ওয়াকআউটের পর আলোচনায় ফিরে নির্বাহী ক্ষমতা রক্ষার পক্ষে বিএনপি

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংলাপ থেকে কিছু সময়ের জন্য ওয়াকআউট করার পর পুনরায় আলোচনায় যোগ দিয়েছে বিএনপি। আলোচনা শেষে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “দেশে যেন আর কখনও স্বৈরাচার বা ফ্যাসিবাদ না জন্মায়, সে লক্ষ্যে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগে বিএনপি সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছে। তবে নির্বাহী বিভাগের কর্তৃত্ব খর্ব করা হলে রাষ্ট্রীয় ভারসাম্য বিনষ্ট হবে।”

সোমবার (২৮ জুলাই) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর দ্বিতীয় দফার সংলাপের ২০তম দিনে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি জানান, বিএনপির পক্ষ থেকেই প্রধানমন্ত্রী মেয়াদের সর্বোচ্চ সীমা ১০ বছর নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, যা কমিশন গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি, একটি স্বাধীন সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠনের প্রস্তাবও বিবেচনায় এসেছে, যেখানে সরকারি দল, বিরোধী দল ও বিচার বিভাগের প্রতিনিধিরা থাকবেন।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রস্তাবের প্রসঙ্গ তুলে সালাহউদ্দিন বলেন, “আমরা বলেছি, পরবর্তী সংসদ যদি এই বিষয়ে কোনো সংশোধনী আনে, তা রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের আগে গণভোটে যেতে হবে। এটি গ্রহণযোগ্য হওয়ায় আমরা মনে করি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পথে এটি বড় পদক্ষেপ।”

তবে এসব অগ্রগতির মাঝেও নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা হ্রাস নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। বলেন, “জবাবদিহিতা যেমন সংসদের কাছে, তেমনি জনগণের কাছেও রয়েছে। কিন্তু যদি নির্বাহী কর্তৃত্ব না থাকে, কেবল দায়িত্ব ও জবাবদিহিতা দেওয়া হয়, তাহলে কার্যকর রাষ্ট্র পরিচালনা সম্ভব নয়।”

তিনি আরও মন্তব্য করেন, “সাংবিধানিক ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে নিয়োগে নির্বাহী বিভাগের ক্ষমতা খর্ব হলে ভবিষ্যতে এটি বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে শক্তিশালী নির্বাহী বিভাগ অপরিহার্য।”

বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংলাপে তাদের অংশগ্রহণ গঠনমূলক উদ্দেশ্যে হলেও মৌলিক মতভেদ থাকলে সেটি প্রকাশ করাও গণতান্ত্রিক আচরণের অংশ। সালাহউদ্দিন বলেন, “সব বিষয়ে ঐকমত্য হবে না—এটাই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। আমরা কাউকে নোট অব ডিসেন্ট দিয়ে ঐকমত্যে বাধ্য করতে চাই না। বরং ঐকমত্য মানেই হচ্ছে সকলকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়া।”

সংলাপ শেষে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা জানান, পরবর্তী পর্যায়েও বিএনপি অংশ নেবে এবং ইতিবাচক আলোচনায় প্রস্তুত থাকবে।




জাতিবৈচিত্র্য আমাদের শক্তি, মেইনস্ট্রিমে মিশে যেতে চাই: সুপ্রদীপ চাকমা

“জাতিবৈচিত্র্য আমাদের সংস্কৃতির উৎস এবং শক্তি। আমরা মূলধারার সঙ্গে মিশে যেতে চাই এবং দেশের সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে চাই”—এমন মন্তব্য করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা।

রোববার (২৮ জুলাই) রাতে বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে “জাতিবৈচিত্র্য দিবস ২০২৫” উপলক্ষে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বহুজাতিক বৈচিত্র্যে গঠিত, যেখানে বিভিন্ন ভাষা, জাতি ও সম্প্রদায় পরস্পরের সঙ্গে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ। জাতিবৈচিত্র্য দিবস এই ঐক্য ও সহাবস্থানের নতুন দ্বার উন্মোচন করেছে।

