দিনপঞ্জির পাতায় আন্দোলন: ০৯ জুলাই

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আল সাদী ভূঁইয়া এবং উর্দু বিভাগের শিক্ষার্থী আহনাফ সাঈদ খান মঙ্গলবার (৯ জুলাই) হঠাৎ করেই কোটা সংস্কার ও হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে আবেদন করেন। তাঁদের এই আবেদনের পর দ্রুততার সঙ্গে পরদিন পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে শুনানির দিন ধার্য করে আদালত। আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহ মঞ্জুরুল হক। তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেয়, এই দুই শিক্ষার্থী তাদের সঙ্গে জড়িত নন।

এই পরিস্থিতিতে বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে সংবাদ সম্মেলন করেন আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি জানান, আগামীকাল (১০ জুলাই, বুধবার) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশব্যাপী সর্বাত্মক অবরোধ কর্মসূচি পালিত হবে। এতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও রেলপথ অন্তর্ভুক্ত থাকবে। বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিকটবর্তী সড়কে অবরোধ করবেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, “অনেকে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথা বলছেন। আমরাও চাই না সাধারণ মানুষ কষ্ট পাক। কিন্তু এখনো আমাদের সঙ্গে নির্বাহী বিভাগের কোনো আলোচনা হয়নি বা আশ্বাস পাইনি। সংসদে আইন পাসের মাধ্যমে কোটা বৈষম্য নিরসন করতে হবে। এখন আমাদের কোনো দাবি আদালতের কাছে নয়, দাবি একমাত্র নির্বাহী বিভাগের কাছে।”

এদিন বড় ধরনের কোনো কেন্দ্রীয় আন্দোলন কর্মসূচি না থাকলেও সারাদেশে ছাত্র ধর্মঘট, ক্লাস বর্জন এবং অনলাইন-অফলাইনে ব্যাপক গণসংযোগ চালান শিক্ষার্থীরা। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করে বুয়েট শিক্ষার্থীরা তাঁদের ক্যাম্পাসের শহীদ মিনারে মানববন্ধন করেন।

অবরোধ কর্মসূচি না থাকা সত্ত্বেও বিকেল পৌনে ৪টার দিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। একই দিনে বেলা সাড়ে ১১টায় বরিশালের নথুল্লাবাদ এলাকায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভে অংশ নেন বিএম কলেজের শিক্ষার্থীরা। তাঁরা প্রায় দুই ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখেন। একইসঙ্গে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এদিন মশাল মিছিলও করেন।

এছাড়া দুপুর ১২টায় কলেজ গেটের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থীরা। হবিগঞ্জের বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধনে অংশ নেন। এক দফা দাবিতে বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত প্যারিস রোডে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও।




বাংলাদেশ সফর স্থগিত, আগস্টে শ্রীলঙ্কা সফরে যেতে পারে ভারত

আগামী আগস্টে বাংলাদেশ সফরে আসার কথা ছিল ভারতীয় ক্রিকেট দলের। কিন্তু হঠাৎ করেই সফরটি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পিছিয়ে দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। যদিও বাংলাদেশ সফর পিছিয়ে গেছে, তবুও আগস্ট মাসে খেলার বাইরে থাকতে চায় না রোহিত শর্মা-বিরাট কোহলিরা। এ জন্য বিকল্প হিসেবে শ্রীলঙ্কা সফরের আলোচনা চলছে বিসিসিআই ও শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট (এসএলসি)-এর মধ্যে।

শ্রীলঙ্কার সংবাদমাধ্যম ‘নিউজওয়্যার’ জানিয়েছে, ভারতীয় দল তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি–টোয়েন্টি খেলতে আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে শ্রীলঙ্কা সফরে যেতে পারে। এই সময়েই লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ (এলপিএল) হওয়ার কথা থাকলেও সেটি স্থগিত হওয়ায় ভারত ও শ্রীলঙ্কা—উভয় দলেরই সূচি এখন ফাঁকা রয়েছে। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই স্বল্প পরিসরের দ্বিপক্ষীয় সিরিজ আয়োজনের আলোচনা চলছে।

এর আগে গত ৫ জুলাই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশ সফর স্থগিত করে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে সিরিজটি আয়োজন করতে সম্মত হয়েছে দুই বোর্ড। তবে সফর স্থগিতের কোনো নির্দিষ্ট কারণ তখন জানানো হয়নি।

তবে বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ। প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার এই মুহূর্তে বাংলাদেশ সফরে যেতে দলের প্রতি সায় দেয়নি। কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়—ভারত-বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের বর্তমান শীতল অবস্থা এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের উদ্বেগ। দিল্লির ধারণা, এই সময়ে বাংলাদেশ সফর কোনো ইতিবাচক বার্তা দেবে না।

উল্লেখ্য, আগস্টেই ভারতের বাংলাদেশের বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি–টোয়েন্টি খেলার কথা ছিল। কিন্তু সেই সূচি পরিবর্তিত হওয়ায় শ্রীলঙ্কার সঙ্গে নতুন সিরিজ আয়োজন এখন সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫

 




বরগুনায় অস্ত্রোপচারে ভয়াবহ ভুল: রোগীর পেটে ৭ ইঞ্চি ফরসেপ রেখেই সেলাই!

বরগুনার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে অস্ত্রোপচারের সময় রোগীর পেটে ৭ ইঞ্চি লম্বা ফরসেপ (চিকিৎসা যন্ত্র) রেখেই সেলাই করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের এক আবাসিক সার্জনের বিরুদ্ধে। সাত মাস পর ফরসেপ অপসারণ করা হলেও, বর্তমানে মৃত্যুশয্যায় রয়েছেন ৭০ বছর বয়সী কহিনুর বেগম নামের এক নারী।

জানা যায়, পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার বালিয়াতলী গ্রামের কহিনুর বেগম মেয়ের বাড়ি বেড়াতে এসে হঠাৎ পেটে ব্যথা অনুভব করেন। এরপর তাকে বরগুনা পৌর শহরের ‘কুয়েত প্রবাসী হাসপাতাল’-এ ভর্তি করা হয়। সেখানেই জরায়ুর সমস্যার কথা জানিয়ে ২০২৩ সালের ১৮ নভেম্বর অস্ত্রোপচার করেন বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক সার্জন ডা. ফারহানা মাহফুজ এবং হাসপাতালের নিয়মিত চিকিৎসক ডা. সাফিয়া পারভীন।

অপারেশনের পর থেকেই কহিনুর বেগমের অবস্থার অবনতি হতে থাকে। পরে বরিশাল শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক্স-রে করার পর তার পেটে কাঁচি সদৃশ বস্তু শনাক্ত হয়। গত ১৮ জুন সেখানে পুনরায় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ফরসেপটি অপসারণ করা হয়। তবে ততক্ষণে তার দেহে মারাত্মক সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে এবং খাদ্যনালী কেটে ফেলে বিকল্প পথ তৈরি করতে হয়।

রোগীর জামাতা হুমায়ুন বলেন, “আমার শাশুড়ির শরীরের মধ্যে কাঁচি রেখে চিকিৎসা করা হয়েছে। এখন তিনি মৃত্যুর মুখে। আমরা বিচার চাই।”

রোগীর মেয়ে ফাহিমা বেগম বলেন, “ভুল চিকিৎসার কারণে আমার মা এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। তার খাবার খাওয়ার পথ কেটে ফেলতে হয়েছে। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই এবং দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেব।”

হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল হক গাজী (মন্টু) দাবি করেন, অপারেশনের পর হাসপাতালের যন্ত্রপাতি চেক করে কিছু হারানোর প্রমাণ মেলেনি। তবে রোগীর অবস্থা জানার পর তিনি বরিশালে গিয়ে খোঁজ নিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সার্জন ডা. ফারহানা মাহফুজের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

বরগুনার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আবুল ফাত্তাহ বলেন, “বিষয়টি শুনেছি। বরগুনার সব অনিয়মতান্ত্রিক ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলমান আছে। ঘটনার তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ঘটনাটি মানুষের জীবনের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা খাতের শৃঙ্খলা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে। সংশ্লিষ্টদের দ্রুত তদন্ত ও যথাযথ বিচার দাবী করছেন সচেতন মহল।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম

 




বরিশালে ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, আহত ৩০

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি বাতিল করে ‘বিআইটি’ মডেলের মতো স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠা গঠনের একদফা দাবিতে বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা বুধবার সকাল থেকে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী বরিশাল-ভোলা-চট্টগ্রাম জাতীয় মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলনে অংশ নেন। প্রবল বর্ষণের মধ্যেও শিক্ষার্থীরা সড়কে অবস্থান নেন, ফলে যান চলাচলে সৃষ্টি হয় তীব্র বাধা।

ঘটনার শুরুতে শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করলেও দুপুর ২টার দিকে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ সড়ক থেকে শিক্ষার্থীদের সরানোর চেষ্টা করলে কথা কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয় পরিস্থিতি। পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করলে অন্তত ৩০ জন শিক্ষার্থী আহত হন, যার মধ্যে ২৩ জনকে ভর্তি করা হয়েছে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, পুলিশ বিনা উসকানিতে লাঠিচার্জ করে এবং নারী শিক্ষার্থীদের ওপর পুরুষ পুলিশ সদস্যরাও হামলা চালিয়েছেন। তবে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) একটি দায়িত্বশীল সূত্র এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

পুলিশের দাবি, সড়ক অবরোধের কারণে তিনটি বিভাগের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও প্রশাসন ধৈর্য এবং সহনশীলতার সঙ্গে কাজ করেছে। যদিও পুলিশের লাঠিচার্জের পর অবরোধ তুলে নেওয়া হয়, শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে ফিরে বিক্ষোভ চালিয়ে যান এবং জানিয়ে দেন যে তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

উল্লেখ্য, চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে বরিশাল, ফরিদপুর ও ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম ২০ মে থেকে সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে। শিক্ষার্থীরা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচির আওতায় ক্লাস, পরীক্ষা এবং প্রশাসনিক সব কার্যক্রম বর্জন করে আসছেন।

বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের দ্বৈত শাসন ব্যবস্থায় তাদের শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ছে। তারা স্পষ্ট করে বলেন, “আমাদের দাবি মেনে না নেওয়া হলে আন্দোলন আরও তীব্র হবে।”

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫

 




পক্ষাঘাতগ্রস্তদের জন্য রোবটিক চিকিৎসায় নতুন যুগের সূচনা

পক্ষাঘাতগ্রস্ত ও দীর্ঘমেয়াদি স্নায়ুজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের পুনর্বাসনে বাংলাদেশে শুরু হচ্ছে প্রযুক্তিনির্ভর নতুন অধ্যায়। রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)-এর সুপারস্পেশালাইজড হাসপাতালে চালু হচ্ছে দেশের প্রথম রোবটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার।

চীনের কারিগরি সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত এই আধুনিক সেন্টারে বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) থেকে সীমিত পরিসরে পাইলট প্রকল্প চালু হচ্ছে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে এই কেন্দ্রটি পক্ষাঘাত, স্ট্রোক, স্নায়ুবিক সমস্যা, দুর্ঘটনাজনিত আঘাত ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যথায় ভোগা রোগীদের পুনর্বাসনে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

বিএমইউ সূত্রে জানা গেছে, চীনের সরকার এই সেন্টারে প্রায় ২০ কোটি টাকার রোবটিক যন্ত্রপাতি অনুদান দিয়েছে। কেন্দ্রটিতে রয়েছে মোট ৬২টি রোবট, যার মধ্যে ২২টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (AI)। এই রোবটগুলো রোগীর শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী নির্ভুল ও সুনির্দিষ্টভাবে ফিজিওথেরাপি, স্নায়ুবিক পুনর্বাসন ও চিকিৎসা সেবা দিতে পারবে।

সেন্টারটি চালুর পূর্বপ্রস্তুতির অংশ হিসেবে চীনের ৭ সদস্যের একটি বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার দল ২৭ জন চিকিৎসক ও ফিজিওথেরাপিস্টকে উন্নত প্রশিক্ষণ দিয়েছে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এই জনবল পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা অর্জন করার পর সেন্টারটি পুরোদমে চালু করা হবে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, এই রোবটিক থেরাপি বিশেষত স্ট্রোক, নার্ভ ইনজুরি, ফ্রোজেন শোল্ডার, দীর্ঘমেয়াদি ব্যথা বা শারীরিক দুর্বলতার মতো রোগীদের জন্য কার্যকর হবে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে গণআন্দোলনে আহতদের এই সেন্টারে বিনামূল্যে সেবা প্রদান করা হবে।

শুধু বিশেষ প্রয়োজন নয়, ভবিষ্যতে ধাপে ধাপে সাধারণ রোগীদের জন্যও চিকিৎসা সেবা উন্মুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে রোগীদের আর্থিক সক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যয় নির্ধারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

এই রোবটিক রিহ্যাব সেন্টার শুধু চিকিৎসা ব্যবস্থার এক নতুন দিগন্ত নয়, বরং হাজারো পক্ষাঘাতগ্রস্ত ও অসহায় মানুষের জীবনে নতুন আশার আলো এনে দেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫

 




দেশকে যত দ্রুত নির্বাচনের ট্র্যাকে ওঠানো যাবে ততই মঙ্গল: মির্জা ফখরুল

দেশকে গণতান্ত্রিক পথে ফেরাতে অবিলম্বে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “দেশকে যত দ্রুত নির্বাচনের ট্র্যাকে ওঠানো যাবে, ততই মঙ্গল।”

বুধবার (৯ জুলাই) সকালে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্স অ্যান্ড হসপিটালে চিকিৎসাধীন বিএনপির উপদেষ্টা অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস ও অধ্যাপক সিরাজ উদ্দিন আহমেদকে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।

ফখরুল বলেন, “গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় শক্তি বিএনপি, এবং এই দলই একদলীয় শাসন থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে। দেশের প্রতিটি রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব হচ্ছে দেশকে সঠিক ট্র্যাকে ফিরিয়ে আনা।”
তিনি আরও বলেন, “যারা ভাবেন নির্বাচন প্রয়োজন নেই, তারা পুনরায় চিন্তা করুন। জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা একটি নির্বাচিত সরকারের দরকার রয়েছে। এ কারণেই আমরা সংস্কারের পক্ষে, এবং প্রতিটি সংস্কারের দাবিদার আমরাই ছিলাম। সুতরাং সংস্কার এবং নির্বাচন—দুটিই একসাথে চলবে।”

আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “এই ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে বিএনপি সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়েছে। আমি নিজেও ১১২টি মামলার আসামি এবং ১৩ বার কারাগারে গিয়েছি। শেখ হাসিনাকে আমরা হাজার হাজার মানুষের হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী মনে করি। তার বিচার শুরু হয়েছে। শুধু তাকেই নয়, যারা গণহত্যায় জড়িত তাদের সবাইকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দিতে হবে। প্রমাণ মিললে দলীয়ভাবেও আওয়ামী লীগের বিচার হওয়া উচিত।”

সাক্ষাৎ শেষে বিএনপি মহাসচিব ফরিদপুরের বরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ফরিদা পারভীন ও দলের বিভিন্ন অসুস্থ নেতাদের খোঁজখবরও নেন এবং চিকিৎসার জন্য সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম




হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৭৩ হাজারের বেশি বাংলাদেশি হাজি

পবিত্র হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে ৭৩ হাজারের বেশি বাংলাদেশি হাজি দেশে ফিরেছেন। হজ ব্যবস্থাপনার আওতায় ১৯০টি ফ্লাইটে এসব ধর্মপ্রাণ মুসল্লির প্রত্যাবর্তন সম্পন্ন হয়েছে।

সোমবার (৭ জুলাই) হজ সম্পর্কিত সর্বশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। সূত্র মতে, রোববার দিবাগত রাত ৩টা পর্যন্ত দেশে ফেরা হাজির সংখ্যা ৭৩ হাজার ৪৯৩ জন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৫ হাজার ৭ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬২ হাজার ৮১৪ জন হাজি দেশে পৌঁছেছেন।

ফ্লাইট পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে ৩২ হাজার ৩৬২ জন, সৌদি এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে ২৬ হাজার ৬৮৩ জন এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে ৮ হাজার ৭৭৬ জন হাজি দেশে ফিরে এসেছেন।

চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে সর্বমোট ৮৫ হাজার ৩০২ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে গমন করেন। এদের মধ্যে প্রথম হজ ফ্লাইটটি ঢাকা থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশে ছেড়ে যায় গত ২৯ এপ্রিল। এরপর এক মাসব্যাপী ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে সকল হজযাত্রীকে সৌদি আরবে পৌঁছানো হয়।

তবে এবারের হজে মৃত্যুবরণ করেছেন ৪৪ জন বাংলাদেশি হাজি। তাদের মধ্যে পুরুষ ৩৩ জন এবং নারী ১১ জন। মৃত্যুর স্থান অনুযায়ী মক্কায় ২৬ জন, মদিনায় ১৪ জন, জেদ্দায় ৩ জন এবং আরাফায় ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে হজ ব্যবস্থাপনা ও যাত্রী পরিবহনে সার্বিক সমন্বয়ের মাধ্যমে সফলভাবে হজ কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ধর্মপ্রাণ মানুষ ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম




বরিশালের খাল রক্ষায় ৭০১ কোটি টাকার বিশাল প্রকল্প, মিলেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি

বরিশাল নগরীর মৃতপ্রায় খালগুলো পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণের লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে ৭০১ কোটি টাকার বিশাল প্রকল্প। ইতোমধ্যে এ প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের পক্ষ থেকে সম্মতি প্রদান করা হয়েছে। এর ফলে খালগুলোর পাড় সংরক্ষণ, পুনঃখনন এবং পুনরুদ্ধারের কাজ এখন আর্থিক বাধা ছাড়াই ত্বরান্বিত হতে যাচ্ছে।

সোমবার (৮ জুলাই) অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাজেট-১১ শাখার বাজেট-২ অনুবিভাগের যুগ্মসচিব মোছা. রুখসানা রহমান স্বাক্ষরিত এক স্মারকের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এতে বলা হয়, স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন বরিশাল সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন “বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন খালসমূহের পাড় সংরক্ষণসহ পুনরুদ্ধার ও পুনঃখনন কাজ (১ম পর্ব)” প্রকল্পে মোট ৭০১.৫৩৯৯ কোটি টাকার প্রস্তাবিত সরকারি অর্থায়নের মধ্যে ৮০ শতাংশ অর্থাৎ ৫৬১.২৩১৯ কোটি টাকা অনুদান এবং বাকি ২০ শতাংশ, অর্থাৎ ১৪০.৩০৮০ কোটি টাকা ঋণ হিসেবে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। অর্থ বিভাগ এই বরাদ্দ ৭টি শর্তে অনুমোদন দিয়েছে।

বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অর্থ বিভাগের এই সম্মতি প্রকল্পের বাস্তবায়নে গতি আনবে এবং বরিশালের মৃতপ্রায় খালগুলো পুনরুজ্জীবিত করার মাধ্যমে শহরের পরিবেশ ও নান্দনিকতা ফিরে আসবে।

তিনি আরও বলেন, “বরিশাল বরাবরই ধান, নদী আর খালের শহর হিসেবে পরিচিত। তবে সময়ের ব্যবধানে খালগুলো প্রায় অদৃশ্য হয়ে পড়েছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা খালগুলো নতুন প্রাণ দিতে পারব।”

প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে খালগুলোর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত হবে, শহরে জলাবদ্ধতা কমবে এবং নগর পরিবেশ আরও বাসযোগ্য হয়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী। একই সঙ্গে বর্তমান সরকারের সহায়তা এবং প্রশাসনের পরিকল্পিত উদ্যোগের ফলে বরিশালবাসী একটি সুন্দর, সবুজ ও পরিচ্ছন্ন শহর উপহার পাবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম




হাসিনার বিচার শুরু হয়েছে, ফ্যাসিবাদীদের শাস্তি প্রয়োজন: ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জুলাই গণহত্যার বিচার ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদের পক্ষে যারা কাজ করেছে তাদের প্রত্যেকের শাস্তি হওয়া প্রয়োজন।

বুধবার (৯ জুলাই) রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দলের নেতাদের দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ফখরুল এ মন্তব্য করেন।

ফখরুল বলেন, “বিএনপি আওয়ামী লীগের নির্যাতন, নিপীড়ন, হত্যা ও গুমের সবচেয়ে বড় শিকার। আমারও ১১২টি মামলা ছিল এবং আমি ১৩বার জেলে গিয়েছি। যারা ফ্যাসিবাদের পক্ষে কাজ করেছে, তাদের অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে এবং আইনের আওতায় আনা উচিত।”

তিনি বলেন, “শেখ হাসিনাকে এককভাবে হাজার হাজার মানুষের হত্যাকাণ্ড ও নির্যাতনের জন্য দায়ী মনে করি। তার বিচার শুরু হয়েছে। আমরা আশা করি, গণহত্যা ও ফ্যাসিজমের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের বিচার হবে। যদি দলগতভাবে আওয়ামী লীগের দায় পাওয়া যায়, তবে দল হিসেবে তাদেরও বিচার হওয়া উচিত।”

গণতন্ত্রে বিএনপির অবদান তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, “গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো বিএনপি। একদলীয় শাসন থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার লড়াইও করেছে বিএনপি।”

তিনি দেশের সব রাজনৈতিক দলকে আহ্বান জানান দেশের সঠিক পথে ফেরানোর জন্য। নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তাও তিনি জোর দিয়ে বলেন, “নির্বাচন দরকার জনগণের জন্য। একটি নির্বাচিত সরকার দরকার, যার সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক থাকবে। সংস্কার এবং নির্বাচন একসাথে চলতে পারে এবং বিএনপি সংস্কারের দাবি প্রথম থেকেই তুলেছে।”

পরে তিনি আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিল্পী ফরিদা পারভীনকে দেখতে যান এবং তার চিকিৎসার জন্য বিএনপির পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। ফরিদা পারভীনকে ‘লালন সংগীতে অদ্বিতীয়’ হিসেবে আখ্যায়িত করে ফখরুল সরকারকে তার সুচিকিৎসার জন্য বিশেষ বোর্ড গঠন ও প্রয়োজনে বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান।

এ সময় বিএনপির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন উজ্জ্বল, সহ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সাঈদ সোহরাব, জাসাস সভাপতি হেলাল খান ও সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন রুকনসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে তিনি নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ডা. আব্দুল কুদ্দুস ও অধ্যাপক ডা. সিরাজউদ্দিনকে দেখতে যান।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম




সুপ্রসিদ্ধ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের সাত দিনের রিমান্ড বৃদ্ধি

যুবদল নেতা মো. আরিফ সিকদারের হত্যাকাণ্ডের তদন্তে ঢাকার হাতিরঝিল থানায় দায়েরকৃত মামলায় শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের সাত দিনের রিমান্ড বাড়িয়ে মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৯ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবদুল ওয়াহাবের আদালতে শুনানি শেষে এই আদেশ দেওয়া হয়। আদালতে কারাগার থেকে সুব্রত বাইন হাজির ছিলেন।

গত ২৭ মে অস্ত্রসহ সুব্রত বাইন, তার সহযোগী মোল্লা মাসুদসহ চারজনকে যৌথ বাহিনী গ্রেপ্তার করে। এরপর অস্ত্র আইনের মামলায় তার আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। ২৩ জুন ঢাকার ম্যাজিস্ট্রেট আদালত যুবদল নেতা আরিফ হত্যা মামলায় তার গ্রেপ্তার দেখান।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ এপ্রিল রাতে রাজধানীর হাতিরঝিল থানার নয়াটোলা মোড়ল গলির ‘দি ঝিল ক্যাফে’র সামনে যুবদল নেতা মো. আরিফ সিকদারকে গুলি করা হয়। আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ২১ এপ্রিল চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। আরিফ সিকদার ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তরের ৩৬ নং ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সহ-ক্রীড়া সম্পাদক।

মৃত আরিফের বোন রিমা আক্তার বাদী হয়ে সুব্রত বাইনের সহযোগী মাহফুজুর রহমান বিপুসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। বর্তমানে মামলার তদন্ত করছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তেজগাঁও বিভাগ। মামলার অন্য আসামির মধ্যে রয়েছেন মো. ইয়াছিন, মো. আসিফ হোসেন, মো. অনিক, মো. মিরাজ, মো. আশিক, মো. ইফতি, জাফর ইমাম তরফদার মন্টু, রতন শেখ ও আলিফ।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম