ধানের শীষের বিজয়ে ঘরে ঘরে কাজের আহ্বান সেলিমা রহমানের

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান বলেছেন, “সামনে জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে নানা ষড়যন্ত্র চলছে। তাই এখন থেকেই নেতাকর্মীদের ঘরে ঘরে গিয়ে ধানের শীষের বিজয়ের জন্য কাজ করতে হবে।”

বুধবার দুপুরে বরিশাল বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত মহিলা দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

ডাকসু নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে সেলিমা রহমান বলেন, “আমরা দেখেছি কীভাবে আওয়ামী লীগের সহযোগীদের সঙ্গে আরেকটি রাজনৈতিক দল মিলে খেলা খেলেছে। এসব বিষয় বুঝে এখন থেকেই সক্রিয় হতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “কে মনোনয়ন পেল সেটা মুখ্য বিষয় নয়। মূল লক্ষ্য হবে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করা।”

সমাজের নৈতিক অবক্ষয়ের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “আজ সমাজে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ছোটরা অশালীন ভাষা ব্যবহার করছে, শিক্ষকদের প্রতি সম্মান কমে গেছে। এ অবস্থায় আমাদের ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে।”

তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে কাজ করারও আহ্বান জানান। সভা শেষে মহিলা দলের উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি র‍্যালি বের করা হয়।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




সীমানা পুনর্বিন্যাসের প্রতিবাদে ফরিদপুরে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো মহাসড়ক অবরোধ

সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্বিন্যাসের প্রতিবাদে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ঢাকা-খুলনা ও ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করেছেন এলাকাবাসী। বুধবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে মহাসড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়, ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকরা।

সকাল সাতটা থেকে হামিরদী ইউনিয়নের পুকুরিয়া, হামিরদী, মাধবপুর ও নওয়াপাড়া বাসস্ট্যান্ড এবং মুনসুরাবাদ ও সুয়াদী এলাকায় অবরোধ করা হয়। এতে যাত্রীবাহী বাস, ট্রাক, পিকআপ, মাইক্রোবাসসহ বিভিন্ন যানবাহন আটকে পড়ে। অবরোধকারীরা টায়ার জ্বালিয়ে ও গাছের ডাল ফেলে সড়ক অবরোধ করেন।

এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অবরোধ প্রত্যাহারের সময় আন্দোলনকারীরা ঘোষণা দেন, আজ মহাসড়কের পাশাপাশি রেলপথও অবরোধ করা হবে। তবে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভাঙ্গা হয়ে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

অবরোধ চলাকালে আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন— “রক্ত লাগলে রক্ত নে, আমার ভাঙ্গা ফিরায় দে”, “মরলে মরব রাস্তায়, যাব না রে সালথায়” প্রভৃতি। এতে ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, গোপালগঞ্জ ও বরিশালের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়।

ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ওসি মো. রোকিবুজ্জামান বলেন, “আমরা অনেকটা অসহায় অবস্থায় আছি। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দাবি পূরণ না হলে তারা সড়ক ছাড়বেন না।” জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্লা জানান, “এই দাবি জাতীয় পর্যায়ের বিষয়। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষে সমাধান সম্ভব নয়।”

এদিকে নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ইতোমধ্যে জানিয়েছেন, প্রকাশিত সংসদীয় আসনের সীমানা তালিকা আইন অনুযায়ী পরিবর্তন করার সুযোগ নেই। বিক্ষোভ-আন্দোলন করেও এর সমাধান হবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




ডাকসু নির্বাচনে শিবিরের তিন ত্রয়ীর চমক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে চমক দেখালেন শিবিরের তিন ত্রয়ী—সাদিক কায়েম, এস এম ফরহাদ ও মহিউদ্দিন খান। ডাকসুর তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদে তারা তিনজনই বড় ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। নবনির্বাচিত সহ-সভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে নির্বাচিত হয়েছেন মহিউদ্দিন খান।

বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌনে ৯টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবন থেকে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন। এর আগে সকাল ৬টার দিকে ১৮টি হলের ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

ফলাফলে দেখা যায়—

  • সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে: সাদিক কায়েম পেয়েছেন ১৪,০৪২ ভোট, আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল প্যানেলের আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৫,৬৫৮ ভোট।
  • সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে: এস এম ফরহাদ পেয়েছেন ১০,৭৯৪ ভোট, তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল প্যানেলের শেখ তানভীর বারী হালিম পেয়েছেন ৫,২৮৩ ভোট।
  • সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে: মহিউদ্দিন খান পেয়েছেন ৯,৫০১ ভোট, আর প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত তানভীর আল হাদি মায়েদ পেয়েছেন ৮,২৫৪ ভোট।

প্রসঙ্গত, এবারের ডাকসু নির্বাচনে মোট ২৮টি পদের বিপরীতে প্রার্থী ছিলেন ৪৭১ জন। এছাড়া ১৮টি হল সংসদের ২৩৪টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ১ হাজার ৩৫ জন প্রার্থী। মোট ভোটার ছিলেন ৩৯ হাজার ৮৭৪ জন।

আল-আমিন

 




ডাকসুর ৯ হলের ফল: ভিপি পদে এগিয়ে সাদিক, পিছিয়ে আবিদ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের নয়টি হলের ফলাফলে বিপুল ভোটে এগিয়ে আছেন ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের ভিপি প্রার্থী মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম)। রাত সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে, তিনি সর্বমোট ৯,৭৫৭ ভোট পেয়েছেন। অন্যদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী মো. আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৪,০৬৪ ভোট।

ফলাফল ঘোষণা করা হলগুলো হলো— রোকেয়া হল, এস এম হল, জহুরুল হক হল, জগন্নাথ হল, শহীদুল্লাহ হল, কার্জন হল, ফজলুল হক মুসলিম হল, অমর একুশে হল এবং সুফিয়া কামাল হল। প্রতিটি হলে ভোট গণনার পর পৃথকভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

দীর্ঘ ছয় বছর পর মিনি পার্লামেন্ট খ্যাত ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন ঘিরে ক্যাম্পাসজুড়ে বিরাজ করেছে উৎসবমুখর পরিবেশ। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮টি কেন্দ্রে ৮১০ বুথে নিরবচ্ছিন্নভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবার ডাকসুর ২৮টি পদে মোট ৪৭১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এর মধ্যে নারী প্রার্থী ছিলেন ৬২ জন। সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৪৫ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ১৯ জন এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে ২৫ জন প্রার্থী। নারী প্রার্থীদের মধ্যে ভিপি পদে ৫ জন, জিএস পদে ১ জন এবং এজিএস পদে ৪ জন প্রার্থী ছিলেন।

নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৩৯ হাজার ৭৭৫ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ২০ হাজার ৮৭৩ জন ছাত্র এবং ১৮ হাজার ৯০২ জন ছাত্রী। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এবারের নির্বাচনে ৮০ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, চূড়ান্ত ফল ঘোষণার আগ পর্যন্ত ভোট গণনা অব্যাহত থাকবে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত সংখ্যক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ডাকসুর ছয় হলে ভিপি পদে বিপুল ভোটে এগিয়ে সাদিক কায়েম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ঘোষিত ছয়টি হলের ফলাফলে বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট প্যানেলের ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী তিনি মোট ৫ হাজার ৬৭৬ ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান চার হল মিলে পেয়েছেন ১ হাজার ৫৫৯ ভোট। সে হিসেবে সাদিক কায়েম ৪ হাজার ১১৭ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে আছেন।

কোন হলে কত ভোট পেলেন:

  • অমর একুশে হল: সাদিক কায়েম ৬৪৪ ভোট, আবিদুল ইসলাম খান ১৪১ ভোট।
  • কবি সুফিয়া কামাল হল: সাদিক কায়েম ১,২৭০ ভোট, আবিদুল ইসলাম খান ৪২৩ ভোট (এ হলে আবিদুল চতুর্থ অবস্থানে)।
  • ফজলুল হক মুসলিম হল: সাদিক কায়েম ৮৪১ ভোট, আবিদুল ইসলাম খান ১৮১ ভোট।
  • ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ হল: সাদিক কায়েম ৯৬৬ ভোট, আবিদুল ইসলাম খান ১৯৯ ভোট।
  • শামসুন নাহার হল: সাদিক কায়েম ১,১১৪ ভোট, আবিদুল ইসলাম খান ৪৩৪ ভোট।
  • মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল: সাদিক কায়েম ৮৪১ ভোট, আবিদুল ইসলাম খান ১৮১ ভোট।

ফলাফল ঘোষণার পর ক্যাম্পাসজুড়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা ও উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা গেছে। তবে চূড়ান্ত ফলাফলের আগে প্রার্থীদের সমর্থকরা সতর্ক অবস্থায় রয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার আগে পর্যন্ত সব হলে ভোট গণনা অব্যাহত থাকবে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ডাকসু নির্বাচনে অনাস্থা জানিয়ে কেন্দ্র ত্যাগ ছাত্রদল এজেন্টদের

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে অনাস্থা জানিয়ে ভোটকেন্দ্র ত্যাগ করেছেন ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের এজেন্টরা। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব কেন্দ্রে অবস্থানরত এজেন্টরা অনাস্থা প্রকাশ করে একযোগে বের হয়ে যান।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান দাবি করেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে, কোনো ধরনের কারচুপির সুযোগ নেই। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে ভোট পরিচালনা করেছে এবং শিক্ষার্থীরা উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিয়েছেন।

অন্যদিকে ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান অভিযোগ করেন, “ডাকসু নির্বাচন ফ্যাসিস্ট হাসিনার নির্বাচনকেও ছাড়িয়ে গেছে। এ ভোট পুরোপুরি কারচুপির মাধ্যমে প্রহসনে রূপ নিয়েছে।”

ফলাফল ঘোষণার আগে থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় শিক্ষার্থী, সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক কর্মীদের ভিড় বাড়তে থাকে। ইতোমধ্যে ঢাবির বিভিন্ন প্রবেশমুখে ভিড় জমে গেলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) উপস্থিত সবাইকে ভিড় না করার অনুরোধ জানায়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থান নিয়েছে বলে জানা গেছে। শিক্ষার্থীরাও ফলাফল ঘোষণার অপেক্ষায় ক্যাম্পাসজুড়ে অবস্থান করছেন।


মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




যান্ত্রিক ত্রুটিতে বন্ধ ৩ বিদ্যুৎকেন্দ্র, লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা

যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দেশের তিনটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে আগামী দুই-তিন দিন কিছু এলাকায় লোডশেডিং হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সূত্র জানায়, ভারতীয় কোম্পানি আদানির একটি ইউনিট থেকে ৮০০ মেগাওয়াট, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ১,৩২০ মেগাওয়াট এবং ইউনাইটেড গ্রুপের আশুগঞ্জ কেন্দ্র থেকে ১৯৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

তবে পিডিবির আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, বড় আকারের লোডশেডিংয়ের সম্ভাবনা নেই। সামান্য ঘাটতি হলেও বিকল্প উৎস থেকে সরবরাহ বাড়িয়ে তা পূরণ করা সম্ভব হবে।

বর্তমানে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৮ হাজার ১৩২ মেগাওয়াট। অন্যদিকে, রাতের বেলায় সর্বোচ্চ চাহিদা থাকে ১৫ থেকে ১৭ হাজার মেগাওয়াট এর মধ্যে। ফলে উৎপাদন সক্ষমতা বেশি থাকায় বড় ধরনের সংকট হওয়ার কথা নয় বলেও জানায় কর্তৃপক্ষ।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




‘ডাকসু নির্বাচন হাসিনার নির্বাচনকেও ছাড়িয়েছে’ — ছাত্রদল প্রার্থীর অভিযোগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনকে কারচুপির অভিযোগে বিতর্কিত বলে দাবি করেছে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল। ভিপি পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান বলেছেন, “এই নির্বাচন হাসিনা সরকারের নির্বাচনের চেয়েও বেশি প্রহসনে পরিণত হয়েছে।”

মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ মিছিলে তিনি এ অভিযোগ করেন। টিএসসি থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি ভিসি চত্বর প্রদক্ষিণ করে রেজিস্ট্রার ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

আবিদুল ইসলাম বলেন, “এটি আর স্বাভাবিক নির্বাচন নয়, বরং পুরোপুরি কারচুপির মাধ্যমে প্রহসনে পরিণত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে।”

মিছিলে অংশ নেওয়া ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা স্লোগান দেন— “কারচুপির নির্বাচন মানি না মানব না”, “নির্বাচন না প্রহসন, প্রহসন-প্রহসন।”

প্রসঙ্গত, ডাকসুর শতবর্ষ পূর্তির বছরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ৩৮তম নির্বাচন। দীর্ঘ ছয় বছর পর আয়োজিত এ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো আবাসিক হলের বাইরে একাডেমিক ভবনে ভোট গ্রহণ করা হয়। ক্যাম্পাসের আটটি কেন্দ্রে ৮১০টি বুথে প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থী ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত ছিলেন।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




‘ভোট চোর’ স্লোগানে ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভোট চুরির অভিযোগ এনে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল।

মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব থেকে শুরু হওয়া এই মিছিল টিএসসি ঘুরে ভিসি চত্বর প্রদক্ষিণ করে রেজিস্ট্রার ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন ভিপি পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান

এসময় নেতাকর্মীরা স্লোগান দেন— “জামায়াত-শিবির ভোট চোর”। মিছিল শুরুর আগে মধুর ক্যান্টিনে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ করেন ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থীরা।

আবিদুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, রোকেয়া হলে আগে থেকেই কিছু ব্যালটে ছাত্রশিবির সমর্থিত ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম এবং জিএস প্রার্থী ফরহাদের নামের পাশে ক্রস দেওয়া ছিল। একজন ছাত্রী তাকে অভিযোগ করেছেন, “ভাই, যে ব্যালটপত্র আমাকে দেওয়া হয়েছে, তাতে আগে থেকেই ক্রস চিহ্ন দেওয়া।”

তিনি আরও দাবি করেন, একই ধরনের ঘটনা অমর একুশে হলেও ঘটেছে। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাইলে তারাও কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

আবিদুল ইসলাম বলেন, “আমরা যেহেতু দুটি ঘটনার প্রমাণ পেয়েছি, তাই ধরে নিচ্ছি আরও অনেক ব্যালটে এমন কারচুপি হয়েছে।”

এর আগে নির্বাচনকালীন আচরণবিধি লঙ্ঘন ও সাইবার হামলার অভিযোগও তুলেছিলেন ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের নেতারা।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




ডাকসু নির্বাচনের পর ঢাবি ক্যাম্পাসে টান টান উত্তেজনা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হলেও ফলাফল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে দেখা দিয়েছে টান টান উত্তেজনা। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন প্রার্থীদের পাল্টাপাল্টি অভিযোগে ক্যাম্পাসের পরিবেশ থমথমে হয়ে ওঠে।

সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রের সামনে শিক্ষার্থীদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। ফলাফলের অপেক্ষায় তারা অবস্থান করলেও, প্রার্থীদের অভিযোগ আর পাল্টা অভিযোগ ঘিরে এক অস্বস্তিকর পরিস্থিতি বিরাজ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ক্যাম্পাস এবং আশপাশের এলাকায় সতর্ক অবস্থান নেয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গেট, শাহবাগ মোড় এবং নীলক্ষেত এলাকায় বাড়ানো হয় পুলিশি তৎপরতা। সন্দেহভাজন যানবাহন তল্লাশি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম জানান, নির্বাচনের ফলাফলকে কেন্দ্র করে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি। সন্ধ্যার পর অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। কোনোভাবেই যেন ক্যাম্পাসের শান্ত পরিবেশ নষ্ট না হয়, সে বিষয়ে আমরা সতর্ক।”

এদিকে ভোট গ্রহণ শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। তার দাবি, নির্বাচনের দিন সকাল থেকে বিভিন্ন কেন্দ্রে তাদের প্রার্থীদের বাধার মুখে পড়তে হয়েছে। এমনকি প্রার্থী হিসেবেও তাকে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।

অন্যদিকে, ছাত্রশিবির সমর্থিত ভিপি প্রার্থী সাদেক কায়েম সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে সব পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীরা যাকেই ম্যান্ডেট দেবে, তা মেনে নিতে হবে। ডাকসু নির্বাচন নিয়ে অযথা সংঘাত সৃষ্টি করলে তার ফল নেতিবাচক হবে।” তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ফলাফল মেনে নেওয়ার পরামর্শ দেন।

ডাকসুর শতবর্ষ পূর্তির এই নির্বাচনে প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থী ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত ছিলেন। দীর্ঘ ছয় বছর পর অনুষ্ঠিত এ ভোট ঘিরে শিক্ষার্থী-শিক্ষক এবং পুরো ক্যাম্পাসে এক উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হলেও ফলাফল ঘোষণার আগে থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে শুরু করেছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, রাতের মধ্যেই ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম