বৈদেশিক ঋণে নতুন রেকর্ড, বাংলাদেশ ছাড়াল ১১২ বিলিয়ন ডলার

বাংলাদেশের ইতিহাসে বৈদেশিক ঋণ নতুন মাইলফলক ছুঁয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুন শেষে দেশের মোট বৈদেশিক ঋণ দাঁড়িয়েছে ১১২ দশমিক ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ১১ হাজার ২১৬ কোটি ডলার)। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে এই ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৩ লাখ ৬৮ হাজার ৩৫২ কোটি টাকা।

মাত্র ছয় মাসে প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলার ঋণ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা অর্থনীতিবিদদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, অবকাঠামো খাতের ব্যাপক প্রকল্প, মুদ্রার অবমূল্যায়ন এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপই এই ঋণ বৃদ্ধির প্রধান কারণ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত মার্চ মাসে ঋণের পরিমাণ ছিল ১০৪ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ তিন মাসে বেড়েছে প্রায় ৭৩৬ কোটি ডলার। আবার গত ডিসেম্বরে ঋণ ছিল ১০ হাজার ৩৭৩ কোটি ডলার, সেখান থেকে ছয় মাসে ঋণ বেড়েছে ৮৪৩ কোটি ডলার।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সরকারের নেওয়া ঋণের বড় অংশ অবকাঠামো ও উন্নয়ন খাতের জন্য ব্যয় হলেও অনেক ক্ষেত্রে অপচয় হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, “ঋণ সঠিকভাবে ব্যবহৃত হলে পরিশোধ সক্ষমতা বাড়বে। তবে ঋণের সুদ ও কিস্তি পরিশোধের চাপ দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে।”

সরকারি ও বেসরকারি খাত মিলিয়ে মোট বৈদেশিক ঋণের ৮২ শতাংশ সরকারি খাতে এবং ১৮ শতাংশ বেসরকারি খাতে। ২০২৫ সালের জুন শেষে সরকারি খাতের ঋণ দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ২৩৭ কোটি ডলার, যা মার্চের তুলনায় প্রায় ৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে, বেসরকারি খাতের ঋণে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি।

গত এক দশকে বৈদেশিক ঋণ প্রায় তিনগুণ বেড়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণ ছিল ৪১ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার। আর ২০২৩ সালের ডিসেম্বরেই বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ১০০ বিলিয়ন ডলার ঋণের মাইলফলক অতিক্রম করে।

জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের জনসংখ্যা ১৭ কোটি ৫৭ লাখ। সেই হিসেবে মাথাপিছু বৈদেশিক ঋণ এখন ৬৩৮ ডলার বা প্রায় ৭৭ হাজার ৪৩৩ টাকা। দশ বছর আগে মাথাপিছু ঋণ ছিল মাত্র ২৫৭ ডলারের কিছু বেশি।

অর্থনীতিবিদদের মতে, জিডিপির তুলনায় এই ঋণ এখনো সহনীয় হলেও পরিশোধে কঠিন চাপ তৈরি হয়েছে। ভবিষ্যতে সঠিক পরিকল্পনা ও দক্ষ ব্যবস্থাপনা ছাড়া ঋণের বোঝা অর্থনীতিকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




সংগঠন শক্তিশালী হলে তবেই সফল হবে বিপ্লব: মির্জা ফখরুল

ঢাকা থেকে মো: আল-আমিন — বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সংগঠন ছাড়া কোনো বিপ্লব সফল হতে পারে না। শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বাংলা একাডেমির সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে প্রয়াত কমরেড বদরুদ্দীন উমরের স্মরণে আয়োজিত শোকসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, “আজকের সমাজে যে হতাশার পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তার মূল কারণ হচ্ছে সংগঠনের দুর্বলতা। বিপ্লবী সংগঠন না থাকলে কোনো বিপ্লব সফল হয় না। যারা সত্যিই সমাজ পরিবর্তন করতে চান এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নত করতে চান, তাদের অবশ্যই সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করতে হবে।”

তিনি প্রয়াত বদরুদ্দীন উমরের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, “তিনি জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তার আদর্শ ও সংগ্রাম থেকে বিচ্যুত হননি। আপসহীন সংগ্রামী হিসেবে তিনি আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন।”

শোকসভার শুরুতে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এ সময় আরও বক্তব্য দেন মাহবুবউল্লাহ, কমরেড খালেকুজ্জামান ভূঁইয়া, ড. আকমল হোসেন, কমরেড সজীব রায় এবং অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম। বক্তারা সবাই কমরেড বদরুদ্দীন উমরের রাজনৈতিক ভূমিকা, তার নিরলস সংগ্রাম এবং সমাজ পরিবর্তনে অবদানের কথা স্মরণ করেন।

শোকসভা শেষে বক্তারা ঐক্যবদ্ধভাবে সংগঠনকে মজবুত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং তরুণ প্রজন্মকে বিপ্লবী চেতনায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

 

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




জুলাই সনদে আইনি ভিত্তি না পেলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করিম (চরমোনাই পীর) কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি নিশ্চিত না করে নির্বাচন আয়োজন করা হলে জনগণ তা সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করবে।

শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বাড্ডা ইউলুপ সংলগ্ন প্রধান সড়কে পাঁচ দফা দাবিতে আয়োজিত এক গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সমাবেশে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা হাজারো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলনের আমির স্বাধীনতার ৫৩ বছর পূর্ণ হলেও দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার, ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত না হওয়ার কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় জাতির সামনে তিনটি মৌলিক স্লোগান ছিল—সাম্য, ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা। কিন্তু দীর্ঘ পাঁচ দশকের বেশি সময়েও এ স্লোগানগুলো বাস্তবে পরিণত হয়নি।

মুফতি রেজাউল করিম অভিযোগ করে বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে যারা রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে রেখেছে, তারা জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি মনে করিয়ে দেন, জনগণের সাথে করা প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করে ক্ষমতার রাজনীতি চালিয়ে যাওয়া দেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সমাবেশে তিনি পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন, যার মধ্যে রয়েছে—জুলাই সনদের আইনি বৈধতা নিশ্চিত করা, নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া, জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা, দুর্নীতি ও দমন-পীড়নের রাজনীতি বন্ধ করা এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

চরমোনাই পীর আরও বলেন, দেশের জনগণ এখন পরিবর্তন চায়। তারা আর প্রতিশ্রুতির ফাঁকা বুলি শুনতে চায় না। ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা ও সাম্যের ভিত্তিতে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে রাজনৈতিক নেতৃত্বকে সৎ ও দায়িত্বশীল হতে হবে।

গণসমাবেশ শেষে দলীয় নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণ মিছিল বের করেন এবং রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় সমাবেশস্থলে ফিরে আসেন। উপস্থিত নেতারা জানান, তাদের আন্দোলন হবে শান্তিপূর্ণ, তবে জনগণের অধিকার নিশ্চিত না হলে বৃহত্তর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম

 




ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিচ্ছে পশ্চিমারা, বাস্তবে কী বদলাবে?

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত ফিলিস্তিন প্রশ্ন আবারও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে। আগামী সোমবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বৈঠকের আগে অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, যুক্তরাজ্য, কানাডাসহ প্রায় ১০টি দেশ ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই প্রতীকী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন, আবার অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন এটি ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক সমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে।

ফিলিস্তিন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) ১৯৮৮ সালে স্বাধীন রাষ্ট্র ঘোষণা করার পর থেকেই বিশ্বের দক্ষিণাঞ্চলীয় দেশগুলো দ্রুত স্বীকৃতি দেয়। বর্তমানে জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্য দেশের মধ্যে ১৪৭টি দেশ ফিলিস্তিনকে ইতোমধ্যেই স্বীকৃতি দিয়েছে। সর্বশেষ ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে মেক্সিকো এ তালিকায় যুক্ত হয়। তবে জাতিসংঘে পূর্ণ সদস্যপদ পেতে হলে নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন দরকার, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের ভেটো শক্তিই সবচেয়ে বড় বাধা।

ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের বিরোধিতা করে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সরাসরি বলেছেন, পৃথিবীতে কখনোই ফিলিস্তিন নামে কোনো রাষ্ট্র গঠনের অনুমতি দেওয়া হবে না। ফলে কূটনৈতিক স্বীকৃতি পাওয়া সত্ত্বেও বাস্তবে ফিলিস্তিনিদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় খুব বেশি পরিবর্তন আসে না। সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ, পণ্য প্রবাহ, বিনিয়োগ, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ সবকিছুই ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

বর্তমানে ফিলিস্তিন অথরিটি (পিএ) পশ্চিমতীরের কিছু অংশে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করছে। প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস এর নেতৃত্বে থাকা এই সংস্থা পাসপোর্ট, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাত পরিচালনা করে। অন্যদিকে গাজা উপত্যকা ২০০৭ সাল থেকে হামাসের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এতে ফিলিস্তিনিদের অভ্যন্তরীণ বিভাজন আরও গভীর হয়েছে।

তবুও পশ্চিমাদের এই স্বীকৃতি কেবল প্রতীকী নয় বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক। যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত হুসাম জমলত বলেছেন, এই স্বীকৃতি সমতার ভিত্তিতে নতুন অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। অন্যদিকে জেরুজালেমে সাবেক ব্রিটিশ কনসাল-জেনারেল ভিনসেন্ট ফিন মনে করেন, এ উদ্যোগ দেশগুলোকে ইসরায়েলের দখলদার নীতির বিরুদ্ধে আরও দৃঢ় অবস্থান নিতে বাধ্য করতে পারে।

ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিলে পশ্চিমাদের ওপর চাপ বাড়বে ইসরায়েলের নীতি পুনর্বিবেচনার জন্য। উদাহরণ হিসেবে বলা হচ্ছে, দখলকৃত ভূমির বসতিগুলো থেকে আসা পণ্যের ওপর যুক্তরাজ্য নিষেধাজ্ঞা দিতে পারে। যদিও এসব পদক্ষেপ ইসরায়েলি অর্থনীতিতে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলবে না, তবে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এক নতুন বার্তা ছড়িয়ে দেবে—ফিলিস্তিন প্রশ্ন আর উপেক্ষিত রাখা সম্ভব নয়।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করার আহ্বান নুরুল হক নুরের

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরপেক্ষতা নিয়ে গভীর সংশয় প্রকাশ করেছেন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। বৃহস্পতিবার রাতে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করার আহ্বান জানান।

নুরুল হক নুর তার পোস্টে উল্লেখ করেন, ২৯ আগস্ট গণ অধিকার পরিষদের কার্যালয়ের সামনে সেনাবাহিনীর মধ্যে থাকা সরকারের এজেন্টদের বর্বরোচিত হামলার বিচারহীনতার এখনো কোনো সমাধান হয়নি। তিনি লেখেন, “২০০৭ সালে তারেক রহমান, ২৫ আগস্ট আমার ওপর হামলা হয়েছিল। সামনে আর কাকে লক্ষ্য করা হবে?”

তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, যেসব বাহিনী নির্বাচনি দায়িত্বে থাকবে, তারা কি সত্যিই নিরপেক্ষ আচরণ করবে? নুর বলেন, “নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যদি ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ নেয়, তবে সুষ্ঠু ভোট আয়োজন করা সম্ভব নয়। এরা লীগ ও জাপার দোসরদের ফেভার করবে না—এমন নিশ্চয়তা কোথায়?”

ফেসবুক পোস্টে তিনি সবার উদ্দেশে আহ্বান জানিয়ে লেখেন, “ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন বাংলাদেশ!” তিনি আরও উল্লেখ করেন, জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের সুরক্ষা এবং গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য প্রয়োজন একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। আর এর জন্য প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করতে হবে।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




পরিচ্ছন্ন জ্বালানির পথে এগোতে এখনই উদ্যোগী হতে হবে: অধ্যাপক ইউনূস

বাংলাদেশকে দ্রুত পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী জ্বালানি সমাধানের দিকে অগ্রসর হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিকল্প জ্বালানি খাতকে শক্তিশালী করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে অ্যানথ্রোপোসিন ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান কার্ল পেজ ও তার সহকর্মীদের সঙ্গে ভার্চুয়াল সম্মেলনে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। অধ্যাপক ইউনূস উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশে দীর্ঘদিন জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার করা সম্ভব নয়। তাই এখন সময় এসেছে বৃহৎ পরিসরে সৌরবিদ্যুৎসহ বিকল্প জ্বালানি ব্যবস্থার দিকে নজর দেওয়ার।

সম্মেলনে গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজের ভাই ও অ্যানথ্রোপোসিন ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান কার্ল পেজ বলেন, আধুনিক পারমাণবিক প্রযুক্তি ও হাইব্রিড সিস্টেম নির্ভরযোগ্য এবং শূন্য-কার্বন বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে সক্ষম। তিনি উল্লেখ করেন, বার্জ-ভিত্তিক পারমাণবিক রিঅ্যাক্টরগুলো সাশ্রয়ী, রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কম এবং দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের শিল্পখাতকে বিদ্যুৎ সরবরাহে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।

কার্ল পেজ আরও জানান, বর্তমানে বিশ্বব্যাংকসহ বড় অর্থায়ন সংস্থাগুলো পারমাণবিক শক্তিকে আর নিষিদ্ধ খাত হিসেবে দেখছে না। ইতোমধ্যেই ইন্দোনেশিয়া এ প্রযুক্তি গ্রহণের মাধ্যমে তাদের বাড়তে থাকা বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করছে। উদ্ভাবন খাতে বাংলাদেশের সক্ষমতার কারণে দেশটি এ রূপান্তরের নেতৃত্ব দিতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

অধ্যাপক ইউনূস তার বক্তব্যে বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকার ইতোমধ্যে নতুন জাতীয় বিদ্যুৎ নীতি প্রণয়ন করেছে। সেখানে সৌর জ্বালানির গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।” তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে যথাযথ গবেষণা ও সম্ভাব্যতা যাচাই অত্যন্ত জরুরি।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রতিশ্রুতিশীল প্রযুক্তি নিয়ে বাংলাদেশ অবশ্যই অনুসন্ধান চালাবে। কিন্তু সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে গভীর গবেষণা অপরিহার্য। তিনি আরও যোগ করেন, “কোনো সন্দেহ নেই—বাংলাদেশকে দ্রুত জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে আসতেই হবে।”

ভার্চুয়াল সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এবং সরকারের সিনিয়র সচিব ও এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ।

মো: আল-আমিন
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, চন্দ্রদ্বীপ নিউজ ২৪ ডট কম




বরিশালে ৬৪০ মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা আয়োজন

বরিশাল জেলার ১০টি উপজেলা ও সিটি করপোরেশন এলাকায় এবার মোট ৬৪০টি মণ্ডপে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রতিটি মণ্ডপে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে, সম্পন্ন হয়েছে প্রতিমা তৈরির কাজ ও আলোকসজ্জা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মহানগরে সার্বজনীন ৩৯টি ও ব্যক্তিগতভাবে ৬টিসহ মোট ৪৫টি পূজামণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া সদর উপজেলায় ২২টি, আগৈলঝাড়ায় ১৬১টি, উজিরপুরে ১২০টি, গৌরনদীতে ৮৪টি, বাকেরগঞ্জে ৭৪টি, বানারীপাড়ায় ৫৯টি, মেহেন্দিগঞ্জে ২৪টি, বাবুগঞ্জে ২৪টি, মুলাদীতে ১২টি এবং হিজলায় ১৫টিসহ সর্বমোট ৬৪০টি মণ্ডপে পূজা হবে।

বরিশাল মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক সমির দাস ও সদস্য সচিব পলাশ চন্দ্র দেবনাথ জানান, উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিটি মণ্ডপে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হয়েছে, পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতাও থাকবে। ইতোমধ্যে মহানগরে ১০ থেকে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট পাঁচটি পর্যবেক্ষক টিম গঠন করা হয়েছে।

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি মানিক লাল মুখার্জী জানান, কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদের নির্দেশনা অনুযায়ী পূজা আয়োজন করা হবে। বৈরী আবহাওয়া ও অন্যান্য চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও পূজায় কোনো ধরনের বিঘ্ন না ঘটে, সে বিষয়েও মণ্ডপগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতিমূলক সভায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে প্রশাসন, পুলিশ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পূজা উদযাপন পরিষদের প্রতিনিধি এবং সরকারি–বেসরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় প্রতিটি মণ্ডপে নিরাপত্তা জোরদার এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পূজা চলাকালীন নগরীর প্রতিটি মণ্ডপে সাদা পোশাক ও ইউনিফর্ম পরিহিত পুলিশ সদস্য টহল দেবে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সবশেষে জেলা প্রশাসন, পূজা উদযাপন পরিষদ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম /২০২৫




প্রতিবন্ধীরা সুবিধা বঞ্চিত থাকবে কতদিন, কারিতাসের সেমিনারে অভিযোগ

বরিশালে শারীরিক প্রতিবন্ধীরা সরকারের প্রতিশ্রুত সুবিধা প্রাপ্তিতে বাধার কথা জানিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এ বিষয়টি উঠে এসেছে কারিতাস বাংলাদেশ বরিশাল অঞ্চলের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী সেমিনারে।

বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) নগরীর সাগরদী কারিতাস অঞ্চলিক কার্যলয়ে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে বরিশাল জেলা-উপজেলার প্রতিবন্ধীসহ সমাজসেবা ও স্বাস্থ্য বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। সেমিনারের বিষয় ছিল—“শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার, বিভিন্ন সেবা ও স্বাবলম্বী হওয়া।”

সভায় প্রতিবন্ধীরা অভিযোগ করেছেন, সরকারি নানা সুবিধা তাদের হাতে পৌঁছায় না। ভুয়া প্রতিবন্ধী, রাজনৈতিক সুপারিশ এবং একই ব্যক্তির একাধিক কার্ডের কারণে প্রকৃত প্রতিবন্ধীরা সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

সেমিনারে বক্তারা সামাজিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের স্বাবলম্বী করে তোলার জন্য নানা পরামর্শ দিয়েছেন। সভার প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজ অধিদপ্তর বরিশাল জেলা কার্যলয়ের উপপরিচালক এ কে এম আখতারুজ্জামান তালুকদার। সভার সভাপতিত্ব করেন কারিতাস বরিশাল অঞ্চলের কর্মকর্তা মি. পল রায়। এছাড়া বরিশাল সদর উপজেলার সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ কে এম কুদরত ই খুদা উপস্থিত ছিলেন।

কারিতাসের সহায়তায় ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী, প্রবীণ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক অন্তর্ভুক্তির প্রকল্পের মাধ্যমে দুই শতাধিক প্রতিবন্ধী নারী-পুরুষকে প্রশিক্ষণ দিয়ে স্বাবলম্বী করা হয়েছে।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




ফরিদা ম্যামের গান শুনেই লালনগীতির প্রেমে পড়ি: নাসরিন আক্তার বিউটি

‘ক্লোজআপ ওয়ান তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ’ রিয়েলিটি শোয়ের প্রথম সিজনের বিজয়ী নাসরিন আক্তার বিউটি দেশের মানুষের কাছে পরিচিতি পেয়েছেন লালনগীতি মাধ্যমে। তাকে সাধারণত ‘লালনকন্যা বিউটি’ নামেও ডাকা হয়।

বিউটি বার্তা২৪.কম-কে বলেছেন, “ফরিদা পারভীনের গান আমাকে লালনগীতির সঙ্গে পরিচয় করিয়েছে। তার গান শুনেই প্রথম লালনের গান গাইতে শিখি। বাবার হাতে মাত্র ৪–৫ বছর বয়সে ফরিদা ম্যামের একটি লালনের গান শোনার পর ‘আমারে কি রাখবে গুরু চরণে’ গানটি আমি প্রথম গেয়েছি। এই গানই আমাকে ক্লোজআপ ওয়ান প্রতিযোগিতায় অডিশনে সুযোগ এনে দেয়।”

তিনি আরও জানান, ফরিদা ম্যামের প্রয়াণে শোক প্রকাশ করে অনেকেই নিন্দা-বিষয়ক মন্তব্য করেছেন, তবে ফরিদা ম্যামের ক্ষেত্রে তা হয়নি। বিউটি বলেন, “শিল্পী বা যে কোনো মানুষ চলে গেলে তার জন্য দোয়া করা উচিত। ফরিদা ম্যামের স্মরণে আমি বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছি। যেমন যমুনা টিভির অনুষ্ঠান এবং ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ইউটিউব চ্যানেলের জন্য ৮টি গান রেকর্ড করা হবে।”

বর্তমান ব্যস্ততা সম্পর্কে বিউটি বলেন, “স্টেজ শো কম হওয়ায় রেকর্ডিং ও টিভি অনুষ্ঠানে বেশি সময় দিচ্ছি। সম্প্রতি প্রয়াত বশির আহমেদের ছেলে রাজা বশিরের কম্পোজিশনে তিনটি গান করেছি। এগুলোতে আধুনিক, সেমি ক্ল্যাসিক্যাল ও দেশাত্মবোধক গান রয়েছে। ভবিষ্যতে নিজের ইউটিউব চ্যানেলেও নিয়মিত কনটেন্ট দেব।”

পারিবারিক জীবনের সমন্বয় নিয়ে তিনি বলেন, “গানের কাজ আমার মনের খোরাক, তবে সন্তান ও পরিবারই সর্বাগ্রে। স্বামীর সমর্থন থাকলে সব কাজ পরিচালনা সহজ হয়। আমরা দুজন মিলেমিশেই সন্তানদের বড় করার চেষ্টা করছি।”


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫




মুশফিকের শততম টেস্টের মঞ্চ তৈরি, নভেম্বরে আসছে আয়ারল্যান্ড

বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসে একটি বিশেষ মুহূর্তের অপেক্ষা। সব ঠিক থাকলে নভেম্বরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিলেটে অনুষ্ঠিত হবে মুশফিকুর রহিমের শততম টেস্ট ম্যাচ। দেশের হয়ে এটি প্রথমবারের মতো কোনো ক্রিকেটারের জন্য মাইলফলক।

২০০৫ সালে লর্ডসে অভিষেকের পর থেকে মুশফিক দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দলের নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে মাঠে নামছেন। মাত্র ১৮ বছর বয়সে জাতীয় দলে অভিষেকের পর আজ তিনি দেশের সর্বোচ্চ টেস্ট রান সংগ্রাহক।

এখন পর্যন্ত ৯৮ ম্যাচে মুশফিকুর রহিমের সংগ্রহ ৬,৩২৮ রান। তার মধ্যে রয়েছে ১২টি সেঞ্চুরি, ৩টি ডাবল সেঞ্চুরি এবং ২৭টি অর্ধশতক। ২০২০ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তার ২১৯ রানের অপরাজিত ইনিংস বাংলাদেশের যে কোনো ব্যাটারের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ।

নতুন সূচি অনুযায়ী, ১১ নভেম্বর মিরপুরে শুরু হবে প্রথম টেস্ট। দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচ হবে ১৯ নভেম্বর সিলেটে। আয়ারল্যান্ড মূলত ওয়ানডে সিরিজ খেলতে চেয়েছিল, তবে তারা টেস্টকে অগ্রাধিকার দিয়েছে।

এই সিরিজ শেষে অনুষ্ঠিত হবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি লড়াই। প্রথম দুটি ম্যাচ ২৭ ও ২৯ নভেম্বর, আর শেষ ম্যাচ ২ ডিসেম্বর ঢাকায়।

এর আগে, বাংলাদেশে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর করবে। অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে ১ নভেম্বর পর্যন্ত টাইগাররা তাদের বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলবে। ডিসেম্বর-জানুয়ারি পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফাঁকা সময় থাকবে, সম্ভাব্যভাবে সেই সময়েই আয়োজন হতে পারে বিপিএলের। ফেব্রুয়ারিতে শুরু হচ্ছে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারত ও শ্রীলঙ্কায়।


এস এল টি / চন্দ্রদ্বীপ নিউজ২৪.কম / ২০২৫