তিনি জানান, পার্বত্য চট্টগ্রামের জাতিগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য গুণগত ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার নিরলস কাজ করছে। বিশেষ করে বিজ্ঞান, গণিত, ইংরেজি ও আইসিটি শিক্ষায় পিছিয়ে থাকা পাহাড়ি শিক্ষার্থীদের উন্নত প্রশিক্ষণ ও মানসম্পন্ন শিক্ষকের মাধ্যমে দক্ষ করে গড়ে তোলা হবে।

উপদেষ্টা আরও জানান, আগামী ছয় মাসের মধ্যে পার্বত্য এলাকার অন্তত ১০০টি বিদ্যালয়ে স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে ই-লার্নিং চালু হবে। এই উদ্যোগ শিক্ষায় প্রযুক্তির বিপ্লব ঘটাবে এবং শহরের অভিজ্ঞ শিক্ষকদের পাঠদান সুবিধা পাহাড়ি অঞ্চলেও পৌঁছাবে।

তিনি বলেন, “আমার প্রথম এজেন্ডা হলো গুণগত শিক্ষা, দ্বিতীয় এজেন্ডা জীবন-জীবিকা উন্নয়ন, এবং তৃতীয় এজেন্ডা পরিবেশ—যার দায়িত্ব পরিবেশ বিষয়ক উপদেষ্টার হাতে থাকবে।”

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজমের সভাপতিত্বে আয়োজিত সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য কে. এস. মং। আলোচনায় অংশ নেন মানবাধিকার ও সংস্কৃতি কর্মী অলিক মৃ, রাখাইন বুড্ডিস্ট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের সভাপতি ক্য চিন ঠে ডলি রাখাইন এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব চ নু মং।

সেমিনারে সরকারের সচিব, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, গবেষক, সাংস্কৃতিক কর্মীসহ বিভিন্ন পেশার অতিথিরা অংশ নেন। আলোচনা হয় জাতিগোষ্ঠীগুলোর ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা বিস্তার এবং সমাজে সম্মিলিত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার উপায় নিয়ে।

অনুষ্ঠান শেষে শিল্পকলা একাডেমির পরিবেশনায় মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমাসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা। পাশাপাশি, বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্য তুলে ধরা হয় স্টলভিত্তিক প্রদর্শনীর মাধ্যমে। প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে সেমিনারটি হয়ে ওঠে একটি সংহতির উৎসব।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




‘জুলাইয়ের নায়ক’ আহতদের সেবা দেওয়া সাহসী চিকিৎসকরা: প্রধান উপদেষ্টা

জুলাই বিপ্লব চলাকালে আহত আন্দোলনকারীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া চিকিৎসকদের ‘জুলাইয়ের নায়ক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত, যুদ্ধের সময়ও আহতদের চিকিৎসা বন্ধ হয় না। অথচ জুলাই বিপ্লবের সময় বাংলাদেশে সেই মানবিক নীতির ব্যতিক্রম ঘটেছে। সেই কঠিন সময়েও যারা ঝুঁকি নিয়ে আহতদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তারাই এই জুলাইয়ের প্রকৃত নায়ক।

সোমবার (২৮ জুলাই) রাজধানীর শাহবাগে শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে আহত আন্দোলনকারীদের সেবা দেওয়া চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সম্মানে আয়োজিত ‘জুলাই স্মরণ’ অনুষ্ঠানে এক ভিডিও বার্তায় এসব কথা বলেন ড. ইউনূস।

তিনি বলেন, “আন্দোলনের সময় আহতদের চিকিৎসা না দেওয়ার সুস্পষ্ট সরকারি নির্দেশনা ছিল। কিন্তু কিছু চিকিৎসক সেই নির্দেশ উপেক্ষা করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেবা দিয়েছেন। তারা সাহস, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধের যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, তা জাতি কখনও ভুলবে না।”

প্রধান উপদেষ্টা অভিযোগ করেন, আন্দোলন দমাতে সরকার শুধু গুলি চালিয়েই ক্ষান্ত হয়নি, বরং চেষ্টা করেছে যেন কোনো হাসপাতাল আহতদের চিকিৎসা না দেয়। ছাত্রদের রাস্তায় পিটিয়ে আহত করার পর এমনকি হাসপাতালে পৌঁছানোর পরও তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। চিকিৎসক ও নার্সদের হুমকি-ধামকির মুখে পড়তে হয়েছে এবং তাদের কাজেও বাধা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, শত শত আন্দোলনকারী সঠিক চিকিৎসার অভাবে চিরতরে দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। সরকারি নির্দেশ ছিল, আহতদের কাউকে চিকিৎসা দেওয়া যাবে না। অথচ সেই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে বহু চিকিৎসক সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।

ড. ইউনূস বলেন, “চিকিৎসকরা শুধু সেবা দেননি, বরং রক্ত সংকটের সময় প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে রক্ত সংগ্রহ করেছেন, ওষুধের ব্যবস্থা করেছেন, এমনকি রোগীর পরিচয় গোপন রাখতে ব্যবস্থাপত্রে অন্য নাম লিখেছেন। অনেক প্রাইভেট চিকিৎসকও সরকারি হাসপাতালে গিয়ে আহতদের সেবা দিয়েছেন। তারা নতুন এক মানবিক অধ্যায় রচনা করেছেন।”

প্রধান উপদেষ্টা এসব চিকিৎসকদের আত্মত্যাগ ও সাহসিকতার প্রশংসা করে বলেন, “আপনারা শুধু এই জুলাইয়ের নায়ক নন, আপনারা জাতির গর্ব। আপনারা ইতিহাসে চিরকাল বেঁচে থাকবেন।”




আসিয়ান সদস্য হতে মালয়েশিয়ার সহায়তা চাইল বাংলাদেশ

বাংলাদেশকে আসিয়ান (ASEAN) সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে মালয়েশিয়ার সহযোগিতা চেয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

রবিবার (২৭ জুলাই ২০২৫) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় মালয়েশিয়ার পিপলস জাস্টিস পার্টির (পিকেআর) সহ-সভাপতি ও দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের কন্যা নুরুল ইজ্জাহ আনোয়ার সৌজন্য সাক্ষাতে এলে তিনি এ অনুরোধ জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আমরা আসিয়ানের অংশ হতে চাই এবং এ লক্ষ্যে আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন। আমরা বিশ্বাস করি, মালয়েশিয়া বাংলাদেশের সদস্যপদ নিশ্চিত করতে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।”

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ ২০২০ সালেই আসিয়ান খাতভিত্তিক সংলাপ অংশীদার হওয়ার জন্য আবেদন করে। বর্তমানে সেই প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে মালয়েশিয়ার সমর্থন অত্যন্ত জরুরি।

সাক্ষাৎকালে নুরুল ইজ্জাহ ঢাকার মাইলস্টোন স্কুলে সম্প্রতি প্রশিক্ষণ বিমান দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রতি শোক প্রকাশ করেন। জবাবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “এটি আমাদের জন্য এক হৃদয়বিদারক ঘটনা, আমরা অনেক মূল্যবান জীবন হারিয়েছি।”

প্রধান উপদেষ্টা তাকে রাজনৈতিক দলের সহ-সভাপতি পদে মনোনয়ন পাওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং বলেন, “আপনাকে অভিনন্দন জানাই, আপনার রাজনৈতিক অবস্থান নারী নেতৃত্বের জন্য অনুপ্রেরণা।”

এ সময় অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া সংস্কার কার্যক্রম তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “আমরা এখন একটি রূপান্তরের মধ্যে রয়েছি। তরুণদের নেতৃত্বে একটি গণআন্দোলনের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন ঘটেছে এবং জনগণের অংশগ্রহণে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “জুলাই বিদ্রোহের চেতনায় উজ্জীবিত ছাত্রসমাজ দেশের দেয়াল ও পথঘাট রাঙিয়ে দিয়েছে। এই চেতনা গণজাগরণে রূপ নিয়েছে।”

বাংলাদেশে মালয়েশিয়ান বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “এশিয়ার অনেক দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমলেও, বাংলাদেশ এখনো তরুণ জনগোষ্ঠীতে পরিপূর্ণ। আমাদের অর্ধেক মানুষই ২৭ বছরের নিচে। আপনারা বাংলাদেশে শিল্প স্থাপন করুন, এখান থেকে পণ্য রপ্তানি করুন— এতে উভয় দেশেরই লাভ হবে।”

সাক্ষাতে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী এবং সিনিয়র সচিব ও এসডিজি সমন্বয়কারী লামিয়া মোরশেদ।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর: একমত বিএনপি-জামায়াতসহ বিরোধী দলগুলো

এক ব্যক্তি জীবনে সর্বোচ্চ ১০ বছর প্রধানমন্ত্রীর পদে বহাল থাকতে পারবেন—এ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে দেশের ৩০টি রাজনৈতিক দল। একইসঙ্গে একটি স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠনের প্রস্তাবেও দলগুলো একমত হয়েছে।

রোববার (২৭ জুলাই) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় ধাপের সংলাপের ১৯তম দিনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপিসহ বিভিন্ন দল অংশ নিলেও আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি এবং ১৪ দলীয় জোটের কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না।

কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ জানান, “আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছি। তা হলো—এক ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সর্বোচ্চ ১০ বছর দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। জাতীয় সনদে এ শর্তটি অন্তর্ভুক্ত করা হবে।”

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “আমরা পূর্বেই বলেছি, কেউ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকবেন না। তবে এ বিষয়ে সংবিধান সংশোধনের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন নিয়োগের জন্য নিরপেক্ষ কমিটি গঠনের প্রস্তাবও বিবেচনায় নিতে হবে। না হলে আমাদের পূর্বের শর্ত বহাল থাকবে।”

স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠনের প্রস্তাবে সম্মতি

সংলাপে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দলগুলো বাংলাদেশে একটি স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠনের প্রস্তাবেও সম্মতি প্রকাশ করে। কমিশনের লক্ষ্য হবে পুলিশের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং নাগরিকদের অভিযোগের নিরপেক্ষ নিষ্পত্তি।

কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এ কমিশন নেতৃত্ব দেবেন একজন অবসরপ্রাপ্ত আপিল বিভাগের বিচারপতি (যার বয়স ৭২ বছরের নিচে), সদস্য সচিব হবেন একজন অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত আইজিপি (যার বয়স ৬২ বছরের নিচে)।

কমিশনে থাকবেন:

  • সরকার ও বিরোধীদলের প্রতিনিধি (সংসদ নেতা, বিরোধীদলীয় নেতা, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার)
  • একজন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী (১৫ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন)
  • একজন মানবাধিকার কর্মী (১০ বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা সম্পন্ন)
  • একজন অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত আইজিপি

কমিশনের অন্তত দুইজন সদস্য নারী হবেন। সদস্য মনোনয়নের জন্য একটি বাছাই কমিটি গঠনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এবং একজন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক।

কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্য সচিব পূর্ণকালীন দায়িত্বে থাকবেন, বাকিরা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করবেন। বৈঠকে অংশগ্রহণ ও দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনের জন্য সদস্যরা সম্মানী বা ভাতা নিতে পারবেন।

সবশেষে জানানো হয়, কমিশনের সদস্যদের দায়িত্ব, ক্ষমতা, অপসারণ ও জবাবদিহিতা একটি আলাদা আইনের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। নীতিগত ও নির্বাহী সিদ্ধান্তগুলো সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে গৃহীত হবে।




যুক্তরাষ্ট্রে ১ আগস্ট থেকেই শুল্ক কার্যকর, ছাড় নেই

যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লাটনিক জানিয়েছেন, আগামী ১ আগস্ট থেকে যুক্তরাষ্ট্র নির্ধারিত নতুন শুল্ক কার্যকর করবে এবং এতে কোনো গ্রেস পিরিয়ড বা অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে না। রোববার (২৭ জুলাই) ফক্স নিউজের “সানডে” অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

লাটনিক বলেন, “আর কোনো সময় নয়, কোনো ছাড় নয়—১ আগস্ট থেকেই কাস্টমস নতুন হারে অর্থ সংগ্রহ শুরু করবে এবং আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাবো।” তবে তিনি জানান, শুল্ক কার্যকর হওয়ার পরও আলোচনার দরজা খোলা থাকবে এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচনায় আগ্রহী।

বিশ্ববাজারে বাণিজ্যচুক্তির দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন চুক্তি চায়, তবে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। “আমরা আলোচনার ভিত্তি গড়ে তুলেছি। এখন সিদ্ধান্তের পালা,” মন্তব্য করেন তিনি।

এই পর্যন্ত পাঁচটি দেশ—যুক্তরাজ্য, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন ও জাপান—যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে পৌঁছেছে। এই দেশগুলোর জন্য আরোপিত শুল্ক হার তুলনামূলকভাবে কম হলেও, সেটি এপ্রিল থেকে কার্যকর ১০ শতাংশ হার থেকেও বেশি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, চুক্তিবদ্ধ দেশগুলো তুলনামূলক নমনীয় শর্তে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশাধিকার পেলেও, যারা চুক্তিতে আসেনি, তাদের জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের প্রস্তাবিত উচ্চ হার কঠোরভাবে কার্যকর হবে।

যুক্তরাষ্ট্র এ শুল্ক কার্যক্রমের মাধ্যমে বৈশ্বিক মুক্ত বাণিজ্য কাঠামো পুনর্গঠন করতে চায়। সেইসঙ্গে, যেসব দেশ অন্যায্য বাণিজ্য চর্চায় জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার বার্তা দিচ্ছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




দুই দফা বৈঠকেও ভোজ্যতেলের দাম কমছে না

ভোজ্যতেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে দাম কমানোর উদ্দেশ্যে সরকার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে টানা দুই দফা বৈঠক হলেও কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি। আজ রোববার (২৭ জুলাই) বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দফার বৈঠকও ফলপ্রসূ হয়নি। এর আগে গত বৃহস্পতিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

দুটি বৈঠকেই দীর্ঘ সময় আলোচনা চললেও, ভোজ্যতেলের দাম কমানো নিয়ে ব্যবসায়ীরা স্পষ্ট আপত্তি জানান। এতে আলোচনা শেষ হয় সিদ্ধান্তহীন অবস্থায়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ব্যবসায়ীরা আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দামের অস্থিরতা ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি দেখিয়ে দাম না কমানোর পক্ষে অবস্থান নেন।

রোববারের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, প্রতিযোগিতা কমিশনের প্রতিনিধিরা এবং ভোজ্যতেল আমদানিকারক ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান—সিটি, মেঘনা, টি কে, বসুন্ধরা, এস আলমসহ অন্যান্য কোম্পানির প্রতিনিধি।

এর আগে ট্যারিফ কমিশন আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষণ করে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে, যা প্রথম বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয়, ১৫ জুলাই পর্যন্ত অপরিশোধিত সয়াবিন তেলের FOB মূল্য ছিল ১,০৭৯ মার্কিন ডলার ও পাম অয়েলের ১,০১৭ ডলার। অথচ গত ১৫ এপ্রিল এই দাম ছিল যথাক্রমে ১,০০৩ ও ১,০৫২ মার্কিন ডলার। অর্থাৎ এই সময়ে সয়াবিন তেলের দাম সামান্য বেড়েছে ০.৭% এবং পাম তেলের দাম কমেছে প্রায় ৩%।

বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন না এলেও, দেশের বাজারে ভোক্তারা তুলনামূলক বেশি দামে তেল কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে সরকারকে শক্ত অবস্থানে থেকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে বলেই মনে করছেন ভোক্তাসাধারণ।

ভোজ্যতেলের দাম কমানোর বিষয়ে আগামীতে আরেকটি বৈঠক আহ্বান করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




সংঘর্ষে উত্তপ্ত বরিশালের গৌরনদী: বিএনপির দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বে আহত ৫

বরিশালের গৌরনদীতে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল আবারও সহিংসতায় রূপ নিয়েছে। উপজেলা বিএনপির দুটি গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রবিবার (২৭ জুলাই ২০২৫) দুপুর একটার দিকে গৌরনদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত অডিটোরিয়ামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সূত্রপাত হয় আগামী ৫ আগস্টের কেন্দ্রীয় কর্মসূচি উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় একজন সিনিয়র নেতাকে আমন্ত্রণ না জানানোর জেরে।

উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু জানান, তাঁকে দাওয়াত না দিয়েও যখন তিনি সভায় উপস্থিত হন, তখন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান ও তার আত্মীয় জসিম শরীফ কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন। প্রতিবাদ জানানোয় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং এক পর্যায়ে সভাস্থলে সংঘর্ষ বাধে।

মিন্টুর দাবি, ওই ঘটনার জের ধরে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ছাত্রদল নেতা মো. রমজানকে একা পেয়ে তার ওপর হামলা চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

অন্যদিকে, শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান জানান, সভা চলাকালীন তার দলের কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। তবে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে রাজি হননি।

ছাত্রদল নেতা জসিম শরীফের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. তারিকুল ইসলাম জানান, বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সম্ভাব্য নতুন কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে এই বিভক্তি আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। গ্রুপিং ও নেতৃত্বের দ্বন্দ্বই এমন সহিংস ঘটনার মূলে রয়েছে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




দ্বিতীয় পদ্মা সেতু সময়ের দাবি: মির্জা ফখরুল

দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর দুর্বল যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং জনদুর্ভোগের বিষয়টি মাথায় রেখে দীর্ঘদিন ধরেই দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর দাবি জানিয়ে আসছে বিএনপি—এমন মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রবিবার (২৭ জুলাই ২০২৫) রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে অনুষ্ঠিত “পদ্মা ব্যারাজ ও দ্বিতীয় পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন প্রয়োজনীয়তা” শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, “জনগণের চাহিদা, দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকার সংযোগ ব্যবস্থার দুরবস্থা এবং রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের প্রয়োজনে দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর মতো বড় প্রকল্প সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে। শুধু প্রকল্প গ্রহণ করলেই হবে না, তার জন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ।”

তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন ও যোগাযোগে বৈষম্য দূর করার লক্ষ্যে পরিকল্পনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের জন্য ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেওয়া ৩১ দফা প্রস্তাব বাস্তবধর্মী রূপরেখা হিসেবে কাজ করবে বলে তিনি মনে করেন।

বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, “বর্তমানে আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিশন সময় পার করছি। জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছে এবং সঠিক নেতৃত্ব ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এই ঐক্যকে দেশের উন্নয়নের চালিকাশক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব।”

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াও বহু আগেই দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিলেন। কারণ দক্ষিণাঞ্চলের বহু এলাকা এখন বাস চলাচলের জন্য উপযোগিতা হারিয়েছে, যা নাগরিক দুর্ভোগ বাড়িয়ে তুলছে।

শেষে তিনি বলেন, ইতিহাস সাক্ষী, জনগণ ঐক্যবদ্ধ হলে পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী। একাত্তরের মতো ২০২৪ সালেও সেই ঐক্যের ফলেই বড় পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




সারাদেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সকল কমিটি স্থগিত

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটি ব্যতীত সারাদেশের সকল কমিটি স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। রোববার (২৭ জুলাই) এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির নতুন নেতৃত্ব এই ঘোষণা দেয়।

সংবাদ সম্মেলনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক রিফাত রশিদ জানান, “অর্গানোগ্রামের জরুরি মিটিংয়ে সম্মিলিত সিদ্ধান্তে উপনীত হয়ে আমরা জানাচ্ছি, আজ থেকে কেন্দ্রীয় কমিটি ব্যতীত দেশের সব কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্থগিত করা হলো।” তিনি আরও বলেন, “সংগঠনের পরবর্তী কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হবে, তা শিগগিরই আলোচনা করে জানানো হবে।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদস্য সচিব হাসান ইনাম, দপ্তর সম্পাদক শাহদাত হোসেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

আল-আমিন