সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বড় পরিবর্তন, আসছে নিরাপত্তার কড়া নজরদারি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাম্য হত্যাকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল স্থানে রূপান্তরের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও উদ্যান সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তগুলো জনসমক্ষে তুলে ধরেন। তিনি জানান, রাজু ভাস্কর্যের পেছনের গেটটি স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে। এছাড়া উদ্যান থেকে অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ, মাদক ব্যবসা রোধ এবং পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় সম্মিলিতভাবে অভিযান চালানো হবে।

এই উদ্যোগে অংশ নেবে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। যৌথভাবে এই সংস্থাগুলোর একটি মনিটরিং কমিটি গঠন করা হবে, যা নিয়মিত অভিযান এবং নজরদারি পরিচালনা করবে।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে আধুনিক ও নিরাপদ রাখতে আরও কিছু উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উদ্যানজুড়ে পর্যাপ্ত আলো স্থাপন ও সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে। এসব ক্যামেরার কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ চালানো হবে। একইসাথে উদ্যানে একটি ডেডিকেটেড পুলিশ বক্স স্থাপন করা হবে, যাতে তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

রমনা পার্কের আদলে উদ্যানে একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা চালু করা হবে এবং রাত ৮টার পর জনসাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হবে। এর ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ও অপরাধ প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সরকার এই পদক্ষেপ বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা কামনা করেছে। সাম্য হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ইতোমধ্যেই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং মামলার তদন্ত গুরুত্বসহকারে এগিয়ে চলছে। দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে আর আতঙ্ক নয়, বরং শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য ও শান্তিপূর্ণ স্থান হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে সংশ্লিষ্ট মহল। এই রূপান্তরের মাধ্যমে উদ্যান ফিরে পাবে তার গৌরবময় ঐতিহাসিক ও সামাজিক গুরুত্ব।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



আইএমএফের দুই কিস্তি ছাড়, জুনেই মিলবে ১.৩ বিলিয়ন ডলার

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) চলতি বছরের জুন মাসের মধ্যেই বাংলাদেশকে চতুর্থ ও পঞ্চম কিস্তির সম্মিলিত অর্থ ছাড় করবে। মোট ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়ের এ সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। আজ বুধবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

সরকারি সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে আইএমএফ ও সরকারের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে সতর্কতার সঙ্গে আলোচনা হয়। উভয়পক্ষ রাজস্ব ব্যবস্থাপনা, মুদ্রা বিনিময় হার, ও অন্যান্য কাঠামোগত সংস্কারের বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছে। এর ফলে আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দুটি কিস্তির অর্থ একসঙ্গে ছাড় করার সিদ্ধান্ত বহাল থাকে।

চতুর্থ রিভিউ উপলক্ষে গত এপ্রিলে ঢাকায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এরপর ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত ব্যাংক-ফান্ড সভাতেও বিষয়টি আলোচনায় আসে। উল্লিখিত রিভিউয়ের ফলাফল ইতিবাচক হওয়ায় এখন চূড়ান্তভাবে জুন মাসেই উভয় কিস্তির অর্থ ছাড়ের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।

শুধু আইএমএফ নয়, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলোর দিক থেকেও বাংলাদেশ বড় অঙ্কের বাজেট সহায়তা পাচ্ছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিশ্ব ব্যাংক, এডিবি (এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক), এআইআইবি (এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক), জাপান এবং ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের কাছ থেকে প্রায় ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বাজেট সহায়তা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব অর্থও জুন মাসের মধ্যেই দেশে আসতে পারে বলে সরকার প্রত্যাশা করছে।

এই বাজেট সহায়তা দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ফলে মুদ্রার বিনিময় হারের ওপর চাপ কমবে এবং স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে টাকার মান ধরে রাখা এবং আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সহজ হবে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাজেট সহায়তা পাওয়ার জন্য যেসব সংস্কারমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে, সেগুলো বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থে প্রণীত এবং সরকারের নিজস্ব সিদ্ধান্ত। উন্নয়ন সহযোগীদের ভূমিকা এসব ক্ষেত্রে শুধুমাত্র কারিগরি সহায়তা প্রদান পর্যন্তই সীমাবদ্ধ। অর্থাৎ কোনো সংস্কারই বাইরের চাপ নয়, বরং তা দেশের অর্থনীতিকে দীর্ঘমেয়াদে শক্তিশালী করার জন্য গৃহীত নিজস্ব পদক্ষেপ।

