পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসা না পেলে আবারও ‘জুলাই আন্দোলন’ ঘটবে—আহতদের হুঁশিয়ারি

রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (নিটোর)-এ চিকিৎসা বঞ্চনার অভিযোগ তুলেছেন ‘জুলাই আন্দোলনে’ আহতরা। ঈদের ছুটির অজুহাতে তাদের চিকিৎসা বন্ধ এবং পুনরায় ভর্তি না নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। আহতদের দাবি, তারা সুচিকিৎসা না পেলে হাসপাতাল চত্বরেই ফের ‘জুলাই’ ঘটবে।

শনিবার (৫ জুলাই) বিকেলে ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর নতুন কমিটি নিটোর পরিদর্শনে গেলে, সেখানে অবস্থানরত আহতরা এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। তারা জানান, বর্তমানে কেউ কেউ ফ্লোরে থেকেও চিকিৎসার জন্য অপেক্ষা করছেন।

আহত সৌরভ বলেন, “হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ঈদের সময় আমাদের বাড়ি যেতে বলে। ফেরার পর তারা কথা রাখেনি, ভর্তি নেয়নি। অনেকের শরীরে পচন ধরেছে, কিন্তু সঠিক চিকিৎসা মিলছে না।”

আরেক আহত আশিক জানান, “১১ দিন পর বাড়ি থেকে ফিরে আসলেও আমাকে ভর্তি করা হয়নি। এখন ফ্লোরেই ঘুমাই, কোনো চিকিৎসা পাই না।”

গুলিবিদ্ধ আয়েশা বলেন, “চিকিৎসা ও সহায়তা পাওয়ার কথা থাকলেও আমি এখনও তা পাইনি।”

পরিদর্শন শেষে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র সিনথিয়া জাহিন আয়েশা বলেন, “একজন মা আমাদের জানিয়েছেন, তার ছেলেকে আর ভর্তি নেয়নি হাসপাতাল। তিনি বাসাবাড়িতে কাজ করে ওষুধ ও খাবারের টাকা জোগাড় করছেন। এটা অত্যন্ত অমানবিক।”

কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাসান বলেন, “মানুষের মৌলিক চাহিদার মধ্যে চিকিৎসা অন্যতম। অথচ আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে না। কেউ কেউ বলছে, আহতদের মধ্যে সিন্ডিকেট হয়েছে। অথচ আন্দোলনের সময় তারা সবাই একাট্টা ছিল। এখন তাদের সঠিক চিকিৎসা দরকার, প্রয়োজনে বিদেশে পাঠাতে হবে।”

তিনি আরও জানান, নিটোরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মো. আবুল কেনানের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বললেও তিনি বলেন, ‘আমি নিরুপায়’। কেন নিরুপায়—সে প্রশ্নে তিনি কোনো জবাব দেননি। এ বিষয়ে কথা বলার জন্য নেতারা স্বাস্থ্য উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বলে জানান।

বক্তব্য শেষে উপস্থিত ছাত্রনেতারা ‘চিকিৎসা নিয়ে সিন্ডিকেট চলবে না, চলবে না’—এই স্লোগান দেন।




ভারতের বাংলাদেশ সফর স্থগিত, নতুন সূচি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর

চলতি বছরের আগস্টে বাংলাদেশ সফরের কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে আর হচ্ছে না ভারত জাতীয় ক্রিকেট দলের সফর। সফরটি ১৩ মাস পিছিয়ে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে বলে নিশ্চিত করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।

শনিবার (৫ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সফর স্থগিতের ঘোষণা দেয় বিসিসিআই।

প্রথমে পরিকল্পনা ছিল, আগস্টে বাংলাদেশে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে ভারত। কিন্তু কয়েক মাস ধরেই সফর পিছিয়ে যাওয়ার গুঞ্জন চলছিল। অবশেষে দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের আলোচনার মাধ্যমে সিরিজটি আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে।

বিসিসিআই জানিয়েছে, দুই দেশের বোর্ডের পারস্পরিক সম্মতিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সফরের নতুন সময়সূচি ও ম্যাচভিত্তিক বিস্তারিত পরবর্তীতে ঘোষণা করা হবে।

সফর স্থগিত হলেও ক্রিকেটপ্রেমীরা আশাবাদী, নির্ধারিত সময়েই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সিরিজ উপভোগ করতে পারবেন তারা।




বিশ্বের ১২ দেশের ওপর শুল্ক আরোপ; চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করলেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র প্রথম দফায় বিশ্বের ১২টি দেশের জন্য নতুন শুল্ক হার নির্ধারণ করেছে। এ সংক্রান্ত একটি সরকারি চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

শনিবার (৫ জুলাই) নিউজার্সিতে যাওয়ার পথে প্রেসিডেন্টের বিমান সফরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প জানান, শুল্ক নির্ধারণ সংক্রান্ত চিঠিতে তিনি ইতোমধ্যেই স্বাক্ষর করেছেন এবং আগামী সোমবার (৭ জুলাই) প্রকাশ করা হবে কোন কোন দেশের পণ্যে নতুন হারে শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

ট্রাম্প বলেন, “এই সিদ্ধান্ত গ্রহণযোগ্য—না হয় প্রত্যাখ্যানযোগ্য। এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান কঠোর।”

এর আগে গত এপ্রিল মাসে ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা দেয়, যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর বেশি শুল্ক আরোপ করছে, তাদের জন্য পারস্পরিক শুল্ক আরোপ করা হবে। সেই ধারাবাহিকতায় এবার নির্দিষ্ট ১২টি দেশের পণ্যের ওপর নতুন করে শুল্ক বসানো হলো।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সব দেশের জন্য ন্যূনতম ১০ শতাংশ এবং কিছু কিছু দেশের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এমন সিদ্ধান্তের ফলে বৈশ্বিক বাণিজ্য ও অর্থনীতিতে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে বলে বিশ্লেষকদের মন্তব্য।

তবে চলতি বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ৯০ দিনের জন্য শুল্ক কার্যকরের সময়সীমা স্থগিত করেছিল। আগামী ৯ জুলাই সেই সময়সীমা শেষ হচ্ছে। এরপর থেকে শুল্ক কার্যকর হতে শুরু করবে। ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়েছেন, কিছু দেশের ক্ষেত্রে এই হার ৭০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে এবং তা আগামী ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হতে পারে।

ট্রাম্প জানান, ১২টি দেশের প্রতিটির জন্য পৃথকভাবে শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে। কারও ওপর বেশি, আবার কারও ওপর তুলনামূলক কম হারে শুল্ক আরোপ করা হয়েছে।

তবে শুল্ক আরোপের বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাপানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা এখনও প্রত্যাশিত অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি বলে জানা গেছে। বাকিদের সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে বলেও জানায় হোয়াইট হাউস।




আশুরার বাণীতে তারেক রহমান: আওয়ামী দমনপীড়ন এজিদের বর্বরতার মতোই পৈশাচিক

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আওয়ামী লীগের দমন-পীড়ন ছিল এজিদ বাহিনীর পৈশাচিকতার মতোই নির্মম।

শনিবার (৫ জুলাই) পাঠানো এক বাণীতে তিনি বলেন, ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের জন্য ১০ মহররম স্মরণীয় ও ঘটনাবহুল একটি দিন। এ দিনে কারবালার প্রান্তরে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রিয় দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসেন (রা.) শাহাদাত বরণ করেন। অন্যায়, অবিচার ও জুলুমের বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম তিনি করেছিলেন, তা বিশ্ব ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

তারেক রহমান বলেন, “কারবালার ঘটনাপ্রবাহ সব যুগেই মজলুম জনগণের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। যে শক্তি ইনসাফ ও মানবতাকে পদদলিত করেছিল, তার বিরুদ্ধে ইমাম হোসেন (রা.)-এর আদর্শিক সংগ্রাম ছিল চূড়ান্ত আত্মত্যাগের নিদর্শন।”

তিনি আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে বলেন, “গত ১৬ বছরে পতিত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার জনগণের ভোটাধিকার হরণ, গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা, সন্ত্রাস, হানাহানি ও অর্থ পাচারের মাধ্যমে শোষণের এক অবর্ণনীয় রাজত্ব কায়েম করেছে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে বন্দী রেখে সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।”

তারেক রহমান আরও বলেন, “দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া আওয়ামী নেতারা যে পৈশাচিক দমন-পীড়ন চালিয়েছে, তা এজিদ বাহিনীর বর্বরতার মতোই। এদেশে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত ইমাম হোসেন (রা.)-এর আত্মত্যাগ আমাদের সংগ্রামের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।”

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, “আর কখনো যেন কোনো অন্যায়কারী শক্তির উত্থান না ঘটে, সে জন্য কারবালার শিক্ষা ও চেতনা আমাদের অবিরাম প্রতিরোধ সংগ্রামে প্রেরণা জোগাবে।”




ক্ষমতায় গেলে মৌলিক স্বাধীনতা নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি জামায়াতে ইসলামীর

জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে দেশের প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন।

শুক্রবার (৪ জুলাই) ঢাকা-৮ সংসদীয় আসনের রমনায় দলীয় প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ নিয়ে প্রচারণা শেষে এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এই প্রচারণা ১৯ জুলাই ঘোষিত জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় সমাবেশ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয়।

পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, “জামায়াতে ইসলামীর ক্ষমতায় যাওয়ার সম্ভাবনায় ইসলাম বিদ্বেষীরা নারীদের গৃহবন্দি করার গুজব ছড়াচ্ছে। অথচ একমাত্র ইসলামই নারীদের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করেছে। ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থায় কারও অধিকার বা স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়ার সুযোগ নেই।”

তিনি আরও বলেন, “স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও দেশের মানুষ প্রকৃত স্বাধীনতার স্বাদ পায়নি। যারা ক্ষমতায় এসেছে, তারা নিজেদের মতবাদ বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণকে শোষণ করেছে। ফলে ছাত্র ও জনতা ন্যায়বিচারের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে। মানুষের তৈরি আইনে সত্যিকার অর্থে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়নি, হবেও না।”

ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, “আগামী নির্বাচনে জনগণ ইনসাফের প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’-কে সমর্থন দিলে জামায়াতে ইসলামী একটি বৈষম্যহীন, সন্ত্রাসমুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলবে। ইনসাফ ও ন্যায়ের ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনার মধ্য দিয়ে দেশের প্রতিটি নাগরিক তার অধিকার ফিরে পাবে।”

পথসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী প্রচার সম্পাদক ও ১৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আবদুস সাত্তার সুমন, মহানগরী মজলিসে শূরা সদস্য আতিকুর রহমান, থানা নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট সুলতান উদ্দিন এবং থানা সেক্রেটারি আব্দুল্লাহ আল ফারুক।




পিএসসি সংস্কার দাবিতে রাজু ভাস্কর্যে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা চাকরিপ্রত্যাশীদের

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত চাকরিপ্রত্যাশীরা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত রাজু ভাস্কর্যে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। শুক্রবার (৪ জুলাই) বিকেলে শাহবাগ মোড়ে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনার পর এ ঘোষণা আসে।

দিনভর কর্মসূচির অংশ হিসেবে ‘ছাত্র সমাবেশ’ ব্যানারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন চাকরিপ্রত্যাশীরা। মিছিলটি শাহবাগ মোড়ে পৌঁছালে সেখানে সড়ক অবরোধ করেন তারা। এতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয় এবং ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা।

বিক্ষোভ চলাকালীন পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ হয়। আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, পুলিশ বিনা উসকানিতে তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে এবং অপেশাদার আচরণ করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ধাওয়া দিয়ে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে।

ঘটনার পর আন্দোলনকারীরা রাজু ভাস্কর্যে এসে অবস্থান নেন এবং ঘোষণা দেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা সেখানেই অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।

আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে মো. শাহ আলম স্নেহ বলেন, “আজ শাহবাগে পুলিশ আমাদের ওপর যেভাবে হামলা করেছে, তা একেবারেই অগ্রহণযোগ্য। আমরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একটি তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানাচ্ছি। সেই কমিটি হামলাকারী পুলিশ সদস্যদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনবে।”

তিনি আরও বলেন, “বর্তমান প্রযুক্তির যুগে পিএসসি অতীতের ধারায় পরিচালিত হচ্ছে। ৪৪তম বিসিএসের ফলে ৮০০-এর বেশি রিপিটেড ক্যাডার রয়েছেন, যা পিএসসির দুর্বলতা প্রকাশ করে। এই অনিয়ম আর মেনে নেওয়া যায় না।”

আন্দোলনকারীরা আরও অভিযোগ করেন, ৪৪, ৪৫ ও ৪৬তম বিসিএসের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় দেশবাসী অবগত হলেও সরকার কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে। গত ৫ আগস্ট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের আজও বিচারের মুখোমুখি করা হয়নি, যা বিচারহীনতার সংস্কৃতিরই প্রতিচ্ছবি।

তাদের ১০ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—পিএসসি সংস্কার, প্রশ্নফাঁসের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার, ৪৪তম বিসিএসের ফলাফল পুনর্মূল্যায়ন, এবং চাকরিপ্রার্থীদের অধিকার রক্ষায় স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক নিয়োগ প্রক্রিয়া।

চাকরিপ্রত্যাশীরা জানিয়েছেন, দাবি আদায়ে প্রয়োজনে লাগাতার কর্মসূচির দিকে যাওয়ার কথাও তারা বিবেচনা করছেন।




‘সংস্কার আদায় করেই ছাড়ব’ — রংপুরে জামায়াত আমিরের হুঁশিয়ারি

দীর্ঘ ১৭ বছর পর রংপুরে অনুষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামীর বিভাগীয় জনসভায় দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য মৌলিক কিছু সংস্কার আবশ্যক। আমরা সেই সংস্কারগুলো আদায় করেই ছাড়ব এবং ইনশাআল্লাহ সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করব।”

শুক্রবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যায় রংপুর জিলা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত এই জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রংপুর মহানগর ও জেলা জামায়াত এ জনসভার আয়োজন করে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “কেউ যদি আওয়ামী ফ্যাসিবাদের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের স্বপ্ন দেখে থাকেন, আমরা মহান আল্লাহর সাহায্যে সেই স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত করব। প্রশাসনিক ক্যু, মাস্তানতন্ত্র বা কালো টাকার খেলা মেনে নেওয়া হবে না।”

তিনি আরও বলেন, “আগামী নির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি। নানা ধরনের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আলামত বুঝতে পারছি। শেখ হাসিনার হাতে সব বাহিনী থাকলেও জনগণের জাগরণের মুখে তিনি টিকতে পারেননি। সেই জাগ্রত জনগণ আরেকবার ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার সুযোগ দেবে না।”

জামায়াতের আমির বলেন, “ফ্যাসিবাদবিরোধী এই লড়াই চলবে যতদিন না এ দেশে ফ্যাসিবাদের সামান্য চিহ্নও নির্মূল হয়।”

স্বাধীনতার পর জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, “গত ৫৪ বছরে দলটি জনগণের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছে। ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে জামায়াতই প্রথম কেয়ারটেকার সরকারের প্রস্তাব দেয়। যার ভিত্তিতে একাধিক নির্বাচন হয়েছে। অথচ এখন সেই ব্যবস্থাকেই বাতিল করা হয়েছে।”

দলের নেতাকর্মীদের ওপর নিপীড়নের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “সাড়ে পনেরো বছরে আমাদের ১১ জন শীর্ষস্থানীয় নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। আজ এটিএম আজহারুল ইসলামকে আমরা জীবিত শহীদ হিসেবে দেখছি। যদি সেই শহীদ নেতারা বেঁচে থাকতেন, তাহলে আজ হতাশাগ্রস্ত জাতিকে নতুন আশার আলো দেখাতে পারতেন।”

বিএনপিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “আবু সাঈদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা আজ মুক্ত হয়েছি। তাহলে আমরা কেন ধৈর্য হারাচ্ছি? আজও দেশের নানা প্রান্তে আমরা বিভৎসতা, নারী নিপীড়ন ও সম্পদ লুটপাট দেখছি।”

নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে জামায়াত আমির বলেন, “সারা দেশকে পাটগ্রাম বানিয়ে ফেলা হয়েছে। এ অবস্থায় সুষ্ঠু নির্বাচনের কল্পনাও করা যায় না।”

জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম, নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, মাওলানা আব্দুল হালিম, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ও উত্তরাঞ্চলের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।

বিকেল ৩টায় জনসভা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও জুমার নামাজের পর থেকেই আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। জনসভাস্থল কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়, অতিরিক্ত লোকজন রাস্তায় অবস্থান নেয়। এ সভা থেকেই রংপুর বিভাগের ৩৩টি আসনে জামায়াতের প্রার্থীদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়।




‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার ডাক জামায়াতের, রংপুরে বিশাল জনসমুদ্র

দীর্ঘ ১৭ বছর পর রংপুরে বিভাগীয় জনসভা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুক্রবার (৪ জুলাই) রংপুর জিলা স্কুল মাঠে আয়োজিত এ জনসভায় সকাল থেকেই নেতাকর্মীদের ঢল নামে। বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার নেতাকর্মীরা রিকশা, অটোরিকশা, ট্রাক, কাভার্ডভ্যানসহ নানা যানবাহনে করে সভাস্থলে পৌঁছান।

জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের খুনিদের বিচার, প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক সংস্কার এবং নির্বাচনের পূর্বশর্তসহ চার দফা দাবি জানিয়ে আয়োজিত এ জনসভা ঘিরে রংপুর জুড়ে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, রংপুর বিভাগের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সমাগমে এই জনসভায় প্রায় দুই লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতি ঘটে।

জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। প্রধান বক্তা ছিলেন সদ্য কারামুক্ত কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম। এছাড়া বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, মাওলানা আব্দুল হালিম, ঢাকা দক্ষিণের আমির নুরুল ইসলাম বুলবুল, উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি জাহিদুল ইসলামসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।

জনসভা উপলক্ষে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে নির্মাণ করা হয় বিশাল মঞ্চ। নারী দর্শনার্থীদের জন্য পর্দাসহ পৃথক জায়গায় বক্তব্য শোনার ব্যবস্থা করা হয়। সভাস্থলে প্রবেশের জন্য তৈরি করা হয় অতিরিক্ত দুটি গেট। সভাকে কেন্দ্র করে পুরো রংপুর নগরে তোরণ, পোস্টার, ফেস্টুন, বিলবোর্ড ও ব্যানারে সাজানো হয়। মাইকিং, গণসংযোগ ও বিশাল মোটরসাইকেল র‌্যালির মাধ্যমে জনসভা সফল করতে নেওয়া হয় ব্যাপক প্রস্তুতি। মাঠ পর্যায়ে কাজ করে ১৩টি উপ-কমিটি, প্রস্তুত রাখা হয় মেডিকেল টিম ও স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী।

সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, “এই জনসভাকে কেন্দ্র করে রংপুর বিভাগের জামায়াত নেতাকর্মীদের মাঝে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। এ স্পিরিটকে কাজে লাগিয়ে আমরা আগামী নির্বাচনে ফলাফল ঘরে তুলতে চাই। এই জনসভা হবে নির্বাচনের টার্নিং পয়েন্ট।”

সভায় অংশগ্রহণকারীদের হাতে দেখা যায় বিভিন্ন ব্যানার ও পোস্টার—যেখানে “১৮ বছর ধরে ফ্যাসিস্ট শাসনে হাজার হাজার মানুষ গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার”—এমন দাবিও উঠে আসে। জনসভা থেকে রাজনৈতিক অঙ্গনে ‘নতুন বার্তা’ পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে অন্যান্য রাজনৈতিক দলকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়।

জামায়াত নেতারা জানান, জনগণের মধ্যে একটি বৃহত্তর আন্দোলনের বার্তা পৌঁছে দিতেই এই আয়োজন। তাদের দাবি, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় দেশ গঠনের পথে এই জনসভা একটি বড় সূচনা।” জনসভা থেকেই রংপুর বিভাগের ৩৩টি আসনে দলীয় প্রার্থীদের ঘোষণাও দেওয়া হয়।




এক দিনে ২০৪ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত, অর্ধেকই বরিশাল বিভাগে

দেশজুড়ে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে ২০৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে বরিশাল বিভাগেই আক্রান্ত হয়েছেন অর্ধেক রোগী—১০১ জন।

শুক্রবার (৪ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন শনাক্ত রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১০১ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৩৮ জন, ঢাকা উত্তর সিটিতে ১৯ জন, ঢাকার বাইরে ঢাকা বিভাগে ২২ জন, চট্টগ্রামে ৯ জন, রাজশাহীতে ১০ জন এবং ময়মনসিংহে ৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে একই সময়ে ডেঙ্গুতে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে, গত এক দিনে ২৫৪ জন রোগী চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। চলতি বছর জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত দেশে মোট ১১ হাজার ৬৬০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১০ হাজার ৩৩৬ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, ডেঙ্গুর প্রকোপ যদি এভাবে বাড়তে থাকে, তবে নিয়ন্ত্রণে আনতে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।




রংপুরে জনসভায় এটিএম আজহার: “আমার মুক্তি আবু সাঈদদের রক্তের বিনিময়ে”

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, তার মুক্তির সূচনা হয়েছে শহীদ আবু সাঈদের রক্তদানের মাধ্যমে। শুক্রবার (৪ জুলাই) বিকেলে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে আয়োজিত বিভাগীয় জনসভায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

জনসভায় উপস্থিত জনতার উদ্দেশে আজহার বলেন, “রংপুরের জনগণ বলতে পারবে না আমি কোনো অপরাধ করেছি। অথচ জোর করে সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। যারা সাক্ষ্য দিয়েছেন, পরবর্তীতে স্বীকার করেছেন—তাদের জোর করে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা হয়েছিল।”

তিনি আরও বলেন, “আমি ফাঁসির মঞ্চে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলাম। কিন্তু আল্লাহর রহমতে আজ লক্ষ জনতার মঞ্চে এসেছি। যে গলায় রশি পড়ার কথা ছিল, সে গলায় আজ ফুলের মালা পড়েছে। আমাকে যাদের মাধ্যমে ফাঁসি দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল, আজ তারাই সাক্ষ্য দিয়েছেন আমার নির্দোষিতার পক্ষে।”

নিজের মুক্তিকে ‘আল্লাহর মেহেরবানি’ উল্লেখ করে আজহার বলেন, “আমার মুক্তির প্রথম সোপান আবু সাঈদ, যার বুকের তাজা রক্ত দিয়ে গণঅভ্যুত্থান শুরু হয়েছিল, যার চূড়ান্ত রূপ নেয় ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে। ওই বিপ্লব না ঘটলে আপনারা আমার জানাজা পড়তেন।”

সাবেক ও বর্তমান সরকারের আমলে জামায়াত নেতাদের ফাঁসির বিষয়ে তিনি বলেন, “মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, কামরুজ্জামান, আব্দুল কাদের মোল্লা, মীর কাশেমসহ অনেককে মিথ্যা মামলায় হত্যা করা হয়েছে। অধ্যাপক গোলাম আযমসহ আরও কয়েকজন নেতাকে হত্যা করা হয়েছে বিনা চিকিৎসায়। এসব হত্যার বিচার চাই।”

বর্তমান ও অতীত রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আজহার বলেন, “যারা মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত, তারা কি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে পারে? এই আজব বাংলাদেশে তাই হয়েছে। আমাদের বিরুদ্ধে যে আইন প্রয়োগ করা হয়েছিল, সেই আইনই এখন বেআইনি ঘোষণা করা হয়েছে। সুতরাং আজ আমার রায়ের মাধ্যমে শুধু আমি নয়, জামায়াত ইসলামীও মিথ্যা অপবাদ থেকে মুক্তি পেয়েছে।”

তিনি আরও দাবি করেন, “৫ আগস্ট আমাদের কারাগারে রেখে যে পরিবর্তন এসেছে, তা সরাসরি আল্লাহর কুদরত। আমরা কল্পনাও করিনি শেখ হাসিনা পালিয়ে যাবে।”

দীর্ঘ ১৭ বছর পর রংপুরে জামায়াতের এ জনসভা বিকেল ৩টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও জুমার নামাজের পর থেকেই শুরু হয় আনুষ্ঠানিকতা। রংপুর মহানগর ও জেলা জামায়াত আয়োজিত এ জনসভায় দলের হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতিতে জিলা স্কুল মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। অতিরিক্ত জনসমাগম মাঠ ছাড়িয়ে সড়কেও ছড়িয়ে পড়ে।

এ জনসভা থেকেই রংপুর বিভাগের ৩৩টি আসনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।