গাজায় একদিনে নিহত ৮৩, মোট প্রাণহানি ছাড়াল ৬০ হাজার

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর একের পর এক হামলায় বেড়েই চলেছে হতাহতের সংখ্যা। বুধবার দিনভর ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর তীব্র গোলাবর্ষণে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৮৩ জন ফিলিস্তিনি নাগরিক। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৫৫৪ জন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় টানা অভিযান চালিয়ে আসছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই দীর্ঘ অভিযান ও গোলাবর্ষণে এখন পর্যন্ত মোট প্রাণ হারিয়েছেন ৬০ হাজার ৩৩২ জন ফিলিস্তিনি। আহত হয়েছেন আরও প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজার ৬৪৩ জন।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, প্রতিদিনই ইসরায়েলি বাহিনীর বোমা হামলায় অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ছেন। প্রয়োজনীয় উদ্ধার সরঞ্জাম ও লোকবলের অভাবে এখনো বহু মরদেহ উদ্ধারের অপেক্ষায়। তাদের আশঙ্কা, প্রকৃত নিহতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

এছাড়া, খাদ্য ও ত্রাণ সংগ্রহে আসা সাধারণ মানুষরাও হামলার শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গত শুক্রবার (২৮ জুলাই) গাজার বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণের জন্য অপেক্ষায় থাকা ৫৩ জন ফিলিস্তিনি নাগরিক নিহত হয়েছেন ইসরায়েলি গোলাবর্ষণে। আহত হয়েছেন প্রায় ৪০০ জন। মানবিক সংকট এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সাধারণ খাদ্য ও চিকিৎসাসেবারও প্রবল সংকট চলছে গোটা উপত্যকায়।

হামলার সূত্রপাত হয়েছিল ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর। ওইদিন গাজার শাসক গোষ্ঠী হামাস ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে আকস্মিক হামলা চালিয়ে ১,২০০ জনকে হত্যা করে এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করে নিয়ে যায় গাজায়। এরপরই শুরু হয় ইসরায়েলি বাহিনীর ব্যাপক প্রতিশোধমূলক অভিযান।

দীর্ঘ ১৫ মাস ধরে চলা এই অভিযানে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে গত ১৯ জানুয়ারি একতরফা যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয় ইসরায়েল। কিন্তু সেই বিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই, ১৮ মার্চ থেকে পুনরায় অভিযান শুরু করে তারা। দ্বিতীয় দফার অভিযানে গত চার মাসেই গাজায় প্রাণ হারিয়েছেন ৯ হাজার ১৬৩ জন এবং আহত হয়েছেন ৩৫ হাজার ৬০২ জনেরও বেশি।

হামাসের হাতে বন্দি থাকা ২৫১ জন জিম্মির মধ্যে মাত্র ৩৫ জনের জীবিত থাকার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আইডিএফ। তাদের উদ্ধারের জন্য সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল।

জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো ইতোমধ্যে গাজায় এই হামলার বিরুদ্ধে একাধিকবার আহ্বান জানিয়েছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে গণহত্যার অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। তবুও নেতানিয়াহু সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, হামাসকে পুরোপুরি নির্মূল এবং সব জিম্মিকে মুক্ত না করা পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এদিকে, গাজার পরিস্থিতি দিনদিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। খাদ্য, পানি, ওষুধসহ মানবিক সহায়তার তীব্র সংকটে রয়েছে প্রায় ২৩ লাখেরও বেশি ফিলিস্তিনি। জাতিসংঘ জানিয়েছে, অবরুদ্ধ গাজায় এই যুদ্ধ পরিস্থিতি বিশ্ব মানবতার জন্য এক ভয়ঙ্কর সংকেত।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম



৫ আগস্টের মধ্যেই প্রকাশিত হবে জুলাই ঘোষণাপত্র

আলোচিত ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ অবশেষে প্রকাশের পথে। ৫ আগস্টের মধ্যেই এটি ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। শুক্রবার (১ আগস্ট) দিবাগত রাত ১২টার দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।

নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে মাহফুজ আলম লেখেন, “জুলাই ঘোষণাপত্র এখন আর স্বপ্ন নয়, এটা বাস্তবতা। আগামী ৫ আগস্টের মধ্যেই ঘোষণাপত্রটি প্রকাশিত হবে। এই ঘোষণাপত্রকে গণচেতনায় জাগিয়ে রাখার জন্য, এবং তার বাস্তবায়নের পথ সুগম করায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ।”