সামগ্রিকভাবে আইএমএফ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সহযোগীদের কাছ থেকে সহায়তা প্রাপ্তি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিতকে আরও মজবুত করবে। ফলে চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দেশ আরও কার্যকরভাবে প্রস্তুত হবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




সেতু আছে, রাস্তা নেই! মই বেয়ে পারাপারে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন হাজারো মানুষ

দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতু, কিন্তু দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় ব্যবহারকারীদের প্রতিদিন পার হতে হচ্ছে মই বেয়ে! ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার গালুয়া ইউনিয়নে এমনই একটি অব্যবস্থাপনার চিত্র স্থানীয়দের ভোগান্তির প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গালুয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পাশে অবস্থিত এই সেতু দিয়ে প্রতিদিন অন্তত দুই হাজার মানুষ যাতায়াত করে। এর মধ্যে রয়েছে স্কুল শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ জনগণ। কিন্তু সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় তাদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম বলেন,“সেতু থাকলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। গত দুই বছর ধরে মই বেয়ে পার হচ্ছি। রোগী, শিশুরা সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছে।”

আবদুর রাজ্জাক নামে আরেক বাসিন্দা বলেন,“গাড়ি তো দূরের কথা, অ্যাম্বুলেন্সও যেতে পারে না। রোগীদের হাসপাতাল পর্যন্ত নিতে হিমশিম খেতে হয়।”

স্থানীয় যুবক তৌহিদুল ইসলাম জানান,“যেহেতু আগের ঠিকাদার কারাগারে, তাই দ্রুত নতুন দরপত্র আহ্বান করে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করতে হবে।”

এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা ব্যয়ে। ঠিকাদার ছিলেন ঝালকাঠি জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও যুবলীগ নেতা সৈয়দ হাদিসুর রহমান মিলন। বর্তমানে তিনি অস্ত্র মামলায় ১৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে আছেন। ঠিকাদার গ্রেফতার হওয়ার পর কাজ থমকে যায় এবং সংযোগ সড়ক নির্মাণ হয়নি।

রাজাপুর উপজেলা প্রকৌশলী অভিজিৎ মজুমদার জানান,“দ্রুত নতুন করে দরপত্র আহ্বান করা হবে। আগামী দেড় মাসের মধ্যে সংযোগ সড়কের কাজ শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে।”

এদিকে ঝালকাঠি এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলাম সরকার জানান,“বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। খুব দ্রুত সমস্যার সমাধান করা হবে।”

অব্যবস্থাপনা ও দেরির কারণে একদিকে যেমন সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার হয়নি, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের চলাচলে প্রতিদিন যোগ হচ্ছে ঝুঁকি ও দুর্ভোগ।


এস এল টি / চন্




ঘুষ কম দেয়ায় মারধর, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ভুক্তভোগীর মাথা ফাটানো

বরিশালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের মহফেজখানায় ভয়াবহ দুর্নীতি ও নির্যাতনের চিত্র সামনে এসেছে। ঘুষ কম দেয়ায় এক সেবা প্রত্যাশীকে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে অফিস সহকারী আলাউদ্দিন মিয়ার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (১৪ মে) দুপুরে।

আহত ব্যক্তি আলমগীর হোসেন, নগরীর রূপাতলী এলাকার বাসিন্দা আব্দুল হাকিমের ছেলে। তিনি জানান, জমির পর্চা তুলতে গেলে দপ্তরের কর্মচারী আলাউদ্দিন তার কাছে ২ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। কিন্তু তিনি মাত্র ২০০ টাকা দিতে চাইলে আলাউদ্দিন ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে মারধর করেন। একপর্যায়ে আঘাতে আলমগীরের মাথা ফেটে যায়। পরে উপস্থিত লোকজন তাকে উদ্ধার করে কাছাকাছি একটি ফার্মেসিতে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।

মহফেজখানার রেকর্ড কিপার জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, অভিযুক্ত আলাউদ্দিন মিয়া তিন মাস আগে অবসরে গেছেন, তবে অনুমতি নিয়ে এখনো রেকর্ড রুমে কাজ করে যাচ্ছেন। যদিও অবসরে যাওয়া একজন কর্মচারী কীভাবে নিয়মিত অফিস করেন, সে বিষয়ে জাহাঙ্গীর কোনো পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

অভিযোগ উঠেছে, দীর্ঘদিন একই দপ্তরে থাকার সুবাদে আলাউদ্দিন মিয়া ও রেকর্ড কিপার জাহাঙ্গীর মিলে গোপন নথিপত্রের অপব্যবহার করে অবৈধ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। এসব গোপন কাগজপত্রের মাধ্যমে নানা ধরনের ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ স্থানীয়দের মাঝেও ব্যাপকভাবে আলোচিত।

দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার (মহফেজখানা) তাসফিয়া কবির ঐশী বলেন,

“এ বিষয়ে আমার জানা ছিল না। ঘটনা সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

ঘটনার পর অভিযুক্ত আলাউদ্দিন মিয়া অফিস থেকে পালিয়ে যান, ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা না নেওয়া হলে এমন ঘটনা পুনরায় ঘটার আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




ভুল চিকিৎসায় রোগীর ১৮টি দাঁতে পচন! তদন্তে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন

আমতলীর এক রোগী ভুল চিকিৎসার শিকার হয়ে ১৮টি দাঁতের পচনে আক্রান্ত হয়েছেন বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় দন্ত চিকিৎসক সোনিয়া আফরিন তালুকদারের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনেন ভুক্তভোগী রুমা আক্তার। তিনি চিকিৎসকের শাস্তির দাবিতে জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

জানা গেছে, বরগুনার আমতলী পৌরসভার ছুরিকাটা এলাকার বাসিন্দা মোসাঃ রুমা আক্তার গত দুই বছর ধরে তালুকদার ডেন্টাল কেয়ারে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। তার অভিযোগ, শুরু থেকেই চিকিৎসক সোনিয়া ভুল চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। সম্প্রতি দাঁতের অবস্থা খারাপ হওয়ায় রুমা ঢাকার পিজি হাসপাতালে দন্ত বিশেষজ্ঞ ডা. এম.এ সরোয়ারের শরণাপন্ন হন। সেখানেই ধরা পড়ে তার ১৮টি দাঁতে পচন ধরেছে। এর মধ্যে দুইটি দাঁত ফেলে দিতে হয় এবং বাকি ১৬টির চিকিৎসা চালু রয়েছে।

ডা. সরোয়ার ওই রোগীর চিকিৎসার বিবরণ দিয়ে একটি প্রত্যয়নপত্র দিয়েছেন, যেখানে রুমার দাঁতের ক্ষতির বিষয়টি বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে। এরপরই রুমা আক্তার প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দায়ের করেন।

রুমা বলেন,“গত দুই বছর ধরে সোনিয়া আফরিনের চিকিৎসায় ছিলাম। তিনি ভুল চিকিৎসা দিয়েছেন। আমার ১৮টি দাঁত নষ্ট হয়েছে। এ ঘটনায় আমি তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

এদিকে অভিযুক্ত চিকিৎসক সোনিয়া আফরিন দাবি করেন,“আমি যথাযথ চিকিৎসাই দিয়েছি। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”

এ বিষয়ে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. চিন্ময় হাওলাদার জানান,“অভিযোগের প্রেক্ষিতে চিকিৎসক সোনিয়াকে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। তিনি কী উত্তর দেন, তা দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং প্রশাসনের দৃষ্টি এখন অভিযোগের তদন্তের দিকেই।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




পায়রা সেতু টোলপ্লাজায় র‌্যাব সেজে ডাকাতি চেষ্টা, আটক ২

পটুয়াখালীর দুমকিতে পায়রা সেতু টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাবের পোশাক পরে ডাকাতির চেষ্টা চালানো আন্তঃজেলা ডাকাত দলের দুই সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৩ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে দুমকি থানার উপ-পরিদর্শক (এএসআই) ফরিদ উদ্দিনের নেতৃত্বে নিয়মিত টহলের সময় এ ঘটনা ঘটে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন— মো. আল আমিন (৪২), পিতা: বারেক দূয়ারী, গুলবাগ, বাউফল, পটুয়াখালী এবং আল আমিন তারেক (৪৩), পিতা: কাশেম, মেরকুঠি, নবীনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

দুমকি থানা সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো চেকপোস্টে দায়িত্ব পালন করছিলেন এএসআই ফরিদ উদ্দিন ও তার টহল দল। রাত সাড়ে ৯টার দিকে বরিশালের দিক থেকে আসা একটি মাইক্রোবাসকে থামার সিগনাল দেওয়া হলে গাড়ির দুই আরোহী ব্যাকডালা খুলে একটি ব্যাগ বের করে। ঠিক তখনই চালক হঠাৎ গাড়ি চালিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।

সাথে সাথে পালানোর চেষ্টাকালে দুইজনকে আটক করে পুলিশ। তাদের কাছে থাকা ব্যাগ থেকে উদ্ধার করা হয়:

  • ২টি পিস্তল
  • ১টি ওয়াকিটকি
  • র‍্যাবের ৩টি পোশাক
  • ৫টি মোবাইল ফোন
  • ২টি গাড়ির নম্বর প্লেট

দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জাকির হোসেন জানান, “আটকদের বিরুদ্ধে মামলার প্রক্রিয়া চলছে। জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে আসছেন। আমরা আইনি প্রক্রিয়ায় কাজ করছি।”

পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, আটককৃতরা একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য এবং ভুয়া র‌্যাব পরিচয়ে মহাসড়কে ডাকাতির পরিকল্পনা করছিল।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




গৌরনদী ভূমি অফিসে দালালমুক্ত সেবা, ফিরেছে জনআস্থা

বরিশালের গৌরনদী উপজেলা ভূমি অফিস এক সময় যেখান থেকে হয়রানি, দালাল চক্র ও অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ শোনা যেত, সেই চিত্র এখন সম্পূর্ণ বদলে গেছে। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগে অফিসটি এখন জনআস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে।

এই পরিবর্তনের মূল কারিগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাজিব হোসেন। সাত মাস আগে দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই তিনি একের পর এক সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। “এক দিনে আবেদন, এক দিনে নামজারি”—এই ক্র্যাশ প্রোগ্রামের মাধ্যমে ইতোমধ্যে ৫০০’রও বেশি নামজারি সম্পন্ন করা হয়েছে।

জনবল সংকট থাকা সত্ত্বেও অফিসকে সুশৃঙ্খল রাখতে নিয়মিত তদারকি, কর্মচারীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং অনিয়মে জড়িতদের বদলি ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন তিনি। এতে ভূমি অফিসের সেবাগ্রহীতারা এখন আর হয়রানির শিকার হচ্ছেন না।

সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে ছয়জন তহশিলদার ও দুইজন কর্মচারীকে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছে। দালালচক্র দমনে আটক করা হয়েছে ছয়জনকে, যাদের মধ্যে একজনকে কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। দখলদারদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় ৩০ একর সরকারি জমি এবং রাজস্ব আদায় হয়েছে প্রায় পৌনে ১ কোটি টাকা

খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের মাগুরা গ্রামের মিজানুর রহমান বলেন, “এক দালাল আমার কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা নিয়ে কাজ করতে পারেনি। এসিল্যান্ড স্যারের হস্তক্ষেপে টাকা ফেরত পেয়েছি, নামজারিও সম্পন্ন হয়েছে।”

সুন্দরদী গ্রামের স্বরস্বতি দাস বলেন, “আগে অফিসে দালাল ছাড়া কাজ হতো না, এখন আমরা সরাসরি এসিল্যান্ড স্যারের সাথে কথা বলেই সেবা পাচ্ছি।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আরা মৌরি বলেন, “গৌরনদী ভূমি অফিস এখন দুর্নীতিমুক্ত হিসেবে গর্ব করতে পারে। জনবল সংকটের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।”

বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, “গৌরনদী ভূমি অফিস এখন জেলার অন্য অফিসগুলোর জন্য আদর্শ। এই পরিবর্তন একটি দৃষ্টান্ত, যা আমরা অন্য উপজেলাগুলোকেও অনুসরণ করতে বলি।”

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাজিব হোসেন জানান, “দালালদের হাত থেকে জনগণকে মুক্ত করতে এবং অফিসকে সেবার জায়গা হিসেবে গড়ে তুলতেই কাজ করছি। দুর্নীতিতে জড়িত কেউ ছাড় পাবে না।”


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




দ্রুত নির্বাচন চায় বিএনপি: সরোয়ার

বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক হুইপ অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার বলেছেন, “যৌক্তিক সংস্কার দ্রুত শেষ করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এখনই জাতীয় নির্বাচনের আয়োজন করা উচিত।”

তিনি বলেন, ভোটাধিকার বঞ্চিত জনগণ তাদের পছন্দের জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। দেশের প্রকৃত শাসন ও সংস্কার তৎকালীন নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতেই হওয়া উচিত।

গত ১৪ মে (বুধবার) বরিশাল নগরীর অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় আয়োজিত দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

সরোয়ার আরও বলেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাচ্ছে। সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাগর হত্যাকাণ্ড তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে দ্রুত নির্বাচন অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

সরোয়ার অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন খালেদা জিয়াকে চিকিৎসা না দিয়ে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। উন্নত চিকিৎসার সুযোগ থেকেও তাকে বিদেশে যেতে দেওয়া হয়নি। এখন শেখ হাসিনা বিদেশে আর খালেদা জিয়া দেশে—এটাই বাস্তবতা বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, “বর্তমানে যারা দেশে অবস্থান করছে এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করছে—তাদের ছাড় দেওয়া হবে না।” একইসঙ্গে দলের ভেতর যারা বিশৃঙ্খলা করছে তাদেরকেও সর্তক করে দেন এবং বলেন, দলের কোনো নেতাকর্মীর ব্যক্তিগত অপরাধের দায় দল নেবে না।

বরিশালে চাঁদাবাজি বা কোনো ধরনের অরাজকতা বরদাশত করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন সরোয়ার। তিনি বলেন, দলের ভাবমূর্তি নষ্টকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে কেন্দ্র প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি আরও জানান, তারেক রহমান শিগগিরই দেশে ফিরবেন এবং দলের নেতৃত্ব গ্রহণ করবেন। সেই লক্ষ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খান রাজন, জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান ইসলাম চৌধুরী বাবুল, অ্যাডভোকেট মহসিন মন্টু, সৈয়দ হাসান, আনোয়ারুল হক তারিন, সৈয়দ আকবর, কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ হাসান মামুন, এবং মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তরিক প্রমুখ।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




বরগুনা আদালতে বিচারক সংকট, ন্যায়বিচারে ভোগান্তি

বরগুনা জেলা জুড়ে আদালত ব্যবস্থা এখন তীব্র সংকটে। বিচারক ও অবকাঠামোগত ঘাটতির কারণে প্রতিদিন হাজারো বিচারপ্রার্থীকে নানান বিড়ম্বনার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এতে শুধু মামলার দীর্ঘসূত্রিতা বাড়ছে না, বরং জনগণের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকারও হুমকির মুখে পড়েছে।

জেলা আদালত সূত্রে জানা গেছে, বরগুনায় বর্তমানে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা প্রায় ২৬ হাজার। অথচ ২১টি বিচারকের পদের মধ্যে ৬টি পদই শূন্য পড়ে আছে। বিচারকের অভাব এবং এজলাস সংকটের কারণে একই এজলাস ভাগাভাগি করে বিচারকরা পালাক্রমে বিচারকার্য পরিচালনা করছেন। এর ফলে মামলার নিষ্পত্তি বিলম্বিত হচ্ছে।

প্রতিদিন গড়ে ২ হাজারের বেশি মানুষ আদালত সংশ্লিষ্ট কাজে বরগুনার আদালত প্রাঙ্গণে আসেন। কিন্তু বসার উপযুক্ত ব্যবস্থা না থাকায় নারী, শিশু ও বয়স্কদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বারান্দা ও খোলা মাঠে দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন শত শত মানুষ। তপ্ত রোদ কিংবা বৃষ্টির মধ্যে তাদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে খোলা জায়গায়। আদালতের ভেতরে প্রবেশ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে আইনজীবীদের জন্য।

দীর্ঘদিন ধরে বরগুনা সদর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে বিচারক না থাকায় মামলার জট বাড়ছেই। ২০০৭ সালে জমিজমা সংক্রান্ত মামলায় আদালতের শরণাপন্ন হয়েছিলেন বেতাগীর জামাল ইবনে মুসা। ১৮ বছর পার হলেও আজও তার মামলার সুরাহা হয়নি। একই অবস্থা কাজল রেখার, যিনি ২০১২ সালে মামলা দায়ের করেছিলেন, এখনো কোনো নিষ্পত্তি পাননি।

বরগুনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান বলেন, “বিচারক সংকটের কারণে মামলার জট প্রকট আকার ধারণ করেছে। যত দ্রুত শূন্যপদ পূরণ হবে, তত দ্রুত সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার পাবে।”

চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়ে সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বলেন, “বর্ষায় লোকজন ভিজে থাকে, গরমে মাঠে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। একটি ভবন হলে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব।”

চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. আকতার হোসেন জানান, “প্রতিদিন এজলাস সংকট ও বিচারক সংকটের কারণে কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে, দাপ্তরিক কাজেও বিঘ্ন ঘটছে। নতুন ভবন হলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে।”

পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন বলেন, “পার্শ্ববর্তী জেলায় চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভবন থাকলেও বরগুনায় এখনো হয়নি। আমরা সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি।”

বরগুনাবাসীর একটাই দাবি—বিচারক ও অবকাঠামোগত সংকট দ্রুত সমাধান করে, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হোক।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




কুরবানির জন্য প্রস্তুত অতিরিক্ত পশু: খামারিরা ব্যস্ত পরিচর্যায়

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে পিরোজপুরে কুরবানির পশুর চাহিদা পূরণের জন্য খামারিরা প্রস্তুতি নিয়েছেন। তবে এবার চাহিদার চেয়ে বেশি পশু প্রস্তুত রয়েছে, যার ফলে খামারিদের ব্যস্ততা বেড়ে গেছে। ঈদ যতই কাছে আসছে, ততই খামারিরা তাদের পশুর পরিচর্যায় সময় কাটাচ্ছেন।

পিরোজপুরে কুরবানির জন্য প্রয়োজনীয় পশুর চাহিদা ৪০,২৫৭টি হলেও প্রস্তুত রয়েছে ৪৬,৭১৭টি পশু। অর্থাৎ, এবারের কুরবানি সিজনে অতিরিক্ত ৬,৪৬০টি পশু প্রস্তুত রয়েছে। জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এই অতিরিক্ত পশু দেশের অন্যান্য অঞ্চলের চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে।

পিরোজপুরের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুদেব সরকার জানান, এবারে ২৬,৯২০টি গরু, ২১০টি মহিষ, ১৭,৭০০টি ছাগল এবং ১,৮৮৭টি ভেড়া প্রস্তুত রয়েছে। এছাড়া, প্রাক-ঈদে উদ্বৃত্ত পশু সড়কপথে ঢাকা এবং নিকটস্থ বিভাগীয় শহরে নিয়ে বিক্রয়ের সুযোগ রয়েছে।

এবার পিরোজপুরে প্রস্তুত পশুর বাজারমূল্য প্রায় ২১৮ কোটি ৩২ লাখ টাকা হতে পারে। এই বিশাল লেনদেনের মাধ্যমে জেলার অর্থনীতি কিছুটা চাঙ্গা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পিরোজপুরের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রানা মিয়া জানিয়েছেন, জেলার প্রায় প্রতিটি গ্রামে খামার গড়ে উঠেছে। তিনি বলেন, “খামারি ও আমাদের কর্মকর্তাদের যৌথ প্রচেষ্টায় এটি সম্ভব হয়েছে। যদি সারা দেশে গরু মোটা-তাজাকরণের খামার গড়ে তোলা যায়, তাহলে একদিকে যেমন মাংসের ঘাটতি পূরণ হবে, তেমনি বেকারত্বের সমস্যা কিছুটা কমবে।”

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম