রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় সাবেক সিইসি হাবিবুল আউয়াল ৩ দিনের রিমান্ডে

রাষ্ট্রদ্রোহ ও প্রহসনের নির্বাচনে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সাবেক) কাজী হাবিবুল আউয়ালকে ৩ দিনের রিমান্ডে দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। শেরে বাংলা নগর থানার দায়ের করা মামলায় রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ।

বেলা ১২টা ৫০ মিনিটে হাবিবুল আউয়ালকে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এরপর তাকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও শেরে বাংলা নগর থানার উপ-পরিদর্শক শামসুজ্জোহা সরকার তদন্তের স্বার্থে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর (ডিএমপি পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। অন্যদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত বুধবার সকালে রাজধানীর মগবাজার এলাকা থেকে হাবিবুল আউয়ালকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্বে থাকাকালে রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে থেকে অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে পরিকল্পিতভাবে একটি পক্ষীয় নির্বাচন আয়োজন করেন, যা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের শামিল।

এ বিষয়ে পুলিশের ভাষ্য, তদন্তে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতেই রিমান্ড প্রয়োজন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




সরকারে থেকেও ‘অবরুদ্ধ ও দুর্বল’ মনে করছেন আসিফ নজরুল

আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, অর্ন্তবর্তী সরকারে দায়িত্ব পালনকালে তিনি নিজেকে “শক্তিহীন, দুর্বল ও অবরুদ্ধ” মনে করছেন। তিনি বলেন, জনগণের সেবক হয়েও তিনি স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন না, বরং বারবার কুৎসা, গুজব ও অপপ্রচারের শিকার হচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের আয়োজিত বিশেষ সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।

আসিফ নজরুল বলেন, “আমার কাছে প্রতিদিন অন্যায় তদবির আসে। তদবির না মানলেই আমাকে ভারতের দালাল বলা হয়। ভিডিও বানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে মিথ্যাচার চালানো হয়। আমি কিছু বলি না, কোনো মামলা করি না—দায়িত্বে আছি বলে সব মেনে নিচ্ছি।”

তিনি বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়ায় যা খুশি তা বলা হচ্ছে। মনে হচ্ছে আমি কখনও এতটা দুর্বল, অসহায় আর অবরুদ্ধ ছিলাম না, যতটা এখন সরকারের অংশ হয়ে অনুভব করছি।”

আইন উপদেষ্টা বলেন, “সংস্কার একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। আজ যারা দুর্বল অবস্থানে আছেন, তাদের হুট করে উন্নত পর্যায়ে তোলা যায় না। আমাদের প্রয়োজন ইনক্রিমেন্টাল রিফর্ম—ধাপে ধাপে সংস্কার। আপনাদের পক্ষ থেকে প্রস্তাব এলে আমরা সেটি বাস্তবায়নে কাজ করব।”

প্রথম আলোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, “জাফরুল্লাহ চৌধুরীর নামের পাশে বিএনপিপন্থী লেখা হয়, কিন্তু আনিসুজ্জামান বা জাফর ইকবালের নামের পাশে আওয়ামী লীগপন্থী লেখা হয় না। এটা দ্বিচারিতা।”

আসিফ নজরুল বলেন, “দেশে বিচার বিভাগ ও পুলিশের মধ্যে সংস্কার সবচেয়ে জরুরি। আমরা ডিজিটাল কোর্ট চালু করেছি ঢাকা ও চট্টগ্রামে। ধাপে ধাপে আরও আদালতকে ডিজিটাল করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “অনেক মিথ্যা মামলা হয়, অনেকেই হয়রানির শিকার হন। এগুলোর তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে মামলা পুলিশ করে, সরকার নয়।”

২৬৬ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা হলেও মাত্র ১৫ জন গ্রেফতার হয়েছেন জানিয়ে আইন উপদেষ্টা বলেন, “মামলা হলে জামিন পাবে কিনা, সেটা একান্তভাবে বিচারকের এখতিয়ার। বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করে; আইন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কোনো নির্দেশনা দেয় না।”


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




জিরো সয়েল বাস্তবায়নে চাই সম্মিলিত উদ্যোগ: পরিবেশ উপদেষ্টা

ঢাকার ধুলাবালি ও পরিবেশ দূষণ রোধে ‘জিরো সয়েল’ কর্মসূচির বাস্তবায়নে সবার সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, নগরীর খোলা জায়গা মাটি দিয়ে না রেখে ঘাস বা লতাগুল্ম দিয়ে ঢেকে দিতে হবে, বাড়ির ছাদে লাগাতে হবে গাছ।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) রাজধানীর পূর্বাচলে বন অধিদপ্তর ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক বনায়ন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় পূর্বাচলের হারার বাড়ি চত্বরে। এসময় সড়ক বিভাজক, ফুটপাত, খালপাড় এবং অন্যান্য জায়গায় গাছের চারা রোপণ করা হয়।

পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, “জিরো সয়েল শুধু সরকারের একক দায়িত্ব নয়—সিটি করপোরেশন, বন বিভাগ ও সাধারণ মানুষ সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। যাঁর যতটুকু সামর্থ্য, ততটুকু গাছ লাগাতে হবে। ঢাকাকে সবুজায়নের মাধ্যমে একটি নতুন দৃষ্টান্ত হিসেবে গড়ে তুলতে চাই সেপ্টেম্বরের মধ্যেই।”

তিনি আরও বলেন, “বনভিত্তিক পরিবেশ সৃষ্টি না করলে শুধু আবাসনই টিকবে না। আমাদের ইকোসিস্টেম রক্ষা করতে হবে। বন তৈরি করা যায় না, এটা প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠে।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম, বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী এবং ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ।

ডিএনসিসির সূত্র মতে, ভবিষ্যতে ১২০ কিমি মিডিয়ান এবং ১০৮ কিমি খালপাড় সবুজায়ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উত্তরা ও পূর্বাচল এলাকায় যৌথভাবে বনায়ন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে, যেখানে স্থানীয় জনগণ ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠান শেষে পরিবেশ উপদেষ্টা বনানী কবরস্থানের পাশের রাস্তায় ঘাস রোপণ করে ‘জিরো সয়েল’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




“গণতন্ত্র ছাড়া মানবাধিকার নিশ্চিত নয়” — তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, গণতন্ত্রকে গতিশীল ও ধারাবাহিক রাখতে না পারলে দেশে একমাত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার পুনঃপ্রবর্তনের ঝুঁকি বাড়ে। মানবতা, ন্যায়বিচার, আইনের শাসন ও অবাধ নির্বাচনভিত্তিক একটি গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য গড়ে তুলতে সকল গণতান্ত্রিক শক্তির মধ্যে ঐক্য অপরিহার্য।

জাতিসংঘ ঘোষিত নির্যাতিতদের প্রতি সমর্থনের আন্তর্জাতিক দিবস (২৬ জুন) উপলক্ষে বুধবার (২৫ জুন) দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, “এই দিবসের তাৎপর্য অপরিসীম। প্রতি বছর ২৬ জুন নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সংহতি জানানোর জন্য এ দিবসটি পালন করা হয়। অথচ বিশ্বজুড়ে এখনো বহু রাষ্ট্রে মানুষ চরম দমন-পীড়নের শিকার হচ্ছেন।”

তিনি বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্বাধীনতা আসলেও সহিংসতা থামেনি। নানা দেশে একনায়কতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা বিরোধীদের দমন করতে গুম, খুন, ও মিথ্যা মামলার আশ্রয় নিচ্ছে।

বাংলাদেশ প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, “গত প্রায় ১৬ বছর ধরে দেশে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শাসন চলেছে। এই সময়ে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে, সংবাদমাধ্যম শৃঙ্খলে আবদ্ধ ছিল। গণতন্ত্রের প্রতীক দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় অন্যায়ভাবে কারাবন্দি রাখা হয়েছে।”

তিনি অভিযোগ করেন, এ সময় বিচারহীনতার সংস্কৃতি জেঁকে বসে, যার ফলে সাধারণ মানুষ—বিশেষ করে নারী ও শিশুরা—নিরাপত্তাহীনতায় ভুগেছে।

তারেক রহমান বলেন, “আমরা ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্ত হলেও এখনও গণতন্ত্রের চর্চা শুরু হয়নি। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে ‘মব জাস্টিস’-এর হিংস্র উত্থানে। গণতন্ত্রকে গতিশীল রাখতে হলে এধরনের প্রবণতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।”

বিবৃতির শেষে তিনি বাংলাদেশের পাশাপাশি বিশ্বের সকল নির্যাতিত মানুষের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণতন্ত্রকামী মানুষদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।




“বাংলাদেশ ছিল আমার কূটনৈতিক জীবনের ব্যতিক্রম অভিজ্ঞতা” — ট্রেস্টার

বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত অ্যাকিম ট্রেস্টার চার বছরের কূটনৈতিক দায়িত্ব শেষে আজ বুধবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন। রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, উন্নয়ন সহযোগিতা ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাক্ষাৎকালে অধ্যাপক ইউনূস রাষ্ট্রদূত ট্রেস্টারকে তার সফল কূটনৈতিক দায়িত্ব পালনের জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি বাংলাদেশ-জার্মানি সম্পর্ক উন্নয়নে রাষ্ট্রদূতের অবদানকে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “উন্নয়নের যাত্রায় জার্মানি সবসময় আমাদের নির্ভরযোগ্য অংশীদার। ইউরোপে জার্মানি আমাদের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার, এবং উন্নয়ন সহযোগিতায় তাদের ভূমিকার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।”

রোহিঙ্গা সংকটে জার্মানির মানবিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “জার্মানির অব্যাহত সহায়তা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ সহায়তা বিশ্বসম্প্রদায়ের কাছে মানবতার একটি অনন্য উদাহরণ।”

বিদায়ী রাষ্ট্রদূত অ্যাকিম ট্রেস্টার বলেন, “বাংলাদেশ আমার কূটনৈতিক জীবনের অন্যতম সেরা পোস্টিং। এখানকার মানুষের আন্তরিকতা ও আতিথেয়তা আমাকে মুগ্ধ করেছে। আমি কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা নিয়ে বাংলাদেশ ছাড়ছি।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের উন্নয়ন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার কাঠামোর সংস্কার প্রক্রিয়ায় সফলতা কামনা করি। ইনভেস্টমেন্ট সামিটের মতো উদ্যোগগুলো ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। আশা করি, সামনে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।”

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “রাষ্ট্রদূত ট্রেস্টার আমাদের প্রকৃত বন্ধু হিসেবে বিবেচিত হবেন। আপনি বাংলাদেশ ছাড়লেও আমরা ভবিষ্যতেও আপনার মতামত শুনতে আগ্রহী থাকব—তা সমালোচনামূলক হলেও।”

সাক্ষাতে এসডিজি সমন্বয়কারী ও সিনিয়র সচিব লামিয়া মোর্শেদ এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পশ্চিম ইউরোপ ও ইইউ অনুবিভাগের মহাপরিচালক মো. মোশাররফ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।




প্রধানমন্ত্রীর ১০ বছর মেয়াদে রাজি বিএনপি, তবে রয়েছে কিছু শর্ত

প্রধানমন্ত্রীর পদে সর্বোচ্চ ১০ বছর মেয়াদ নির্ধারণে শর্তসাপেক্ষে একমত হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তবে ‘জাতীয় সাংবিধানিক পরিষদ (এনসিসি)’ বা এ ধরনের কোনো নিয়ন্ত্রক বডি যদি নির্বাহী ক্ষমতায় হস্তক্ষেপ করে, তাহলে বিএনপি এমন কোনো প্রস্তাব গ্রহণ করবে না বলে জানিয়েছে দলটি।

বুধবার (২৫ জুন) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত ‘ঐকমত্য কমিশনের’ বৈঠক শেষে এ কথা জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন, “আমরা শর্তসাপেক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সর্বোচ্চ ১০ বছর মেয়াদে একমত হয়েছি। তবে এনসিসির মতো যদি কোনো কাঠামো নির্বাহী ক্ষমতার ওপর হস্তক্ষেপ করে, তাহলে আমরা সে প্রস্তাব মেনে নেব না। সেই অবস্থায় আমাদের আগের অবস্থানই বহাল থাকবে।”

বৈঠকে আলোচনার প্রধান তিনটি বিষয় ছিল—সংবিধানের মূলনীতি, সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ কমিটি এবং প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ।

সালাহ উদ্দিন জানান, সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে “সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, গণতন্ত্র ও ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি” সংযুক্ত করার প্রস্তাব এসেছে। তবে এ বিষয়ে এখনো ঐকমত্য হয়নি। তিনি আরও জানান, পঞ্চম সংশোধনীতে অন্তর্ভুক্ত কিছু অনুচ্ছেদকেও পুনরায় যুক্ত করার কথা বলেছে বিএনপি।

এদিকে এনসিসির পরিবর্তে ‘নিয়োগ কমিটি’ গঠনের একটি প্রস্তাবও বৈঠকে ওঠে। এতে সদস্য থাকবেন প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের দুই স্পিকার (উচ্চ ও নিম্নকক্ষ), বিরোধীদলীয় নেতা, অন্যান্য বিরোধী দলের একজন প্রতিনিধি, রাষ্ট্রপতির একজন প্রতিনিধি এবং প্রধান বিচারপতির মনোনীত একজন আপিল বিভাগের বিচারপতি। তবে সেনাবাহিনী প্রধান ও অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ এ কমিটির আওতার বাইরে থাকবে বলে জানানো হয়।

সালাহ উদ্দিন আরও বলেন, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের ক্ষেত্রে যেসব আইনি কাঠামো রয়েছে, সেগুলো সংস্কার করে সার্চ কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। এর জন্য প্রয়োজনীয় আইনি বিধান সংযোজনেরও তাগিদ দেন তিনি।

বিএনপির এ নেতা বলেন, “যদি কেয়ারটেকার সরকারের অধীনে একটি স্বাধীন নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনা করতে পারে, বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দুদকসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যায়—তাহলে সেগুলোই গণতন্ত্র রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।”

তিনি বলেন, শুধুমাত্র নির্বাহী ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা আরোপ করে রাষ্ট্র পরিচালনায় ভারসাম্য আনা সম্ভব নয়। প্রয়োজন হলো, চেক অ্যান্ড ব্যালেন্সের কার্যকর কাঠামো গঠন।

সংবিধান সংশোধন ও রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কার নিয়ে চলমান ‘ঐকমত্য কমিশন’-এর আলোচনায় প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ ১০ বছর নির্ধারণের প্রস্তাব এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি। বিষয়টি এখনও পেন্ডিং রয়েছে বলে জানান বিএনপির এই শীর্ষ নেতা।




মাদক প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার রোধে জনসচেতনতা বাড়িয়ে সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বুধবার (২৫ জুন) ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস ২০২৫’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।

বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আন্তর্জাতিকভাবে মাদকবিরোধী দিবস পালিত হচ্ছে—এটি অত্যন্ত আনন্দের বিষয়। তবে শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, আমাদের এই দিবসকে কার্যকর করতে হবে সার্বিক প্রয়াসের মাধ্যমে।”

তিনি বলেন, “মাদক পাচার ও এর অপব্যবহার একটি জটিল ও বহুমাত্রিক সমস্যা। এর কবলে পড়ে দেশের বহু তরুণ-তরুণী মেধা ও সৃজনশীলতা হারাচ্ছে। এর ফলে জনস্বাস্থ্য, পরিবার, অর্থনীতি, আইন-শৃঙ্খলা, এমনকি জাতীয় নিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়ছে।”

মাদক নিয়ন্ত্রণে সরকারের নানা উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “মাদক নির্মূলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর, পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ডসহ সব আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং মাঠ প্রশাসনকে সম্মিলিতভাবে পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যেতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “শুধু আইন প্রয়োগ নয়, মাদকবিরোধী সচেতনতা বাড়াতে হবে ঘরে ঘরে, সমাজে সমাজে। এজন্য বেসরকারি সংগঠন, শিক্ষক, অভিভাবক, ধর্মীয় নেতা, চিকিৎসক, সমাজকর্মী, শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”

দিবসটি উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সফলতা কামনা করে তিনি বলেন, “সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমেই আমরা গড়তে পারি একটি নিরাপদ, সুন্দর, মাদকমুক্ত বাংলাদেশ।”

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




“আসিফ মাহমুদের লাগাম টানুন, না হলে আন্দোলন তীব্র হবে” — ইশরাক

বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে যদি কোনো প্রতিহিংসামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তাহলে আন্দোলন নগর ভবন ছাড়িয়ে রাজপথে গড়াবে। স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বক্তব্যের লাগাম না টানার অভিযোগ এনে তিনি বলেন, তার মন্তব্যে ঢাকার নাগরিকদের অপমান করা হয়েছে, এজন্য তাকে অবশ্যই ক্ষমা চাইতে হবে।

বুধবার (২৫ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন সাবেক ডিএনসিসি মেয়রপ্রার্থী ইশরাক হোসেন।

তিনি জানান, আন্দোলনের কারণে নাগরিকদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেবা বিঘ্নিত হচ্ছিল। জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে তার অনুরোধে আন্দোলনকারীরা গত সোমবার থেকে নগর ভবনের কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এটি সরকারের কোনো চাপ কিংবা আন্দোলনের দাবির সুরাহার কারণে হয়নি।

ইশরাক বলেন, “নগর ভবনের কর্মকর্তারা কোরবানির ঈদের পর দৈনন্দিন সেবা চালুর উদ্যোগ নিলেও স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আঞ্চলিক কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন জন্ম, মৃত্যু, নাগরিক ও ওয়ারিশ সনদ না দিতে। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে সেবা থেকে বঞ্চিত করে আন্দোলনকারীদের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা চালানো হয়। আমরা এই চক্রান্ত ভেস্তে দিয়েছি।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার নেপথ্যে ছিল দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তারা। যাদের মধ্যে গোলাম কিবরিয়া রুবেলের নাম উঠে এসেছে। তিনি স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত এবং তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির একাধিক অভিযোগ রয়েছে। আসিফ দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই রুবেল তার ‘লুটপাটের হাতিয়ার’ হয়ে ওঠে।”

সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক বলেন, “আসিফ মাহমুদ দাবি করেছেন, বিএনপির এক নেতার ইন্ধনে আমি আন্দোলন করছি। এই বক্তব্যের মাধ্যমে ঢাকার লাখো ভোটারকে অপমান করা হয়েছে। এভাবে আন্দোলনকারীদের পশুর মর্যাদায় নামিয়ে আনা হয়েছে। এজন্য তাকে অবশ্যই নাগরিকদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “আসিফ বলেছেন, আমাকে ‘মিসগাইড’ করা হয়েছে। এই ধরনের ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি আমাকে অপমান করেছেন এবং নিজেকে শ্রেষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরেছেন। এই বক্তব্যের মাধ্যমে ঢাকাবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলনকেও তাচ্ছিল্য করা হয়েছে।”

সংবাদ সম্মেলনের শেষে ইশরাক হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো রকম প্রতিহিংসামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হলে আন্দোলন নগর ভবনেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, তা রাজপথে ছড়িয়ে পড়বে।”




বৃক্ষমেলা ও পরিবেশ মেলায় পরিবেশ রক্ষায় ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপস্থাপন

দেশের সব সুপারশপ এখন শতভাগ পলিথিনমুক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি জানান, পরিবেশ রক্ষায় পলিথিনের ব্যবহার বন্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং একবার ব্যবহারযোগ্য ১৭টি প্লাস্টিক পণ্য নিরুৎসাহিত করতে নিরবচ্ছিন্ন কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

বুধবার (২৫ জুন) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান উপলক্ষে আয়োজিত বৃক্ষমেলা ও পরিবেশ মেলা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান তিনি।

তিনি বলেন, “সুপারশপগুলো শতভাগ পলিথিনমুক্ত হয়েছে। পাট, কাগজ ও কাপড়ের মতো পরিবেশবান্ধব বিকল্প পণ্যের ব্যবহার বাড়াতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।”

পরিবেশ উপদেষ্টা জানান, প্লাস্টিক দূষণ রোধে নিষিদ্ধ পলিথিনের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সেইসঙ্গে সিঙ্গেল-ইউজ প্লাস্টিক নিষিদ্ধ করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন চলছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থাপিত পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনায় পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মকাণ্ড তুলে ধরা হয়। উপদেষ্টা জানান, দেশের নদ-নদী সংরক্ষণে একটি চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা হয়েছে। ঢাকার চারটি নদী ও ২০টি খালের জন্য ‘ব্লু-নেটওয়ার্ক’ পরিকল্পনা তৈরি হয়েছে। বড়াল, করতোয়া ও সুতাংসহ ১৫টি নদী পুনরুদ্ধারে কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বন সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম সম্পর্কেও তিনি বলেন, “মধুপুর শালবন ও চুনতি বন পুনরুদ্ধারে কাজ চলছে। ইতোমধ্যে ১১ হাজার ৪৫৯ একর বনভূমি অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়েছে। সোনাদিয়া উপকূলীয় বন ও রাজশাহীর দুটি জলাভূমিকে সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।”

এছাড়াও ইটভাটা নিয়ন্ত্রণে ‘নো-ব্রিকফিল্ড জোন’ গঠন এবং পরিবেশ দূষণকারী পুরনো যানবাহন নিয়ন্ত্রণে অভিযান চালানো হচ্ছে বলেও জানান উপদেষ্টা।

উল্লেখ্য, পরিবেশ মেলা চলবে ২৫ থেকে ২৭ জুন এবং বৃক্ষমেলা চলবে ২৫ জুন থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এই মেলা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।




জামায়াতের জাতীয় সমাবেশের ডাক ; বার্তা দিচ্ছে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার 

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিতসহ একাধিক দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগামী ১৯ জুলাই রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় সমাবেশ আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

বুধবার (২৫ জুন) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। ‘জাতীয় সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটি’র এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।

সংগঠনের কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগ মুজিবুল আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জাতীয় সমাবেশকে ঘিরে বিভিন্ন বিভাগের প্রস্তুতি ও দায়িত্বপালনের অগ্রগতি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। সমাবেশ সফলভাবে ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে জামায়াতের সর্বস্তরের নেতাকর্মী এবং দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়।

জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, জাতীয় সমাবেশের মূল দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—

  • অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা,
  • নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড গঠন,
  • সকল গণহত্যার বিচার,
  • মৌলিক রাজনৈতিক সংস্কার,
  • ‘জুলাই সনদ’ ও ঘোষণাপত্র বাস্তবায়ন,
  • জুলাই অভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের পুনর্বাসন,
  • প্রপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর) পদ্ধতিতে নির্বাচন ব্যবস্থা চালু এবং
  • প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসাইন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল ও উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন, মহানগর সেক্রেটারির দায়িত্বে থাকা ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও ড. রেজাউল করিম, সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক, ইয়াসিন আরাফাত, কামাল হোসাইনসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতারা।

উল্লেখ্য, জামায়াতে ইসলামী সম্প্রতি প্রতীকসহ নিবন্ধন ফিরে পাওয়ার পর জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই সমাবেশকে সে ধারাবাহিকতার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।