওঠার আগেই দেখা মেলে ৫৭ বছর বয়সী মনোয়ারা বেগমের। দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে নদীতে মাছ ধরছেন তিনি। কিন্তু এখনও পাননি একটি সরকারি জেলে কার্ড। ক্ষোভে-আক্ষেপে বলেন, “এতদিন মাছ মারছি, জাল বাইছি, কিন্তু কাগজে আমি জেলে না। মহিলা হইয়া কি জেলে হওয়া যায় না?”

মনোয়ারার মতো আরও অনেক নারী আছেন যারা পুরুষ সহকর্মীদের মতোই নদীতে মাছ ধরেন, অথচ সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত। ভিজিএফ চাল, প্রণোদনা বা দুর্যোগকালীন ত্রাণ—সব কিছুতেই তারা উপেক্ষিত।

মানতা সম্প্রদায়ের নারী জেলে গোলাভানু বেগমের প্রশ্ন—“এই দুঃখ কই রাখি?” তিনি বলেন, “নদীতেই জন্ম, নদীতেই জীবন, অথচ সরকার কাগজে আমাদের জেলে বলে না।”

সরকারি হিসেবে দেশে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ১৭ লাখ ৬৪ হাজার হলেও নারী জেলের সংখ্যা সেখানে নেই বললেই চলে। পটুয়াখালী জেলায় নারী মৎস্যজীবীর সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার হলেও নিবন্ধন পেয়েছেন মাত্র ৫০০ জন।

ওয়ার্ল্ড ফিশ-এর গবেষক সাগরিকা স্মৃতি জানান, “৯৩ শতাংশ নারী জেলে কোনো না কোনো স্বাস্থ্য সমস্যায় ভোগেন। তারা সবচেয়ে বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকিতে থাকলেও, তাদের কণ্ঠ সবচেয়ে কম শোনা হয়।”

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী বলেন, “নারী জেলেরা মৎস্যখাতের গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হলেও তাদের স্বীকৃতি দেয়া হয়নি। আজ মে দিবসে তাদের কথা না বললে এ দিবস শুধু স্লোগানেই সীমাবদ্ধ থাকবে।”

গলাচিপা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুন্নবী জানান, “মাঠপর্যায়ে যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত মৎস্যজীবীদের নিবন্ধনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।” জেলা মৎস্য কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম বলেন, “নারী মৎস্যজীবীদের নিবন্ধনের বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা এসেছে, প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।”

তবে বাস্তবচিত্র বলছে, কার্যক্রমের অগ্রগতি খুবই ধীর। এখনো উপকূলের এই নারীরা ‘নারী’ পরিচয়ের কারণে জেলে হিসেবে স্বীকৃতি পাচ্ছেন না। যদি এই প্রক্রিয়া দ্রুত বাস্তবায়ন হয়, তবে হয়তো দিনবদলের স্বপ্ন দেখতে পারেন মনোয়ারারা—নারী নয়, পরিচয় হবে ‘জেলে’ বলেই।

মো. আল-আমিন
স্টাফ রিপোর্টার, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




নিষেধাজ্ঞা শেষে জেলেরা নদীতে, কিন্তু নেই কাঙ্ক্ষিত মাছ

দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে বরিশালের মেঘনাসহ কয়েকটি নদীতে মাছ ধরতে নেমেছেন জেলেরা। তবে কাঙ্ক্ষিত মাছের দেখা না মেলায় হতাশ তারা।

গত ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত জাটকা সংরক্ষণে দেশের বিভিন্ন নদীর অভয়াশ্রমে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ছিল। এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিল চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, শরীয়তপুর, ভোলা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর মেঘনা, তেতুলিয়া, পদ্মা, কালাবদর ও গজারিয়া নদী।

নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বুধবার (৩০ এপ্রিল) রাত থেকেই বরিশালের হিজলা, মেহেন্দিগঞ্জ ও সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় জেলেরা দলবেঁধে নদীতে নামেন।
তবে মাছ না থাকায় তাদের হাতে ফিরে এসেছে হতাশা।

হিজলার চর মান্দ্রা কুশরিয়া গ্রামের জেলে নাগর খান বলেন, “রাতভর নদীতে জাল ফেলেছি। কিন্তু খুব একটা মাছ ধরা পড়েনি। এখন নদীতে আগের মতো মাছ নেই।”

বরিশালের জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলম বলেন, “এ বছর জাটকা শিকার তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে। যারা আইন ভেঙেছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

তিনি জানান, নিষিদ্ধ সময়ে বরিশালের নদী থেকে জব্দ করা হয়েছে:

  • ৭৫ মন জাটকা
  • ১২ লাখ গলদা চিংড়ির রেনু
  • ১২ হাজার পাঙ্গাস পোনা
  • অন্যান্য মাছ ৮০ কেজি

এছাড়া উদ্ধার করা হয়:

  • ৩২ লাখ মিটার কারেন্ট জাল
  • ৫ লাখ মিটার ইলিশ সুতার জাল
  • বেহুন্দি জাল ৪৫টি
  • গলদা রেনু জাল ৫৩০টি
  • চরঘেরা জাল ৫৮২টি
  • পাই জাল ৯টি
  • চায়না দুয়ারি ৪০টি
  • কোণা জাল ৩টি
  • পাঙ্গাস শিকারের চাই ১টি
  • ১১টি ট্রলার

আইন লঙ্ঘনের দায়ে ১২ জনকে কারাদণ্ড, তিনটি মামলা ও ৮২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

মাছ কম পাওয়ার বিষয়ে মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, “ঝড় ও বৃষ্টির কারণে নদীতে ইলিশ আসছে না। তবে আগামী ৫-৭ দিনের মধ্যে পরিস্থিতি পরিবর্তন হতে পারে।”


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




গলাচিপায় হিমাগার না থাকায় পচে যাচ্ছে হাজার টন আলু

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় এবার আলুর বাম্পার ফলন হলেও হিমাগার না থাকায় প্রায় তিন হাজার মেট্রিক টন আলু মাঠে-ঘাটে পড়ে নষ্ট হচ্ছে। স্থানীয় বাজারে চাহিদা পূরণ হয়ে যাওয়ার পর অতিরিক্ত উৎপাদিত আলু সংরক্ষণের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় কৃষকেরা এখন চরম বিপাকে। তারা একদিকে যেমন ন্যায্য দাম পাচ্ছেন না, অন্যদিকে প্রতিদিন পঁচে যাওয়া আলুর কারণে বাড়ছে তাদের আর্থিক ক্ষতি।

উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে গলাচিপায় ৩৭০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি। ফলন ভালো হলেও হিমাগার না থাকায় কৃষকদের সেই সফলতা রূপ নিচ্ছে হতাশায়। পাইকারদের আগ্রহ না থাকায় পাকা আলু পড়ে আছে মাঠে, বাড়ির আঙিনায়, অনেক সময় জোয়ারের পানিতেও ভাসছে।

মুরাদনগর গ্রামের কৃষক মো. আলাউদ্দিন জানান, গত বছর লাভের মুখ দেখে তিনি এবার ৫ একর জমিতে ধারদেনা করে আলু চাষ করেছেন। কিন্তু ফলন ভালো হলেও সংরক্ষণের জায়গা না থাকায় অধিকাংশ আলু নষ্ট হচ্ছে। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে তিনি এখন দিশেহারা।

আরেক কৃষক মোসলেম আলী জানান, এক একর জমিতে আলু চাষে তার খরচ হয়েছে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। কিন্তু বিপণনের অভাবে এরইমধ্যে ৩০-৪০ মণ আলু নষ্ট হয়ে গেছে। বাকি আলু বিক্রি করলেও তিনি খরচ তুলতে পারবেন না বলে আশঙ্কা করছেন।

কৃষকদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) প্রথমে কিছু আলু নিলেও ছোট সাইজের হওয়ায় পরে আর নেয়নি। অপরদিকে পাইকাররাও আগ্রহ দেখাচ্ছে না। প্রতিদিন বৃষ্টি আর জোয়ারে মাঠে পড়ে থাকা আলু আরও বেশি নষ্ট হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজু আক্তার জানান, এবার আলুর উৎপাদন সন্তোষজনক হলেও হিমাগার না থাকায় বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হয়েছে। কৃষি বিভাগ পরিস্থিতি সামাল দিতে কৃষকদের বিকল্প কিছু পরামর্শ দিচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, কিছু আলু নষ্ট হয়েছে আবহাওয়ার কারণে। গলাচিপায় হিমাগারের অভাব দীর্ঘদিনের হলেও এবার বিষয়টি জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

দীর্ঘদিন ধরে গলাচিপার কৃষকেরা উৎপাদন বাড়িয়েও বাজার ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা এবং সংরক্ষণের ঘাটতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আসছেন। লাভজনক সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও আলু বর্তমানে লোকসানের ফসলে পরিণত হয়েছে। কৃষি নির্ভর এই জনপদে অবিলম্বে হিমাগার স্থাপন ও সরকারি সহায়তায় সরাসরি বিপণন ব্যবস্থা চালু করা এখন সময়ের দাবি।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



উজিরপুরে শ্রমিকদল নেতাকে বাসচাপা দিয়ে হত্যা, হানিফ পরিবহনের বাস জব্দ

বরিশালের উজিরপুরে মে দিবসের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বাসচাপায় মানিক গাজী (৬৫) নামের এক শ্রমিকদল নেতা নিহত হয়েছেন।
দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (১ মে) দুপুর দেড়টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের সাকুরা পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন এলাকায়।

নিহত মানিক গাজী উজিরপুর উপজেলার ওটরা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ইউনিয়ন পর্যায়ের শ্রমিকদলের সক্রিয় সদস্য ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা হানিফ পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো ব-১২-১৮৫৭) অতিরিক্ত গতিতে সাকুরা পেট্রোল পাম্প এলাকায় পৌঁছালে রাস্তা পার হতে থাকা মানিক গাজীকে চাপা দেয়।
তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

উজিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুস সালাম বলেন, “বাসটি স্থানীয়রা জব্দ করেছে। তবে চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।”

ওসি আরও জানান, বাসের গতি অত্যধিক থাকায় এমন দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় নেতাকর্মী এবং সাধারণ জনগণ হানিফ পরিবহনের গাফিলতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /