বঙ্গবন্ধুর ছবি টানানোর অভিযোগে প্রধান শিক্ষিকা শামীমার সাময়িক বরখাস্ত

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সোনারঘোপ রমেশচন্দ্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শামীমা ইয়াছমিনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। নেছারাবাদ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. খোন্দকার জসিম আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সোমবার (৪ আগস্ট) ওই বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি টানানোর ঘটনা নিয়ে প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শামীমা ইয়াছমিন নিজে দাবি করেছেন, বঙ্গবন্ধুর ছবি টানানো তার প্রতি শ্রদ্ধার প্রকাশ। তিনি বলেন, “আমার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, বঙ্গবন্ধুর ছবি টানানোকে আমি গর্বের বিষয় মনে করি।”

নেছারাবাদ উপজেলা শিক্ষা অফিসের পক্ষ থেকে ঘটনার তদন্ত চলছে। বরখাস্তের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। কেউ কেউ এটিকে স্বাধীন মতপ্রকাশে বাধা ও রাজনৈতিক প্রভাবের ফল বলে মন্তব্য করছেন, আবার অনেকে প্রধান শিক্ষিকাকে ‘ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার দোসর’ আখ্যা দিয়েছেন। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং শিক্ষক সমাজের একাংশ বরখাস্তের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন, অন্য একাংশ প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।

প্রধান শিক্ষিকার মোবাইলে যোগাযোগ করলে তার স্বামী মো. হাফিজুর রহমান জানান, ‘সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা অফিসে একটি চিঠি নিতে বলেছে, তবে বরখাস্তের বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।’

নেছারাবাদ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. খোন্দকার জসিম আহমেদ বলেন, ‘বিভিন্ন সংবাদপত্রের রিপোর্টের ভিত্তিতে তদন্ত শেষে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ প্রধান শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছেন। তদন্ত চলমান আছে, দোষী সাব্যস্ত হলে বিভাগীয় মামলা হতে পারে এবং স্থায়ীভাবে বহিষ্কারও হতে পারে।’

গত ৩ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর ছবি টানানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয় ও উপজেলায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। প্রধান শিক্ষিকা সাংবাদিকদের কাছে বলেন, ‘আমি মুক্তিযোদ্ধার মেয়ে। বঙ্গবন্ধু না হলে স্বাধীন বাংলাদেশ হতো না। তাই ছবিটি সরানো সম্ভব নয়।’ পরে জনসমক্ষে চাপের কারণে ছবিটি সরানো হয়।

এ ঘটনার ধারাবাহিকতায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্দেশনায় প্রাথমিক তদন্তের পর প্রধান শিক্ষিকাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




বাসচাপায় ইসলামী আন্দোলন নেতা নিহত, মরদেহ দাফনে অনড় সহকর্মীরা

বরগুনার আমতলীতে বাসচাপায় মো. রেজাউল করিম (৩৮) নামে ইসলামী আন্দোলনের এক নেতা নিহত হয়েছেন। ঘটনার পর বিক্ষোভে ফেটে পড়ে নেতাকর্মীরা। দাফন স্থগিত রেখে দফায় দফায় সড়ক অবরোধ করে বিচার ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে আন্দোলনে নামে ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে আমতলী শহর থেকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান’-এর বর্ষপূর্তির কর্মসূচি শেষে বাড়ি ফিরছিলেন মো. রেজাউল করিম। বরিশাল-কুয়াকাটা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঘটখালী ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে ছন্দা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস তার মোটরসাইকেলকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন।

রেজাউল করিম বরগুনার আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের গোছখালী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি গুলিশাখালী ইউনিয়ন ইসলামী আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক এবং আমতলী বন্দর হোসাইনিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আইসিটি বিষয়ের প্রভাষক ছিলেন।

দুর্ঘটনার পরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়ে স্থানীয় নেতাকর্মীরা। তারা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন এবং ঘাতক চালক ও হেলপারকে আটকের দাবিতে ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের ঘটনাস্থল থেকে ফিরিয়ে দেন। ফলে বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

পরবর্তীতে বুধবার (৬ আগস্ট) সকাল থেকে নিহতের মরদেহ দাফন না করে দ্বিতীয় দফায় বিক্ষোভে নামে ইসলামী আন্দোলন বরগুনা জেলা শাখার নেতাকর্মীরা। তারা আমতলী বন্দর হোসাইনিয়া ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ শত শত মানুষ নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করে। এতে ২ থেকে ৩ কিলোমিটার জুড়ে যানজট দেখা দেয়, সাধারণ যাত্রী ও পথচারীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।

বরগুনা জেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা মুফতি মিজানুর রহমান বলেন,

“আমরা আমাদের সহকর্মী রেজাউল করিমকে হারিয়েছি। চালক ও হেলপারকে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে এবং নিহতের পরিবারকে বাস কোম্পানির পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত মরদেহ দাফন করা হবে না এবং আন্দোলন চলতে থাকবে।”

আমতলী থানার ওসি দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন,”বাসটি আটক করা হয়েছে, তবে চালক ও হেলপার পলাতক। পটুয়াখালী বাস মালিক সমিতির সঙ্গে আলোচনা চলছে। দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।”

 




ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন: সিইসি

আগামী ফেব্রুয়ারির শুরুতেই জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, নানা চ্যালেঞ্জ থাকলেও নির্বাচন কমিশন (ইসি) নির্ধারিত সময়েই ভোটগ্রহণে প্রস্তুত।

বুধবার (৬ আগস্ট) নির্বাচন ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সিইসি বলেন, “যত কঠিন পরিস্থিতিই হোক, নির্বাচন আয়োজন থেমে থাকবে না। এখনও পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো চিঠি না পেলেও ফেব্রুয়ারির শুরুতেই ভোট আয়োজনের জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি।”

তিনি আরও জানান, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে ভোটের প্রায় দুই মাস আগে। এই তফসিল নির্ধারণের ক্ষেত্রে সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন চিঠি প্রাপ্তির পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা প্রত্যাশা করে সিইসি বলেন, “কমিশনের দায়িত্ব হচ্ছে সকল দলের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করা। আমরা এমন একটি নির্বাচন করতে চাই, যা হবে আয়নার মতো পরিষ্কার। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও যেন প্রমাণ হয়—নির্বাচন কমিশনের আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি নেই।”

তিনি জানান, ভোটারদের আস্থা ফেরাতে ব্যাপক সচেতনতা কার্যক্রম চালাবে ইসি। এ ছাড়া নির্বাচনী সহিংসতা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ইতিমধ্যেই অগ্রগতি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, “এই প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের পক্ষপাত থাকবে না। কারও চেহারা দেখে নয়, তথ্য-উপাত্ত ও নীতিমালার ভিত্তিতেই আসনের সীমানা চূড়ান্ত হবে।”

রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন বিষয়ে সিইসি জানান, “যেসব দল শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে, তাদের চিঠি দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে যাদের কাগজপত্র সঠিক রয়েছে, তাদের তথ্য মাঠপর্যায়ে যাচাই-বাছাই করা হবে। সেপ্টেম্বরের মধ্যেই নিবন্ধনের কাজ শেষ হবে।”

ভোটার তালিকা চূড়ান্ত হলেও তফসিল ঘোষণার আগপর্যন্ত তরুণ ভোটারদের অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সবশেষে, সিইসি বলেন, “ভোটারদের কেন্দ্রে আনা এবং কমিশনের প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। নিরপেক্ষতা বজায় রেখে সেই আস্থা ফিরিয়ে আনতে কাজ করবে নির্বাচন কমিশন।”

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




মালয়েশিয়ায় ঢোকার চেষ্টা, ২৬ বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে দেওয়া হলো

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ২৬ জন বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। মালয়েশিয়ার বর্ডার কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রোটেকশন এজেন্সি (একেপিএস) নিশ্চিত করেছে যে, তারা অবৈধভাবে দেশটিতে প্রবেশের চেষ্টা করছিলেন।

মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে একেপিএস জানায়, দুটি আলাদা ফ্লাইটে করে এই বাংলাদেশি নাগরিকরা মালয়েশিয়ায় প্রবেশের চেষ্টা করছে। তথ্য অনুযায়ী, তারা কয়েকটি মানবপাচার সিন্ডিকেটের সহায়তায় দেশটিতে প্রবেশ করতে আসছিল।

ফ্লাইট অবতরণের পর ইমিগ্রেশন কার্যক্রম শুরুর আগেই সংশ্লিষ্ট ২৬ জনকে শনাক্ত করে নিরাপত্তা বাহিনী। এরপর তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয় একেপিএস কার্যালয়ে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা মালয়েশিয়ায় প্রবেশের উদ্দেশ্য পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করতে ব্যর্থ হন। এছাড়া তাদের কিছু বক্তব্য সন্দেহজনক ও অসংলগ্ন ছিল বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

বুধবার (৬ আগস্ট) এক বিবৃতিতে একেপিএস জানায়, সংশ্লিষ্ট ২৬ জনের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকলেও অভিবাসন আইন অনুযায়ী তাদের মালয়েশিয়ায় প্রবেশ অনুপযুক্ত বলে বিবেচনা করা হয়।

ফলে, দ্রুততম সময়ের মধ্যেই তাদেরকে পরবর্তী ফ্লাইটে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।

এই ঘটনা আবারও মালয়েশিয়াগামী অভিবাসীদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিয়ম না মেনে বিদেশ ভ্রমণ কিংবা পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করলে ফলাফল হতে পারে এমনই বিপর্যয়কর।

এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




‘দেশ’ সিনেমা দিয়ে আবারও আলোচনায় নিরব

শিল্পী সংকট, লগ্নির ঘাটতি ও নতুন সিনেমার অভাবে যখন ঢালিউডে এক ধরনের স্থবিরতা, ঠিক তখনই ব্যতিক্রম উদাহরণ তৈরি করছেন চিত্রনায়ক নিরব হোসেন। জাতীয় গণ-অভ্যুত্থান দিবসে (৫ আগস্ট) নতুন একটি দেশপ্রেমভিত্তিক সিনেমার ঘোষণা দিয়ে আবারও আলোচনায় এই নায়ক।

সিনেমার নাম ‘দেশ’। এটি পরিচালনা করবেন কামরুল হাসান ফুয়াদ। নিরব থাকছেন নাম ভূমিকায়, অর্থাৎ চরিত্রের নামও ‘দেশ’। এই সিনেমায় তাকে দেখা যাবে একজন সাহসী পুলিশ অফিসারের চরিত্রে, যিনি দেশের জন্য লড়াই করবেন।

নিরব বলেন, “ছবির গল্প যেহেতু দেশ নিয়ে, দেশের মানুষের জন্য; তাই এর চেয়ে ভালো দিন আর হতে পারে না ছবির ঘোষণা দেওয়ার জন্য।” তিনি আরও বলেন, “আমার চরিত্রের নামও ‘দেশ’। নিজের নাম যখন দেশ হয় তখন মনে এক ধরনের গর্ব ও দায়িত্ববোধ তৈরি হয়।”

সিনেমাটির প্রি-প্রোডাকশনের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। নিরব জানিয়েছেন, বর্তমানে তার হাতে দুটি ছবির কাজ রয়েছে। এর মধ্যে একটি প্রায় শেষ, অন্যটি শুরু হবে সেপ্টেম্বর মাসে। এরপর ১৬ ডিসেম্বর ‘দেশ’ সিনেমার শুটিং শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেদিন ছবিটির ফার্স্ট লুক প্রকাশ করা হতে পারে।

মুক্তি নিয়ে নিরব বলেন, “ভাবনায় আছে ২০২৬ সালের ৫ আগস্ট সিনেমাটি মুক্তি দেওয়ার। তবে এখনই নিশ্চিত বলা যাচ্ছে না।”

বর্তমানে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে নিরব অভিনীত ‘শিরোনাম’, পরিচালনায় অনিক বিশ্বাস। এছাড়া আগামী সেপ্টেম্বরে পরীমনির সঙ্গে নতুন ছবি ‘গোলাপ’-এর কাজ শুরু করবেন তিনি, পরিচালনায় সামছুল হুদা।

ঢালিউড যখন সংকটে, তখন ধারাবাহিকভাবে কাজের মধ্যে থাকায় নিরব হয়ে উঠছেন এই প্রজন্মের নির্ভরযোগ্য মুখ।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




সাগরিকার ওপর ভরসা নিয়ে আজ সন্ধ্যায় মাঠে নামছে বাংলার মেয়েরা

তরতাজা সাফ ট্রফি জয়ের রেশ এখনো টাটকা। সেই আত্মবিশ্বাস নিয়েই আজ বুধবার (৬ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে লাওসের রাজধানীতে মাঠে নামবে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবল দল। এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে এটি তাদের প্রথম ম্যাচ। প্রতিপক্ষ স্বাগতিক লাওস।

সাফ জয় শুধু একটি শিরোপার গল্প নয়, ছিল দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার প্রথম ধাপ। এবার মূল লক্ষ্য এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়া। কোচ পিটার বাটলার মনে করছেন, লাওস ম্যাচ থেকেই শুরু হবে নতুন এক আত্মবিশ্বাসের অধ্যায়।

বাংলাদেশের গ্রুপে রয়েছে শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়া (র‍্যাঙ্কিং ১৯), লাওস (১০৭) ও বাংলাদেশ (১২৮)। কাগজে-কলমে পিছিয়ে থাকলেও সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বলছে ভিন্ন কথা। গত মাসেই জাতীয় নারী দল হারিয়েছে মিয়ানমার ও বাহরাইনকে, যারা র‍্যাঙ্কিংয়ে অনেক ওপরে ছিল।

সেই জাতীয় দলের অনেক খেলোয়াড়ই আছেন এই অনূর্ধ্ব-২০ স্কোয়াডে। ফলে বাছাইপর্বের লড়াইয়ে মাঠে নামার আগে স্বভাবতই আত্মবিশ্বাসী পুরো দল।

সাবেক তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফিরে এসেছেন দলে অন্যতম ভরসা মোসাম্মৎ সাগরিকা। সাফের ফাইনালে নেপালের বিপক্ষে তার একাই ৪ গোল দলের জয় নিশ্চিত করেছিল। এবারও তাকেই দেখা হচ্ছে সম্ভাব্য গোলমেশিন হিসেবে।

কোচ পিটার বাটলার বলেন, “লাওসের বিপক্ষে আমরা জয় চাই। মাঠে নিজেদের আধিপত্য তৈরি করাটাই হবে মূল লক্ষ্য। কোরিয়ার মতো দলের বিপক্ষে লড়তে হলে আমাদের পেশাদারিত্ব ও প্রস্তুতিতে উন্নতি করতে হবে।”

দলের অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার বলেন, “আমরা এখানে এসেছি কোয়ালিফাই করতে। প্রতিটি ম্যাচে আমরা সর্বোচ্চটা দেয়ার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামব।”

লাওসও বাংলাদেশ মতোই সিনিয়র দলভিত্তিক স্কোয়াড গঠন করেছে। উজবেকিস্তানে বাছাইপর্ব খেলে আসা দলটি ফর্মে রয়েছে। ফলে ম্যাচটি হবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ, এমনটাই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

মূল পর্বে জায়গা পেতে হলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে হবে বাংলাদেশকে। রানার্সআপ হলেও সুযোগ থাকছে, তবে সেক্ষেত্রে থাকতে হবে সেরা তিন রানার্সআপের তালিকায়। তাই প্রতিটি ম্যাচ, প্রতিটি গোল এখন গুরুত্বপূর্ণ।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




কক্সবাজার ভ্রমণ ইস্যুতে এনসিপির ৫ নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর কেন্দ্রীয় কমিটির ৫ জন নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। দলীয় ‘রাজনৈতিক পর্ষদকে’ অবহিত না করে কক্সবাজার সফর করায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনসিপি।

বুধবার (৬ আগস্ট) এনসিপির দফতর শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত স্বাক্ষরিত পৃথক চিঠিতে এই পাঁচ নেতার কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে ‘ব্যক্তিগত সফর’ এর অভিযোগে তাদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সশরীরে হাজির হয়ে কারণ ব্যাখ্যার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

যাঁরা নোটিশ পেয়েছেন

নোটিশপ্রাপ্ত পাঁচ শীর্ষ নেতা হলেন

  • এনসিপির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ,
  • মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম,
  • মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী,
  • জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা,
  • যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ

চিঠিতে বলা হয়, “গত ৫ আগস্ট, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের প্রথম বার্ষিকী’ এবং একটি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসে আপনারা ব্যক্তিগত সফরে কক্সবাজার যান। বিষয়টি পূর্বে দলের রাজনৈতিক পর্ষদকে অবহিত করা হয়নি।”

এতে আরও বলা হয়, “আপনার এই সিদ্ধান্তের কারণ ও প্রেক্ষাপট আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং সদস্য সচিব আখতার হোসেনের কাছে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দিতে হবে।”

এনসিপির অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এমন কঠোর অবস্থান নিয়েছে দলটি বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




আইন সংশোধন করে আটক সংক্রান্ত নতুন বাধ্যবাধকতা ঘোষণা প্রধান উপদেষ্টার

আটকের ১২ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিবারকে অবহিত করার বাধ্যবাধকতা যুক্ত করে ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধনের ঘোষণা দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) রাতে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ ঘোষণা দেন।

তিনি জানান, “ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৫” অনুমোদনের মধ্য দিয়ে আইনগত সংস্কারের একটি নতুন ধাপ যুক্ত হলো। এ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিকে আটক করা হলে ১২ ঘণ্টার মধ্যে যত দ্রুত সম্ভব তার পরিবারকে তা জানাতে হবে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “আটককৃত ব্যক্তিকে আইনজীবীর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ দিতে হবে। যদি রিমান্ড শেষে সে অসুস্থ বা আহত থাকে, তবে তাকে অবশ্যই চিকিৎসকের মাধ্যমে পরীক্ষা করতে হবে এবং তার আঘাতের কারণ নিশ্চিত করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “পুলিশের কোনো গাফিলতি বা নির্যাতনের ঘটনা ঘটলে নতুন আইনে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। এতে করে পুলিশের জবাবদিহিতা বাড়বে, গ্রেপ্তার-আটক নিয়ে হয়রানি কমবে এবং বিচার প্রক্রিয়াও দ্রুততর হবে।”

এদিন দেওয়া ভাষণে মুহাম্মদ ইউনূস পুলিশ সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের দিকেও অগ্রগতি জানিয়ে বলেন, “থানায় জিডি করতে গেলে তা অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে। কাউকে ফিরিয়ে দেওয়ার সুযোগ থাকবে না। সরকার ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, দেশের প্রতিটি থানায় অনলাইনে জিডি করার সুবিধা চালু করা হবে।”

তিনি বলেন, “জিডি গ্রহণ না করার অভিযোগ বন্ধ করতে এখন থেকে থানার সেবাও হবে ডিজিটাল। এই উদ্যোগ মানুষকে আইনি সহায়তার ক্ষেত্রে আরও বেশি অধিকার নিশ্চিত করবে।”

প্রধান উপদেষ্টা জানান, দেওয়ানি আইন এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ক্ষেত্রেও সংস্কার সম্পন্ন হয়েছে, যা বিচারব্যবস্থায় গতি ও স্বচ্ছতা আনবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।




জুলাই অভ্যুত্থান তরুণদের রক্তে লেখা ইতিহাস: প্রধান উপদেষ্টা

কোটা আন্দোলন থেকে শুরু হয়ে জুলাই অভ্যুত্থান পর্যন্ত তরুণদের ত্যাগ ও প্রতিরোধকে স্মরণ করে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, “স্বৈরাচার সরকারের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য, দমন-পীড়ন ও নির্বিচারে গুলিবর্ষণ তরুণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে দাবানলে পরিণত করে।”

মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) রাতে দেয়া এ ভাষণে তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসের পটভূমি তুলে ধরে বলেন, এক বছর আগে এই দিনে দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। “গত বছরের জুনে আদালতের রায়ে কোটা পুনর্বহালের পর শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ ধীরে ধীরে বিস্ফোরিত হয়। আর স্বৈরশাসনের রূঢ় আচরণ—নির্বিচার গুলি, হত্যাকাণ্ড ও নিপীড়ন—এই ক্ষোভকে রূপ দেয় গণঅভ্যুত্থানে।”

তিনি বলেন, “এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে ছাত্র-শ্রমিক-জনতা। সম্মুখ সারিতে ছিলেন আমাদের সাহসী নারীরা, যারা অকাতরে জীবন দিয়েছেন দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত করতে।”

প্রধান উপদেষ্টা আরও জানান, জুলাই অভ্যুত্থানের পর এক বছরের মধ্যে দেশে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে। “অর্থনীতিতে গতি এসেছে, সংকট কাটিয়ে উঠেছে দেশ। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সফল শুল্ক আলোচনার মধ্য দিয়ে অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়েছে।”

তিনি বলেন, “১৬ বছরব্যাপী লুটপাট ও দুর্নীতির ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে যখন আমাদের সরকার দায়িত্ব নেয়, তখন অনেকেই বিশ্বাস করেনি—এই অর্থনীতিকে আবার সচল করা সম্ভব। কিন্তু মাত্র এক বছরেই আমরা বহু দূর এগিয়েছি। এখন সময় দ্রুতগতিতে সামনে এগিয়ে যাওয়ার।”

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে ইউনূস বলেন, “আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার থেকে একটি নির্বাচিত সরকারের হাতে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হস্তান্তরের পথে এগোচ্ছি। আমি আগেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম—২০২৬ সালের জুনের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন হবে। তবে তার আগে আমাদের কিছু জরুরি কাজ শেষ করতে হবে, যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে জুলাই ঘোষণাপত্র ও জুলাই সনদের বাস্তবায়ন।”

প্রধান উপদেষ্টার ভাষণে স্পষ্ট হয়, একটি মানবিক, জবাবদিহিমূলক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের চলমান রূপান্তর অভিযান এখন চূড়ান্ত পর্বে।




জুলাই শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চায় বিএনপি, নির্বাচনে অংশের ইঙ্গিত

বিএনপি জুলাই ঘোষণাপত্র এবং জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণাকে ‘দুটি যুগান্তকারী উদ্যোগ’ হিসেবে অভিহিত করে স্বাগত জানিয়েছে। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, এই দুই ঘোষণার মধ্য দিয়ে দেশে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক পরিবেশ গঠনের পথ সুগম হলো।

মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আজ থেকে এক বছর আগে এই দিনে আমরা ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্ত হয়েছিলাম। হাজারও ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে সেই অর্জন এসেছে। আজকের এই ঘোষণাগুলো সেই সংগ্রামের স্বীকৃতি ও পূর্ণতা।”

তিনি জানান, জুলাই ঘোষণাপত্রকে সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। “আমরা আগে থেকেই বলেছি, জুলাইয়ের যোদ্ধাদের ও শহীদদের জাতীয় বীরের মর্যাদা দেওয়া হবে। ঘোষণাপত্রে উল্লিখিত বিষয়গুলোকে যথাযথ সংবিধানিক জায়গায় স্থাপন করা হবে,” বলেন সালাহউদ্দিন।

তিনি আরও জানান, গুলশান বৈঠকে বিএনপির পক্ষ থেকে নির্বাচনের পরিবেশ ও রোডম্যাপ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার ভাষণে তুলে ধরা রূপরেখাকে ইতিবাচক আখ্যা দিয়ে বিএনপি বলেছে, এই ঘোষণার মাধ্যমে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার পথ উন্মুক্ত হয়েছে।

“নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি পাঠিয়ে ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ভোটগ্রহণ চেয়ে তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) যে ঘোষণা দিয়েছেন, তা অত্যন্ত সময়োপযোগী। আমরা আশাবাদী, যথাসময়ে তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন তার দায়িত্ব পালন করবে,”— বলেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা।

সংবাদ সম্মেলনে সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, নির্বাচনকে সামনে রেখে যারা আহত হয়েছেন বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের প্রতি রাষ্ট্রীয় সহায়তা ও আইনি সুরক্ষার যে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, বিএনপি তা বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ।

তিনি বলেন, “আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক হবে— এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সেই লক্ষ্যে দেশের জনগণকে প্রস্তুতি নিতে আহ্বান জানাচ্ছি।”

রাজনৈতিক ভারসাম্য ও রাষ্ট্রে অনিশ্চয়তা দূর করার প্রশ্নে বিএনপি নেতার ব্যাখ্যা ছিল, “আজকের ঘোষণার মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার বড় একটি পদক্ষেপ নেওয়া হলো। ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগে আস্থা ফিরে আসবে, রাষ্ট্রীয় গতিশীলতা বাড়বে।”

উল্লেখ্য, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেন। একইসঙ্গে তিনি ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ নামে একটি রাজনৈতিক ও নীতিগত দলিল প্রকাশ করেন, যা নিয়ে ইতোমধ্যেই বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।