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের উদ্যোগে তৈরি করা ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’-এর খসড়াটি ইতোমধ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে পাঠানো হয়েছে। সূত্র জানায়, মাসব্যাপী সংলাপ এবং বিভিন্ন পক্ষের মতামত যাচাই-বাছাই করেই এই খসড়া তৈরি করা হয়। এতে উঠে এসেছে সাতটি মৌলিক অঙ্গীকার, যা রাজনৈতিক দলগুলো সম্মত হলে, তা পরিণত হবে চূড়ান্ত সনদে।

এই ঘোষণাপত্রের মূল তত্ত্বাবধানে রয়েছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তার নেতৃত্বে একাধিক সভা ও সংলাপের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে এটি তৈরি করা হয়েছে।

এদিকে, ঘোষণাপত্রের দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন ‘জুলাইযোদ্ধারা’। তাদের এই অবস্থানে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। ফলে শহরজুড়ে সৃষ্টি হয় ব্যাপক যানজট ও ভোগান্তি। তবে শুক্রবার দুপুরের পর তারা ফুটপাথ ছেড়ে দিলে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে।

বিকেলে শাহবাগ মোড়ের অবরোধকারী জনতার মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যখন ‘জুলাই অভ্যুত্থান’-এ আহতদের একটি দল পিজি হাসপাতাল থেকে এসে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এসময় নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।

এর আগেও বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) সকাল থেকে একই দাবিতে শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন আন্দোলনকারীরা। টানা দুই দিনের এই কর্মসূচি জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্দোলন চাপ তৈরি করলেও, সরকার ঘোষণাপত্র প্রকাশে যে সক্রিয়, তা ইতোমধ্যে পরিষ্কার।

সব মিলিয়ে ৫ আগস্টের দিকে তাকিয়ে আছে পুরো রাজনৈতিক অঙ্গন। সেদিন যদি ঘোষণাপত্র বাস্তবায়িত হয়, তবে তা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলেই বিশ্লেষকদের মত।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




মুলাদীতে কীটনাশক পান করে স্কুলছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু

বরিশালের মুলাদী উপজেলায় কীটনাশক পান করে এক স্কুলছাত্রীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিহতের নাম মরিয়ম (১৪)। সে সাহেবেরচর গ্রামের আরিফ ব্যাপারীর মেয়ে এবং চরআলিমাবাদ এস বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মরিয়ম গত কয়েকদিন ধরে জ্বরে ভুগছিল। বৃহস্পতিবার রাতে অবস্থার অবনতি হলে তাকে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। পরিবারের দাবি, তার মুখে কীটনাশকের গন্ধ পাওয়ায় আত্মহত্যার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ছাত্রীর বাবা আরিফ ব্যাপারী বলেন, “জ্বরের কারণে সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল। আমরা বুঝতেই পারিনি সে এমন কিছু করে বসবে। চিকিৎসার জন্য নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।”

খবর পেয়ে মুলাদী থানা-পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, “ছাত্রীটির লাশ উদ্ধার করে আজ সকালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।”


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫






ঠিকাদারদের বিল নিয়ে তদবির করতে গিয়ে আটক দুই শিক্ষার্থী, ছাড়া পেলেন মুচলেকায়

ঝালকাঠিতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) এক প্রকল্পের চূড়ান্ত বিল তোলার তদবির করতে গিয়ে জনতার হাতে আটক হয়েছেন দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী। পরে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হলেও মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান তারা।

আটক হওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন—বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিলুপ্ত কমিটির সদস্য সচিব সিরাজুল ইসলাম (২৪) এবং বরিশাল গ্লোবাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মেহেদী (২৫)।

জানা গেছে, তারা সাবেক সংসদ সদস্য আমির হোসেন আমুর ব্যক্তিগত কম্পিউটার অপারেটর শাওন খানের পক্ষে প্রায় তিন কোটি টাকার সড়ক ও ব্রিজ প্রকল্পের চূড়ান্ত বিল তুলতে গেলে তাদের সঙ্গে এলজিইডির কর্মকর্তাদের কথাকাটাকাটি হয়। এসময় বিএনপি-ঘনিষ্ঠ কিছু ঠিকাদার ও কর্মীদের সঙ্গে হট্টগোল বাঁধে, যা গড়ায় হাতাহাতিতে। পরে পুলিশ এসে দু’জনকেই সদর থানায় নিয়ে যায়।

বিষয়টি সমাধানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা ও ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিরা থানায় উপস্থিত হয়ে আলোচনার মাধ্যমে মীমাংসা করেন। থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, “এলজিইডির পক্ষ থেকে লিখিত কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং সামাজিকভাবে বিষয়টি নিষ্পত্তি হওয়ায় মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।”

এলজিইডি সূত্র জানায়, কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় বিল প্রদানে আপত্তি জানায় প্রকৌশল বিভাগ। কিন্তু বিল আদায়ের জন্য অভিযুক্তরা একাধিকবার চাপ প্রয়োগ করে এবং ঘুষের প্রস্তাবও দেয় বলে দাবি করেন নলছিটি উপজেলা প্রকৌশলী ইকবাল কবীর

অন্যদিকে সিরাজুল ইসলাম দাবি করেন, প্রকৌশলীর দুর্নীতির বিষয় তুলে ধরতেই তারা এসেছিলেন এবং তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনেরও ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

সিরাজুল ইসলাম ঝালকাঠির দোগলচিড়া গ্রামের ফল ব্যবসায়ী নুরুল বাশারের পুত্র এবং মেহেদী বরিশাল শহরের মুদি দোকানি কালামের ছেলে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫





গণতন্ত্রের নামে স্বৈরাচার চর্চা করে ফ্যাসিবাদ ফিরিয়ে আনছে অনেকে: এবি পার্টির অভিযোগ

ক্ষমতায় যাওয়ার আকাঙ্ক্ষায় কয়েকটি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী চরিত্র নিজেদের মধ্যে ফিরিয়ে আনতে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।

শুক্রবার (১ আগস্ট) এবি পার্টির যুব সংগঠন এবি যুব পার্টির তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে রাজধানীতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন যুব পার্টির আহ্বায়ক শাহাদাতুল্লাহ টুটুল এবং সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব হাদিউজ্জামান খোকন।

মঞ্জু বলেন, “রক্তের স্রোতের মধ্যে দিয়ে যে স্বাধীনতা আমরা অর্জন করেছি, সেই বাংলাদেশে আওয়ামী সন্ত্রাসবাদী রাজনীতি আর ফিরে আসবে না – এমনটাই প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু বাস্তবতা হলো, ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য কিছু রাজনৈতিক দল খুব দ্রুতই সেই ফ্যাসিবাদী চরিত্র ধারণ করছে।”

তিনি অভিযোগ করে বলেন, “বাংলাদেশে যারা ক্ষমতায় আসে তারাই স্বৈরাচারী হয়ে ওঠে। আর এতে তাদের গ্রহণযোগ্যতা দ্রুত হ্রাস পায়। এটি গণতন্ত্র ও দেশের স্থিতিশীলতার জন্য এক অশনি সংকেত।”

আলোচনায় এবি পার্টির চেয়ারম্যান আরও বলেন, “আমরা আগে ভয় ও নির্যাতনের মধ্যে ছিলাম, কিন্তু এখন এক নতুন বাংলাদেশের দ্বারপ্রান্তে। এই পরিবর্তনের জন্য ছাত্র, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ জীবন দিয়েছে, অথচ কোনো রাজনৈতিক নেতার সন্তান জীবন দেয়নি। আবু সাঈদের মৃত্যু জাতিকে নাড়া দিয়েছিল—এটি ছিল বিবেকের বিপ্লব।”

মঞ্জুর দাবি, “ইতিহাস বলে গণঅভ্যুত্থানে পতিত ফ্যাসিবাদীরা আর ফিরে আসতে পারে না। কিন্তু দুঃখজনকভাবে মাত্র এক বছরের ব্যবধানে অনেকেই আওয়ামী চরিত্রে ফিরে যাচ্ছে, মজলুম থেকে পরিণত হচ্ছে জালিমে।”

ধর্মভিত্তিক দলগুলোর আচরণ নিয়েও সমালোচনা করে তিনি বলেন, “আজ ধর্মভিত্তিক দলগুলো যেভাবে অহংকারে ভুগছে, তা সাধারণ মানুষ ভালোভাবে নিচ্ছে না। ক্ষমতার চক্র একটি ‘চাঁদাবাজি পদ্ধতি’ গড়ে তুলেছে। এই ব্যবস্থাকে ভাঙতেই আমরা রাষ্ট্র সংস্কারের কথা বলেছি।”

আলোচনায় তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে অতীতে যারা জনপ্রিয়তার চূড়ায় ছিলেন তারাও ইতিহাসে হারিয়ে গেছেন। শেখ মুজিবুর রহমান তার বড় উদাহরণ।”




ফ্যাসিবাদী শাসনে মানুষ ছিল জীবিত থেকেও মৃতপ্রায় : জোনায়েদ সাকি

বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে মানুষের অবস্থা ছিল ‘বেঁচে থেকেও মৃতপ্রায়’—এ মন্তব্য করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। শুক্রবার (১ আগস্ট) বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত ‘জুলাই গণসমাবেশ’-এ সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

জোনায়েদ সাকি বলেন, “ফ্যাসিবাদী শাসনে মানুষ খেয়ে পরে বাঁচলেও মর্যাদাহীন জীবনযাপন করছিল। এই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিলেন আবু সাঈদ, জীবন দিয়ে জানান দিয়েছেন তার অবস্থান। জনগণের ঐক্য প্রমাণ করেছে, ঐক্য থাকলে ফ্যাসিবাদ যেমন পালিয়েছে, তেমনি ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থাকেও কবর দেওয়া সম্ভব।”

সমাবেশের উদ্বোধন করেন ২০২৪ সালের ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে’ শহীদ জুলফিকার আহমেদ শাকিলের মা আয়েশা বেগম।

সাকি আরও বলেন, “১৯৭১ সালের শহীদদের ঋণ আমরা এখনো শোধ করতে পারিনি। ৭১ থেকে ২৪ সালের শহীদদের আদর্শ ধারণ করতে না পারলে আন্দোলনের চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জন হবে না। নতুন রাষ্ট্র চাইলে পুরনো লুটপাটের ব্যবস্থাকে ভাঙতে হবে।”

তিনি অভিযোগ করেন, এখনো শহীদ ও আহতদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করতে পারেনি সরকার। তাদের মর্যাদা ও ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা হয়নি। তিনি বলেন, “রাষ্ট্রযন্ত্র এখনো পুরনো ক্ষমতা-কেন্দ্রিক ও লুটপাটভিত্তিক ধাঁচে চলে। এটি বন্ধ না হলে জনগণের মুক্তি আসবে না।”

সাকি বলেন, “মানুষকে বিভক্ত করা হচ্ছে নারী, ধর্ম ও জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে। কিন্তু নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার সমান। এই অধিকার নিশ্চিত করলেই শহীদদের রক্তের প্রতি সম্মান জানানো হবে।” তিনি জানান, গণসংহতি আন্দোলন রাজপথ ছাড়িয়ে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে এবং ভবিষ্যতে সংসদে গিয়ে জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

সমাবেশে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল বলেন, “২০১৭ সালেই আমরা বলেছিলাম—নতুন রাজনৈতিক চুক্তি ছাড়া রাষ্ট্রে সত্যিকারের পরিবর্তন আসবে না। আমরা বাংলাদেশপন্থী রাজনীতি করি, যা জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে পরিচালিত।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা এমন বাংলাদেশ চাই, যেখানে অধিকার আদায়ে আর জীবন দিতে হবে না। সংলাপের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান হবে। শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেঈমানি করতে না চাইলে রাষ্ট্রব্যবস্থার রূপান্তর অপরিহার্য।”

সমাবেশে আরও দাবি জানানো হয়—আগামী জাতীয় নির্বাচনকে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদের নির্বাচন’ হিসেবে ঘোষণা করতে হবে এবং জনগণের ম্যান্ডেটে একটি নতুন রাজনৈতিক চুক্তি গঠন করতে হবে, যেটিকে ‘জুলাই সনদ’ হিসেবে অভিহিত করেন নেতারা।


সংক্ষিপ্ত মূল বক্তব্য:

  • ফ্যাসিবাদী শাসনামলে মানুষের মর্যাদাহীন জীবন ছিল: সাকি
  • ৭১ ও ২৪ সালের শহীদদের রক্তের দায় শোধে ঐক্য জরুরি
  • লুটপাটের রাষ্ট্রব্যবস্থা ভাঙতে নতুন চুক্তির ডাক
  • হিন্দু-মুসলিম বিভাজন নয়, নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি
  • ‘জুলাই সনদ’ নামে নতুন সংবিধানিক চুক্তির প্রস্তাব



ইসরায়েলি অবরোধে ক্ষতিগ্রস্ত গাজাবাসীর পাশে যুক্তরাষ্ট্র : ট্রাম্পের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার মানুষ যেন আর অভুক্ত না থাকে—এই লক্ষ্যেই তারা কাজ করছেন। শুক্রবার (১ আগস্ট) সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস-এর সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন তিনি।

ট্রাম্প বলেন, “আমরা গাজার মানুষকে সহায়তা করতে চাই। তারা যেন স্বাভাবিকভাবে বসবাস করতে পারে, খেতে পারে—এটাই আমাদের উদ্দেশ্য। এটা অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।”

তিনি জানান, গাজাবাসীর মানবিক সংকটের জন্য দায়ী ইসরায়েলের অবরোধ। সেইসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, গাজায় সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ত্রাণসামগ্রী চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। যদিও মার্কিন এক সরকারি সংস্থা জানিয়েছে, এ ধরনের অভিযোগের কোনো প্রমাণ তারা পায়নি।

এদিন ট্রাম্প আরও জানান, গাজার মানবিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যালোচনার জন্য তার মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকোফ রাফা এলাকায় একটি বিতর্কিত ত্রাণকেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়েছেন। যদিও উইটকোফ এখনো কোনো প্রতিবেদন দেননি বলে ট্রাম্প জানিয়েছেন।

এদিকে, গাজায় পূর্ণ যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা নিয়েও সাংবাদিকরা ট্রাম্পের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আপনারা খুব শিগগিরই ফলাফল দেখতে পাবেন।”

ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন সময়ে এলো যখন ইসরায়েলি কর্মকর্তারা আংশিক যুদ্ধবিরতির পরিবর্তে পূর্ণ যুদ্ধবিরতির বিষয়ে আলোচনা করছেন।


সংক্ষিপ্ত সার

  • গাজার মানুষকে খাওয়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ ট্রাম্পের
  • ইসরায়েলি অবরোধের কারণে গাজায় মানবিক সংকট স্বীকার
  • হামাসের বিরুদ্ধে ত্রাণ চুরির অভিযোগ, তবে প্রমাণ নেই
  • প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত গাজায় পরিদর্শনে
  • পূর্ণ যুদ্ধবিরতি নিয়ে ট্রাম্পের আশাবাদী মন্তব্য



ভোলা সদরে জামায়াতের কেন্দ্রভিত্তিক প্রতিনিধি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ভোলা সদর উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ভোট কেন্দ্রভিত্তিক কমিটির প্রতিনিধি সমাবেশ ২০২৫ সুশৃঙ্খল ও প্রাণবন্ত পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার (১ আগস্ট) বিকাল ৩টা ৩০ মিনিটে ভোলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে প্রায় ৭০০ প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।

সমাবেশে উপজেলার আওতাধীন প্রতিটি স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচনী ভোটকেন্দ্রের গঠিত ১০১ ও ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ভোলা সদর উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মো. কামাল হোসেন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বরিশাল মহানগর আমির অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর।

প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভোলা-১ আসনের দলীয় মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ মাওলানা নজরুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামী ভোলা জেলা আমির মাস্টার মো. জাকির হোসাইন, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা হারুন অর রশিদ, মিডিয়া সম্পাদক অধ্যাপক আমির হোসাইন, অর্থ সম্পাদক মাস্টার বেলায়েত হোসাইন ও ভোলা পৌর আমির মাওলানা মো. জামাল উদ্দিন প্রমুখ।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ভোলা-১ আসনের নির্বাচন পরিচালক ও জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাস্টার মো. নুরুল ইসলাম।

বক্তারা বলেন, ইসলামী আদর্শভিত্তিক সমাজ গঠনে তৃণমূল প্রতিনিধিদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা বলেন, আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠা, অন্যায় ও জুলুম প্রতিরোধ এবং আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সংগঠনের কেন্দ্রভিত্তিক কর্মীদের সক্রিয়ভাবে মাঠে থাকতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, কোনও রক্তচক্ষু বা ভয়ভীতির কাছে নত না হয়ে ইসলামের দাওয়াত ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে। সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত, কার্যকর এবং জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

সমাবেশে ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক পরিকল্পনা, কেন্দ্রভিত্তিক কার্যক্রম এবং নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানটি সংগঠনের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে বলে অংশগ্রহণকারীরা জানান।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




বরিশালে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প

প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বরিশালে অনুষ্ঠিত হলো এক ব্যতিক্রমী মেডিক্যাল ক্যাম্প। শুক্রবার (১ আগস্ট) দুপুরে বরিশাল নগরীর ঝাউতলা এলাকায় অবস্থিত বুদ্ধি প্রতিবন্ধী স্কুলে এই ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের আয়োজন করে রোটারি ক্লাব অব বরিশাল মিডটাউন।

ক্যাম্পে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন নিউরোলজিস্ট ডা. রাহাতুন নাঈম ম্যাগলিন। তিনি শিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়াও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরামর্শ দেন। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ করা হয়।

শুধু চিকিৎসা সেবাই নয়, রোটারিয়ানদের পক্ষ থেকে ওই স্কুলের শিক্ষার্থীদের পাঠদানে সহায়তার জন্য চেয়ার ও টেবিল উপহার হিসেবে প্রদান করা হয়।

এই মানবিক আয়োজন উপলক্ষে উপস্থিত ছিলেন রোটারিয়ান ও মেডিক্যাল ক্যাম্পের প্রকল্প পরিচালক জুয়েল শাহ কবির শাহিন, রোটারিয়ান পিপি মাহতাব উদ্দিন আল মাহমুদ, ক্লাব সেক্রেটারি রোটারিয়ান মেহেদী হাসান হুমায়ূন এবং স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষিকা ও অভিভাবকবৃন্দ।

উপস্থিতরা এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, সমাজের অবহেলিত ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো প্রতিটি দায়িত্ববান মানুষের কর্তব্য।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫e




‘জুলাই ছিল বৈষম্যের বিরুদ্ধে বিস্ফোরণ’— কালচারাল ফেস্টে ফারুকীর বক্তব্য

সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেছেন, “বাংলাদেশ জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নিজের সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধার করেছে।” শুক্রবার (১ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ‘জুলাই জাগরণ কালচারাল ফেস্ট’–এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

চার দিনব্যাপী এই সাংস্কৃতিক উৎসবের শুরুতে ফারুকী বলেন, “জুলাই ছিল বৈষম্যের বিরুদ্ধে এক তীব্র বিস্ফোরণ ও প্রতিবাদের উচ্চারণ। এই মাস আমাদের চেতনার, আমাদের প্রেরণার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে তরুণদের রক্তস্নাত আন্দোলনই মুক্তির বীজ বপন করেছে। তারা প্রমাণ করেছে, জীবন যদি দ্রোহের প্রতিশব্দ হয়, তবে মৃত্যু কখনোই শেষ কথা হতে পারে না।”

ফারুকী আরও বলেন, “মাতৃভূমি অথবা মৃত্যু – এই সাহসী অঙ্গীকার ধারণ ও পালন করে আমাদের তরুণরা জুলাইয়ে সাফল্যের এক মহাকাব্য রচনা করেছে।”

দেশে আরোপিত ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতি ও মিডিয়া নিয়ন্ত্রণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “কালচারাল হেজিমনির ফ্রেম ভেঙে দিয়ে দেশীয় সাংস্কৃতিক বিকাশ নিশ্চিত করতে হলে বাংলাদেশের পক্ষে থাকা সব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”

উল্লেখ্য, সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠীর আয়োজনে শুরু হওয়া এই কালচারাল ফেস্টে প্রতিদিনই আলোচনা সভা, গণসংগীত, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, মঞ্চনাটক ও চিত্রকর্ম প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ‘জুলাই জাগরণ’ শিরোনামের এ আয়োজনে অংশ নিচ্ছে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক দল, প্রগতিশীল শিল্পী ও লেখকরা।