যুদ্ধ-পরবর্তী প্রথম ভাষণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা খামেনির

ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর জাতির উদ্দেশে প্রথমবারের মতো ভাষণ দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এ ভাষণে তিনি দাবি করেন, “ভুয়া ইহুদিবাদী সরকার” পরাজিত এবং ধ্বংস হয়েছে। সেই সঙ্গে ইরানি জনগণের ঐক্য ও সাহসিকতার প্রশংসা করেন তিনি।

খামেনি বলেন, “আমি আপনাদের অভিনন্দন জানাচ্ছি সেই জয়ের জন্য, যেখানে ইহুদিবাদী সরকার চূর্ণবিচূর্ণ হয়েছে। তারা যতই উচ্চবাচ্য করুক, ইরানের ধাক্কায় পতনের মুখে পড়েছিল।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি জড়িত ছিল। তার ভাষায়, “মার্কিন সরকার বুঝতে পেরেছিল, তারা হস্তক্ষেপ না করলে ইসরায়েলের পতন অনিবার্য। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসন কোনো ফল আনেনি। এখানে জয়ী হয়েছে ইরান। আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে চূড়ান্ত আঘাত হেনেছি।”

ইরানি জনগণের একতা ও সাহসিকতার প্রশংসা করে খামেনি বলেন, “৯ কোটির জনগণ আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর পাশে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়েছে। ইরানিরা প্রমাণ করেছে, প্রয়োজন হলে তারা সবাই এক হয়ে দাঁড়াতে জানে।”

খামেনি আরও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “ইরানের বিরুদ্ধে কেউ আবার আগ্রাসনের চেষ্টা করলে তাকে চড়া মূল্য দিতে হবে। আমাদের সশস্ত্র বাহিনী শত্রুর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে পাশ কাটিয়ে প্রাণকেন্দ্রগুলোতে আঘাত হেনেছে, যা ইহুদিবাদীরা কল্পনাও করতে পারেনি।”

ভাষণে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় খামেনি বলেন, “ট্রাম্পের দাবি—ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্র ধ্বংস করা হয়েছে—তা সত্য নয়। যুক্তরাষ্ট্র কিছুই অর্জন করতে পারেনি। তারা কাতারের আল-উদেইদ ঘাঁটিতে ইরানের হামলার সত্যতা আড়াল করার চেষ্টা করেছে।”

তিনি জোর দিয়ে বলেন, “ট্রাম্প বলেছেন, ইরানকে আত্মসমর্পণ করতে হবে। কিন্তু আমি স্পষ্ট করে বলছি—আত্মসমর্পণের প্রশ্নই আসে না। আমাদের দেশ শক্তিশালী, আমাদের জনগণ সম্মানিত, এবং তারা বিজয়ী থাকবে ইনশাআল্লাহ।”

আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এই ভাষণ ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। যুদ্ধ পরবর্তী সময়ের এ বক্তব্যে খামেনি তার দেশের শক্ত অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করলেন।




বরিশাল-১ আসনে জোরালো নির্বাচনী প্রস্তুতি, মাঠে বিএনপি-জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থীরা

খোকন আহম্মেদ হীরা :: আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এবার একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা দেখছে রাজনৈতিক দলগুলো। সেইসাথে সরকার ও নির্বাচন কমিশনও দেশবাসীকে ইতিহাসের সেরা নির্বাচন উপহার দেওয়ার কথা বলছে।

অপরদিকে ২০২৬ সালের ফেব্রæয়ারি মাসে নির্বাচনের সময় নির্ধারণের ইঙ্গিত দিয়েছেন অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা। যদিও সরকার পতনের পর থেকেই রাজনীতির মাঠে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীদের মাঝে বেশ আগ্রহ রয়েছে। তবে গত কয়েকমাস ধরে সংসদীয় এলাকায় নির্বাচনী হাওয়া অনেকটাই বৃদ্ধি
পেয়েছে। সম্ভ্রাব্য প্রার্থীদের পদচারণাও বেড়েছে সংসদীয় এলাকাগুলোতে এখন পুরোদমে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছে।
বরিশাল জেলার ছয়টি আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রার্থীদের পদচারনায় নির্বাচনী এলাকাগুলোতে নির্বাচনের আমেজ বইতে শুরু করেছে। এরমধ্যে দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনটি দীর্ঘদিন থেকে বিএনপির দুর্গ হিসেবে পরিচিত।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপির হাত ছাড়া হওয়া সেই দুর্গ ফিরে পেতে বিএনপির সম্ভ্রাব্য প্রার্থীরা যখন মরিয়া হয়ে উঠেছেন, ঠিক সেই সময় এ আসনে ভাগ বসাতে গত প্রায় ছয় মাস পূর্বে প্রার্থী ঘোষণা করেছেন জামায়াতে ইসলামী
বাংলাদেশ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জাতীয় সংসদের ১১৯ নম্বর আসন বরিশাল-১ এর নির্বাচনী এলাকার শুধু গৌরনদী উপজেলায় সম্ভ্রাব্য প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন তিনজন নেতা। পাশাপাশি এ আসনের আগৈলঝাড়া উপজেলায় রয়েছেন মাত্র একজন সম্ভ্রাব্য প্রার্থী। তিনি হলেন, বিগত ওয়ান ইলেভেন থেকে শুরু করে দলের দুর্দীনে স্থানীয় নেতাকর্মীদের একমাত্র কান্ডারী হিসেবে পরিচিত বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান।

বরিশাল গৌরনদী উপজেলার প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন-এ আসনের সাবেক এমপি ও বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজল।

সূত্রমতে, বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হিন্দু অধ্যুষিত এলাকা হচ্ছে বরিশাল-১ আসনের আগৈলঝাড়া উপজেলা। প্রতিটি জাতীয় নির্বাচনে এ আসনের সবদলের প্রার্থীদের কাছে তাই আগৈলঝাড়া উপজেলার ভোটাররাই হচ্ছেন বড় ফ্যাক্ট। যে কারণে ত্রয়োদশ নির্বাচনে আগৈলঝাড়া উপজেলার একমাত্র প্রার্থী হিসেবে ইতোমধ্যে হিন্দু সম্প্রদায়ের অধিকাংশ ইউনিট থেকে শুরু করে সবধর্মের সাধারণ জনতা আনুষ্ঠানিকভাবে ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহানকে সমর্থন দিয়েছেন। এর বাহিরে বিগত ওয়ান ইলেভেনের সময় থেকে বিএনপির চরম দুর্দীনে ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব
পালন করায় সেখানেও (গৌরনদী) রয়েছে তার বিশাল একটি ভোট ব্যাঙ্ক।

বিগত ফ্যাসিষ্ট সরকারের সময়ে একাধিকবার হামলা, মামলা ও কারাভোগ করেও দলের নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত করে মাঠে সরব উপস্থিত থেকে দলীয় কর্মসূচি পালন করা ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-১ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন। ওইসময় এ

আসনে দলের বিদ্রোহী প্রার্থী থাকা এবং নিজ দলের নেতার মামলা দায়েরের কারণে মাত্র সাতদিন নির্বাচনী মাঠে গণসংযোগ করে তিনি (সোবহান) ৭০ হাজার ৯৬৯ ভোট পেয়েছিলেন।বিএনপির চার নেতা মনোনয়ন প্রত্যাশী হওয়ায় এ আসনে প্রায় ছয়মাস পূর্বে প্রার্থী ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ। জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য হাফেজ মাওলানা কামরুল ইসলাম খান দলের মনোনীত প্রার্থী হওয়ায় নিয়মিত তিনি দলীয় কর্মকান্ডের পাশাপাশি নেতাকর্মীদের নিয়ে নির্বাচনী মাঠে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ আসনে এখন পর্যন্ত এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদসহ অন্য কোনো দলের সম্ভ্রাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা দেখা যায়নি।




উপকূলের জেলেপাড়ায় হতাশা, ঋণের বোঝায় জর্জরিত জীবন

৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সমুদ্রযাত্রায় ফেরার অনুমতি মিললেও স্বস্তি মেলেনি উপকূলের জেলে পরিবারগুলোর জীবনে। বঙ্গোপসাগরে বৈরী আবহাওয়ার কারণে অনেকে সমুদ্রে নামতেই পারছেন না, আর যারা গিয়েছেন, তারাও ফিরছেন প্রায় খালি হাতে। ফলে উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে জমছে হতাশা, বাড়ছে ঋণের বোঝা।

বিশেষ করে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী ও কলাপাড়া এলাকার জেলেরা বিপাকে পড়েছেন। চরমোন্তাজের জেলে রফিক হাওলাদার জানান, “৫-৭ লাখ টাকার বাজার করে গভীর সাগরে গিয়েছিলাম। কিন্তু ঢেউয়ের কারণে জাল ঠিকমতো ফেলাই যায় না। কয়েকবার জাল ফেলেও মাছ পাইনি, তাই ফিরে এসেছি।”

রাঙ্গাবালী উপজেলা মেরিন ফিশারিজ অফিসার এস এম শাহাদাত হোসেন রাজু বলেন, “সাগরে মাছ থাকলেও বৈরী আবহাওয়ায় জেলেরা মাছ ধরতে পারছেন না। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করছি।”

উপকূলীয় অঞ্চলে বছরে প্রায় ২৫০–২৭০ দিন পর্যন্ত কোনো না কোনো নিষেধাজ্ঞা বা দুর্যোগে মাছ ধরা বন্ধ থাকে। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা ছাড়াও, অক্টোবর-নভেম্বরে মা ইলিশ রক্ষা, মার্চ-এপ্রিলে প্রজনন কেন্দ্র সংরক্ষণ এবং জাটকা রক্ষায় দীর্ঘ সময় জেলেদের জাল ফেলা বন্ধ থাকে।

বরগুনা, পটুয়াখালী ও ভোলার মতো অঞ্চলের জেলেপাড়াগুলোয় এসব নিষেধাজ্ঞার প্রভাব সবচেয়ে বেশি। আয়হীন সময়ে পরিবার চালাতে গিয়ে অনেকেই ঋণে ডুবে যাচ্ছেন। রাঙ্গাবালীর বড়বাইশদিয়ার জেলে আলাউদ্দিন মাঝি বলেন, “জেলে পেশা ছাড়তে চাই, কিন্তু বিকল্প কিছু নেই। মাছ না পেয়ে মহাজনের কাছে ঋণ নিতে হচ্ছে।”

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরিন ফিশারিজ বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মীর মোহাম্মদ আলী বলেন, “জেলেরা এখন অনির্দেশ্য আবহাওয়া আর অনিয়মিত নিষেধাজ্ঞার মধ্যে বন্দি। পরিবেশ রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা প্রয়োজন, তবে সেই সময়টিতে জেলেদের জন্য বিকল্প আয়ের সুযোগ, খাদ্য সহায়তা এবং সহজ ঋণ প্রাপ্তির ব্যবস্থা না থাকলে তারা আরও দুর্বল হয়ে পড়বেন।”

তিনি আরও বলেন, “জেলেদের জন্য একটি ‘লাইভলি হুড সিকিউরিটি প্যাকেজ’ গড়ে তোলা জরুরি। এতে থাকবে খাদ্য, স্বাস্থ্যসেবা ও বিকল্প পেশার প্রশিক্ষণ—যা তাদের জীবনমান টেকসইভাবে উন্নয়ন করতে সাহায্য করবে।”

প্রাকৃতিক বিপর্যয় আর বারবারের নিষেধাজ্ঞায় জেলেদের জীবন এখন চরম অনিশ্চয়তায়। টিকে থাকার লড়াইয়ে তাদের পাশে দাঁড়াতে হলে চাই বাস্তবভিত্তিক, দীর্ঘমেয়াদী এবং সম্মানজনক সহায়তা।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




বরগুনার ৬ কোটি টাকার সেতু, চলাচল করতে হয় মই বেয়ে!

বরগুনার আমতলীর গুলিশাখালী খালের ওপর নির্মিত হয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকার একটি গার্ডার সেতু। কিন্তু এক পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় এটি এখন কার্যত অচল। ফলে প্রতিদিন গুলিশাখালী ও কুকুয়া ইউনিয়নের প্রায় ৩৫ হাজার মানুষকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাঁশ ও কাঠের তৈরি মই বেয়ে সেতুতে ওঠানামা করতে হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুটির পশ্চিম পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় স্থানীয়রা নিজেরাই বাঁশ-গাছ দিয়ে অস্থায়ী মই তৈরি করেছেন। এই মই দিয়েই বয়স্ক নারী-পুরুষ, শিশুরা বৃষ্টির মধ্যে ঝুঁকি নিয়ে পার হচ্ছে। বৃষ্টির দিনে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।

স্থানীয় বাসিন্দা মনিরা বেগম বলেন, “বাজারে যেতে ব্রিজে উঠতে গিয়ে হাত-পা কাঁপে।”
আরেকজন, বাইনবুনিয়া গ্রামের আল আমিন বলেন, “সেতুতে রাস্তা না থাকায় উঠতে গিয়েই হাঁপিয়ে উঠি।”

সেতু নির্মাণে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স কোহিনুর এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড ত্রিপুরা জেভি’ ২০২৪ সালের জুনে মূল কাঠামোর কাজ শেষ করে। তবে পশ্চিম পাশে সেতুর ঢালের মাত্র ৫ ফুট দূরত্বে পূর্ব খেকুয়ানী গুচ্ছগ্রামের একটি কার্পেটিং সড়ক থাকায়, নকশা অনুযায়ী সংযোগ সড়ক তৈরি করলে সেই সড়কটি বন্ধ হয়ে যাবে। এজন্য প্রকল্পে পরিবর্তন এনে আন্ডারপাস করার নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

আমতলী উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মো. ইদ্রিস মিয়া জানান, “নতুন নকশা ও বাজেট তৈরি করে প্রকল্প পরিচালক বরাবর পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই দরপত্র আহ্বান করে সংযোগ সড়কের কাজ শুরু হবে।”

এই সেতুটি ব্যবহার করে গুলিশাখালীর পূর্ব খেকুয়ানী, ডালাচারা, বাইবুনিয়া, কলাগাছিয়া ছাড়াও চাওড়া ও কুকুয়া ইউনিয়নের মানুষ আমতলী সদর, বরিশাল ও ঢাকায় যাতায়াত করে থাকেন। সংযোগ সড়ক না থাকায় পুরো অঞ্চলের মানুষের ভোগান্তি দিন দিন বাড়ছে।

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ না হলে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সেতু হতে পারে সম্পূর্ণ অকার্যকর এক স্থাপনা।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




বৃষ্টি হলেই ছাদমশারি সমস্যায় ঝালকাঠির বিধবা আমেনা খাতুন

ঝালকাঠির মির্জাপুর গ্রামের ৭০ বছর বয়সী বিধবা আমেনা খাতুনের জীবন কঠিন পরিশ্রম আর সংগ্রামের ছবি বয়ে নিয়ে চলছে। ৩০ বছর আগে স্বামী মৃত্যুর পর থেকে একাই ভাঙা পুরোনো ঘরে বাস করছেন তিনি। দুই ছেলে ও এক মেয়ে প্রতিবন্ধী হওয়ায় সংসারের ভার পুরোপুরি আমেনার কাঁধে।

“বৃষ্টি হলেই মাথার ওপর ছাদ থাকে না, পানি পড়ে ঘরে। খাবার আর থাকার জন্য অনেক কষ্ট করতে হয়। মানুষের সাহায্য না পেলে একবারও ভালো ঘুম হয় না,” জানান আমেনা।

বিগত ঘূর্ণিঝড় সিডরে গাছ পড়ার কারণে তার ছোট্ট ঘরটি অনেকটাই ধ্বংস হয়েছে। পানির জন্য এবং খাবারের জন্য আশেপাশের মানুষের ওপরই নির্ভরশীল তিনি। প্রতিবেশীরা বলেন, “ছেলে-মেয়েরা প্রতিবন্ধী হওয়ায় তারা তার দেখাশোনা করতে পারে না। এই অসহায় বৃদ্ধা একা ঘরেই দিন যাপন করেন।”

স্থানীয় ইউনিয়ন সদস্য মঞ্জুর হোসেন শরীফ জানান, “আমেনা বেগমের জন্য মাথা গোঁজার একটি নিরাপদ ঘর খুব জরুরি। বৃষ্টি-বাদল আর শীতকালে তার জীবন আরও দুর্বিষহ হয়ে ওঠে।”

সরকারি কিংবা সামাজিক যে কোনো সহায়তা পেলে আমেনার জীবনযাত্রা অনেক সহজ হবে বলে সবাই মনে করেন।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের পাশে ড. মাসুদের হেল্প ডেস্ক

পটুয়াখালীর বাউফলে এইচএসসি, আলিম ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের সহায়তায় তিনটি প্রধান পরীক্ষাকেন্দ্রে শিক্ষার্থীবান্ধব হেল্প ডেস্ক চালু করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ও বাউফল উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বাউফল সরকারি কলেজ, বাউফল সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ধান্দি কামিল মাদ্রাসায় এই হেল্প ডেস্ক চালু থাকে।

উপজেলা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি মোহাম্মদ লিমন হোসেনের নেতৃত্বে পরিচালিত হেল্প ডেস্কগুলো থেকে পরীক্ষার্থীদের মাঝে ৫০০টি পানির বোতল, ৫০০টির বেশি খাবার স্যালাইন, হাজারের বেশি কলম ও মাস্ক বিতরণ করা হয়।

ইঞ্জিনিয়ার ফারুক তালুকদার মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী আফনান ফাতেমা বলেন, “এ ধরনের সহযোগিতা আমাদের পরীক্ষার সময় অনেক উপকারে আসে। আমি ড. মাসুদ স্যার ও ছাত্রশিবিরের প্রতি কৃতজ্ঞ।”

ধান্দি কামিল মাদ্রাসার পরীক্ষার্থী হাফেজ তামিম বলেন, “পরীক্ষার পর গলা শুকিয়ে গিয়েছিল। তখন হেল্প ডেস্কে গিয়ে পানি ও মাস্ক পেয়েছি। এমন উদ্যোগ খুবই প্রশংসনীয়।”

হেল্প ডেস্ক কার্যক্রম চলাকালীন সময়ে পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে উপস্থিত ছিলেন বাউফল উপজেলা ছাত্রশিবিরের বায়তুলমাল সম্পাদক আব্দুল্লাহ, অফিস সম্পাদক জুবায়ের, পূর্বজোন সভাপতি আবিদ আল নাহিয়ান, ধান্দি কামিল মাদ্রাসার সভাপতি হাফেজ সিফাত, বাউফল সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি তাহসানুল বান্না, পৌর সভাপতি হাফেজ নাহিদুল ইসলাম, দক্ষিণ জোন সভাপতি জাকারিয়া এবং নাজিরপুর ইউনিয়নের বায়তুলমাল সম্পাদক নাঈমসহ আরও অনেক নেতা-কর্মী।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




সুষ্ঠুভাবে চলছে এইচএসসি পরীক্ষা, দ্রুতই আসবে ফলাফল

২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সারা দেশে শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খল পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পরীক্ষার সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শন শেষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার জানান, এবারের পরীক্ষায় কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা অনিয়মের খবর পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সকালে রাজধানীর ভাসানটেক সরকারি কলেজ ও সরকারি বাঙলা কলেজে পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শন করেন তিনি। এসময় তিনি বলেন, “প্রথম দিন থেকেই পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে একটি শান্ত ও নিরাপদ পরিবেশ বজায় রয়েছে। পরীক্ষার্থীরা সময়মতো কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে নিয়ম মেনে পরীক্ষা দিচ্ছে। এ পরিবেশ নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, শিক্ষা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রশংসার দাবি রাখে।”

তিনি আরও জানান, “প্রশ্নফাঁস বা নকলের মতো কোনো সমস্যার খবর এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। সরকার এ বিষয়ে কঠোর নজরদারিতে রয়েছে। ফলাফল যেন দ্রুত প্রকাশ করা যায়, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

পরিদর্শনের সময় সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের অধ্যক্ষ, কেন্দ্র সচিব, কক্ষ পরিদর্শক এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে সারাদেশে একযোগে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। লিখিত পরীক্ষা চলবে ১০ আগস্ট পর্যন্ত। এবারের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ জন শিক্ষার্থী।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /


 




৪৩ দিন পর নগর ভবনে ফিরলেন ডিএসসিসি প্রশাসক, সকল সেবা চালুর ঘোষণা

দীর্ঘ ৪৩ দিন পর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. শাহজাহান মিয়া নগর ভবনে ফিরে এসেছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে ভবনে এসে তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে সকল সেবা কার্যক্রম পুনরায় চালুর ঘোষণা দেন।

প্রশাসক বলেন, “আমরা অতীতের দিকে ফিরে তাকাতে চাই না। এখন আমাদের লক্ষ্য সামনে এগিয়ে যাওয়া। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাজেট প্রণয়নসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ দ্রুত শেষ করা হবে।”

উল্লেখ্য, বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে মেয়রের দায়িত্ব দেওয়ার দাবিতে গত ১৪ মে থেকে নগর ভবনের সামনে তার সমর্থকদের অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়। পরবর্তীতে আন্দোলনকারীদের একটি অংশ ভবনের ভেতরে প্রবেশ করে কর্মবিরতিসহ নানা কর্মসূচি পালন করলে ডিএসসিসির প্রশাসকসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভবনে প্রবেশ করতে না পেরে কার্যত কর্মস্থল ছাড়তে বাধ্য হন।

এই অবস্থার অবসান ঘটে গত ২২ জুন, যখন আন্দোলনকারীরা সেবা কার্যক্রমে আর বাধা না দেওয়ার ঘোষণা দেন। এরপর পরিস্থিতির উন্নতি হয় এবং প্রশাসক পুনরায় ভবনে ফিরে আসেন। তাঁর আগমন উপলক্ষে আন্দোলনরত কর্মচারীরাও তাকে স্বাগত জানান।

প্রশাসকের প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে প্রায় দেড় মাস স্থবির থাকা ডিএসসিসির সব বিভাগে আবারও গতি ফিরে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এদিন প্রকৌশল বিভাগসহ বিভিন্ন শাখার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




সরকারি ভবনে বাধ্যতামূলক সোলার প্যানেল বসানোর নির্দেশ

দেশব্যাপী সকল সরকারি ভবনের ছাদে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে সোলার প্যানেল স্থাপন বাধ্যতামূলক করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় অতিথিভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত ‘জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি’ শীর্ষক বৈঠকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বৈঠকে জানানো হয়, ইন্টারন্যাশনাল রিনিউএবল এনার্জি এজেন্সি (IRENA)–এর ২০২৪ সালের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে বাংলাদেশ এখনও প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় পিছিয়ে। ভারতে যেখানে মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২৪ শতাংশ, পাকিস্তানে ১৭.১৬ শতাংশ এবং শ্রীলঙ্কায় ৩৯.৭ শতাংশ বিদ্যুৎ সৌর শক্তি থেকে আসে, সেখানে বাংলাদেশে এ হার মাত্র ৫.৬ শতাংশ।

বর্তমান নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পূরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৫২৩৮ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৫৫টি সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পের টেন্ডার কার্যক্রম শুরু হলেও, তা বাস্তবায়নে ২০২৮ সাল পর্যন্ত সময় লাগবে বলে জানা গেছে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “সব সরকারি প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও হাসপাতালের ছাদে দ্রুত সোলার প্যানেল বসাতে হবে। বিষয়টি বেসরকারি অংশীদারিত্বে করা যেতে পারে। সরকার ছাদ দেবে, আর কোম্পানিগুলো স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব নেবে।”

তিনি আরও বলেন, “যেসব প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে রুফটপ সোলার স্থাপন করেছে, তাদের অভিজ্ঞতা থেকে শেখা উচিত। কী ধরনের সমস্যায় পড়েছে, তা জেনে সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে।”

এই কর্মসূচির আওতায় সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য বিল দিতে হবে না। পাশাপাশি সৌর প্যানেল স্থাপনে ব্যবহৃত ছাদের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ভাড়াও পাবে।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান, বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /




তাইজুলের ইতিহাস গড়া উইকেট সেঞ্চুরি, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের প্রথম!

কলম্বো, শ্রীলঙ্কা: বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম গড়লেন অনন্য এক মাইলফলক। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ (২০১৯–বর্তমান) সময়কালে বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসেবে ১০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করলেন তিনি।

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠে চলমান টেস্টে শ্রীলঙ্কার উদ্বোধনী ব্যাটার লাহিরু উদারাকে এলবিডব্লিউ করে এই কীর্তি ছুঁয়েছেন তাইজুল। আম্পায়ারের না সূচক সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে সফল হন শান্ত ও তাইজুল—আর তাতেই রচিত হয় ইতিহাস।

মাত্র ২৫ ম্যাচেই উইকেটের সেঞ্চুরি করেন তাইজুল, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে দ্রুততম। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি এখন তিনিই। দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন মেহেদী হাসান মিরাজ—২৯ ম্যাচে তার শিকার ৮৭টি। পেসারদের মধ্যে শীর্ষে হাসান মাহমুদ ও তাসকিন আহমেদ—তবে দুজনেই বর্তমানে টেস্ট দলে অনুপস্থিত।

এর আগে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেমে যায় ২৪৭ রানে। সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন সাদমান ইসলাম। ব্যাট হাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন মুশফিক (৩৫), লিটন (৩৪), মিরাজ (৩১) এবং নিজেই ব্যাট হাতে ৩৩ রান যোগ করেন তাইজুল।

জবাবে শ্রীলঙ্কা দারুণ সূচনা করে। পাথুম নিশাঙ্কা ও লাহিরু উদারার উদ্বোধনী জুটি দাঁড়ায় ৮৮ রানে। উদারা আউট হন ৪০ রানে, তবে নিশাঙ্কা অপরাজিত আছেন ৮৮ রানে এবং তার সঙ্গী চান্দিমাল খেলছেন ৫০ রানে।

এই প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ: ৪৭.১ ওভারে ১৮১/১।


তাইজুলের এই কীর্তি কেবল পরিসংখ্যান নয়, বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের ভবিষ্যত ভরসাও। তার ধারাবাহিকতা ও স্পিন নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের জন্য টেস্টে বড় সম্পদ।